উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নিজেদের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি চীন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও সহযোগিতা দিয়ে আসছে, যা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে।
শুক্রবার সকালে ঠাকুরগাঁও শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে আয়োজিত চায়না-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুলব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী, অভিভাবক, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক কেবল কূটনৈতিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অর্থনীতি, অবকাঠামো, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের সহযোগিতা ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। তিনি জানান, ব্যক্তিগতভাবেও চীনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে এবং তিনি একাধিকবার দেশটি সফর করার সুযোগ পেয়েছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনা নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে চীনা অংশীদারদের আগ্রহের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই চীনের একটি প্রতিনিধিদল ঠাকুরগাঁও সফর করতে পারে। ওই সফরে শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের ভৌগোলিক অবস্থান, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি এবং মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে এখানে নতুন শিল্পায়নের সুযোগ রয়েছে। সঠিক পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে জেলাটি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে শিক্ষিত ও দক্ষ মানবসম্পদ। শুধু পাঠ্যপুস্তকভিত্তিক শিক্ষা নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ, প্রযুক্তিগত সুবিধা এবং অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান প্রজন্মকে এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা ভবিষ্যতে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নেতৃত্ব দিতে পারে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ, সৃজনশীল ও আত্মনির্ভরশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত Yao Wen, জেলা প্রশাসক রফিকুল হক, পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিনসহ প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের প্রতীকী এই আয়োজনের মাধ্যমে জেলার প্রায় সাড়ে ছয় হাজার শিক্ষার্থীর হাতে স্কুলব্যাগ, শিক্ষা সামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাসহায়ক উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
-রাফসান
১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল, ভাতা ও সুবিধা বেড়ে বেতন হচ্ছে যত
দীর্ঘ এক যুগের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। প্রায় ১১ বছর পর নবম জাতীয় পে-স্কেল চালুর সিদ্ধান্তকে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য অন্যতম বড় আর্থিক সংস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন এই বেতন কাঠামো আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে সরকার।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পে-স্কেলের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে একই বেতন কাঠামো বহাল থাকায় মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের আয়ের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় নতুন বাস্তবতায় বেতন পুনর্গঠন অপরিহার্য হয়ে উঠেছিল।
অর্থমন্ত্রী জানান, নতুন কাঠামো বাস্তবায়নের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং ক্রমবর্ধমান ব্যয় মোকাবিলায় তারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। একই সঙ্গে এটি প্রশাসনের দক্ষতা ও কর্মোদ্যম বাড়াতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, নতুন পে-স্কেল কার্যকর করতে চলতি অর্থবছরে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। এ খাতে বরাদ্দ প্রায় ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের বার্ষিক ব্যয় কয়েক দশ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেতে পারে।
নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সর্বোচ্চ গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে সর্বনিম্ন গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হচ্ছে। অর্থাৎ নিম্ন আয়ের কর্মচারীরাও আগের তুলনায় আড়াই গুণ পর্যন্ত বেতন বৃদ্ধির সুবিধা পাচ্ছেন।
প্রথম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় গ্রেডে বেতন হবে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা এবং তৃতীয় গ্রেডে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা। চতুর্থ গ্রেডে ১ লাখ টাকা এবং পঞ্চম গ্রেডে ৮৬ হাজার টাকা মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।
মধ্যম পর্যায়ের চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি এসেছে। ষষ্ঠ গ্রেডে বেতন ৭১ হাজার, সপ্তম গ্রেডে ৫৮ হাজার এবং অষ্টম গ্রেডে ৪৭ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নবম ও দশম গ্রেডে যথাক্রমে ৪৫ হাজার ১০০ এবং ৩২ হাজার টাকা মূল বেতন প্রস্তাব করা হয়েছে।
নিম্ন ও মধ্যম স্তরের কর্মচারীদের জন্যও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। একাদশ থেকে পঞ্চদশ গ্রেড পর্যন্ত বেতন ২২ হাজার ৮০০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ষোড়শ থেকে বিংশ গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন ২০ হাজার থেকে ২১ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে থাকবে।
সরকারি সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামোয় শুধু মূল বেতনই নয়, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধার ক্ষেত্রেও পুনর্বিন্যাস আনা হয়েছে। এর ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডের একজন কর্মচারী বিভিন্ন ভাতা যোগ করে মাসে প্রায় ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা পর্যন্ত সুবিধা পেতে পারেন।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে প্রায় কয়েক লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী সরাসরি উপকৃত হবেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পেনশনভোগীরাও এর ইতিবাচক প্রভাব অনুভব করবেন, কারণ নতুন বেতন কাঠামোর ভিত্তিতে পেনশন হিসাব পুনর্নির্ধারণের সুযোগ তৈরি হবে।
-রাফসান
১৫ টাকায় ৩০ কেজি চাল পাবে ৫৫ লাখ পরিবার
দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ৫৫ লাখ স্বল্প আয়ের পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে চাল সরবরাহের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, উপকারভোগী প্রতিটি পরিবার বছরে ছয় মাস প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবে মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার এবং দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তার আওতায় রাখতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক খাদ্যবাজারের অস্থিরতা, সরবরাহ ব্যবস্থার চাপ এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির মতো নানা বাস্তবতার মধ্যেও সরকার খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত মজুত ও সুষ্ঠু বণ্টন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করছে।
প্রস্তাবিত কর্মসূচির আওতায় একজন উপকারভোগী পরিবার ছয় মাসে মোট ১৮০ কেজি চাল সংগ্রহ করতে পারবে। বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক কম দামে এই চাল সরবরাহ করায় নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে আশা করছে সরকার।
বাজেট বক্তৃতায় খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, খাদ্যশস্যের সরকারি মজুত সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন অঞ্চলে নতুন গুদাম নির্মাণ, বিদ্যমান সংরক্ষণাগারের আধুনিকায়ন এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
-রাফসান
ঐতিহাসিক গৌরবময় অর্জনের জন্য ক্রিকেটার, কোচ ও বিসিবিকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
ক্রিকেট বিশ্বে এক নতুন ইতিহাস রচনা করে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজ জয় করায় বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও গভীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) রাতে প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে বৃষ্টি আইনে (ডিএলএস মেথড) ৫ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই এই ঐতিহাসিক ও গৌরবময় সিরিজ জয় নিশ্চিত করে টাইগাররা। এর আগে একই মাঠে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচেও দুর্দান্ত পারফর্ম করে বৃষ্টি আইনে ৮৬ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। টানা দুই জয়ে অজিদের বিপক্ষে সিরিজ নিজেদের করে নিলো চন্ডিকা হাথুরুসিংহের শিষ্যরা।
এক বিশেষ অভিনন্দন বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আঙিনায় বাংলাদেশের সাফল্যের এই ঈর্ষণীয় ধারা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এই ঐতিহাসিক বিজয় দেশের তরুণ প্রজন্মকে ক্রিকেটসহ অন্যান্য খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী ও অনুপ্রাণিত করে তুলবে। তিনি আরও বলেন, দলগত ঐক্য, কঠোর শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস বজায় রেখে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্ব ক্রিকেটে আগামী দিনে আরও বড় বড় সাফল্য অর্জন করবে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই প্রথম সিরিজ জয়ের মহাগৌরবময় অর্জনের জন্য প্রধানমন্ত্রী জাতীয় দলের সব খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান।
/আশিক
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: ব্যাংকে টাকা রাখায় কমছে সাধারণ মানুষের করের বোঝা
দেশের সাধারণ ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তির খবর নিয়ে এসেছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন জাতীয় বাজেট। ব্যাংকে জমা রাখা টাকার ওপর আবগারি শুল্ক (Excise Duty) অব্যাহতির বিদ্যমান সীমা একলাফে আরও বাড়াচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যাংক গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনা করে এখন থেকে যেকোনো একটি লোন বা ঋণ হিসাবের বিপরীতে বছরে বারবার নয়, বরং শুধুমাত্র একবারই আবগারি শুল্ক কাটার ঐতিহাসিক নতুন বিধান চালু করা হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদে দেশের ৫৫তম বাজেট ঘোষণার সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই জনবান্ধব ও যুগান্তকারী ঘোষণা দেন।
জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, "বর্তমানে ব্যাংকে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত ব্যাংক স্থিতির (Balance) ওপর কোনো আবগারি শুল্ক দিতে হয় না, অর্থাৎ এটি অব্যাহতি রয়েছে। দেশের মধ্যবিত্ত ও ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সরাসরি আর্থিক স্বস্তি প্রদানের স্বার্থে এই অব্যাহতির সীমা ৩ লাখ টাকা থেকে ১ লাখ টাকা বৃদ্ধি করে ৪ লাখ টাকা নির্ধারণের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করছি।" এর ফলে এখন থেকে ব্যাংকে ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত আমানত রাখলে গ্রাহকদের কোনো আবগারি শুল্ক বা বাড়তি কর গুনতে হবে না।
ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের জন্য নিয়ম সহজ করার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, "ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে এখন থেকে একটি লোন অ্যাকাউন্টের (Loan Account) বিপরীতে শুধুমাত্র একবারই আবগারি শুল্ক কর্তন করার নতুন আইনি বিধান প্রণয়নের প্রস্তাব করছি।" আগে বিভিন্ন ব্যাংক লোন হিসাবের বিপরীতে একাধিকবার বা ভিন্ন ভিন্ন মেয়াদে আবগারি শুল্ক কেটে রাখত, যা নিয়ে গ্রাহকদের মাঝে এক ধরনের অসন্তোষ ছিল। সরকারের এই নতুন সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ আমানতকারীদের পাশাপাশি ব্যবসায়ী ও ঋণগ্রহীতাদের ব্যাংকিং খরচ অনেকাংশে কমে আসবে, যা ব্যাংকিং খাতের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
/আশিক
বাজেটে মেগা ঘোষণা: নির্মিত হচ্ছে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতু
দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতিকে আরও ত্বরান্বিত করতে দেশের তিনটি মেগা অবকাঠামো প্রকল্পের বিশাল মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে সরকার। নতুন অর্থবছরে ‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’, ‘তৃতীয় মেঘনা সেতু’ এবং বহুল প্রতীক্ষিত ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে’ নির্মাণের আনুষ্ঠানিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট পেশকালে এই যুগান্তকারী তথ্য নিশ্চিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বহুগুণ বাড়ানো, আঞ্চলিক ও জাতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে রূপান্তর এবং নগর পরিবহন ব্যবস্থার সার্বিক দক্ষতা ও গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার একটি সর্বজনীন ও সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সম্পূর্ণ নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও সর্বাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বাজেটে বিশেষ অগ্রাধিকার ও বড় ধরনের তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
মহাসড়কগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান, দেশের প্রধান প্রধান জাতীয় মহাসড়কগুলোর টেকসই উন্নয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক করিডোরগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন যাতায়াত মাধ্যমের সমন্বিত যোগাযোগ কাঠামোর আওতায় দেশে একটি শক্তিশালী ‘মাল্টিমোডাল হাব’ গড়ে তোলার মেগা প্রজেক্ট বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও দুর্ঘটনা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশব্যাপী সড়ক নিরাপত্তা জোরদারে মোট ৯৪টি বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ ছাড়া সড়কে অকাল প্রাণহানি ও দুর্ঘটনা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘সেফটি সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ ভিত্তিক ‘বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প’-এর স্থগিত হয়ে যাওয়া মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমও নতুন করে পুনরায় পুরোদমে চালু করা হয়েছে।
/আশিক
স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ার বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
টেকসই রাষ্ট্রীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, মেধাভিত্তিক, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক প্রাতিষ্ঠানিক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের প্রতিটি সরকারি বিনিয়োগ ও উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল, দক্ষ ও কার্যকর করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের দেশের ৫৫তম জাতীয় বাজেট পেশকালে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী তাঁর বাজেট বক্তৃতায় স্পষ্ট করে বলেন, রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী এবং টেকসই করতে হলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতামুক্ত একটি মেধাভিত্তিক, দক্ষ ও জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো বিকল্প নেই।
নতুন অর্থবছরে সরকারের মূল লক্ষ্য থাকবে সরকারি অর্থায়নে গৃহীত প্রকল্প ও বিনিয়োগের শতভাগ সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং বাস্তবায়নের সার্বিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা। অপচয় ও দুর্নীতি রোধ করে রাষ্ট্রীয় এই নতুন প্রশাসনিক সংস্কারের মাধ্যমে জনগণের ট্যাক্সের টাকার সর্বোচ্চ উপযোগিতা নিশ্চিত করা হবে বলে বাজেট বক্তৃতায় বিশেষভাবে আশ্বস্ত করা হয়েছে।
/আশিক
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ‘আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল’-এর লাইসেন্স সম্পূর্ণ বাতিল করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS)। হাসপাতালটির এক ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয় নবজাতকের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় কারণ দর্শানোর নোটিশের (শোকজ) বিপরীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া লিখিত ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হওয়ায় এই চূড়ান্ত ও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) বিকেলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
এই লাইসেন্স বাতিলের বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি আদেশে বলা হয়েছে—গত ২৭ মে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের একটি বিশেষ ওয়ার্ডে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ওই লোমহর্ষক ঘটনার পর মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গঠিত উচ্চপর্যায়ের বিশেষ তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, সেন্ট্রাল অক্সিজেনের তীব্র স্বল্পতা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলাই ছিল সেই নিষ্পাপ শিশুদের মৃত্যুর মূল কারণ। এই গুরুতর অপরাধের পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতালটির লাইসেন্স কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছিল।
সরকারি আদেশে আরও বলা হয়, শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রথমে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলেও তারা অতিরিক্ত আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়ে আবেদন করে। পরবর্তীতে গত মঙ্গলবার (৯ জুন) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শোকজের জবাব জমা দেয়। কিন্তু আজ ১১ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনায় তাদের দেওয়া সেই আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাখ্যাটি সম্পূর্ণ অসন্তোষজনক এবং দায়সারা বলে প্রমাণিত হয়।
এর ফলে প্রচলিত ‘দ্য মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮২’-এর ১১(২)(খ) ধারা অনুযায়ী মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তবে আইনের একই অধ্যাদেশের ১২ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্স বাতিলের এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আদেশ জারির তারিখ থেকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে আপিল বা আবেদন করার একটি শেষ আইনি সুযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের রয়েছে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে ভোরে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয়টি নবজাতক শিশু কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে একে একে মারা যায়। এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটির দীর্ঘ তদন্ত প্রতিবেদনে হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত চরম অব্যবস্থাপনা এবং ওই রাতে ডিউটিতে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির একাধিক অকাট্য দিক উঠে আসে। প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়, যে ওয়ার্ডটিতে নবজাতকদের রাখা হয়েছিল, সেটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী সংবেদনশীল রোগীদের রাখার জন্য মোটেও উপযুক্ত ছিল না; সেখানে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং এসি ব্যবস্থাও ছিল অত্যন্ত অপ্রতুল ও অনিয়মিত।
সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো—ঘটনার মূল সময়ে ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো নিবন্ধিত চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং শিশুদের অবস্থা গুরুতর হওয়ার পরও তাঁদের সময়মতো জরুরি চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে আরও নিশ্চিত করা হয়েছে যে, জন্মের পর নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিল এবং প্রসব-পরবর্তী কোনো জটিলতা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজনীয়তাও ছিল না। মূলত হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, আকস্মিক অক্সিজেন সংকট, পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব এবং চরম প্রশাসনিক ত্রুটির কারণেই এই অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
/আশিক
৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেটে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাতীয় বাজেট উপস্থাপনের আগে চূড়ান্ত প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মাধ্যমে জাতীয় বাজেট সংসদে উপস্থাপনের আনুষ্ঠানিক পথ উন্মুক্ত হলো। বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রথম জাতীয় বাজেট, একইসঙ্গে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরুরও প্রথম বাজেট উপস্থাপন।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের জন্য সরকারের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় বাজেট। সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি, সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই বিশাল বাজেট কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ সরকারের সম্ভাব্য আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল ঘাটতি মোকাবিলা করতে সরকারকে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহ করতে হবে।
বাজেট নথি অনুযায়ী, ঘাটতি অর্থায়নের জন্য বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করা হয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ আসবে ব্যাংকিং খাত থেকে। ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ গ্রহণের পরিকল্পনা করেছে। অন্যদিকে সঞ্চয়পত্র, বন্ড এবং অন্যান্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যে এমন একটি বড় বাজেট বাস্তবায়ন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে রাজস্ব আহরণের উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ঘাটতি নিয়ন্ত্রণ আগামী অর্থবছরের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার অন্যতম প্রধান পরীক্ষা হবে।
এবারের বাজেটে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ উন্নয়ন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহায়তা, ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর জন্যও কিছু বিশেষ উদ্যোগ ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে।
সংসদীয় বিধি অনুযায়ী, বাজেট জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদন গ্রহণ বাধ্যতামূলক। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আনুষ্ঠানিক সম্মতির মাধ্যমে এটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। পরবর্তীতে সংসদীয় আলোচনার পর বাজেট পাস হলে আগামী ১ জুলাই থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেট কার্যকর হবে।
-রফিক
বাজেটে স্বস্তি ও চাপ দুটোই, কোন পণ্যে কী পরিবর্তন?
দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট আজ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় আসার পর এটি প্রথম বাজেট হওয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে এর গুরুত্ব বিশেষভাবে বেড়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় নতুন বাজেটের আকার প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই বৃহৎ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে ব্যয় ও আয়ের ব্যবধানের কারণে বাজেটে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে দেশীয় ও বৈদেশিক ঋণ, উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা এবং অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেটে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কিছু স্বস্তির খবরও থাকতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ৬০টি পণ্যে কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে বাজারে কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা কিংবা কমানোর সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্য ও ভোগ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে সব খাতে স্বস্তি মিলছে না। নির্মাণ খাতের জন্য নতুন বাজেট কিছুটা চাপের কারণ হতে পারে। আবাসন শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল এমএস রড ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর ও ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বাজারে রডের দাম বাড়বে এবং নতুন বাড়ি বা অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে।
তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে সরকার। সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হতে পারে। পাশাপাশি নিকোটিন পাউচের ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হতে পারে। একই সঙ্গে সিগারেটের প্রতিটি প্যাকেটে কিউআর কোড সংযোজন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে কর ফাঁকি ও অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে বলে মনে করছে সরকার।
দেশীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যালকোহল বা মদের ক্ষেত্রেও করের বোঝা বাড়তে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতি লিটার অ্যালকোহলের ওপর ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপের সুপারিশ রয়েছে। ফলে মদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন।
আমদানি নির্ভর বিলাসী খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রেও নতুন করনীতি আসতে পারে। উচ্চমূল্যের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য এবং নতুন করে ১০টি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা উচ্চমূল্যের হিমায়িত মাছের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে।
দেশীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার যুক্তিতে কাজুবাদাম আমদানির ওপর শুল্কও বড় ধরনের বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে ৫ শতাংশ শুল্ক থাকলেও তা একলাফে ২৫ শতাংশে উন্নীত করার আলোচনা চলছে। সরকারের ধারণা, এতে দেশীয় উৎপাদকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন এবং স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত হবেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ। একই সঙ্গে জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সব মিলিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। করছাড়, নতুন বিনিয়োগ উদ্যোগ, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব সংস্কারের মধ্য দিয়ে সরকার একদিকে যেমন প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে চায়, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার চেষ্টাও অব্যাহত রাখবে।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- উন্নয়নে বাংলাদেশের পাশে থাকবে চীন: মির্জা ফখরুল
- জেডি ভ্যান্সের সফর জল্পনা, বাড়ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির সম্ভাবনা
- ১১ বছর পর নতুন পে-স্কেল, ভাতা ও সুবিধা বেড়ে বেতন হচ্ছে যত
- ট্রাম্পের দাবিকে ‘কল্পনাপ্রসূত’ বলল ইরান
- ১৫ টাকায় ৩০ কেজি চাল পাবে ৫৫ লাখ পরিবার
- শিরোপা যুদ্ধ ও বিশ্বকাপ, আজকের ক্রীড়াসূচি এক নজরে
- মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ থামল? নতুন ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প
- শুক্রবারের নামাজের সময় প্রকাশ, প্রস্তুত তো?
- স্বর্ণ কিনতে এটাই কি সেরা সময়? নতুন দর প্রকাশ
- শুক্রবার বন্ধ রাজধানীর যেসব মার্কেট, দেখে নিন তালিকা
- ৪১ বছর বয়সি রোনালদোর অফ-ফর্মে পর্তুগাল শিবিরে বড় দুশ্চিন্তার ভাঁজ
- ঐতিহাসিক গৌরবময় অর্জনের জন্য ক্রিকেটার, কোচ ও বিসিবিকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
- নানিয়ারচর জোনের মানবিক উদ্যোগ: বটতলী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- ব্র্যাকের উদ্যোগে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে ১ হাজার হাঁসের বাচ্চা বিতরণ
- দেবিদ্বার-চান্দিনা-মুরাদনগর: হামের হটস্পট, অথচ অন্ধকারে স্বাস্থ্য বিভাগ
- পর্দা উঠছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের; আজ মেক্সিকো সিটিতে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান
- রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের বড় উপহার; নতুন বাজেটে বিশেষ ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর ঘোষণা
- আজ রাতেই ইরানে 'খুব কঠোর' হামলার ঘোষণা দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প
- বাহরাইন ও জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের সমন্বিত মেগা অপারেশন
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: ব্যাংকে টাকা রাখায় কমছে সাধারণ মানুষের করের বোঝা
- বাজেটে মেগা ঘোষণা: নির্মিত হচ্ছে দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতু
- স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন গড়ার বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
- ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বড় ঘোষণা অর্থমন্ত্রীর
- আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল
- ১১ জুন ২০২৬: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ১১ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১১ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকার বাজেটে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন
- মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি, ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি
- স্বর্ণবাজারে বড় ধস, ৯ দিনে ভরিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা কমেছে সোনার দাম
- বাজেটে স্বস্তি ও চাপ দুটোই, কোন পণ্যে কী পরিবর্তন?
- মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন? জেনে নিন সেরা ৪ প্ল্যাটফর্ম, খরচ কত
- ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেটে কী থাকছে সাধারণের জন্য
- সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর আসছে
- প্রথম বাজেটেই বড় চমক দিতে যাচ্ছে বিএনপি সরকার
- সোনার বাজারে রেকর্ড পতন, ১ লাখ ৮২ হাজারে মিলবে এক ভরি
- ৭ জেলায় দুপুরের মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির সতর্কবার্তা
- ফুটবল-ক্রিকেটে জমজমাট বৃহস্পতিবার, জানুন সূচী
- বিশ্বকাপ জিতলে চ্যাম্পিয়ন পাবে কত টাকা? জানুন প্রাইজমানির অঙ্ক
- আজ ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না, জানুন কোথায়
- আজকের নামাজের সময়সূচি: ফজর থেকে এশা একনজরে
- ইরানকে আবারও হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হওয়ার শঙ্কা
- নতুন বাজেটে কমতে পারে চাল-ডালসহ ৬০ পণ্যের দাম
- বিদেশি বিনিয়োগ ও বাংলাদেশে ব্যবসায়িক সুযোগ বিষয়ক আলোচনা সভা এডিনবরায় অনুষ্ঠিত
- আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে আবহাওয়া? নতুন তথ্য দিল অধিদপ্তর
- কুমিল্লায় পুলিশের ওপর হামলা-গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় ১৯ জন গ্রেপ্তার
- বৈঠাকাটা বাজারের রাস্তা সংস্কারে ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে জনমনে স্বস্তি
- বর্তমান সংকটের মূল উৎস যুক্তরাষ্ট্র: ইরান
- ৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, এবার কি পূরণ হবে বিশ্বকাপের স্বপ্ন?
- নতুন মাইলফলক, দেশের মাথাপিছু আয় ও জিডিপিতে নতুন রেকর্ড
- বিশ্বকাপ ট্রফির সঙ্গে মিলবে রেকর্ড প্রাইজমানি, কত সেই টাকা
- সাহারার মৃত্যুফাঁদে ৪৯ প্রাণ: বিকল ট্রাক, ফুরিয়ে যায় পানি, মরুভূমিতেই শেষ যাত্রা
- টিভি ও মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখার পূর্ণ গাইড
- বিশ্বকাপ জিতলে চ্যাম্পিয়ন পাবে কত টাকা? জানুন প্রাইজমানির অঙ্ক
- সোনা কিনবেন? জেনে নিন আজকের নতুন দর
- মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন? জেনে নিন সেরা ৪ প্ল্যাটফর্ম, খরচ কত
- মেগা করছাড়ের বাজেট, কমবে-বাড়বে যেসব পণ্যের দাম
- নেতানিয়াহুকে কড়া বার্তা ট্রাম্পের, ইরানে হামলা বন্ধের চাপ
- ডলারের নতুন দর কত? আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
- আজকের খেলার সূচি, কখন কোথায় দেখবেন?
- স্বর্ণবাজারে বড় ধস, ৯ দিনে ভরিতে প্রায় ২০ হাজার টাকা কমেছে সোনার দাম
- ৯ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ইউরেনিয়াম কর্মসূচিতে ছাড় নয়, ট্রাম্প হলেন ‘অবিশ্বস্ত’- ইরান
- ৮ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- বিদ্যুৎ বিভ্রাট, আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়








