বিলাসবহুল জাহাজ এখন ভাসমান মৃত্যুপুরী! প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসের ছোবল

আর্জেন্টিনা থেকে কেপ ভার্দের উদ্দেশ্যে যাত্রাকারী ‘এমভি হন্ডিয়াস’ প্রমোদতরীতে হঠাৎ করেই ছড়িয়ে পড়েছে বিরল ভাইরাস হান্টাভাইরাস। ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মল বা মূত্রের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়া এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতিমধ্যে তিন যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নিশ্চিত করেছে যে, মৃতদের মধ্যে অন্তত একজনের শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি স্পষ্টভাবে ধরা পড়েছে। আরও অন্তত পাঁচজন যাত্রী এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন বলে জোরালো সন্দেহ করা হচ্ছে।
দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, প্রমোদতরীতে প্রথমে ৭০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে মারা যান। তাঁর মরদেহ বর্তমানে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে রাখা হয়েছে। এরপর তাঁর ৬৯ বছর বয়সী স্ত্রীও অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। বর্তমানে জোহানেসবার্গের একটি হাসপাতালের আইসিইউতে (ICU) একজন ব্রিটিশ নাগরিক জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।
ডব্লিউএইচও (WHO) জানিয়েছে, প্রমোদতরীর বাকি যাত্রী ও ক্রুদের মধ্যে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে ব্যাপক তদন্ত শুরু হয়েছে। ভাইরাসের জিনগত বিশ্লেষণ এবং ল্যাবরেটরি পরীক্ষা চলছে। আক্রান্ত দুই যাত্রীকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সমন্বয় করা হচ্ছে। মূলত হান্টাভাইরাস মানুষের শরীরে রক্তক্ষরণজনিত জ্বর এবং শ্বাসযন্ত্রের তীব্র সমস্যা তৈরি করে, যা অত্যন্ত প্রাণঘাতী।
হান্টাভাইরাস কোনো মানুষের থেকে মানুষের শরীরে সরাসরি ছড়ায় না, বরং এটি সংক্রমিত ইঁদুরের মল, মূত্র বা লালার সংস্পর্শে এলে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। প্রমোদতরীর মতো বদ্ধ পরিবেশে কীভাবে এই ভাইরাস এলো, তা নিয়ে এখন তদন্তকারীরা কাজ করছেন।
/আশিক
ইরান সমঝোতার শর্ত গোপন রাখছে যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু কেন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ না হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। চুক্তির প্রকৃত শর্ত গোপন রাখা হচ্ছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা বাড়তে শুরু করেছে।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন চুক্তির একাধিক খসড়া নথি বিভিন্ন মাধ্যমে ফাঁস হতে শুরু করে। এরপর বাড়তে থাকা জল্পনা-কল্পনার মধ্যে হোয়াইট হাউজ সাংবাদিকদের সঙ্গে একটি বিশেষ ফোন ব্রিফিংয়ের আয়োজন করে।
সেখানে ট্রাম্প প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তা পুরো সমঝোতা স্মারকের গুরুত্বপূর্ণ অংশ তুলে ধরেন এবং বিতর্কিত বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দেন।
ব্রিফিংয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে, তা হলো—ইরানকে তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাধ্যতামূলকভাবে হস্তান্তর করতে হবে না।
পারমাণবিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের বর্তমান উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত তাত্ত্বিকভাবে প্রায় ১১টি পারমাণবিক বোমা তৈরির সক্ষমতা রাখে। ফলে এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, এই সংবেদনশীল বিষয়টির স্থায়ী সমাধানে আগামী দুই মাসের মধ্যে পৃথক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (আইএইএ)-এর তত্ত্বাবধানে ইরানের ভেতরেই উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামকে নিম্নমাত্রায় রূপান্তরের একটি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হবে।
এদিকে ফ্রান্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউরেনিয়াম মজুতের গুরুত্ব কিছুটা কমিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেন।
তিনি দাবি করেন, বর্তমানে ইরান ওই ইউরেনিয়াম ব্যবহার করার মতো অবস্থানে নেই এবং তা কার্যত অপ্রবেশযোগ্য অবস্থায় রয়েছে।
ট্রাম্প আরও বলেন, গত বছরের মার্কিন বিমান হামলার পর ইরানের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনার ধ্বংসস্তূপের গভীরে তথাকথিত ‘নিউক্লিয়ার ডাস্ট’ চাপা পড়ে আছে।
তার ভাষ্যমতে, এই উপাদানগুলো উদ্ধার করার প্রযুক্তিগত সক্ষমতা মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কাছেই রয়েছে।
তিনি বলেন, “বাস্তবে এটি খুব বেশি মূল্যবান নয়। তবে মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। বর্তমানে কেউ সেই স্থাপনাগুলো স্পর্শ করছে না।”
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্সের উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা দিয়ে সংশ্লিষ্ট স্থানগুলো নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে এমন কোনো তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি, যা নিশ্চিত করে যে ইরানের সব উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ওই তিনটি স্থাপনাতেই সংরক্ষিত ছিল।
বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, ইরানের বিভিন্ন স্থানে নিম্নমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের আরও মজুত রয়েছে, যেগুলো ভবিষ্যতে উন্নত প্রক্রিয়ায় অস্ত্রমানের পর্যায়ে উন্নীত করা সম্ভব হতে পারে।
এ কারণে আগামী দুই মাসের আলোচনায় ইউরেনিয়াম ইস্যুটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ট্রাম্পও বিষয়টি স্বীকার করে বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে এবং সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদানের ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, এই বিষয়ে ইরান আপত্তি জানাতে পারে এবং আলোচনার পথ সহজ হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্ত প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে আলোচনার অগ্রগতি, আইএইএর ভূমিকা এবং ইউরেনিয়াম ব্যবস্থাপনার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে এই সমঝোতা দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা আনতে পারবে কি না।
-রফিক
ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা ‘ভুল’ ছিল: ট্রাম্প
দক্ষিণ ইরানের মিনাবে একটি বালিকা বিদ্যালয়ে সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলাকে ঘিরে নতুন করে আন্তর্জাতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না এবং যুদ্ধের বাস্তবতায় এমন ভুল ঘটতে পারে। তিনি জানিয়েছেন, হামলার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত এখনো চলমান রয়েছে এবং তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো উচিত হবে না।
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সামরিক সিদ্ধান্ত অত্যন্ত জটিল হয়ে ওঠে এবং কখনও কখনও অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলত্রুটি ঘটতে পারে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মিনাবের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলায় অন্তত ১৭৫ জনের বেশি শিশু ও শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, বিভিন্ন দেশ এবং কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরীণ প্রাথমিক তদন্তে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীর ভূমিকা থাকতে পারে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো দায় স্বীকার করেনি।
পেন্টাগনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সব তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা বলছেন, এটি অত্যন্ত জটিল একটি তদন্ত এবং এতে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে মিনাব হামলা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই একটি ঘটনাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখলে পুরো প্রেক্ষাপট বোঝা যাবে না। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ইরানের কর্মকাণ্ডের কারণেও অতীতে বহু মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, “কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে একটি বিদ্যালয়কে লক্ষ্যবস্তু বানায়নি। যুদ্ধ অত্যন্ত নির্মম একটি বাস্তবতা এবং সেখানে ভুল সিদ্ধান্ত বা ভুল শনাক্তকরণ ঘটতে পারে।”
তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, হামলার পরপরই ট্রাম্প কোনো প্রমাণ উপস্থাপন ছাড়াই ইরানকেই দায়ী করেছিলেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে তিনি তার অবস্থান পরিবর্তন করেছেন। এখন তিনি বলছেন, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষকে সরাসরি দায়ী করা উচিত হবে না এবং তদন্তের ফলাফল যাই হোক, তা গ্রহণ করা হবে।
মার্কিন সামরিক কমান্ডের এক শীর্ষ কর্মকর্তা সম্প্রতি জানিয়েছেন, মিনাব হামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে ঘটনাটি জটিল হওয়ার অন্যতম কারণ হলো সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়টি একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনার খুব কাছাকাছি অবস্থিত ছিল।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ওই বিদ্যালয়টি ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির সীমানার ভেতর বা সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছিল। ফলে লক্ষ্য নির্ধারণের সময় সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনার মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন কর্মকর্তারা সম্ভবত পুরোনো বা হালনাগাদ না হওয়া গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করেছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই লক্ষ্যবস্তু নির্বাচন করা হয়ে থাকতে পারে।
সূত্র: স্কাই নিউজ, রয়টার্স
অন্যদের থাকলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রেও আপত্তি নেই: ট্রাম্প
ইরানের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানে নতুন এক ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশ যদি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মালিক হতে পারে, তাহলে ইরানের কাছেও সীমিত পরিসরে এমন অস্ত্র থাকা অন্যায্য বলে বিবেচিত হওয়া উচিত নয়।
বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সের প্যারিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। কারণ গত কয়েক বছর ধরে ওয়াশিংটন ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হিসেবে তুলে ধরছিল।
ট্রাম্প বলেন, আন্তর্জাতিক ভারসাম্যের প্রশ্নটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। তার মতে, সৌদি আরব, কাতার এবং মধ্যপ্রাচ্যের আরও কয়েকটি দেশের কাছে যদি আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা থাকে, তাহলে ইরানকে পুরোপুরি এই সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে।
তবে তিনি একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন যে, ক্ষেপণাস্ত্রকে তিনি বর্তমান সংকটের মূল সমস্যা হিসেবে দেখছেন না। তার ভাষায়, সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো পারমাণবিক অস্ত্র। কারণ ক্ষেপণাস্ত্র নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে, কিন্তু পারমাণবিক অস্ত্রের ধ্বংসক্ষমতা অনেক বেশি ভয়াবহ এবং তা বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি হুমকি তৈরি করতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের আগের কূটনৈতিক অবস্থানের তুলনায় কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত বহন করছে। এর আগে ওয়াশিংটন বহুবার অভিযোগ করেছিল যে, ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচির একটি নিরাপত্তা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চায়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরুর সময় তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ধ্বংস করাকে অন্যতম প্রধান কৌশলগত লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চুক্তি হলেও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হবে না। তিনি বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে আরও কিছু সময় মার্কিন বাহিনী সেখানে মোতায়েন থাকবে।
অন্যদিকে, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচির অংশ হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অর্থাৎ, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সমাধান এখনো আসেনি।
ট্রাম্পের সংবাদ সম্মেলনের কয়েক ঘণ্টা পর ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেয়। তারা জানায়, দুই দেশের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছেন।
ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে বৈঠক শেষে ট্রাম্পও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, গত রোববার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ ডিজিটাল মাধ্যমে স্মারকটিতে প্রাথমিক স্বাক্ষর করেন। পরে ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএর সঙ্গে আলাপকালে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, প্রেসিডেন্টদের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সমঝোতার পাঠ্য চূড়ান্ত হয়েছে। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা।
সূত্র: আল-জাজিরা
‘সব জায়গায় বোমা ফেলতে চান নেতানিয়াহু’: ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তার ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টাদের কাছে মন্তব্য করেছেন যে, নেতানিয়াহুকে সামলানো অত্যন্ত কঠিন, কারণ তিনি প্রায় প্রতিটি সমস্যার সমাধান সামরিক হামলার মধ্যেই খুঁজে পান।
প্রতিবেদনে একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ট্রাম্প মনে করেন নেতানিয়াহু প্রায় সব পরিস্থিতিতেই বোমা হামলার পথ বেছে নিতে চান। যদিও তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে একজন শক্তিশালী নেতা হিসেবে দেখেন, তবুও অনেক সময় তিনি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি আগ্রাসী হয়ে ওঠেন বলে মনে করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্পের ভাষায়, নেতানিয়াহু একজন “দারুণ” নেতা হলেও তিনি অনেক ক্ষেত্রে সীমা অতিক্রম করে ফেলেন। মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে এই মন্তব্যকে ওয়াশিংটন-তেলআবিব সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট এবং ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে হওয়া অধিকাংশ ফোনালাপের মূল বিষয়বস্তু থাকে নতুন সামরিক অভিযান। প্রায় প্রতিবারই নেতানিয়াহু বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নিয়মিতভাবে যুক্তি উপস্থাপন করেন কেন নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো জরুরি, কেন ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তা সফলভাবে পরিচালনা করতে পারবে এবং কখন সেই অভিযান শুরু করা উচিত।
তার ভাষায়, “প্রায় প্রতিটি ফোনালাপই একই ধাঁচের হয়ে থাকে। নেতানিয়াহু নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেন, আর প্রেসিডেন্ট তা শোনেন। কিন্তু ধীরে ধীরে এই পুনরাবৃত্তি ট্রাম্পকে ক্লান্ত করে তুলছে।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসন এখন সামরিক সমাধানের পাশাপাশি কূটনৈতিক বিকল্পকে বেশি গুরুত্ব দিতে চাইছে। বিপরীতে, নেতানিয়াহুর সরকার এখনও নিরাপত্তাকেন্দ্রিক ও শক্তি প্রয়োগনির্ভর নীতিতে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যই দুই নেতার মধ্যে মতবিরোধের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ইরান, লেবানন এবং গাজা পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের অবস্থানের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্যও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। বিশেষ করে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনে ট্রাম্প প্রশাসন তুলনামূলকভাবে সংযত অবস্থান নিতে চাইছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো প্রশাসনের জন্য ইসরাইল একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অংশীদার হলেও মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সামরিক পদক্ষেপের সীমাবদ্ধতা ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকরা আরও মনে করছেন, আগামী মাসগুলোতে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর সম্পর্কের এই টানাপোড়েন মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে ইরান, গাজা, লেবানন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে আরও সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।
তবে হোয়াইট হাউস বা ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই
ইরানকে ১৭০ কোটি ডলার নগদ ঘুষ দিয়েছিল ওবামা প্রশাসন: ট্রাম্প
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ‘ঘুষ’ দেওয়ার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৭ জুন) ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দাবি করেন। ট্রাম্পের মতে, ২০১৫ সালের বহুল আলোচিত ইরান পরমাণু সমঝোতা (JCPOA) কার্যকর করার সময় ওবামা প্রশাসন তেহরানের কাছে ১৭০ কোটি ডলার নগদ অর্থ পাঠিয়েছিল।
ট্রাম্প দাবি করেন, ওবামা প্রশাসন মার্কিন স্বার্থের তোয়াক্কা না করে একটি বোয়িং ৭৫৭ উড়োজাহাজে করে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ সরাসরি তেহরানে পৌঁছে দিয়েছিল। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তৎকালীন ডেমোক্র্যাট প্রশাসন স্রেফ অর্থের বিনিময়ে ইরানের সাথে একটি দুর্বল সমঝোতায় পৌঁছানোর কৌশল গ্রহণ করেছিল। এই নমনীয় নীতির কারণেই ইরান তৎকালীন মার্কিন প্রশাসনকে দুর্বল হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ পেয়েছিল। তবে নিজের মেয়াদে তিনি ইরানের প্রতি কোনো ধরনের দুর্বলতা বা এমন নীতি অনুসরণ করেননি বলেও সাফ জানিয়ে দেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশেষ তহবিলে অর্থায়ন করতে যাচ্ছে—এমন গুঞ্জন ও খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ওয়াশিংটন এ ধরনের কোনো তহবিলে অর্থ দিচ্ছে না এবং ভবিষ্যতেও দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা মার্কিন প্রশাসনের নেই। তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের ধনী দেশগুলো চাইলে তাদের নিজস্ব স্বার্থে ইরানে বিনিয়োগ করতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান তীব্র উত্তেজনা এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে। ওবামা প্রশাসনের চুক্তিকে 'ইতিহাসের অন্যতম বাজে চুক্তি' আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প আগেই তা থেকে সরে এসেছিলেন, আর এবার জি-৭ মঞ্চে দাঁড়িয়ে সরাসরি 'নগদ অর্থ পাচারের' অভিযোগ এনে ডেমোক্র্যাটদের তীব্র সমালোচনার মুখে ফেললেন তিনি।
/আশিক
ইরানের সঙ্গে সমঝোতা কাঠামোকে খুবই শক্তিশালী: ট্রাম্প
ইরানের সঙ্গে একটি নতুন এবং অত্যন্ত শক্তিশালী সমঝোতা চুক্তি হতে চলায় বিশ্ববাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার (১৭ জুন) জি-৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই দাবি করেন। একই সাথে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ পুরোপুরি উন্মুক্ত হয়ে যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
জি-৭ সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, "এটি খুবই শক্তিশালী একটি চুক্তি। যদিও এখনো কেউ পুরো বিষয়টি বিস্তারিত জানে না।" এই সমঝোতার খবরের ইতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়তে শুরু করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, "এই সমঝোতার ফলে আন্তর্জাতিক বাজার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। যারা সবচেয়ে বেশি খুশি, তারা হলো বাজারের অংশগ্রহণকারীরা।" হরমুজ প্রণালি খুলে গেলে তা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।
তবে এই সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নের খবরটি পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন, "আমরা ১০ সেন্টও দিচ্ছি না। আমরা কোনো বিনিয়োগ করছি না এবং আমাদের কোনো তহবিলও নেই। তবে উপসাগরীয় দেশগুলো চাইলে ইরানে বিনিয়োগ করতে পারে।"
সূত্র : আল জাজিরা
আর্জেন্টিনাকে ২০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং বৈদেশিক মুদ্রার তীব্র চাপ মোকাবিলায় নতুন করে বড় ধরনের সহায়তা পেয়েছে আর্জেন্টিনা। দেশটির অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে ২০০ কোটি ডলারের একটি বিশেষ ঋণ প্যাকেজ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঋণ সহায়তার অনুমোদন দেয়। বিশেষ ‘গ্যারান্টি-ব্যাকড ফিন্যান্সিং’ ব্যবস্থার আওতায় এই অর্থ ছাড় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
এই আর্থিক কাঠামো অনুযায়ী, কোনো কারণে ঋণগ্রহীতা নির্ধারিত সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধে ব্যর্থ হলে তৃতীয় পক্ষের কোনো প্রতিষ্ঠান তার হয়ে অর্থ পরিশোধের নিশ্চয়তা দেবে। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়নে এ ধরনের ব্যবস্থা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, দুটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টির ভিত্তিতে এই ঋণ অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইবিআরডি) এবং মাল্টিল্যাটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি (এমআইজিএ)।
এই ঋণের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় বছর। পাশাপাশি অতিরিক্ত তিন বছরের একটি গ্রেস পিরিয়ডও রাখা হয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত ছয় বছরের মধ্যে ঋণ পরিশোধ সম্ভব না হলে আর্জেন্টিনা আরও তিন বছর সময় পাবে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এই ধরনের নমনীয় ঋণ কাঠামো সংকটে থাকা দেশগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি করে। কারণ এতে তাৎক্ষণিক ঋণ পরিশোধের চাপ অনেকাংশে কমে যায়।
করোনা মহামারির পর থেকেই আর্জেন্টিনার অর্থনীতি ধারাবাহিকভাবে চাপের মুখে রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়া, ডলারের ঘাটতি এবং দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেশটির আর্থিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
২০২৪ সালে আর্জেন্টিনার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ১০০ শতাংশের সীমা অতিক্রম করে। এর ফলে খাদ্য, ওষুধ, জ্বালানি এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে শুরু করে।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলেই ক্ষমতায় আসার পর ব্যাপক অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। সরকারি ব্যয় কমানো, বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারভিত্তিক নীতি বাস্তবায়নের মতো বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
তবে এসব উদ্যোগ সত্ত্বেও এখনো দেশের অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত স্থিতিশীলতা পুরোপুরি ফিরে আসেনি। কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে।
সূত্র: রয়টার্স
ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? জবাব দিলেন জেডি ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার নতুন সমঝোতা ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ইরানের পুনর্গঠনের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। তবে সেই দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।
মঙ্গলবার দেওয়া এক ব্যাখ্যায় তিনি স্পষ্ট করে জানান, ওয়াশিংটন কোনোভাবেই ইরানকে সরাসরি অর্থ সহায়তা দিচ্ছে না। বরং ইরান যদি ভবিষ্যতে চুক্তির শর্তসমূহ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করে, তাহলে অন্য দেশগুলোকে সেখানে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা হতে পারে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জেডি ভ্যান্স বলেন, অনেকেই ভুলভাবে ধারণা করছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে শত শত বিলিয়ন ডলার দিয়ে দিচ্ছে। বাস্তবে এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, ইরানের আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন এলে কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে শিথিল করা হতে পারে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীরা দেশটিতে ব্যবসা ও অবকাঠামোগত প্রকল্পে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।
ভ্যান্স উদাহরণ দিয়ে বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত যদি ভবিষ্যতে ইরানের কোনো পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগ করতে চায়, তাহলে বর্তমানে বিদ্যমান আর্থিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সেটি সম্ভব নয়। তবে ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চললে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ইরান তার নীতিগত অবস্থানে পরিবর্তন না আনা পর্যন্ত কোনো ধরনের বিনিয়োগের সুযোগ কার্যকর হবে না। তাই যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অর্থ দিচ্ছে—এমন দাবি বিভ্রান্তিকর।
এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য কাঠামোগত সমঝোতার অংশ হিসেবে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেসরকারি তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তহবিলের উল্লেখযোগ্য অংশের জন্য ইতোমধ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে পুরো পরিকল্পনাটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
জানা গেছে, এই অর্থ সরাসরি সরকারি কোষাগার থেকে দেওয়া হবে না। বরং এটি হবে সম্পূর্ণ বেসরকারি বিনিয়োগভিত্তিক একটি অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম।
সূত্রগুলো বলছে, মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
এই অর্থ প্রধানত জ্বালানি, পরিবহন, শিল্প উৎপাদন, লজিস্টিকস এবং অবকাঠামো উন্নয়নের মতো খাতে বিনিয়োগ করা হতে পারে।
‘রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফান্ড’ নামে আলোচিত এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যুদ্ধ ও দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।
একটি ইরানি সূত্রের দাবি, আঞ্চলিক দেশগুলো সরাসরি অর্থ সহায়তা, ঋণ নিশ্চয়তা, ক্রেডিট লাইন এবং অবকাঠামো পুনর্গঠন প্রকল্পে অংশ নিতে পারে।
এর আওতায় স্টিল কারখানা, তেল শোধনাগার, বিমানবন্দরসহ ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পুনর্নির্মাণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ চার দশকের নিষেধাজ্ঞা ইরানকে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার বাইরে ঠেলে দিয়েছে। অথচ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল ও গ্যাস মজুদের মালিক দেশটি বিপুল অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বহন করে।
প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ শিক্ষিত ও কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী, শক্তিশালী শিল্পভিত্তি এবং কৌশলগত ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার হিসেবে বিবেচিত হয়।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, চূড়ান্ত রাজনৈতিক সমঝোতা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো তহবিল কার্যকর হবে না।
প্রাথমিক সমঝোতা অনুযায়ী, চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে প্রকল্পগুলোর কাঠামো, বিনিয়োগের খাত এবং বাস্তবায়ন পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে।
-রফিক
আমি না থাকলে ইসরায়েল মানচিত্র থেকে মুছে যেত: ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ও নিজের ব্যক্তিগত ভূমিকা না থাকলে অনেক আগেই ইসরায়েল রাষ্ট্র ধ্বংস হয়ে যেত বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি তিনি নিজে না থাকলে দেশটির কোনো অস্তিত্বই থাকত না বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। চলমান জি-৭ (G7) সম্মেলনের সাইডলাইনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে এক দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় ট্রাম্প এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
বৈঠকে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের কড়া সমর্থন না থাকলে ইসরায়েল টিকে থাকতে পারত না। তিনি ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ না করলে অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরায়েলের সুরক্ষায় তার মতো এমন কঠোর ও নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস দেখাতেন না। ট্রাম্পের মতে, তিনি মধ্যস্থতা না করলে অনেক আগেই ইসরায়েল মানচিত্র থেকে মুছে যেত।
ইসরায়েলের প্রতি নিজের এই একচ্ছত্র সমর্থনের কথা জানানোর পাশাপাশি বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ওপর নিজের তীব্র অসন্তোষের কথাও লুকাননি ট্রাম্প। লেবানন ইস্যুতে তিনি নেতানিয়াহুকে চরম সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্প কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, লেবাননে ইসরায়েলের ঘন ঘন ও অনবরত সামরিক হামলা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি চুক্তিকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
কথোপকথনে লেবাননের গৌরবময় অতীতের স্মৃতিচারণ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, লেবানন একসময় মধ্যপ্রাচ্যের একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ দেশ ছিল। এটি মূলত পরিচিত ছিল বিশ্বখ্যাত অধ্যাপক, চিকিৎসক ও আইনজীবীদের দেশ হিসেবে। মেধাবী ও সুশিক্ষিত মানুষের এক বড় কেন্দ্র ছিল লেবানন। কিন্তু চলমান যুদ্ধবিগ্রহের কারণে দেশটির বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয় হয়ে পড়েছে যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
এর আগে গত রবিবার বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে এক ফোনালাপেও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর যুদ্ধকালীন সিদ্ধান্ত ও বিচারবোধ নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রকাশ্য ও গোপনে ট্রাম্পের এমন কঠোর অবস্থান নেতানিয়াহু সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
পাঠকের মতামত:
- কবে সরছে গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড জানালেন সেতুমন্ত্রী
- সমালোচনার মুখে রোনালদো, সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিলেন কোচ
- ইরান সমঝোতার শর্ত গোপন রাখছে যুক্তরাষ্ট্র কিন্তু কেন
- চীন সফরে তারেক রহমান, যেসব বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে
- ইরানের বালিকা বিদ্যালয়ে হামলা ‘ভুল’ ছিল: ট্রাম্প
- ভ্যাটসহ স্বর্ণের দাম প্রকাশ করলো বাজুস
- অন্যদের থাকলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রেও আপত্তি নেই: ট্রাম্প
- আজকের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ, দেখুন বিস্তারিত
- আজকের খেলার সূচি: বিশ্বকাপ ফুটবল থেকে ওভাল টেস্ট
- রোনালদো ব্যর্থ, ডিআর কঙ্গোর কাছে হোঁচট খেল পর্তুগাল
- বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ কোথায় মার্কেট বন্ধ
- আজ ঢাকায় কোথায় কী? এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি
- ‘সব জায়গায় বোমা ফেলতে চান নেতানিয়াহু’: ট্রাম্প
- ১৮ জুন কত দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ? জেনে নিন নতুন দর
- পর্তুগালের লাকি সিক্স ও ২০২৬ বিশ্বকাপ: ভাগ্য কি এবার রোনালদোর পাশে থাকবে?
- প্রস্তাবিত বাজেট চানাচুর মার্কার মতো শুনলে ভালো লাগে খেলে পেট খারাপ হয়: আমির হামজা
- জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর আই হ্যাভ এ প্লান এর ব্যাখ্যা: লক্ষ্য জলবায়ু-সহিষ্ণু স্মার্ট কৃষি
- ৯ম পে স্কেলের সবুজ সংকেত: জেনে নিন কোন গ্রেডের মূল বেতন কত
- অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে সরকার
- আমেরিকার বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা: বিনিয়োগ ও জ্বালানি নিরাপত্তায় আশাবাদী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরানকে ১৭০ কোটি ডলার নগদ ঘুষ দিয়েছিল ওবামা প্রশাসন: ট্রাম্প
- রাত ১টার মধ্যে দেশের ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- ফুটবলপ্রেমী শিশুদের জন্য ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এক আদর্শ উদাহরণ
- মেসিই সর্বকালের সেরা, বিশ্ববাসীর এখন এই বাস্তবতা মেনে নেওয়া উচিত: রোনালদো
- চট্টগ্রামে প্রথম টি-টুয়েন্টি হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের
- হামের টিকা সংগ্রহে গাফিলতি থাকলে কঠোর ব্যবস্থা: সংসদে প্রধানমন্ত্রী
- সীমান্তে বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইরানের সঙ্গে সমঝোতা কাঠামোকে খুবই শক্তিশালী: ট্রাম্প
- ২ জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা; পরীক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বোর্ডের একগুচ্ছ জরুরি নির্দেশনা
- বিগত এক যুগের মতো জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী
- ১৭ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আর্জেন্টিনাকে ২০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক
- মেটার বড় ঘোষণা, ব্যবহারকারীদের জন্য একগুচ্ছ নতুন ফিচার
- মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন নিয়ে সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়
- রোববার ১৮ ঘণ্টা পানি পাবে না যেসব এলাকা
- ইরানকে ৩০০ বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র? জবাব দিলেন জেডি ভ্যান্স
- আজ ১ মহররম, জেনে নিন আজকের নামাজের সময়সূচি
- সোনার দামে রেকর্ড উল্লম্ফন, রুপার বাজারেও পরিবর্তন
- কেমন থাকবে আজ রাজধানীর আবহাওয়া
- "মেসি এখন ফুটবলেরও ঊর্ধ্বে"
- ডলার ও ইউরোর দাম স্থিতিশীল, প্রবাসী আয়ে স্বস্তি
- আলজেরিয়ার বিপক্ষে মেসির হ্যাটট্রিকে উড়ছে আর্জেন্টিনা
- দেশি-বিদেশি মদদে আবারও মাথাচাড়া দিচ্ছে পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি: নাহিদ ইসলাম
- তীব্র সমালোচনার মুখে নতি স্বীকার করল ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা
- একজন মেসির জন্য পুরো দল প্রস্তুত করা অর্থহীন: হুঙ্কার আলজেরিয়া কোচের
- সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিন, ভালো কাজের পথ দেখান: প্রধানমন্ত্রী
- দেশের আকাশে মহররমের চাঁদ দেখা গেছে
- নানিয়ারচর জোনের উদ্যোগে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- প্রথম ম্যাচে নেইমার খেলবেন কি না, জানালেন কোচ
- বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, সম্পদের পরিমান কত
- পাকিস্তান-ভিয়েতনামের মত সৌরবিদ্যুতে বড় বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ?
- ট্রাম্পের দাবিকে ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলল ইরান
- সিঙ্গাপুর কিংবা কানাডা নয় ‘বেটার বাংলাদেশ’ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী
- ঋণখেলাপি বিতর্কে মুখ খুললেন বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
- দুই দিনেই আবার বাড়ল সোনার দাম, জানুন আজকের নতুন দর
- দুবাইয়ে আটক বেনজীর, মিলেছে তিন দেশের পাসপোর্ট!
- ব্র্যাকের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা বিতরণ
- ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল, ভাতা ও সুবিধা বেড়ে বেতন হচ্ছে যত
- মদ ও সিগারেটের কর বৃদ্ধি নিয়েও আপত্তি বিরোধী দলের: প্রধানমন্ত্রী
- ১৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
- ‘এটা শান্তি নয়, আত্মসমর্পণ’—ট্রাম্পকে নিশানা
- ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে থাকছে যেসব ৯ বড় শর্ত








