রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বড় উপহার; নতুন বাজেটে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর ঘোষণা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১১ ২০:১২:৫৮
রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বড় উপহার; নতুন বাজেটে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা রেমিট্যান্স যোদ্ধা তথা প্রবাসী কর্মীদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী মেগা প্রজেক্ট ঘোষণা করেছে সরকার। প্রবাসীদের রাষ্ট্রীয় সব সুযোগ-সুবিধা এক ছাতার নিচে আনতে সরকার একটি বিশেষ 'প্রবাসী কার্ড' (Expatriate Card) প্রবর্তন করতে যাচ্ছে।

এই বিশেষ কার্ডটির মাধ্যমে প্রবাসীরা সরাসরি প্রবাসী কল্যাণ সেবা, জীবন বীমা, সহজ শর্তে বিশেষ ব্যাংকিং সুবিধা ও ঋণ এবং যেকোনো আন্তর্জাতিক জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় দ্রুত সহায়তা লাভ করতে পারবেন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্য পেশকালে এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বৈশ্বিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক তথ্য দিয়ে আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত দেশগুলোর বাইরে প্রবাসীদের জন্য সম্পূর্ণ নতুন ও বিকল্প শ্রমবাজার হিসেবে সরকার ইতিমধ্যে রাশিয়া, পর্তুগাল, রোমানিয়া, ব্রাজিল, গ্রিস, সার্বিয়া এবং নর্থ মেসিডোনিয়ার মতো উন্নত ও উদীয়মান দেশগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরের জোরদার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর পাশাপাশি দেশের জনশক্তি রপ্তানির অন্যতম প্রধান ও দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা ঐতিহ্যবাহী শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর বিষয়েও বড় সুখবর দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করে জানান, বিভিন্ন আইনি ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে আমরা আবারও মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কুয়েতের বন্ধ শ্রমবাজারগুলো বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য সম্পূর্ণ নতুনভাবে খোলার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া পুরোদমে শুরু করেছি। সরকারের এই সমন্বিত পদক্ষেপের ফলে আগামী অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ও প্রবাসীদের জীবনযাত্রার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে অর্থনীতিবিদেরা মনে করছেন।

/আশিক


২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১১ ১৮:১৭:২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি দীর্ঘপ্রতীক্ষিত ও বড় সুখবর নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন জাতীয় বাজেট। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বা পে-স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে আংশিকভাবে বাস্তবায়ন করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদে দেশের ৫৫তম বাজেট পেশকালে এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম এই বাজেট অধিবেশনে নতুন অর্থবছরের বাজেট বক্তব্য উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে আগামী ১ জুলাই থেকেই নতুন বেতন কাঠামো আংশিকভাবে কার্যকর করা হবে।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণ ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে গঠিত পে কমিশনের প্রাপ্ত সুপারিশসমূহ সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে। পে কমিশনের এই মেগা সুপারিশের আর্থিক সংশ্লেষ এবং অন্যান্য কারিগরি দিক বিস্তারিত যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ইতিমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের 'সচিব কমিটি' নিরলসভাবে কাজ করছে।" অর্থ মন্ত্রণালয় ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত পে কমিশনের চূড়ান্ত ও পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা এখনো পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি।

সচিব কমিটি তাদের চলমান সামগ্রিক পর্যালোচনা ও দেশের বর্তমান রাজস্ব আয়ের চুলচেরা বিশ্লেষণ শেষে খুব শীঘ্রই সরকারের কাছে একটি চূড়ান্ত সুপারিশমালা জমা দেবে। এরপরই নতুন পে-স্কেলের পূর্ণাঙ্গ কাঠামো ও চূড়ান্ত রূপরেখা দেশবাসীর সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

তবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে যে, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মুদ্রাস্ফীতির চাপ সামাল দিতে পে কমিশনের প্রাথমিক প্রস্তাবিত বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা সমন্বয় বা কমিয়ে একটি সংশোধিত ও বাস্তবসম্মত সুপারিশ চূড়ান্ত করা হতে পারে। এর ফলে, চূড়ান্তভাবে ঘোষিত পে-স্কেলে পে কমিশনের মূল প্রাথমিক প্রস্তাবের তুলনায় কিছুটা কাঠামোগত পরিবর্তন বা পরিমার্জন আসার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ১ জুলাই থেকেই যে সরকারি চাকরিজীবীরা বর্ধিত আংশিক বেতনের সুবিধা পেতে যাচ্ছেন, বাজেটে অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণা সরকারি কর্মজীবী মহলে বড় ধরনের স্বস্তি এনে দিয়েছে।

/আশিক


স্বর্ণবাজারে বড় ধস, ৯ দিনে ভরিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা কমেছে সোনার দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১১ ১১:০৯:৫৪
স্বর্ণবাজারে বড় ধস, ৯ দিনে ভরিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা কমেছে সোনার দাম
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে মূল্যহ্রাসের ধারা অব্যাহত রয়েছে। একের পর এক দাম কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভরিপ্রতি স্বর্ণের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। সর্বশেষ ঘোষণার মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা চতুর্থবারের মতো স্বর্ণের দাম কমিয়েছে, যা বাজারে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন দরে সব ধরনের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪৩২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৩৫০ টাকা। একইসঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮ হাজার ৪৩৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬৯২ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫০৮ টাকা।

স্বর্ণের বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি জুন মাসের শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে কমছে দাম। গত ১০ জুন ভরিপ্রতি ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকা। এর আগে ৬ জুন আরও ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়ে দাম নামানো হয়েছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকায়।

অন্যদিকে, ২ জুনের মূল্য সমন্বয়ে ভরিপ্রতি ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এরপর ধারাবাহিক চার দফা মূল্যহ্রাসের ফলে মাত্র নয় দিনের ব্যবধানে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম মোট ১৯ হাজার ৭৭১ টাকা কমেছে।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের মূল্য কমে আসা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এই মূল্য সমন্বয়ের অন্যতম কারণ। বিশ্ববাজারে সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান, সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং বিনিয়োগকারীদের মনোভাব পরিবর্তনের কারণে স্বর্ণের দাম কিছুটা চাপের মুখে রয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাম্প্রতিক এই মূল্যহ্রাসে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে বিয়ে, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, তাদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হলে দেশের বাজারেও স্বর্ণের দামে আবার ওঠানামা দেখা যেতে পারে। ফলে বর্তমান মূল্যকে স্থায়ী বলে ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

বাজুসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৭৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, বিপরীতে ৩৬ বার কমানো হয়েছে। ঘন ঘন মূল্য পরিবর্তনের এই প্রবণতা দেশের স্বর্ণবাজারে অস্থিরতার একটি স্পষ্ট চিত্র তুলে ধরছে।

-রাফসান


সোনার বাজারে রেকর্ড পতন, ১ লাখ ৮২ হাজারে মিলবে এক ভরি

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১১ ০৮:৫৮:৩৩
সোনার বাজারে রেকর্ড পতন, ১ লাখ ৮২ হাজারে মিলবে এক ভরি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণ ও রুপার দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে মূল্যবান এই দুই ধাতুর খুচরা বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) থেকে সারা দেশে কম দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ ও রুপা।

বাজুসের সর্বশেষ ঘোষণায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এক ধাক্কায় ৬ হাজার ৫৯১ টাকা কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতি ভরি রুপার দামও ৩৫০ টাকা হ্রাস পেয়েছে। ফলে কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণবাজারে ক্রেতাদের জন্য নতুন স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২২ হাজার ৭৮২ টাকায়। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪২৪ টাকায়।

মাত্র কয়েকদিন আগেও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ছিল আরও বেশি। গত ৬ জুন কার্যকর হওয়া মূল্য তালিকায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা। সেই তুলনায় সর্বশেষ সমন্বয়ে বাজারে উল্লেখযোগ্য মূল্য হ্রাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য পরিবর্তন, স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের দরপতন এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা সরাসরি দেশের বাজারেও প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

চলতি বছরে স্বর্ণের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করেছে। ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭২ বার স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৭ বার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, আর ৩৫ বার কমেছে। অর্থাৎ বছরের প্রথম ছয় মাসেই প্রায় প্রতি তিন দিনে একবার করে স্বর্ণের মূল্য পরিবর্তনের ঘটনা ঘটেছে।

শুধু স্বর্ণ নয়, একই সঙ্গে রুপার বাজারেও এসেছে বড় পরিবর্তন। নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রুপার বাজারেও চলতি বছর মূল্য সমন্বয়ের হার উল্লেখযোগ্য। ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৪৩ দফা রুপার দাম পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ২১ বার কমেছে। ফলে বাজারে প্রায় সমান হারে মূল্যবৃদ্ধি ও মূল্যহ্রাসের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ডলারের বিনিময় হার, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মুদ্রানীতি এবং বৈশ্বিক স্বর্ণের চাহিদা-জোগানের পরিবর্তন সরাসরি স্বর্ণ ও রুপার দামের ওপর প্রভাব ফেলছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক আর্থিক বাজারের অস্থিরতা বিনিয়োগকারীদের আচরণে পরিবর্তন আনছে।

জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সাম্প্রতিক দরপতনের ফলে বিয়ের মৌসুম এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য স্বর্ণ কেনার আগ্রহ কিছুটা বাড়তে পারে। তবে বাজারের অস্থিরতার কারণে ভবিষ্যতে দাম আবারও পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই বছর ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম হ্রাস পেয়েছিল। তুলনামূলকভাবে ২০২৬ সালে মূল্য সমন্বয়ের ধরণ আরও ভারসাম্যপূর্ণ হলেও বাজারে অস্থিরতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

-রাফসান


নতুন বাজেটে কমতে পারে চাল-ডালসহ ৬০ পণ্যের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ২২:০৬:৪৮
নতুন বাজেটে কমতে পারে চাল-ডালসহ ৬০ পণ্যের দাম
সত্য নিউজ গ্রাফিক্স

আসন্ন ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রযুক্তিপণ্যের দাম কমাতে একাধিক কর ছাড়ের প্রস্তাব আসতে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রায় ৬০টি কৃষি, ভোগ্য ও প্রযুক্তিপণ্যের ওপর উৎসে কর উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এসব পণ্যের ওপর ৫ শতাংশ, ২ শতাংশ ও ১ শতাংশ হারে উৎসে কর রয়েছে। নতুন বাজেটে তা কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট উপস্থাপনের সময় এ বিষয়ে ঘোষণা দিতে পারেন।

কর ছাড়ের আওতায় থাকা পণ্যের তালিকায় ধান, চাল, গম, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ভোজ্যতেল, চিনি, লবণ, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, মাছ এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সরকার মনে করছে, এসব পণ্যের কর কমানো হলে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় হ্রাস পাবে, যা ভোক্তা পর্যায়ে মূল্য কমাতে সহায়ক হবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সরকারের প্রত্যাশা, এর ফলে বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরবে।

নিত্যপণ্যের পাশাপাশি শিশুখাদ্য আমদানিতেও শুল্ক কমানোর প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে ১৫ শতাংশ শুল্ক থাকলেও তা কমিয়ে ১০ শতাংশ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া সব ধরনের মসলা ও খেজুর আমদানির ওপর আরোপিত ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়ার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য খাতেও বেশ কিছু কর ছাড়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রস্তাব কার্যকর হলে হার্টের রিং বা স্টেন্টের দাম প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত কমতে পারে। একই সঙ্গে চোখের ইন্ট্রাওকুলার লেন্সের দাম প্রায় ৫ হাজার টাকা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিস ফিল্টার আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহার করা হলে প্রতি ডায়ালাইসিসে প্রায় ৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচ কমতে পারে।

প্রযুক্তি খাতে মোবাইল সিমের ওপর বিদ্যমান কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হচ্ছে। পাশাপাশি ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, প্রিন্টার এবং মনিটর আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট মওকুফের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিনোদন ও সংস্কৃতি খাতের জন্যও কিছু সুবিধা রাখা হচ্ছে। গিটার, পিয়ানো, ভায়োলিনসহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র এবং সিনেমাটোগ্রাফিক ক্যামেরার ওপর শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা তরুণ শিল্পী ও নির্মাতাদের জন্য ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকারের নতুন রাজস্ব নীতিতে করের হার বাড়ানোর পরিবর্তে করের আওতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, কর ছাড়ের ফলে উৎপাদন ব্যয় কমবে, বাজারে সরবরাহ বাড়বে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও কমানো সম্ভব হবে। /আশিক


যুদ্ধ উত্তেজনায় স্বর্ণের বাজারে ধস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ১০:১১:২০
যুদ্ধ উত্তেজনায় স্বর্ণের বাজারে ধস
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক আর্থিক বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত স্বর্ণের বাজারেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। ডলারের শক্তিশালী অবস্থান, তেলের দাম বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে থাকার আশঙ্কার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে ১১ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে।

বুধবার আন্তর্জাতিক পণ্যবাজারে স্পট গোল্ডের মূল্য এক ধাক্কায় প্রায় ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৭ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করে, যা মার্চের শেষ সপ্তাহের পর সবচেয়ে নিম্নস্তর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সময়ে মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার বাজারেও উল্লেখযোগ্য পতন দেখা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা স্বর্ণের জন্য স্বাভাবিকভাবে ইতিবাচক হওয়ার কথা থাকলেও এবার বাজারের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ডলারের উত্থান এবং সুদের হার সংক্রান্ত প্রত্যাশা।

বিশ্ববাজারে ডলারের মান শক্তিশালী হওয়ায় অন্যান্য দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনার ব্যয় বেড়ে গেছে। একই সঙ্গে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়ায় বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতির চাপ পুনরায় জোরালো হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ হয়তো প্রত্যাশার চেয়ে দীর্ঘ সময় উচ্চ সুদের নীতি বজায় রাখতে পারে। এই সম্ভাবনাই বর্তমানে স্বর্ণবাজারে সবচেয়ে বড় চাপ সৃষ্টি করছে।

আর্থিক বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণ সাধারণত অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হলেও সুদের হার বৃদ্ধি পেলে সুদবিহীন এই ধাতুর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমে যায়। ফলে স্বর্ণের পরিবর্তে উচ্চ মুনাফা প্রদানকারী বন্ড ও অন্যান্য আর্থিক সম্পদের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন বিনিয়োগকারীরা।

বৈশ্বিক বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনায় ইরানকে দায়ী করা হয়েছে। এর জেরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি বাজারে আরও বড় অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

এদিকে বাজারে ফেডারেল রিজার্ভের ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণ নিয়ে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। আর্থিক বাজারের তথ্য বিশ্লেষণকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের শেষ নাগাদ সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনাকে এখন বিনিয়োগকারীরা আগের তুলনায় অনেক বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফলে স্বর্ণের ওপর বিক্রির চাপ আরও বাড়ছে।

শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও একই প্রবণতা দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রূপার দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। পাশাপাশি প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের বাজারেও দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। শিল্পখাতে ব্যবহৃত এসব ধাতুর চাহিদা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ধীরগতির আশঙ্কা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে বাধ্য করছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি, ডলারের গতিপ্রকৃতি এবং ফেডারেল রিজার্ভের নীতিগত সিদ্ধান্ত স্বর্ণবাজারের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করবে। যদি ভূরাজনৈতিক সংকট আরও তীব্র হয়, তাহলে স্বর্ণ আবারও নিরাপদ সম্পদ হিসেবে চাহিদা ফিরে পেতে পারে। তবে ডলারের শক্তিশালী অবস্থান ও উচ্চ সুদের পরিবেশ অব্যাহত থাকলে মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজারে চাপ আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্ববাজারের এই অস্থিরতা বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতন অব্যাহত থাকলে স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের মূল্য পুনরায় সমন্বয়ের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ফলে বিনিয়োগকারী ও স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা এখন বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতির দিকে নিবিড় নজর রাখছেন।

-রাফসান


সোনা কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন দর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ১০ ০৮:৩৪:৪৮
সোনা কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন দর
ছবি: সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে সাম্প্রতিক মূল্য সমন্বয়ের পর ভালো মানের সোনার দাম এখনও ২ লাখ ৩০ হাজার টাকার নিচেই রয়েছে। ঈদুল আজহার পর ধারাবাহিক মূল্যহ্রাসের ফলে গয়না ক্রেতা, বিনিয়োগকারী এবং স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৩৭৩ টাকা, যা দেশের বাজারে সবচেয়ে মানসম্পন্ন স্বর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে ৬ জুন সকাল ১০টা থেকে এই দর কার্যকর করেছে। নতুন কোনো মূল্য ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দরেই সোনা ও রুপা বিক্রি হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

বাজুসের নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বর্তমানে ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৩৩ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনা কিনতে গুনতে হবে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৪ টাকা। তুলনামূলক কম বিশুদ্ধতার সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকায়।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, ডলারের বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা সোনার মূল্য পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি দেশের স্বর্ণবাজারে প্রতিফলিত হয়। এ কারণে সময়ে সময়েই বাজুস মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

শুধু সোনা নয়, রুপার বাজারেও নির্ধারিত হয়েছে নতুন দর। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের রুপা কিনতে খরচ হবে ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে প্রতি ভরি ৩ হাজার ২০৮ টাকায়।

স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিয়ে, পারিবারিক অনুষ্ঠান এবং বিনিয়োগের জন্য সোনার চাহিদা বাংলাদেশে সবসময়ই শক্তিশালী। মূল্য কিছুটা কমলেও আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা থাকায় ভবিষ্যতে দাম আবার বাড়তে পারে। ফলে অনেক ক্রেতাই বর্তমান মূল্যকে তুলনামূলক সুবিধাজনক মনে করে কেনার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

-রাফসান


কম্পিউটার ও স্বর্ণালঙ্কারে সুখবর: বাজেটে দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১৮:০৬:৩১
কম্পিউটার ও স্বর্ণালঙ্কারে সুখবর: বাজেটে দাম কমতে পারে যেসব পণ্যের
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সাধারণ গৃহিণী, মধ্যবিত্ত ও প্রযুক্তি খাতের ব্যবহারকারীদের জন্য একঝাঁক স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসছে নতুন বাজেট। আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট উত্থাপন করা হতে পারে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই বাজেট পেশ করবেন।

বাজেটটি পাস হলে তা হবে বাংলাদেশের ইতিহাসের ৫৫তম এবং বর্তমান সরকারের চলতি মেয়াদের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট। একই সাথে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীরও প্রথম বাজেট। ডলার সংকট ও লাগামহীন মূল্যস্ফীতির এই কঠিন সময়ে অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেটে রান্নাঘরের নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী থেকে শুরু করে কম্পিউটার ও চিকিৎসা উপকরণের দাম কমানোর জন্য বড় ধরনের শুল্ক ও করছাড়ের মেগা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সংশ্লিষ্ট বাজেট সূত্র অনুযায়ী, এবারের বাজেটে সবচেয়ে বড় সুখবর পাচ্ছেন দেশের গৃহিণীরা। রান্নাঘরের কাজ সহজ করার ইলেকট্রনিক কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের ওপর বিদ্যমান করের বোঝা অনেকটাই কমানো হচ্ছে। ফলে আসন্ন নতুন অর্থবছর থেকে বাজারে ব্লেন্ডার, জুসার, মিক্সার, গ্রাইন্ডার, ইলেকট্রিক কেটলি, রাইস কুকার, মাল্টি কুকার, প্রেসার কুকার এবং সমজাতীয় ইলেকট্রিক কুকার, ইনফ্রারেড কুকার ও ইন্ডাকশন কুকারের দাম উল্লেখযোগ্য হারে কমতে পারে।

এ ছাড়া মধ্যবিত্ত পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি পণ্য যেমন—কাপড় ইস্ত্রি করার আয়রন, নিরাপদ পানির জন্য ওয়াটার পিউরিফায়ার এবং শীতকালীন ব্যবহারের ওয়াটার হিটার বা গিজারের দামও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কিচেন পণ্যের পাশাপাশি বাজেটে বড় ধরনের সুখবর পাচ্ছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সার, শিক্ষার্থী ও কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা। দেশের তরুণ প্রজন্মকে ফ্রিল্যান্সিং ও প্রযুক্তিতে উদ্বুদ্ধ করতে আসন্ন বাজেটে কম্পিউটার, প্রিন্টার এবং মনিটরের ওপর আমদানি শুল্ক ও ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব করা হচ্ছে, যার ফলে ডিজিটাল ডিভাইসগুলোর দাম বেশ কমে আসবে।

স্বাস্থ্য ও মানবিক দিক বিবেচনা করে এবারের বাজেটে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন (প্রতিবন্ধী) ব্যক্তিদের দৈনন্দিন ব্যবহারের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ১৫টি বিশেষ পণ্যের ওপর থেকে সব ধরনের কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার বা হ্রাস করার মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সাথে চিকিৎসা ব্যয় কমাতে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসা ‘কিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টার’-এর ওপর শুল্কছাড় দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে দেশের লাখ লাখ মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত কিডনি রোগীর চিকিৎস খরচ অনেকাংশে কমে আসবে।

সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য আরেকটি বড় চমক থাকছে স্বর্ণালঙ্কারের বাজারে। দেশে বৈধ উপায়ে স্বর্ণের ব্যবসা চাঙ্গা করতে এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে আসন্ন বাজেটে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির ওপর বিদ্যমান উৎসে কর একলাফে ব্যাপক হারে কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানের ৫ শতাংশ উৎসে করের হার ৮ দশমাংশ কমিয়ে মাত্র দশমিক ৫ (০.৫) শতাংশ করার চূড়ান্ত খসড়া তৈরি করা হয়েছে।

সরকারের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের ফলে বৈধ পথে সোনা আমদানির পরিমাণ বাড়বে এবং বাজারে আকর্ষণীয় স্বর্ণালঙ্কারের দাম সাধারণ ক্রেতাদের জন্য অনেকটাই সাশ্রয়ী হবে। দেশীয় উৎপাদন ও সাধারণ মানুষের স্বস্তি—এই দুই মূল মন্ত্রকে সামনে রেখেই অর্থমন্ত্রী তাঁর প্রথম বাজেটের এই শুল্কছাড়ের খসড়া তৈরি করেছেন।

/আশিক


প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রেখে নতুন বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১৭:৪৪:৪১
প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রেখে নতুন বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু
ছবি : সংগৃহীত

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট দেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণ ও স্বস্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) দুপুরে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, "আমাদের সীমিত সম্পদের মধ্যেও দেশের প্রত্যেক নাগরিককে বিবেচনায় রাখা হয়েছে, কাউকে বাজেটের বাইরে রাখা হয়নি। সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধা এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেই এবারের বাজেট প্রস্তুত করা হয়েছে।"

বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক সংকট লাগামহীন মূল্যস্ফীতি বা বাজারের আগুন কীভাবে সামলানো হচ্ছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেন যে সম্পদ সীমিত, তবে সেই সীমাবদ্ধতার মাঝেই বাজেটে সবার সুখ-দুঃখের কথা এবং মধ্য ও নিম্নবিত্তের স্বস্তির বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী পরশু বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় ও বহুল প্রতীক্ষিত এই প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হতে পারে।

অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাজেটে একদিকে যেমন দেশীয় শিল্প ও উৎপাদন খাতকে চাঙ্গা করতে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যাপক করছাড় (ট্যাক্স হলিডে) ও ভ্যাট অব্যাহতির মেগা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে; অপরদিকে স্থানীয় শিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে টিকিয়ে রাখতে এবং ডলার সংকট মোকাবিলায় বেশ কিছু আমদানিনির্ভর ও বিলাসবহুল পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক-কর বাড়ানোর কঠোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর ফলে নতুন অর্থবছরে বাজারে বেশ কিছু আমদানিকৃত পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যেতে পারে।

এনবিআরের নীতি নির্ধারণী সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে যে, সরকারের নতুন এই করনীতির মূল লক্ষ্যই হলো দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়ানো, স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসী সামগ্রীর আমদানি নিরুৎসাহিত করে রিজার্ভের ওপর চাপ কমানো।

এই কারণে সাধারণ মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের শুল্ক অপরিবর্তিত বা হ্রাস করা হলেও, কয়েকটি বিলাসবহুল আমদানিকৃত পণ্যের ওপর নতুন করে ভ্যাট, কাস্টমস ডিউটি ও সম্পূরক শুল্ক আরোপ বা বিদ্যমান করের হার একলাফে অনেক বাড়ানোর চূড়ান্ত খসড়া করা হয়েছে, যা বৃহস্পতিবার সংসদে উন্মোচন করা হবে।

/আশিক


ডলারের নতুন দর কত? আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুন ০৯ ১১:২৪:৫৬
ডলারের নতুন দর কত? আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারের পরিবর্তনশীল অর্থনৈতিক বাস্তবতায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, আমদানি-রপ্তানি এবং প্রবাসী আয় ব্যবস্থাপনায় বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিও এখন বৈশ্বিক বাণিজ্য ও আর্থিক প্রবাহের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত হওয়ায় প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার ব্যবসায়ী, আমদানিকারক, রপ্তানিকারক এবং প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হয়ে উঠেছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন ২০২৬) বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন ডলার এখনও সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা। আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং রেমিট্যান্স লেনদেনে ডলারের এই মূল্য সরাসরি প্রভাব ফেলে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একক মুদ্রা ইউরোর দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪১ টাকা ৫৭ পয়সা। যুক্তরাজ্যের পাউন্ড স্টার্লিং আরও উচ্চ অবস্থানে রয়েছে, যার বিনিময় হার ১৬৩ টাকা ৭২ পয়সা।

প্রতিবেশী ভারতের রুপির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ২৮ পয়সা, যা দুই দেশের সীমান্ত বাণিজ্য ও ভ্রমণ ব্যয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত লাখো বাংলাদেশি প্রবাসীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার নির্ধারিত হয়েছে ৩২ টাকা ৬৭ পয়সা। একইভাবে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী মুদ্রা কুয়েতি দিনারের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৯৬ টাকা ৭৭ পয়সা, যা তালিকার সর্বোচ্চ বিনিময় হারগুলোর একটি।

এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত লেনদেন হচ্ছে ৩০ টাকা ১৮ পয়সা এবং সিঙ্গাপুরি ডলার বিনিময় হচ্ছে ৯৫ টাকা ২৫ পয়সা দরে।

অস্ট্রেলিয়ার মুদ্রা অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৬ টাকা ৪৭ পয়সা।

মঙ্গলবারের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

মার্কিন ডলার ১২২.৭৫ টাকা

ইউরো ১৪১.৫৭ টাকা

পাউন্ড স্টার্লিং ১৬৩.৭২ টাকা

ভারতীয় রুপি ১.২৮ টাকা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত ৩০.১৮ টাকা

সিঙ্গাপুরি ডলার ৯৫.২৫ টাকা

সৌদি রিয়াল ৩২.৬৭ টাকা

কুয়েতি দিনার ৩৯৬.৭৭ টাকা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬.৪৭ টাকা

অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈশ্বিক সুদের হার, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি, রপ্তানি আয় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের ওপর নির্ভর করে বৈদেশিক মুদ্রার দর নিয়মিত ওঠানামা করে। ফলে ব্যাংক, মানি এক্সচেঞ্জ হাউস ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের লেনদেনে দৈনিক ভিত্তিতে কিছু পার্থক্য দেখা যেতে পারে।

-রাফসান

পাঠকের মতামত: