এসএসসি রেজাল্ট আজ, মোবাইলেই জেনে নিন ফলাফল

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ১০ ০৯:৫৭:১৭
এসএসসি রেজাল্ট আজ, মোবাইলেই জেনে নিন ফলাফল

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হচ্ছে আজ, ১০ জুলাই বুধবার। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার দুপুর ২টায় ফল প্রকাশ করা হবে। তবে অন্যান্য বছরের মতো ফল প্রকাশ উপলক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিকতা বা সংবাদ সম্মেলন থাকছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ বছর ফল ঘোষণা করা হবে একেবারেই অনাড়ম্বরভাবে, কেবল নির্ধারিত ওয়েবসাইট ও এসএমএসের মাধ্যমে।

গত ১০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৩ মে পর্যন্ত চলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা। দেশের ১১টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে এবারের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মোট ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৯৭০ জন শিক্ষার্থী। ২০২৪ সালের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী সংখ্যা কমেছে প্রায় এক লাখ। এই হ্রাসের পেছনে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া, ভোকেশনাল শিফট, এবং অন্যান্য সামাজিক-অর্থনৈতিক পরিবর্তন কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফলাফল প্রকাশের বিষয়টি গতানুগতিক প্রথা থেকে ভিন্ন ধাঁচে পরিচালিত হচ্ছে। বিগত বছরগুলোতে ফল প্রকাশের আগে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফল হস্তান্তরের রেওয়াজ থাকলেও এবার তা হচ্ছে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, ফলাফল প্রকাশে প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রশাসনিক সহজীকরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে সারাদেশের শিক্ষার্থী একযোগে, অপেক্ষা ছাড়াই ফল জানতে পারে।

ফল জানার মাধ্যম ও পদ্ধতি

শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল জানতে পারবে দুইটি প্রধান মাধ্যমে অনলাইন ও এসএমএস। অনলাইনে ফল জানতে হলে যেতে হবে www.educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে। সেখানে পরীক্ষার সাল (২০২৫), পরীক্ষার ধরন (এসএসসি/দাখিল), বোর্ড, রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল দেখা যাবে।

মোবাইল ফোনের এসএমএস ব্যবস্থায় ফল জানার জন্য নির্দিষ্ট ফরম্যাট অনুসরণ করতে হবে।

এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য তা হলো:

SSC <বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর> <রোল নম্বর> 2025এবং এটি পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণস্বরূপ: SSC DHA 123456 2025।

দাখিল পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও একইরকম পদ্ধতি কার্যকর। তারা চাইলে www.bmeb.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘অনলাইন সেবা-১’ কর্নার থেকে ‘দাখিল পরীক্ষা ২০২৫’ অপশন সিলেক্ট করে জেলা ও কেন্দ্রভিত্তিক ফল দেখতে পারবে। একই সঙ্গে তারা educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটেও রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানতে পারবে। মোবাইলে ফল জানতে হলে টাইপ করতে হবে:Dakhil MAD <রোল নম্বর> 2025এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।

প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল সংগ্রহের নির্দেশনা

শুধু শিক্ষার্থীর ব্যক্তিগত ফলই নয়, প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল জানার ব্যবস্থাও রয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বা কেন্দ্র সচিবরা https://eboardresults.com/v2/home ওয়েবসাইটে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের EIIN (Educational Institute Identification Number) নম্বর ব্যবহার করে ‘Institution Result’ অপশন থেকে তাদের প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবেন।

ফল প্রকাশের পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়েই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্র সচিবদের কাছে ফল প্রেরণ করবে। এরপর সংশ্লিষ্টরা শিক্ষার্থীদের ফল জানাতে পারবেন।

ফলাফল প্রকাশ দিনটি শুধু একটি নির্দিষ্ট তারিখ নয় এটি লাখো শিক্ষার্থীর জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এই ফলের ভিত্তিতে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যা ভবিষ্যতের পেশা ও উচ্চশিক্ষার দিক নির্ধারণ করে।

শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক মহলে একমত যে, ফলাফল যাচাইয়ের পাশাপাশি এই সময় শিক্ষার্থীদের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থন দেওয়াটাও অত্যন্ত জরুরি। যাদের ফল আশানুরূপ না হয়, তাদের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে এবং ব্যর্থতাকে অস্থায়ী ধাপ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

এ বছর যেভাবে প্রযুক্তিনির্ভর ও আনুষ্ঠানিকতামুক্তভাবে ফল প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে সময় ও জনসম্পদের সাশ্রয়ের পাশাপাশি সারা দেশে দ্রুত ও সমানভাবে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হচ্ছে এক ভিন্ন ধারায় প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতার সমন্বয়ে। এটি শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, বরং লাখো শিক্ষার্থীর জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। অনলাইনে এবং মোবাইলের মাধ্যমে সহজেই ফলাফল জানার এই ব্যবস্থা শিক্ষা ব্যবস্থার একটি ডিজিটাল অগ্রগতির প্রমাণ হিসেবেও রয়ে যাবে।


জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৫ ২১:২২:১৬
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার নতুন নীতিমালা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। নতুন এই নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রকাশিত নীতিমালায় পরীক্ষার মানবণ্টন ও বিষয়কাঠামোও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এতে জানানো হয়, মোট ৪০০ নম্বরের ভিত্তিতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়ভিত্তিক মানবণ্টন অনুযায়ী বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে মোট ৩০০ নম্বর এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে বাকি ১০০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হবে। বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা জানতে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অফিসিয়াল পোর্টালে চোখ রাখতে বলা হয়েছে।

/আশিক


এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২৩ ১২:০১:১১
এগিয়ে এলো জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, নতুন সূচি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। পূর্বঘোষিত শিক্ষাপঞ্জির তুলনায় পরীক্ষা এক সপ্তাহ এগিয়ে এনে আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা বোর্ড। নতুন সূচি অনুযায়ী চার দিনে পাঁচ বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং শেষ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৫ ডিসেম্বর।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে গত ৬ আগস্ট অনুষ্ঠিত এক সভায় সংশোধিত সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সব শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার্থীদের জন্য একই সূচিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, নতুন সূচি অনুযায়ী ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। অর্থাৎ মাঝে বিরতি রেখে শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জিতে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ১৫ ডিসেম্বর শুরু করে ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। একই শিক্ষাপঞ্জিতে ৩০ ডিসেম্বর সম্ভাব্য ফল প্রকাশের তারিখ রাখা হয়। নতুন সিদ্ধান্তে পরীক্ষার শুরুর দিন সাত দিন এগিয়ে এলেও ফল প্রকাশের সময়সূচিতে কোনো পরিবর্তন হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যে নতুন কোনো তারিখ উল্লেখ করা হয়নি।

এবারের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মোট ৪০০ নম্বরের মূল্যায়ন হবে। পরীক্ষার ফল ও নির্ধারিত নীতিমালার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হবে।

বাংলা, ইংরেজি ও গণিত এই তিনটি বিষয়ের প্রত্যেকটিতে থাকবে ১০০ নম্বর। প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষার্থীরা তিন ঘণ্টা করে সময় পাবে। ফলে মূল তিন বিষয়ের সম্মিলিত নম্বর হবে ৩০০।

অন্যদিকে বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মিলিয়ে থাকবে বাকি ১০০ নম্বর। এর মধ্যে বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে দেড় ঘণ্টা করে মোট তিন ঘণ্টা সময় পাওয়া যাবে। একই দিনে এই দুই বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নতুন সূচি অনুসারে প্রথম পরীক্ষা বাংলা দিয়ে শুরু হবে মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর। এক দিনের বিরতির পর বৃহস্পতিবার, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রোববার, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং মঙ্গলবার, ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়ের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে এবারের বৃত্তি পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

সংশোধিত সূচি প্রকাশের ফলে পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির পরিকল্পনাতেও পরিবর্তন আনতে হবে। কারণ পূর্বনির্ধারিত ১৫ ডিসেম্বরের পরিবর্তে এখন ৮ ডিসেম্বর থেকেই পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। ফলে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নতুন সময়সূচি অনুসারে প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে হবে।

-রফিক


ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ২২ ২০:০৭:২৯
ভিসা বাতিলের ঝুঁকি: বিদেশি শিক্ষার্থীদের কড়া বার্তা ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষারত বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার শর্তাবলি কঠোরভাবে মেনে চলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম লঙ্ঘন করে পড়ালেখা বন্ধ করা, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত না করে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ালে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে দেশটিতে নতুন করে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও স্থায়ী জটিলতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

শনিবার (২২ আগস্ট) দূতাবাসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা তুলে ধরা হয়। বার্তায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভিসার যাবতীয় বাধ্যবাধকতা যথাযথভাবে অনুসরণ এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের আইনি ও বৈধ মর্যাদা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

দূতাবাসের বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, কোনো শিক্ষার্থী যদি নিজের পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, ক্লাসে অনিয়মিত হয়ে পড়ে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া নিজ পাঠ্যক্রম ত্যাগ করে, তবে তার স্টুডেন্ট ভিসা বাতিল করা হবে। পাশাপাশি এমন অনিয়ম ভবিষ্যতে যেকোনো মার্কিন ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাকেও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসাধারীদের অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত পূর্ণকালীন কোর্স চালিয়ে যাওয়া বাধ্যতামূলক। তবে কোনো বিশেষ বা জরুরি পরিস্থিতিতে কোর্সের চাপ কমাতে হলে বা অধ্যয়নের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনার প্রয়োজন দেখা দিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে পূর্বানুমোদন নেওয়া আবশ্যক।

অনুমোদন ছাড়া কোনো শিক্ষার্থী যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেয়, নির্ধারিত ক্রেডিটের নিচে কোর্স ড্রপ করে কিংবা অনুমতি ব্যতীত কোনো কাজে যুক্ত হয়, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার বৈধ শিক্ষার্থী পরিচয় বাতিল হতে পারে। একই সাথে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এই পরিবর্তনগুলোর তথ্য ‘স্টুডেন্ট অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ ভিজিটর ইনফরমেশন সিস্টেম’ (SEVIS)-এ নথিবদ্ধ করতে বাধ্য থাকে।

এ ছাড়া পাসপোর্টে ভিসার মেয়াদ থাকা মানেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান বৈধ থাকা নয়। যুক্তরাষ্ট্রে একজন শিক্ষার্থীর বৈধভাবে থাকা সম্পূর্ণ নির্ভর করে ভিসার শর্ত পূরণ এবং নির্ধারিত পাঠ্যক্রম সঠিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার ওপর। যেকোনো কারণে শিক্ষার্থী মর্যাদা বা বৈধ অবস্থান নষ্ট হলে পরবর্তী সময়ে মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে রুদ্ধ হতে পারে।

এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, নির্ধারিত ক্রেডিট মেনে চলা এবং শিক্ষাক্রমে কোনো পরিবর্তন আনার আগে নিজ প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের আইনি জটিলতা এড়াতে দূতাবাস থেকে ভিসার প্রতিটি শর্ত সতর্কতার সঙ্গে মেনে চলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ১০ ২১:০৩:৩৬
ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? জেনে নিন এসএসসি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের নিয়ম
ছবি : সংগৃহীত

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা খাতা চ্যালেঞ্জের অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) থেকে। ফলাফলে সংক্ষুব্ধ বা অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীরা আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই আবেদনের সুযোগ পাবেন।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এবার সম্পূর্ণ নতুন ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

যেভাবে আবেদন করতে হবে

২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমানের ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রথমে নির্ধারিত শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট (https://rescrutiny.eduboardresults.gov.bd)-এ প্রবেশ করতে হবে। সেখানে নির্দিষ্ট জায়গায় রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ড্রপ ডাউন মেনু থেকে নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করে 'সাবমিট' বাটনে ক্লিক করতে হবে।

এরপর শিক্ষার্থীকে একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর দিতে হবে, যেখানে পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফল পৌঁছাবে। পরের ধাপে বিষয়ের তালিকা দেখা যাবে। যেসব বিষয়ের ফল পুনর্নিরীক্ষণ করতে চান, সেগুলো নির্বাচন করে 'ফি প্রদান করুন' বাটনে চাপ দিতে হবে। উল্লেখ্য, দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্যই আবেদন করতে হবে এবং প্রতি পত্রের জন্য ১৫০ টাকা হারে ফি প্রযোজ্য হবে।

ফি পরিশোধের প্রক্রিয়া

বিষয় নির্বাচনের পর মোট ফি প্রদর্শিত হবে। শিক্ষার্থী বিকাশ, নগদ কিংবা সোনালী সেবার মাধ্যমে এই ফি প্রদান করতে পারবেন। ফি পরিশোধের বিস্তারিত নির্দেশনা পোর্টালে যুক্ত নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে। ফি পরিশোধের পর পুনরায় পোর্টালে এসে 'জমা দিন' বাটনে ক্লিক করে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

বিষয় সংশোধন বা নতুন বিষয় যুক্ত করার নিয়ম

একবার আবেদন জমা দেওয়ার পর শিক্ষার্থী যদি চান অন্য কোনো বিষয় যুক্ত করতে, তবে একই উপায়ে নতুন বিষয় যোগ করা যাবে। সেই ক্ষেত্রে নতুন করে মোবাইল নম্বর দেওয়ার প্রয়োজন হবে না।

ফি জমা দেওয়ার আগে আবেদনের তথ্য পরিবর্তন করতে চাইলে 'মুছে ফেলুন' সুবিধা ব্যবহার করে নির্বাচিত বিষয় বাতিল করা যাবে। তবে একবার ফি পরিশোধ হয়ে গেলে নির্বাচিত বিষয় আর বাতিল বা পরিবর্তন করা যাবে না এবং জমা দেওয়া ফি কোনো অবস্থাতেই ফেরত দেওয়া হবে না।

শিক্ষা বোর্ড স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এবার কোনো ম্যানুয়াল বা কাগুজে আবেদন গ্রহণ করা হবে না। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি কেবল নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে।

/আশিক


শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চাওয়া ৪০৪ শিক্ষকের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৮ ২১:৫৩:০৯
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে চাওয়া ৪০৪ শিক্ষকের ওপর নজরদারি করা হচ্ছে: ঢাবি উপাচার্য
ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৮ আগস্ট) আয়োজিত এই সভায় ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ৪০৪ জন শিক্ষক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন, তাঁদের ওপর পর্যবেক্ষণ চালানো হচ্ছে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটিকে প্রতিহিংসা না উল্লেখ করে তিনি জানান, আইন অনুযায়ী অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভিন্নমতাবলম্বী শিক্ষকদের ওপর প্রশাসনিক নজরদারি ও নির্যাতনের কথা স্মরণ করেন। তিনি জানান, সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের 'সাদা দল'-এর সভায় প্রতিপক্ষের শিক্ষকদের কড়া নজরদারি থাকত এবং বিভিন্ন সময় শিক্ষকদের তালিকা তৈরি করে হুমকির মুখে রাখা হতো। এত প্রতিকূলতার পরও তৎকালীন সময়ে শিক্ষকরা দমে না গিয়ে রাজপথে নেমেছেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শুরুতে শিক্ষার্থীদের দাবি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার হলেও, সরকারের ব্যাপক দমন-পীড়নের কারণে তা চূড়ান্ত রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানে। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যার সঙ্গে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের নৃশংসতার তুলনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীনতার স্বাদ পেয়েছিল আর ২০২৪ সালে অর্জিত হয়েছে সেই পতাকার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখার এক নতুন প্রত্যয়।

নতুন বাংলাদেশের অগ্রগতি ও সংস্কারের জন্য বর্তমান সরকারকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার আহ্বান জানান ঢাবি উপাচার্য। তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছরের জমকালো সব সমস্যা মাত্র পাঁচ মাসে সমাধান করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। গুম, খুন ও দমন-পীড়নের অবসান ঘটিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে তিনি সবার প্রতি একসঙ্গে কাজ করার অনুরোধ জানান। পাশাপাশি শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি কোনো বৈষম্য, নিপীড়ন বা স্বৈরাচার ছাড়াই আইনের মাধ্যমে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান।

/আশিক


এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬: শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৮ ২১:৩৮:২১
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬: শিক্ষা বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরদিন থেকেই শুরু হতে যাচ্ছে ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন প্রক্রিয়া। আগামী ১১ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এই আবেদনের সুযোগ পাবেন। আজ শনিবার (৮ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফল পুনর্নিরীক্ষণের এই সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত মেয়াদে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদন করার পদ্ধতি এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত দিকনির্দেশনা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে আগামী ১০ আগস্ট (সোমবার) আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশের দিন ধার্য রয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর পরীক্ষার্থীরা এসএমএস এবং নিজ নিজ বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তা সংগ্রহ করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল দেশজুড়ে একযোগে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়ে ২০ মে শেষ হয়। এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী, যার মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষা শেষের ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের ধারাবাহিক ঐতিহ্য বজায় রেখে এবারও নির্ধারিত সময়েই ফল ও পুনর্নিরীক্ষণের সূচি প্রকাশ করা হলো।

/আশিক


ঘরে বসেই যেভাবে জানবেন এসএসসির ফলাফল, ১০ আগস্ট প্রকাশের ঘোষণা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ আগস্ট ০৬ ২০:৩২:৩৮
ঘরে বসেই যেভাবে জানবেন এসএসসির ফলাফল, ১০ আগস্ট প্রকাশের ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১০ আগস্ট প্রকাশ করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার আবদুল্লাহ শিবলী সাদিকের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষার্থীরা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে এবং শিক্ষা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল দেখতে পারবেন। এছাড়া সার্বিক ফল দেখার ব্যবস্থা থাকবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ও কমন ওয়েবসাইটগুলোতে।

অনলাইনে যেভাবে ফল দেখবেন

পরীক্ষার্থীরা বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটের পাশাপাশি eduboardresult.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ফল দেখতে পারবেন।

এসএমএসে ফল দেখার পদ্ধতি

যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে ফল পেতে নিচের নিয়মে মেসেজ টাইপ করে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে

সাধারণ বোর্ড: SSC বোর্ডের নামের প্রথম ৩ অক্ষর রোল নম্বর ২০২৬

মাদরাসা বোর্ড: SSC MAD রোল নম্বর ২০২৬

কারিগরি বোর্ড: SSC TEC রোল নম্বর ২০২৬

(উদাহরণ: SSC DHA 123456 2026 লিখে পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে। প্রতি এসএমএসের জন্য ১ টাকা ৩৯ পয়সা চার্জ প্রযোজ্য।)

উল্লেখ্য, চলতি বছরে গত ২১ এপ্রিল দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ২০ মে। এবার মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন, মাদরাসা বোর্ডে (দাখিল) ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী ছিলেন।

/আশিক


উচ্চশিক্ষায় ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করল ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ

শ‌হিদুল ইসলাম
শ‌হিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২১ ২১:৫৪:৫৮
উচ্চশিক্ষায় ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করল ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ
ছবি : শ‌হিদুল ইসলাম

সম্প্রতি উচ্চশিক্ষায় এক দশক পূর্তি উপলক্ষে ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ (UKMC) ম্যানচেস্টারের হিটন পার্কে বর্ণাঢ্য সামারফেস্ট ২০২৬ আয়োজন করেছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, একাডেমিক অংশীদার, বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।

দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সঙ্গীত, খাবারের স্টল, খেলাধুলা ও বিনোদনের নানা আয়োজন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনায় উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে Health Sciences University (HSU)-এর সঙ্গে ইউকেএমসির নতুন একাডেমিক অংশীদারত্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এই অংশীদারত্বের আওতায় HSU-স্বীকৃত BSc (Hons) Psychology with Foundation Year কোর্স পরিচালিত হবে, যা মনোবিজ্ঞান, মানসিক স্বাস্থ্য এবং কমিউনিটি সাপোর্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

এ সময় ‘UKMC 10 Years of Excellence Anniversary Magazine’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। স্মারক প্রকাশনাটিতে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউকেএমসির এক দশকের অগ্রযাত্রা, সম্প্রসারণ এবং অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টারের লর্ড মেয়র, রচডেলের মেয়র, হাই শেরিফসহ বিভিন্ন একাডেমিক ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাউল এ এস এম শফি মন্ডল, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বাউল ডলি মন্ডল, ড. জাহিদুল কবির, জহরা হোসেন জেমি, সর্দার হীরক রাজা, আমির হাশমি, GAMTA, প্রীতম আহমেদ এবং ডাইনামিকসহ বিভিন্ন শিল্পী পরিবেশনা করেন।

ইউকেএমসির ১০ বছরের এই যাত্রার পেছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বে ইউকেএমসি যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মমুখী ও সহজলভ্য উচ্চশিক্ষার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকশিত হয়েছে। শিক্ষা খাতে তাঁর এই উদ্যোগ যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার পরিসর সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।

ইউকেএমসির এক মুখপাত্র বলেন, “সামারফেস্ট ২০২৬ শুধু ১০ বছর পূর্তির উদযাপন নয়; এটি আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অংশীদার এবং কমিউনিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপলক্ষ। এই আয়োজন ইউকেএমসির বৈচিত্র্য, ঐক্য ও অগ্রগতির প্রতিফলন।”

২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে কর্মমুখী ও সহজলভ্য উচ্চশিক্ষা প্রদান করছে। আগামী দিনেও শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা এবং উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

বিস্তারিত:www.ukmc.ac.uk


এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন বার্তা

শিক্ষা ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৬ ২০:০০:১৫
এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আগামী সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশ করা হতে পারে বলে বিভিন্ন সময়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পরীক্ষার ফল প্রস্তুতির যাবতীয় কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সদস্যদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বোর্ডগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তবে আগামী সোমবারই নিশ্চিতভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে এখনও শতভাগ নিশ্চিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি সমন্বয় কমিটির দায়িত্বশীল সদস্যরা।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করার জন্য তারা মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পেয়েছেন। তারা ২০ জুলাই বা তার কাছাকাছি সময়েই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা দেখছেন এবং ২০ জুলাইকে প্রধান লক্ষ্য বা ‘টার্গেট’ রেখেই ফল চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত এসএসসি বা সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করার একটি বাধ্যবাধকতা থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর গত ২১ এপ্রিল দেশজুড়ে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও নম্বর ডাটাবেজে যুক্ত করার কাজ দ্রুততার সাথে করা হচ্ছে।

এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য সারা দেশ থেকে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এসএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার জন্য ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮6 জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নিতে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।

শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, কেবল এসএসসি নয়, পাশাপাশি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতের কাজও সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ও কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে যেন দেশের এই বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা যায়, সে লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আইসিটি সেল ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: