ক্যান্সার চিকিৎসায় চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের বড় সাফল্য, স্মার্ট ইনজেকশনে উধাও হচ্ছে টিউমার

ক্যান্সার চিকিৎসায় এক যুগান্তকারী ও অভূতপূর্ব সাফল্যের দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। একটি আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে নতুন এক ধরনের ‘স্মার্ট ইনজেকশন’ কিছু রোগীর শরীরে থাকা টিউমার সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করে দিতে সক্ষম হয়েছে। ‘অ্যামিভ্যানটাম্যাব’ (amivantamab) নামের এই নতুন ওষুধটি মূলত একটি ট্রিপল-অ্যাকশন ক্যান্সার থেরাপি হিসেবে কাজ করে, যা অত্যন্ত জটিল রোগীদের ক্ষেত্রেও অভাবনীয় ফলাফল দেখিয়েছে।
বিশ্বের ১১টি দেশের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই মেগা ট্রায়ালে এমন সব জটিল রোগীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাদের ক্যান্সার ইতোমধ্যে শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়েছিল (মেটাস্ট্যাসিস) অথবা যারা প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসায় কোনোভাবেই সাড়া দিচ্ছিলেন না।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, এই ইনজেকশনটি মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারে (Head and Neck Cancer) আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কার্যকারিতা দেখিয়েছে। ট্রায়ালে অংশ নেওয়া এমন ১০২ জন রোগীর মধ্যে ৪৩ জনেরই টিউমার আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে সঙ্কুচিত হয়ে গেছে। এর মধ্যে ২৮ জনের ক্ষেত্রে টিউমার উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট হয়েছে এবং ১৫ জন রোগীর শরীর থেকে ক্যান্সার টিউমার সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত বা ভ্যানিশ হয়ে গেছে।
লন্ডনের ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চের অধ্যাপক ও বায়োলজিক্যাল ক্যান্সার থেরাপির খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ কেভিন হ্যারিংটন এই ফলাফলকে ‘অভূতপূর্বভাবে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যেসব রোগীর ক্যান্সার প্রচলিত কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি উভয়ের প্রতিই প্রতিরোধী বা রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে, তাদের শরীরে এমন ইতিবাচক সাড়া পাওয়া অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই স্মার্ট চিকিৎসা পদ্ধতি আগামী দিনে প্রতিবছর বিশ্বের হাজার হাজার ক্যান্সার রোগীর জীবন বাঁচাতে ভূমিকা রাখতে পারে।
মেডিকেল সায়েন্সের এই যুগান্তকারী গবেষণার ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বের বৃহত্তম ক্যান্সার সম্মেলন ‘আমেরিকান সোসাইটি অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজিতে’ আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হবে।
গবেষকদের মতে, মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারের পাশাপাশি একই ধরনের ইতিবাচক ফলাফল দেখা গেছে ফুসফুসের ক্যান্সার (Lung Cancer) রোগীদের ক্ষেত্রেও। বহুজাতিক ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি জে অ্যান্ড জে (জনসন অ্যান্ড জনসন) কর্তৃক উদ্ভাবিত এই ওষুধটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬০টি পৃথক ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে পরীক্ষা করা হচ্ছে, যার মধ্যে ফুসফুস ছাড়াও কোলন, মস্তিষ্ক ও পাকস্থলীর ক্যান্সার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এই স্মার্ট ইনজেকশনটি মূলত মানবদেহে ক্যান্সারকে তিনটি ভিন্ন উপায়ে একযোগে লক্ষ্যবস্তু করে: প্রথমত, এটি ‘ইজিএফআর’ (EGFR) নামক প্রোটিনকে ব্লক বা বাধা দেয়; দ্বিতীয়ত, এটি ‘এমইটি’ (MET) নামক সেই কোষীয় পথকে বন্ধ করে দেয় যা ক্যান্সার কোষকে চিকিৎসা থেকে বাঁচতে সাহায্য করে; এবং তৃতীয়ত, এটি রোগীর নিজস্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমকে সক্রিয় করে সরাসরি টিউমারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্ররোচিত করে।
এই ট্রায়ালে অংশ নেওয়া ৫৬ বছর বয়সী কার্ল ওয়ালশ নামের একজন ব্রিটিশ রোগী নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, পূর্বের সব কেমোথেরাপি ও ইমিউনোথেরাপি ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি চরম হতাশায় এই ট্রায়ালে যুক্ত হয়েছিলেন এবং ধীরে ধীরে তার শারীরিক অবস্থার অলৌকিক উন্নতি ঘটে। চিকিৎসা শুরুর মাত্র কয়েকটি সাইকেলের পরই তিনি স্বাভাবিক খাবারে ফিরতে পারেন এবং তার অসহ্য শারীরিক ব্যথা সম্পূর্ণ কমে যায়।
গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই ইনজেকশনটি সাধারণত রোগীর ত্বকের নিচে (Subcutaneous) ছোট আকারে দেওয়া হয়, যা হাসপাতালে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে প্রচলিত ইনট্রাভেনাস ড্রিপ বা স্যালাইনের মাধ্যমে দেওয়ার তুলনায় অনেক দ্রুত, সহজ এবং আরামদায়ক। ট্রায়ালে দেখা গেছে, এই ওষুধের অধিকাংশ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই ছিল অত্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার, যার কারণে খুব কম রোগীকেই মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করতে হয়েছে।
গবেষকদের মতে, বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এই ট্রায়ালে মানব প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি)-নেতিবাচক মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সার রোগীদের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাদের চিকিৎসা করা চিকিৎসাবিজ্ঞানে সাধারণত সবচেয়ে বেশি কঠিন ও জটিল বলে গণ্য হয়। এই ইনজেকশন বা চিকিৎসা শুরু করার পর অত্যন্ত অগ্রসর (Advanced Stage) পর্যায়ে থাকা রোগীদেরও গড় বেঁচে থাকার সময় ছিল প্রায় ১২ দশমিক ৫ মাস।
ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক ক্রিস্টিয়ান হেলিন বলেন, এই অগ্রগতি প্রমাণ করে যে কঠোর ও সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে একদম সীমিত বিকল্প থাকা মুমূর্ষু রোগীদের ক্ষেত্রেও কার্যকর নতুন চিকিৎসা নিয়ে আসা সম্ভব। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অসাধারণ ফলাফল বিশ্বব্যাপী ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে যাচ্ছে, যদিও ওষুধটি এখনও ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পর্যায়ে রয়েছে এবং বাজারে বাণিজ্যিকভাবে আসার আগে আরও কিছু বিস্তৃত গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে।
ওজন ও ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু তিন ধরনের সালাদ
ওজন কমানো বা ফ্যাটি লিভারের মতো সমস্যা থাকলে অনেকেই একঘেয়ে সেদ্ধ খাবার কিংবা সাধারণ সালাদ খেয়ে থাকেন। তবে স্বাস্থ্যকর খাবার মানেই যে স্বাদের সঙ্গে আপস করতে হবে, তা নয়। ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল ও অস্বাস্থ্যকর মেয়োনিজের পরিবর্তে খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, ফাইবার ও পুষ্টিগুণে ভরপুর সালাদ যুক্ত করা যেতে পারে। মাত্র ১৫ মিনিটেই ঘরে তৈরি করা সম্ভব এমন পুষ্টিকর তিন ধরনের সালাদের প্রস্তুত প্রণালি নিচে দেওয়া হলো:
১. মসুর ডাল ও গ্রিলড সবজির সালাদ
মসুর ডালে প্রচুর প্রোটিন এবং সবজিতে পর্যাপ্ত ফাইবার রয়েছে। এই উপাদানগুলো দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণভাবে সাহায্য করে।তৈরি করার পদ্ধতি: প্রথমে আধা কাপ মসুর ডাল ভালোভাবে সেদ্ধ করে নিতে হবে, যেন ডাল একেবারে গলে না যায়। এরপর একটি প্যানে সামান্য তেল দিয়ে ছোট টুকরো করে কাটা গাজর, শিম, ক্যাপসিকাম ও ব্রকলি হালকা ভেজে নিতে হবে। সামান্য লবণ ও গোলমরিচ গুঁড়ো দিয়ে ঢেকে রাখলে সবজি সহজেই সেদ্ধ হয়ে যাবে। এরপর এর সঙ্গে সেদ্ধ ডাল মিশিয়ে ওপর থেকে ধনেপাতা কুচি ও অরিগ্যানো ছড়িয়ে পরিবেশন করা যায়। দুপুরের খাবারে ভাত বা রুটির বিকল্প হিসেবে কিংবা পরিপূরক হিসেবে এটি খাওয়া যেতে পারে।
২. মেডিটেরেনিয়ান প্রোটিন সালাদ
স্বাদ ও পুষ্টির চমৎকার সমন্বয়ে তৈরি এই সালাদে শসা, টমেটো, পেঁয়াজ, পনির ও অলিভ ব্যবহার করা হয়। পনির থেকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন এবং সবজি থেকে ফাইবারের চাহিদা পূরণ হয়।তৈরি করার পদ্ধতি: শসা, টমেটো ও পেঁয়াজ ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। সঙ্গে কালো অলিভ যোগ করা যেতে পারে। পনির কিউব আকারে কেটে সামান্য মাখনে হালকা ভেজে নেওয়া ভালো, তবে কাঁচাও ব্যবহার করা যায়। সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে ওপর থেকে ধনেপাতা কুচি ছড়িয়ে দিতে হবে। ড্রেসিংয়ের জন্য অল্প অলিভ অয়েল, লেবুর রস ও অরিগ্যানো ব্যবহার করা যায়। তবে ক্যালরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেল ও মাখনের পরিমাণ সবসময় সীমিত রাখাই শ্রেয়।
৩. বাঁধাকপি, গাজর ও রোস্টেড বাদামের সালাদ
যারা হালকা খাবার পছন্দ করেন, তাদের জন্য বাঁধাকপি, গাজর ও বাদামের এই সালাদ একটি চমৎকার বিকল্প। বাঁধাকপি ও গাজরে রয়েছে পর্যাপ্ত ফাইবার এবং বাদাম জোগায় স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন।তৈরি করার পদ্ধতি: বাঁধাকপি খুব মিহি করে কুচিয়ে এবং গাজর গ্রেট করে নিতে হবে। এর সঙ্গে দুই টেবিল চামচ রোস্ট করা বাদাম বা তিল, পাতিলেবুর রস, সামান্য মধু ও কাঁচা মরিচ কুচি মেশাতে হবে। সব উপকরণ ভালোভাবে মেখে ১০ মিনিট রেখে দিলে স্বাদ ভালো হয়। পরিবেশনের ঠিক আগে ওপর থেকে আরও কিছু রোস্ট করা বাদাম ছড়িয়ে দিতে হবে।
ফ্যাটি লিভার ও ওজন নিয়ন্ত্রণে করণীয়
ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং ফ্যাটি লিভারের সুরক্ষায় সুষম খাবার খাওয়া, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা এবং অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ কমানো অত্যন্ত জরুরি। খাদ্যতালিকায় তাজা ফলমূল, শাকসবজি, ডাল ও পরিমিত বাদাম রাখা উচিত। তবে কোনো একটি নির্দিষ্ট সালাদ খেলেই ফ্যাটি লিভার সম্পূর্ণ ভালো হয়ে যাবে—এমন ধারণা সঠিক নয়। কোনো খাবার একা লিভারকে ডিটক্স করতে পারে না। তাই ফ্যাটি লিভারের সুনির্দিষ্ট চিকিৎসার জন্য অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ডায়েট চার্ট তৈরি করা উচিত।
/আশিক
চিকিৎসা জার্নালে পুষ্টি ও লিভারের স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন গবেষণা প্রকাশ
নিয়মিত টমেটো খাওয়া লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার প্রবণতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। চিকিৎসাবিষয়ক আন্তর্জাতিক জার্নাল ‘নিউট্রিয়েন্টস’-এ প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক গবেষণায় এ সংক্রান্ত ইতিবাচক তথ্য উঠে এসেছে। ইতালির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই গবেষণায় মানবদেহের বিপাকীয় প্রক্রিয়া এবং বিশেষভাবে লিভারের ওপর টমেটোর প্রভাব পরীক্ষা করা হয়।
গবেষকদের মতে, টমেটোতে বিপুল পরিমাণে লাইকোপিন নামের একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা লিভারের সুরক্ষায় মুখ্য ভূমিকা পালন করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত টমেটো গ্রহণের ফলে লিভারে চর্বি জমার পরিমাণ কম থাকে। লাইকোপিন মূলত লিভারের কোষগুলোকে ক্ষতিকর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে এবং সামগ্রিক বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখে। এ ছাড়া টমেটোতে থাকা প্রাকৃতিক যৌগগুলো প্রদাহবিরোধী প্রভাব ফেলতে সক্ষম, যা লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে অবদান রাখে।
রান্নায় ব্যবহারের পাশাপাশি কাঁচা অবস্থায় সালাদ হিসেবে টমেটো সহজে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যুক্ত করা যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন যে, শুধুমাত্র টমেটো খাওয়াকে ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ বা চিকিৎসার একমাত্র বা নিশ্চিত উপায় ভাবা উচিত নয়। লিভারের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত ব্যায়াম, নিয়ন্ত্রিত ওজন এবং সুষম খাদ্য গ্রহণ অপরিহার্য। যেহেতু ফ্যাটি লিভার রোগ অনেক সময় কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই তৈরি হতে পারে, তাই ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সুষম জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
সূত্র: সামা টিভি
শ্বাসনালির জমে থাকা মিউকাস দূর করতে পেঁয়াজ ও অলিভ অয়েলের জাদুকরী মিশ্রণ
ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে হঠাৎ ঠান্ডা-গরমের মেজাজ বদলের কারণে গলা খুসখুস, ঢোক গিলতে ব্যথা বা শ্বাসনালিতে জমে থাকা কফ ও মিউকাসের অস্বস্তি ঘরে ঘরে বেড়ে যায়। ঘরোয়া পদ্ধতিতে গলার এই অনাকাঙ্ক্ষিত মিউকাস পাতলা করে দ্রুত স্বস্তি পেতে দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে পেঁয়াজ, মধু ও অলিভ অয়েলের সমন্বয়ে তৈরি একটি প্রাকৃতিক পানীয়।
ঘরোয়া মিশ্রণটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে একটি পেঁয়াজ, এক টেবিল চামচ ভালো মানের অলিভ অয়েল এবং দুই টেবিল চামচ খাঁটি মধু। প্রস্তুতপ্রণালী অনুযায়ী, প্রথমে পেঁয়াজটি মোটা ও গোল চাকতির মতো কেটে কিছুক্ষণ পরিষ্কার পানিতে ফোটাতে হবে। পেঁয়াজ ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে এলে পানি ছেঁকে নিয়ে তাতে অলিভ অয়েল ও মধু ভালোভাবে মিশিয়ে হালকা গরম অবস্থায় অল্প অল্প করে পান করতে হবে।
পুষ্টিবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, পেঁয়াজে থাকা সালফারযুক্ত যৌগ ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট 'কুয়েরসেটিন' শ্বাসনালির প্রদাহ কমায় এবং জমে থাকা ঘন কফ পাতলা করে স্বাভাবিক উপায়ে বের হয়ে আসতে সাহায্য করে। পাশাপাশি অলিভ অয়েলে বিদ্যমান 'ওলিওক্যানথাল' গলার টিস্যুর ওপর একটি মসৃণ ও স্বস্তিদায়ক প্রলেপ সৃষ্টি করে কাসির ফলে তৈরি হওয়া জ্বালাভাব প্রশমিত করে। আর মধুর প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান ও মিউকাস উপশমকারী গুণাগুণ গলার খাঁজ কেটে দ্রুত আরাম পৌঁছে দেয়। তবে এই প্রাকৃতিক পানীয়টি কেবল সাময়িক লক্ষণীয় উপশমের জন্য কার্যকারী; যদি কফ বা গলার ব্যথা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয় কিংবা সঙ্গে জ্বর ও শ্বাসকষ্ট থাকে, তবে কালবিলম্ব না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
বয়স বাড়ার সাথে পুরুষদের টেস্টোস্টেরন হরমোন হ্রাস: চেনার ৯টি লক্ষণ
বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুরুষের দেহে টেস্টোস্টেরন হরমোনের স্বাভাবিক নিঃসরণ কমতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হরমোনের এই ঘাটতিকে ‘লো টেস্টোস্টেরন’ বা সংক্ষেপে ‘লো টি’ বলা হয়। সমীক্ষা অনুযায়ী, ৬০ বছর বা তদুর্ধ বয়সসীমার প্রতি ১০ জন পুরুষের মধ্যে অন্তত ২ জন এই হরমোনজনিত জটিলতায় ভুগে থাকেন।
অণ্ডকোষে উৎপাদিত এই অতি প্রয়োজনীয় হরমোনটি পুরুষাল যৌন আকাঙ্ক্ষা, পেশির সুদৃঢ় গঠন, হাড়ের সঠিক ঘনত্ব, শক্তি বৃদ্ধি ও শুক্রাণু উৎপাদনের মূল নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। তবে হরমোন নিঃসরণ হ্রাস পাওয়ার প্রাথমিক লক্ষণগুলো অনেক সময় অসচেতনতার কারণে সাধারণ মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে এই হরমোনের ঘাটতি দেখা দিলে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর মধ্যে অন্যতম হলো যৌন উদ্দীপনা বা লিবিডো অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়া এবং যৌন মিলনকালে উত্থানজনিত জটিলতা সৃষ্টি হওয়া। এ ছাড়া মাথার চুলের পাশাপাশি হাত, পা ও মুখের লোম কমে যাওয়া, হাড়ের ঘনত্ব হ্রাস পেয়ে তা ভঙ্গুর হয়ে পড়া এবং দ্রুত শারীরিক শক্তি কমে যাওয়া এর প্রধান উপসর্গ। চিকিৎসকরা আরও জানান, এই হরমোনের অভাবে মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগে ঘাটতি, হঠাৎ ওজন বৃদ্ধি, নিদ্রাহীনতা এবং সারাক্ষণ শারীরিক অবসাদ ও ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।
টেস্টোস্টেরনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসকরা শারীরিক ব্যায়াম, সঠিক খাদ্যভ্যাস, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুমের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবে চরম ঘাটতির ক্ষেত্রে নিছক জীবনযাত্রার পরিবর্তন পর্যাপ্ত নয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষজ্ঞ ইউরোলজিস্ট বা এন্ডোক্রাইনোলজিস্টরা ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশন, ট্রান্সডার্মাল জেল বা প্যাচ, সাবকিউটেনিয়াস ইমপ্ল্যান্ট কিংবা সন্তান গ্রহণে ইচ্ছুক পুরুষদের ক্ষেত্রে 'ক্লোমিফিন সাইট্রেট'-এর মতো সুনির্দিষ্ট থেরাপি প্রয়োগ করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া স্বপ্রণোদিত হয়ে যেকোনো হরমোন থেরাপি গ্রহণ করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
সূত্র: ইউরোলজি স্পেশালিস্টস এনসি
বয়স বাড়লেই বাড়ে ঝুঁকি, জেনে নিন প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারার মূল কারণ ও প্রতিকার
প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা বা অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব বের হয়ে যাওয়ার স্বাস্থ্যগত সমস্যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় 'ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্স' নামে পরিচিত। যেকোনো বয়সের মানুষের ক্ষেত্রে এই জটিলতা দেখা দিতে পারলেও সাধারণত বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর ঝুঁকি বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, প্রাত্যহিক ঘুম, সামাজিক আত্মবিশ্বাস এবং জীবনযাত্রার মান ব্যাহত করলেও সময়মতো সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এর সিংহভাগ কারণই নিরাময় সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্সের বেশ কয়েকটি ধরন রয়েছে। কাশি, হাঁচি, হাসি বা ভারী জিনিস তোলার সময় প্রস্রাব হওয়াকে বলা হয় ‘স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স’, যা সাধারণত নারীদের প্রসবপরবর্তী সময়ে এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট অস্ত্রোপচারের পর বেশি দেখা যায়। আবার হঠাৎ তীব্র বেগ সামলাতে না পারার ঘটনাকে ‘আর্জেন্সি ইনকন্টিনেন্স’ এবং উভয় লক্ষণের উপস্থিতি থাকলে তাকে ‘মিক্সড ইনকন্টিনেন্স’ বলা হয়। এ ছাড়া মূত্রথলি পুরোপুরি খালি না হয়ে ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব ঝরাকে ‘ওভারফ্লো ইনকন্টিনেন্স’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থা, একাধিকবার স্বাভাবিক প্রসব, বয়সের ভারে পেলভিক ফ্লোরের পেশি দুর্বল হওয়া কিংবা মেনোপজের পর ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে যাওয়া এর অন্যতম প্রধান কারণ। অপরদিকে পুরুষদের ক্ষেত্রে প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া, প্রোস্টেট ক্যানসারের অস্ত্রোপচার কিংবা বয়সজনিত কারণে মূত্রনালিতে বাধা তৈরি হওয়াকে মূল কারণ হিসেবে গণ্য করেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি স্থূলতা, ডায়াবেটিস, দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ুরোগ এবং অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল সেবনের কারণেও উভয় লিঙ্গের মানুষের এই রোগ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, নিয়মিত পেলভিক ফ্লোর পেশির ব্যায়াম (কিগেল এক্সারসাইজ), অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ, ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পরিহার এবং সঠিক সময়ে প্রস্বাবের অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে সমস্যাটি অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত পড়া, তলপেটে তীব্র ব্যথা বা জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটলে এটিকে কেবল বয়সকালের স্বাভাবিক পরিবর্তন না ভেবে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানো: ব্রেন টিউমার ও রেডিয়েশন দাবির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা
ঘুমের সময় মাথার কাছে মোবাইল ফোন রাখার ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সম্ভাব্য শারীরিক ক্ষতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। তবে এই বিষয়ে বিদ্যমান বৈজ্ঞানিক তথ্য ও মূল স্বাস্থ্য সংস্থাগুলোর মতামত এবং আপনার প্রদান করা খবরের মধ্যে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FDA) এবং আন্তর্জাতিক অ-আয়নাইজিং রেডিয়েশন সুরক্ষা কমিশন (ICNIRP)-এর মতে, মোবাইল ফোন থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি (RF) হলো অ-আয়নাইজিং বিকিরণ (Non-ionizing radiation)। এক্স-রে বা গামা-রশ্মির মতো আয়নাইজিং বিকিরণ ডিএনএ (DNA) ক্ষতিগ্রস্ত করে ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু মোবাইল ফোনের অ-আয়নাইজিং বিকিরণ ডিএনএ অণুর বন্ধন ভাঙতে পারে না বা শরীরের কোষ পুড়িয়ে ফেলতে পারে না। বহু বছরের ব্যাপক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় মাথার কাছে ফোন রেখে ঘুমানোর সাথে ব্রেন টিউমার বা ব্রেন ক্যান্সারের প্রত্যক্ষ ও নিশ্চিত কোনো যোগাযোগ পাওয়া যায়নি।
প্রজনন ক্ষমতার ক্ষেত্রে, কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে পকেটে ফোন রাখা বা প্রজনন অঙ্গের কাছাকাছি অতিরিক্ত মোবাইল ফোন ব্যবহারের কারণে নিঃসৃত তাপ (Heat) ও দীর্ঘমেয়াদী প্রয়োগে শুক্রাণুর গুণগত মানে আংশিক প্রভাব পড়তে পারে। তবে রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল বৃদ্ধির সাথে সরাসরি রেডিয়েশনের সংযোগ নিয়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা বিজ্ঞানের প্রমাণ নেই।
তবে মাথার কাছে মোবাইল রাখার অন্যান্য বাস্তবসম্মত শারীরিক ঝুঁকি রয়েছে
১. ঘুমের ব্যাঘাত
নোটিফিকেশনের শব্দ, ভাইব্রেশন এবং ডিসপ্লের 'ব্লু লাইট' মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটায়। ফলে গভীর ঘুম ব্যাহত হয় এবং মানসিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়ে মাইগ্রেন বা মাথাব্যথার লক্ষণ তীব্র হতে পারে।
২. অগ্নিঝুঁকি ও বিস্ফোরণ
বালিশ বা তোশকের নিচে ফোন রাখলে বাতাসের চলাচলা বন্ধ হয়ে যায়। ফোন অতিরিক্ত গরম হয়ে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিতে আগুন ধরা বা বিস্ফোরণের বাস্তব ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
নিরাপদ অভ্যাসের অংশ হিসেবে ঘুমানোর সময় ফোন বিছানা থেকে অন্তত কয়েক ফুট দূরে রাখা এবং রাত জেগে ব্যবহারের অভ্যাস এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
/আশিক
গ্যাস্ট্রিক বা দুর্বলতা ভেবে ভুল করছেন না তো? জেনে নিন হার্ট অ্যাটাকের সূক্ষ্ম ৪ লক্ষণ
সাধারণত বুকে তীব্র ব্যথা বা হঠাৎ লুটিয়ে পড়াকে হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণ মনে করা হলেও, অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসাগত উপসর্গ এতটা স্পষ্ট নাও হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই নীরব ও সূক্ষ্ম লক্ষণগুলো বেশি দেখা যায়। হঠাৎ মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব কিংবা শরীর ঠান্ডা হয়ে ঘাম বের হওয়ার মতো শারীরিক অস্বস্তিকে অনেকেই গ্যাস্ট্রিক, অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা সাধারণ দুর্বলতা ভেবে ভুল করেন। তবে এসব সাধারণ শারীরিক উপসর্গও ক্ষেত্রবিশেষে হৃদরোগের মারাত্মক পূর্বসংকেত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা।
চিকিৎসক ডা. কুনাল সুদ সম্প্রতি নারীদের হার্ট অ্যাটাকের চারটি তুলনামূলক কম পরিচিত ও বিভ্রান্তিকর লক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। প্রথমত, বুকের মাঝখানে অসচ্ছলতা বা অস্বস্তি হওয়া, যা সব সময় খুব তীব্র ব্যথা নাও হতে পারে; বরং বুক চেপে থাকা, ভারী লাগা বা চাপ বোধ হওয়ার মতো অনুভূতি হতে পারে। দ্বিতীয়ত, ব্যথা কেবল বুকের ভেতরেই সীমাবদ্ধ না থেকে চোয়াল, ঘাড়, পিঠ, এক বা দুই হাত এবং পেটের ওপরের অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে অনেকেই এটিকে সাধারণ পেশির টান বা হজমের সমস্যা মনে করে ভুল করেন।
তৃতীয় প্রধান সতর্কসংকেত হলো হঠাৎ করে শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়া। ভারী কোনো কাজ না করা সত্ত্বেও হঠাৎ শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা হাঁসফাঁস লাগা হৃদযন্ত্রের জটিলতার অন্যতম লক্ষণ। চতুর্থত, হঠাৎ করেই শরীর ঠান্ডা হয়ে ঘেমে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বমি কিংবা মাথা ঝিমঝিম করার অনুভূতি হওয়া। বিশেষ করে নারীদের ক্ষেত্রে এই উপসর্গগুলো ফ্লু, অতিরিক্ত ক্লান্তি কিংবা অ্যাসিডিটির কারণে হচ্ছে বলে ভুল ধারণা তৈরি হয়।
ডা. কুনাল সুদের মতে, এসব লক্ষণ দেখা দেওয়া মাত্রই নিশ্চিতভাবে বলা যায় না যে হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, কারণ অন্য অনেক সাধারণ শারীরিক সমস্যার কারণেও একই লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তবে যদি এই ধরনের একাধিক উপসর্গ হঠাৎ করে শরীরে দেখা দেয় এবং তীব্র হতে থাকে, তবে সেটিকে অবহেলা না করে দ্রুত জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যোগাযোগ করা প্রয়োজন।
/আশিক
হাসপাতালগুলোতে উপচে পড়ছে ডেঙ্গু রোগী, মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগের নতুন বার্তা
দেশে বিগত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং একই সময়ে নতুন করে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক হাজার ৫৯৩ জন রোগী। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই প্রাণহানির ঘটনায় চলতি বছর দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ১৬৪ জনে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারী ছয়জনের মধ্যে খুলনা বিভাগে সর্বোচ্চ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে একজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন রোগীদের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে জানানো হয়, বিগত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি হওয়া এক হাজার ৫৯৩ জনের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৫ জন এবং খুলনা বিভাগে ২৯০ জন ভর্তি হয়েছেন। অন্যদিকে ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ৩৮৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় ১৭১ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩২ জন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেছেন।
এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭ জন, রংপুর বিভাগে ৬৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন রোগীদের নিয়ে চলতি বছর সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ১৬৩ জনে।
/আশিক
অল্প পরিশ্রমে শ্বাসকষ্ট ও ক্লান্তির পেছনে যেসব অজানা কারণ
কম বয়সেও অনেকের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘদিনের কাশি কিংবা সামান্য কায়িক পরিশ্রমে ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো জটিলতা দেখা যায়। এসব সমস্যার পেছনে কেবল কোনো সুনির্দিষ্ট রোগ বা সংক্রমণই একমাত্র কারণ নয়, বরং প্রতিদিনের কিছু অসচেতন জীবনযাপনও দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের কর্মক্ষমতা নষ্ট করে দিতে পারে। বিশেষ করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ধূমপান, পরিবেশের দূষণ, শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং নিয়মবহির্ভূত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার শ্বাসযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তামাকের ধোঁয়া এবং বায়ুদূষণ শ্বাসতন্ত্রের দীর্ঘস্থায়ী রোগের অন্যতম প্রধান নিয়ামক।
ফুসফুস তার কার্যক্ষমতা হারাতে শুরু করলে স্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট, দীর্ঘমেয়াদি কাশি, শ্বাস নেওয়ার সময়ে সাঁই-সাঁই শব্দ হওয়া কিংবা অল্পতেই অতিরিক্ত ক্লান্তির মতো স্পষ্ট উপসর্গ প্রকাশ পায়। শ্বাসযন্ত্রের প্রকৃত অবস্থা নিরূপণে চিকিৎসকেরা স্পাইরোমেট্রি নামক একটি বিশেষ পরীক্ষা করিয়ে থাকেন। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ফুসফুস ঠিক কতটা বাতাস ধারণ করতে সক্ষম এবং কত দ্রুত তা নির্গমন করতে পারে, তা সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপ করা হয়। মূলত দৈনন্দিন জীবনের সাতটি বিশেষ অভ্যাসের কারণেই ফুসফুসের এই ক্ষতি তরান্বিত হয়।
শ্বাসনালির জন্য সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব ফেলে তামাক সেবনের অভ্যাস। সিগারেট ও তামাকজাত বিভিন্ন পণ্যের বিষাক্ত রাসায়নিক শ্বাসনালি ও ফুসফুসের ভেতরে গভীর প্রদাহ সৃষ্টি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে ফুসফুসের সূক্ষ্ম টিস্যুগুলোকে নষ্ট করে দেয়। ফলে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডির মতো দুরারোগ্য ব্যাধির আশঙ্কা তীব্র আকার ধারণ করে। তাই শ্বাসযন্ত্র সুরক্ষিত রাখার মৌলিক শর্তই হলো ধূমপান সম্পূর্ণ বর্জন করা বা এটি থেকে দূরে থাকা।
একইভাবে অন্যের ছেড়ে দেওয়া সিগারেটের ধোঁয়া অনিচ্ছাকৃতভাবে শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করলেও প্রায় সমপরিমাণ ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। এই পরোক্ষ ধূমপানের সংস্পর্শে নিয়মিত থাকলে শ্বাসনালির জটিল রোগ বাসা বাঁধতে পারে। ফলে পরিবার, কর্মস্থল কিংবা জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় ধূমপায়ীদের আশপাশ থেকে সতর্কতার সাথে নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা জরুরি।
সড়কে বা কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা ছাড়া চলাচল করাও ফুসফুসের সুরক্ষায় বড় অন্তরায়। যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, ক্ষতিকর ভাসমান ধূলিকণা এবং কলকারখানার রাসায়নিক উপাদান শ্বাসের সঙ্গে ফুসফুসের গভীরে পৌঁছায়। দীর্ঘ সময় এমন দূষিত আবহে সুরক্ষা ছাড়া থাকলে বিদ্যমান শ্বাসকষ্ট আরও তীব্র হয় এবং নতুন রোগের পথ তৈরি হয়। তাই অপ্রয়োজনে দূষিত স্থানে না থাকা এবং ধোঁয়া ও রাসায়নিকের মধ্যে কাজ করার ক্ষেত্রে সঠিক সুরক্ষামূলক আবরণ ব্যবহার করা আবশ্যক।
বাইরের দূষণের পাশাপাশি আবদ্ধ পরিবেশের অপরিচ্ছন্ন বাতাসও শ্বাসযন্ত্রের মারাত্মক অবনতি ঘটাতে পারে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাস প্রবেশ না করা ঘরে রান্নার ধোঁয়া, মশার কয়েল কিংবা জ্বালানি থেকে নির্গত গ্যাস আটকে থাকলে ফুসফুস ক্রমাগত বিষাক্ত উপাদানের সংস্পর্শে আসে। তাই ঘরের ভেতরে যাতে সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং রান্নার ক্ষতিকর ধোঁয়া সহজেই বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে, সে ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত দরকারি।
দৈনন্দিন জীবনে দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকা এবং কায়িক শ্রম থেকে দূরে থাকাও ফুসফুসের সহনশীলতা ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয়। শারীরিক সক্রিয়তা মানুষের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রের স্থিতিস্থাপকতা ও কার্যকারিতা অটুট রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এ কারণে একটানা দীর্ঘ সময় বসে থাকার অভ্যাস পরিহার করে কাজের ফাঁকে হাঁটাচলা এবং শারীরিক সক্ষমতা অনুসারে নিয়মিত শরীরচর্চা বজায় রাখা প্রয়োজন।
সাধারণ সর্দি-কাশি দেখা দিলেই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া নিজের সিদ্ধান্তে অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের প্রবণতা শরীরে নতুন বিপদের জন্ম দেয়। সাধারণ ফ্লু বা সব ধরনের সংক্রমণে অ্যান্টিবায়োটিক কোনো কাজেই আসে না। বরং অপ্রয়োজনীয় ও যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে শরীরে থাকা ক্ষতিকর জীবাণুগুলো অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে ওঠে, যার ফলে ভবিষ্যতে প্রাণঘাতী সংক্রমণের সময় কোনো ওষুধ আর কাজ নাও করতে পারে।
অন্যদিকে শরীরে পানির ঘাটতি হলে শ্বাসনালির স্বাভাবিক প্রতিরক্ষামূলক মিউকাস স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা ফুসফুসের আর্দ্রতার ভারসাম্য নষ্ট করে। তবে কেবল পর্যাপ্ত পানি পান করলেই ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ঠেকানো সম্ভব—এমন ধারণা অবৈজ্ঞানিক। ফুসফুস সুস্থ রাখতে পানি পানের পাশাপাশি ধূমপান এড়ানো, দূষণমুক্ত থাকা এবং শারীরিক পরিশ্রম অব্যাহত রাখাই হলো কার্যকর সমাধান।
স্বাভাবিক বয়স বৃদ্ধির কারণে ফুসফুসের ক্ষমতায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে। তবে দূষিত বায়ু, পরোক্ষ ধূমপান পরিহার, উন্মুক্ত বাতাসের নিশ্চয়তা এবং নিয়মিত চলাফেরার মাধ্যমেই ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব। দীর্ঘদিনের কাশি, তীব্র শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ ধরা ভাব কিংবা সামান্য নড়াচড়াতেও বুক ধড়ফড় করে ক্লান্ত হয়ে পড়ার মতো জটিলতা দেখা দিলে কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট স্থগিত করল বিমান
- দিল্লিতে ২০ হাজার আধাসামরিক বাহিনী আরও এক মাস রাখার সিদ্ধান্ত
- চোরের মন পুলিশ-পুলিশ: জামায়াত আমিরের রহস্যময় ফেসবুক পোস্টে তোলপাড়
- মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- ন্যাটো ভূখণ্ডে হামলা হলে সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়ার কঠোর হুঁশিয়ারি কমান্ডারের
- বিচ্ছেদের পরও সাবেক স্ত্রীর নতুন জীবনের পাশে স্পাইডার-ম্যান
- মেয়েদের বিয়ের বয়স কমানোর তদবির চলছে: ববি হাজ্জাজ
- ওজন ও ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে ঘরেই বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু তিন ধরনের সালাদ
- রাশিয়ার ডিজেল চুক্তির পরও আন্তর্জাতিক বাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
- ধর্মের ভিত্তিতে নয়, নাগরিক হিসেবে অধিকার নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
- কত পুলিশ আনবেন আনুন, ভয় পাই না: অমিত শাহকে রাহুল গান্ধীর কড়া বার্তা
- সর্বকালের সেরা কে? নিজেই নিজের নাম ঘোষণা করলেন রোনালদো
- ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা পেতে পিএমটি স্কোর কত লাগবে?
- চুয়েটের ভিসি একজন গুন্ডা: সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিস্ফোরক হাসনাত আবদুল্লাহ
- ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- সিপিআই রিপোর্টের অপেক্ষায় বিশ্ববাজার: স্বর্ণের দামে নতুন অস্থিরতা
- ৪৭৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তারা করতে নেমে চাপে আফগানিস্তান
- ব্যবসায়ীদের হয়রানির প্রতিবাদে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট
- চাঁদাবাজ ও দখলদারদের ঠাঁই বিএনপিতে নেই: তারেক রহমানের কড়া হুশিয়ারি
- রিয়াদের মধ্যাঞ্চলে আবার বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক
- রাশিয়া-ইউক্রেন জ্বালানি যুদ্ধবিরতির দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের
- পারমাণবিক হুমকির কাছে মাথা নোয়াবে না ভারত: জাতিসংঘে কড়া বার্তা
- জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা সঠিকভাবে খরচের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পোস্ট ভারতে ব্লক, সাইবার আক্রমণের অভিযোগ
- হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী সুপারট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুন
- টেকসই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করছে বাংলাদেশ
- সাজেক পর্যটন কেন্দ্র অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা প্রশাসনের
- আবুধাবি টেস্টে শান্ত ও মুশফিকের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ
- পবিত্র ভূমির সম্মান ক্ষুণ্ণ করার পরিণতি ভয়ংকর: মিজানুর রহমান আজহারী
- কন্যাশিশুর শিক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী
- এএফএ সভাপতি ও রিভার প্লেট প্রধানের দ্বন্দ্বে উত্তাল আর্জেন্টিনার ফুটবল
- বহুল আলোচিত আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার আইনি কার্যক্রমে নতুন মোড়
- আটলান্টিক বা প্রশান্ত মহাসাগরের নাম বদলে ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ রাখার প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্টের
- ফ্যাসিস্ট আমলের অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির
- গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকায় নামাতে সরকারকে আইনি নোটিশ
- দিল্লিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি: মোদি-শাহকে নিয়ে যা বলল সিজেপি
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো শুরু হলো পারমাণবিক বিক্রিয়া
- বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা মন্ত্রীর
- বাংলাদেশের বিমানবহর ২০০টিরও বেশি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনা মন্ত্রীর
- জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বিএনপি বেইমানি করেছে: আল্লামা মামুনুল হক
- দিল্লিতে আটক তৃণমূল বিধায়কদের নিয়ে থানায় অনশন-ধরনায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
- জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ায় রোনালদোর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা
- ‘যত খুশি পুলিশ মোতায়েন করুন, আমরা পিছু হটব না’: মোদিকে রাহুল গান্ধীর চরম চ্যালেঞ্জ
- ‘মোদির পতন দেখার অপেক্ষায় আছি’: মোদির বিদায় নিয়ে আসিফ নজরুলের পোস্ট
- রোমান সম্রাটের নতিস্বীকারের ইতিহাস টেনে যুক্তরাষ্ট্রকে চরম হুঁশিয়ারি ইরানের
- মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
- পর্দার পেছনের অভিনব কায়দা নিয়ে এল নতুন প্ল্যাটফর্ম
- নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে বড় উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে সরকার
- মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যে জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য সময়
- রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান দুর্বল করতে ষড়যন্ত্র চলছে: রুহুল কবির রিজভী
- মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
- জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার পথে রূপপুরের প্রথম ইউনিট
- ঢাবিতে শান্তি বৈঠক রূপ নিল সংঘর্ষে: সূর্যসেন ও জহুরুল হক হলের ৪ জন গুরুতর আহত
- মধ্যপ্রাচ্যের জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের তথ্যে জানা গেল রোজা শুরুর সম্ভাব্য সময়
- ভোটাধিকার রক্ষায় দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিল ইন্ডিয়া জোট
- যন্তর মন্তরে তুলকালাম: পুলিশি বাধা ঠেলে রাজপথে ধর্নায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
- হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী সুপারট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও আগুন
- হামলা হলে আরও ভয়াবহ জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের, অস্ত্র উৎপাদন বাড়ল আড়াই গুণ
- ঘরে ঘরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী পৌঁছাবে সরকার: এক বছরব্যাপী ক্যাম্পেইনের ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
- ফেডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় বিশ্ববাজার: দরপতনের মুখে স্বর্ণের দাম
- বিশ্বজুড়ে মহাবিপর্যয়ের সংকেত: সতর্কবার্তা দিল জাতিসংঘ
- উচ্চদক্ষ প্রবাসীদের জন্য বড় স্বস্তি: কাজের ভিসার সাথেই মিলবে সৌদি পরিবারের এন্ট্রি ভিসা
- বিশ্বমঞ্চে অনিয়ম ঢাকার অভিযোগ, তোপের মুখে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি
- গ্রাহকদের জন্য জরুরি নোটিশ, সাময়িকভাবে মিলবে না একাধিক কার্ড সেবা
- আবরারের রক্তে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐক্য ও গণপ্রতিরোধের জন্ম: রুহুল কবির রিজভী








