মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও ফেড সভার প্রভাবে ২ সপ্তাহের উঁচুতে স্বর্ণের বাজার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২২ ১৯:৩৩:০৬
মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও ফেড সভার প্রভাবে ২ সপ্তাহের উঁচুতে স্বর্ণের বাজার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম লাফিয়ে বেড়ে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সামরিক সংঘাত নিরসনে নতুন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং সুদের হারের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের (Fed) আসন্ন সভার দিকে উন্মুখ হয়ে চোখ রাখছেন বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা। অর্থনৈতিক অনিয়ম, বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার এই সংকটে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম (Safe-haven asset) হিসেবে সোনার বাজারে নতুন করে ব্যাপক জোয়ার এসেছে।

বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম একলাফে ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১১৫ দশমিক ৮৯ ডলারে। অন্যদিকে আগামী আগস্টে ডেলিভারির জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের (US Gold Futures) দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১২০ দশমিক ৬০ ডলারে থিতু হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষণকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাক্টিভট্রেডস’-এর সিনিয়র অ্যানালিস্ট রিকার্ডো ইভানজেলিস্তা রয়টার্সকে জানান, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের অনিয়ন্ত্রিত উচ্চমূল্য বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়িয়ে দেওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। সার্বিক অনিশ্চয়তায় মূলধন বাঁচাতে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে সোনার দিকে ঝুকছেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ব্যাকচ্যানেল কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রভাবে তেলের বাজার স্বাভাবিক হওয়ার যে ক্ষীণ সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা-ও স্বর্ণের সুবাতাসে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।

স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর আন্তর্জাতিক বাজারেও আজ দারুণ চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা গেছে। আজ আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫৯ দশমিক ৩৫ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬৪৬ দশমিক ৬৩ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ লাফিয়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৩০৫ দশমিক ৪১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের এই উত্তাপ স্বাভাবিকভাবেই সরাসরি এসে পড়েছে বাংলাদেশের ঘরোয়া বাজারেও। দেশে বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম দাঁড়িয়েছে রেকর্ড ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনা কিনতে ক্রেতাদের গুণতে হচ্ছে ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা।

/আশিক


ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের উপহার: কাগজ ছাড়াই দেশে আনা যাবে রেমিট্যান্স

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২২ ১৮:৪৩:৪১
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের উপহার: কাগজ ছাড়াই দেশে আনা যাবে রেমিট্যান্স
ছবি : সংগৃহীত

দেশের ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল সেবা রফতানি খাতকে আরও গতিশীল ও বেগবান করতে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের নীতিমালায় বড় ধরনের ছাড় ও শিথিলতা এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, জটিল কাগজপত্র ছাড়াই কেবল অনলাইন বা ইলেকট্রনিক প্রমাণের ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সাররা বিদেশ থেকে উপার্জিত আয়ের অর্থ সরাসরি দেশে আনতে পারবেন। একই সাথে ক্ষুদ্র অঙ্কের রেমিট্যান্স গ্রহণ, ডুয়াল-কারেন্সি ফ্রিল্যান্সার কার্ড ব্যবহার এবং বৈদেশিক মুদ্রা সংরক্ষণের সুযোগ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক বিশেষ সার্কুলারের মাধ্যমে এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

ব্যাংকের নতুন নির্দেশনা অনুসারে, বিদেশি ক্লায়েন্ট বা আন্তর্জাতিক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে প্রাপ্ত আয়ের বিপরীতে ঐতিহ্যগত কাগজপত্রের জটিল রফতানি নথির পরিবর্তে এখন থেকে প্ল্যাটফর্মের স্টেটমেন্ট, ই-মেইল কনফার্মেশন, ইনভয়েস এবং অন্যান্য ডিজিটাল যোগাযোগকেই বৈধ প্রমাণপত্র হিসেবে ব্যাংকগুলো গ্রহণ করতে পারবে। ফলে প্রবাস বা বিদেশ থেকে অর্জিত অর্থ দেশে স্থানান্তরের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমে প্রসেসিং সময় অনেকটাই সাশ্রয় হবে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি অঙ্কের আন্তর্জাতিক লেনদেন ত্বরান্বিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ২০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ইনওয়ার্ড রেমিট্যান্স গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র (Declaration) দাখিল করতে হবে না।

পাশাপাশি, অনুমোদিত অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে সার্ভিস প্রোভাইডার (OPGSP)-এর মাধ্যমে প্রতি একক লেনদেনে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত গ্রহণ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেশে নিয়ে আসা নিশ্চিত করতে হবে। অনলাইন কেনাকাটা ও আন্তর্জাতিক সেবা ফি পরিশোধ সহজ করতে প্রবর্তন করা হচ্ছে ডুয়াল-কারেন্সি 'ফ্রিল্যান্সার কার্ড'। এছাড়া বিকাশ, নগদ বা উপায়ের মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) এবং পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারদের (PSP) মাধ্যমেই রেমিট্যান্স গ্রহণের আইনি সুযোগ সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

সার্কুলারে অর্জিত অর্থ ডলার বা বৈদেশিক মুদ্রায় জমা রাখার ক্ষেত্রে বড় সুবিধার কথা বলা হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি (IT) খাতের ফ্রিল্যান্সাররা সেবা রফতানি থেকে অর্জিত আয়ের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত এক্সপোর্টার্স রিটেনশন কোটা (ERQ) অ্যাকাউন্টে সরাসরি বৈদেশিক মুদ্রায় সংরক্ষণ করতে পারবেন। নন-আইটি বা অন্যান্য সেবা রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে এই সংরক্ষণের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ শতাংশ। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে বিভিন্ন জরুরি ফি, সাবস্ক্রিপশন ও কেনাকাটায় তাদের ওপর থাকা আর্থিক সীমাবদ্ধতা দূর হবে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে আনুষ্ঠানিকভাবে আরও ত্বরান্বিত করবে। এটি ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধ রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখবে এবং দেশকে স্মার্ট ও ডিজিটাল-চালিত সেবা রফতানিকারক রাষ্ট্র হিসেবে বৈশ্বিক কাতারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

/আশিক


স্বর্ণের বাজারে নতুন ধাক্কা, ভরিতে বাড়ল যত

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২২ ১০:৫৭:১৬
স্বর্ণের বাজারে নতুন ধাক্কা, ভরিতে বাড়ল যত
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পাকা সোনা)-এর দাম বেড়ে যাওয়ায় সব ধরনের স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের গয়নার নতুন মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে। সেই হিসেবে বুধবার (২২ জুলাই) দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। পরবর্তী কোনো ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্যই কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

সর্বশেষ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির (Traditional Gold) প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা।

নতুন মূল্য কার্যকরের আগে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের মূল্য ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকায়। ফলে সব ক্যাটাগরির স্বর্ণের দামই নতুন সমন্বয়ের মাধ্যমে বেড়েছে।

বাজুসের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, দেশের বাজারে বিশুদ্ধ বা তেজাবি স্বর্ণের ক্রয়মূল্য বৃদ্ধির কারণেই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারের প্রবণতা, ডলারের বিনিময় হার, আমদানি ব্যয় এবং স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের মূল্য পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করেই সময়ে সময়েই স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

তবে বাজুস স্পষ্ট করেছে, ঘোষিত মূল্য শুধুমাত্র স্বর্ণের মূল দাম। কোনো অলঙ্কার কেনার সময় এর সঙ্গে ডিজাইন, কারুকাজ ও মেকিং চার্জ (মজুরি) যুক্ত হবে। ফলে গয়নার ধরন ও নকশা অনুযায়ী চূড়ান্ত মূল্য ভিন্ন হতে পারে।

-রাফসান


স্বর্ণের দামে পরিবর্তন নেই, প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২১ ১০:২১:৫৯
স্বর্ণের দামে পরিবর্তন নেই, প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আপাতত কোনো নতুন মূল্য সমন্বয় হয়নি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে স্বর্ণের দাম পরিবর্তনের ঘোষণা না দেওয়ায় মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে আগের নির্ধারিত দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। ফলে ১৪ জুলাই কার্যকর হওয়া মূল্য তালিকাই এখনো বহাল রয়েছে।

সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের সময় বাজুস প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।

বাজুসের প্রকাশিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকায়। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা। এছাড়া সনাতন পদ্ধতির (Traditional Gold) প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য রয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।

বাজুস জানিয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর দামের ওঠানামা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা বিবেচনায় প্রয়োজন হলে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়। স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের ক্রয়মূল্য পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতেই সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল। নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত এই দামই দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে।

তবে ক্রেতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বাজুস নির্ধারিত মূল্য শুধুমাত্র স্বর্ণের মূল দাম। স্বর্ণালঙ্কার কেনার সময় এর সঙ্গে ডিজাইন, কারুকাজ ও মেকিং চার্জ (মজুরি) যোগ হবে। ফলে অলঙ্কারের ধরন ও নকশাভেদে দোকানভেদে মোট মূল্য কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

বাজুস আরও স্পষ্ট করেছে, স্বর্ণ ও রুপার অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অন্তর্ভুক্ত থাকে। তাই নির্ধারিত দামের বাইরে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করার সুযোগ নেই। ক্রেতাদের বিল গ্রহণ এবং অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান থেকে স্বর্ণ কেনারও পরামর্শ দিয়েছে সংগঠনটি।

-রাফসান


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে বিশ্ববাজারে তেলের দামে নতুন রেকর্ড

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ১০:১৯:৪২
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে বিশ্ববাজারে তেলের দামে নতুন রেকর্ড
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালিতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে, যা গত এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবার লেনদেনের শুরুতেই ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচার মূল্য ২ দশমিক ৬৯ ডলার বা প্রায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ৭৯ ডলারে পৌঁছায়। গত ১১ জুনের পর এটিই সর্বোচ্চ দাম। শুধু সোমবারই নয়, গত সপ্তাহজুড়েও ব্রেন্টের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এক সপ্তাহে এর মূল্য প্রায় ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এপ্রিলের পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক উল্লম্ফন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) অপরিশোধিত তেলের দামও ঊর্ধ্বমুখী ছিল। সোমবার এর মূল্য ২ দশমিক ১৯ ডলার বা ২ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮৪ দশমিক ৬৮ ডলারে পৌঁছেছে। গত ১২ জুনের পর এটিও সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। গত সপ্তাহে ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১৫ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে, যা মার্চের শুরুর পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক বৃদ্ধি।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বাড়ার মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের নতুন বিস্তার। সপ্তাহান্তে যুক্তরাষ্ট্র টানা নবম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে কুয়েত ও বাহরাইন জানিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে ইরানি হামলার নতুন ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা ঝুঁকি আরও বেড়েছে।

বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি হরমুজ প্রণালি এখন এই সংকটের কেন্দ্রবিন্দু। বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। ফলে এ পথের নিরাপত্তা নিয়ে সামান্য অনিশ্চয়তাও আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা ইরানের কয়েকটি বন্দরকে কার্যত নৌ অবরোধের আওতায় এনেছে। অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালিতে তাদের নির্ধারিত নৌপথের নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থান আন্তর্জাতিক শিপিং ও জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।

পরিস্থিতির প্রতিফলন ইতোমধ্যেই নৌ চলাচলেও দেখা যাচ্ছে। এলএসইজি (LSEG)-এর তথ্য অনুযায়ী, রোববার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র চারটি জাহাজ চলাচল করেছে, যেখানে আগের দিন এই সংখ্যা ছিল আটটি। যদিও একই সময়ে অন্তত তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার এবং একটি অতিবৃহৎ অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ তেল বোঝাইয়ের উদ্দেশ্যে প্রণালীতে প্রবেশ করেছে।

এদিকে সোমবার ভোরে যুক্তরাজ্যের ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) জানিয়েছে, ওমানের কুমজার উপকূলের উত্তর-পশ্চিমে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটির কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক বার্কলেজ-এর জ্বালানি বিশ্লেষক অমরপ্রীত সিং বলেছেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক অবরোধমূলক পদক্ষেপের কারণে অঞ্চলটি থেকে তেল রপ্তানি কতটা স্বাভাবিক থাকবে, তা আগামী কয়েক দিন ও সপ্তাহে আরও পরিষ্কার হবে। তাঁর মতে, বাজার এখনো সম্ভাব্য সরবরাহ সংকটের পূর্ণ ঝুঁকি মূল্যায়ন করেনি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান ভূরাজনৈতিক সংকটের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের মজুত বর্তমানে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। ফলে হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও দ্রুত বাড়তে পারে এবং এর প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতি, পরিবহন ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির ওপরও পড়তে পারে।

-রফিক


২২ ক্যারেট স্বর্ণ এখন কত? জেনে নিন সর্বশেষ দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২০ ০৯:৩২:৪০
২২ ক্যারেট স্বর্ণ এখন কত? জেনে নিন সর্বশেষ দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় নতুন করে মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। সর্বশেষ ঘোষণায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। বাজুসের ঘোষিত এই মূল্য মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং আজ সোমবার (২০ জুলাই)ও দেশের বাজারে একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারের প্রবণতা, দেশীয় কাঁচা স্বর্ণের মূল্য এবং বাজারের বাস্তব অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়েই এ ধরনের মূল্য সমন্বয় করা হয়, যাতে বাজারে ভারসাম্য বজায় থাকে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্যই কার্যকর থাকবে।

সংগঠনটি আরও স্পষ্ট করেছে যে, প্রকাশিত মূল্যের মধ্যে সরকারি ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে স্বর্ণ বা রুপার অলঙ্কার বিক্রির সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও প্রস্তুতপ্রণালির ধরন অনুযায়ী মেকিং চার্জ বা মজুরি অতিরিক্ত যুক্ত হবে, যা প্রতিটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

চলতি বছরে দেশের স্বর্ণবাজারে দামের ওঠানামা ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৬ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারের পরিবর্তন ও দেশীয় কাঁচামালের মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিতভাবে দাম পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।

-রাফসান


স্বর্ণ কিনবেন? আগে দেখে নিন আজকের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৯ ১০:৩৫:১১
স্বর্ণ কিনবেন? আগে দেখে নিন আজকের দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে এবং আজ রোববার (১৯ জুলাই) দেশজুড়ে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে এই নির্ধারিত দামেই।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সংগঠনটির মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা, দেশীয় কাঁচা স্বর্ণের মূল্য এবং বাজারের বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়েই এই মূল্য সমন্বয় করা হয়, যাতে বাজারে স্বচ্ছতা বজায় থাকে।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্য তালিকাই কার্যকর থাকবে।

সংগঠনটি আরও স্পষ্ট করেছে যে, ঘোষিত মূল্যের মধ্যে সরকারি ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে স্বর্ণ বা রুপার অলঙ্কার বিক্রির সময় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। তবে অলঙ্কারের নকশা, ওজন, কারুকাজ ও প্রস্তুতপ্রণালির ওপর ভিত্তি করে মেকিং চার্জ বা মজুরি অতিরিক্ত যোগ হবে, যা প্রতিটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

চলতি বছরে স্বর্ণের বাজারে দামের ওঠানামা ছিল উল্লেখযোগ্য। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৬ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। এ থেকে বোঝা যায়, আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজার ও স্থানীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিতভাবে মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে।

-রফিক


বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে বিশ্লেষকদের রেকর্ড ভাঙা ভবিষ্যৎবাণী

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৮ ১৯:৪৪:৫০
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিয়ে বিশ্লেষকদের রেকর্ড ভাঙা ভবিষ্যৎবাণী
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের মূল্যের রেকর্ড ভাঙার প্রবণতা কোনোভাবেই থামছে না। বিগত কয়েক বছর ধরে এই মূল্যবান ধাতুর বৈশ্বিক বাজারদর ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঝেমধ্যে সাময়িক মূল্যের কিছুটা ওঠানামা দেখা গেলেও, দীর্ঘমেয়াদি ও সার্বিক মূল্যায়ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় স্বর্ণের বাজার ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিগত ২০২০ সালেও বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের গড় মূল্য ছিল ১ হাজার ৫৮৫ ডলার। অথচ বর্তমান সময়ে বৈশ্বিক বাজারে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৫০০ ডলারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গেছে।

মাত্র ৫ বছরের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পেছনে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বড় ভূমিকা রাখছে। সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং মূলধনের মান ধরে রাখতে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বিকল্প উপায় খোঁজেন। স্বাভাবিক অবস্থায় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে অর্থ জমা রাখলে একটি নির্দিষ্ট সুদ বা মুনাফা পাওয়া যায়। তবে বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সুদের হার তুলনামূলকভাবে কম। ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা তাদের সঞ্চিত সম্পদের সুরক্ষার জন্য একটি নিরাপদ ও স্থায়ী মাধ্যমের সন্ধান করছেন, আর এ ক্ষেত্রে স্বর্ণকে সবচেয়ে নিরাপদ বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বাজারে এমন বাড়তি চাহিদার কারণেই মূলত স্বর্ণের দাম আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে।

জার্মানির ডয়চে ব্যাংকের অর্থনীতিবিদদের পরিচালিত এক সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, বিশ্বের প্রধান প্রধান কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এখন বিপুল পরিমাণে স্বর্ণ মজুত করা শুরু করেছে। বিশেষ করে চীন, রাশিয়া, ভারত এবং তুরস্কের মতো উদীয়মান অর্থনীতির দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ধারাবাহিকভাবে স্বর্ণ কিনে তাদের নিজস্ব মজুত ক্রমান্বয়ে বাড়িয়ে চলেছে। ব্যাংকগুলোর স্বর্ণ কেনার এই ধারাবাহিক প্রবণতা যদি আগামীতেও বজায় থাকে, তবে আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের মূল্য ৮ হাজার ডলারে গিয়ে পৌঁছাতে পারে, যা বর্তমান বাজারদরের প্রায় দ্বিগুণ।

স্বর্ণের এই বিশাল আন্তর্জাতিক বাজারে প্রচলিত বিনিয়োগকারীদের বাইরেও এখন সম্পূর্ণ নতুন এক ক্রেতা শ্রেণির আবির্ভাব ঘটেছে। জার্মানির এলবিবিডব্লিউ (LBBW) ব্যাংকের বাজার বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক শ্যালেনবার্গার জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে সুদের হার কমার জোরালো সম্ভাবনা, বৈশ্বিক মুদ্রাবাজারে মার্কিন ডলারের দুর্বল অবস্থান এবং কয়েন কিংবা বারের উচ্চ চাহিদার পাশাপাশি ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের বিনিয়োগকারীরাও এখন স্বর্ণের বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রাখছেন। ডিজিটাল এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ক্রিপ্টোর সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা তাদের নিজস্ব বিনিয়োগের বড় ঝুঁকি এড়াতে বিপুল পরিমাণ সোনা কিনে রাখছেন। ফলশ্রুতিতে স্বর্ণের বাজারে নতুন ক্রেতার আগমনে এক ভিন্ন গতির সঞ্চার হয়েছে।

বিশ্ববাজারে সাধারণত স্বর্ণের মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হয় এবং কেন এর দ্রুত ওঠানামা ঘটে—সে বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন বাজার বিশেষজ্ঞরা। ডয়চে ব্যাংক রিসার্চের মূল্যবান ধাতু বিষয়ক প্রধান বিশ্লেষক মাইকেল হুসেহ মনে করেন, বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মতো স্থায়ী ও বড় ক্রেতারা এখন আন্তর্জাতিক বাজারের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছেন। ফলস্বরূপ প্রথাগত গহনা ক্রেতাদের মতো সাধারণ ও খুচরা ক্রেতারা প্রতিযোগিতায় কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন। মূলত ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে সোনার বাজার এতটা চাঙ্গা থাকার পেছনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর এই আগ্রাসী ভূমিকাই প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে।

অন্যদিকে বিজেড (BZ) ব্যাংকের অন্যতম গবেষণা বিশ্লেষক থমাস কুল্পের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ভিন্ন কারণ সামনে এসেছে। তিনি মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সারা বিশ্বে চলমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুদ্ধবিগ্রহ এবং নানামুখী অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাই মূলত সোনার দাম এতটা আকাশচুম্বী হওয়ার প্রধান কারণ। বৈশ্বিক যেকোনো বড় সংকট বা মন্দার সময়ে বিনিয়োগকারীরা সোনাকে সবসময় সবচেয়ে নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন।

স্বর্ণের এই বাজারদরের ভবিষ্যৎ ঠিক কী হতে পারে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে স্পষ্ট দ্বিমত লক্ষ্য করা গেছে। অর্থনীতিবিদদের সব পূর্বাভাস সবসময় শতভাগ না মিললেও, তারা বিভিন্ন যুক্তি সামনে আনছেন। বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক শ্যালেনবার্গার অবশ্য মনে করেন যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সোনার দাম আবার দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ার মতো বড় বা জোরালো কোনো অর্থনৈতিক কারণ এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক বাজারে বিদ্যমান নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্তরে সোনা কেনার সামগ্রিক গতিও কিছুটা ধীর হয়ে এসেছে।

তা সত্ত্বেও ডয়চে ব্যাংকের বিশ্লেষক মাইকেল হুসেহ তার দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের পক্ষে অটল অবস্থান প্রকাশ করেছেন। তার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিশ্বে স্নায়ুযুদ্ধের মতো পুরোনো ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও মেরুকরণ আবার নতুন করে ফিরে আসছে। এমন যুদ্ধংদেহী ও চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তাদের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত স্বর্ণে রূপান্তর করে ফেলতে পারে। যদি সত্যিই কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো এই পথে হাঁটে, তবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৮ হাজার ডলারে গিয়ে ঠেকবে—এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

এই দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসের বিপরীতে বিজেড ব্যাংকের বিশ্লেষক থমাস কুল্প অবশ্য কিছুটা সতর্ক ও বাস্তবসম্মত অবস্থান নিয়েছেন, তবে তিনিও বাজার নিয়ে আশাবাদী। তার হিসাব অনুযায়ী, আগামী ১২ মাসের মধ্যে বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম অনায়াসে ৫ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের মৌলিক ও প্রথাগত যে অভ্যন্তরীণ চাহিদা, তা এখনো অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

/আশিক


স্বর্ণ কিনবেন? আগে জেনে নিন আজকের সর্বশেষ দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৮ ০৯:৫৮:৩৩
স্বর্ণ কিনবেন? আগে জেনে নিন আজকের সর্বশেষ দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও স্বস্তির খবর দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ মূল্য পুনর্নির্ধারণে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। বাজুস মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন মূল্য ঘোষণা করে, যা সেদিন সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। আজ শনিবার (১৮ জুলাই) সারাদেশে স্বর্ণের অলঙ্কার এই নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী বিক্রি হচ্ছে এবং পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত একই দাম বহাল থাকবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (Pure Gold)-এর দাম কমে যাওয়ায় নতুন করে স্বর্ণের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা, দেশীয় কাঁচা স্বর্ণের মূল্য এবং সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা। উল্লেখিত সব দাম ১১.৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি স্বর্ণের জন্য প্রযোজ্য।

সংগঠনটি আরও স্পষ্ট করেছে যে, প্রকাশিত দামে সরকারি ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে স্বর্ণ বা রুপার অলঙ্কার বিক্রির সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও প্রস্তুতপ্রণালির ওপর নির্ভর করে মেকিং চার্জ বা মজুরি অতিরিক্ত যুক্ত হবে, যা প্রতিটি জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।

চলতি বছর দেশের স্বর্ণবাজারে মূল্য পরিবর্তনের হারও ছিল উল্লেখযোগ্য। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বৃদ্ধি, ৪৬ বার দাম হ্রাস এবং একবার ভ্যাট সংক্রান্ত সমন্বয় করা হয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা এবং স্থানীয় বাজারে কাঁচা স্বর্ণের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত মূল্য সমন্বয় করছে সংগঠনটি।

-রাফসান


স্বর্ণ কিনতে সুখবর, একদিনেই বড় মূল্যহ্রাস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ১৫ ১০:০০:২২
স্বর্ণ কিনতে সুখবর, একদিনেই বড় মূল্যহ্রাস
ছবি : সংগৃহীত

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম আরও ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম এখন নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস নতুন এই মূল্য তালিকার ঘোষণা দেয়। সংগঠনটি জানায়, ওইদিন সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) সারাদেশের জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই নির্ধারিত দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।

বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের মূল্য কমে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের প্রবণতা এবং স্থানীয় কাঁচামালের দামের পরিবর্তন বিবেচনায় এনে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা।

১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ কিনতে প্রতি ভরিতে গুনতে হবে ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা।

সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই মূল্যই দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা, কারুকাজ ও নির্মাণ ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে অতিরিক্ত মজুরি প্রযোজ্য হবে।

বাজুস স্পষ্ট করেছে, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ কিংবা পারচেজের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী ভ্যাট, মজুরি ও ব্যবহৃত পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নীতিই বহাল থাকবে।

চলতি বছরে দেশের স্বর্ণবাজারে দামের ওঠানামা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ এই সমন্বয়সহ ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত মোট ৯১ বার স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৬ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট কাঠামোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

-রফিক

পাঠকের মতামত: