বাজেটে স্বস্তি ও চাপ দুটোই, কোন পণ্যে কী পরিবর্তন?

দেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দলিল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট আজ জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হচ্ছে। বিকেল ৩টায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংসদে বাজেট বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের ক্ষমতায় আসার পর এটি প্রথম বাজেট হওয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অঙ্গনে এর গুরুত্ব বিশেষভাবে বেড়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বাজেট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় নতুন বাজেটের আকার প্রায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই বৃহৎ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরে সরকারের মোট রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। তবে ব্যয় ও আয়ের ব্যবধানের কারণে বাজেটে প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে দেশীয় ও বৈদেশিক ঋণ, উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা এবং অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাজেটে সাধারণ ভোক্তাদের জন্য কিছু স্বস্তির খবরও থাকতে পারে। নিত্যপ্রয়োজনীয় প্রায় ৬০টি পণ্যে কর ও শুল্ক কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে বাজারে কিছু পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা কিংবা কমানোর সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে খাদ্যপণ্য ও ভোগ্যপণ্যের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে সব খাতে স্বস্তি মিলছে না। নির্মাণ খাতের জন্য নতুন বাজেট কিছুটা চাপের কারণ হতে পারে। আবাসন শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল এমএস রড ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট কর ও ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বাজারে রডের দাম বাড়বে এবং নতুন বাড়ি বা অবকাঠামো নির্মাণ ব্যয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে।
তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে সরকার। সিগারেট উৎপাদনে ব্যবহৃত ফিল্টার তৈরির কাঁচামালের ওপর ৩০০ শতাংশ এবং নিকোটিনের ওপর ৩৫০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হতে পারে। পাশাপাশি নিকোটিন পাউচের ওপর ৪০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপের বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার সিগারেটের প্যাকেটের দাম ১৮৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১০ টাকা করা হতে পারে। একই সঙ্গে সিগারেটের প্রতিটি প্যাকেটে কিউআর কোড সংযোজন বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে কর ফাঁকি ও অবৈধ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে বলে মনে করছে সরকার।
দেশীয়ভাবে উৎপাদিত অ্যালকোহল বা মদের ক্ষেত্রেও করের বোঝা বাড়তে পারে। প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতি লিটার অ্যালকোহলের ওপর ৫০০ টাকা সুনির্দিষ্ট ভ্যাট আরোপের সুপারিশ রয়েছে। ফলে মদের বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন।
আমদানি নির্ভর বিলাসী খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রেও নতুন করনীতি আসতে পারে। উচ্চমূল্যের বিভিন্ন খাদ্যপণ্য এবং নতুন করে ১০টি পণ্যের আমদানি পর্যায়ে ২০ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া বিদেশ থেকে আমদানি করা উচ্চমূল্যের হিমায়িত মাছের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের পরিকল্পনাও রয়েছে।
দেশীয় কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার যুক্তিতে কাজুবাদাম আমদানির ওপর শুল্কও বড় ধরনের বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্তমানে ৫ শতাংশ শুল্ক থাকলেও তা একলাফে ২৫ শতাংশে উন্নীত করার আলোচনা চলছে। সরকারের ধারণা, এতে দেশীয় উৎপাদকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পাবেন এবং স্থানীয় উৎপাদন বাড়াতে উৎসাহিত হবেন।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন বাজেটের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ। একই সঙ্গে জনগণের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি ফিরিয়ে আনার বিষয়েও সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সব মিলিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট দেশের অর্থনীতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। করছাড়, নতুন বিনিয়োগ উদ্যোগ, সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ এবং রাজস্ব সংস্কারের মধ্য দিয়ে সরকার একদিকে যেমন প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে চায়, অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলার চেষ্টাও অব্যাহত রাখবে।
-রাফসান
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও বৈষম্য মোকাবিলায় বহুপাক্ষিকতা কেবল কোনো বিকল্প পথ নয়, বরং এটি অত্যন্ত অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক কূটনীতির প্রতি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববাসীর সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কার্যকর ও অর্থবহ সংস্কারকে জোরালোভাবে সমর্থন করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুদৃঢ় করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাণীতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক কর্মকাণ্ডে সরকারের নতুন ও সক্রিয় ভূমিকার অঙ্গীকারকে ফুটিয়ে তোলে। বাংলাদেশ সবসময় একটি প্রতিনিধিত্বমূলক, স্বচ্ছ ও কার্যকর জাতিসংঘের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্বশান্তি রক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে তিনি স্মরণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ও অব্যাহত সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরিশেষে, পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনা, বিভেদ ভুলে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধি অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
/আশিক
আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী
ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে সমাজ গঠনে নিয়োজিত ইমাম ও আলেম সমাজের নিরাপত্তা ও সম্মানের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নিজের রক্ত দিতেও কুণ্ঠাবোধ করবেন না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সম্মেলনে উপস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশের কওমি ওলামায়ে কেরাম ও ইমামরা ইসলামের মূল ধারক ও বাহক। তাঁদের যেকোনো ন্যায্য প্রয়োজনে ও সুরক্ষায় গায়ের রক্ত দিতে হলেও তিনি দ্বিধা করবেন না। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, মাদ্রাসাসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে।
একই সঙ্গে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা নস্যাৎ করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। সমাজে ইমামদের অগাধ গ্রহণযোগ্যতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাস, শিশু নির্যাতন ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদানের তাগিদ দেন তিনি। কাউন্সিল অধিবেশনে ইমাম সমিতির পক্ষ থেকে সারা দেশের ইমামদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া মন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।
/আশিক
মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ
প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকালে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ ও প্রশাসনিক বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।
শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাকশন এইডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কপ ৩১ ন্যাশনাল পজিশন পেপার আনভেইলিং অ্যান্ড ডায়লগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, কোন রাষ্ট্রদূতকে কখন মন্ত্রণালয়ে তলব বা ফিরিয়ে আনা হবে, সেটি কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয় নয়; বরং এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পূর্ণ নিজস্ব ও রুটিন প্রক্রিয়া।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধকাল থেকে শুরু করে জাপান সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার। বিশেষ করে বিএনপি সরকারের আমলেই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হয়েছে। জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকারি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সফরকালে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, পোশাক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী ‘বাংলাদেশ ইনভেস্ট’ আইনের মাধ্যমে দেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় সচিব এম নজরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে টোকিওতে পাঠানো হয়েছে।
/আশিক
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের জেটি এলাকায় গিয়ে তিনি চলমান বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা ও কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, গতিশীল পণ্য খালাস ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।
উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবায়ন ও মোংলা বন্দরের সার্বিক সক্ষমতা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এ দিন সকালে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তিনি। সকাল ১০টার দিকে মোংলায় যাওয়ার পূর্বে তিনি খুলনা ও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার ও জলযানে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটিতে প্রবেশের সময় প্রধান ফটকে সমবেত দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
পরিদর্শনের সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন। বন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা শেষ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।
/আশিক
বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি সার রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়াশিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ আত্তাফের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন খাতবিষয়ক এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে আলজেরিয়া থেকে সরাসরি সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতিতে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হলো। এছাড়া বাংলাদেশের তেল শোধনাগার, এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং খনিজ গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানে যৌথভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে আলজিয়ার্স।
জ্বালানি খাতের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে আলজেরিয়ার পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে। আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের দেশের প্রেসিডেন্ট চুক্তিটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সই করার নির্দেশনা দেন। বৈঠকে বাংলাদেশে সার সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আলজেরিয়ার নিজস্ব বস্ত্রশিল্প পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে শীঘ্রই ঢাকায় পরবর্তী ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
/আশিক
বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম
‘বট’ ও গোপন শত্রুর উপস্থিতি কেবল জামায়াতে ইসলামী বা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং খোদ বিএনপির রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যেও এদের অস্তিত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী ‘মম-ইন’ হোটেলের কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।
নিজের সন্তানদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সমালোচনার সরাসরি জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এই নামকরণের পেছনে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত আগ্রহ বা স্বার্থ জড়িত ছিল না। ওই এলাকার সাধারণ মানুষই ভালোবেসে তাঁর দুই সন্তান ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’-এর নামে ইউনিয়নের নামকরণ করেছিলেন। তবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিতর্ক এড়াতে নাম পরিবর্তনের নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই তা দ্রুত পরিবর্তন করে 'জগন্নাথপুর' ইউনিয়ন রাখা হয়েছে।
ঐতিহাসিক বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিএনপিকে আক্রমণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, বগুড়ার জহরুল নগর যদি সাবেক মেয়রের নামে হতে পারে, তবে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না কেন? ঢাকা বা মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের নামকরণের উদাহরণ দিয়ে তিনি দলকে আক্রমণকারী সমালোচকদের যথাযথ জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।
বগুড়া অঞ্চলের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে বর্তমান সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। বিগত দুই দশকের উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে বগুড়ার ৬ জন সংসদ সদস্য একযোগে সরকারের সাথে আলোচনা করে সমন্বিত কাজ করবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
/আশিক
অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা
জমি কেনাবেচা কিংবা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকানা সরকারি রেজিস্টারে হালনাগাদ করার জন্য নামজারি (মিউটেশন) প্রক্রিয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্প্রতি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির নামজারির আবেদনে মৃত ব্যক্তির সকল ওয়ারিশের নাম বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করে ‘যৌথ নামজারি’ করতে হবে। পূর্বে ওয়ারিশদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বণ্টন না থাকলেও আবেদন বাতিলের সুযোগ ছিল, যা এখন বন্ধ করা হয়েছে। তবে যৌথ খতিয়ান থেকে বের হয়ে কোনো ওয়ারিশ যদি নিজ নামে পৃথক বা আলাদা খতিয়ান তৈরি করতে চান, তবে অবশ্যই নিবন্ধিত বণ্টননামা দলিল জমা দিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র বা সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর কর্তৃক প্রদত্ত সঠিক ওয়ারিশ সনদের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।
অনলাইনে নামজারির জন্য আবেদনকারীদের সরকারি পোর্টাল (land.gov.bd)-এ প্রবেশ করে 'ই-নামজারি' সেবার মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র, পূর্ববর্তী খতিয়ান, জমার দলিল এবং ওয়ারিশ সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ভূমি বিশেষজ্ঞরা জানান, সময়মতো নামজারি না করা হলে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ, জমি পুনরায় বিক্রি কিংবা আইনি বিরোধের সময় মালিকানা নিয়ে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। তাই যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সঠিক তথ্য জমা দিয়ে নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
/আশিক
সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালির গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধকে কেন্দ্র করে পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে সশস্ত্র গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে পাহাড়ির আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল ইউপিডিএফের (ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট) সশস্ত্র সদস্যরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে ইউপিডিএফের অবরোধের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বেড়াতে আসা প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে এবং আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দিতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। গঙ্গারাম বাজার এলাকায় সকালে সড়ক অবরোধকারীরা যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে টহল দল আলোচনার মাধ্যমে তা স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। তবে পৌনে ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনী লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
এর কিছুক্ষণ পর ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা হঠাৎ পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও আত্মরক্ষার্থে সেনাবাহিনীর টহল দলও পাল্টা গুলি চালালে সশস্ত্র দলটি পিছু হটে। পরবর্তীতে যৌথ বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে আটকে পড়া তিন হাজার পর্যটককে নিরাপদে নিরাপদ গন্তব্যে সরিয়ে নেওয়া হয়। এই সংঘর্ষে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। সেনাবাহিনীর প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চলমান অভিযান ব্যাহত করা এবং স্থানীয়দের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভয়ভীতি ছড়াতেই এই সহিংসতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
/আশিক
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা ও গণশিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা
শিক্ষার্থীদের যথাযথ ও আধুনিক শিক্ষাদানে শিক্ষকদের নিজ নিজ পাঠদান পদ্ধতি নিয়মিত আত্মমূল্যায়নের আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, প্রচলিত গতানুগতিক ধারায় একইভাবে বারবার পড়িয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নতুন কিংবা ব্যতিক্রমী ফল আশা করা যুক্তিসংগত নয়।
বুধবার (২১ অক্টোবর) নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় দেশের সর্বস্তরের শিক্ষকদের প্রতি এ আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া ওই বার্তায় ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন উল্লেখ করেন, শিক্ষকতা জীবনের শুরু থেকেই নিজের কাজের মূল্যায়ন করা এবং নিজেকে প্রশ্ন করার মানসিকতা তৈরি করা জরুরি। নির্দিষ্ট কোনো অধ্যায় বা বিষয়ভিত্তিক পাঠদান শেষে প্রতিটি শিক্ষকের উচিত নিজেকে জিজ্ঞাসা করা—শ্রেণিকক্ষের কতজন শিক্ষার্থী আলোচিত বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে পেরেছে। আর যারা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের সহজভাবে শেখানোর জন্য নিজের কৌশলে কী ধরনের পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে গঠনমূলক চর্চার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তিনি আরও বলেন, ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া, তাদের জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী এবং পাঠদানের সময় সংঘটিত ভুলগুলো নিয়মিত পর্যালোচনা করেই নিজের শেখানোর পদ্ধতিকে আরও উন্নত করা সম্ভব। আর এটিই মূলত আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষকতার সবচেয়ে বড় ভিত্তি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতের তাগিদ আসিফ নজরুলের
- প্রেক্ষাগৃহে রজনীকান্তের উপস্থিতি ও বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস
- ফুটবল বিশ্বে নতুন জল্পনা: সেরা কোচের পুরস্কারের দৌড়ে এগিয়ে যিনি
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের
- জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি
- প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক রাজনৈতিক নেতা: রাশেদ খাঁন
- আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী
- চার মাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ সাপ্তাহিক পতনের মুখে মূল্যবান ধাতু
- মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ
- এপস্টিন ফাইলে নাম জড়িয়ে সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনা হুথি নেতাদের
- 'এখন থেকে ১০ হাজার লোক নিয়ে চলব': সরাইল থানায় এমপি রুমিন ও ওসির তীব্র বাগ্বিতণ্ডার পেছনে আসল ঘটনা কী?
- যে আতঙ্কে খালি করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানির সদর দপ্তর: বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত?
- ভালো বা যোগ্য মানুষ দেখে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দেয় না: ডা. তাসনিম জারা
- টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বলের ইতিহাস ও নতুন বিশ্বরেকর্ড
- রিয়াদ ও মদিনায় বড় ধরনের ড্রোন হামলার দাবি সৌদি জোটের
- সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই: ডা. শফিকুর রহমান
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ৫ দিনের বিশেষ পূর্বাভাস
- ৯৬-এর মতো আওয়ামী লীগ-জামায়াত মিলে ষড়যন্ত্র করছে: রাশেদ খাঁন
- অবৈধ মোবাইল ফোন নিয়ে বিটিআরসির বড় সিদ্ধান্ত
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
- বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
- বিভ্রান্তিকর ছবি ট্রোলের কড়া জবাব দিলেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
- ভিডিও বানিয়ে আয়ের সুযোগ দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স
- ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আলোচনায় রাজি রাশিয়া
- বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম
- মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তপ্ত: সৌদি বিমানবন্দরে হামলায় রক্তাক্ত প্রবাসীরা
- অনলাইনে ই-নামজারি করবেন যেভাবে: জমি মালিকদের জন্য জরুরি নির্দেশিকা
- এআই চ্যাট গোপনে রাখতে মেটার পর এবার ওপেনএআইয়ের বড় পদক্ষেপ
- সাজেক সড়কে বন্দুকযুদ্ধ ও পর্যটকদের চরম ভোগান্তি
- সৌদি মিডিয়ার খবর দেখে দুই বাংলাদেশির প্রাণদণ্ডের তথ্য জানল কনস্যুলেট
- আবারও সাময়িকভাবে বন্ধ হলো সাজেক ভ্যালি
- বৃহস্পতিবার দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকায়
- শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা ও গণশিক্ষামন্ত্রীর বিশেষ বার্তা
- ইরানে বড় হামলার পরিকল্পনা ইসরায়েলের: মাঝপথে রুখে দিলেন ট্রাম্প
- ফেসবুকে উঠে যাচ্ছে অতিপরিচিত ‘রিচ’ মেট্রিক: মেটার নতুন সিদ্ধান্ত
- শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকারকে ১৮ ডিসেম্বরের আলটিমেটাম
- ক্রীড়াঙ্গনের নতুন যুগে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ
- এনসিপি অপকর্মের আশ্রয়স্থল ও জামায়াত আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন কেন্দ্র: রাশেদ খাঁন
- ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ শতাংশ রাজস্ব বৃদ্ধির ঘোষণা অর্থ উপদেষ্টার
- ফরাসি রাজপথে ‘বিসমিল্লাহ’ যুক্ত বিশেষ স্লোগান ঘিরে নতুন তোলপাড়
- ফাইনালে ওঠার কঠিন সমীকরণের মুখে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ
- ১৫ বছর ধরে নিখোঁজ স্ত্রীকে সাগরের গভীরে খুঁজছেন এক স্বামী
- ব্যালন ডি’অর নিয়ে বায়ার্ন মিউনিখের রহস্যময় বার্তা
- মার্কিন ডিভি লটারি ফিরছে: সুযোগ কি পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা?
- ঢাকা-সৌদি রুটে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয়: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
- ফ্রান্সের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আন্তর্জাতিক উত্তাপ
- টসে জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ: একাদশে বড় পরিবর্তন
- পাঁচ বছরের পারফরম্যান্সই ঠিক করবে পরবর্তী নির্বাচন: চিফ হুইপ
- শারদীয় দুর্গোৎসবে যোগ দিতে চট্টগ্রাম পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
- সরকারি কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে অর্থ বিভাগের অতি জরুরি প্রজ্ঞাপন
- এআই ভুয়া আইডি ও গুজব রুখতে সাধারণদের জন্য বিনামূল্যে ভেরিফায়েড ব্যাজ আনছে ফেসবুক
- এক হাতে পিস্তল ও অন্য হাতে মাইক নিয়ে ইশরাক হোসেনের মাদকবিরোধী ধাওয়া
- শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে ভিসামুক্ত ভ্রমণ: ৩৫টি দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা
- আন্তর্জাতিক ত্রিদেশীয় ক্রিকেটে বেঁচে থাকার লড়াইয়ে নজিরবিহীন সমীকরণের মুখে জাতীয় দল
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর জেরে নতুন বিতর্ক, মুখ খুলল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
- হুথি হামলার মুখে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত মিশর: প্রেসিডেন্ট সিসি
- বলিউডের জনপ্রিয় তারকার ওপর হামলার ঘটনায় দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ও বড় ধরনের সাফল্য
- ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও নিরাপদ উপাসনা সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব: সালাহউদ্দিন আহমদ
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি খাতের অস্থিরতায় বৈশ্বিক মূল্যবান ধাতুর বাজারে নতুন দরপতন
- অক্টোবরের বাকি দিনগুলোতে রাতের আকাশে ওরিওনিড উল্কাবৃষ্টি ও হান্টার্স মুনের মেলা
- বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার ফিরিয়ে আনা শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- রাজশাহীর প্রায় ৩৯ হাজার আখচাষীকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৩ দফা দাবি জানাল জাতীয় নাগরিক পার্টি
- তাপমাত্রা ও বৃষ্টিপাত নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ১২০ ঘণ্টার সতর্কবার্তা








