কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার

শিমুল হোসেন
শিমুল হোসেন
কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) ব্যুরো
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ২১:৫৫:১১
কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
ছবি : শিমুল হোসেন

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুরে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)-এর উদ্যোগে স্মার্ট কার্ডধারী উপকারভোগীদের মাঝে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ কার্যক্রমের আওতায় উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর এলাকার ৭১৪টি পরিবার স্বল্পমূল্যে টিসিবির পণ্য সংগ্রহের সুযোগ পেয়েছে।সোমবার (২৭ জুলাই) দক্ষিণ শ্রীপুর বাজারে মেসার্স আলহাজ ট্রেডার্স মার্কেট সংলগ্ন টিসিবি ডিলার পয়েন্টে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

স্মার্ট টিসিবির অনুমোদিত ডিলার আবুবকর সিদ্দীকের তত্ত্বাবধানে কার্ডধারী উপকারভোগীদের মাঝে সুষ্ঠু ও শৃঙ্খল পরিবেশে পণ্য বিক্রি করা হয়।প্রতিটি প্যাকেজে ছিল ২ কেজি ডাল, ২ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি চিনি, ১০০ গ্রাম লাক্স সাবান, ১২৫ গ্রাম লন্ড্রি সাবান এবং ৫০০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার। প্রতিটি প্যাকেজের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৫১৮ টাকা।বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন কালিগঞ্জ উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা শ্মশান কুমার মণ্ডল।

এ সময় তিনি বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্মার্ট কার্ডভিত্তিক এ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সুশৃঙ্খলভাবে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এতে অনিয়ম কমার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ সহজেই তাদের প্রাপ্য সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন।

পণ্য গ্রহণে আসা উপকারভোগীরা জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে টিসিবির এ কার্যক্রম নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে। তারা সরকারের এ উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত রাখার দাবি জানান।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় সহনীয় রাখতে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ২১:৪৬:২৪
স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি
ফাইল ছবি

রাজনীতি কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়; রাজনীতি হলো আদর্শের জন্য দীর্ঘ আত্মত্যাগ, জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করে জনগণের অধিকার আদায়ের অবিরাম লড়াই। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী সরকারের আমলে বিরোধী মতের ওপর যে দমনপীড়ন চালানো হয়েছে, তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি। চরম দুঃসময়েও রাজপথ ছাড়েননি এই ইউনিটের সভাপতি, সাংবাদিক মো. মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া। শত মামলা, হামলা, পুলিশি হয়রানি ও হুলিয়া মাথায় নিয়ে তাঁরা টিকিয়ে রেখেছিলেন দলীয় অস্তিত্ব।

​ভয়ার্ত রাত ও পুলিশের তাড়া: যে জীবনের নাম ছিল টিকে থাকার লড়াই

গত ১৫-১৬ বছর ধরে গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সাংবাদিক মো. মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়ার জীবন ছিল এক অবর্ণনীয় রোমহর্ষক অধ্যায়। আওয়ামী স্বৈরাচার সরকারের আমলে বিএনপি করার অপরাধে তাঁদের জীবনে নেমে এসেছিল বিভীষিকাময় পরিস্থিতি। গায়েবি মামলার মারপ্যাঁচ, পুলিশি তল্লাশি আর দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর প্রতিদিনের হামলা-মামলার খড়্গ—সব মিলিয়ে তাঁদের নিজ ঘরে ঘুমানোর অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।

​পুলিশের ভয়ে রাতের পর রাত ঘরের বাইরে, ঝোপঝাড় কিংবা আত্মগোপনে কাটাতে হয়েছে। কিন্তু শত নির্যাতন, পরিবার-পরিজনের কান্না আর জীবননাশের প্রকাশ্য হুমকিও তাঁদের মনোবল ভাঙতে পারেনি। দিনের পর দিন পালিয়ে বেড়ালেও যখনই সুযোগ এসেছে, তাঁরা রাজপথে নেমেছেন। স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে মিছিল, পিকেটিং কিংবা দলীয় কর্মসূচি পালনে তাঁরা ছিলেন অগ্রগামী।

​এই দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁদের ছায়া হয়ে পাশে ছিলেন ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মো. দুলাল সরকার, মো. হুমায়ুন, মুন্না মেম্বারসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন যেমন ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মী এবং নিবেদিতপ্রাণ সাধারণ কর্মীরা। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাঁরা একসঙ্গে দলীয় কার্যক্রম টিকিয়ে রেখেছিলেন। তাঁদের সকলের একটাই পণ ছিল—‘যেভাবেই হোক, এই ইউনিয়নকে বিএনপির একটি অজেয় দুর্গে পরিণত করব।’ সেই স্বপ্নের বীজ তাঁরা রোপণ করেছিলেন চরম বিপন্নতার মধ্য দিয়েই।

​অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের প্রতীক: সভাপতি ও সম্পাদকের অবদান

ইউনিয়নের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মুখে মুখে এখন সেই দুঃসময়ের সাহসী গল্প। তাঁরা জানান, যখন দলের অনেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন কিংবা রাজনৈতিক চাপে নিষ্ক্রিয় ছিলেন, তখন সভাপতি সাংবাদিক মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া ছিলেন গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির বটবৃক্ষ। শত প্রলোভন ও হুমকির মুখেও তাঁরা দলের সঙ্গে বেইমানি করেননি।​সাংবাদিকতা পেশার আড়ালে মাসুদ রানা যেমন সত্য প্রকাশে ছিলেন আপসহীন, তেমনি রাজনৈতিক ময়দানেও ছিলেন অকুতোভয়। অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া ছিলেন প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের সম্মুখসারির যোদ্ধা। পুলিশের রিমান্ড, হামলা এবং কারাবাসের ভয় তাঁদের টলাতে পারেনি। নিজ ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে দলীয় নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত রাখতে তাঁরা ছিলেন সদা তৎপর।

​৫ আগস্টের পটপরিবর্তন ও নেতাকর্মীদের মনে বড় প্রশ্ন

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে দীর্ঘ ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার সরকারের পতন ঘটে। দেশজুড়ে বইছে মুক্তির হাওয়া। কারাবন্দি ও নির্যাতিত বিএনপি নেতাকর্মীরা ফিরে পেয়েছেন মুক্ত বাতাসে নিশ্বাস নেওয়ার অধিকার। ইউনিয়নের ঘরে ঘরে এখন আনন্দের জোয়ার। কিন্তু এই আনন্দের মাঝেও স্থানীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে এক গভীর প্রশ্ন—যাঁরা দলের দুঃসময়ে রক্ত ও শ্রম দিয়েছেন, মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে বছরের পর বছর বাড়িছাড়া ছিলেন, দলের দুর্দিনেও যাঁরা তৃণমূলের হাল ধরে রেখেছিলেন, ৫ আগস্টের পর সেই ত্যাগী নেতাদের যথাযথ মূল্যায়ন কি দল করবে?

​ইউনিয়নের সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের স্পষ্ট দাবি, হাইব্রিড বা সুযোগসন্ধানীরা যেন কোনোভাবেই নতুন পরিস্থিতিতে দলে অনুপ্রবেশ করে ছড়ি ঘোরাতে না পারে। দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়ার কারিগর মাসুদ রানা ও মোহাম্মদ জিয়ার মতো ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের কাঁধেই সংগঠনের পূর্ণ নেতৃত্ব এবং সঠিক মূল্যায়ন অর্পিত হওয়া উচিত।

​আগামীর প্রত্যয়: দুর্গে পরিণত করার স্বপ্ন

সব প্রতিকূলতা আর না পাওয়ার বেদনাকে পাশ কাটিয়ে সভাপতি মো. মাসুদ রানা এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জিয়া এখনো স্বপ্ন দেখেন একটি সুশৃঙ্খল ও শক্তিশালী বিএনপির। তাঁদের লড়াই কেবল নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার ছিল না, লড়াই ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার। সাংবাদিক মাসুদ রানা এবং মোহাম্মদ জিয়ার কণ্ঠে আজ একটাই প্রতিধ্বনি—‘স্বৈরাচারের আমলের জুলুম-অত্যাচার আমরা সহ্য করেছি কেবল দলের আদর্শকে ভালোবেসে। আমাদের রক্তে গড়া এই ইউনিয়নকে আমরা বিএনপির এমন এক দুর্গে রূপান্তর করব, যেখানে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার কখনো ম্লান হবে না।’

​গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির এই নেতারাসহ দুর্দিনের লড়াকু সৈনিকদের আত্মত্যাগের গল্প শুধু একটি ইউনিটের ইতিহাস নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের নির্যাতিত তৃণমূল রাজনীতির এক অকৃত্রিম প্রতিচ্ছবি। সঠিক মূল্যায়ন আর ভালোবাসার মাধ্যমে এই ত্যাগী নেতাদের সম্মান জানানোই এখন দলের নৈতিক দায়িত্ব।

ট্যাগ: কুমিল্লা

শর্ত সাপেক্ষে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর অনুমতি

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৭ ১৮:০৭:২৫
শর্ত সাপেক্ষে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চালুর অনুমতি
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করে নিয়েছে সরকার। নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ সাপেক্ষে হাসপাতালটিকে পুনরায় তাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখা থেকে এই সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী এতে স্বাক্ষর করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে জারি করা এক নির্দেশনার মাধ্যমে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল এবং তাদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়। পরবর্তীতে সেই তদন্ত কমিটির জমা দেওয়া প্রতিবেদন সন্তোষজনক বিবেচিত হওয়ায় এবং নির্ধারিত শর্তাবলি মেনে চলায় লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত বাতিল করে হাসপাতালটির কার্যক্রম পুনর্বহালের নির্দেশ দেওয়া হয়।

হাসপাতালটি সচল রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে তিনটি প্রধান শর্ত বেধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২-এর সব আইনি বিধান কঠোরভাবে মেনে চলা এবং লাইসেন্সের শর্ত পূরণে দ্রুত প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক নিয়োগ সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এসব শর্ত পালনে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৯ জুলাই আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যা তদন্তের পর প্রত্যাহার করা হলো।

/আশিক


ফরিদপুরে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানে সোলার লাইট চুরি, অন্ধকারে আচ্ছন্ন এলাকা

সাজ্জাদ হোসেন সাজু
সাজ্জাদ হোসেন সাজু
ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৬ ২১:৪৬:৪৬
ফরিদপুরে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানে সোলার লাইট চুরি, অন্ধকারে আচ্ছন্ন এলাকা
ছবি : সাজ্জাদ হোসেন সাজু

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় রাতের আঁধারে মাদকসেবীসহ অপরাধীদের অবাধ বিচরণ বাড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে কবরস্থানে স্থাপিত সোলার লাইটের প্যানেল, ব্যাটারি ও সোলার তার চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কবরস্থানের নিরাপত্তা ও রাতে আগত মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেখানে সোলার লাইট স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগে দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে সোলার লাইটের প্যানেল, ব্যাটারি ও সংযোগ তার চুরি করে নিয়ে যায়। এতে কবরস্থানটি বর্তমানে সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই রাতের বেলায় কবরস্থানের আশপাশে মাদকসেবীদের আনাগোনা রয়েছে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় তারা নির্বিঘ্নে সেখানে অবস্থান করে এবং বিভিন্ন অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর কবর জিয়ারত করতে আসা মানুষজন ভীতি ও শঙ্কার মধ্যে থাকেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা জানান, কবরস্থান একটি পবিত্র স্থান। কিন্তু সেখানে চুরি ও অসামাজিক কর্মকাণ্ডের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। দ্রুত সোলার লাইট পুনঃস্থাপন, কবরস্থানের চারপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার এবং নিয়মিত নজরদারির ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল বৃদ্ধি করা হলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে তারা মনে করেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সালাম মুন্সি বলেন, “হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানটি আমাদের এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র স্থান। কিন্তু পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সন্ধ্যার পর এখানে মানুষের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সোলার প্যানেল, ব্যাটারি ও তার চুরি হয়ে যাওয়ায় পুরো কবরস্থান অন্ধকারে ডুবে আছে। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত এখানে নতুন করে আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করুক, যাতে মানুষ নিরাপদে কবর জিয়ারত করতে পারে এবং কোনো অপরাধী এই স্থানকে অসামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্য ব্যবহার করতে না পারে।”

এলাকাবাসী আরও জানান, কবরস্থানের পবিত্রতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তারা চুরির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি কবরস্থানে পুনরায় আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপে হাজী ডাঙ্গী কবরস্থানের নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশ ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধ করা যাবে।


উত্তাল বঙ্গোপসাগর: আরও শক্তি সঞ্চয় করছে মৌসুমি নিম্নচাপ

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৬ ১৮:৩৬:৫১
উত্তাল বঙ্গোপসাগর: আরও শক্তি সঞ্চয় করছে মৌসুমি নিম্নচাপ
ছবি : সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হয়ে অবশেষে মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে এটি মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে মাত্র ২৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। নিম্নচাপ কেন্দ্রের কাছাকাছি ৪৪ কিলোমিটার এলাকায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে আবহাওয়া দপ্তরের জারি করা এক বিশেষ বুলেটিনে এই পূর্বাভাসের কথা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আবহাওয়া কর্মকর্তা আফরোজা সুলতানা জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় অঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি অধিক ঘনীভূত হয়ে একই এলাকায় (২০.৭° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) একটি শক্তিশাল মৌসুমি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।

রোববার দুপুর ১২টার উপগ্রহ চিত্রে দেখা যায়, নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৪৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আফরোজা সুলতানা আরও উল্লেখ করেন, নিম্নচাপটি ক্রমাগত উত্তর-পশ্চিম অভিমুখে অগ্রসর হয়ে আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে দেশের চার সমুদ্রবন্দরসহ উত্তর বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা কিংবা প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা রয়েছে।

বর্তমানে নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৪ কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বাতাসের ধারাবাহিক সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া হিসেবে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রের আশপাশের সামুদ্রিক অঞ্চল বেশ উত্তাল রয়েছে।

উদ্ভূত বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে আগের ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রেখে তা দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে বিলম্ব না করে দ্রুত উপকূলে ফিরে আসতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার কড়া পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বৃষ্টির দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৫ ২০:৩৩:০৯
বৃষ্টির দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অফিস
ছবি : সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলে একটি লঘুচাপ তৈরি হওয়ায় সারা দেশে টানা বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে আগামী অন্তত পাঁচ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের ধারা বজায় থাকতে পারে। একই সঙ্গে দেশের নানা প্রান্তে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে শুরু করে ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শনিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের স্বাক্ষর করা এক আবহাওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্যের কথা জানানো হয়।

সংস্থার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার (২৬ জুলাই) সন্ধ্যা পর্যন্ত খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বহু স্থানে এবং রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কয়েকটি জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি মানের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি নামতে পারে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় একই থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

পরবর্তী চার দিনের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এ সময়ে বৃষ্টির পরিধি আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ বিভাগে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ফলে দিন ও রাতের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, তবে বুধবার নাগাদ তাপমাত্রার তেমন কোনো পরিবর্তন না-ও হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস আরও উল্লেখ করেছে, এই পাঁচ দিন অতিক্রম হওয়ার পরও দেশজুড়ে বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এমন অবস্থায় বিশেষ করে নিম্নাঞ্চল ও ভারী বর্ষণপ্রবণ এলাকার বসবাসকারী মানুষদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ, চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৫ ১৮:৪১:২৯
বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপ, চার সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
ছবি : সংগৃহীত

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর উড়িষ্যা উপকূলীয় অঞ্চলে একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই লঘুচাপের প্রভাবে দেশের সমুদ্র বন্দরগুলো, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে প্রবল ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই তথ্যের কথা নিশ্চিত করা হয়।

একই বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব ধরনের মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে বা উপকূলের কাছাকাছি থেকে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

/আশিক


শুক্রবার রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৪ ১১:২৪:৪৯
শুক্রবার রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
ছবি : সংগৃহীত

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারে রাজধানীর অনেক বাসিন্দাই কেনাকাটা, প্রয়োজনীয় কাজ কিংবা পরিবার নিয়ে ঘোরাঘুরির পরিকল্পনা করেন। কিন্তু ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মার্কেট ও দোকানপাটের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন এক নয়। ফলে আগে থেকে তথ্য না জেনে বের হলে গন্তব্যে পৌঁছে মার্কেট বন্ধ পাওয়ার বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর পুরান ঢাকাসহ বেশ কয়েকটি এলাকার বহু মার্কেট ও দোকানপাট নিয়মিত সাপ্তাহিক ছুটির আওতায় থাকে। সাম্প্রতিক একাধিক প্রকাশিত তালিকাতেও শুক্রবার বন্ধ থাকা মার্কেটগুলোর তথ্য প্রায় একই পাওয়া গেছে।

শুক্রবার সাধারণত বাংলাবাজার, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ, শ্যামবাজার, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজীরবাগ, দোলাইপাড়, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, দয়াগঞ্জ, স্বামীবাগ ও ধোলাইখাল এলাকার অনেক দোকানপাট বন্ধ থাকে। একই তালিকায় জয়কালী মন্দিরসংলগ্ন এলাকা, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, ওয়ারী, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, শাঁখারীবাজার, চাঁনখারপুল এবং গুলিস্তানের দক্ষিণাংশও রয়েছে।

নির্দিষ্ট মার্কেটের মধ্যে আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট ও শ্যামবাজারের পাইকারি দোকানগুলো শুক্রবারের সাপ্তাহিক ছুটির তালিকায় রয়েছে। এর পাশাপাশি সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার এবং ধূপখোলা মাঠ বাজারও সাধারণত এদিন বন্ধ থাকে। সাম্প্রতিক প্রকাশিত শুক্রবারের বন্ধের তালিকাতেও এসব মার্কেটের নাম রয়েছে।

পুরান ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র চকবাজার, বাবুবাজার, নয়াবাজার ও কাপ্তানবাজারের বিভিন্ন মার্কেটও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি পালন করে। একইভাবে রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুরের কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট এবং সান্দ্রা সুপার মার্কেট বন্ধ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। মে ও জুনে প্রকাশিত পৃথক তালিকাতেও একই মার্কেটগুলোর উল্লেখ রয়েছে।

বিশেষ করে ইসলামপুর ও পুরান ঢাকার পাইকারি বাজারে কেনাকাটার পরিকল্পনা থাকলে সাপ্তাহিক ছুটির বিষয়টি মাথায় রাখা জরুরি। এসব এলাকায় কাপড়, তৈরি পোশাক, বিভিন্ন কাঁচামাল ও পাইকারি পণ্যের বড় বাজার থাকায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আসেন। তাই শুক্রবার যাওয়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট দোকান বা মার্কেটের কার্যদিবস নিশ্চিত করে পরিকল্পনা করলে অপ্রয়োজনীয় যাতায়াত এড়ানো সম্ভব।

শুধু মার্কেট নয়, শুক্রবার রাজধানীর কিছু দর্শনীয় ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠানও বন্ধ থাকার তথ্য প্রচলিত তালিকায় রয়েছে। বিজয় সরণির বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর এবং আগারগাঁওয়ের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরকে শুক্রবার বন্ধের তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রকাশিত ঢাকার সাপ্তাহিক বন্ধের তথ্যেও এ দুটি প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।

তবে মার্কেট, জাদুঘর কিংবা দর্শনীয় স্থানের সময়সূচি বিশেষ ছুটি, সরকারি সিদ্ধান্ত, উৎসব বা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তিত হতে পারে। বিশেষ করে দূর থেকে আসার পরিকল্পনা থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা মার্কেট কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ সময়সূচি যাচাই করে নেওয়াই নিরাপদ।

-রফিক


৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কায় ৮ জেলায় সতর্কতা জারি

সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ২১:৪১:৫১
৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কায় ৮ জেলায় সতর্কতা জারি
ছবি : সংগৃহীত

দেশের আটটি জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ পরিস্থিতির কারণে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত জারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি আগামী কয়েক দিন সারা দেশেই বৃষ্টিপাতের এই ধারা অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক বিশেষ সতর্কবার্তায় এই সংকেত ও আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার জেলার ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে এই ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলগুলোতে বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

সম্ভাব্য ঝোড়ো আবহাওয়ার কথা বিবেচনায় এনে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন দেশের প্রতিটি বিভাগেই দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

একই সময়ে দেশের কিছু কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের ভারি থেকে শুরু করে অতিভারি বর্ষণ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।

/আশিক


দেবীদ্বার ইউসুফপুরে ভিডব্লিউবি সুবিধাভোগীদের প্রশিক্ষণ ও চাল বিতরণ

মোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা
কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি
সারাদেশ ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ২১:২০:১৮
দেবীদ্বার ইউসুফপুরে ভিডব্লিউবি সুবিধাভোগীদের প্রশিক্ষণ ও চাল বিতরণ
ছবি : মোঃ মাসুদ রানা

বৃহস্পতিবার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) সুবিধাভোগীদের মাঝে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ শেষে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী অফিসার অশোক বিক্রম চাকমা।

অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন দেবীদ্বার উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল খন্দকার, সমাজ সেবা অফিসার মোঃ নোমান হোসেন, আবেদা-মান্নান ফাউন্ডেশন এর সিইও উপাধ্যক্ষ এটিএম সাইফুল ইসলাম মাসুমসহ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও সদস্যগণ।

উল্লেখ্য, ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) পূর্বে ভিজিডি নামে পরিচিত ছিল। এই কর্মসূচির আওতায় দুঃস্থ, বিধবা ও অসচ্ছল নারীদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

প্রশিক্ষণ শেষে সুবিধাভোগীদের মাঝে সরকারি বরাদ্দের চাল বিতরণ করা হয়।

পাঠকের মতামত: