বাংলা দ্বিতীয় পত্রে বেশি নম্বর পাওয়ার ৭ সেরা টিপস

এসএসসি পরীক্ষার শেষ মুহূর্তে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রস্তুতি নিয়ে সকল পরীক্ষার্থীর মাঝে কিছুটা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। কিন্তু এই পরীক্ষা থেকেই প্রকৃত পরীক্ষার ফলাফল গঠন হয় এবং স্কুলজীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও এখানেই সমাপ্ত হয়। তাই এই পরীক্ষায় ভালো করার জন্য কিছু কার্যকরী কৌশল জানা থাকলে ফলাফল অনেক ভালো হতে পারে।
১. নম্বর বণ্টন এবং প্রস্তুতির কৌশল
বাংলা দ্বিতীয় পত্রের মোট ১০০ নম্বরের মধ্যে ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি (MCQ) অংশ এবং ৭০ নম্বরের রচনামূলক (Constructive) অংশ রয়েছে। বহুনির্বাচনি অংশ পুরোপুরি ব্যাকরণ (Grammar) বিষয়ক এবং রচনামূলক অংশের মূল বিষয় নির্মিতি (Composition), যা আরও বিস্তারিতভাবে অনুচ্ছেদ লিখন, সারাংশ লিখন, প্রতিবেদন, পত্রলিখন, ভাবসম্প্রসারণ এবং প্রবন্ধ লিখন অন্তর্ভুক্ত।
২. ব্যাকরণ অংশের প্রস্তুতি
এতটুকু সময় হাতে থাকলে ব্যাকরণ অংশের জন্য সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত পাঠ্যবই থেকে ব্যাকরণ পড়ার পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের উপর নজর রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করতে পারবেন, যেমন সংশোধনমূলক ব্যাকরণ এবং শব্দধর্মী বিষয়গুলো। যদি কোনো সমস্যা হয়, তা সহজেই সমাধান করতে পারেন।
৩. নির্মিতি অংশে সঠিক কৌশল
নির্মিতি অংশে লেখার কৌশল জানা না থাকলে অনেক কিছুই ছুটে যেতে পারে। প্রতিটি লেখার ক্ষেত্রে বিশেষ নিয়মকানুন রয়েছে, যা আপনাকে অনুসরণ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, অনুচ্ছেদ লিখন বা সারাংশ লিখনে আপনাকে প্রাসঙ্গিক তথ্য দিয়ে লেখার পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত এবং সঠিকভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করতে হবে। কোনো ধরনের অতিরিক্ত তথ্য বা ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে না। প্রতিবেদন লিখনের জন্য ‘5W1H Formula’ অনুসরণ করা অত্যন্ত কার্যকর। প্রতিবেদনের তথ্য সংগৃহীত হওয়া আবশ্যক, এবং সেগুলি সঠিকভাবে সাজিয়ে প্রবন্ধ আকারে লেখাও সফলতা এনে দিতে পারে।
৪. ভাবসম্প্রসারণ এবং প্রবন্ধের প্রস্তুতি
ভাবসম্প্রসারণের জন্য একটি গভীর বোঝাপড়া এবং প্রাসঙ্গিক দৃষ্টান্ত/উদাহরণ প্রদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খুবই সাধারণ ভাষায়, চিন্তাশীলভাবে লেখাটি সম্প্রসারিত করতে হবে। কোনো কবির উক্তি বা লেখার মর্ম উদ্ধারের জন্য তা বিশ্লেষণ করা একান্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদাহরণ সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারলে ভালো নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এছাড়াও প্রবন্ধ লেখার ক্ষেত্রে বিষয়টি কেবল একটি চিন্তা নয়, বরং তা তথ্যভিত্তিক, যুক্তিসম্পন্ন এবং জ্ঞানগর্ভ হওয়া উচিত। যেমন—সমসাময়িক ঘটনাবলী, ঋতু এবং প্রকৃতি, ইতিহাস, প্রযুক্তি, সমাজের সমস্যাগুলো নিয়ে প্রবন্ধ লিখতে বলা হতে পারে।
৫. পত্রলিখন ও আবেদনের কৌশল
এসএসসি পরীক্ষায় পত্রলিখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এখানে ব্যক্তিগত পত্র, আবেদনপত্র এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত পত্র থেকে যেকোনো দুটি লিখতে বলা হতে পারে। বিশেষভাবে আবেদনপত্র লিখন ক্ষেত্রে তার উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো স্পষ্ট এবং প্রাসঙ্গিকভাবে উপস্থাপন করা উচিত।
৬. সঠিক ভাষার ব্যবহার
বাংলা পরীক্ষায় নম্বর পেতে শুধু নিয়মকানুন জানাই যথেষ্ট নয়, সেইসাথে সঠিক ভাষার ব্যবহারও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাষার মাধ্যমে আপনার বক্তব্য কতটা প্রাঞ্জল, সঠিক এবং শক্তিশালী তা বিবেচিত হয়। রচনা বা প্রবন্ধ লেখার সময় প্রাঞ্জল, সহজ ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করতে হবে। এটি লেখাটিকে সোজা এবং সুন্দর করে তুলে ধরবে, যা মূলত পরীক্ষকের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
৭. সময় ব্যবস্থাপনা
সর্বশেষ কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সময় ব্যবস্থাপনা। পরীক্ষার সময় একদম শেষ মুহূর্তে এসে যদি সময়ের অভাবে হুড়োহুড়ি করা হয়, তবে ভালো নম্বর পাওয়া সম্ভব নয়। তাই পরীক্ষার প্রথমে অবশ্যই কোনো একটি প্রশ্ন ভালোভাবে পড়ুন, তারপরে উত্তর লিখতে শুরু করুন। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য পর্যাপ্ত সময় নির্ধারণ করুন এবং সবশেষে সময় বাঁচিয়ে সমাপ্তির দিকে যান।
এসএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্রে ভালো নম্বর পাওয়ার জন্য দক্ষতার সাথে প্রস্তুতি নেওয়া আবশ্যক। ব্যাকরণ, নির্মিতি, প্রতিবেদন, প্রবন্ধ, পত্রলিখন এবং ভাবসম্প্রসারণ—এসব বিষয়ে সময়মতো দক্ষতা অর্জন এবং যথাযথ কৌশল গ্রহণ করলে ফলাফল সত্যিই আশানুরূপ হবে।
উচ্চশিক্ষায় ১০ বছর পূর্তি উদযাপন করল ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ

শহিদুল ইসলাম
স্টাফ রিপোর্টার
সম্প্রতি উচ্চশিক্ষায় এক দশক পূর্তি উপলক্ষে ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ (UKMC) ম্যানচেস্টারের হিটন পার্কে বর্ণাঢ্য সামারফেস্ট ২০২৬ আয়োজন করেছে। এতে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, একাডেমিক অংশীদার, বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।
দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সঙ্গীত, খাবারের স্টল, খেলাধুলা ও বিনোদনের নানা আয়োজন। শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও আমন্ত্রিত শিল্পীদের পরিবেশনায় উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে Health Sciences University (HSU)-এর সঙ্গে ইউকেএমসির নতুন একাডেমিক অংশীদারত্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এই অংশীদারত্বের আওতায় HSU-স্বীকৃত BSc (Hons) Psychology with Foundation Year কোর্স পরিচালিত হবে, যা মনোবিজ্ঞান, মানসিক স্বাস্থ্য এবং কমিউনিটি সাপোর্ট বিষয়ে উচ্চশিক্ষার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।
এ সময় ‘UKMC 10 Years of Excellence Anniversary Magazine’-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। স্মারক প্রকাশনাটিতে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউকেএমসির এক দশকের অগ্রযাত্রা, সম্প্রসারণ এবং অর্জনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ম্যানচেস্টারের লর্ড মেয়র, রচডেলের মেয়র, হাই শেরিফসহ বিভিন্ন একাডেমিক ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বাউল এ এস এম শফি মন্ডল, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বাউল ডলি মন্ডল, ড. জাহিদুল কবির, জহরা হোসেন জেমি, সর্দার হীরক রাজা, আমির হাশমি, GAMTA, প্রীতম আহমেদ এবং ডাইনামিকসহ বিভিন্ন শিল্পী পরিবেশনা করেন।
ইউকেএমসির ১০ বছরের এই যাত্রার পেছনে নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (CEO) মো. জাহিদুল ইসলাম। তাঁর নেতৃত্বে ইউকেএমসি যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মমুখী ও সহজলভ্য উচ্চশিক্ষার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিকশিত হয়েছে। শিক্ষা খাতে তাঁর এই উদ্যোগ যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক শিক্ষার পরিসর সম্প্রসারণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
ইউকেএমসির এক মুখপাত্র বলেন, “সামারফেস্ট ২০২৬ শুধু ১০ বছর পূর্তির উদযাপন নয়; এটি আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অংশীদার এবং কমিউনিটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি উপলক্ষ। এই আয়োজন ইউকেএমসির বৈচিত্র্য, ঐক্য ও অগ্রগতির প্রতিফলন।”
২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউকে ম্যানেজমেন্ট কলেজ বর্তমানে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে কর্মমুখী ও সহজলভ্য উচ্চশিক্ষা প্রদান করছে। আগামী দিনেও শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সাফল্য, আন্তর্জাতিক একাডেমিক সহযোগিতা এবং উচ্চশিক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।
বিস্তারিত:www.ukmc.ac.uk
এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন বার্তা
চলতি বছরের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল আগামী সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশ করা হতে পারে বলে বিভিন্ন সময়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে পরীক্ষার ফল প্রস্তুতির যাবতীয় কাজ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সদস্যদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের সেই নির্দেশনা অনুযায়ী বোর্ডগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তবে আগামী সোমবারই নিশ্চিতভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে কিনা, সে বিষয়ে এখনও শতভাগ নিশ্চিত কোনো তথ্য জানাতে পারেননি সমন্বয় কমিটির দায়িত্বশীল সদস্যরা।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা একটি শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুত করার জন্য তারা মন্ত্রণালয় থেকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা পেয়েছেন। তারা ২০ জুলাই বা তার কাছাকাছি সময়েই ফল প্রকাশের সম্ভাবনা দেখছেন এবং ২০ জুলাইকে প্রধান লক্ষ্য বা ‘টার্গেট’ রেখেই ফল চূড়ান্ত করার কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।
প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণত এসএসসি বা সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করার একটি বাধ্যবাধকতা থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছর গত ২১ এপ্রিল দেশজুড়ে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর থেকেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন ও নম্বর ডাটাবেজে যুক্ত করার কাজ দ্রুততার সাথে করা হচ্ছে।
এ বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য সারা দেশ থেকে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী চূড়ান্তভাবে ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এসএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন শিক্ষার্থী। অন্যদিকে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষার জন্য ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮6 জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নিতে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।
শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, কেবল এসএসসি নয়, পাশাপাশি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রস্তুতের কাজও সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত ও কাঙ্ক্ষিত সময়ের মধ্যে যেন দেশের এই বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা যায়, সে লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর আইসিটি সেল ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই ফল প্রকাশের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময় আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।
/আশিক
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ করল মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ও ঐতিহাসিক ইসলামি বিদ্যাপীঠ মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের বার্ষিক বৃত্তির (স্কলারশিপ) সংখ্যা একলাফে দ্বিগুণ করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত বৃত্তির সংখ্যা পূর্বের ১২টি থেকে বৃদ্ধি করে ২৪টিতে উন্নীত করা হয়েছে। এর ফলে প্রতি বছর দ্বিগুণ সংখ্যক বাংলাদেশি মেধাবী শিক্ষার্থী এই শতাব্দীপ্রাচীন ও বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে উচ্চশিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ লাভ করবেন।
শনিবার (১১ জুলাই) মিসরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই অনন্য অর্জনের তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, দূতাবাসের হেড অব চ্যান্সারি আতাউল হক আল-আজহারের গ্র্যান্ড ইমামের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী-বিষয়ক প্রধান উপদেষ্টা নাহলা সাইদির সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে এক বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ ও আল-আজহারের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক শিক্ষা ও অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিশেষ করে মিসরে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সার্বিক কল্যাণ ও উচ্চশিক্ষা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠকের শুরুতেই উপদেষ্টা নাহলা সাইদি বৃত্তির সংখ্যা বাড়ানোর নেপথ্যের কারণ উল্লেখ করে বলেন, মিসরে নিযুক্ত বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজের বিশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ও আনুষ্ঠানিক অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির কোটা পুনর্নির্ধারণ করেছে। ১২টি আসন থেকে বৃদ্ধি করে এখন থেকে ২৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে প্রতি বছর এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠে উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে।
গুরুত্বপূর্ণ এই বৈঠকে নাহলা সাইদি আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি করা নবপ্রণীত শিক্ষা নীতিমালা, চলমান অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বাংলাদেশ দূতাবাসকে বিস্তারিতভাবে অবহিত করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজের প্রতি আল-আজহার কর্তৃপক্ষের আন্তরিক শুভেচ্ছা, সালাম ও গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
বৈঠকে উপস্থিত উভয় পক্ষই বাংলাদেশ ও আল-আজহারের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার ওপর জোর দেন। একই সঙ্গে শিক্ষা, ধর্মীয় গবেষণা, বৃত্তি প্রদান এবং বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণে পারস্পরিক অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বহুমুখী, সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
/আশিক
দুপুরের রেস্তোরাঁয় আকস্মিক অসুস্থতার পর চিরবিদায় নিলেন দেশের গুণী অধ্যাপক
বাংলা একাডেমির সভাপতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে ৮৫ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম গণমাধ্যমকে জানান, দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটার মধ্যে মিরপুর-১ নম্বরের একটি রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে জাতীয় হার্ট ফাউন্ডেশনে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার পাকুন্দিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া এই প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘদিন সুনামের সঙ্গে অধ্যাপনা করেছেন। সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করার আন্দোলনে তিনি আজীবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
শিক্ষা, সাহিত্য ও গবেষণায় তাঁর অবদান
পত্রিকা সম্পাদনা
তিনি ‘সুন্দরম’ ও ‘লোকায়ত’ নামে দুটি উচ্চমানের সাময়িকপত্র সম্পাদনা করে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকে সমৃদ্ধ করেছেন।
উল্লেখযোগ্য বই
তাঁর প্রকাশিত ২০টিরও বেশি মৌলিক গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলন’, ‘রাজনীতি দর্শন’, ‘সাহিত্য চিন্তা’ এবং ‘সংস্কৃতির সহজ কথা’।
সম্পাদিত গ্রন্থ
তাঁর সুযোগ্য সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে ‘ইতিহাসের আলোকে বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ ও ‘স্বদেশচিন্তা’-এর মতো একাধিক আকর গ্রন্থ।
স্বীকৃতি
মননশীল প্রবন্ধ ও গবেষণায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮১ সালে তিনি ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’ লাভ করেন।
/আশিক
অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান: ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ
৪৭তম বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। রোববার (২৮ জুন) বিকেলে পিএসসির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ফলাফল ও পিএসসির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৪৭তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডার পদে ১ হাজার ৩২০ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনসহ সর্বমোট ১ হাজার ৫২১ জন প্রার্থীকে সরকারের শূন্য পদগুলোতে চূড়ান্ত নিয়োগের জন্য সাময়িকভাবে সুপারিশ বা মনোনয়ন প্রদান করা হয়েছে।
এর আগে এই ৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল, যাতে উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তী ধাপের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন ৩ হাজার ৬৩১ জন ক্যাডার প্রত্যাশী প্রার্থী। পরবর্তী সময়ে মে মাস থেকে পিএসসির প্রধান কার্যালয়ে তাদের মৌখিক বা ভাইভা পরীক্ষা নেওয়া শুরু হয় এবং সব প্রক্রিয়া শেষ করে আজ এই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হলো।
/আশিক
বুয়েটে ‘আবরার ফাহাদ’ হলের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব: শিক্ষামন্ত্রী
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) আবাসন সংকট নিরসনে এবং ক্যাম্পাসের এক নির্মম অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখতে ‘আবরার ফাহাদ’ নামে একটি নতুন ছাত্র হল নির্মাণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ অনুরোধ করবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, কোনো ধরনের অপচয় বা অনিয়ম কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। শনিবার (২৭ জুন) বুয়েটের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে বুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. একরামুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং বুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির সার্বিক চিত্র তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে শিক্ষা খাতে নামমাত্র বরাদ্দের বিপরীতে বর্তমান সরকার সবচেয়ে বেশি বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে। শিক্ষা খাতের এই বরাদ্দকে জিডিপির বর্তমান ২ শতাংশ থেকে ক্রমান্বয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নে বাজেট বাড়াতে সবসময় প্রস্তুত, তবে শর্ত হলো সেই রাষ্ট্রীয় টাকার প্রতিটি পয়সা চরম সততার সাথে কাজে লাগাতে হবে। যারা মেধার কঠিন প্রতিযোগিতা দিয়ে আজকে উচ্চশিক্ষার এই শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে আসছে, আমরা যদি রাষ্ট্র হিসেবে তাদের থাকার ন্যূনতম আবাসন বা হলের জায়গাটুকু দিতে না পারি, তবে সেই বড় বড় বাজেটের কোনো প্রকৃত অর্থ থাকে না।
এহছানুল হক মিলন বুয়েটের পূর্বাচল ক্যাম্পাস নিয়ে এক বড় সুখবর দিয়ে জানান, এই ক্যাম্পাসের জন্য বরাদ্দকৃত জমির যে বকেয়া কিস্তির টাকা রয়েছে, তা বর্তমান সরকার নিজস্ব তহবিল থেকে এককালীন পরিশোধ করে দেবে। বুয়েটকে কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের মতো নিজে আয় করে জমি কেনার চিন্তা করতে হবে না, বরং রাষ্ট্র তার একাডেমিক ও গবেষণামূলক প্রসারে সবসময় পাশে থাকবে। একই সঙ্গে বিশ্বের নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো বুয়েটেও আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ‘অ্যালামনাই কন্ট্রিবিউশন ফান্ড’ গঠনের তাগিদ দেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বুয়েটের শিক্ষার্থীদের মেধার সঠিক মূল্যায়নের তাগিদ দিয়ে বলেন, আমরা বুয়েটের মেধার অপচয় করতে চাই না, এই অমূল্য মেধাকে তার সঠিক জায়গায় কাজে লাগাতে চাই। বুয়েটের আবাসন সংকট নিরসনে এবং ক্যাম্পাসের নির্মম স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখতে মন্ত্রী ঘোষণা করেন, ‘বুয়েটের মেধাবী ছাত্ররা যেন নষ্ট না হয় এবং যে নির্মম স্মৃতি বুয়েটের পাতা থেকে কোনোদিন মুছে যাবে না, সেই স্মৃতি ধরে রাখার জন্য আমরা বুয়েটে ‘আবরার ফাহাদ’ নামে একটি নতুন ছাত্র হল নির্মাণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বুয়েটে এই হলের নির্মাণকাজ সুনিশ্চিত করা হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে বুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, হলের প্রভোস্ট, নবাগত শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী
আগামী ২০ জুলাই চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে ঘোষণা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে। কোনো ধরনের প্রশ্নফাঁস কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ছাড়াই এই পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে, যা সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত সহযোগিতারই ফল।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী তার দায়িত্ব গ্রহণের চার মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বর্তমান বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির অধীনে শিক্ষা খাতের সার্বিক সংস্কার, গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে তার মন্ত্রণালয় ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ড. এহসানুল হক মিলন বলেন, কার্যভার গ্রহণের পর পরই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের স্থগিত থাকা বৃত্তি পরীক্ষাগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটি বড় সমস্যারও সমাধান করা হয়েছে। আগে বিভিন্ন বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেন স্কুল এই বৃত্তি পরীক্ষার কার্যক্রমে যুক্ত হতো না। তবে এবার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হয়েছে এবং বৃত্তি কার্যক্রম সফলভাবে শেষ করা সম্ভব হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমিয়ে আনার লক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এখন থেকে পাঠ্যসূচি শেষ হওয়ার পরপরই দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আগাম প্রস্তুতির সুবিধার্থে এক বছর আগেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার নির্দিষ্ট সময়সূচিও ঘোষণা করা হয়েছে।
শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও মানোন্নয়নে চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কেও কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানান, শিক্ষা খাতের উন্নয়নের জন্য গৃহীত বর্তমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পুরোদমে অব্যাহত রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এক লাখ ২০ हजार শিক্ষককে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়ার কর্মসূচি সফলভাবে শেষ হয়েছে। দেশের সরকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী নিজে এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছিলেন।
শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন ও উদ্ভাবনী কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে দেশব্যাপী ‘ইনোভেশন আইডিয়া শোকেস’ আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই বিশেষ কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠান আগামী ২৮ ও ২৯ জুন অনুষ্ঠিত হবে। সমাপনী আয়োজনে ৩২টি সম্মেলন ও প্রদর্শনী কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. এহসানুল হক মিলন জানান, গত ৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ফুটবল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। ছাত্র ও ছাত্রী উভয় বিভাগের অংশগ্রহণে দেশজুড়ে চলা এই প্রতিযোগিতা আগামী ২০ জুন জাতীয় স্টেডিয়ামে চূড়ান্ত পর্বের ম্যাচের মাধ্যমে শেষ হবে। এই ফাইনাল খেলার বিষয়ে বিস্তারিত সময়সূচি ও কর্মসূচি পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
শিক্ষা খাতে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি রূপরেখা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, একটি আনন্দময় ও মানবিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, নৈতিক শিক্ষা এবং পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পোশাক ও মিড-ডে মিলের মতো কল্যাণমুখী উদ্যোগগুলো নিয়েও কাজ চলছে।
/আশিক
২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা; পরীক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বোর্ডের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা
আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষাসংক্রান্ত তথ্য ও অভিযোগ আদান-প্রদানের জন্য বিশেষ কন্ট্রোল রুম (নিয়ন্ত্রণ কক্ষ) চালু করার পাশাপাশি ক্যালকুলেটর, হাতঘড়ি ব্যবহার এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময়সূচি স্পষ্ট করে বুধবার (১৭ জুন) বোর্ডের ওয়েবসাইটে তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পরীক্ষা উপলক্ষে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে সার্বক্ষণিক একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। পরীক্ষাসংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা, তথ্য বা জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কন্ট্রোল রুমের ফোন নম্বর (০২-২২৩৩৬৯৮১৫, ০১৫৫০৪১১২০৩, ০১৭১৪৯৯৪০৭৩, ০১৭৫৬১০৩১৫২) অথবা ই-মেইল ([email protected]) ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারবেন।
ক্যালকুলেটর ও হাতঘড়ি ব্যবহারের বিষয়ে বোর্ড জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা সাধারণ ক্যালকুলেটরের পাশাপাশি নির্ধারিত ৮টি মডেলের সায়েন্টিফিক নন-প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবেন। একই সঙ্গে পরীক্ষার হলে নন-প্রোগ্রামেবল কাঁটাযুক্ত এনালগ হাতঘড়ি ব্যবহারেরও অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে কেন্দ্রের আশপাশে যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই কেন্দ্রের অভ্যন্তরে প্রবেশের ব্যবস্থা করার জন্য কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে বোর্ড। তবে পরীক্ষা কক্ষে চূড়ান্তভাবে আসন গ্রহণ ও প্রবেশসংক্রান্ত পূর্বের সব নিয়মিত নির্দেশনা অপরিবর্তিত ও বহাল থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
/আশিক
প্রাথমিকের শিক্ষায় মেগা বদল,২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে আসছে নতুন কারিকুলাম
দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের ধারায় নিয়ে যাওয়ার এক মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি জানিয়েছেন, দেশের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক, সৃজনশীল ও বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ নতুন কারিকুলামের আলোকে পাঠদান শুরু করা হবে। আর এই বিশাল লক্ষ্য ও রূপরেখা বাস্তবে রূপ দিতে দক্ষ এবং সুপ্রশিক্ষিত শিক্ষকের কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। আজ বুধবার (১০ জুন ২০২৬) দেশের ২৪টি পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিভাগীয় প্রধানসহ মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত আধুনিক ও বিজ্ঞানমুখী শিক্ষা-দর্শন অনুযায়ী দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থাকে নতুন করে সাজানো হচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীরা যেন আন্তর্জাতিক মানের বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে বিকশিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায়োগিক দক্ষতাও অর্জন করতে পারে।
প্রাথমিকের এই নতুন কারিকুলামের বিশেষত্ব নিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক শিক্ষায় প্রথমবারের মতো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা ও ক্রীড়াভিত্তিক শিক্ষা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বিপুল সংখ্যক বিশেষায়িত শিক্ষক ও পেশাদার প্রশিক্ষকের প্রয়োজন হবে।
ববি হাজ্জাজ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সংগীত, নৃত্যকলা, চারুকলা, নাট্যকলা ও ক্রীড়া বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের জন্য এক বিশাল ও নতুন কর্মসংস্থানের দিগন্ত উন্মোচিত হবে। আগামী ৫ বছরে এই বিশেষায়িত খাতে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার নতুন স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এবং এই বিষয়গুলোতে একটি টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ ‘ক্যারিয়ার পাথওয়ে’ গড়ে উঠবে। আর এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয় ও মন্ত্রণালয়কে এখনই সমন্বিত প্রস্তুতি নিতে হবে।
দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, "আমরা চাই আপনাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিশেষায়িত শিক্ষক হিসেবে যেন সরাসরি যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান। সে লক্ষ্যে স্নাতক পর্যায়েই কীভাবে তাদের উপযুক্ত শিক্ষণ প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান পাঠ্যক্রমের সঙ্গে পেশাদার শিক্ষকতা-সম্পর্কিত প্রস্তুতি যুক্ত করা যায় এবং কীভাবে মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে দক্ষ শিক্ষক তৈরি করতে পারে—সেসব বিষয়ে আমরা একসঙ্গে রোডম্যাপ তৈরি করতে চাই।"
তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন কারিকুলামে সংগীত, নাট্যকলা ও নৃত্যকলাকে শুধু প্রথাগত সহশিক্ষা (Co-curricular) কার্যক্রম হিসেবে রাখা হচ্ছে না, বরং শিক্ষার্থীদের মানসিক ও সামগ্রিক বিকাশের একটি মূল এবং বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এ জন্য কারিকুলাম উন্নয়নের পাশাপাশি দক্ষ শিক্ষক প্যানেল তৈরির বিষয়ে এখন থেকেই মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৭ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির জন্য নতুন প্রবর্তিত ‘শিল্প ও সংস্কৃতি’ পাঠ্যবইয়ে ৪টি প্রধান অধ্যায়ে চারু ও কারুকলা, সংগীত, নৃত্যকলা এবং নাট্যকলা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। পরবর্তীতে ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলামে এই বিষয়গুলো দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত বিষয় হিসেবে যুক্ত হবে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- যেসব দেশে দিনদুপুরে নেমে আসবে রাতের অন্ধকার!
- মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির জোরালো প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ
- ৪০ মিলিয়ন ইউরোয় ইতালি পাড়ি জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন তারকা
- এমপি লুনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ‘ওয়ান পাউন্ড জেনারেল হসপিটাল’-এর ট্রাস্টিবৃন্দ
- সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত বল্লভপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা
- কীভাবে এলো এই বিশেষ দিন: বন্ধু দিবসের অজানা কথা
- এশিয়ান গেমস ফুটবলের সূচি প্রকাশ, কোন গ্রুপে বাংলাদেশ?
- হাইকোর্টে জোড়া মামলায় জামিন পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- ভারতের গণতান্ত্রিক উদাহরণ টেনে মির্জা ফখরুলের বক্তব্য
- হুতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সৌদি জোটে বাংলাদেশ, জানাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- অপারেশন শরতের তুফান: ৮ বছর পর ট্রাইব্যুনালে উঠে এল কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
- সাবেক সরকারের মতো একই আচরণ ধারণ করছে বর্তমান শাসকগোষ্ঠী: জামায়াত আমির
- ইরানের কঠোর অবস্থানের পর হামলা থেকে সরে এলেন ট্রাম্প
- আরব আমিরাতে জামিন পেলেন সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদ
- ফের পরিবর্তন এলপিজি গ্যাসের দামে: রোববার সন্ধ্যা থেকে নতুন রেট কার্যকর
- টানা সাড়ে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- তীব্র গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে কারওয়ান বাজারে প্রতিবাদী কর্মসূচি: কঠোর আলটিমেটাম এনসিপির
- আগস্ট জুড়ে আবহাওয়া কেমন থাকবে? দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বিডব্লিউওটির বিশেষ বার্তা
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার রূপরেখা পেশ
- সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন ইউকে নবগঠিত (আংশিক) কমিটি ঘোষণা
- অন্যায়ের অবসান ও নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি: জামায়াত আমির
- ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে ড্রোন তাণ্ডব: আন্তর্জাতিক ষড়যন্তের দিকে আঙুল ইরানের
- ইন্ডাকশন নাকি ইনফ্রারেড চুলা: কেনার আগে জেনে নিন কাজের পার্থক্য
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সব সম্প্রদায়ের অবদান ছিল: নাহিদ ইসলাম
- যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন, প্রভাবিত হবে বাংলাদেশও
- স্ত্রীর কবর খননকালে ২৪ বছর পর স্বামীর অক্ষত দেহ উদ্ধার
- আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের বিশ্বজয়ে আবার স্বর্ণের দামে দরপতন
- হয়ে গেল সাফের ড্র: সহজ গ্রুপে স্বাগতিক বাংলাদেশ, সহজ হলো সেমির পথ
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক: অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- আমদানি-রপ্তানি ত্বরান্বিত করতে দেশের সব বন্দর ২৪ ঘণ্টা চালুর নির্দেশ
- আগামী ৫ দিনের আবহাওয়া কেমন থাকবে? যা জানাল অধিদপ্তর
- কুমিল্লা প্রেস ক্লাব নির্বাচন আজ, ১৬ পদে লড়ছেন ৩২ প্রার্থী
- ৩ লাখ ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে মিয়ানমার সম্মত: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
- আগস্টের ডিজেল-অকটেন-পেট্রোলের দাম নির্ধারণ
- হজযাত্রীদের বড় সুখবর: হজের বিমান টিকিটের দাম আরও কমাল সরকার
- বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা চালুর তাগিদ, চলতি বছরের মধ্যেই প্রক্রিয়ার নির্দেশ
- মধ্যপ্রাচ্যে প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাটতি, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
- ব্রাজিলে তীব্র ঝড়ে দেয়াল ধসে নিহত সাবেক জনপ্রিয় ফুটবলার
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
- আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- দেশের ৭ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশ টাইগার্সের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান
- অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
- কেশম দ্বীপে স্বজন হত্যার প্রতিশোধ: জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ আইআরজিসির
- হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, মধ্যপ্রাচ্যকে কী বার্তা দিচ্ছে 'বাহরাইন শিল্ড'?
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
- একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- ইউক্রেন ও হুতিদের প্রবেশে নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত ইরান যুদ্ধ
- স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি
- ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- সিলেটে গাড়িবহরে হামলা: খালেদা জিয়ার ওপর অতীত হামলার সাথে তুলনা নাহিদ ইসলামের
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার: শামা ওবায়েদ
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী








