বঙ্গভবনে তোড়জোড়: স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জুলাই ২৩ ২১:২৫:৪১
বঙ্গভবনে তোড়জোড়: স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন
ছবি : সংগৃহীত

শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল কয়েকজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, আগামীকাল দুপুর নাগাদ জাতীয় সংসদের স্পিকারের নিকট তিনি তার পদত্যাগপত্র পাঠাবেন।

অন্য একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শারীরিক স্বাস্থ্যগত জটিলতার কথা উল্লেখ করে পদত্যাগ করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে বার্তা দেওয়া হয়েছে। তবে পদত্যাগের এই প্রক্রিয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত বঙ্গভবন কিংবা সরকারের দায়িত্বশীল কোনো পর্যায় থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এদিকে পদত্যাগ ইস্যুতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করেছে জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পদত্যাগ সংক্রান্ত প্রশ্নকে 'বিব্রতকর' আখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, "দেখতে পাবেন..."।

সম্প্রতি লন্ডনে চিকিৎসা নিতে যাওয়ার সময় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে ওঠা গুঞ্জনও নাকচ করে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। শেখ হাসিনার সঙ্গে কোনো ফোনালাপ হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সুস্থ মস্তিস্কের কোনো মানুষ এ ধরনের কথা বলতে পারে না।"

নিজের শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও যোগ করেন, "আমি সে সময় অত্যন্ত সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন ছিলাম। ফলে এই গুঞ্জন পুরোপুরি বানোয়াট ও কল্পিত ছাড়া আর কিছুই নয়।"

অন্যদিকে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের খবরের মধ্যেই সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। চিকিৎসাসেবা নেওয়ার উদ্দেশ্যে গত ১৯ জুলাই ব্যাংকক গিয়েছিলেন তিনি। পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই (রোববার) তার দেশে ফেরার কথা থাকলেও জরুরি ভিত্তিতে শুক্রবারই তিনি ফিরে আসছেন।

সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, নির্ধারিত সূচি বদলে শুক্রবারই ঢাকায় পৌঁছাবেন স্পিকার।

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারকে সম্বোধন করে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্র প্রদানের মাধ্যমেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে পারেন।

সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদের বিধানমতে, রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে কিংবা তিনি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সেই নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন সরে দাঁড়ালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

তবে স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলালেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ খালি হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের ভেতর জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা বাধ্যতামূলক।

/আশিক


অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৭:৪৭:৪০
অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা
ছবি : সংগৃহীত

জমি কেনাবেচা কিংবা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকানা সরকারি রেজিস্টারে হালনাগাদ করার জন্য নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্প্রতি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির আবেদনে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে ‘যৌথ নামজারি’ করতে হবে। পূর্বে ওয়ারিশদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বণ্টন না থাকলেও আবেদন বাতিলের সুযোগ ছিল, যা এখন বন্ধ করা হয়েছে। তবে যৌথ খতিয়ান থেকে বের হয়ে কোনো ওয়ারিশ যদি নিজ নামে পৃথক বা আলাদা খতিয়ান তৈরি করতে চান, তবে অবশ্যই নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল জমা দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক ওয়ারিশ সনদের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদনকারীদের সরকারি পোর্টাল (land.gov.bd)-এ প্রবেশ করে 'ই-নামজারি' সেবার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র, পূর্ববর্তী খতিয়ান, জমার দলিল এবং ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ভূমি বিশেষজ্ঞরা জানান, সময়মতো নামজারি না করা হলে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ, জমি পুনরায় বিক্রি কিংবা আইনি বিরোধের সময় মালিকানা নিয়ে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। তাই যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সঠিক তথ্য জমা দিয়ে নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

/আশিক


সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৭:৩৪:১৫
সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি
ছবি : সংগৃহীত

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালির গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পাহাড়ির আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সশস্ত্র সদস্যরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

আইএসপিআর জানায়, সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে ইউপিডিএফের অবরোধের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে এবং আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সকালে সড়ক অবরোধকারীরা যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে টহল দল আলোচনার মাধ্যমে তা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। তবে পৌনে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর কিছুক্ষণ পর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা হঠাৎ পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীর টহল দলও পাল্টা গুলি চালালে সশস্ত্র দলটি পিছু হটে। পরবর্তীতে যৌথ বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে আটকে পড়া তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে নিরাপদ গন্তব্যে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই সংঘর্ষে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সেনাবাহিনীর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযান ব্যাহত করা এবং স্থানীয়দের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভয়ভীতি ছড়াতেই এই সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

/আশিক


শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা ও গণশিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ২০:২৭:০৪
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা ও গণশিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা
ছবি : সংগৃহীত

শিক্ষার্থীদের যথাযথ ও আধুনিক শিক্ষাদানে শিক্ষকদের নিজ নিজ পাঠদান পদ্ধতি নিয়মিত আত্মমূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রচলিত গতানুগতিক ধারায় একইভাবে বারবার পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নতুন কিংবা ব্যতিক্রমী ফল আশা করা যুক্তিসংগত নয়।

বুধবার (২১ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় দেশের সর্বস্তরের শিক্ষকদের প্রতি এ আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই বার্তায় ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেন, শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই নিজের কাজের মূল্যায়ন করা এবং নিজেকে প্রশ্ন করার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি। নির্দিষ্ট কোনো অধ্যায় বা বিষয়ভিত্তিক পাঠদান শেষে প্রতিটি শিক্ষকের উচিত নিজেকে জিজ্ঞাসা করা—শ্রেণিকক্ষের কতজন শিক্ষার্থী আলোচিত বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছে। আর যারা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের সহজভাবে শেখানোর জন্য নিজের কৌশলে কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গঠনমূলক চর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া, তাদের জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এবং পাঠদানের সময় সংঘটিত ভুলগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করেই নিজের শেখানোর পদ্ধতিকে আরও উন্নত করা সম্ভব। আর এটিই মূলত আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষকতার সবচেয়ে বড় ভিত্তি।

/আশিক


ক্রীড়াঙ্গনের নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৯:২২:১০
ক্রীড়াঙ্গনের নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ
ছবি : সংগৃহীত

ক্রীড়া এখন আর কেবল বিনোদন বা শারীরিক সুস্থতার মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি স্বীকৃত পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বাংলাদেশে ক্রীড়াকে সম্মাজনক পেশা হিসেবে সুদৃঢ় ভিত্তি দিতে বর্তমান সরকার স্কুল পর্যায় থেকেই ক্রীড়া শিক্ষাকে জাতীয় পাঠ্যক্রম বা সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত করেছে।

‘কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতা-২০২৬’ উপলক্ষ্যে বুধবার (২১ অক্টোবর) দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, খেলাধুলা মানুষের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের অন্যতম প্রধান মাধ্যম। একটি সুস্থ, কর্মক্ষম ও আত্মপ্রত্যয়ী জাতি গঠনে অ্যাথলেটিক্সের গুরুত্ব অপরিসীম। অ্যাথলেটিক্সকে ক্রীড়াঙ্গনের মৌলিক ভিত্তি উল্লেখ করে তিনি বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান তরুণ-তরুণীদের খুঁজে বের করে আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ, দক্ষ কোচ, পুষ্টি ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করতে পারে।

তরুণ সমাজকে মাদক, হতাশা ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে তিনি নারী অ্যাথলেটদের সমান সুযোগ-সুবিধা ও প্রতিভা বিকাশের ওপর জোর দেন। তিনি আহ্বান জানান, ভৌগোলিক অবস্থান বা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে কোনো উদীয়মান প্রতিভা যেন ঝরে না পড়ে। সবশেষে ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি প্রতিযোগিতার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

/আশিক


২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির ঘোষণা অর্থ উপদেষ্টার

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৮:৫৮:১১
২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির ঘোষণা অর্থ উপদেষ্টার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থব্যবস্থা পুনর্গঠনে ২০৩০ সালের মধ্যে রাজস্ব আদায় ১০ শতাংশ বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাজবাড়ী পৌরসভার মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত এক প্রেসব্রিফিংয়ে তিনি এই কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, বিদায়ী ক্ষমতাচ্যুত সরকার দেশের ব্যাংকিং খাতে যে ভঙ্গুর পরিস্থিতি রেখে গেছে, তা কাটিয়ে উঠতে প্রয়োজনীয় সংস্কারকাজ অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী সময়ে দেশ থেকে পাচার হয়ে যাওয়া আনুমানিক ৪০ বিলিয়ন ডলার অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কলকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ প্যাকেজ বা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রান্তিক ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড কর্মসূচি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো সামাজিক খাতগুলোতে সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক সরকারের নির্ধারিত রূপরেখার ওপর আস্থা রাখায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

/আশিক


ঢাকা-সৌদি রুটে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয়: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২১ ১৮:১৫:৪০
ঢাকা-সৌদি রুটে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয়: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
ছবি : সংগৃহীত

সৌদি আরবের একটি বিমানবন্দরে সম্প্রতি ঘটা হামলার জের ধরে আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ও বিমান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করায় ঢাকা-সৌদি রুটে তীব্র ফ্লাইট বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) পর্যন্ত সরাসরি ও ট্রানজিট মিলিয়ে মোট ১৩৪টি ফ্লাইট বাতিল ও স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। হঠাৎ ফ্লাইট সূচি ওলটপালট হওয়ায় অন্তহীন অনিশ্চয়তা ও চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন ২০ হাজার ২৫৪ জন যাত্রী।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্যমতে, আক্রান্ত ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৬১টি সরাসরি ঢাকা-সৌদি গন্তব্যের এবং ৭৩টি বিভিন্ন ট্রানজিট রুটের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় দেশি-বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোর ফ্লাইট পরিচালনা ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

বাতিল ও স্থগিত হওয়া ফ্লাইট তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ২২টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১৯টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, রিয়াদ এয়ারওয়েজের ১০টি এবং ইন্ডিগো এয়ারের সর্বাধিক ২৮টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া এমিরেটস এয়ারলাইনসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৮টি, সালাম এয়ারের ৭টি, এয়ার ইন্ডিয়ার ৬টি এবং ইজিপ্ট এয়ারের ১টি ফ্লাইটও এই বিপর্যয়ের মধ্যে পড়েছে।

ফ্লাইট সূচি সচল না থাকায় বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রীদের ভিড় ও দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। উদ্ভূত এই সংকট নিরসনে সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বেবিচক। স্থগিত হওয়া ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং যাত্রীদের সুবিধার্থে নতুন সময়সূচি নির্ধারণে এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।

/আশিক


শারদীয় দুর্গোৎসবে যোগ দিতে চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২০ ২০:৫২:৫৪
শারদীয় দুর্গোৎসবে যোগ দিতে চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানানো হয়। ছবি: কালবেলা

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একদিনের ঝটিকা সফরে চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৭টা ৪০ মিনিটে একটি সামরিক উড়োজাহাজে করে তিনি চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ সময় মন্ত্রিসভার সদস্য ও শীর্ষস্থানীয় দলীয় নেতারা তাকে বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। সফরসঙ্গী হিসেবে তার সঙ্গে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, মন্ত্রী ও দলের বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট নেতারা।

বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নগরের রহমতগঞ্জে ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। পূজামণ্ডপের কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রাম মহানগর এবং উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে একটি সাংগঠনিক বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার। সব ব্যস্ততা শেষে রাতেই তার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এই ব্যস্ত সফরের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে উড়ে সৈয়দপুর হয়ে রংপুরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে পথসভা ও রাধাগোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর তিনি রাজশাহীতে যান। রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় আখচাষিদের জন্য প্রণোদনা বিতরণ উদ্বোধন ও ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শনের ব্যস্ত দিনশেষে তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

/আশিক


সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশীর মৃত্যুদণ্ড: আইনি দিক ব্যাখ্যার ইঙ্গিত আইনমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২০ ১৯:৫১:২৮
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশীর মৃত্যুদণ্ড: আইনি দিক ব্যাখ্যার ইঙ্গিত আইনমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

বিরোধীদলের অনুপস্থিতি থাকলেও সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত কমিটির চলমান কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে বলে স্পষ্ট করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তবে পরবর্তীতে যখন এই সংশোধনী প্রস্তাব জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হবে, তখন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মিনগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিভিন্ন দেশে আটক বাংলাদেশী বন্দীদের বিষয়ে রাষ্ট্রদূতদের অবহেলার অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, ঢালাওভাবে এমন অভিযোগ তোলা যুক্তিযুক্ত নয়। তবে নির্দিষ্ট কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গাফিলতির তথ্য প্রমাণসহ পাওয়া গেলে তদন্তপূর্বক যথাযথ আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

একই অনুষ্ঠানে সৌদি আরবে সম্প্রতি দুই বাংলাদেশীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে আখ্যা দেন তিনি। তবে ভিয়েনা কনভেনশন ও সৌদি আইনি প্রক্রিয়ার যাবতীয় নথিপত্র পর্যালোচনা না করে এ বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেন আইনমন্ত্রী।

এর আগে আবাইপুর ইউনিয়নের ওই বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন আইনমন্ত্রী। সেখানে শিক্ষার্থী ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ জোগানের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২০ ১৯:৩৪:২০
সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ জোগানের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী গোষ্ঠী সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ জোগান দিচ্ছে এবং দেশের ভেতরে থাকা অপর একটি পক্ষ সেই অর্থে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানিয়ে দেশবাসীকে সজাগ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

সরকারপ্রধান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কয়েকটি শিল্পকারখানায় কৃত্রিম শ্রমিক অসন্তোষ তৈরির অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, যার নেপথ্যে স্পষ্ট গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে। পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার ও তাদের দোসররা অর্থ জুগিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ঘোলাটে করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। নির্বাচনের আগে যারা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য বা টিকিট বিক্রির মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল, তারাই এখন সেই অর্থের চাকা ঘুরিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিতে মত্ত। এ কারণে এই অপশক্তির বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

জনগণ কোনো ধরনের ভ্রান্ত রাজনীতিতে বিভ্রান্ত হবে না উল্লেখ করে তারেক রহমান আরও বলেন, বিগত সময়ে একাত্তর থেকে চব্বিশ—যখনই সুযোগ এসেছে, নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দল জনগণকে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। বিএনপি একাত্তরের স্বাধীনতা ও চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলন—দুই স্মৃতিকেই ধারণ করে। জুলাই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকাতে সম্প্রতি স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করা হলেও, চব্বিশকে ধারণ করার দাবিদার কিছু দল সেই অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। এর মাধ্যমেই প্রমাণিত হয় তাদের কথা ও কাজের মধ্যে কতটা বৈপরীত্য রয়েছে। বিএনপি জুলাই বিপ্লবের শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও আহতদের চিকিৎসায় কাজ করে যাচ্ছে এবং বিগত দিনের মতো আগামী পাঁচ বছরও দেশ গঠনে জনগণের ধারাবাহিক সমর্থন প্রত্যাশা করে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: