সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন

জাতীয় সংসদের নেতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শেষ দিনে একটি দীর্ঘ, আবেগঘন ও নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন। বক্তব্যে তিনি গণতন্ত্র, শহীদদের আত্মত্যাগ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জ্বালানি সংকট, নারী উন্নয়ন, সংসদীয় সহযোগিতা, অর্থনীতি, স্থিতিশীলতা এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পাঠকদের সুবিধার্থে বক্তব্যটি ভাষাগতভাবে পরিমার্জিত করে সাজিয়ে হুবহু উপস্থাপন করা হলো।
"বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
প্রথমেই আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। কারণ, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আজ আমাদেরকে এই তৌফিক দিয়েছেন যে, আমরা একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত পরিবেশে বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনের ভিত্তিতে এই জাতীয় সংসদে বসতে পেরেছি।
আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে প্রায় এক মাস ২৫ দিন ধরে এই সংসদ পরিচালিত হয়েছে। এই সময়জুড়ে আমরা দেশ ও জনগণের স্বার্থে আলোচনা করেছি এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
মাননীয় স্পিকার,
বক্তব্যের শুরুতেই আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী সকল শহীদকে। আমি স্মরণ করতে চাই ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ হওয়া সকল গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের। আমি স্মরণ করতে চাই ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে নির্মমভাবে নিহত মানুষদের। আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন তাদের শহীদের মর্যাদা দান করেন। আমি স্মরণ করতে চাই ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত এই দেশের মানুষের কথা বলার অধিকার, রাজনৈতিক অধিকার ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী সকল মানুষকে। আমি তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। একইসঙ্গে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই সেই সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের, যারা দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাজপথে থেকে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দুর্বার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতিত ও আহত হয়েছেন।
মাননীয় স্পিকার,
আজকের এই সংসদের দিকে সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর যেখানেই একজন বাংলাদেশি আছেন, তারাও এই সংসদের বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিকে গভীর প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছেন। এই সংসদের প্রায় প্রতিটি সদস্য তাদের বক্তব্যের শুরুতে বিভিন্ন সময়ের শহীদদের স্মরণ করেছেন। আমরা ভবিষ্যতেও তাদের স্মরণ করব। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধুই কি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেই শহীদদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়? অবশ্যই নয়। যারা জীবন দিয়েছেন, যারা আহত হয়েছেন, যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের প্রত্যেকের একটি স্বপ্ন ছিল। সেই স্বপ্ন ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারবে, অন্যের স্বাধীনতাকে সম্মান করে নিজের মত প্রকাশ করতে পারবে। তাদের স্বপ্ন ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে মানুষ তার যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, মর্যাদার সঙ্গে জীবন পরিচালনা করতে পারবে।
মাননীয় স্পিকার,
বিরোধীদলীয় নেতা যথার্থভাবেই কৃষকের কথা বলেছেন। আমরাও দেশের বিভিন্ন নির্বাচনে গ্রামে গিয়েছি, কৃষকের কাছে গিয়েছি, কৃষাণীর কাছে গিয়েছি। আমরা জানি আমাদের কৃষকদের বাস্তব অবস্থা কী। আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই, কৃষকদের এই সমস্যা থেকে উত্তরণের লক্ষ্যেই আমরা আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে “কৃষক কার্ড”-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, বাংলাদেশের মানুষের সমর্থনে সরকার গঠন করার পর আমরা দ্রুততার সঙ্গে সেই কাজ শুরু করেছি। আমরা কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি। শুধু ধানচাষি নয়, মৎস্যচাষি, গবাদিপশুপালকসহ সব ধরনের কৃষকের কাছে আমরা ধীরে ধীরে পৌঁছাতে চাই।
মাননীয় স্পিকার,
বিরোধীদলীয় নেতা শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। আমিও চাই না, আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান অবস্থা এভাবেই থাকুক। রাজনৈতিক কারণে দীর্ঘদিন আমাকে বিদেশে থাকতে হয়েছে। ব্রিটেনে থাকাকালে আমি সেখানকার স্কুলগুলো দেখেছি। ছোট ছোট বাচ্চারা সুন্দর পোশাক পরে, শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে স্কুলে যাচ্ছে। তখন আমার মনে হতো, আহা, আমার দেশের স্কুলগুলোও যদি এমন হতো! আজ আল্লাহর রহমতে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে আমরা হাঁটছি। এই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী জুলাই মাস থেকে পর্যায়ক্রমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুলব্যাগ, স্কুলড্রেস এবং জুতার ব্যবস্থা করা হবে ইনশাআল্লাহ। আমরা চাই, বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু মর্যাদার সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাক।
মাননীয় স্পিকার,
আমি নিজেও এই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়েছি। ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যেও পড়েছিলাম। তাই আমি চাই, আমাদের সন্তানরা একটি নিরাপদ ও সুন্দর পরিবেশে লেখাপড়া করুক।
মাননীয় স্পিকার,
বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব বাংলাদেশেও এসেছে। দেশের মানুষ কষ্ট পেয়েছে। আমি বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে একমত যে, এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দল একসঙ্গে বসে আলোচনা করলে সমাধান বের করা সম্ভব। সেই কারণেই আমরা যৌথভাবে একটি কমিটি গঠন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, আমরা একসঙ্গে বসে এই সমস্যার সমাধান বের করতে সক্ষম হব ইনশাআল্লাহ।
মাননীয় স্পিকার,
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। ১৯৯১-৯৬ এবং ২০০১-২০০৬ সালে বিএনপি সরকার মেয়েদের শিক্ষা দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করেছিল। এবার আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, মেয়েদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করা হবে। যেসব মেয়ে ভালো ফল করবে, তাদের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করা হবে ইনশাআল্লাহ। শুধু শিক্ষাই নয়, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাও জরুরি। সেই লক্ষ্যেই আমরা “ফ্যামিলি কার্ড” কর্মসূচি চালু করেছি। এই কার্ডের মাধ্যমে যে অর্থ দেওয়া হবে, সেটিকে আমরা ব্যয় নয়; বিনিয়োগ হিসেবে দেখি। কারণ, এই অর্থ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
মাননীয় স্পিকার,
বিরোধীদলীয় নেতা তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সমস্যার কথা বলেছেন। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ইতোমধ্যে বিষয়গুলো দেখার নির্দেশনা দিয়েছি। চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতার ঘটনা ঘটার পরও আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছি। কারণ, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার।
মাননীয় স্পিকার,
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণে কৃষকের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে আগেই নির্দেশনা দিয়েছি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করার জন্য। আমাদের প্রথম দায়িত্ব জনগণের পাশে দাঁড়ানো। এই কারণেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর খাল খনন কর্মসূচি আমরা আবারও শুরু করেছি। এই কর্মসূচি শুধু সেচের জন্য নয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যদি আমরা কাজ শুরু করি, এর সুফল পেতে হয়তো ২০ বছর সময় লাগবে। কিন্তু ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে এখনই কাজ শুরু করতে হবে।
মাননীয় স্পিকার,
আমরা শিক্ষা খাতে বাজেটের প্রায় ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখার পরিকল্পনা করেছি। স্বাস্থ্য খাতেও জিডিপির একটি বড় অংশ ব্যয় করার পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য এক। আমাদের উদ্দেশ্য এক। আমাদের গন্তব্য এক। আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশের মানুষ। আমাদের উদ্দেশ্য একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। আমাদের গন্তব্য একটি আত্মনির্ভরশীল ও নিরাপদ বাংলাদেশ।
মাননীয় স্পিকার,
গণতান্ত্রিক সংসদে মতভেদ থাকবে। “এগ্রি টু ডিসএগ্রি” গণতন্ত্রের স্বীকৃত নীতি। যে বিষয়গুলোতে মতভেদ আছে, আমরা বিরোধী দলের সঙ্গে বসব, আলোচনা করব এবং দেশের স্বার্থে সমাধান বের করব। আমি আবারও পরিষ্কার করে বলতে চাই, ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে বিরোধী দলকে দেওয়া আমাদের প্রস্তাব এখনো বহাল আছে। আমরা চাই, এই সংসদ সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিচালিত হোক।
মাননীয় স্পিকার,
বাংলাদেশের মানুষ এখন রাজনৈতিক বিতর্কের চেয়ে তাদের সমস্যার সমাধান বেশি চায়। একজন বেকার যুবক চাকরি চায়। একজন মা তার অসুস্থ সন্তানের জন্য ওষুধ চায়। একজন কৃষক তার ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ক্ষতিপূরণ চায়। শুধু ঐতিহাসিক বিতর্ক দিয়ে তাদের কষ্ট দূর হবে না।
মাননীয় স্পিকার,
এই চেয়ারে বসে আমি প্রতিনিয়ত অনুভব করি, এটি আরামের চেয়ার নয়। এটি দায়িত্বের চেয়ার। এই চেয়ার আমাকে প্রতিনিয়ত মনে করিয়ে দেয়:
“You have to take the right decision, not the popular decision.”
আমাদের পপুলার সিদ্ধান্ত নয়, সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
মাননীয় স্পিকার,
আগামী অধিবেশনে আমরা আলোচনা করতে চাই, কীভাবে দ্রুত বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করা যায়, কীভাবে কর্মসংস্থান বাড়ানো যায়, কীভাবে হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সেবা নিশ্চিত করা যায়। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও কার্যকর সংসদ নিশ্চিত করতে হবে। গণতন্ত্র বারবার বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণেই বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে। সুতরাং আমরা বিতর্ক করব, আলোচনা করব, কিন্তু কোনোভাবেই এই সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। আপনি ব্যর্থ হলে আমি ব্যর্থ। আমি ব্যর্থ হলে আপনি ব্যর্থ। আর আমরা ব্যর্থ হলে বাংলাদেশ ব্যর্থ হবে। আমরা কেউই ব্যর্থ বাংলাদেশ দেখতে চাই না। কারণ, এই সংসদ দাঁড়িয়ে আছে হাজারো শহীদের রক্তের ওপর।
মাননীয় স্পিকার,
আমি আবারও পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, বাংলাদেশের স্বার্থে বিরোধী দলের সঙ্গে যেকোনো আলোচনা ও সহযোগিতার জন্য সরকার সবসময় প্রস্তুত। আমরা একসঙ্গে এই দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনাকে, মাননীয় ডেপুটি স্পিকারকে, মন্ত্রিসভার সদস্যদের, বিরোধীদলীয় নেতা ও সদস্যদের, সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের, চিকিৎসক, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, গণপূর্ত, বিদ্যুৎ বিভাগ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে।
আমি বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। ফ্যাসিবাদের পতনের পর তারা দেশকে স্থিতিশীল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
সবশেষে আমি সকল সংসদ সদস্যের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি:
আসুন, আমরা এই সবুজ চেয়ারের পবিত্রতা রক্ষা করি।দেশ ও জনগণের প্রত্যাশার সর্বোচ্চ সম্মান করি।কারণ, দেশ ও জনগণ থাকলেই আমরা আছি।
সবচেয়ে আগে বাংলাদেশ।সবচেয়ে আগে দেশের জনগণ।সবচেয়ে আগে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
আসসালামু আলাইকুম।"
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় ধরনের রদবদল এনেছে সরকার। পূর্বের সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করে নতুন করে ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সলিসিটর অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিভিন্ন তারিখে জারিকৃত স্মারকমূলে ইতিপূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সকল ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ আদেশ বাতিল করেছেন। একই সঙ্গে 'বাংলাদেশ ল অফিসার্স অর্ডার, ১৯৭২' (P.O. No. 6 of 1972)-এর ৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে পুনর্বিন্যাসপূর্বক মোট ২৬৫ জন আইন কর্মকর্তাকে (৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল) অবিলম্বে কার্যকরের উদ্দেশ্যে নিয়োগ প্রদান করা হলো।
আইন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সুপ্রিম কোর্টে রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনায় গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই আইন কর্মকর্তাদের এই নতুন তালিকা চূড়ান্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
/আশিক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরের ঘটনার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। ডিবি সূত্রে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের সুনির্দিষ্ট গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। ওই পরোয়ানার ভিত্তিতেই গুলশানে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আইনের আওতায় নেওয়া হয়।
এর আগে বুধবার সকালে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির হয়ে লতিফ সিদ্দিকী নিজেই আইনি পদক্ষেপের বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানান। আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে পুলিশ গ্রেপ্তার না করলে আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন জানাবেন বলে উল্লেখ করেছিলেন। তবে বিকেলেই তাঁকে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, লতিফ সিদ্দিকী পূর্বেও ভিন্ন একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্ত পান। এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পরোয়ানায় নতুন করে তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা হলো।
/আশিক
একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনারের প্রথম সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ঢাকা ও নয়াদিল্লি পারস্পরিক স্বার্থ ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুনভাবে এগিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘আমরা উভয়েই একমত যে, পারস্পরিক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এবং সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া উচিত।’ এ সময় পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টাও উপস্থিত ছিলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, এটি কেবল একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। তাই নির্দিষ্ট কোনো দ্বিপক্ষীয় অস্বস্তিকর বিষয় বা রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি, তবে আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার সব বিষয় নিয়েই টেবিলে আলোচনা হবে।
আসন্ন ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সিদ্ধান্ত হলে তা দ্রুত জানানো হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগদানের এ আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এছাড়া জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনসহ আরও কয়েকটি আন্তর্জাতিক সফরের আমন্ত্রণ থাকায় সব কর্মসূচি একসাথে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আসন্ন ঢাকা সফরকে ‘অনুসন্ধানমূলক’ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রাধিকারগুলো ও রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করবেন। ঢাকার কূটনীতিকে ‘জিরো-সাম গেম’ (একটি দেশের সাথে সম্পর্ক বাড়লে অন্যের সাথে অবনতি হওয়া) হিসেবে না দেখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে সব দেশের সাথেই ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বৈঠক অত্যন্ত ইতিবাচক হয়েছে। সাংস্কৃতিক বিনিময়, বাণিজ্য ও জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের ভিত্তিতে আগামী দিনে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
/আশিক
যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
দেশে পরিবেশবান্ধব, আধুনিক ও শতভাগ প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনছে সরকার। এর অংশ হিসেবে বায়ুদূষণ ও শব্দদূষণ কমাতে ইলেকট্রিক যানবাহনের (ইভি) ব্যবহার বাড়ানো, পুরনো বাস অপসারণে পরিবেশবান্ধব ‘স্ক্র্যাপ নীতি’ প্রণয়ন এবং ঢাকার অভ্যন্তরে যানজট নিরসনে টার্মিনাল পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হচ্ছে। জাতীয় বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
সরকারের মূল লক্ষ্য হলো একটি নিরাপদ, সময়োপযোগী, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। বিশ্বমানের পরিবহন ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশে ইলেকট্রিক যানবাহনের প্রসারে ইতোমধ্যে কর বা শুল্ক কাঠামোতে বড় ধরনের ছাড় দেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে ইভি আমদানিতে প্রায় ৬২ শতাংশ কর প্রযোজ্য ছিল, তা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে যাতে উদ্যোক্তারা এই শিল্পে বিনিয়োগে উৎসাহিত হন এবং সাধারণ মানুষের পক্ষেও ইভি ক্রয় করা সহজ হয়। পাশাপাশি দেশজুড়ে প্রয়োজনীয় ইভি চার্জিং অবকাঠামো বা চার্জিং স্টেশন স্থাপনের কাজও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নগরীর ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গণপরিবহন অপসারণে নতুন একটি কৌশলগত পরিবর্তনের কথা জানানো হয়েছে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২৫ বছর বা তার বেশি পুরনো এবং চলাচলের অনুপযোগী বাসগুলোকে কেবল স্রেফ 'ডাম্পিং' করে ফেলে রাখা হবে না। বরং পরিবেশসম্মত উপায়ে ‘স্ক্র্যাপিং’ করে সেখান থেকে লোহা, ইস্পাতসহ পুনর্ব্যবহারযোগ্য কাঁচামাল পৃথক করা হবে, যা দেশের বিভিন্ন শিল্পকারখানায় নতুন করে কাজে লাগানো যাবে।
রাজধানী ঢাকার চিরচেনা যানজট নিরসনে বাস টার্মিনালগুলোর পুনর্বিন্যাসকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে একই টার্মিনাল থেকে দূরপাল্লা ও সিটি বাস পরিচালিত হওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে ঢাকার অভ্যন্তরীণ বাসস্ট্যান্ডগুলোকে শুধু সিটি বাস চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট রাখা হবে এবং দূরপাল্লার বা আন্তঃজেলা বাসগুলোকে রাজধানীর প্রবেশমুখে নির্ধারিত আধুনিক টার্মিনালে স্থানান্তরিত করা হবে। এর ফলে শহরের মূল সড়কে ভারী বাসের চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হবে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মেট্রো রেল, মনোরেল এবং আধুনিক ইলেকট্রিক সিটি বাসকে একই নেটওয়ার্কের আওতায় এনে একটি 'একীভূত গণপরিবহন নেটওয়ার্ক' গড়ে তুলতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে যাত্রীরা খুব সহজেই একক টিকিট ও সমন্বিত নেটওয়ার্কে এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে যাতায়াত করতে পারবেন। এর ফলে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর মানুষের নির্ভরতা কমবে এবং ঢাকাকে একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
/আশিক
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে শীর্ষ কূটনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রবেশ করেন।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ভারতীয় হাইকমিশনার প্রথমে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীতে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে এক পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়। উভয় পক্ষই অভিন্ন স্বার্থে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ ও কৌশলগত যোগাযোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে পরিচয়পত্র পেশের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনার ঢাকায় তাঁর কূটনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন। পরিচয়পত্র পেশের নির্দিষ্ট সময় পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হলো।
কূটনৈতিক সূত্র জানায়, নতুন হাইকমিশনার দায়িত্ব পালনের পর সম্প্রতি বাংলাদেশিদের জন্য ভারতীয় পর্যটন ভিসা দেওয়া আবারও চালু করা হয়েছে, যা দীর্ঘ দিন ধরে নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতায় আটকে ছিল। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যকার জনগণের পর্যটন, চিকিৎসা ও ব্যবসায়িক যোগাযোগ আরও গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
/আশিক
দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) কারিগরি ত্রুটির কারণে বিকল হয়ে দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এ সংকট নিরসনে মালয়েশিয়ার জরুরি সহায়তা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ সহযোগিতা ও সহায়তার আহ্বান জানান। ফোনালাপে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিজ দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে বাংলাদেশের গ্যাস সংকট উত্তরণে দ্রুত সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
প্রতিমন্ত্রী জানান, উদ্ভূত জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে একটি বিশেষ চিঠি পাঠান প্রধানমন্ত্রী। মঙ্গলবার চিঠিটি মালয়েশিয়ায় আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন। চিঠিতে বাংলাদেশের বর্তমান গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যকার বিরাট ঘাটতি কমাতে মালয়েশিয়ার সরাসরি সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।
ফোনালাপের বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি তাঁর দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বাংলাদেশকে কীভাবে দ্রুততম সময়ে সাহায্য করা যায় তা নির্ধারণ করবেন। মালয়েশিয়ার এই তাৎক্ষণিক সাড়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মালয়েশিয়ার আশ্বাস প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সংকট নিরসনে কোনো তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখে মালয়েশিয়া জানাবে। দ্রুত কোনো পথ বের হলে তা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য বড় স্বস্তি হবে, আর তা না হলেও কোন বিকল্প উপায়ে তারা সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আমদানির স্থায়ী সুযোগ ও কৌশলগত পথ নিয়ে বাংলাদেশ আগে থেকেই কাজ করে আসছে। এবার কেবল সরাসরি এলএনজি সরবরাহ পাওয়ার বিষয়ই নয়, বরং তাদের প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা, পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সম্পদ ভাগাভাগির মাধ্যমে সংকট উত্তরণে মালয়েশিয়া কীভাবে সাহায্য করতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
/আশিক
সুন্দর দেশ গড়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
সুন্দর ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, একটি আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার মূল দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই সামনে থেকে এগিয়ে নিতে হবে। একই সাথে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও যেন বর্তমান প্রজন্ম নতুন সাফল্যের স্বাক্ষর রাখতে পারে, সেই প্রত্যাশার কথা প্রকাশ করেন তিনি।
সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত কিশোর-কিশোরীদের বৃহৎ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৫-২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, নানা প্রতিকূলতা ও সমস্যা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সঠিক প্রশিক্ষণ ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মকে গড়ে তুলতে পারলে ভবিষ্যতে এক সুন্দর ও টেকসই বাংলাদেশ নির্মাণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি নতুনদের পরামর্শ দিয়ে বলেন, তরুণ ও কিশোরদের খেলাধুলার চর্চার পাশাপাশি পড়াশোনায় সমানভাবে মনোযোগী হতে হবে। এর পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম তাদের মেধা অনুযায়ী ভবিষ্যতে যে পেশায় নিজেদের নিয়োজিত করতে চায়, সরকার সব সময় তাদের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তা প্রদান করবে।
বক্তব্যের শেষাংশে পরিবেশ ও জাতীয় সম্পদের সুরক্ষার প্রতি গুরুত্ব দিয়ে তারেক রহমান বলেন, নতুন প্রজন্মকে শৈশব থেকেই প্রকৃতির যত্ন নেওয়া শিখতে হবে এবং একই সাথে রাষ্ট্রের যাবতীয় সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিতে হবে।
/আশিক
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হলে নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, যেকোনো ধরনের বিনিয়োগের মূল পূর্বশর্তই হলো নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ এবং এ লক্ষ্যেই সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সোমবার চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের (সিইআইজেড) উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও দ্রুত শিল্পায়নের মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা। বিনিয়োগকারীরা সবসময় তাদের পুঁজি নিরাপদ ও পরিবেশ অনুকূল রয়েছে কি না তা দেখেই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেন। জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্য শঙ্কা বা অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় উদ্যোক্তারাও নতুন বিনিয়োগে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি নিশ্চিত করেন, সিইআইজেডসহ দেশের সব ইকোনমিক জোনের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব শিল্পাঞ্চলে ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। একই সাথে শিল্প এলাকায় কোনো ধরনের নাশকতা বা অপতৎপরতা বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি কড়া সতর্ক বার্তা দেন।
চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান ওয়াং বেংকিয়ান, চীনা সড়ক ও সেতু করপোরেশনের (সিআরবিসি) ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চাংগুই, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইয়াও ইয়েন, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে অর্থনৈতিক কূটনীতিতে জোর দিচ্ছে সরকার: শামা ওবায়েদ
ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দাবি করে তা পুনরুদ্ধারে সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। রোববার বিকেলে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ জানান, ট্রিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রার অর্থনীতি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ দেশে নিয়ে আসতে সরকার নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে। তিনি মন্তব্য করেন, বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে দেশের অর্থনীতি প্রায় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল, যা থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়া এখন চলমান। এ কারণেই বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
তিনি জানান, এলডিসি বা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পর দেশের অর্থনীতিতে যাতে নতুন করে কোনো সংকট বা স্থবিরতা তৈরি না হয়, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে বৈশ্বিক বাজারে দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার একাধিক কৌশলগত দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ব্লু ইকোনমি বা সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতিতে বিনিয়োগ করতে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের আগ্রহ ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক ও দেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাবনাময় খাতগুলো চিহ্নিত করে সেখানে কাজের পরিবেশ উন্নত করছে সরকার।
তিনি আরও জানান, দেশে নতুন বিনিয়োগের জন্য তৈরি পোশাক, কৃষি ও ক্রীড়া খাতকে অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরও ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আজ থেকে আর কোনো কথা বলব না, চুপ থাকব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- দেশের ৭ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা, ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- এশিয়ান লিজেন্ডস লিগে বাংলাদেশ টাইগার্সের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান
- অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে বড় রদবদল: পূর্বের সব নিয়োগ বাতিল
- কেশম দ্বীপে স্বজন হত্যার প্রতিশোধ: জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণ আইআরজিসির
- হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, মধ্যপ্রাচ্যকে কী বার্তা দিচ্ছে 'বাহরাইন শিল্ড'?
- বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে বাহুবল পুলিশ ফাঁড়িতে এনসিপির লিখিত অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওয়ারেন্ট: লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ
- একটি দেশের সুসম্পর্ক অন্য দেশের সাথে শত্রুতা নয়: পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বার্তা
- নেতৃত্বের রদবদল: বিসিবির বোর্ড সভায় নতুন ওয়ানডে অধিনায়কের ঘোষণা
- আর্জেন্টিনা ম্যাচে প্রটোকল ভেঙে এমবোলোকে লাল কার্ড: আইএফএবি
- পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর
- মাঠে ও সেটে সমান দাপট, শুটিং স্পটে মেসির 'ভামোস' রহস্য উন্মোচন
- উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ৮ বিভাগেই মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা
- জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক হামলা, ভূপাতিত করল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা
- শ্রীমঙ্গলের পর বাহুবলে আবার বাধা: সড়কের ওপরই বসে পড়লেন এনসিপি নেতারা
- যানজট নিরসন ও যাতায়াত সহজ করতে সমন্বিত গণপরিবহন নেটওয়ার্কের পথে বাংলাদেশ
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের আশ্বাস
- আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী, দেশের বাজারে উল্টো পতন
- পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে শ্রীমঙ্গল থেকে হবিগঞ্জের পথে এনসিপি নেতারা
- বিশ্ব-ব্যবস্থা তত্ত্ব: পুঁজিবাদী বিশ্ব-অর্থনীতি, নির্ভরতা ও বাংলাদেশের অবস্থান
- দুই যুদ্ধ একসূত্রে: ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত কি এখন মহাযুদ্ধে রূপ নিচ্ছে?
- যে ভুলের কারণে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ হতে পারে আপনার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট
- বৈঠকের আগেই চটলেন ট্রাম্প: তোপের মুখে নেতানিয়াহু
- হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় সারজিস ও নাসীরুদ্দীনের গাড়িবহরে হামলা
- টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান বিএসটিআইয়ের
- গোপন ভিডিও কাণ্ডে গাজী নজরুলের বিরুদ্ধে গাড়িচালকের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
- আন্তর্জাতিক মুক্তির একদিন আগেই স্টার সিনেপ্লেক্সে আসছে নতুন ‘স্পাইডার-ম্যান’
- চুক্তি না হলে ইরানের 'পিকেক্স মাউন্টেন' পরমাণু কেন্দ্রে হামলার হুমকি ট্রাম্পের
- এলসির চাপ ও তীব্র চাহিদায় ব্যাংকগুলোতে বাড়ল ডলারের দর
- ছাত্রদলের পদ থাকাটাই এখন চাকরির প্রধান কোয়ালিফিকেশন
- রাত ১টার মধ্যে ১৩ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, ১ নম্বর সংকেত
- পরিস্থিতি যেকোনো মুহূর্তে বদলাতে পারে, ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা ইসরায়েলের
- জাপানের ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, জারি সুনামি সতর্কতা
- দেশে তীব্র জ্বালানি সংকট, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিশেষ বার্তা পাঠাল সরকার
- মিরপুরে টিসিবির লাইনে মর্মান্তিক দেয়াল ধস, প্রাণ হারালেন ২ জন
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- যুক্তরাজ্যে ওয়াটফোর্ড বাংলাদেশী অ্যাসোসিয়েশনের ঐতিহ্যবাহী চট্টগ্রাম মেজবান অনুষ্ঠিত
- স্বৈরাচারের দুঃশাসনে ক্ষতবিক্ষত: ১০ নম্বর গুনাইঘর (দক্ষিণ) ইউনিয়ন বিএনপি
- ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সীদের জন্য ফেসবুকে নতুন অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন পদ্ধতি
- সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষা বাড়ল
- ২০৩০ বিশ্বকাপ ঘিরে ফিফার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, খেলা হবে ৬ দেশে
- সুন্দর দেশ গড়ার দায়িত্ব নতুন প্রজন্মকেই নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ২০৩৬ সালের মধ্যে অর্থের প্রয়োজনই ফুরিয়ে যাবে: ইলন মাস্ক
- জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে বিদেশের লিগে নতুন শুরুর সামনে শামীম
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত না হলে বিনিয়োগ সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ইউক্রেন ও হুতিদের প্রবেশে নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত ইরান যুদ্ধ
- শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আলোচনা দল টিকিয়ে রাখার রাজনৈতিক কৌশল: ব্যারিস্টার পার্থ
- লেবাননে হামলা না থামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নয়: মোজতবা খামেনি
- হজ ২০২৭: প্রাথমিক নিবন্ধনের বিস্তারিত নিয়ম জারি করল সরকার
- স্বর্ণ কিনবেন আজ? দেখে নিন ভরিপ্রতি সর্বশেষ দাম
- কমনওয়েলথ গেমস থেকে দ্য হানড্রেড, আজকের সূচি
- বিশ্বকাপ ও গোল্ডেন বল জয়ের পরই রদ্রির জন্য বড় দুঃসংবাদ
- রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে যা জানিয়েছে রয়টার্স
- ইরানের জব্দ অর্থ এবার জাহাজের ক্ষতিপূরণে!
- শুক্রবার রাজধানীতে বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
- কালিগঞ্জের দক্ষিণ শ্রীপুরে টিসিবির ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি, উপকৃত ৭১৪ পরিবার
- নজরুলকে নিয়ে বেরিয়ে আসছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অটল সরকার: মির্জা ফখরুল
- দেবীদ্বার ইউসুফপুরে ভিডব্লিউবি সুবিধাভোগীদের প্রশিক্ষণ ও চাল বিতরণ
- দেশের ২৬টি টুথপেস্টে ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক, ইএসডিওর গবেষণায় উদ্বেগ
- ইউক্রেন ও হুতিদের প্রবেশে নতুন অঞ্চলে বিস্তৃত ইরান যুদ্ধ
- রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর গ্রেপ্তারের দাবি নাহিদ ইসলামের
- ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কায় ৮ জেলায় সতর্কতা জারি
- এশীয় সফরে তিন ম্যাচ খেলবে সেলেসাওরা, তৃতীয় ভেন্যু হতে পারে কলকাতা








