আজকের শীর্ষ দরপতনকারী ১০ শেয়ার

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) লেনদেনের শেষ পর্যায়ে বিক্রির চাপ বাড়ায় বেশ কয়েকটি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড দরপতনের শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের দিনের উত্থানের পর অনেক বিনিয়োগকারী স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়ায় আজকের লেনদেনে সংশোধনী প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে।
দিনের লেনদেনে সবচেয়ে বেশি দর কমেছে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিটে। ফান্ডটির দর প্রায় ৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমে ৫ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। দিনের সর্বোচ্চ ৫ টাকা ৬০ পয়সা থেকে সর্বনিম্ন ৫ টাকা ১০ পয়সায় নামার মধ্য দিয়ে ইউনিটটির ওপর প্রবল বিক্রিচাপ লক্ষ্য করা যায়।
দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড। আর্থিক খাতের এই প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৩ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। নন-ব্যাংক ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন খাতে চলমান অনিশ্চয়তার প্রভাব এই শেয়ারে প্রতিফলিত হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা এশিয়া প্যাসিফিক ইন্স্যুরেন্স–এর শেয়ার দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কোম্পানিটির শেয়ার প্রায় ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ দরপতনের মাধ্যমে ৩৮ টাকায় লেনদেন শেষ করে। বীমা খাতের শেয়ারগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে যে অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে, এটি তারই একটি উদাহরণ।
এরপর রয়েছে ফিনিক্স ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টস ও বে লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স। ফিনিক্স ফাইন্যান্সের শেয়ার দর প্রায় ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ এবং বে লিজিংয়ের শেয়ার দর ৫ শতাংশ কমেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারগুলোতে একযোগে দরপতন বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বীমা খাতের আরেকটি কোম্পানি ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি–এর শেয়ার দরও আজ নেতিবাচক ধারায় ছিল। কোম্পানিটির শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ কমে ৮৩ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্য সংশোধন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ব্যাংকিং খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে। আইসিবি ইসলামী ব্যাংক–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি খাতের জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস–এর শেয়ার দরও প্রায় ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ কমেছে।
তালিকার নবম স্থানে থাকা কনফিডেন্স লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি–এর শেয়ার দর প্রায় ৪ দশমিক ০৮ শতাংশ কমে ৫৮ টাকা ৮০ পয়সায় নেমে আসে। একই সঙ্গে আইএফআইসি ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড–এর ইউনিট দর প্রায় ৩ দশমিক ৮৫ শতাংশ কমে ২ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আজকের দরপতনের শীর্ষ তালিকায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের আধিক্য ইঙ্গিত দেয় যে বিনিয়োগকারীরা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ খাত থেকে কিছুটা সরে দাঁড়াচ্ছেন। তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, স্বল্পমেয়াদি ওঠানামার পেছনে না ছুটে মৌলভিত্তি ও দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা বিবেচনা করেই বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
সামগ্রিকভাবে আজকের লেনদেনে দরপতনকারী শেয়ারগুলোর এই চিত্র শেয়ারবাজারে একটি স্বাভাবিক সংশোধনী ধারা নির্দেশ করছে। আগামী দিনে বাজারের গতিপথ নির্ভর করবে বিনিয়োগকারীদের আস্থা, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর।
-রাফসান
৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
সোমবার দেশের পুঁজিবাজারে একটি তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ কিন্তু ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে দরবৃদ্ধি পাওয়া শেয়ারের সংখ্যা পতন হওয়া শেয়ারের তুলনায় বেশি থাকায় বাজারে আংশিক আস্থার প্রত্যাবর্তন স্পষ্ট হয়েছে। মোট ৩৯৬টি লেনদেন হওয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৪টির দাম বাড়া শুধু সংখ্যাগত দিক থেকেই নয়, বরং বাজার মনস্তত্ত্বের দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ একটি ইঙ্গিত বহন করে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই উত্থানের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে মাঝারি ও বড় মূলধনী শেয়ার। এ ক্যাটাগরিতে ৮১টি শেয়ারের দর বৃদ্ধি পাওয়া প্রমাণ করে যে বিনিয়োগকারীরা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ও মৌলিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানিগুলোর দিকে ঝুঁকছেন। তবে একইসঙ্গে ৯০টি শেয়ারের দরপতন বাজারের অভ্যন্তরীণ চাপের দিকটিও তুলে ধরছে।
বি ক্যাটাগরিতে দৃশ্যপট আরও ইতিবাচক। এখানে ৫১টি শেয়ার দরবৃদ্ধি পেলেও মাত্র ১৮টি কমেছে, যা তুলনামূলকভাবে ছোট ও গ্রোথ-ভিত্তিক কোম্পানির প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধির প্রতিফলন। অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, স্বল্পমূল্যের শেয়ারে দ্রুত লাভের আশায় বিনিয়োগকারীরা এই সেগমেন্টে সক্রিয় হচ্ছেন।
অন্যদিকে জেড ক্যাটাগরির চিত্র এখনো উদ্বেগজনক। ৫১টি শেয়ারের দরপতন এই খাতে আস্থার ঘাটতির স্পষ্ট চিহ্ন। দুর্বল আর্থিক কাঠামো ও অনিয়মিত ডিভিডেন্ড ইতিহাসের কারণে বিনিয়োগকারীরা এখনো এসব কোম্পানি থেকে দূরত্ব বজায় রাখছেন।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও চাপ লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে ১৫টি ফান্ডের দর কমেছে এবং মাত্র ৫টি বেড়েছে। এটি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কৌশলগত পুনর্বিন্যাস বা স্বল্পমেয়াদি প্রফিট টেকিংয়ের ইঙ্গিত হতে পারে।
লেনদেনের দিক থেকে বাজার বেশ সক্রিয় ছিল। মোট লেনদেনের পরিমাণ ৮৭৬৯ কোটি টাকার বেশি হওয়া দেখায় যে বাজারে তারল্য এখনো বজায় রয়েছে। প্রায় ৩০ কোটি শেয়ার লেনদেন হওয়া বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের মাত্রাও তুলে ধরে।
বাজার মূলধন সামান্য ওঠানামার মধ্য দিয়ে প্রায় ৬.৮১ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে। যদিও এটি বড় ধরনের পতনের ইঙ্গিত দেয় না, তবে স্থায়ী ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি করতে আরও ধারাবাহিকতা প্রয়োজন।
ব্লক মার্কেট বিশেষভাবে দৃষ্টি কেড়েছে। এখানে ৪২টি কোম্পানির শেয়ারে প্রায় ৩৯৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এপেক্স স্পিনিং, ফাইন ফুডস, জিকিউ বলপেন, লাভেলো, এনসিসি ব্যাংক এবং রেনাটা প্রভৃতি কোম্পানির শেয়ারে বড় অঙ্কের লেনদেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্লক ট্রেড সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ কৌশল কিংবা বড় পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে হয়ে থাকে। তাই এই প্রবণতা বাজারে আস্থার একটি সূক্ষ্ম ইতিবাচক সংকেত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে সামগ্রিকভাবে বাজার এখনো একটি ট্রানজিশন পর্যায়ে রয়েছে। একদিকে গেইনারের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে নির্দিষ্ট কিছু খাতে চাপ বজায় আছে। ফলে বাজার এখনো সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল হয়নি।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বৈশ্বিক সুদের হার, ডলার সংকট, আমদানি ব্যয় এবং অভ্যন্তরীণ নীতিগত পরিবর্তন ভবিষ্যতে বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেওয়া।
-রাফসান
৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
দেশের পুঁজিবাজারে সোমবারের লেনদেনে গেইনারদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শেয়ারের দরপতনও লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে মিশ্র প্রবণতার প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে কয়েকটি শেয়ারের বড় ধরনের পতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা তৈরি করেছে।
দিনশেষে সর্বোচ্চ দরপতনের শীর্ষে উঠে আসে ওয়াইপিএল, যার শেয়ারদর প্রায় ৯.২৫ শতাংশ কমে ২০ টাকার ঘরে নেমে আসে। দিনের লেনদেনে এই শেয়ারের উচ্চ ও নিম্ন দামের মধ্যে বড় ব্যবধান থাকায় বাজারে অস্থিরতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা আইসিবিইপিএমএফ ওয়ান স্কিমও উল্লেখযোগ্য পতনের মুখে পড়ে। মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এই শেয়ারের দর ৭ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় খাতটিতে স্বল্পমেয়াদি চাপের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।
তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজও ৬ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। একইসঙ্গে আগের দিন গেইনার তালিকায় থাকা মিরাকখটার আজ লুজার তালিকায় চলে এসেছে, যা বাজারে দ্রুত ট্রেন্ড পরিবর্তনের একটি স্পষ্ট উদাহরণ।
মিউচুয়াল ফান্ড ও আর্থিক খাতের আরও কিছু শেয়ার যেমন ইবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড ও এসআইপিএলসি মাঝারি মাত্রার পতন দেখিয়েছে। এটি বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি লাভ তুলে নেওয়ার প্রবণতার ইঙ্গিত দিতে পারে।
উচ্চমূল্যের শেয়ার রেনউইক যাজনেশ্বরও উল্লেখযোগ্য দরপতনের তালিকায় রয়েছে। তুলনামূলক বড় বিনিয়োগের এই শেয়ারে দর কমায় বড় বিনিয়োগকারীদের অবস্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতের আইএফআইসি ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকও প্রায় একই হারে দর হারিয়েছে। এতে আর্থিক খাতে আংশিক চাপের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যদিও সামগ্রিক বাজারে এ খাত এখনো স্থিতিশীল অবস্থানে রয়েছে।
এছাড়া আল-হাজ টেক্সটাইলসও লুজার তালিকায় স্থান পেয়েছে, যা শিল্প খাতের কিছু শেয়ারে মুনাফা গ্রহণের প্রবণতা বাড়ার ইঙ্গিত বহন করে।
-রাফসান
৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
দেশের পুঁজিবাজারে সপ্তাহের শুরুতে ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে একাধিক শেয়ার দামের উল্লেখযোগ্য উত্থান বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়িয়েছে। সোমবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা বাজারে আস্থার আভাস দিচ্ছে।
দিনশেষে সর্বোচ্চ দরবৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে জেএমআইএসএমডিএল, যার শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ১৩০ টাকায় পৌঁছায়। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দামের ব্যবধানও তুলনামূলক বেশি ছিল, যা সক্রিয় লেনদেনের ইঙ্গিত বহন করে।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা জেএইচআরএমএল প্রায় একই হারে মূল্যবৃদ্ধি অর্জন করে, যা বাজারে শিল্প খাতের শেয়ারের প্রতি নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে। একইভাবে এনএফএমএলও শক্তিশালী উত্থান দেখিয়ে তালিকার উপরের দিকে অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
কৃষিভিত্তিক খাতের প্রতিনিধিত্বকারী ইনডেক্স অ্যাগ্রোও ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, যার শেয়ারদর ৭ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই খাতের শেয়ারগুলো সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হিসেবে বিবেচিত হয়।
শিল্প ও উৎপাদন খাতের কোম্পানি হাক্কানি পাল্প এবং ফার কেমিক্যালও উল্লেখযোগ্য উত্থান দেখিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এসব খাতে উৎপাদন ও চাহিদা বৃদ্ধির প্রত্যাশা বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।
ব্যাংকিং খাত থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারদর ৬ শতাংশের বেশি বাড়ায় আর্থিক খাতে আংশিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
একইসঙ্গে মনোনো সিরামিকস, আমান ফিড এবং ইসি কেবলসও মাঝারি থেকে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখিয়ে গেইনার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে। এসব কোম্পানির ক্ষেত্রে বাজারে চাহিদা ও স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ প্রবণতা বৃদ্ধির প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে ওঠানামা থাকলেও নির্বাচিত কিছু শেয়ারে দ্রুত মুনাফার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী এবং খাতভিত্তিক সম্ভাবনা ভালো, সেগুলোতেই বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বেশি দেখা যাচ্ছে।
-রাফসান
৩ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) উত্থান-পতনের মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। দিনের লেনদেনে কিছু কোম্পানির শেয়ারে ইতিবাচক প্রবণতা থাকলেও অধিকাংশ খাতে বিক্রির চাপ অব্যাহত থাকায় বাজারে স্থিতিশীলতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। দিনশেষে দর কমা কোম্পানির সংখ্যা ছিল বাড়তি, যদিও লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য অবস্থানে ছিল।
রোববার (৩ মে) ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৬৫টির, কমেছে ১৮০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫১টির দর। এতে স্পষ্ট হয়েছে যে বাজারে এখনো বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্ক মনোভাব কাজ করছে।
এদিন মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮২৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকায়। আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের গতি কিছুটা কমলেও বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। মোট ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি ট্রেড সম্পন্ন হয় এবং প্রায় ২৯ কোটি ২৬ লাখ শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।বাজার মূলধনেও কিছুটা চাপ লক্ষ্য করা গেছে। ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দিনশেষে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮৬ হাজার কোটি টাকায়। এর মধ্যে ইক্যুইটি সেগমেন্টের বাজার মূলধন কমে প্রায় ৩ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে।
খাতভিত্তিক লেনদেনে ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোতে সবচেয়ে বেশি সক্রিয়তা দেখা যায়। এই ক্যাটাগরিতে ৭৬টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে ৯৮টির। অন্যদিকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে দরবৃদ্ধি হওয়া কোম্পানির সংখ্যা তুলনামূলক বেশি ছিল।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এদিন ১১টি ফান্ডের ইউনিটের দর বেড়েছে, কমেছে মাত্র ৪টির। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তুলনামূলক কম ঝুঁকির বিনিয়োগ হিসেবে কিছু বিনিয়োগকারী আবারও মিউচুয়াল ফান্ডের দিকে ঝুঁকছেন।
ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল গিকিউ বলপেন। কোম্পানিটির শেয়ারে প্রায় ১৪১ কোটি টাকার ব্লক লেনদেন হয়েছে, যা দিনের সর্বোচ্চ। এছাড়া অ্যাপেক্স স্পিনিংয়েও ৬৩ কোটির বেশি টাকার ব্লক ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। বাজারে বড় বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তা বাড়ার ইঙ্গিত হিসেবে এই লেনদেনকে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়া সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স এবং ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারেও বড় অঙ্কের ব্লক লেনদেন হয়েছে। বিশেষ করে বীমা ও ভোগ্যপণ্য খাতের কিছু শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক আগ্রহ বাড়তে দেখা গেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে পুঁজিবাজারে খাতভিত্তিক বিচ্ছিন্ন উত্থান থাকলেও সামগ্রিকভাবে বিনিয়োগকারীদের আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি। ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, তারল্য সংকট এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাব এখনো বাজারে রয়ে গেছে।
তারা বলছেন, বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে হলে নীতিগত স্বচ্ছতা, শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনর্গঠন অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় বাজারে স্বল্পমেয়াদি ওঠানামা আরও বাড়তে পারে।
-রাফসান
৩ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে ব্যাংক খাতের শেয়ার। রোববারের লেনদেনে শীর্ষ দরপতনের তালিকায় জায়গা করে নেয় একাধিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের শেয়ারে অস্বাভাবিক দরপতন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
দিনশেষে সবচেয়ে বেশি দর হারিয়েছে মার্কেন্টাইল ব্যাংক। কোম্পানিটির শেয়ারদর একদিনেই প্রায় ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ৭ টাকা ২০ পয়সায় নেমে আসে। দিনের লেনদেনে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দাম ৬ টাকা ১০ পয়সা পর্যন্ত নেমেছিল, যা বাজারে বিক্রির তীব্র চাপের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরপতন হয়েছে এবি ব্যাংকের শেয়ারে। ব্যাংকটির শেয়ার প্রায় ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ কমে ৪ টাকা ৭০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। ব্যাংকিং খাত নিয়ে বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘমেয়াদি উদ্বেগ এবং দুর্বল আর্থিক সূচকের প্রভাব বাজারে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
এদিন প্রিমিয়ার ব্যাংকের শেয়ারও প্রায় ৯ শতাংশ হারিয়ে ৪ টাকা ১০ পয়সায় নেমে আসে। একইসঙ্গে শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক এবং এনআরবি ব্যাংকের শেয়ারেও উল্লেখযোগ্য দরপতন দেখা যায়।
ট্রাস্ট ব্যাংকের শেয়ারদর কমেছে প্রায় ৭ দশমিক ৩০ শতাংশ, আর শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের দর কমেছে ৮ শতাংশের বেশি। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যাংক খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং চাপ এই পতনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ার প্রায় ৬ দশমিক ১২ শতাংশ কমে ৪ টাকা ৬০ পয়সায় নেমেছে। ওয়ান ব্যাংক পিএলসির শেয়ারও ৫ শতাংশের বেশি দর হারিয়েছে। একইসঙ্গে হাউজিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (এইচএফএল) এবং আইএসএন লিমিটেডও শীর্ষ দরপতনের তালিকায় উঠে এসেছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমানে ব্যাংকিং খাতের খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি, মুনাফার চাপ, তারল্য সংকট এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার ঘাটতি শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে কম দামের ব্যাংক শেয়ারগুলোতে স্বল্পমেয়াদি বিক্রির চাপ দ্রুত দরপতন তৈরি করছে।
তারা আরও বলছেন, ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফেরাতে আর্থিক খাতের সংস্কার, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বচ্ছ তথ্যপ্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় বাজারে এ ধরনের অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
-রাফসান
৩ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশ কয়েকটি শেয়ারে শক্তিশালী দরবৃদ্ধি দেখা গেছে। বিশেষ করে নির্মাণ, প্রকৌশল, টেক্সটাইল ও বিদ্যুৎ খাতের কিছু কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ায় বাজারে ইতিবাচক গতি তৈরি হয়। দিনের লেনদেন শেষে শীর্ষ দরবৃদ্ধির তালিকায় উঠে আসে মির আখতার হোসেন লিমিটেড।
রোববার (৩ মে) লেনদেন শেষে দেখা যায়, মির আখতার শেয়ারের দাম প্রায় ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ বেড়ে ৪২ টাকা ১০ পয়সায় পৌঁছেছে। দিনের শুরু থেকেই কোম্পানিটির শেয়ারে ক্রয়চাপ ছিল উল্লেখযোগ্য। অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতে ভবিষ্যৎ কাজের সম্ভাবনা নিয়ে বাজারে ইতিবাচক প্রত্যাশা থাকায় এই শেয়ারটিতে আগ্রহ বেড়েছে বলে বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইপিজিএল-এর শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এই কোম্পানিটির শেয়ার ১৮ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করে। জ্বালানি ও শিল্প উৎপাদন খাতে নতুন বিনিয়োগ সম্ভাবনার আলোচনার মধ্যেই কোম্পানিটির শেয়ারে চাহিদা বাড়তে দেখা যায়।
তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারও বড় উল্লম্ফন করেছে। কোম্পানিটির দর প্রায় ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৫০ পয়সায়। শিল্প খাতভিত্তিক শেয়ারগুলোর প্রতি নতুন করে আগ্রহ তৈরি হওয়ায় কপারটেকের শেয়ারে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে।
এদিন এমএইচএসএমএল-এর শেয়ারদর প্রায় ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ২১ টাকা ৭০ পয়সায় উঠে আসে। একইসঙ্গে সিকিউরিটি ইসলামি ইন্স্যুরেন্স (এসআইসিএল) প্রায় ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ দরবৃদ্ধি নিয়ে শীর্ষ গেইনার তালিকায় জায়গা করে নেয়।
এছাড়া এসিএমই পেস্টিসাইডসের (এসিএমইপিএল) শেয়ার ৮ দশমিক ৪১ শতাংশ বেড়ে ২৪ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে। কৃষি ও কীটনাশক খাতের এই কোম্পানিটির শেয়ারে সাম্প্রতিক সময়ে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়তে দেখা যাচ্ছে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও ইতিবাচক প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। আইসিবিইপিএমএফ১এস১ ইউনিটের দর ৮ শতাংশের বেশি বেড়ে ৬ টাকা ৭০ পয়সায় পৌঁছেছে। বাজারে তুলনামূলক কম ঝুঁকির বিনিয়োগ খোঁজার প্রবণতা বাড়ায় কিছু মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
অন্যদিকে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস, তমিজউদ্দিন টেক্সটাইল এবং গ্লোবাল হেভি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড লিজিং (ঘাইল) এর শেয়ারও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল ও ওষুধ খাতের কিছু কোম্পানিতে স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং আগ্রহ সক্রিয় ছিল।
-রাফসান
৩০ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বড় ধরনের বিক্রিচাপের মধ্যে লেনদেন শেষ হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমে যাওয়ায় বাজারজুড়ে এক ধরনের সতর্ক অবস্থান দেখা গেছে। বিশেষ করে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক খাতের বেশ কিছু শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের বিক্রির চাপ স্পষ্ট ছিল।
বৃহস্পতিবারের বাজার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১১৩টির, কমেছে ২২০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৬টির দর। অর্থাৎ বাজারে নেতিবাচক প্রবণতাই ছিল প্রধান বৈশিষ্ট্য।
‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলোর মধ্যেও বড় ধরনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। এই ক্যাটাগরিতে ২০০টি কোম্পানির মধ্যে ১২০টির শেয়ারদর কমেছে, যেখানে বেড়েছে মাত্র ৫২টির। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বড় মূলধনী ও তুলনামূলক স্থিতিশীল কোম্পানির শেয়ারে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় এই চাপ তৈরি হয়েছে।
দিনশেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮৬৪ কোটি টাকায়। যদিও আগের কয়েক কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমেছে, তারপরও বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য। মোট ২ লাখ ১৮ হাজারের বেশি ট্রেড সম্পন্ন হয় এবং প্রায় ৩০ কোটি ১২ লাখের বেশি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।
বাজার মূলধনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ডিএসইর মোট বাজার মূলধন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকায়। বিশেষ করে ইকুইটি মার্কেট ক্যাপ কমে যাওয়াকে বাজারের জন্য সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক।
তবে দরপতনের মধ্যেও ব্লক মার্কেটে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়েছে। দিনভর ব্লক মার্কেটে ৪৪টি কোম্পানির প্রায় ২০৭ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডমিনেজ স্টিলের শেয়ারে। কোম্পানিটির প্রায় ৩ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে।
এছাড়া নর্থার্ন ইন্স্যুরেন্স, সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স, সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, এনসিসি ব্যাংক, স্লিপিএলসি ও রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারেও বড় অঙ্কের ব্লক ট্রেড হয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে ব্লক মার্কেটে এ ধরনের বড় লেনদেন সাধারণত বৃদ্ধি পায়।বাজারে ব্যাংক ও বিমা খাতের আধিপত্যপূর্ণ উপস্থিতি থাকলেও এসব খাতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এখনো আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি। বিশেষ করে কিছু দুর্বল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে ক্রমাগত ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে তুলছে।
অন্যদিকে, কিছু উৎপাদন ও ভোক্তাপণ্যভিত্তিক কোম্পানির শেয়ারে এখনো আগ্রহ ধরে রেখেছেন বিনিয়োগকারীরা। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মৌলভিত্তি শক্তিশালী এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে এমন কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে অবস্থান নিচ্ছেন।
তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক বাজারে অস্থিরতার পেছনে স্বল্পমেয়াদি মুনাফা তুলে নেওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের সীমিত গতি এবং খাতভিত্তিক অনিশ্চয়তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল নীতিগত সহায়তা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরলে বাজার আবারও ইতিবাচক ধারায় ফিরতে পারে।
-রাফসান
৩০ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) একাধিক খাতের শেয়ারে বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে। বিশেষ করে বিদ্যুৎ, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিমা খাতের কোম্পানিগুলোর ওপর বিক্রিচাপ ছিল স্পষ্ট। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর অনেক বিনিয়োগকারী মুনাফা তুলে নেওয়ায় বাজারে সংশোধনী প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
দিনের সবচেয়ে বড় দরপতনের শিকার হয় বিদ্যুৎ খাতের কোম্পানি ডেসকো। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ৭ শতাংশ কমে ২২ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির দর ২৩ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত উঠলেও শেষ পর্যন্ত বিক্রিচাপের কারণে বড় পতনে দিন শেষ করে।
টেক্সটাইল ও শিল্প খাতের আলোচিত কোম্পানি এপেক্স স্পিনিংও বড় ধাক্কা খেয়েছে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কমে ৩৪৩ টাকা ৭০ পয়সায় দাঁড়ায়। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগের কয়েক কার্যদিবসে শক্তিশালী উত্থানের পর বিনিয়োগকারীদের বড় অংশ লাভ তুলে নিতে সক্রিয় হওয়ায় এই পতন হয়েছে।
একই গ্রুপের আরেক প্রতিষ্ঠান এপেক্স ট্যানারির শেয়ারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। কোম্পানিটির দর ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৯৪ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। চামড়া ও রপ্তানিমুখী শিল্পে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা এবং স্বল্পমেয়াদি ট্রেডিং চাপ এই পতনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যাংকিং খাতেও ছিল নেতিবাচক প্রবণতা। সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের শেয়ারদর ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কমে ৬ টাকায় নেমেছে। একইসঙ্গে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের দর ৬ শতাংশের বেশি কমে ৪ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ারও ৫ দশমিক ৭১ শতাংশ কমে ৯ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন শেষ করেছে।
বিমা খাতেও দুর্বলতা স্পষ্ট ছিল। ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারদর ৫ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে। নর্দার্ন ইন্স্যুরেন্সও প্রায় ৫ শতাংশ দর হারিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিমা খাতের কিছু শেয়ারে অতিরিক্ত জল্পনামূলক লেনদেনের পর এখন বাজারে সমন্বয় চলছে।
আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের বিআইএফসি এবং ফারইস্ট ফাইন্যান্সের শেয়ারদরও কমেছে যথাক্রমে ৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ করে। দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক খাতের অনেক প্রতিষ্ঠানের মৌলভিত্তি ও তারল্য পরিস্থিতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে, যা এসব শেয়ারে বিক্রিচাপ বাড়াচ্ছে।
-রাফসান
৩০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) নির্বাচিত কিছু কোম্পানির শেয়ারে শক্তিশালী উত্থান দেখা গেছে। বিশেষ করে সিমেন্ট, অবকাঠামো, স্টিল, অটোমোবাইল ও শিল্প খাতের একাধিক কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মৌলভিত্তিসম্পন্ন কিছু শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ প্রবণতা বাড়তে শুরু করায় বাজারে ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে।
দিনের সবচেয়ে বড় গেইনার ছিল প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস। কোম্পানিটির শেয়ারদর প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে ৩৯ টাকা ৮০ পয়সায় পৌঁছেছে। লেনদেন চলাকালে শেয়ারটির দর সর্বোচ্চ একই পর্যায়ে ওঠে। নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশায় সিমেন্ট খাতের শেয়ারগুলোতে নতুন করে ক্রয়চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার পর্যবেক্ষকরা।
অবকাঠামো ও নির্মাণ খাতের কোম্পানি মির আখতার হোসেনও ছিল বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়ে ৩৮ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প ও অবকাঠামো খাতের সম্ভাব্য কার্যক্রম বৃদ্ধির কারণে এ ধরনের কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ইতিবাচক প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিপিপিএলের শেয়ারদর ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ টাকা ৪০ পয়সায় উঠেছে। একইসঙ্গে আইসিবিইপিএমএফ১এস১ মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটদরও ৫ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বল্পমূল্যের ফান্ড ও নির্দিষ্ট কিছু শিল্প শেয়ারে ট্রেডিং আগ্রহ বাড়ছে।
স্টিল খাতেও শক্তিশালী অবস্থান দেখা গেছে। বিএসআরএম স্টিলের শেয়ারদর ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ বেড়ে ৭২ টাকা ৮০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। দেশের শিল্পায়ন ও নির্মাণ খাতের সম্প্রসারণের সম্ভাবনা স্টিল কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
খাদ্য ও শিল্প খাতের ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমসের শেয়ারদর ৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। একইসঙ্গে বিডি অটোকার্সের শেয়ারদরও ৪ শতাংশের বেশি বেড়ে ২৩৪ টাকা ৯০ পয়সায় পৌঁছেছে। অটোমোবাইল ও প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প খাতে ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সম্ভাবনার কারণে এসব কোম্পানিতে ক্রয়চাপ দেখা গেছে বলে বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বেঙ্গল উইন্ডসর থার্মোপ্লাস্টিকসের শেয়ারদর ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া লিগ্যাসি ফুটওয়্যার এবং এডিএন টেলিকমের শেয়ারও দিনশেষে উল্লেখযোগ্য দরবৃদ্ধি নিয়ে গেইনার তালিকায় জায়গা করে নেয়। প্রযুক্তি ও ভোক্তাপণ্য খাতেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
- মার্কিন হামলায় ইরানের ছয় যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি, উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব: রাতভর বোমা হামলায় লণ্ডভণ্ড সীমান্ত
- এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: চরভদ্রাসনে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
- দেবিদ্বারে হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার
- তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
- ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
- ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: শুভেন্দুর তান্ডবে কি তবে সিংহাসন হারাবেন মমতা?
- ডলার থেকে রিয়াল: জেনে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিলাসবহুল জাহাজ এখন ভাসমান মৃত্যুপুরী! প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসের ছোবল
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- এক্সে ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা: সব কার্ড আমার কাছে
- যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নভঙ্গ! পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহবাহী বিমান এখন ঢাকায়
- বিশ্ব অর্থনীতি বাঁচাতে ট্রাম্পের তুরুপের তাস: প্রজেক্ট ফ্রিডম নিয়ে উত্তাল পারস্য উপসাগর
- সোমবার রাজধানীর কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- ঢাকাসহ যে ৮ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা
- চেলসি ম্যাচসহ আজ টিভিতে যত খেলা
- বিসিসিআই-এর সাথে ইগো দেখাতে গিয়ে আইসিসির সাথে যুদ্ধ বাঁধাল বিসিবি
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- ২৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








