প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকদের জন্য নতুন যুগের সূচনা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের জন্য দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা অনুমোদন দিয়েছে সরকার। দেশের প্রায় ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ের জন্য এই সিদ্ধান্তকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে দেখছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের মতে, দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষিত এই পদক্ষেপ প্রধান শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং তাদের পেশাগত মর্যাদা সুসংহত করবে।
এই সিদ্ধান্তে প্রাথমিক শিক্ষক মহলে স্বস্তি নেমে এসেছে। তারা সরকারের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, এটি তাদের আত্মমর্যাদা ও পেশাদারিত্বে নতুন মাত্রা যোগ করবে। তবে তারা আরও কিছু দাবি বাস্তবায়নের তাগিদ দিচ্ছেন, বিশেষ করে সহকারী শিক্ষকদের জন্য ১১তম গ্রেড নিশ্চিত করা, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের শতভাগ পদোন্নতি এবং দীর্ঘ মেয়াদে চাকরি করলে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির সুযোগ।
বর্তমানে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫০২টি। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষক পদে কর্মরত রয়েছেন ৩১ হাজার ৩৯৬ জন। তাদের কেউ ১২তম, কেউ ১১তম, আবার কেউ কেউ ইতিমধ্যে ৮ম, ৯ম ও ১০ম গ্রেডে রয়েছেন।
১২তম গ্রেডে থাকা প্রধান শিক্ষকরা এখন দশম গ্রেডে উন্নীত হওয়ার ফলে তাদের মূল বেতন গড়ে ৪ হাজার ৭০০ টাকা বাড়ছে। বাড়িভাড়া ভাতা গড়ে ১ হাজার ৬৩৫ টাকা বাড়ছে, উৎসব ভাতা বাড়ছে ৪ হাজার ৭০০ টাকা, বিশেষ ভাতা ৭০৫ টাকা এবং নববর্ষ ভাতা ৯৪০ টাকা বাড়বে।
এই ক্যাটাগরির মাত্র ১ হাজার ১৫৪ জন প্রধান শিক্ষকের জন্য সরকারের বছরে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ১১ কোটি টাকা।
১১তম গ্রেডে থাকা প্রধান শিক্ষক যারা এবার দশম গ্রেডে উন্নীত হয়েছেন, তাদের সংখ্যাও বড়—১৩ হাজার ৮৫৪ জন। এদের মূল বেতন গড়ে ৩ হাজার ৫০০ টাকা বাড়বে। বাড়িভাড়া ১ হাজার ৯৫ টাকা, উৎসব ভাতা ৩ হাজার ৫০০ টাকা, বিশেষ ভাতা ৫২৫ টাকা এবং নববর্ষ ভাতা ৭০০ টাকা করে বাড়বে।
এই গ্রুপের শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধিতে সরকারের অতিরিক্ত খরচ হবে প্রায় ৯৬ কোটি টাকা।
এদিকে যেসব প্রধান শিক্ষক ইতিমধ্যেই উচ্চতর গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন, যেমন অষ্টম বা নবম গ্রেড, তাদের ক্ষেত্রে এই নতুন সিদ্ধান্তের প্রভাব নেই। তারা আগের মতোই তাদের গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা পেতে থাকবেন।
এই মুহূর্তে প্রধান শিক্ষক পদের ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ৩১ হাজার ৪৫৯টি পদ পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণের পরিকল্পনা রয়েছে। এদের সবাই বর্তমানে সহকারী শিক্ষক হিসেবে ১১তম গ্রেডে বেতন পান। পদোন্নতি পেয়ে তারা দশম গ্রেডে এলে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ২১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা।
অন্যদিকে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ রয়েছে ২ হাজার ৬৪৭টি। এসব পদে নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা পূর্বে ১২তম গ্রেডে বেতন পেতেন। এখন তারা সরাসরি দশম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাবেন। এতে সরকারের বাড়তি খরচ হবে প্রায় ২৫ কোটি টাকা।
মোট ব্যয় হিসাব করলে দেখা যায়, কর্মরত প্রধান শিক্ষক, পদোন্নতিযোগ্য শূন্যপদ এবং সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদ মিলিয়ে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৩৪৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা। ৪৫ জন প্রধান শিক্ষক হাইকোর্টে রিট করার পর আদালত তাদের দশম গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ দেন। এরপর শিক্ষকরা সমবেত হয়ে সব প্রধান শিক্ষকের জন্য একই সুবিধা দাবি করেন এবং রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বড় ধরনের শিক্ষক সমাবেশ করেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে একটি সুসংহত প্রস্তাব তৈরি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। পরবর্তীতে অর্থ মন্ত্রণালয় এর অনুমোদন দেয় এবং তা বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "প্রধান শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এতে শিক্ষকদের পেশাগত উদ্দীপনা বাড়বে এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে তারা আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।"
এছাড়াও মন্ত্রণালয় একে সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের প্রতি দায়িত্ববোধ ও সম্মান প্রদর্শনের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করেছে। তারা বলছে, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের বেতন স্কেল দশম গ্রেডে উন্নীত করার মাধ্যমে সরকার তার দায়বদ্ধতা ও সম্মান প্রদর্শন করেছে।”
প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম বলেন, “প্রধান শিক্ষকদের দশম গ্রেডে উন্নীত করায় আমরা কৃতজ্ঞ। তবে আমাদের আরও দাবিগুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। বিশেষ করে সহকারী শিক্ষকদের ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, জ্যেষ্ঠদের শতভাগ পদোন্নতি এবং চাকরির বয়স বিবেচনায় উচ্চতর গ্রেডের বিষয়টি আমরা সরকারকে সময়সীমা বেঁধে জানিয়ে দিয়েছি।”
এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, “শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অধিদপ্তরও আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছে। এবার উচ্চ আদালতের রায়ের ভিত্তিতে প্রস্তাব তৈরি করে তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সম্মতিক্রমে অর্থ মন্ত্রণালয় তা অনুমোদন দিয়েছে।”
-রফিক
মাধ্যমিক শিক্ষায় এআই বিপ্লব! চীন সরকারের সহায়তায় স্কুলে স্কুল বসছে ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’
দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে একটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের মাধ্যমে নির্বাচিত ১৫০টি সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়ে মোট ৩০০টি অত্যাধুনিক ‘স্মার্ট ক্লাসরুম’ স্থাপন করা হবে।
প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ইতিমধ্যে সফলভাবে শেষ হয়েছে। চীন সরকারের আর্থিক অনুদানে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ের কাজ আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে শুরু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, এই ক্লাসরুমগুলোতে বিশ্বমানের সব আধুনিক সুবিধা থাকবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে দুটি করে ‘ইন্টারেক্টিভ এডুকেশন প্যানেল’ (IEP) সরবরাহ করা হবে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে এই ক্লাসরুমগুলোতে থাকবে স্বয়ংক্রিয় রেকর্ডিং ব্যবস্থা। অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান ভিডিও আকারে সংরক্ষিত হবে, যা ক্লাউড প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দেশের যেকোনো প্রান্তের শিক্ষার্থীরা দেখার সুযোগ পাবে। এমনকি শিক্ষার্থীরা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করেই মুহূর্তের মধ্যে ক্লাসের নোট ও কোর্সওয়্যার সংগ্রহ করতে পারবে।
প্রকল্পের অধীনে কেবল ক্লাসরুম নয়, মাউশি প্রাঙ্গণে একটি অত্যাধুনিক ক্লাউড বেইজড ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হবে। এই ডাটা সেন্টারটি সারা দেশের স্মার্ট শিক্ষাদান কার্যক্রমকে কেন্দ্রীয়ভাবে সংযুক্ত করবে। এছাড়া প্রকল্পের আওতায় ১০টি আধুনিক রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ৩০টি সরকারি শিক্ষা দপ্তরের জন্য বিশেষ মিটিং রুম স্থাপন করা হবে।
ইতিমধ্যে ডাটা সেন্টারের জায়গা নির্ধারণের বিষয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলকে (বিসিসি) পত্র দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশন থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন মিললেই প্রকল্পের কাজ পূর্ণগতিতে শুরু হবে।
এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের প্রস্তাবিত ‘এক শ্রেণিকক্ষ, এক স্মার্ট বোর্ড এবং এক শিক্ষক, এক ট্যাব’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে অনাপত্তি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রাথমিকভাবে বগুড়া ও চাঁদপুরের দুটি বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, এআই ও ক্লাউড প্রযুক্তির এই সংযোজন শিক্ষার্থীদের মুখস্থ নির্ভর শিক্ষার বদলে বিশ্লেষণধর্মী ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান আহরণে উৎসাহিত করবে। ডিজিটাল বিভাজন কমিয়ে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে এই প্রকল্প ‘আগামী বাংলাদেশ’ গড়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
তথ্যসূত্র : বাসস
সারাদেশে এসএসসি’র ডামাডোল! শিক্ষা বোর্ডগুলোর কড়া নজরদারিতে পরীক্ষা শুরু
দেশজুড়ে আজ থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্রের মাধ্যমে এই মেগা পাবলিক পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের পরীক্ষায় সারাদেশের ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ২০ মে পর্যন্ত মূল পরীক্ষা চলবে এবং এরপর ৭ জুন থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রথমে ৩০ মিনিটের বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের সৃজনশীল বা রচনামূলক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাদে সব বিষয়েই এই কাঠামো অনুসরণ করা হচ্ছে এবং দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি নেই।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবারের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রের সংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৭১ হাজার ৬২৬ জন কমেছে। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ১৪ লাখ ১৮ হাজারের বেশি, মাদ্রাসা বোর্ডে ৩ লাখের বেশি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৩৪ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী এ বছর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
/আশিক
পরীক্ষার হলে এই ২০টি কাজ করলেই বহিষ্কার! এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য কড়া হুঁশিয়ারি
আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করেছে শিক্ষা বোর্ড। প্রশ্ন ফাঁস রোধ, ডিজিটাল জালিয়াতি বন্ধ এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতে এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ২০ ধরনের অপরাধের জন্য তিন স্তরের শাস্তির বিধানসহ পরীক্ষার আসন বিন্যাস ও সময়সূচিতেও আনা হয়েছে আমূল পরিবর্তন।
শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এবার সৃজনশীল (সিকিউ) ও বহুনির্বাচনি (এমসিকিউ) পরীক্ষার মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় ৩০ নম্বরের এমসিকিউ-এর জন্য ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীলের জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় পাবেন শিক্ষার্থীরা।
নকল রোধে ৫-৬ ফুটের বেঞ্চে সর্বোচ্চ ২ জন এবং ৪ ফুটের বেঞ্চে মাত্র ১ জন পরীক্ষার্থী বসার নিয়ম করা হয়েছে। এছাড়া, কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই নিজস্ব কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে পারবে না এবং একই স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বসার সুযোগ থাকছে না।
সবচেয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে অপরাধের শাস্তির ক্ষেত্রে। ক্যালকুলেটরে তথ্য লুকানো বা মোবাইল রাখলে ওই বছরের পরীক্ষা বাতিল হবে। উত্তরপত্র পাচার বা শিক্ষককে হুমকি দিলে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হবে।
আর যদি কেউ অন্যের হয়ে পরীক্ষা দেয় (প্রক্সি) বা শারীরিক আক্রমণ ও অস্ত্র প্রদর্শন করে, তবে তাকে সরাসরি ২ বছরের জন্য বহিষ্কারসহ নিয়মিত ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হবে। ডিজিটাল জালিয়াতি রুখতে মাঠে থাকছে বিশেষ ‘ভিজিল্যান্স টিম’, যারা যেকোনো সময় কেন্দ্রে ঝটিকা অভিযান চালানোর পূর্ণ ক্ষমতা রাখে।
/আশিক
এসএসসিতে ভয়ংকর সাইলেন্ট এক্সপেল: বুঝতেই পারবে না খাতা বাতিল!
চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। এবারের পরীক্ষা পরিচালনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ‘পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালা-২০২৬’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা বোর্ড, যেখানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে যুক্ত হয়েছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ বা নীরবে বহিষ্কারের কঠোর বিধান। এই নতুন নিয়মের মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার হলে সরাসরি নকল না করলেও যারা অন্যের উত্তর দেখে লেখে বা বারবার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে, তাদের শাস্তির আওতায় আনা।
সাইলেন্ট এক্সপেল বা নীরব বহিষ্কার পদ্ধতিটি হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে কোনো পরীক্ষার্থী হলের নিয়ম ভাঙলে (যেমন: কথা বলা, এদিক-ওদিক তাকানো বা অন্যের খাতা দেখা) দায়িত্বরত পরিদর্শক তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হল থেকে বের করে দেবেন না। ফলে পরীক্ষার্থী বুঝতেও পারবেন না যে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে বিধি অনুযায়ী, ওই পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ না ছিঁড়ে পরিদর্শকের প্রতিবেদনসহ সেটি আলাদা লাল কালিতে ‘রিপোর্টেড’ লিখে বোর্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে বোর্ড ওই পরীক্ষার্থীর খাতা বাতিল বলে গণ্য করবে।
নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, কোনো পরীক্ষার্থী একবার নীরব বহিষ্কৃত হলে তাকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে সে কোনো অনিয়ম না করলেও তার প্রতিটি খাতা একই পদ্ধতিতে ‘রিপোর্টেড’ হিসেবে আলাদা প্যাকেটে বোর্ডে পাঠাতে হবে। প্রতিটি খাতার সাথে কেন তাকে নীরব বহিষ্কার করা হয়েছিল, তার সুস্পষ্ট কারণ সম্বলিত প্রতিবেদন থাকতে হবে। মূলত হলের পরিবেশ শান্ত রাখতে এবং অবাধ্য পরীক্ষার্থীদের চিহ্নিত করতেই এই বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে শিক্ষা বোর্ড।
/আশিক
বৃত্তি পরীক্ষা আগামীকাল: খুদে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১০টি ‘লাইফ সেভিং’ টিপস
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাচ্ছে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা। শেষ সময়ের প্রস্তুতিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে খুদে শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার ভয় কাটিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা।
প্রথমত, শেষ মুহূর্তের তাড়াহুড়ো এড়াতে আজ বিকেলের মধ্যেই প্রবেশপত্র, কলম, পেনসিল ও প্রয়োজনীয় জ্যামিতি বক্স একটি স্বচ্ছ ব্যাগে গুছিয়ে রাখা উচিত।
দ্বিতীয়ত, পরীক্ষার আগের রাতে অধিক পড়াশোনার চেয়ে মস্তিষ্ককে বিশ্রাম দেওয়া জরুরি, তাই দ্রুত ঘুমিয়ে পড়লে পরীক্ষার হলে মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়।
তৃতীয়ত, যানজট কিংবা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে পরীক্ষা শুরুর অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কেন্দ্রে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে।
চতুর্থত, ওএমআর (OMR) ফরমে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর বৃত্ত ভরাট করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে এবং কোনো ভুল হলে বিচলিত না হয়ে তাৎক্ষণিক দায়িত্বরত পরিদর্শককে জানাতে হবে।
পঞ্চমত, হাতে প্রশ্ন পাওয়ার পর অন্তত ৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ে নিলে উত্তরের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সহজ হয়।
ষষ্ঠত, যেসব প্রশ্নের উত্তর সবচেয়ে ভালো জানা আছে সেগুলো আগে লিখলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং পরবর্তী কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া সহজ হয়।
সপ্তমত, প্রতিটি প্রশ্নের জন্য নির্দিষ্ট সময় ভাগ করে নিতে হবে কারণ কোনো একটি কঠিন প্রশ্নে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে অন্য প্রশ্নের সুযোগ নষ্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়।
অষ্টমত, স্পষ্ট হাতের লেখা ও পরিচ্ছন্ন উত্তরপত্র পরীক্ষকের ইতিবাচক নজরে আসতে সাহায্য করে, তাই অপ্রয়োজনীয় কাটাকাটি বা ঘষামাজা বর্জন করা উচিত।
নবমত, কোনো প্রশ্নই পুরোপুরি ছেড়ে আসা উচিত নয় বরং পাসের জন্য ন্যূনতম নম্বর নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রশ্নের সাপেক্ষে প্রাসঙ্গিক উত্তর লিখে আসা জরুরি।
সবশেষে, পরীক্ষা শেষ হওয়ার অন্তত ১০ মিনিট আগে লেখা সম্পন্ন করে পুরো উত্তরপত্রটি পুনরায় যাচাই বা রিভিশন করে নিতে হবে যাতে রোল নম্বর ও ছোটখাটো বানান ভুলগুলো সংশোধন করে নেওয়া যায়।
/আশিক
শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সময়সূচি ঘোষণা
দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার, যেখানে সপ্তাহে ছয়দিন ক্লাস পরিচালনার নতুন কাঠামো ঘোষণা করা হয়েছে। এই নতুন ব্যবস্থায় অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার সমন্বয়ে একটি হাইব্রিড মডেল চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের শেখার ধারায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই নতুন সিদ্ধান্তের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মন্ত্রী জানান, সপ্তাহের মোট ছয়দিন ক্লাস চলবে, যার মধ্যে তিনদিন শিক্ষার্থীদের সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে হবে এবং বাকি তিনদিন অনলাইনের মাধ্যমে পাঠদান সম্পন্ন হবে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, শনিবার, সোমবার ও বুধবার সশরীরে ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। অন্যদিকে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাস পরিচালিত হবে।
এই নতুন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, অনলাইন ক্লাস পরিচালনার সময়ও শিক্ষকরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত থেকে পাঠদান করবেন। অর্থাৎ, শিক্ষকদের জন্য প্রতিষ্ঠানভিত্তিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক থাকছে, যদিও শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করবে।
সরকারের এই উদ্যোগের পেছনে মূল লক্ষ্য হলো প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং একই সঙ্গে সরাসরি শিক্ষার কার্যকারিতা বজায় রাখা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই হাইব্রিড পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষের সামাজিক ও পারস্পরিক শেখার পরিবেশও অক্ষুণ্ণ রাখবে।
তবে নতুন এই ব্যবস্থা বাস্তবায়নে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধার সীমাবদ্ধতা, ডিভাইসের প্রাপ্যতা এবং শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করা একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।
-রাফসান
এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র নিয়ে ঢাকা বোর্ডের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণের বিষয়ে বিশেষ জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৭ দিন আগেই সব পরীক্ষার্থীর হাতে প্রবেশপত্র পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র ইতোমধ্যে বোর্ড থেকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র সচিবদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের (প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ) তাঁদের নিজ নিজ কেন্দ্র সচিবের কাছ থেকে দ্রুত প্রবেশপত্র সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের এই আদেশে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিতরণ প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের সম্ভাব্য জটিলতা তৈরি না হয়, সেজন্য পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে এক সপ্তাহ আগে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রবেশপত্র দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টিকে ‘অতীব জরুরি’ হিসেবে বিবেচনা করার জন্য দেশের সব মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে কড়া নির্দেশ দিয়েছে।
সঠিক সময়ে প্রবেশপত্র সংগ্রহ ও বিতরণে কোনো অবহেলা হলে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই বোর্ড এই ত্বরিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
/আশিক
সশরীরে নাকি ভার্চুয়াল? জ্বালানি সংকটে শিক্ষা ব্যবস্থার নতুন মোড়
জ্বালানি সংকটের এই কঠিন সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে এক সমন্বয় সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সকল মহানগরের স্কুল ও কলেজগুলোতে এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে।
সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো সপ্তাহে মোট ছয় দিনই সচল থাকবে। তবে এর মধ্যে তিন দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি সশরীরে (অফলাইন) ক্লাসে উপস্থিত হবে এবং বাকি তিন দিন নিজ নিজ বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষকরা প্রতিদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে ক্লাস পরিচালনা করবেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির ক্ষেত্রে জোড় ও বিজোড় রোল নম্বর বা দিন ভাগ করে এই অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয় করা হবে।
জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম এবং বৈশ্বিক সংকটের কারণে পরিবহন খরচ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। যদিও শিক্ষামন্ত্রী এর আগে জানিয়েছিলেন যে, ৫৫ শতাংশ মানুষ অনলাইন ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন, তবে শিক্ষার্থীদের সামাজিকীকরণ বজায় রাখতে পুরোপুরি অনলাইনে না গিয়ে এই ‘হাইব্রিড’ বা সমন্বিত মডেলটি বেছে নেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করার কথা রয়েছে।
/আশিক
কেন্দ্র তালিকা দেখে নিন: এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় আপডেট
২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সোমবার (৩০ মার্চ) বোর্ডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এসএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের এই তালিকা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা এবং অভিভাবকরাও বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে তাদের নির্দিষ্ট কেন্দ্র সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারবেন। সাধারণত প্রতি বছর পরীক্ষার কয়েক মাস আগেই এই তালিকা প্রকাশ করা হয়, যাতে কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত সংক্রান্ত কোনো সমস্যা না হয়।
শিক্ষা বোর্ড সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, কেন্দ্রে আসন বিন্যাস এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে প্রতিটি কেন্দ্র সচিবকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্রে উল্লিখিত কেন্দ্র কোডের সাথে বোর্ডের প্রকাশিত এই তালিকার মিল দেখে নিতে পারবেন। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালিকা দেখুন এখতে ক্লিক করুন এখানে…
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- রাতেই ধেয়ে আসছে ৬০ কিমি বেগে ঝড়: ১১ অঞ্চলে আবহাওয়া অফিসের জরুরি বার্তা
- ইতিহাসে সেরা নির্বাচন! সেনাপ্রধানের কণ্ঠে অসামরিক প্রশাসনের জয়গান
- বাড়ি ফিরতে দুশ্চিন্তা শেষ! দেখে নিন আপনার রুটের ঈদ স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচী
- পুলিশে বড় রদবদল: চট্টগ্রামের নতুন এসপি আলোচিত মাসুদ আলম
- টাকা নষ্টের মেগা প্রকল্প আর নয়: সেতুমন্ত্রী
- অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- মুরাদনগরে পুলিশের অ্যাকশন: ২ কেজি গাঁজাসহ হাতেনাতে ধরা দুই ভাই!
- কেরালার রাজনীতিতে ইতিহাস গড়লেন ৩৪ বছরের মুসলিম তরুণী ফাতিমা তাহিলিয়া
- সীমান্ত দিয়ে পুশ-ইন হলে আর ছাড় নয়! ভারতকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
- লুটপাট বন্ধে ডিসিদের হাতে বিশেষ ক্ষমতা? নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে যা বললেন মির্জা ফখরুল
- হারিনি, ভোট লুট হয়েছে: পদত্যাগ করবেন না বলে সাফ জানালেন মমতা
- যুদ্ধের উসকানি দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র: আমিরাত সংকটে ইরানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- ৫ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৫ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- লোডশেডিংমুক্ত এক সপ্তাহ: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন স্বস্তি
- অনলাইন লেনদেনে সাবধান! কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি নির্দেশনা জারি
- নবম পে-স্কেল নিয়ে পুনর্গঠিত কমিটির নতুন পরিকল্পনা ফাঁস
- কেন দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে আপনার শখের আইফোন? ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না
- সতীর্থকে চড় মারার অভিযোগ: নতুন বিতর্কে নেইমার জুনিয়র
- ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
- মার্কিন হামলায় ইরানের ছয় যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি, উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- যুদ্ধ শেষ নয়, ইরান হামলার ছক এখনো টেবিলে
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?








