শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দর থেকে ফাঁসির মঞ্চে নিতে শহীদ পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস আলম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ০৭ ২১:৫১:০১
শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দর থেকে ফাঁসির মঞ্চে নিতে শহীদ পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস আলম
ছবি : সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তনের চেষ্টা করলে তাঁকে বিমানবন্দর থেকেই ফাঁসির মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যেতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্বজনরাই যথেষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝালকাঠি শহরের একটি রেস্তোরাঁয় জেলা এনসিপি আয়োজিত সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা শুরুর প্রাক্কালে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।

সারজিস আলম উল্লেখ করেন, জুলাই অভ্যুত্থানে যারা নিজেদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন এবং যারা এখনো পঙ্গুত্ব ও ক্ষতের যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন, সেই পরিবারগুলোর রক্তক্ষরণ আজও থামেনি। ফলে শেখ হাসিনা দেশে পা রাখা মাত্রই সেই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষোভ ও প্রতিবাদই তাঁর সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করার জন্য যথেষ্ট হবে। একই সঙ্গে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত পরিণতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার স্বাভাবিক প্রয়াণ কিংবা শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা—কোনোটিই বাংলাদেশের মাটিতে ঘটবে না।

রাজনৈতিক অবস্থানের পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন ও সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত প্রকল্পগুলোর কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির এই শীর্ষ সংগঠক। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে শুরুতে ফ্যামিলি কার্ডসহ নানামুখী নাগরিক কার্ড বিতরণের বড় বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কেবল এসব কার্ড তৈরির প্রকল্পের জন্যই সরকারি কোষাগার থেকে ২৪২ কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দ রাখা হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, সাধারণ মানুষের উপকারের দোহাই দিয়ে বিপুল ব্যয়ের এমন অনেক উদ্যোগ নেওয়া হলেও মাঠপর্যায়ে সেগুলোর বাস্তবায়ন নিয়ে বরাবরের মতোই বড় ধরনের সংশয় থেকে যায়। ফ্যামিলি কার্ডের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত বুঝতে পেরেছে যে এটি কার্যকরভাবে রূপায়ণ করা সম্ভব নয়, যে কারণে বর্তমানে এই উদ্যোগ নিয়ে নীতি-নির্ধারকদের মাঝে এক ধরনের নীরবতা তৈরি হয়েছে। জনগণের ঘাম ঝরানো রাজস্ব ব্যয় করে এমন কোনো অনিশ্চিত ও অবাস্তব পরিকল্পনা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকার তাগিদ দিয়ে তিনি রাষ্ট্রীয় অর্থের শতভাগ স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীল প্রয়োগের দাবি জানান।

/আশিক


ভালো বা যোগ্য মানুষ দেখে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দেয় না: ডা. তাসনিম জারা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ২০:৫৪:৪৯
ভালো বা যোগ্য মানুষ দেখে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দেয় না: ডা. তাসনিম জারা
ছবি : সংগৃহীত

রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনে যোগ্য ও ভালো মানুষ দেখে মনোনয়ন দেয় না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি)-এর সাবেক নেত্রী ডা. তাসনিম জারা। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ পোস্টে স্পিকারের বক্তব্যের সূত্র ধরে রাজনৈতিক ব্যবস্থা ও সংসদীয় স্বচ্ছতা নিয়ে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে ডা. তাসনিম জারা উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের এক সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি একমত যে বর্তমান ব্যবস্থায় ভালো মানুষের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হয় না। কেননা দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ক্ষেত্রে মেধার চেয়ে অন্য বিষয় প্রাধান্য পায়, আর স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে গেলে নানামুখী হেনস্তার শিকার হতে হয়। তবে তিনি যোগ করেন, সাধারণ মানুষের কাজ আক্ষেপ করা হলেও স্পিকারের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাধর পদে থাকা ব্যক্তি নীতিগত পরিবর্তনের সুযোগ রাখেন। সংসদ সদস্যদের সম্পদের হিসাব, ব্যবসায়ী স্বার্থ ও উপহার গ্রহণের বিবরণী সার্বজনীন করার জন্য বিশেষ ‘রেজিস্টার অব ইন্টারেস্টস’ চালুর প্রস্তাব দেন তিনি।

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উদাহরণ টেনে ডা. তাসনিম জারা বলেন, বাংলাদেশে সংসদ সদস্যদের ৬০ শতাংশ ব্যবসায়ী ও প্রায় ৮০ শতাংশ কোটিপতি হওয়া সত্ত্বেও পাঁচ বছরে কেবল একবার দেওয়া নির্বাচন কমিশনের হলফনামা ছাড়া আয়-সম্পদ যাচাইয়ের কার্যকর ব্যবস্থা নেই। অনেক সংসদ সদস্য পদে এসে দামি গাড়ি বা উপহার পাওয়ার অজুহাত দেখালেও মূল ব্যাকগ্রাউন্ড আড়ালেই থেকে যায়। এ জন্য সংসদ সচিবালয় ও নিয়মকানুন কমিটির সভাপতি হিসেবে স্পিকারকে এমপিদের প্রাপ্ত উপহার, ব্যবসায়িক শেয়ার ও বিদেশ সফরের তথ্য নিয়মিত ওয়েবসাইটে প্রকাশের বিধান করার আহ্বান জানান তিনি।

উলেখ্য, এর আগে বুধবার ভোলার তজুমদ্দিনে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছিলেন যে, ভালো মানুষের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ কিংবা সংসদে উপযুক্ত রাজনৈতিক পরিবেশ এখনও তৈরি করা যায়নি। স্পিকারের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও দায়িত্বশীল অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় সংসদে স্বচ্ছতার নতুন মানদণ্ড প্রতিষ্ঠার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন ডা. তাসনিম জারা।

/আশিক


সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: ডা. শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ২০:১৯:৩৩
সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: ডা. শফিকুর রহমান
ছবি : সংগৃহীত

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি এবং সংলগ্ন এলাকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সরকারের প্রতি সুস্পষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন জামায়াত আমির।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লেখেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেককে কেন্দ্র করে কী হচ্ছে? ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না দৌড়িয়ে সঠিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।’ জাতীয় নিরাপত্তা ও স্থানীয়দের সুরক্ষার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি আরও লেখেন, ‘সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই। সময় থাকতে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।’

উল্লেখ্য, এর আগে একই দিন বেলা ১১টার দিকে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সশস্ত্র সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। পরবর্তীতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ হস্তক্ষেপে আটকে পড়া প্রায় তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই গোলাগুলির ঘটনার প্রেক্ষাপটেই জামায়াত আমিরের এই কড়া প্রতিক্রিয়া এল।

/আশিক


৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ-জামায়াত মিলে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ২০:১১:৫৫
৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ-জামায়াত মিলে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং জামায়াতে ইসলামী যৌথভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে বলে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি দাবি করেন, ১৯৯৬ সালের মতো একইভাবে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত পুনরায় জোটবদ্ধ হয়ে দেশে রাজনৈতিক অরাজকতা সৃষ্টির চক্রান্ত করছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চাপরাইল আবুবকর বিশ্বাস মকছেদ আলী কলেজে আয়োজিত একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে ইঙ্গিত করে রাশেদ খাঁন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর চলাকালে 'স্নাইপার' দিয়ে তাঁকে হত্যার হুমকি সংবলিত যে ফেসবুক পোস্ট এক যুবক দিয়েছিল, তার পেছনে বিরোধী দলের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ও উসকানি রয়েছে। তাদের উসকানিমূলক ও বিতর্কিত ভূমিকার কারণেই ওই যুবক এমন দুঃসাহস দেখানোর সাহস পেয়েছে। এ বিষয়ের গভীর তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমিরের কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, জামায়াতের শীর্ষ নেতারা প্রতিনিয়ত রাজনৈতিক মিথ্যাচার করছেন। অতীতে ছাত্র জাসদের রাজনীতি ও সহিংসতার ইতিহাস টেনে তিনি প্রশ্ন তোলেন—জামায়াতে যোগ দিলেই কি সেই স্বভাব বদলে যায়? পরিশেষে তিনি ঘোষণা দেন, আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের যেকোনো ষড়যন্ত্র রাজপথে নস্যাৎ করতে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা জনগণকে সাথে নিয়ে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

অনুষ্ঠানে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, যুগ্ম সদস্য সচিব ইলিয়াস রহমান মিঠু এবং কলেজের অধ্যক্ষ মশিয়ার রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


বিভ্রান্তিকর ছবি ট্রোলের কড়া জবাব দিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:১১:১৭
বিভ্রান্তিকর ছবি ট্রোলের কড়া জবাব দিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
ছবি : সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদের সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তাঁর মুখমণ্ডল দেবী দুর্গার প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত করে বিভ্রান্তিকর একটি ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে ধর্মান্ধতা ও সামাজিকভাবে গড়ে ওঠা দ্বিচারিতার কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি।

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ফেসবুক বার্তায় উল্লেখ করেন, সম্প্রীতি নষ্ট করা ও বিভাজন উসকে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই অসাধু কোনো চক্র কৃত্রিমভাবে ছবিটি তৈরি করে তা ছড়িয়ে দিয়েছে। ছবিটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একশ্রেণির মানুষের অনাকাঙ্ক্ষিত প্রতিক্রিয়ার জবাবে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্য করে একটি ব্যঙ্গাত্মক ও ঝাঁঝালো পোস্ট দেন তিনি।

ওই পোস্টে মোট ২২টি সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরে রুমিন ফারহানা লেখেন—বলাৎকার, ঘুষ গ্রহণ, শিশু নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড, নারীর ওপর সহিংসতা ও অপবাদ, সম্পদ লুটপাট কিংবা খাদ্যে ভেজালের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেও সমাজে ধর্মের ক্ষতি হয় না, অথচ ছবি বিকৃতির মতো বিষয়ে মিথ্যা সুর তোলা হয়। পোস্টের শেষাংশে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘দুষ্টের লালন-পালনে ধর্ম মজবুত হয়’ মন্তব্য করে বিতর্কিত সেই ছবিটি শেয়ার করেন এবং বিশেষ দ্রষ্টব্যে ট্রোলকারীদের কটাক্ষ করে লেখেন, ‘মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কী আর করা।’

/আশিক


শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকারকে ১৮ ডিসেম্বরের আলটিমেটাম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৯:৪৫:১২
শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকারকে ১৮ ডিসেম্বরের আলটিমেটাম
ছবি : সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের যোদ্ধাদের প্রতি ইনসাফ প্রতিষ্ঠা এবং জুলাই গণহত্যার বিচার নিশ্চিতে ব্যর্থ হলে বিএনপির জন্য আরও ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জাবের। একইসঙ্গে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যে ভুল পথে হেঁটে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে, বিএনপি একই পথ অনুসরণ করলে তারাও বেশিদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে না।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ খালপাড় এলাকার শহীদ রফিক চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এসব কথা বলেন। এ সময় সংগঠনের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে সরকারকে আগামী ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক। তিনি অভিযোগ করেন, ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার নানামুখী দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। অভিযুক্ত খুনিরা ভারতে অবস্থান করলেও বাংলাদেশ সরকারের চিঠির কোনো কার্যকর জবাব দেয়নি দেশটি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারে মুখোমুখি করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়া জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিলম্বের কঠোর সমালোচনা করে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সূচক মতামত দেওয়া সত্ত্বেও তা বাস্তবায়নে বিএনপি সরকার গড়িমসি করছে। গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে বিএনপি সরকারের প্রতি জোরালো দাবি জানান তিনি। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, জুলাইয়ের শহীদের রক্ত ও জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে তামাশা করা হলে তৃণমূল থেকে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

/আশিক


এনসিপি অপকর্মের আশ্রয়স্থল ও জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৯:০৬:০৯
এনসিপি অপকর্মের আশ্রয়স্থল ও জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, এনসিপি বর্তমানে অপকর্ম ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কারখানায় পরিণত হয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিরোধী পক্ষগুলোর নানা বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অনন্য যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্য মিলেও তার মেধা ও যোগ্যতার সমকক্ষ হতে পারবেন না। রাজনৈতিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে বিরোধীরা বিদ্যুৎ সংকট বা আন্তর্জাতিক কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের মতো প্রতিটি সামাজিক ইস্যুতেই অযৌক্তিকভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা বানাচ্ছে।

এনসিপি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, দলটির শীর্ষ থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের বহু নেতা চাঁদাবাজি, তদবির ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মতো নানা অপরাধমূলক ঘটনার সঙ্গে জড়িত। ফলে দলটি ইতোমধ্যেই সম্পূর্ণ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে নীতিগতভাবে অন্য দলের কাছে বন্দি হয়ে পড়েছে।

সাবেক শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের প্রেক্ষাপট স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে স্বৈরাচারী আমলে চরম নির্যাতন ও গুমের শিকার হয়েও সাহসের সঙ্গে অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন। অথচ তখন অনেক রাজনৈতিক দলের নেতাদের রাজপথে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি। রাশেদ খাঁন আরও অভিযোগ তোলেন যে, জামায়াতে ইসলামী এখন ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগসন্ধানীদের আশ্রয় দিয়ে একটি পুনর্বাসন সেন্টারে রূপ নিয়েছে। অনুষ্ঠিত এই সভায় ঝিনাইদহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


পাঁচ বছরের পারফরম্যান্সই ঠিক করবে পরবর্তী নির্বাচন: চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৭:৪৯:১০
পাঁচ বছরের পারফরম্যান্সই ঠিক করবে পরবর্তী নির্বাচন: চিফ হুইপ
ছবি : সংগৃহীত

জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করেছে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, সরকারের পাঁচ বছরের উন্নয়ন ও দায়িত্ব পালনের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করেই পরবর্তী নির্বাচনে সিদ্ধান্ত নেবে জনগণ। সরকার যদি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে জনগণই ভোটের মাধ্যমে তার উপযুক্ত জবাব দেবে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিত জিয়া মঞ্চের বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলন-২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ জোর দিয়ে বলেন, ঘন ঘন আন্দোলনের মাধ্যমে নতুন সরকারকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা না করে বিরোধীদের ধৈর্য ধারণ করা উচিত। কারণ সরকারের সার্বিক সফলতা ও ব্যর্থতার চূড়ান্ত মূল্যায়ন জনগণই নির্বাচনের দিন ব্যালটের মাধ্যমে প্রকাশ করবে।

দেশের বিরাজমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বিশাল অঙ্কের অর্থ পাচার এবং ভঙ্গুর অর্থনীতিকে কাটিয়ে ওঠার সময়ই দায়িত্ব গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। এমন পরিস্থিতিতে বিরোধী পক্ষের লংমার্চের মতো কর্মসূচিগুলো দেশ পুনর্গঠনের মূল প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে। কেবল লংমার্চ দিয়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির মূল পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

দেশে চলমান বিদ্যুৎ সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংকট সমাধানের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানির ক্ষেত্রে আগামী তিন বছরের জন্য সম্পূর্ণ করছাড়ের সুযোগ দিয়েছেন। দেশের ব্যবসায়ীরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে আগামী এক বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম-নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠে বিএনপি ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটিয়েছে। বর্তমানে প্রান্তিক মানুষের সামাজিক ও আর্থিক সুরক্ষায় ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি স্বাধীনতায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সম্মুখ সারির নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘ আপসহীন সংগ্রামের অবদানের কথা স্মরণ করেন।

জিয়া মঞ্চের বরিশাল বিভাগের এই বিশেষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক সংসদ সদস্য বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন ও সংসদ সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জামাল। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ফয়েজ উল্লাহ ইকবালের উদ্বোধনে এবং আবু তালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


প্রশাসনিক দায়িত্ব ছাড়লেও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার ঘোষণা শীর্ষ নেতার

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৯ ১৭:৪৪:৫০
প্রশাসনিক দায়িত্ব ছাড়লেও সামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখার ঘোষণা শীর্ষ নেতার
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের এই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানান। এর আগে গত শনিবার গেন্ডারিয়ায় ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে এক বিতর্কিত মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়ার পর দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক হোসেন দাবি করেন, মাদকবিরোধী অভিযানে তিনি কোনো ভুল করেননি, তবে তাঁর ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের কারণে যেন সরকারের সামগ্রিক অর্জন ও কার্যক্রম ম্লান না হয়—সেটি বিবেচনা করেই তিনি নিজে থেকে পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তার এই সিদ্ধান্তে সদয় সম্মতি দিয়েছেন বলেও তিনি জানান। তিনি বলেন, মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব থেকে সরে গেলেও তিনি ঢাকা-৬ আসন ও এর আশপাশের এলাকা থেকে মাদক নির্মূল এবং জনজীবনের অন্যান্য সমস্যা সমাধানের লক্ষে তাঁর কার্যক্রম রাজপথে অব্যাহত রাখবেন। এদিকে সংবাদ চলাকালে প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে অতিরিক্ত নেতাকর্মীদের ভিড় ও কিছুটা হট্টগোল তৈরি হলে ইশরাক নিজেই মাইকে সবাইকে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ জানান।

/আশিক


প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ১৮ ২৩:৩৬:২২
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

অস্ত্র হাতে নিজস্ব স্টাইলে মাদকবিরোধী অভিযানে নেমে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও আলোচনার জন্ম দেওয়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ডেকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে সরাসরি এই পদত্যাগের নির্দেশনা দেন বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এর আগে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর এলাকায় অনুসারীদের নিয়ে ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এক বিতর্কিত মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। প্রতিমন্ত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে সরাসরি প্রচারিত সেই ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি গাড়ি থেকে নেমে প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে লোকজনকে ধরতে বলছেন, এমনকি গুলি করার হুমকিও দিচ্ছেন। একই ভিডিওতে তার দেহরক্ষীকে এক তরুণকে লাথি মারতেও দেখা যায়, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের পর দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলার তোয়াক্কা না করা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তুমুল সমালোচনা তৈরি হয়।

একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী ব্যক্তিগত অস্ত্র হাতে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো এভাবে অভিযান পরিচালনা করতে পারেন কি না—তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আইন বিশেষজ্ঞরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে আইনের কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তদন্তের মাঝেই এবার প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে পদত্যাগের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

/আশিক

পাঠকের মতামত: