জেনে নিন রাসুল (সা.) এর আয়না দেখার দোয়া

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ১০ ১৮:০৯:২৯
জেনে নিন রাসুল (সা.) এর আয়না দেখার দোয়া

মানুষের সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব এবং চারিত্রিক গঠন এই তিনটি গুণই আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি বিশেষ নেয়ামত। কোরআনে আল্লাহ বলেন,"لقد خلقنا الإنسان في أحسن تقويم"অর্থ: "আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি উত্তমতম গঠনে" (সুরা আত-তীন, আয়াত ৪)।

এই আয়াত থেকেই স্পষ্ট হয়, মানুষের বাহ্যিক অবয়ব এবং চারিত্রিক গঠন আল্লাহরই অনুপম সৃষ্টি। কিন্তু ইসলাম বাহ্যিক রূপের প্রশংসা যতটা করে, তার চেয়েও অনেক বেশি গুরুত্ব দেয় অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য বা আখলাক-এর ওপর।

দোয়ার শব্দ ও তাৎপর্য

আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে শুধু নিজের চেহারার প্রতি তাকিয়ে আত্মতৃপ্তি প্রকাশ করতেন না, বরং আত্মশুদ্ধির এক গভীর দোয়ায় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করতেন:

اللهم أنت حسّنت خلقي فحسن خُلقيউচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতা হাসসানতা খালক্বি, ফাহাসসিন খুলুক্বি।অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি আমার আকৃতি সুন্দর করেছেন, অতএব আমার চরিত্রও সুন্দর করে দিন।

এই দোয়াটির মাধ্যমে আমরা দেখি রাসুল (সা.) বাহ্যিক সৌন্দর্যের জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন, ঠিকই, কিন্তু মূল অনুরোধটি হচ্ছে: “আমার চরিত্র সুন্দর করে দিন।”

‘খালক্ব’ ও ‘খুলুক্ব’ – বাহ্যিক রূপ বনাম অভ্যন্তরীণ সৌন্দর্য

আরবি ভাষায় ‘খালক্ব’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শারীরিক গঠন বা বাহ্যিক অবয়ব। আর ‘খুলুক্ব’ অর্থ চরিত্র, ব্যবহার বা আত্মিক গুণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) এখানে দুই শব্দকে পাশাপাশি রেখে একটি ভারসাম্যপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিষ্ঠা করছেন।

আমরা অনেক সময় আয়নায় নিজেকে দেখে বাহ্যিক রূপের প্রশংসা করি, কিন্তু আমাদের চরিত্রের রূপ কীভাবে? মানুষ কেমন ব্যবহার পায় আমাদের কাছ থেকে? আমাদের ধৈর্য, দয়া, সত্যবাদিতা, বিশ্বস্ততা এসব গুণ কি বাহ্যিক সৌন্দর্যের মতোই সুন্দর? এই প্রশ্নের উত্তরই এই দোয়াটি আমাদের চিন্তার জগতে জাগিয়ে তোলে।

হাদিসের বর্ণনা ও গ্রহণযোগ্যতা

এই দোয়াটি সহিহ হাদিসগ্রন্থ মুসনাদে আহমদ (হাদিস নং: ২৪৩৯২) এবং আবু ইয়ালার সংকলনে (হাদিস নং: ৫০৭৫) বর্ণিত হয়েছে। ইসলামি স্কলাররা এই দোয়াটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও চর্চাযোগ্য একটি দোয়া হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এটি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর চেতনার প্রতিফলন—যেখানে বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে আত্মিক পরিশুদ্ধিকে।

চরিত্র গঠনের গুরুত্ব ও নবীজির দৃষ্টিভঙ্গি

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন: "তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি আমার নিকটতম, যার চরিত্র সবচেয়ে উত্তম।" – (তিরমিজি, হাদিস: ২০১৮)

তিনি আরও বলেন, "আমি উত্তম চরিত্র সম্পন্ন করতে প্রেরিত হয়েছি।" – (মুআত্তা মালিক)

এই হাদিসগুলো প্রমাণ করে, ইসলামের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ‘খুলুক’ বা চরিত্র। মানুষ যদি কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যে নিজেকে বিভোর রাখে, কিন্তু চরিত্রে দূষিত হয়, তাহলে সে ইসলামী আদর্শ থেকে অনেক দূরে সরে যায়।

এই দোয়া ছোটদের শেখানো কেন গুরুত্বপূর্ণ?

আজকের সমাজে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই কেবল বাহ্যিক রূপ বা সামাজিক ‘লাইক-শেয়ার’ সংস্কৃতিতে বড় করা হচ্ছে। কিন্তু যদি শিশুরা শিখে যায় সৌন্দর্য কেবল মুখে নয়, ব্যবহারে, চেতনায়, সহানুভূতিতে তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হবে মানবিক ও নৈতিকতাসম্পন্ন।

এই দোয়াটি শিশুদের মুখস্থ করিয়ে দেয়া মানে তাদের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই একটি আত্মিক সৌন্দর্যের বীজ বপন করা। তারা শিখবে চেহারা যত সুন্দরই হোক না কেন, যদি চরিত্রে দাগ থাকে, তবে সেই রূপ আল্লাহর কাছে গৃহীত নয়।

আধুনিক জীবনে দোয়াটির প্রাসঙ্গিকতা

আজকের সমাজে মানুষ বাহ্যিক সৌন্দর্য নিয়ে যেমন আগ্রহী, তেমনি চরিত্র ও নৈতিকতার প্রশ্নে অনেকটা উদাসীন। এই দোয়াটি যেন সেই বাস্তবতায় আমাদের একটি সজাগ সংকেত দেয়। সোশ্যাল মিডিয়া হোক কিংবা কর্মস্থল, পরিবার বা বন্ধুমহল সর্বত্র আমাদের আসল পরিচয়ই হলো আমাদের আচরণ ও মূল্যবোধ।

এই দোয়া নিয়মিত পাঠ করা মানে নিজের ভেতরের ‘আয়না’ দেখতে শেখা। প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের মুখ নয়, মন দেখতে চাওয়ার প্রেরণা দেওয়া।


ঈদের আনন্দ ম্লান: যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশ্ব

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১৬:১৯:২৪
ঈদের আনন্দ ম্লান: যুদ্ধ ও বাস্তুচ্যুতির ছায়ায় মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান যুদ্ধ, ধ্বংস এবং বাস্তুচ্যুতির গভীর সংকটে এবারের ঈদুল ফিতর এক ভিন্ন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। যে উৎসব সাধারণত আনন্দ, পারিবারিক বন্ধন এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তির প্রতীক, তা এবার বহু মানুষের কাছে পরিণত হয়েছে অনিশ্চয়তা, ক্ষতি এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে। বৈরুত থেকে গাজা পর্যন্ত বিস্তৃত এই সংকট দেখাচ্ছে, কীভাবে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত একটি অঞ্চলের সামাজিক ও মানবিক কাঠামোকে ভেঙে দিতে পারে।

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় আশ্রয়ের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আলা নামের এক শরণার্থী। সিরিয়ার অধিকৃত গোলান মালভূমি থেকে আগত এই মানুষটি একসময় বসবাস করতেন দাহিয়েহ এলাকায়, যা সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই হামলায় লেবাননে ইতোমধ্যে হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। নিজের বাসস্থান হারিয়ে তিনি এখন সম্পূর্ণ অনিশ্চিত জীবনে নিপতিত, যেখানে প্রতিদিনের প্রধান লক্ষ্য একটি নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাওয়া। এই বাস্তবতায় ঈদের মতো উৎসব তার কাছে অর্থহীন হয়ে পড়েছে।

অন্যদিকে গাজা উপত্যকার পরিস্থিতি আরও গভীর ও বেদনাদায়ক। দীর্ঘ সময় ধরে চলমান সংঘাতে এই অঞ্চল কার্যত মানবিক বিপর্যয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে। অব্যাহত হামলা, অবরোধ এবং অবকাঠামোগত ধ্বংসের ফলে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিপুল সংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসাসেবার মতো মৌলিক প্রয়োজনীয়তাও অনেক ক্ষেত্রে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এমন বাস্তবতায় ঈদ উদযাপন করা মানুষের কাছে একপ্রকার অসম্ভব অভিজ্ঞতায় পরিণত হয়েছে।

এই অঞ্চলের অসংখ্য পরিবার আজ এমন এক অবস্থায় রয়েছে, যেখানে উৎসবের আনন্দ নয়, বরং নিরাপত্তা এবং টিকে থাকার প্রশ্নই মুখ্য হয়ে উঠেছে। শিশুদের স্বাভাবিক শৈশব, নতুন পোশাক কিংবা পরিবারকেন্দ্রিক আনন্দময় মুহূর্তগুলো যুদ্ধের বাস্তবতায় হারিয়ে যাচ্ছে। ঈদের প্রার্থনাও অনেক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে শান্তি, নিরাপত্তা এবং একটি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায়।

সার্বিকভাবে এবারের ঈদ মধ্যপ্রাচ্যে কেবল একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, বরং একটি গভীর মানবিক সংকটের প্রতিচ্ছবি। এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, যুদ্ধের প্রভাব কেবল ভূরাজনৈতিক বা সামরিক সীমারেখায় সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সংস্কৃতি এবং আবেগের গভীরে গিয়ে আঘাত হানে। এই বাস্তবতায় ঈদ হয়ে উঠেছে আশ্রয়, নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য মানুষের এক নীরব আবেদন।


জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১২:১১:৩০
জুমাতুল বিদা: ফজিলত, দোয়া ও করণীয় জানুন
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বর্ষপঞ্জির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাস রমজানের শেষ শুক্রবারকে মুসলিম সমাজে ‘জুমাতুল বিদা’ নামে অভিহিত করা হয়। ‘জুমুআ’ শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত, যার অর্থ শুক্রবার; আর ‘বিদা’ শব্দের অর্থ বিদায় বা শেষ। এই দুটি শব্দের সমন্বয়ে ‘জুমাতুল বিদা’ বলতে রমজান মাসের শেষ শুক্রবারকে বোঝানো হয়। যদিও এই পরিভাষাটি কোরআন বা হাদিসে সরাসরি উল্লেখিত নয়, তবুও ঐতিহ্যগতভাবে এটি মুসলমানদের কাছে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত।

রমজান নিজেই ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাস। এর সঙ্গে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন জুমা মিলিত হলে দিনটির আধ্যাত্মিক গুরুত্ব আরও বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। ফলে মুসলমানরা এই দিনটিকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করেন এবং ইবাদত-বন্দেগিতে অধিক মনোযোগী হয়ে ওঠেন।

হাদিসের বর্ণনায় রমজানের ফজিলত অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি সহিহ হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন যে, বনি আদমের প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান দশগুণ থেকে সাতশত গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়, তবে রোজা এর ব্যতিক্রম; এটি আল্লাহর জন্য এবং এর প্রতিদান আল্লাহ নিজেই প্রদান করবেন। একইসঙ্গে রোজাদারের মর্যাদা ও তার আমলের বিশেষ গুরুত্বও এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে, জুমার দিনের মর্যাদা সম্পর্কেও হাদিসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, সূর্য উদয়ের দিনগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুমা। এই দিনে হজরত আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়, জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং পৃথিবীতে অবতরণ করানো হয়। এছাড়া জুমার দিনে এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন বান্দা যদি নামাজরত অবস্থায় দোয়া করে, তা আল্লাহ তাআলা কবুল করেন।

এই দুইটি মহিমাময় উপাদান রমজান এবং জুমা একত্রে মিলিত হওয়ায় জুমাতুল বিদা মুসলমানদের কাছে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে। অনেকেই এটিকে রমজানের শেষ জুমা হিসেবে আত্মশুদ্ধির চূড়ান্ত সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করেন, যেখানে ইবাদত, তওবা ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করা হয়।

এই দিনে কিছু সুন্নত আমলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করা, পরিষ্কার ও উত্তম পোশাক পরিধান, সুগন্ধি ব্যবহার, সময়ের আগে মসজিদে উপস্থিত হওয়া, পায়ে হেঁটে যাওয়া, ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসা এবং খুতবা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করা। পাশাপাশি দরুদ শরিফ বেশি বেশি পাঠ করা এবং অনর্থক কাজ থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হজরত আওস ইবনে আওস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে উল্লেখ রয়েছে, যে ব্যক্তি জুমার দিনে গোসল করে, আগে আগে মসজিদে যায়, মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনে এবং কোনো অনর্থক কাজে লিপ্ত হয় না, তাকে প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছরের নফল নামাজ ও রোজার সমপরিমাণ সওয়াব প্রদান করা হয়।

সূত্র: আপন দেশ


২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ১০:০৯:৪৪
২০ মার্চ ঢাকার নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
ছবি: সংগৃহীত

আজ শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ; বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৬ চৈত্র ১৪৩২ এবং ইসলামি হিজরি সনের ৩০ রমজান ১৪৪৭। রমজানের শেষ দিনে মুসল্লিদের জন্য নামাজের নির্ধারিত সময়সূচি জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ দিনটি ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির দিক থেকে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ঢাকা ও আশপাশের এলাকার জন্য নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, আজ জুমার নামাজ শুরু হবে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে। মুসল্লিদের জন্য এটি সপ্তাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জামাত, যেখানে বিপুল সংখ্যক মানুষ একত্রে নামাজ আদায় করে থাকেন।

বিকেলের আসরের নামাজ শুরু হবে ৪টা ২৭ মিনিটে, যা দিনের শেষভাগে ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। এরপর সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মাগরিবের নামাজের সময় নির্ধারিত হয়েছে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে। উল্লেখ্য, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৬টা ০৮ মিনিটে, যা ইফতারের সময় নির্ধারণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রাতের এশার নামাজ শুরু হবে ৭টা ২৬ মিনিটে, যা রমজানের শেষ রাতে তারাবিহ ও অন্যান্য নফল ইবাদতের প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে, আগামী দিনের সূচনা নির্দেশ করে ফজরের নামাজ, যা আগামীকাল ভোর ৪টা ৫০ মিনিটে শুরু হবে। একই সঙ্গে আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৬টা ০৫ মিনিটে, যা দিনের সময়চক্র নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজের নির্ধারিত সময় যথাযথভাবে অনুসরণ করা ইসলামী জীবনব্যবস্থার একটি মৌলিক অংশ। বিশেষ করে রমজানের শেষ দিনগুলোতে সময়ানুবর্তিতা ও ইবাদতে মনোযোগ মুসলমানদের জন্য আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে।

সূত্র : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।


চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ২০ ০৫:২০:৩৯
চাঁদ দেখার পর যে দোয়া পড়তেন নবী (সা.)
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী বর্ষপঞ্জি বা হিজরি ক্যালেন্ডার একটি চন্দ্রনির্ভর সময় গণনা পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি মাসের শুরু ও সমাপ্তি নির্ধারিত হয় আকাশে নতুন চাঁদ দেখার মাধ্যমে। ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতসমূহ—বিশেষ করে রমজানের রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতো বড় ধর্মীয় আয়োজন—সবকিছুই এই চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

এই কারণেই ইসলাম ধর্মে চাঁদ দেখার মুহূর্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজেও নতুন চাঁদ দেখা গেলে আল্লাহর কাছে কল্যাণ, নিরাপত্তা ও ঈমানের জন্য বিশেষ দোয়া করতেন। এটি কেবল একটি আচার নয়, বরং মানবজীবনের সার্বিক শান্তি ও সাফল্যের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল।

নতুন চাঁদ দেখার সময় তিনি যে দোয়া পাঠ করতেন, তা হাদিসে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে—

আরবি দোয়া:اَللهُ أَكْبَرُ اَللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلاَمَةِ وَالْإِسْلاَمِ وَالتَّوْفِيْقِ لِمَا تُحِبُّ وَتَرْضَى، رَبِّىْ وَرَبُّكَ اللهُ

উচ্চারণ:আল্লাহুম্মা আহিল্লাহু আলাইনা বিল আমনি ওয়াল ঈমানি, ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম, রাব্বি ওয়া রাব্বুকাল্লাহ।

অর্থ:হে আল্লাহ! এই চাঁদকে আমাদের জন্য উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের কল্যাণসহ। (হে চাঁদ) আমার এবং তোমার প্রতিপালক আল্লাহ।

হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, সাহাবি তালহা ইবনে উবাইদুল্লাহ (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে জানা যায়, রাসুল (সা.) যখনই নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন তিনি এই দোয়াটি পাঠ করতেন। এই দোয়ার মধ্যে শুধু আধ্যাত্মিক আবেদনই নয়, বরং ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের শান্তি, নিরাপত্তা এবং সঠিক পথে পরিচালিত হওয়ার জন্য একটি গভীর বার্তা নিহিত রয়েছে।


এক বছরে দুই রমজান ও তিন ঈদের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ২০:০০:১৭
এক বছরে দুই রমজান ও তিন ঈদের অপেক্ষায় মুসলিম উম্মাহ
ছবি : সংগৃহীত

ভবিষ্যতের ক্যালেন্ডার এবং মহাকাশ বিজ্ঞানের এক অদ্ভুত সমীকরণ নিয়ে সম্প্রতি চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছেন দুবাই অ্যাস্ট্রোনমি গ্রুপের প্রধান নির্বাহী হাসান আহমেদ আল হারিরি। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ এবং ২০৩৩ সালে মুসলিম উম্মাহর জন্য অপেক্ষা করছে এক বিরল অভিজ্ঞতা।

ইংরেজি ক্যালেন্ডার এবং হিজরি চন্দ্র বছরের মধ্যে সময়ের পার্থক্যের কারণে ২০৩০ সালে মুসলিমদের মোট ৩৬টি রোজা রাখতে হতে পারে। সাধারণত চন্দ্র বছর ইংরেজি বছরের চেয়ে প্রায় ১১ দিন ছোট হওয়ায় প্রতি বছর রমজান মাস এগিয়ে আসে, যার ফলে এই ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

সৌদি আরবের কাসিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের জলবায়ু অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মুসনাদ বিষয়টিকে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি জানান, ২০৩০ সালের ৫ জানুয়ারি ১৪৫১ হিজরির রমজান মাস শুরু হবে যা ফেব্রুয়ারির ৩ তারিখে শেষ হবে (৩০টি রোজা)। এরপর একই বছরের ২৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে ১৪৫২ হিজরির রমজান মাস।

অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই বছর আরও ৬টি রোজা পালন করতে হবে, যার ফলে ২০৩০ সালে মোট রোজার সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৬টিতে। গ্লোবাল ইসলামিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ২০৩৩ সালেও এই চক্রের প্রভাবে দুবার পূর্ণ রমজান মাস আসার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে সে বছর মুসলমানরা তিনটি ঈদ (দুটি ঈদুল ফিতর ও একটি ঈদুল আজহা) উদযাপন করতে পারেন।

/আশিক


আজ ১৯ মার্চ ২০২৬: ঢাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি জেনে নিন

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৯ ০৯:০৫:২১
আজ ১৯ মার্চ ২০২৬: ঢাকার নামাজের সঠিক সময়সূচি জেনে নিন
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ইমানের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরকালে মহান আল্লাহর দরবারে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। তাই শত ব্যস্ততার মাঝেও নির্ধারিত ওয়াক্তে ফরজ নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুমিনের জন্য আবশ্যক। আজ বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি (৫ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা, ২৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি)। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সঠিক সময়সূচি নিচে তুলে ধরা হলো।

আজ জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৭ মিনিটে এবং শেষ হবে বিকেল ৪টা ২৭ মিনিটে।

আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে ৪টা ২৮ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ০৯ মিনিটে।

মাগরিবের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ১২ মিনিটে এবং শেষ হবে ৭টা ২৩ মিনিটে।

এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ২৪ মিনিটে এবং শেষ হবে রাত ৪টা ৪৩ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল শুক্রবার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ৪৯ মিনিটে এবং শেষ হবে সকাল ৬টা ০৩ মিনিটে।

বিভাগীয় শহরভেদে সময়ের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। ঢাকার সময়ের সাথে চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, খুলনার জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে নিতে হবে।

/আশিক


১৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগের নামাজের সঠিক সময়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৮ ০৯:১৩:১৯
১৮ মার্চ ২০২৬: ঢাকা ও অন্যান্য বিভাগের নামাজের সঠিক সময়
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি রুকনের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। ইমান বা বিশ্বাসের পর নামাজই ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। পরকালে কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম নামাজেরই হিসাব নেওয়া হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের বাইরেও ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজ রয়েছে। কর্মব্যস্ততা যতই থাকুক না কেন, ওয়াক্তমতো ফরজ নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বাংলা এবং ২৮ রমজান ১৪৪৭ হিজরি।

আজকের দিনে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে ১২টা ১০ মিনিটে, আসর ৪টা ২৭ মিনিটে, মাগরিব ৬টা ০৯ মিনিটে এবং এশার ওয়াক্ত শুরু হবে ৭টা ২৫ মিনিটে।

এ ছাড়া আগামী বৃহস্পতিবার ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ৪৯ মিনিটে।

বিভাগীয় শহরগুলোর ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সঙ্গে কিছু সময়ের সমন্বয় করতে হবে। চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট সময় যোগ করে নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণ করতে হবে।

/আশিক


আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন আপনার শহরের ওয়াক্ত

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৭ ০৯:১৪:০৪
আজকের নামাজের সময়সূচি: ১৭ মার্চ ২০২৬; জেনে নিন আপনার শহরের ওয়াক্ত
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের মধ্যে নামাজ অন্যতম এবং ইমানের পর এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ তাআলা সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব গ্রহণ করবেন। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ ছাড়াও ইসলামে ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল নামাজের বিধান রয়েছে। মুমিন জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য।

আজ মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ ইংরেজি (২৭ রমজান ১৪৪৭ হিজরি), ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য জোহর নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১১ মিনিটে।

আসর নামাজের সময় শুরু হবে বিকেল ৪টা ২৬ মিনিটে।

পবিত্র মাগরিবের আজান ও ইফতারের সময় হবে সন্ধ্যা ৬টা ৯ মিনিটে এবং ইশা নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ২৫ মিনিটে।

এছাড়া আগামীকাল বুধবার ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৪টা ৫৪ মিনিটে।

ঢাকার সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অন্যান্য বিভাগীয় শহরের সময় কিছুটা পরিবর্তিত হবে। যেমন, চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটের বাসিন্দাদের ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।

অন্যদিকে, সময়ের পার্থক্যের কারণে খুলনার মুসল্লিদের ৩ মিনিট, বরিশালের ১ মিনিট, রাজশাহীর ৭ মিনিট এবং রংপুরের মুসল্লিদের ৮ মিনিট যোগ করে সঠিক নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।

/আশিক


হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়

ধর্ম ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মার্চ ১৬ ০৯:৩৮:৪৬
হাজার মাসের চেয়ে শ্রেষ্ঠ রাত: জেনে নিন শবে কদরের করণীয় ও বর্জনীয়
ছবি : সংগৃহীত

হাজার মাসের চেয়েও উত্তম এবং মহিমান্বিত রজনী পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবে কদর আজ। আজ সোমবার (১৬ মার্চ) দিবাগত রাতে ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে এই বিশেষ রাতটি পালন করবেন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। প্রতি বছর রমজানের ২৬ তারিখ দিবাগত রাতে শবে কদর পালন করা হয়। এই পুণ্যময় রাতে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য যেমন কিছু বিশেষ আমল রয়েছে, তেমনি বর্জনীয় বিষয়গুলো এড়িয়ে চলাও অত্যন্ত জরুরি।

পবিত্র এই রাতে করণীয় আমলগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গেই ইবাদতের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নেওয়া। মাগরিবের পর থেকে শুরু করে সারা রাত নফল নামাজ আদায় করা, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত এবং বেশি বেশি জিকির-আজকার করা এই রাতের অন্যতম ইবাদত। এ ছাড়া প্রিয়নবী (সা.)-এর ওপর দরুদ শরিফ পাঠ, নিজের কৃত গুনাহের জন্য আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চাওয়া এবং মানুষের কাছে কোনো দেনা বা কষ্ট দিয়ে থাকলে তা মিটিয়ে নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি দান-সদকা করা, মা-বাবা ও মুরব্বিদের কবর জিয়ারত এবং সুন্দর ব্যবহারের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা উচিত।

অন্যদিকে, এই রাতে কিছু বিষয় বর্জন করাও ইমানি দায়িত্ব। মূল্যবান এই সময়টুকু শুধু ঘুমিয়ে বা অবহেলায় কাটিয়ে দেওয়া এবং আলসেমি করে ইবাদত থেকে দূরে থাকা মোটেও কাম্য নয়। এ ছাড়া মানুষের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ রাখা, যাবতীয় গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়া কিংবা দলবেঁধে আড্ডাবাজি ও হৈ-হুল্লোড় করে ইবাদতের পরিবেশ নষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে হবে। বিশেষ করে আতশবাজি বা গোল্লা ফোটানোর মতো অপ্রয়োজনীয় কাজগুলো এড়িয়ে চলাই এই রাতের পবিত্রতা রক্ষার দাবি।

/আশিক

পাঠকের মতামত: