প্রথম প্রান্তিকে জেনেক্সের আর্থিক চিত্র প্রকাশ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ ডিসেম্বর ১৭ ১০:৫৫:০১
প্রথম প্রান্তিকে জেনেক্সের আর্থিক চিত্র প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই–সেপ্টেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানিটির আয়, নগদ প্রবাহ এবং নিট সম্পদ মূল্যে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

কোম্পানিটির সমন্বিত (কনসোলিডেটেড) শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে শেয়ারপ্রতি আয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।

এ ছাড়া সমন্বিত কার্যক্রম থেকে নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি নগদ প্রবাহ হয়েছে ১ টাকা ৬৭ পয়সা, যেখানে গত বছরের একই সময়ে এ অঙ্ক ছিল মাত্র ৯১ পয়সা। এতে কোম্পানিটির কার্যক্রমভিত্তিক আর্থিক সক্ষমতার শক্তিশালী অবস্থান প্রতিফলিত হয়।

অন্যদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের অর্থবছরের ৩০ জুনে ছিল ২২ টাকা ১১ পয়সা। তিন মাসের ব্যবধানে এনএভিতে এই বৃদ্ধি কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি আরও দৃঢ় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইপিএস, নগদ প্রবাহ এবং এনএভির ধারাবাহিক উন্নতি জেনেক্স ইনফোসিসের ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনার দক্ষতার প্রতিফলন, যা দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে আরও জোরদার করতে পারে।

-রাফসান


আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৩ ১৫:১৭:৫৩
আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) লেনদেনের দিনে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের শুরুতে কিছু শেয়ারে ক্রয়চাপ থাকলেও শেষ দিকে বিক্রির চাপ বাড়ায় বাজারে ওঠানামা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সারাদিনের লেনদেনে মোট ৩৯৪টি শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে দর বেড়েছে ১৮৯টির, কমেছে ১৫৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫২টির।

এ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে আজ তুলনামূলকভাবে নেতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এই ক্যাটাগরিতে দর বেড়েছে ৭৩টির, বিপরীতে দর কমেছে ১১০টির। অপরিবর্তিত ছিল ২৬টি শেয়ার। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এ ক্যাটাগরির বেশ কিছু শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ায় দরপতনের সংখ্যা বেশি হয়েছে।

বি ক্যাটাগরিতে চিত্র ছিল কিছুটা ইতিবাচক। এই শ্রেণিতে ৫১টি শেয়ারের দর বেড়েছে, ২৩টির দর কমেছে এবং ৬টি শেয়ার অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরিতে তুলনামূলকভাবে ভালো পারফরম্যান্স দেখা গেছে। এ ক্যাটাগরিতে দর বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ২০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২০টি শেয়ার।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। এদিন ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১১টির ইউনিট দর বেড়েছে, ৬টির কমেছে এবং ১৭টি অপরিবর্তিত ছিল। করপোরেট বন্ডের ক্ষেত্রে একটি বন্ডের দর বেড়েছে, একটি কমেছে এবং একটি অপরিবর্তিত রয়েছে। সরকারি সিকিউরিটিজে এদিন দরপতনের প্রবণতা বেশি ছিল, যেখানে চারটির দর কমেছে।

দিনের লেনদেনে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯২ হাজার ৭৭৬টি। মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৪ কোটি ৪০ লাখ শেয়ার, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৭ হাজার ১২৩ কোটি টাকা। আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমলেও বাজারে সক্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো।

দিনশেষে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ লাখ ৮৭ হাজার ২৩৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইকুইটি খাতে বাজার মূলধন ছিল প্রায় ৩৪ লাখ ৫১ হাজার ২৭২ কোটি টাকা এবং মিউচুয়াল ফান্ড খাতে প্রায় ২ হাজার ৩১৬ কোটি টাকা।

এদিন ব্লক মার্কেটে ছিল উল্লেখযোগ্য লেনদেন। ব্লক মার্কেটে মোট ৩৭টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যেখানে মোট ১ কোটি ৫৭ লাখের বেশি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এসব লেনদেনের আর্থিক মূল্য ছিল প্রায় ৩১৮ কোটি টাকা।

ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল গ্রামীণফোন, গ্রীন কিউ বলপেন, ঢাকা ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এপেক্স স্পিনিং, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং ফাইন ফুডস। এসব শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক উত্থান ও পতনের ধারাবাহিকতায় বাজার এখন একটি সমন্বয় বা সংশোধনী পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের একাংশ লাভ তুলে নিচ্ছেন, অন্য অংশ বেছে বেছে শেয়ারে অবস্থান নিচ্ছেন। তারা বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন, বাজারের স্বল্পমেয়াদি ওঠানামার পরিবর্তে মৌলভিত্তি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিবেচনায় রেখে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নিতে।

সার্বিকভাবে, আজকের লেনদেন শেয়ারবাজারে সতর্কতা ও ভারসাম্যের বার্তা দিচ্ছে। আগামী দিনে বাজারের দিকনির্দেশনা নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

-রাফসান


আজকের শীর্ষ দরপতনকারী ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৩ ১৫:০২:৫৩
আজকের শীর্ষ দরপতনকারী ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) লেনদেনের শেষ পর্যায়ে বিক্রির চাপ বাড়ায় বেশ কয়েকটি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দরপতনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের দিনের উত্থানের পর অনেক বিনিয়োগকারী স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ায় আজকের লেনদেনে সংশোধনী প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।

দিনের লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটে। ফান্ডটির দর প্রায় ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে ৫ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। দিনের সর্বোচ্চ ৫ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বনিম্ন ৫ টাকা ১০ পয়সায় নামার মধ্য দিয়ে ইউনিটটির ওপর প্রবল বিক্রিচাপ লক্ষ্য করা যায়।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড। আর্থিক খাতের এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৩ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। নন-ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন খাতে চলমান অনিশ্চয়তার প্রভাব এই শেয়ারে প্রতিফলিত হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স–এর শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রায় ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে ৩৮ টাকায় লেনদেন শেষ করে। বীমা খাতের শেয়ারগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে, এটি তারই একটি উদাহরণ।

এরপর রয়েছে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস ও বে লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স। ফিনিক্স ফাইন্যান্সের শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং বে লিজিংয়ের শেয়ার দর ৫ শতাংশ কমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারগুলোতে একযোগে দরপতন বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বীমা খাতের আরেকটি কোম্পানি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি–এর শেয়ার দরও আজ নেতিবাচক ধারায় ছিল। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ কমে ৮৩ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ব্যাংকিং খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আইসিবি ইসলামী ব্যাংক–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস–এর শেয়ার দরও প্রায় ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে।

তালিকার নবম স্থানে থাকা কনফিডেন্স লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ৫৮ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। একই সঙ্গে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিট দর প্রায় ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আজকের দরপতনের শীর্ষ তালিকায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের আধিক্য ইঙ্গিত দেয় যে বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ খাত থেকে কিছুটা সরে দাঁড়াচ্ছেন। তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, স্বল্পমেয়াদি ওঠানামার পেছনে না ছুটে মৌলভিত্তি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিবেচনা করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

সামগ্রিকভাবে আজকের লেনদেনে দরপতনকারী শেয়ারগুলোর এই চিত্র শেয়ারবাজারে একটি স্বাভাবিক সংশোধনী ধারা নির্দেশ করছে। আগামী দিনে বাজারের গতিপথ নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।

-রাফসান


আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০৩ ১৪:৫৮:২৫
আজকের শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) লেনদেনের শেষ পর্যায়ে কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে ব্যাপক ক্রয়চাপ দেখা গেছে। এর ফলে দিনের লেনদেনে শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারীর তালিকায় উঠে এসেছে দশটি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি মুনাফা প্রত্যাশা এবং নির্বাচিত শেয়ারে আগ্রহ বৃদ্ধিই এই উত্থানের মূল কারণ।

লেনদেন শেষে সবচেয়ে বেশি দরবৃদ্ধি ঘটে শাশাদনিম লিমিটেডের শেয়ারে। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বেড়ে ১৭ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দিনের পুরো সময়জুড়েই এই শেয়ারে শক্তিশালী ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা যায়, যা বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। ব্যাংকটির শেয়ার দর প্রায় ৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ বেড়ে ১৭ টাকা ২০ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংক খাতের কিছু শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে, যার প্রতিফলন এ লেনদেনে স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।

তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রায় ৯ দশমিক ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ টাকা ৪০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। খাদ্য ও ভোগ্যপণ্য খাতের শেয়ারে আগ্রহ বাড়ার ধারাবাহিকতায় এই উত্থান ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। ১ জানাতা মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট দর দিনের ব্যবধানে প্রায় ৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ২ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। একই সঙ্গে ক্যাপিটাল মার্কেট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের ইউনিট দরও ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফুয়াং সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর এদিন প্রায় ৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ বেড়ে ১১ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছায়। নির্মাণসামগ্রী খাতের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ পুনরায় বাড়তে শুরু করেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

কনফিডেন্স সিমেন্টের শেয়ার দর প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে ৫৯ টাকা ১০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। অবকাঠামো ও শিল্পখাতের সম্ভাবনা ঘিরে এই শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দেখা গেছে। একই সঙ্গে সামিট পাওয়ারের শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৮৮ শতাংশ বেড়ে ১২ টাকা ৯০ পয়সায় উন্নীত হয়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পাশাপাশি ভোগ্যপণ্য খাতের শেয়ারেও উত্থান লক্ষ্য করা গেছে। বিডি থাই অ্যালুমিনিয়ামের শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৫২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ওয়ালটনের শেয়ার দর লেনদেন শেষে প্রায় ৪০০ টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থার ইঙ্গিত দেয়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই দরবৃদ্ধির পেছনে মূলত স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং, কিছু শেয়ারের সীমিত সরবরাহ এবং ইতিবাচক গুজব ভূমিকা রেখেছে। তবে তারা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন, কারণ মৌলভিত্তি বিশ্লেষণ ছাড়া বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সামগ্রিকভাবে দিনের লেনদেনে শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারগুলোর এই উত্থান বাজারে এক ধরনের ইতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করেছে। তবে বাজারের দীর্ঘমেয়াদি দিকনির্দেশনা নির্ভর করবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার ওপর।

-রাফসান


২ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০২ ১৫:০১:৪৫
২ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ শেয়ারবাজারে স্পষ্ট ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের সংখ্যা দরপতনকারীদের তুলনায় দ্বিগুণের কাছাকাছি থাকায় বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রতিফলন স্পষ্ট হয়েছে।

সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৩৯০টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১৫টির দর বেড়েছে, ১০৭টির দর কমেছে এবং ৬৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, বাজারে ক্রেতাদের প্রাধান্য ছিল স্পষ্ট।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৬টি শেয়ারের মধ্যে ১১৫টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, বিপরীতে ৬০টির দর কমেছে এবং ৩১টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। বড় মূলধনী শেয়ারগুলোতে এই ইতিবাচক প্রবণতা সূচককে শক্ত অবস্থানে রাখতে সহায়তা করেছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বি ক্যাটাগরিতেও চিত্র ছিল ইতিবাচক। এই ক্যাটাগরির ৭৯টি শেয়ারের মধ্যে ৫১টির দর বেড়েছে, ১৮টির দর কমেছে এবং ১০টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে। তুলনামূলকভাবে মাঝারি মূলধনী শেয়ারগুলোতে বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বাড়তে দেখা গেছে।

জেড ক্যাটাগরিতে ১০৫টি শেয়ার লেনদেনে আসে। এর মধ্যে ৪৯টির দর বেড়েছে, ২৯টির দর কমেছে এবং ২৭টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। স্বল্পমূল্যের শেয়ারে নির্বাচিত ক্রয়চাপ এই ক্যাটাগরিকে ইতিবাচক রেখেছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে দিনের চিত্র ছিল বিশেষভাবে শক্তিশালী। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ১৬টির দর বেড়েছে, মাত্র ৪টির দর কমেছে এবং ১৪টি ফান্ডের দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বোঝা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এই খাতে ধীরে ধীরে বাড়ছে।

করপোরেট বন্ড খাতে একটি মাত্র সিকিউরিটি লেনদেনে অংশ নেয় এবং তার দর অপরিবর্তিত থাকে। অন্যদিকে সরকারি সিকিউরিটিজ বা জি-সেক খাতে তিনটি ইস্যু লেনদেনে আসে, যেখানে সবগুলোতেই দরপতন দেখা গেছে।

দিনভর মোট ২ লাখ ১ হাজার ৭২৫টি লেনদেন সম্পন্ন হয়। লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৫ কোটি ২৩ লাখ শেয়ার এবং মোট লেনদেন মূল্য ছিল প্রায় ৭৪৬ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যা সাম্প্রতিক দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি নির্দেশ করে।

বাজার মূলধনের দিক থেকেও ডিএসইতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭০ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অবদান ছিল সর্বাধিক।

দিনের ব্লক ট্রানজাকশনে ব্যাংক, টেক্সটাইল, ফার্মাসিউটিক্যালস ও ভোক্তা পণ্য খাতের একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। বড় অঙ্কের এই লেনদেন বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সার্বিকভাবে ২ ফেব্রুয়ারি ডিএসইর লেনদেনচিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারির শুরুতেই শেয়ারবাজারে আশাব্যঞ্জক গতি তৈরি হয়েছে। গেইনার শেয়ারের আধিক্য, লেনদেন মূল্য বৃদ্ধি এবং বাজার মূলধনের ঊর্ধ্বগতি মিলিয়ে বিনিয়োগকারীদের মনোভাব এখন ইতিবাচক ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে।

-শরিফুল


২ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরপতনের ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০২ ১৪:৫৭:০৫
২ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরপতনের ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সামগ্রিকভাবে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের লেনদেন শেষে কয়েকটি নির্দিষ্ট শেয়ারে স্পষ্ট দরপতন দেখা যায়। বিশেষ করে মিউচুয়াল ফান্ড, শিল্প, টেক্সটাইল ও জ্বালানি খাতের কিছু শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বাজারে প্রভাব ফেলেছে।

দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ৮ শতাংশ কমে ২৬ টাকায় নেমে আসে। দিনভর বিক্রিচাপ থাকায় শেয়ারটি সর্বনিম্ন দরে লেনদেন শেষ করে, যা সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৬ দশমিক ৭ শতাংশ দর হারিয়ে ৫ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। ইউনিটপ্রতি দরের পতনের কারণে স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা এ ফান্ডে অবস্থান হালকা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্বল্পমূল্যের শেয়ার নিউ লাইন ক্লোথিং প্রায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ দরপতনের মুখে পড়ে। লেনদেন সীমিত থাকায় অল্প বিক্রিতেই দামে বড় প্রভাব পড়েছে বলে বাজার সূত্র জানায়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে জিবিবি পাওয়ার-এর শেয়ার দর কমেছে প্রায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ। বিদ্যুৎ খাতে সাম্প্রতিক অনিশ্চয়তা ও পূর্ববর্তী দরবৃদ্ধির পর সংশোধন এই পতনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

টেক্সটাইল খাতের এপেক্স ট্যানারি প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের লেনদেন শেষ করে। রপ্তানিমুখী শিল্পে স্বল্পমেয়াদি উদ্বেগ শেয়ারটির ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মিউচুয়াল ফান্ডের আরেকটি শেয়ার সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ দরপতনের শিকার হয়। ফান্ড খাতে সামগ্রিক বিক্রিচাপ এই পতনের অন্যতম কারণ।

আর্থিক খাতে হাউজিং ফাইন্যান্স লিমিটেড প্রায় ৩ দশমিক ৩ শতাংশ দর হারিয়ে ৫ টাকা ৯০ পয়সায় নেমে আসে। ঋণখাতে সাম্প্রতিক ঝুঁকি ও বিনিয়োগকারীদের সতর্কতা এখানে প্রতিফলিত হয়েছে।

জ্বালানি ও তেল খাতে এমেরাল্ড অয়েল-এর শেয়ার দর কমেছে প্রায় ৩ দশমিক ২ শতাংশ। আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির প্রভাব নিয়ে বিনিয়োগকারীদের অনিশ্চয়তা এই দরপতনে ভূমিকা রাখে।

শিল্প খাতে টিআইএল ইন্ডাস্ট্রিজ প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ দর হারায়। মাঝারি মূলধনের শেয়ার হওয়ায় এখানে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেশি দেখা গেছে।

তালিকার শেষদিকে থাকা খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ-এর শেয়ারও প্রায় ২ দশমিক ৬ শতাংশ দরপতনের শিকার হয়।

সার্বিকভাবে আজকের শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, বাজারে সামগ্রিক আস্থা পুরোপুরি নষ্ট না হলেও নির্বাচিত শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি দর সংশোধন ও বিক্রিচাপ স্পষ্টভাবে বিদ্যমান।

-শরিফুল


২ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০২ ১৪:৫৪:০৬
২ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ারবাজারে স্পষ্ট ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় ব্যাংকিং খাতের শেয়ারগুলোর আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরছে বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে আসে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৫২ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছায়। দিনভর শক্তিশালী ক্রয়চাপের কারণে শেয়ারটি সর্বোচ্চ দরে লেনদেন শেষ করে, যা ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগকারীদের নতুন আগ্রহের প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।

এর পরেই অবস্থান করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। শেয়ারটির দর প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়ায়। স্বল্পমূল্যের ইসলামী ব্যাংক শেয়ার হওয়ায় এখানে খুচরা বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল।

ব্যাংকিং খাতের আরেকটি শেয়ার মিডল্যান্ড ব্যাংক প্রায় ৮ দশমিক ৭ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে ১৮ টাকা ৮০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। নতুন তালিকাভুক্ত ও সম্প্রসারণমুখী ব্যাংক হওয়ায় শেয়ারটিতে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা দেখছেন অনেক বিনিয়োগকারী।

ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে ফার্মাএইড দিনের অন্যতম আলোচিত শেয়ারে পরিণত হয়। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার দর সাড়ে ৭ শতাংশের বেশি বেড়ে ৫৫৬ টাকা ৪০ পয়সায় পৌঁছায়। শক্তিশালী মৌলভিত্তি ও ওষুধ খাতের স্থিতিশীল চাহিদা এ দরবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।

ব্যাংকিং খাতের স্বল্পমূল্যের শেয়ার এবি ব্যাংক প্রায় ৭ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে ৪ টাকা ৬০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। দীর্ঘদিন দরপতনের পর শেয়ারটিতে দর সংশোধনের একটি ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

শিল্প খাতে এস্কয়ার নিটওয়্যার প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে তালিকায় উঠে আসে। একইসঙ্গে টেক্সটাইল খাতের আরেকটি শেয়ার সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ-এর দরও ৬ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি বাড়ে, যা রপ্তানিমুখী শিল্পে ধীরে ধীরে আস্থা ফেরার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ডায়াগনস্টিক ও ল্যাব খাতে এশিয়াটিক ল্যাব প্রায় ৬ দশমিক ৩ শতাংশ দর বৃদ্ধি পায়। স্বাস্থ্য খাতে স্থিতিশীল চাহিদা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম শেয়ারটির প্রতি আগ্রহ বাড়িয়েছে।

খাদ্য ও ভোক্তা পণ্য খাতে বিডি থাই ফুড প্রায় ৬ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে দিনের লেনদেন শেষ করে। নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানকারী কোম্পানি হওয়ায় শেয়ারটি বিনিয়োগকারীদের নজরে থাকে।

তালিকার শেষ দিকে থাকা এনআরবিসি ব্যাংক-এর শেয়ারও ৫ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকায় জায়গা করে নেয়।

সার্বিকভাবে আজকের শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ব্যাংকিং খাতের নেতৃত্বে বাজারে ধীরে ধীরে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হচ্ছে এবং বিনিয়োগকারীরা আবারও নির্বাচিত মৌলভিত্তিক শেয়ারের দিকে ঝুঁকছেন।

-রাফসান


১ ফেব্রুয়ারি  শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০১ ২২:২৭:২৯
১ ফেব্রুয়ারি  শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ-এ শেয়ারবাজারে ভারসাম্যপূর্ণ কিন্তু মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধি ও দরপতনের সংখ্যা প্রায় সমান থাকায় বাজারে একদিকে আস্থার ইঙ্গিত মিললেও অন্যদিকে সতর্ক অবস্থানও স্পষ্ট হয়েছে।

সব ক্যাটাগরি মিলিয়ে মোট ৩৯২টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৬৮টির দর বেড়েছে, ১৬২টির দর কমেছে এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এই পরিসংখ্যান ইঙ্গিত দেয় যে বাজারে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের শক্তির মধ্যে স্পষ্ট কোনো একতরফা আধিপত্য ছিল না।

এ ক্যাটাগরিতে লেনদেন হওয়া ২০৮টি শেয়ারের মধ্যে ৮৯টির দর বেড়েছে, বিপরীতে ৯৩টির দর কমেছে এবং ২৬টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। তুলনামূলকভাবে এই ক্যাটাগরিতে বিক্রির চাপ কিছুটা বেশি লক্ষ্য করা যায়, যা বড় মূলধনী শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকেরা।

বি ক্যাটাগরিতে চিত্র ছিল প্রায় সমান। এখানে ৭৯টি শেয়ারের মধ্যে ৩৪টির দর বেড়েছে, ৩৪টির দর কমেছে এবং ১১টি শেয়ারের দরে কোনো পরিবর্তন আসেনি। এই ক্যাটাগরিতে লেনদেনের গতি তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকলেও অতিরিক্ত অস্থিরতা দেখা যায়নি।

জেড ক্যাটাগরিতে তুলনামূলকভাবে ইতিবাচক চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। এই ক্যাটাগরির ১০৫টি শেয়ারের মধ্যে ৪৫টির দর বেড়েছে, ৩৫টির দর কমেছে এবং ২৫টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত রয়েছে, যা স্বল্পমূল্যের শেয়ারে নির্বাচিত ক্রেতা আগ্রহের ইঙ্গিত বহন করে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে দিনের চিত্র ছিল কিছুটা নেতিবাচক। মোট ৩৪টি ফান্ডের মধ্যে ৬টির দর বেড়েছে, ৮টির দর কমেছে এবং ২০টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এতে বোঝা যায়, প্রাতিষ্ঠানিক ও স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা এই খাতে এখনও পুরোপুরি সক্রিয় হননি।

করপোরেট বন্ড খাতে মাত্র দুটি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়, যার মধ্যে একটির দর বেড়েছে এবং একটির দর কমেছে। সরকারি সিকিউরিটিজ বা জি-সেক খাতে চারটি ইস্যু লেনদেনে আসে, যেখানে একটির দর বেড়েছে এবং তিনটির দর কমেছে।

দিনভর মোট ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি লেনদেন সম্পন্ন হয়। লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৯ কোটি ১৮ লাখ শেয়ার এবং মোট লেনদেন মূল্য ছিল প্রায় ৬২৬ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

বাজার মূলধনের দিক থেকে ইক্যুইটি, মিউচুয়াল ফান্ড ও ঋণপত্র মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়ায় প্রায় ৬৯ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ইক্যুইটি খাতের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।

দিনের ব্লক ট্রানজাকশনে বড় কোম্পানিগুলোর সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। টেক্সটাইল, ব্যাংক, ফার্মাসিউটিক্যালস, টেলিযোগাযোগ ও শিল্প খাতের একাধিক শেয়ারে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্লক ডিল সম্পন্ন হয়েছে, যা বাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতি নির্দেশ করে।

সার্বিকভাবে দিনের লেনদেন চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাজার এখনো স্থিতিশীলতার সন্ধিক্ষণে রয়েছে। একদিকে নির্বাচিত শেয়ারে আগ্রহ বজায় থাকলেও অন্যদিকে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়িয়ে সচেতনভাবে অবস্থান নিচ্ছেন।

-রাফসান


১ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরপতনের ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০১ ২২:২৪:৫০
১ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরপতনের ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সামগ্রিকভাবে মিশ্র প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলেও দিনের লেনদেন শেষে কিছু নির্দিষ্ট শেয়ারে স্পষ্ট দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে কেমিক্যাল, শিল্প, টেক্সটাইল, ভোক্তা পণ্য ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের কয়েকটি শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের বিক্রিচাপ স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করে ড্যাকাডাই ডাইং। কোম্পানিটির শেয়ার দর আগের কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ কমে ১৪ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে। দিনভর লেনদেনে ক্রেতার ঘাটতি ও মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাই এ পতনের মূল কারণ বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ফার কেমিক্যাল-এর শেয়ার দর কমেছে প্রায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ। কেমিক্যাল খাতে সাম্প্রতিক সময়ে যে অতিমাত্রায় দরবৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল, তারই একটি স্বাভাবিক সংশোধন হিসেবে এই পতনকে ব্যাখ্যা করছেন বিশ্লেষকেরা।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় ৭ দশমিক ৭ শতাংশ দর হারিয়ে ৬ টাকায় লেনদেন শেষ করে। ইউনিটপ্রতি দর কমে যাওয়ায় স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীরা অবস্থান হালকা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্বল্পমূল্যের শেয়ারের মধ্যে রিং শাইন টেক্সটাইল প্রায় ৭ শতাংশ দরপতনের মুখে পড়ে। এই ধরনের শেয়ারে অল্প লেনদেনেই দামে বড় ওঠানামা হওয়ায় ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি থাকে বলে বাজার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

শিল্প খাতের শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ-এর শেয়ার দর কমেছে প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ। উৎপাদন ব্যয় ও বাজার চাহিদা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এই পতনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

সেবা ও অবকাঠামো খাতের প্রতিনিধি সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট প্রায় ৫ দশমিক ৮ শতাংশ দর হারায়। পূর্ববর্তী দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাই এখানে বেশি কার্যকর হয়েছে।

শিল্প খাতে জিএইচসিএল-এর শেয়ার প্রায় ৫ দশমিক ৭ শতাংশ দরপতনের শিকার হয়। লেনদেনে ক্রেতা তুলনামূলক কম থাকায় দর চাপে পড়ে।

বিদ্যুৎ ও কেবল খাতে বিবিএস কেবলস প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ দর হারায়। খাতভিত্তিক অনিশ্চয়তা এ দরপতনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভোক্তা পণ্য খাতের পরিচিত নাম সিঙ্গার বাংলাদেশ-এর শেয়ারও প্রায় ৫ দশমিক ৪ শতাংশ কমে যায়। পূর্ববর্তী উচ্চমূল্যের পর স্বাভাবিক দর সংশোধনের অংশ হিসেবেই এই পতন দেখা হচ্ছে।

দরপতনের তালিকার শেষদিকে থাকা প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স প্রায় ৫ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের লেনদেন শেষ করে। বীমা খাতে সাম্প্রতিক উত্থানের পর বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থান এ দরপতনে প্রতিফলিত হয়েছে।

সার্বিকভাবে আজকের শীর্ষ ১০ দরপতনকারী শেয়ারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায়, বাজারে একদিকে আস্থা ফিরলেও অন্যদিকে কিছু শেয়ারে স্বল্পমেয়াদি ঝুঁকি ও দর সংশোধনের চাপ অব্যাহত রয়েছে।

-রাফসান


১ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী ১০ শেয়ার

শেয়ারবাজার ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ ফেব্রুয়ারি ০১ ২২:১৩:৩০
১ ফেব্রুয়ারি শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী ১০ শেয়ার
ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে শেয়ারবাজারে স্পষ্ট ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের লেনদেন শেষে দরবৃদ্ধির শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে ব্যাংকিং, বীমা, বস্ত্র, সিমেন্ট, ইস্পাত ও মিউচুয়াল ফান্ড খাতের একাধিক পরিচিত প্রতিষ্ঠান, যা সামগ্রিকভাবে বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

দরবৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করে আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার মূল্য আগের কার্যদিবসের তুলনায় সরাসরি ১০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৩০ পয়সায়। দিনভর শক্তিশালী ক্রয়চাপ থাকায় শেয়ারটি সর্বোচ্চ দরে লেনদেন সম্পন্ন করে, যা স্বল্পমূল্যের ব্যাংক শেয়ারে নতুন আগ্রহের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, যার শেয়ার দর প্রায় ৯ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ৪৭ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছায়। ব্যাংকিং খাতের ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা ও সম্ভাব্য কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশাই এ দরবৃদ্ধির পেছনে প্রভাব ফেলেছে বলে বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

ইস্পাত খাতের প্রতিনিধি ডমিনেজ স্টিল প্রায় ৯ দশমিক ৮ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে দিনের অন্যতম আলোচিত শেয়ারে পরিণত হয়। অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতে সম্ভাব্য বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রত্যাশা এ খাতের শেয়ারে নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

বীমা খাতে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স-এর শেয়ার দর প্রায় ৮ শতাংশ বেড়ে ২৩৯ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সম্ভাবনা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর উন্নয়ন সংক্রান্ত আশাবাদ এই দরবৃদ্ধিকে শক্তিশালী করেছে।

ব্যাংকিং খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠিত নাম প্রাইম ব্যাংক দিনের ব্যবধানে ৭ শতাংশের বেশি দর বৃদ্ধি পায়। শক্তিশালী মৌলভিত্তি ও ধারাবাহিক কার্যক্রম শেয়ারটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে ভূমিকা রেখেছে।

নির্মাণ উপকরণ খাতে কনফিডেন্স সিমেন্ট প্রায় ৭ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে তালিকায় জায়গা করে নেয়। অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে প্রত্যাশা এই খাতে শেয়ার কেনাবেচা বাড়িয়েছে।

বস্ত্র ও স্পিনিং খাতে আল-হাজ টেক্সটাইল এবং এপেক্স স্পিনিং উভয় কোম্পানির শেয়ারেই ধারাবাহিক ক্রেতা উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। রপ্তানি খাতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ফেরার ইঙ্গিত এ দরবৃদ্ধিতে প্রতিফলিত হয়েছে।

মিউচুয়াল ফান্ড খাতে সিএপিএম আইবিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড প্রায় সাড়ে ৬ শতাংশ দর বৃদ্ধি পায়, যা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তালিকার শেষের দিকে থাকা সালভো কেমিক্যাল-এর শেয়ারও ৫ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি নিয়ে লেনদেন শেষ করেছে, যা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের শেয়ারেও আগ্রহ বাড়ার ইঙ্গিত বহন করছে।

সামগ্রিকভাবে আজকের শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের চিত্র থেকে বোঝা যায়, বাজারে ধীরে ধীরে আস্থা ফিরছে এবং বিনিয়োগকারীরা আবারও সম্ভাবনাময় ও মৌলভিত্তিক কোম্পানির দিকে ঝুঁকছেন।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: