কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়

কিডনি বা মূত্রনালির পাথর হওয়া আধুনিক জীবনযাত্রায় একটি কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় শরীরের ভেতর জমে থাকা খনিজ ও লবণের এই শক্ত কণাকেই আমরা পাথর বলে থাকি।
হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা রক্ত—শরীরের এই নীরব সংকেতগুলো হতে পারে কিডনি বা মূত্রনালির পাথরের লক্ষণ। সময়মতো সচেতন না হলে এই ক্ষুদ্র স্ফটিকই হয়ে উঠতে পারে অসহনীয় যন্ত্রণার কারণ। কেন তৈরি হয় এই পাথর আর কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব? দেখে নিন একনজরে
প্রস্রাবে থাকা খনিজ ও বর্জ্য পদার্থ যখন ঠিকমতো শরীর থেকে বের হতে পারে না, তখন সেগুলো জমাট বেঁধে স্ফটিক বা পাথরে পরিণত হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে খনিজ পদার্থগুলো সহজে জমাট বাঁধার সুযোগ পায়।
অতিরিক্ত লবণ, লাল মাংস (Red Meat) এবং অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার (যেমন পালংশাক, বাদাম) বেশি খেলে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রনালির স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হয় এবং পাথর তৈরির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
পরিবারে কারও এই সমস্যা থাকলে ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম না করাও একটি কারণ।
পাথর ছোট থাকলে অনেক সময় টের পাওয়া যায় না। কিন্তু বড় হলে কোমরের এক পাশে বা তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এর সঙ্গে বমিভাব বা জ্বরও থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা এই রোগ প্রতিরোধের সবথেকে বড় অস্ত্র। পাশাপাশি খাবারে বাড়তি লবণের ব্যবহার কমানো এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লেবুর শরবত বা সাইট্রাস জাতীয় ফল রাখা অত্যন্ত কার্যকর।
শরীরের নীরব সংকেতগুলো অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতাই পারে আপনাকে বড় ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে।
/আশিক
হৃদরোগ আসার আগেই শরীর দেয় সংকেত: জেনে নিন রক্তনালির গোপন সংক্রামক
আপনার হার্টের রোগ কোনো ঘোষণা দিয়ে আসে না, তবে শরীর নিঃশব্দে এক বিশেষ সংকেত পাঠাতে থাকে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, হৃদরোগ হানা দেওয়ার অনেক আগেই রক্তনালির ভেতরের অত্যন্ত সংবেদনশীল আস্তরণ বা ‘এন্ডোথেলিয়াম’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একেই বলা হয় ‘এন্ডোথেলিয়াল ডিসফাংশন’। এটি কোনো সরাসরি রোগ নয়, বরং ধমনিতে চর্বি জমা বা ব্লকেজ তৈরির প্রাথমিক পর্যায়।
রক্তনালির সুরক্ষাবলয় ভেঙে যায় যেভাবে
শরীরের প্রতিটি রক্তনালির ভেতরে এন্ডোথেলিয়াম নামক একটি আস্তরণ থাকে, যার কাজ হলো রক্তনালিকে নমনীয় রাখা এবং রক্ত চলাচলের পথ সুগম করা। এই স্তরটি শরীরকে প্রয়োজনীয় ‘নাইট্রিক অক্সাইড’ সরবরাহ করে। কিন্তু ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে এই স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদন কমে যায় এবং রক্তনালিগুলো শক্ত ও সরু হতে শুরু করে।
কেন এটি বিপজ্জনক?
এন্ডোথেলিয়াম স্তরটি নষ্ট হয়ে গেলে রক্তনালির ভেতরে প্রদাহ শুরু হয় এবং এর নিচে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে ‘প্লাক’ তৈরি করে। এই প্লাকই মূলত ধমনিতে ব্লকেজ সৃষ্টি করে, যা থেকে পরবর্তী সময়ে হার্ট অ্যাটাক বা ব্রেন স্ট্রোক ঘটে। গবেষকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ শর্করা এবং ধূমপায়ীদের নিকোটিন এই স্তরটিকে সবচেয়ে দ্রুত ধ্বংস করে।
বাঁচার উপায় কী?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এন্ডোথেলিয়াল ডিসফাংশন প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন এবং রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে রক্তনালির এই আস্তরণকে সুস্থ রাখা যায়।
/আশিক
তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকার মহৌষধ: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?
তীব্র তাপদাহে সারা দেশের জনজীবন এখন বিপর্যস্ত। এই অসহনীয় গরমে সুস্থ থাকাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং দ্য টাইমস ম্যাগাজিনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তীব্র গরমে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার কিছু কার্যকর উপায় নিচে দেওয়া হলো।
তীব্র রোদে ঘর ঠান্ডা রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দিনের বেলা রোদের তাপ বেশি থাকলে জানালা বন্ধ রেখে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন। তবে সন্ধ্যার পর বাইরের বাতাস যখন কিছুটা ঠান্ডা হয়, তখন সব জানালা খুলে দিয়ে ঘরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করুন। ঘরে অপ্রয়োজনীয় লাইট বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র বন্ধ রাখলে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে।
অনেকেই মনে করেন ফ্যান সব সময় আরাম দেয়, কিন্তু তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে গেলে ফ্যান সরাসরি ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রিতে সেট করে সাথে একটি ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ বিলও কম আসে।
গরমে আরাম পেতে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরার বিকল্প নেই। নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন এবং বাইরে থেকে ফিরে ঘাম শুকিয়ে শরীর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝেমধ্যে চোখে-মুখে পানির ঝাপটা বা স্প্রে ব্যবহার করলে প্রশান্তি পাওয়া যায়।
তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। আপনার প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় হয়, তবে বুঝতে হবে শরীর পানিশূন্যতায় ভুগছে। ডাবের পানি বা বাড়িতে তৈরি লেবুর শরবত এ সময় শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এই গরমে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার (যেমন চিপস) পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা-কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে ফেলে। এছাড়া উচ্চ ফ্যাটযুক্ত দুধ বা চিজ হজমে সমস্যা তৈরি করে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিরিক্ত গরমে যদি মাথা ঘোরা, বমিভাব, প্রচণ্ড ক্লান্তি বা বিভ্রান্তি দেখা দেয়, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগীদের এই সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
/আশিক
তরুণদের মাঝে বাড়ছে কোলন ক্যানসার: নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি কার্যকরী উপায়
এক সময় কোলন ক্যানসারকে কেবল বয়স্কদের রোগ মনে করা হলেও বর্তমানে এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বড় আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই ক্যানসারের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া প্রজন্মের মধ্যে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি পঞ্চাশের দশকের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনলে ২০৪০ সাল নাগাদ এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বছরে ৩২ লাখে পৌঁছাতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে এই মরণব্যাধি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, কোলন ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। মদ্যপান ও ধূমপান এই ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তামাকের ব্যবহার বিশ্বব্যাপী ক্যানসারজনিত মৃত্যুর ২৫ শতাংশের জন্য দায়ী।
এছাড়া অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা শরীরে প্রদাহ তৈরি করে যা ক্যানসার কোষ গঠনে সাহায্য করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা অত্যন্ত জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম বা নিয়মিত হাঁটাচলার অভ্যাস এই ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি কোলন ক্যানসারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত লাল মাংস (গরু, খাসি) এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার (সসেজ, হটডগ) খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। উচ্চ তাপে ভাজা বা গ্রিল করা মাংসও শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
এর বিপরীতে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি, ফলমূল এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে কোলন সুস্থ থাকে। সচেতনতা এবং সময়োপযোগী খাদ্যাভ্যাসই পারে তরুণ প্রজন্মকে এই প্রাণঘাতী রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে।
/আশিক
হাম রুখতে দেশজুড়ে কাল থেকে ‘মেগা’ টিকাদান কর্মসূচি
হামের মহামারি রুখতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। দেশের বর্তমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা এবং ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার চার সিটি করপোরেশনে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং এই রোগে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর। এই সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করে বলেছেন, বিগত দুই সরকারের আমলে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া ছিল একটি ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ এবং এটি একটি ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে টিকা কর্মসূচি গ্রহণ করায় পরিস্থিতির বড় ধরনের অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অভিভাবকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, যেসব শিশুর বর্তমানে জ্বর রয়েছে, তাদের সুস্থ হওয়ার পর টিকা দিতে হবে। এছাড়া হামের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৪ সপ্তাহ পার না হলে শিশুকে এই বিশেষ টিকা দেওয়া যাবে না। সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে হামের সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।
/আশিক
ডায়াবেটিস কি তবে শেষ? ছোলার পানির জাদুকরী ক্ষমতা!
ডায়াবেটিস বর্তমানে একটি দুরারোগ্য ব্যাধি হিসেবে দেখা দিলেও জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এবং ঘরোয়া অভ্যাসের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের কাছে থাকা সাধারণ ছোলাই হতে পারে এই সমস্যার দারুণ সমাধান। বিশেষ করে ছোলা ভেজানো পানি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অবিশ্বাস্য ভূমিকা পালন করে।
ছোলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন রাতে দুই মুঠো ছোলা পরিমাণমতো পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ভেজানো ছোলার পানি নিয়মিত পান করলে পেটের মেদ কমার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ছোলার পানির পাশাপাশি মেথি ভেজানো পানিও অত্যন্ত কার্যকর। মেথিতে থাকা ফাইবার কার্বোহাইড্রেট এবং চিনি শোষণের গতি কমিয়ে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। এ ছাড়া দারুচিনির ব্যবহার ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বা রান্নায় সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্যদিকে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য করলার রস একটি ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে কাজ করে। করলার মধ্যে থাকা চারাটিন এবং মোমর্ডিসিন উপাদান সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে আধা কাপ করলার রস পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তবে এসব ঘরোয়া উপাদানের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়াম করা জরুরি, কারণ শারীরিক পরিশ্রম পেশিকে রক্ত থেকে চিনি ব্যবহার করতে সাহায্য করে। যেকোনো ঘরোয়া পদ্ধতি শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
/আশিক
কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
কিডনিতে পাথর হওয়া বর্তমানে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার পেছনে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম অক্সালেট নামক পাথরের ক্ষেত্রে অক্সালেটযুক্ত খাবারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পালং শাক, বিট, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, চকোলেট, চা এবং সয়া জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে।
এই খাবারগুলো অতিরিক্ত গ্রহণ করলে শরীরে অক্সালেটের মাত্রা বেড়ে যায় এবং তা মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হওয়ার সময় ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে স্ফটিক তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে বড় পাথরে পরিণত হয়। তবে এসব খাবার খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বরং পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, অক্সালেটযুক্ত খাবারের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে অক্সালেটের শোষণ কমে যায়, যা পাথর তৈরির ঝুঁকি হ্রাস করে।
কিডনি সুস্থ রাখতে শুধুমাত্র অক্সালেট নিয়ন্ত্রণই যথেষ্ট নয় বরং সামগ্রিক জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি পাথর প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এছাড়া খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন কমিয়ে সুষম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত। ফলমূল ও শাকসবজির মতো ক্ষারধর্মী খাবার মূত্রের স্বাভাবিক পিএইচ মান ধরে রাখতে এবং সাইট্রেটের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়ক।
পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ স্থূলতা ও ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে কিডনি পাথরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
হাম হলে কী করবেন? জরুরি নির্দেশনা জানুন
দেশে সংক্রামক রোগ হিসেবে হাম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামে আক্রান্ত হলে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা এবং পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ অবহেলা করলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাম ধরা পড়লে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। একই সঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৪ থেকে ৭ দিন আলাদা ঘরে আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।
রোগীর শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা ডাবের পানি, ফলের রস এবং স্যুপের মতো সহজপাচ্য তরল খাবার বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না দেখা দেয়।
হামের কারণে জ্বর ও শরীর ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
এছাড়া রোগীর ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা রাখা এবং মাস্ক ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
হামের সময় চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা কষ জমা একটি সাধারণ উপসর্গ। এ ক্ষেত্রে ফুটিয়ে ঠান্ডা করা পরিষ্কার পানি ও তুলা দিয়ে আলতোভাবে চোখ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিলে রোগীর আরাম পেতে সহায়তা করে।
চিকিৎসাবিদরা আরও বলেন, হাম হলে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা উচিত। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিলে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। যেমন শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত জ্বর বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো টিকাদান। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
সামগ্রিকভাবে, সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই হামকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে এবং আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৮ জনে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৩৩ জনে। এর মধ্যে শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৫৭৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৯ জন। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ৫ হাজার ২৪১ জন শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ জ্বরের সাথে শরীরে লালচে র্যাশ বা দানা দেখা দিলে সেটিকে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি চললেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত তরল নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
/আশিক
হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
তীব্র গরমে শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও শরীরে র্যাশের মতো উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই লক্ষণগুলোর অনেকটাই হামের মতো মনে হলেও সব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে হাম শনাক্ত হচ্ছে না। বিশেষ করে নবজাতক থেকে ৬ মাস বয়সি শিশুরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের আলাদা ওয়ার্ডে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে অনেক শিশু হাসপাতালে আসার পাশাপাশি কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা অভিভাবকদের জন্য চরম সতর্কবার্তাস্বরূপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বরের সঙ্গে পাতলা পায়খানা বা শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে সেটিকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি শিশুর অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পাতলা পায়খানা শুরু হয়, তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এছাড়া সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা এবং ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। সরকারি টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে শিশুদের বড় ধরনের বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়
- বৃষ্টির দিনে জম্পেশ আহার! জিভে জল আনা ‘আচারি মাংস খিচুড়ি’র সহজ রেসিপি
- দরুদ শরিফ কেন মুমিনের নিত্য আমল হওয়া উচিত?
- যুদ্ধ কি আবার শুরু হবে? ইরানি জেনারেলের বিস্ফোরক মন্তব্যে কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য
- টানা ৮ দিন বাড়ছে তেলের দাম: ইরানকে ঘিরে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে বিশ্ববাজারে তোলপাড়
- ঢাকায় নামছে ২৫০টি ইলেকট্রিক বাস! ক্লিন ও গ্রিন সিটির মেগা প্ল্যান জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- ৩ বছর জ্বালানি দেবে রাশিয়া: রূপপুর প্রকল্পে ইউরেনিয়াম নিয়ে চিন্তা নেই
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- হামলা নয়, অবরোধ! ইরানকে কোণঠাসা করতে ট্রাম্পের ‘দীর্ঘমেয়াদী’ মাস্টারপ্ল্যান
- প্রতিদিন ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়লে মিলবে যে উপকার
- আজই সিরিজ নিশ্চিতের মিশন! কিউইদের হারিয়ে ইতিহাস গড়ার দোরগোড়ায় বাংলাদেশ
- আজ রাজধানীর কোন কোন মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন তালিকা
- দেশজুড়ে ঝড়ের তাণ্ডব: ১৭ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি ও ৮ জেলায় কালবৈশাখীর রেড অ্যালার্ট
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ওয়াক্ত
- ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস! মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে বড় সংকটে রিপাবলিকান পার্টি
- নতুন শান্তি প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান! যুদ্ধের মোড় ঘুরাতে তেহরানের নয়া ছক
- আমরা কি হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করেছি? রাজাকারের সঙ্গে যুদ্ধ করেছি : পার্থ
- রাডার এড়িয়ে গোপন যাত্রা! ২ মাস পর এলএনজি নিয়ে হরমুজ পার হলো বিশাল জাহাজ
- সারাদেশের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা জারি
- ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে সাবধান! জালিয়াত চক্র থেকে বাঁচার উপায় জানাল ব্যাংক
- ওপেক ছাড়ল সংযুক্ত আরব আমিরাত: সৌদি আরবের জন্য বড় ধাক্কা, উত্তাল তেলের বাজার!
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- ভারতীয় ভিসায় বড় পরিবর্তন! ভোগান্তি কমাতে সংসদে সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- ১৬টি খাতে জাপানের দুয়ার উন্মুক্ত! ৩ লাখ জনশক্তি পাঠাতে মাস্টারপ্ল্যান সরকারের
- সংসদে ডা. শফিকের হুঙ্কার: ‘দল করতে কি উনার অনুমতি লাগবে?
- সংসদের উত্তেজনা থামালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: ইতিহাস নিয়ে জাতিকে আর বিভক্ত করবেন না
- মাঝসমুদ্রে নাটকীয় অভিযান! ইরানের তেলের ট্যাংকার জব্দ করল মার্কিন নৌবাহিনী
- অর্থের অভাবে কেউ আর বিচারহীন থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী
- সংসদে রণক্ষেত্র! ‘মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও জামায়াত’ ইস্যুতে ফজলুর রহমানের বিস্ফোরক মন্তব্য
- পরমাণু যুগে লাল-সবুজের বাংলাদেশ: রূপপুরে জ্বলে উঠল শক্তির নতুন বাতিঘর
- ২৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৮ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৮ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- হৃদরোগ আসার আগেই শরীর দেয় সংকেত: জেনে নিন রক্তনালির গোপন সংক্রামক
- ইতিহাসের ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প!
- নিউজিল্যান্ডের পাহাড় ডিঙিয়ে বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড
- টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন ২৮ এপ্রিলের বৈদেশিক মুদ্রার রেট
- হুমকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় রেকর্ড উচ্চতায় তেলের দাম
- অসুস্থতার খবর ভুয়া! ইরানের শীর্ষ নেতার সক্রিয়তার প্রমাণ দিলেন ভ্লাদিমির পুতিন
- আমেরিকাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি! অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দাপিয়ে বেড়াল রাশিয়ার সুপারইয়াট
- সব বাধা জয় করে এলিট ক্লাবে বাংলাদেশ: আজ রূপপুরে ঐতিহাসিক জ্বালানি লোডিং
- ট্রাম্পের নাখোশ মেজাজ: ইরানের ৩ ধাপের শান্তি প্রস্তাব গ্রহণ করল না হোয়াইট হাউস
- ১৩ জেলায় কালবৈশাখীর হানা! দুপুরে ১টার মধ্যেই ধেয়ে আসছে প্রবল ঝড়
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- ঘর থেকে বের হওয়ার আগে সাবধান! আজ মঙ্গলবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ
- জ্বালানি নিরাপত্তায় নয়া ইতিহাস: রূপপুর থেকে ৬০ বছর মিলবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার ওয়াক্ত
- জাতীয় গ্রিডে আদানির বিদ্যুৎ: লোডশেডিং নিরসনে যোগ হলো ৯২৫ মেগাওয়াট
- সোনার বাজারে খুশির আমেজ; বাজুসের নতুন মূল্যে বড় ছাড়
- মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বনাম ডিজিটাল অসভ্যতা: গণতান্ত্রিক সংহতি রক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
- রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
- আজ থেকেই আদানির বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমতে পারে লোডশেডিং
- বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ১ম টি-টোয়েন্টি: সময়সূচি ও সরাসরি দেখার উপায় একনজরে
- ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন শর্ত
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- ঢাকার যে ১১ পাম্পে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ফুয়েল পাস
- তাপদাহের পর এবার ঝড়-বৃষ্টির বড় পূর্বাভাস
- ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- ২৬ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








