ডমিনিকান উপকূলে অভিবাসী ট্র্যাজেডি, উদ্ধার অভিযান শেষ

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ১৬ ১০:০৮:৪৪
ডমিনিকান উপকূলে অভিবাসী ট্র্যাজেডি, উদ্ধার অভিযান শেষ

ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রে অভিবাসী বোঝাই একটি নৌকাডুবির ঘটনায় আটজনের মৃত্যুর পর মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার পুয়ের্তো রিকোর উদ্দেশে যাত্রা করা নৌকাটি সমুদ্রে উল্টে গেলে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ১৭ জন। তবে এখনো ঠিক কতজন নিখোঁজ, তা নিশ্চিত করতে পারেননি উদ্ধারকর্মীরা। ধারণা করা হচ্ছে, নৌকাটিতে ৪০ থেকে ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বে থাকা প্রাদেশিক সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা ফার্নান্দো ক্যাস্টিয়ো বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, “আমরা মোট ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছি এবং আটজনের মরদেহ খুঁজে পেয়েছি। তবে নিখোঁজের সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।”

মৃতদের মধ্যে ডমিনিকান ও হাইতির নারী-পুরুষ—উভয়ই রয়েছেন বলে জানান তিনি।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমুদ্রে প্রচণ্ড ঢেউ ও ঘন শৈবালের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হয়। অভিবাসীরা ‘ইওলা’ নামে পরিচিত ছোট মাছ ধরার নৌকায় যাত্রা করছিলেন, যেগুলো কাঠ বা ফাইবারগ্লাস দিয়ে তৈরি এবং কোনো ধরনের নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে তৈরি নয়।

পুয়ের্তো রিকো পৌঁছানোর জন্য এ ধরনের যাত্রার খরচ প্রতিজনের জন্য প্রায় ৭ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

হাইতি ও ডমিনিকান প্রজাতন্ত্র মিলিয়ে গঠিত হিস্পানিওলা দ্বীপ থেকে পুয়ের্তো রিকোর পথে বিপজ্জনক এই সামুদ্রিক রুট অভিবাসীদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চরম দারিদ্র্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা থেকে পালিয়ে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই বিপজ্জনক যাত্রা বেছে নিচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, নিয়মবহির্ভূত অভিবাসনের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান না নিলে এ ধরনের প্রাণঘাতী ঘটনা বাড়তেই থাকবে। একই সঙ্গে নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও সহজ ও কার্যকর করার দাবিও তুলছেন মানবাধিকার সংগঠনগুলো।

-হাসানুজ্জামান, নিজস্ব প্রতিবেদক


২৪ ঘণ্টায় ১০৮ বার কম্পন! আমেরিকাজুড়ে কি বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১১:১২:৫৮
২৪ ঘণ্টায় ১০৮ বার কম্পন! আমেরিকাজুড়ে কি বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস?
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে হঠাৎ করেই ঘন ঘন ভূমিকম্প অনুভূত হচ্ছে যা সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মাত্র চার ঘণ্টার ব্যবধানে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২৮টি মৃদু মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইউএসজিএস (USGS)-এর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, গত ২৪ ঘণ্টায় পুরো যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ১ দশমিক ৫ বা তার বেশি মাত্রার মোট ১০৮টি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এই প্রবণতা গত এক সপ্তাহ ধরেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং গত সাত দিনে মোট ভূমিকম্পের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৩১টিতে। এছাড়া গত ৩০ দিনের হিসাব অনুযায়ী দেশটিতে প্রায় ৩ হাজার ৭০৭টি ছোট-বড় ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে অনুভূত হওয়া এই ভূমিকম্পগুলোর বেশিরভাগই ছিল তুলনামূলক কম মাত্রার এবং সেভাবে কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য মতে, নেভাদার লাভলকে ১.৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে যার গভীরতা ছিল প্রায় ৪ কিলোমিটার। এর আগে টেক্সাসের ভ্যান হর্নে ১.৯ মাত্রার এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সোলেদাদে ২.০ মাত্রার মৃদু কম্পন অনুভূত হয়। এছাড়া হাওয়াইয়ের আগ্নেয়গিরি প্রবণ এলাকা, আলাস্কার সোলডোটনা ও হ্যাপি ভ্যালি, নিউ মেক্সিকোর লাভিং এবং টেক্সাসের বেশ কিছু অঞ্চলেও স্বল্প মাত্রার কম্পন রেকর্ড করেছে পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো।

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে লুইজিয়ানার কুশাট্টায় যার মাত্রা ছিল ৪.৯। তবে চলতি মাসের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে সবচেয়ে বড় ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়েছে আলাস্কার উনালাস্কায় যার মাত্রা ছিল ৬.১। অন্যদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পের সাক্ষী হয়েছে আলাস্কার স্যান্ড পয়েন্ট এলাকা যেখানে রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৭.৩। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে, আলাস্কা, ক্যালিফোর্নিয়া ও হাওয়াই ভূকম্পনপ্রবণ অঞ্চল হওয়ায় সেখানে ছোট মাত্রার ভূমিকম্প হওয়া একটি নিয়মিত ঘটনা এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এগুলো বড় কোনো বিপদ বা ক্ষয়ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায় না।

/আশিক


ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়োল্লাসে জল ঢেলে দিল ইরান: ৬ মাস যুদ্ধের নতুন ছক

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ১০:২০:৫০
ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়োল্লাসে জল ঢেলে দিল ইরান: ৬ মাস যুদ্ধের নতুন ছক
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত সামরিক অভিযানের মুখে ইরান তাদের সক্ষমতা নিয়ে নতুন বার্তা দিয়েছে। দেশটির প্রভাবশালী সামরিক শক্তি ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, বর্তমান আকার ও তীব্রতার যুদ্ধ ইরান অন্তত আরও ছয় মাস চালিয়ে যেতে পুরোপুরি সক্ষম। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে আইআরজিসির মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনির এই চাঞ্চল্যকর বক্তব্যটি প্রকাশ করা হয়েছে। নাইনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, যুদ্ধের বর্তমান যে মাত্রা রয়েছে, তা মোকাবিলা করার মতো রসদ ও শক্তিমত্তা তেহরানের ভাণ্ডারে ‘অন্তত’ আগামী আধা বছরের জন্য মজুদ রয়েছে।

ইরানি মুখপাত্রের এই দাবিটি মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মূল্যায়নের সম্পূর্ণ বিপরীত একটি চিত্র তুলে ধরেছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত কয়েক দিন ধরে বারবার দাবি করে আসছেন যে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো সামরিক অভিযানগুলো অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে এবং তেহরানের কোমর ভেঙে গেছে। চলতি সপ্তাহেই এক বক্তব্যে ট্রাম্প দম্ভোক্তি করে বলেছিলেন যে, তারা এই যুদ্ধে বড় ব্যবধানে জয়লাভ করছেন এবং ইরানের তথাকথিত ‘শয়তানি সাম্রাজ্য’ তারা প্রায় গুঁড়িয়ে দিয়েছেন। ট্রাম্পের এমন দাবির পর আইআরজিসির পক্ষ থেকে এই পাল্টা যুদ্ধের সক্ষমতার ঘোষণা দেওয়া হলো।

উল্লেখ্য যে, আইআরজিসি কেবল ইরানের একটি সাধারণ সামরিক বাহিনী নয়, বরং এটি দেশটির অন্যতম শক্তিশালী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী একটি প্রতিষ্ঠান। সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি ইরানের শিক্ষা, অর্থনীতি এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বাহিনীর বিশাল নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব রয়েছে। ফলে আইআরজিসির পক্ষ থেকে যখন যুদ্ধের মেয়াদ নিয়ে এমন সুনির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করা হয়, তখন তা আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয়োল্লাসের বিপরীতে ইরানের এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের প্রস্তুতি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটকে আরও প্রলম্বিত ও জটিল করে তুলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ০৯:৪৯:৫৪
আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত: মার্কিন কমান্ডো শিবিরে লাশের পাহাড়
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, গত ২৪ ঘণ্টায় তারা প্রতিবেশী তিনটি দেশে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে শক্তিশালী পাল্টা হামলা চালিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই সাঁড়াশি অভিযানে মোট ২২০ জন মার্কিন সৈন্য ও কমান্ডার হতাহত হয়েছেন। ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি শনিবার এক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ইরানের এই মরণপণ হামলায় সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবকাঠামো ও সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাঘারি হামলার বিস্তারিত তুলে ধরে জানান, বাহরাইনে মোতায়েন থাকা মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তিশালী ‘ফিফথ ফ্লিট’-এ চালানো ইরানি হামলায় অন্তত ২১ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘আল ধাফরা’ বিমানঘাঁটিতে চালানো আক্রমণে হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি বলে দাবি করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ২০০ জন মার্কিন সামরিক সদস্য নিহত বা আহত হয়েছেন বলে তেহরান দাবি করছে। এছাড়া পারস্য উপসাগরের উত্তর অংশে চলাচলকারী যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজকেও ইরান তাদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে এবং সেখানে সফলভাবে আঘাত হেনেছে।

এই সংঘাতের সূত্রপাত নিয়ে ইরান বলছে যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে তাদের ওপর নতুন করে ভয়াবহ সামরিক অভিযান শুরু করে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, এর প্রায় আট মাস আগেও উসকানিমূলকভাবে তাদের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছিল এই জোট। তেহরানের ভাষ্যমতে, ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় ইসলামি বিপ্লবের পরম নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, শত শত নিরীহ বেসামরিক নাগরিক এবং বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক কমান্ডার নিহত হন।

এই শোকাবহ ঘটনার দ্রুত প্রতিশোধ নিতেই ইরান বর্তমানে ইসরায়েল অধিকৃত অঞ্চল এবং মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রেখেছে। ইরানি কর্মকর্তারা স্পষ্ট করেছেন যে, তাদের এই আক্রমণগুলো কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক স্বার্থকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছে এবং যেসব দেশে এসব মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, সেই দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি ইরানের পূর্ণ সম্মান রয়েছে।

/আশিক


মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়: এবার ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় আঘাত হানল ইরান

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৮ ০৯:২৭:৩৬
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়: এবার ইরাকে মার্কিন স্থাপনায় আঘাত হানল ইরান
ছবি : সংগৃহীত

ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সন্নিকটে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, হামলার সময় ওই এলাকায় বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং এর পরপরই সেখানে ব্যাপক বিমান বিধ্বংসী গোলাবর্ষণ শুরু হয়।

ধারণা করা হচ্ছে, ঘাঁটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ড্রোনগুলোকে আকাশেই প্রতিহত করার চেষ্টা করছিল যার ফলে এই গোলাবর্ষণ ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এই ড্রোন হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ কিংবা ইরাকি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা তথ্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে বড় ধরনের হামলা চালানোর দাবি করেছে। হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, শনিবার রাতে তারা উত্তর ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ শহর কিরিয়াত শমোনা লক্ষ্য করে বেশ কিছু রকেট নিক্ষেপ করেছে।

স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৯টায় এই রকেট হামলা চালানো হয়। এর আগে একই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকেও তারা ওই শহরটিকে লক্ষ্য করে বেশ কিছু ড্রোন হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি করেছে। মূলত ইরান ও হিজবুল্লাহর এই সমন্বিত ড্রোন ও রকেট হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ ধারণ করেছে।

সূত্র: ইরাকি নিউজ


আমরা বিশ্বের উপকার করছি! ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত দাবি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ২২:০০:৪৫
আমরা বিশ্বের উপকার করছি! ইরানে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে ট্রাম্পের বিতর্কিত দাবি
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানকে ‘বিশ্বের জন্য এক মহান সেবা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, এই যুদ্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র পুরো পৃথিবীর উপকার করেছে। ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত সামরিক অভিযানের অগ্রগতিকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

ট্রাম্প তাঁর স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে এই অভিযানের মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন, কার্যকারিতার দিক থেকে ১০-এর স্কেলে এই অভিযানের মান হবে '১৫'। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ের সুনির্দিষ্ট হামলাগুলোতে ইরানের নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, তেহরানের সামরিক মেরুদণ্ড বর্তমানে কার্যত ভেঙে পড়েছে।

অভিযানে নিহত ইরানের শীর্ষ নেতাদের ‘অসুস্থ মানুষ’ (Sick People) বলে কটাক্ষ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, এই অভিযান কেবল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার একটি বৈশ্বিক প্রচেষ্টা। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল জোটের মধ্যে সংঘাত চরম আকার ধারণ করেছে।

/আশিক


আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত; মার্কিন সেনাদের বড় বিপর্যয়

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৯:৫৩:৩৩
আল ধাফরা ও ফিফথ ফ্লিটে ইরানের বিধ্বংসী আঘাত; মার্কিন সেনাদের বড় বিপর্যয়
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ–৪’-এর প্রলয়ঙ্করী আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সামরিক ঘাঁটি। ইরানের শক্তিশালী খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্সের দাবি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টার এই প্রতিশোধমূলক হামলায় অন্তত ২০০ জনের বেশি মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। শনিবার এক বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে দপ্তরটি।

বিবৃতিতে জানানো হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘আল ধাফরা’ বিমানঘাঁটিতে চালানো হামলায় নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সেখানে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা নিহত বা আহত হয়েছেন। এছাড়া বাহরাইনভিত্তিক মার্কিন নৌবাহিনীর ‘ফিফথ ফ্লিট’-এ চালানো নিখুঁত হামলায় অন্তত ২১ জন সেনা নিহতের খবর নিশ্চিত করেছে ইরান। এই হামলায় মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও সরঞ্জামেরও অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

পারস্য উপসাগরের উত্তরাঞ্চলে একটি মার্কিন তেলবাহী জাহাজও ইরানের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়। ইরানের জেনারেল স্টাফের অধীনে পরিচালিত এই কেন্দ্রীয় কমান্ডটি মূলত বিভিন্ন বাহিনীর যৌথ অভিযানের সমন্বয় করে থাকে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহতের পর থেকেই ইরান এই মরণপণ পাল্টা আঘাত শুরু করেছে। বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্য মার্কিন সেনাদের জন্য এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে বলে দাবি করছে তেহরান।

সূত্র: তাসনিম নিউজে এজেন্সি


খামেনি পরবর্তী ইরানের হাল ধরবেন কে? দ্রুত ঘোষণার দাবি শীর্ষ দুই আয়াতুল্লাহর

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৯:২২:৪৬
খামেনি পরবর্তী ইরানের হাল ধরবেন কে? দ্রুত ঘোষণার দাবি শীর্ষ দুই আয়াতুল্লাহর
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর শূন্যতা পূরণে দ্রুত নতুন উত্তরসূরি ঘোষণার তাগিদ দিয়েছেন দেশটির দুই প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা। আজ শনিবার (৭ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দেশটির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অস্থিতিশীলতা এড়াতে শীর্ষ ধর্মীয় গুরু আয়াতুল্লাহ হুসেইন নুরি হামেদানি এবং আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি এই আহ্বান জানান।

এক বিবৃতিতে আয়াতুল্লাহ নুরি হামেদানি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে শত্রুদের হীন চক্রান্ত নস্যাৎ করতে এবং জাতির ঐক্য ও সংহতি অটুট রাখতে দ্রুত নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করা অপরিহার্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বহিঃশক্তির আগ্রাসন মোকাবিলায় দেশের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীকে নিরবচ্ছিন্ন সমর্থন ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়া প্রয়োজন। তাঁর মতে, নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা জনগণের মনোবল বৃদ্ধি করবে এবং জাতীয় সংহতিকে আরও সুদৃঢ় করবে।

একই সুরে কথা বলেছেন আরেক শীর্ষ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ নাসের মাকারেম শিরাজি। তিনি গুরুত্বারোপ করে বলেন, সময়মতো এই গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা হলে রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে। তিনি মনে করেন, নেতৃত্বের দ্রুত পরিবর্তন প্রশাসনিক স্থবিরতা কাটাতে এবং বিশ্বমঞ্চে ইরানের অবস্থান শক্ত রাখতে সহায়ক হবে।

আলি খামেনির আকস্মিক মৃত্যুর পর থেকে ইরানের ক্ষমতা কাঠামোর শীর্ষপদে কে আসছেন, তা নিয়ে দেশটির ভেতরে ও বাইরে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে শীর্ষ দুই ধর্মীয় নেতার এই প্রকাশ্য আহ্বান ইরানের নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞ পরিষদের (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

/আশিক


হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তছনছ মার্কিন ঘাঁটি

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৯:০৬:২৯
হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে তছনছ মার্কিন ঘাঁটি
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত আক্রমণের মুখে পাল্টা আঘাতের তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ২৫তম দফার এই অভিযানে তারা প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক ‘হাইপারসনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বিকেলে আইআরজিসির পক্ষ থেকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং বিভিন্ন সামরিক সহায়তা কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে এই বিধ্বংসী হামলা চালানো হয়েছে। এই বিশেষ অভিযানে তারা নিজেদের তৈরি হাইপারসনিক ‘ফাতাহ’ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যালিস্টিক ‘এমাদ’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। উল্লেখ্য, হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের চেয়ে অন্তত পাঁচ গুণ বেশি গতিতে লক্ষ্যবস্তুর দিকে ধেয়ে যেতে সক্ষম। ঘণ্টায় ৬ হাজার ১৭৪ কিলোমিটার বা ৩ হাজার ৮৩৬ মাইল বেগে ছুটতে পারায় আধুনিক কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষেই একে রুখে দেওয়া প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হয়।

সংঘাতের সূত্রপাত হয়েছিল গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি), যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের ওপর বড় ধরনের বিমান হামলা শুরু করে। তেহরানে চালানো সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তা নিহত হন। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ইরান ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে ইসরায়েলের মূল ভূখণ্ড এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হাইপারসনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এই যুদ্ধকে এখন এক নতুন ও ভয়াবহ মাত্রায় নিয়ে গেল।

/আশিক


আত্মসমর্পণ নাকি রণকৌশল? ট্রাম্পের দাবি ও ইরানের পাল্টা হামলার রহস্য কী?

বিশ্ব ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ০৭ ১৮:৫২:৩৪
আত্মসমর্পণ নাকি রণকৌশল? ট্রাম্পের দাবি ও ইরানের পাল্টা হামলার রহস্য কী?
ছবি : সংগৃহীত

ইরানের নমনীয় অবস্থানকে তাদের ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে অভিহিত করে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরান তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে কেবল ক্ষমা প্রার্থনা করেনি, বরং ভবিষ্যতে আর কোনো হামলা না চালানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক বার্তায় দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত এবং প্রচণ্ড হামলার মুখে টিকতে না পেরেই ইরান এই নতিস্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। তবে ইরানের এই পিছু হটার বার্তার মাঝেই ট্রাম্প নতুন করে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, আজই ইরানের ওপর ‘খুব কঠোর’ বা বড় ধরনের কোনো হামলা চালানো হতে পারে। ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, ইরানের আচরণের কারণে এখন এমন কিছু স্পর্শকাতর এলাকা বা গোষ্ঠীকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করার কথা ভাবা হচ্ছে, যা আগে কখনো ভাবা হয়নি।

অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক ভিডিও বার্তার মাধ্যমে তাঁর দেশের নতুন অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানান, ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর আর কোনো আক্রমণ চালাবে না। তবে তিনি একটি শর্তও জুড়ে দিয়েছেন; যদি প্রতিবেশীদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা হয়, তবে তেহরান তার কড়া জবাব দিতে দ্বিধা করবে না। প্রেসিডেন্টের এই বার্তার পরপরই ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক হুঙ্কার দিয়েছে। তারা সাফ জানিয়েছে, যদি ইরানের ওপর হামলা অব্যাহত থাকে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত সব মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি ‘আল ধাফরা’তে সফল হামলার দাবি করেছে আইআরজিসি। শনিবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, আবুধাবির কাছে অবস্থিত এই ঘাঁটিতে মার্কিন যুদ্ধবিমান কেন্দ্র এবং একটি স্যাটেলাইট যোগাযোগ কেন্দ্রকে লক্ষ্য করে তারা আঘাত হেনেছে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বিমান অভিযানের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে যে, তারা এখনও পাল্টা আঘাত করার সক্ষমতা রাখে। এই পাল্টাপাল্টি হুমকি ও হামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক অগ্নিগর্ভ রূপ নিয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: