গোপালগঞ্জ হামলায় ব্যবস্থা না নিলে ‘লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ’ : ইনকিলাব মঞ্চের হুঁশিয়ারি

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ১৬ ১৯:৫১:৫৪
গোপালগঞ্জ হামলায় ব্যবস্থা না নিলে ‘লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ’ : ইনকিলাব মঞ্চের হুঁশিয়ারি

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তার না করা হলে ‘লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ’-এর কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। বুধবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে এবং শাহবাগ থানা ঘেরাওকালে সংগঠনটির মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদী এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

শরীফ ওসমান বলেন, “গোপালগঞ্জ বাংলাদেশের বাইরে নয়। দেশের অন্যান্য এলাকার মতো এখানেও আওয়ামী দখলদারিত্বের অবসান ঘটাতে হবে। যারা জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, তাদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না করা হলে শুক্রবার ‘লংমার্চ টু গোপালগঞ্জ’ হবে।”

এ সময় তিনি এনসিপির উপদেষ্টাদের সমালোচনা করে বলেন, “আপনাদের ভাই-ব্রাদাররা উপদেষ্টা পরিষদে থেকেও আপনাদের নিরাপত্তা দিতে পারছেন না। এটি ব্যর্থতা। যদি তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারেন, তবে তাদের আর সরকারে থাকার অধিকার নেই।”

সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই ঐক্যের সংগঠক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবি জোবায়ের। তিনি বলেন, “গোপালগঞ্জে এনসিপি আইন অনুযায়ী অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, আর পুলিশ নির্বিকার দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে।”

এছাড়াও ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, “এনসিপিকে ঘিরে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু তাদের ওপর হামলার দায় কেউ এড়াতে পারে না। জুলাই ঘোষণাপত্রের পথ থামিয়ে দিতে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা এর জবাব দেব।”

বক্তারা হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানান এবং আগামী কর্মসূচিতে বৃহত্তর অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

/আশিক


চবিতে হামলায়, প্রশাসনের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ৩১ ১৯:৫১:৩১
চবিতে হামলায়, প্রশাসনের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষার্থীদের ওপর নারকীয় হামলায় প্রশাসনের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে সাংবাদিকদের সামনে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন। রোববার দুপুর ৩টার দিকে চবি মেডিকেল সেন্টারের গ্রাউন্ড ফ্লোরে কান্নারত অবস্থায় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের শিক্ষক ও ছাত্রদের তারা মেরেছে। আমরা মেডিকেলে জায়গা দিতে পারছি না। চিটাগাং মেডিকেলে ৪-৫টা গাড়ি পাঠিয়েছি। সেখানে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থী আহত আছে।”

ড. কামাল উদ্দিন বলেন, “আমরা কোন জগতে আছি। ছাত্রলীগের বড় বড় ক্যাডাররা এখানে ঢুকে হেলমেট পরে ছাত্রদের মারধর করছে। পুলিশ নাই, কোনো কিছু নাই। আমরা সিওসির সঙ্গে কথা বলেছি, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেছি, প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরে কথা বলেছি, দুই ঘণ্টা চলে গেছে এখনো এখানে কেউ আসে নাই।”

শনিবার রাতে একটি বাসার দারোয়ান কর্তৃক এক ছাত্রীকে মারধরের পর শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ পর্যন্ত অন্তত দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। রোববার স্থানীয়দের ধাওয়ায় অসুস্থ হয়ে যান উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) কামাল উদ্দিন। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রক্টর তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফকে মেডিকেল সেন্টারে আনা হয়। এছাড়াও উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) শামীম উদ্দিন খান আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীদের রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। স্থানীয় বাসা ও মেসে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে পেটানো হয়েছে। এছাড়াও আহত করে একতলার ছাদ থেকে ফেলে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু কাওসারকে কল দিলে তিনি কল কেটে দেন।


চবি ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ৩১ ১৬:২৮:১৪
চবি ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস ও এর আশপাশের এলাকায় আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। রোববার (৩১ আগস্ট) উপজেলা প্রশাসন এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য নিশ্চিত করে।

গত শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেট-সংলগ্ন শাহাবুদ্দীন ভবন নামের একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী রাত করে বাসায় ফিরলে দারোয়ানের সঙ্গে তার তর্ক হয়। একপর্যায়ে দারোয়ান ওই নারী শিক্ষার্থীকে মারধর করেন। এই ঘটনার জেরে রাতেই ক্যাম্পাসের হল থেকে শত শত শিক্ষার্থী ২ নম্বর গেটের দিকে চলে আসেন। স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, যেখানে প্রায় ৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হন।

রোববার দুপুরে ফের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা মুখোমুখি হলে দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় উপজেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আজ রোববার দুপুর ২টা থেকে সোমবার রাত ১২টা পর্যন্ত ক্যাম্পাসের ২নং গেট বাজার থেকে রেলগেট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও গণজমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও, ৫ বা ততোধিক ব্যক্তির একসঙ্গে চলাফেরা এবং বিস্ফোরকদ্রব্য ও আগ্নেয়াস্ত্র বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে। শিক্ষার্থীরা মূল ফটক বন্ধ করে বিক্ষোভ ও হামলায় জড়িতদের বিচার দাবি করেন।

/আশিক


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সংঘর্ষ

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ৩১ ১৪:০৫:৪৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সংঘর্ষ
বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই নম্বর গেট এলাকায় দুপক্ষের সংঘর্ষ চলছে। আজ দুপুরে তোলা।ছবি: জুয়েল শীল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের ২ নম্বর গেট-সংলগ্ন জোবরা গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় গতকাল শনিবার রাতে। শিক্ষার্থীরা জানান, রাত ১২টার দিকে ২ নম্বর গেটের কাছে এক ছাত্রী একটি ভবনে প্রবেশের সময় দারোয়ানের সঙ্গে তার তর্ক হয় এবং একপর্যায়ে দারোয়ান তাকে মারধর করে। এরপর শিক্ষার্থীরা ওই দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। শিক্ষার্থীরা তাকে ধাওয়া করলে স্থানীয় লোকজন ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করেন। এরপর স্থানীয়রা মাইকে ডেকে লোক জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এই সংঘর্ষে রাতেই অন্তত ৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে রাত সাড়ে ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা হামলা চালিয়েছেন এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছেন।

আজ দুপুরে দুই পক্ষ আবারও মুখোমুখি হয়। এক প্রান্তে কয়েক শ শিক্ষার্থী এবং বিপরীত দিকে এলাকাবাসী অবস্থান নেন। উভয় পক্ষই পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিতে থাকে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টরেরা দুই পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দুই পক্ষ আবারও ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। এতে সহ-উপাচার্য মো. কামাল উদ্দিনসহ অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। আহতদের মাথা থেকে রক্ত ঝরছিল। তবে ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাউকে দেখা যায়নি।

সংঘর্ষ শুরুর আগে সহ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের এতগুলো শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রক্টর ও পুলিশের তিনটি যানবাহন ভেঙেছে। এ বিষয়ে অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পরীক্ষা স্থগিত, সেনা মোতায়েন

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ৩১ ১০:৪৯:২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পরীক্ষা স্থগিত, সেনা মোতায়েন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ব্যাপক সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শনিবার দিবাগত রাতেই সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। এর পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সব বিভাগের পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেছে, তবে নিয়মিত ক্লাস চালু থাকবে।

সংঘর্ষের সূত্রপাত

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় ভবনের দারোয়ানের সঙ্গে তর্কে জড়ান এবং তাকে মারধরের শিকার হতে হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা দারোয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে গেলে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। তখন স্থানীয় লোকজন শিক্ষার্থীদের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পরে দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয় এবং স্থানীয়রা মাইকে ডেকে আরও মানুষ জড়ো করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়।

হতাহতের ঘটনা

সংঘর্ষে অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২১ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু তৈয়ব জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে দুজন ধারালো অস্ত্রের আঘাতে জখম হয়েছেন, অন্যদের লাঠি, কাঠ ও ইটপাটকেলের আঘাত লেগেছে। তিনি বলেন, এত বিপুলসংখ্যক আহত শিক্ষার্থী একসঙ্গে আগে আসেননি, ফলে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হয়েছে।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি ৩৬ জন আহত শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা নিতে দেখেছেন। তাঁদের মধ্যে চক্ষু বিভাগে একজন, নিউরোলজিতে তিনজন ভর্তি আছেন, আরেকজনের পা ভেঙে গেছে।

কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মো. কামাল উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এত শিক্ষার্থী আহত হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং ইতোমধ্যেই স্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক তানভীর মোহাম্মদ আরিফ জানান, উপাচার্য, সহ–উপাচার্য ও সেনা কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলায় দায়ীদের বিচারের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

বর্তমান অবস্থা

ক্যাম্পাসে এখনো সেনাবাহিনী অবস্থান করছে। সহ–উপাচার্য জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম শাটল ট্রেন নিয়মিত সূচি অনুযায়ী চলবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে থাকলেও শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।


ডিএমপি কার্যালয় অভিমুখে মিছিল শেষে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ২০:২৪:১৭
ডিএমপি কার্যালয় অভিমুখে মিছিল শেষে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের
ছবিঃ সংগৃহীত

তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কার্যালয় অভিমুখে মিছিল শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা আসে।

শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রধান তিনটি দাবি তুলে ধরেন, যা বিএসসি প্রকৌশলীদের পক্ষে উপস্থাপন করা হয়েছে:

৩৩ শতাংশ পদোন্নতি কোটা বাতিল: নবম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদে ডিপ্লোমাধারীদের জন্য নির্ধারিত ৩৩ শতাংশ পদোন্নতি কোটা বাতিল করতে হবে।

টেকনিক্যাল গ্রেড উন্মুক্ত করা: দশম গ্রেডের টেকনিক্যাল পদগুলো শুধু ডিপ্লোমাধারীদের জন্য সংরক্ষিত না রেখে উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন (বিএসসি) প্রার্থীদের জন্যও উন্মুক্ত করতে হবে।

‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি: বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া কোনো ব্যক্তি ‘ইঞ্জিনিয়ার’ পদবি ব্যবহার করতে পারবে না।

শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দাবিগুলো পূরণ না হলে সারাদেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শাটডাউন চলতে থাকবে। একইসঙ্গে তারা বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ এবং সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শেষে জাতীয় সমাবেশ করারও ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রকৌশলী অধিকার পরিষদের উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান শহিদ বলেছেন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন্স ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) অনুযায়ী, ডিপ্লোমা ডিগ্রি থেকে শুধুমাত্র চাকরির অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বিএসসি’র যোগ্যতা অর্জন সম্ভব নয়, যা একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড।

এর আগে বুধবার (২৭ আগস্ট), ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে অবস্থান নিলে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল মোড়ে পুলিশ টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এই ঘটনায় সাংবাদিকসহ অনেক শিক্ষার্থী আহত হন।

/আশিক


বুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ফাঁকা ক্যাম্পাসে বন্ধ ক্লাস–পরীক্ষা

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৮ ১১:১০:২৩
বুয়েটে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’, ফাঁকা ক্যাম্পাসে বন্ধ ক্লাস–পরীক্ষা
ছবিঃ সংগৃহীত

তিন দফা দাবিতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এই কর্মসূচির কারণে আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বুয়েটের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে।

গতকাল বুধবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন’ এই কর্মসূচি ঘোষণা করে। ঘোষণা অনুযায়ী, বুয়েটসহ দেশের সব প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে এই শাটডাউন পালিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সকাল ১০টায় সরেজমিনে বুয়েটের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখা যায়, কোনো শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসে আসেননি। নিরাপত্তারক্ষীরা জানান, প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে আসা শুরু করলেও আজ কেউ আসেননি। তবে কিছু বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজে এসেছেন। বুয়েটের একজন নিরাপত্তাকর্মী মাসুদ রানা বলেন, “শাটডাউন চলছে। এ জন্য শিক্ষার্থীরা আসেননি।”

গত মঙ্গলবার বিকেল থেকে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। গতকাল বেলা ১১টার দিকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। একপর্যায়ে বেলা দেড়টার দিকে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে পদযাত্রা শুরু করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, কাঁদানে গ্যাসের শেল ও জলকামান ব্যবহার করে। লাঠিপেটার ঘটনায় অনেক শিক্ষার্থী আহত হন।

পুলিশের হামলার পর শিক্ষার্থীরা আবার শাহবাগে জড়ো হন এবং রাত সাড়ে ১০টার পর তারা মোড় ছেড়ে চলে যান। রাতেই ‘প্রকৌশল অধিকার আন্দোলনের’ সভাপতি ওয়ালী উল্লাহ জনভোগান্তির কথা বিবেচনা করে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত রাখার কথা জানান। তবে বুয়েটের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ বলেন, “আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব। সে জন্য আজ থেকে সব ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স ঘোষণা করা হলো।”

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান তিনটি দাবি হলো:

নবম গ্রেড সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যদের নেওয়া হবে এবং ন্যূনতম যোগ্যতা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার থাকতে হবে।

দশম গ্রেডে ডিপ্লোমাধারীদের পাশাপাশি উচ্চ ডিগ্রিধারী (বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার) শিক্ষার্থীরাও যেন আবেদন করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করা।

শুধু যারা বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন করবেন, তারাই যেন নামের সঙ্গে ‘প্রকৌশলী’ (ইঞ্জিনিয়ার) পদবি ব্যবহার করতে পারেন।

এই সংকট সমাধানের জন্য সরকার চারজন উপদেষ্টার সমন্বয়ে ৮ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে, যা প্রকৌশল পেশায় বিএসসি ও ডিপ্লোমাধারী ব্যক্তিদের দাবির যৌক্তিকতা পরীক্ষা করে সুপারিশ দেবে।


ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী দেখতে চান না ডাকসু ভিপি প্রার্থী উমামা

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ২১:৩২:১৬
ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী দেখতে চান না ডাকসু ভিপি প্রার্থী উমামা
ছবিঃ সংগৃহীত

ভোটকেন্দ্র ও ভোট গণনার সময় সেনাবাহিনীর উপস্থিতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদপ্রার্থী উমামা ফাতেমা। তিনি বলেন, প্রার্থীদের মতামত ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক এবং তিনি ভোটকেন্দ্রে সেনাবাহিনী দেখতে চান না।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে উমামা ফাতেমা এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি নির্বাচনী প্রচারণার সময় বাড়ানোরও দাবি জানান।

উমামা ফাতেমা দৃশ্যমান প্রচার-প্রচারণা না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যদি দৃশ্যমান প্রচারণা চালানো না যায়, তাহলে কিভাবে ৪০ হাজার শিক্ষার্থীর কাছে প্রার্থীরা পরিচিত হবেন?”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, নারী প্রার্থীরা হয়রানির (বুলিংয়ের) শিকার হচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

উমামা বলেন, ভোট গ্রহণের সময় পরীক্ষা থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রচারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। তিনি চান, শিক্ষার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পরীক্ষা দিতে পারেন এবং নির্বাচনও যেন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।

ভোটের ফল ঘোষণায় বেশি সময় নিলে ডাকসুতে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ফল পরিবর্তন করে দেবে বলেও অভিযোগ করেন উমামা। তিনি বলেন, ভোট শেষে গণনা করে ফল প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

/আশিক


হত্যাচেষ্টা মামলায় ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদ কারাগারে

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৭ ১৯:১৯:২৪
হত্যাচেষ্টা মামলায় ডাকসু ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদ কারাগারে
আদালতে স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী জালাল আহমদ। ছবি-সমকাল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে স্বতন্ত্র ভিপি পদপ্রার্থী জালাল আহমদকে হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মিনহাজুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন।

হাজী মুহাম্মদ মুহসীন হলের ৪৬২ নম্বর রুমে তার রুমমেট রবিউল হককে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শাহবাগ থানায় জালাল আহমদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করে। পরে এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতে পাঠানো হয়।

ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে। জালাল আহমদ বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন অ্যান্ড ফিল্ম ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী। আহত রবিউল হক রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জালাল আহমদকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

/আশিক


ডাকসু নির্বাচনের প্রথম দিনে উত্তেজনা: শিবিরের ব্যানার ভাঙচুর ও ছবি বিকৃতি

ক্যাম্পাস ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ আগস্ট ২৬ ২১:৩১:৪৬
ডাকসু নির্বাচনের প্রথম দিনে উত্তেজনা: শিবিরের ব্যানার ভাঙচুর ও ছবি বিকৃতি
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রার্থীরা ব্যানার ও ফেস্টুন লাগিয়ে প্রচারণা চালালেও, প্রথম দিনেই শিবিরের সমর্থক প্রার্থীদের ব্যানার-ফেস্টুন ভাঙচুর ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটেছে। এমনকি প্রার্থীদের ছবি বিকৃত করে হিংসাত্মক রূপ দেওয়া হয়েছে, যা পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

এই ভাঙচুর ও ছবি বিকৃতির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তারা এই উদ্বেগ জানায়।

ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “আমরা সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে এবং নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা মেনে ব্যানার স্থাপন করেছি। কিন্তু একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের কর্মকাণ্ডকে ব্যাহত করতে এই ন্যাক্কারজনক কাজ করেছে।” তারা আরও অভিযোগ করে বলেন, ছবি বিকৃতির মাধ্যমে তারা ধর্মীয় অনুভূতি এবং হিজাব ফোবিয়াকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

জোট আরও অভিযোগ করেছে, অতীতে চারুকলা অনুষদে একটি গোষ্ঠী শেখ হাসিনার ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য পুড়িয়ে ফেলার সঙ্গে জড়িত ছিল। এছাড়াও, “কিছু চিহ্নিত মিডিয়া দুষ্কৃতিকারীদের পরিচয় আড়াল করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। এটি একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। আমরা দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে। তারা বলেছে, ক্যাম্পাসকে সবার জন্য উন্মুক্ত ও ঐক্যবদ্ধ রাখাই তাদের মূল লক্ষ্য। জোট চারুকলা অনুষদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে এবং বলেছে, কোনো কুচক্রী মহল তাদের ঐক্য ভাঙতে পারবে না।

পাঠকের মতামত: