এসএসসি রেজাল্ট আজ, মোবাইলেই জেনে নিন ফলাফল

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ১০ ০৯:৫৭:১৭
এসএসসি রেজাল্ট আজ, মোবাইলেই জেনে নিন ফলাফল

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে আজ, ১০ জুলাই বুধবার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার দুপুর ২টায় ফল প্রকাশ করা হবে। তবে অন্যান্য বছরের মতো ফল প্রকাশ উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা সংবাদ সম্মেলন থাকছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ বছর ফল ঘোষণা করা হবে একেবারেই অনাড়ম্বরভাবে, কেবল নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে।

গত ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৩ মে পর্যন্ত চলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। দেশের ১১টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে প্রায় এক লাখ। এই হ্রাসের পেছনে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া, ভোকেশনাল শিফট, এবং অন্যান্য সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিবর্তন কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফলাফল প্রকাশের বিষয়টি গতানুগতিক প্রথা থেকে ভিন্ন ধাঁচে পরিচালিত হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে ফল প্রকাশের আগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তরের রেওয়াজ থাকলেও এবার তা হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ফলাফল প্রকাশে প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রশাসনিক সহজীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে সারাদেশের শিক্ষার্থী একযোগে, অপেক্ষা ছাড়াই ফল জানতে পারে।

ফল জানার মাধ্যম ও পদ্ধতি

শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারবে দুইটি প্রধান মাধ্যমে অনলাইন ও এসএমএস। অনলাইনে ফল জানতে হলে যেতে হবে www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে। সেখানে পরীক্ষার সাল (২০২৫), পরীক্ষার ধরন (এসএসসি/দাখিল), বোর্ড, রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখা যাবে।

মোবাইল ফোনের এসএমএস ব্যবস্থায় ফল জানার জন্য নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করতে হবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তা হলো:

SSC <বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর> <রোল নম্বর> 2025এবং এটি পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণস্বরূপ: SSC DHA 123456 2025।

দাখিল পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একইরকম পদ্ধতি কার্যকর। তারা চাইলে www.bmeb.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘অনলাইন সেবা-১’ কর্নার থেকে ‘দাখিল পরীক্ষা ২০২৫’ অপশন সিলেক্ট করে জেলা ও কেন্দ্রভিত্তিক ফল দেখতে পারবে। একই সঙ্গে তারা educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটেও রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানতে পারবে। মোবাইলে ফল জানতে হলে টাইপ করতে হবে:Dakhil MAD <রোল নম্বর> 2025এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল সংগ্রহের নির্দেশনা

শুধু শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ফলই নয়, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানার ব্যবস্থাও রয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বা কেন্দ্র সচিবরা https://eboardresults.com/v2/home ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN (Educational Institute Identification Number) নম্বর ব্যবহার করে ‘Institution Result’ অপশন থেকে তাদের প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন।

ফল প্রকাশের পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়েই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্র সচিবদের কাছে ফল প্রেরণ করবে। এরপর সংশ্লিষ্টরা শিক্ষার্থীদের ফল জানাতে পারবেন।

ফলাফল প্রকাশ দিনটি শুধু একটি নির্দিষ্ট তারিখ নয় এটি লাখো শিক্ষার্থীর জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই ফলের ভিত্তিতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ভবিষ্যতের পেশা ও উচ্চশিক্ষার দিক নির্ধারণ করে।

শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক মহলে একমত যে, ফলাফল যাচাইয়ের পাশাপাশি এই সময় শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন দেওয়াটাও অত্যন্ত জরুরি। যাদের ফল আশানুরূপ না হয়, তাদের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে এবং ব্যর্থতাকে অস্থায়ী ধাপ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

এ বছর যেভাবে প্রযুক্তিনির্ভর ও আনুষ্ঠানিকতামুক্তভাবে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে সময় ও জনসম্পদের সাশ্রয়ের পাশাপাশি সারা দেশে দ্রুত ও সমানভাবে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে এক ভিন্ন ধারায় প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার সমন্বয়ে। এটি শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, বরং লাখো শিক্ষার্থীর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অনলাইনে এবং মোবাইলের মাধ্যমে সহজেই ফলাফল জানার এই ব্যবস্থা শিক্ষা ব্যবস্থার একটি ডিজিটাল অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবেও রয়ে যাবে।


সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ১০:৩৫:০৭
সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু
ছবি : সংগৃহীত

দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এই মেগা পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০ মে পর্যন্ত মূল পরীক্ষা চলবে এবং এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে ৩০ মিনিটের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাদে সব বিষয়েই এই কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে এবং দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি নেই।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন কমেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।

/আশিক


পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৯ ২১:১৭:২৯
পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করেছে শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্ন ফাঁস রোধ, ডিজিটাল জালিয়াতি বন্ধ এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ২০ ধরনের অপরাধের জন্য তিন স্তরের শাস্তির বিধানসহ পরীক্ষার আসন বিন্যাস ও সময়সূচিতেও আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন।

শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এবার সৃজনশীল (সিকিউ) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের এমসিকিউ-এর জন্য ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীলের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।

নকল রোধে ৫-৬ ফুটের বেঞ্চে সর্বোচ্চ ২ জন এবং ৪ ফুটের বেঞ্চে মাত্র ১ জন পরীক্ষার্থী বসার নিয়ম করা হয়েছে। এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নিজস্ব কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে না এবং একই স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসার সুযোগ থাকছে না।

সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে। ক্যালকুলেটরে তথ্য লুকানো বা মোবাইল রাখলে ওই বছরের পরীক্ষা বাতিল হবে। উত্তরপত্র পাচার বা শিক্ষককে হুমকি দিলে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হবে।

আর যদি কেউ অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেয় (প্রক্সি) বা শারীরিক আক্রমণ ও অস্ত্র প্রদর্শন করে, তবে তাকে সরাসরি ২ বছরের জন্য বহিষ্কারসহ নিয়মিত ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হবে। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে মাঠে থাকছে বিশেষ ‘ভিজিল্যান্স টিম’, যারা যেকোনো সময় কেন্দ্রে ঝটিকা অভিযান চালানোর পূর্ণ ক্ষমতা রাখে।

/আশিক


এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৬ ১২:১৩:৩৫
এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের পরীক্ষা পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড, যেখানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরবে বহিষ্কারের কঠোর বিধান। এই নতুন নিয়মের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার হলে সরাসরি নকল না করলেও যারা অন্যের উত্তর দেখে লেখে বা বারবার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা।

সাইলেন্ট এক্সপেল বা নীরব বহিষ্কার পদ্ধতিটি হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো পরীক্ষার্থী হলের নিয়ম ভাঙলে (যেমন: কথা বলা, এদিক-ওদিক তাকানো বা অন্যের খাতা দেখা) দায়িত্বরত পরিদর্শক তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেবেন না। ফলে পরীক্ষার্থী বুঝতেও পারবেন না যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তবে বিধি অনুযায়ী, ওই পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে পরিদর্শকের প্রতিবেদনসহ সেটি আলাদা লাল কালিতে ‘রিপোর্টেড’ লিখে বোর্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে বোর্ড ওই পরীক্ষার্থীর খাতা বাতিল বলে গণ্য করবে।

নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থী একবার নীরব বহিষ্কৃত হলে তাকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে সে কোনো অনিয়ম না করলেও তার প্রতিটি খাতা একই পদ্ধতিতে ‘রিপোর্টেড’ হিসেবে আলাদা প্যাকেটে বোর্ডে পাঠাতে হবে। প্রতিটি খাতার সাথে কেন তাকে নীরব বহিষ্কার করা হয়েছিল, তার সুস্পষ্ট কারণ সম্বলিত প্রতিবেদন থাকতে হবে। মূলত হলের পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং অবাধ্য পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতেই এই বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে শিক্ষা বোর্ড।

/আশিক


বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ১৪ ১৯:৫২:০২
বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস
ছবি : সংগৃহীত

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে খুদে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

প্রথমত, শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো এড়াতে আজ বিকেলের মধ্যেই প্রবেশপত্র, কলম, পেনসিল ও প্রয়োজনীয় জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ব্যাগে গুছিয়ে রাখা উচিত।

দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার আগের রাতে অধিক পড়াশোনার চেয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি, তাই দ্রুত ঘুমিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।

তৃতীয়ত, যানজট কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে।

চতুর্থত, ওএমআর (OMR) ফরমে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং কোনো ভুল হলে বিচলিত না হয়ে তাৎক্ষণিক দায়িত্বরত পরিদর্শককে জানাতে হবে।

পঞ্চমত, হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ে নিলে উত্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সহজ হয়।

ষষ্ঠত, যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে সেগুলো আগে লিখলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তী কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হয়।

সপ্তমত, প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে নিতে হবে কারণ কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অন্য প্রশ্নের সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

অষ্টমত, স্পষ্ট হাতের লেখা ও পরিচ্ছন্ন উত্তরপত্র পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসতে সাহায্য করে, তাই অপ্রয়োজনীয় কাটাকাটি বা ঘষামাজা বর্জন করা উচিত।

নবমত, কোনো প্রশ্নই পুরোপুরি ছেড়ে আসা উচিত নয় বরং পাসের জন্য ন্যূনতম নম্বর নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখে আসা জরুরি।

সবশেষে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা সম্পন্ন করে পুরো উত্তরপত্রটি পুনরায় যাচাই বা রিভিশন করে নিতে হবে যাতে রোল নম্বর ও ছোটখাটো বানান ভুলগুলো সংশোধন করে নেওয়া যায়।

/আশিক


শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৯ ১৪:২৩:০৯
শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, যেখানে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস পরিচালনার নতুন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শেখার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নতুন সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

মন্ত্রী জানান, সপ্তাহের মোট ছয়দিন ক্লাস চলবে, যার মধ্যে তিনদিন শিক্ষার্থীদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং বাকি তিনদিন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান সম্পন্ন হবে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, সোমবার ও বুধবার সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাস পরিচালিত হবে।

এই নতুন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার সময়ও শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। অর্থাৎ, শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকছে, যদিও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করবে।

সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং একই সঙ্গে সরাসরি শিক্ষার কার্যকারিতা বজায় রাখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাইব্রিড পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের সামাজিক ও পারস্পরিক শেখার পরিবেশও অক্ষুণ্ণ রাখবে।

তবে নতুন এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধার সীমাবদ্ধতা, ডিভাইসের প্রাপ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।

-রাফসান


এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ০৮ ২০:০৫:২৮
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের বিষয়ে বিশেষ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৭ দিন আগেই সব পরীক্ষার্থীর হাতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইতোমধ্যে বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ) তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে দ্রুত প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই আদেশে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিতরণ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য দেশের সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।

সঠিক সময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ ও বিতরণে কোনো অবহেলা হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই বোর্ড এই ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

/আশিক


সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩১ ১৭:৪০:৫৬
সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরের স্কুল ও কলেজগুলোতে এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।

সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে মোট ছয় দিনই সচল থাকবে। তবে এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি সশরীরে (অফলাইন) ক্লাসে উপস্থিত হবে এবং বাকি তিন দিন নিজ নিজ বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষকরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে জোড় ও বিজোড় রোল নম্বর বা দিন ভাগ করে এই অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয় করা হবে।

জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে পরিবহন খরচ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যদিও শিক্ষামন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ৫৫ শতাংশ মানুষ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণ বজায় রাখতে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে এই ‘হাইব্রিড’ বা সমন্বিত মডেলটি বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।

/আশিক


কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ২২:০০:২৪
কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
ছবি : সংগৃহীত

২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সোমবার (৩০ মার্চ) বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকরাও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। সাধারণত প্রতি বছর পরীক্ষার কয়েক মাস আগেই এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাতে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত সংক্রান্ত কোনো সমস্যা না হয়।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রে আসন বিন্যাস এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্র সচিবকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র কোডের সাথে বোর্ডের প্রকাশিত এই তালিকার মিল দেখে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তালিকা দেখুন এখতে ক্লিক করুন এখানে…

/আশিক


এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ৩০ ১০:৪৪:১১
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ২০২৬: নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১১ নির্দেশনা
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর এবং সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এই বিশাল পাবলিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে কেন্দ্র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জন্য ১১ দফার একটি বিশেষ নির্দেশনাবলী জারি করা হয়েছে।

মাউশির মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর বি এম আব্দুল হান্নান স্বাক্ষরিত এক জরুরি আদেশে এই নির্দেশনাগুলো প্রদান করা হয়। এতে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, পরীক্ষার হলে যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা জালিয়াতি রোধে সরকারের ‘শূন্য সহনশীলতা’ বা জিরো টলারেন্স নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে।

নতুন নির্দেশনায় প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্র ও কক্ষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা অচল রয়েছে, সেগুলো পরীক্ষা শুরুর আগেই সচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করে প্রয়োজনে কর্তৃপক্ষকে সরবরাহের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের নকল বা অন্য কোনো অসদুপায় অবলম্বন ঠেকাতে কেন্দ্রে প্রবেশের আগে দেহ তল্লাশি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রীদের তল্লাশির ক্ষেত্রে নারী শিক্ষকদের নিয়োজিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে দেয়াল ঘড়ি স্থাপন এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসসহ পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়েছে।

মাউশির আদেশে আরও জানানো হয়েছে যে, কেন্দ্র সচিব ব্যতীত অন্য কোনো শিক্ষক কিংবা পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন না। কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়া পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে কেন্দ্রের প্রধান ফটকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা টাঙিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাউশি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে দিয়েছে যে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবসহ দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: