তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকার মহৌষধ: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?

তীব্র তাপদাহে সারা দেশের জনজীবন এখন বিপর্যস্ত। এই অসহনীয় গরমে সুস্থ থাকাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং দ্য টাইমস ম্যাগাজিনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তীব্র গরমে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার কিছু কার্যকর উপায় নিচে দেওয়া হলো।
তীব্র রোদে ঘর ঠান্ডা রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দিনের বেলা রোদের তাপ বেশি থাকলে জানালা বন্ধ রেখে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন। তবে সন্ধ্যার পর বাইরের বাতাস যখন কিছুটা ঠান্ডা হয়, তখন সব জানালা খুলে দিয়ে ঘরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করুন। ঘরে অপ্রয়োজনীয় লাইট বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র বন্ধ রাখলে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে।
অনেকেই মনে করেন ফ্যান সব সময় আরাম দেয়, কিন্তু তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে গেলে ফ্যান সরাসরি ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রিতে সেট করে সাথে একটি ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ বিলও কম আসে।
গরমে আরাম পেতে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরার বিকল্প নেই। নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন এবং বাইরে থেকে ফিরে ঘাম শুকিয়ে শরীর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝেমধ্যে চোখে-মুখে পানির ঝাপটা বা স্প্রে ব্যবহার করলে প্রশান্তি পাওয়া যায়।
তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। আপনার প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় হয়, তবে বুঝতে হবে শরীর পানিশূন্যতায় ভুগছে। ডাবের পানি বা বাড়িতে তৈরি লেবুর শরবত এ সময় শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এই গরমে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার (যেমন চিপস) পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা-কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে ফেলে। এছাড়া উচ্চ ফ্যাটযুক্ত দুধ বা চিজ হজমে সমস্যা তৈরি করে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিরিক্ত গরমে যদি মাথা ঘোরা, বমিভাব, প্রচণ্ড ক্লান্তি বা বিভ্রান্তি দেখা দেয়, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগীদের এই সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
/আশিক
তরুণদের মাঝে বাড়ছে কোলন ক্যানসার: নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি কার্যকরী উপায়
এক সময় কোলন ক্যানসারকে কেবল বয়স্কদের রোগ মনে করা হলেও বর্তমানে এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বড় আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই ক্যানসারের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া প্রজন্মের মধ্যে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি পঞ্চাশের দশকের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনলে ২০৪০ সাল নাগাদ এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বছরে ৩২ লাখে পৌঁছাতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে এই মরণব্যাধি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, কোলন ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। মদ্যপান ও ধূমপান এই ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তামাকের ব্যবহার বিশ্বব্যাপী ক্যানসারজনিত মৃত্যুর ২৫ শতাংশের জন্য দায়ী।
এছাড়া অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা শরীরে প্রদাহ তৈরি করে যা ক্যানসার কোষ গঠনে সাহায্য করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা অত্যন্ত জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম বা নিয়মিত হাঁটাচলার অভ্যাস এই ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি কোলন ক্যানসারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত লাল মাংস (গরু, খাসি) এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার (সসেজ, হটডগ) খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। উচ্চ তাপে ভাজা বা গ্রিল করা মাংসও শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
এর বিপরীতে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি, ফলমূল এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে কোলন সুস্থ থাকে। সচেতনতা এবং সময়োপযোগী খাদ্যাভ্যাসই পারে তরুণ প্রজন্মকে এই প্রাণঘাতী রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে।
/আশিক
হাম রুখতে দেশজুড়ে কাল থেকে ‘মেগা’ টিকাদান কর্মসূচি
হামের মহামারি রুখতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। দেশের বর্তমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা এবং ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার চার সিটি করপোরেশনে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং এই রোগে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর। এই সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করে বলেছেন, বিগত দুই সরকারের আমলে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া ছিল একটি ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ এবং এটি একটি ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে টিকা কর্মসূচি গ্রহণ করায় পরিস্থিতির বড় ধরনের অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অভিভাবকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, যেসব শিশুর বর্তমানে জ্বর রয়েছে, তাদের সুস্থ হওয়ার পর টিকা দিতে হবে। এছাড়া হামের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৪ সপ্তাহ পার না হলে শিশুকে এই বিশেষ টিকা দেওয়া যাবে না। সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে হামের সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।
/আশিক
ডায়াবেটিস কি তবে শেষ? ছোলার পানির জাদুকরী ক্ষমতা!
ডায়াবেটিস বর্তমানে একটি দুরারোগ্য ব্যাধি হিসেবে দেখা দিলেও জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন এবং ঘরোয়া অভ্যাসের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাতের কাছে থাকা সাধারণ ছোলাই হতে পারে এই সমস্যার দারুণ সমাধান। বিশেষ করে ছোলা ভেজানো পানি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে অবিশ্বাস্য ভূমিকা পালন করে।
ছোলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন রাতে দুই মুঠো ছোলা পরিমাণমতো পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করলে শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায় এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। ভেজানো ছোলার পানি নিয়মিত পান করলে পেটের মেদ কমার পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ছোলার পানির পাশাপাশি মেথি ভেজানো পানিও অত্যন্ত কার্যকর। মেথিতে থাকা ফাইবার কার্বোহাইড্রেট এবং চিনি শোষণের গতি কমিয়ে দেয়, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হুট করে বাড়তে দেয় না। এ ছাড়া দারুচিনির ব্যবহার ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন চায়ের সঙ্গে বা রান্নায় সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।
অন্যদিকে, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য করলার রস একটি ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে কাজ করে। করলার মধ্যে থাকা চারাটিন এবং মোমর্ডিসিন উপাদান সরাসরি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সহায়তা করে। প্রতিদিন সকালে আধা কাপ করলার রস পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
তবে এসব ঘরোয়া উপাদানের পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়াম করা জরুরি, কারণ শারীরিক পরিশ্রম পেশিকে রক্ত থেকে চিনি ব্যবহার করতে সাহায্য করে। যেকোনো ঘরোয়া পদ্ধতি শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং নিয়মিত ব্লাড সুগার পরীক্ষা করা বুদ্ধিমানের কাজ।
/আশিক
কিডনিতে পাথর কেন হয়? খাবারের এই ভুলগুলো আজই শুধরে নিন
কিডনিতে পাথর হওয়া বর্তমানে একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার পেছনে আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাস বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে ক্যালসিয়াম অক্সালেট নামক পাথরের ক্ষেত্রে অক্সালেটযুক্ত খাবারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পালং শাক, বিট, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, চকোলেট, চা এবং সয়া জাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে অক্সালেট থাকে।
এই খাবারগুলো অতিরিক্ত গ্রহণ করলে শরীরে অক্সালেটের মাত্রা বেড়ে যায় এবং তা মূত্রের মাধ্যমে নির্গত হওয়ার সময় ক্যালসিয়ামের সঙ্গে মিশে স্ফটিক তৈরি করে, যা ধীরে ধীরে বড় পাথরে পরিণত হয়। তবে এসব খাবার খাদ্যতালিকা থেকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বরং পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে, অক্সালেটযুক্ত খাবারের সঙ্গে ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার একসঙ্গে খেলে অন্ত্রে অক্সালেটের শোষণ কমে যায়, যা পাথর তৈরির ঝুঁকি হ্রাস করে।
কিডনি সুস্থ রাখতে শুধুমাত্র অক্সালেট নিয়ন্ত্রণই যথেষ্ট নয় বরং সামগ্রিক জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা জরুরি। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা কিডনি পাথর প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। এছাড়া খাবারে অতিরিক্ত লবণ ও প্রাণিজ প্রোটিন কমিয়ে সুষম ক্যালসিয়াম গ্রহণ করা উচিত। ফলমূল ও শাকসবজির মতো ক্ষারধর্মী খাবার মূত্রের স্বাভাবিক পিএইচ মান ধরে রাখতে এবং সাইট্রেটের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে, যা পাথর গঠন প্রতিরোধে সহায়ক।
পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণ ও শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ স্থূলতা ও ইনসুলিন প্রতিরোধের সঙ্গে কিডনি পাথরের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সুতরাং সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে পারলে কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
হাম হলে কী করবেন? জরুরি নির্দেশনা জানুন
দেশে সংক্রামক রোগ হিসেবে হাম এখনো একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামে আক্রান্ত হলে দ্রুত সঠিক চিকিৎসা এবং পরিচর্যা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ অবহেলা করলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হাম ধরা পড়লে রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। একই সঙ্গে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধে আক্রান্ত ব্যক্তিকে অন্তত ৪ থেকে ৭ দিন আলাদা ঘরে আইসোলেশনে রাখা প্রয়োজন।
রোগীর শরীর সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা ডাবের পানি, ফলের রস এবং স্যুপের মতো সহজপাচ্য তরল খাবার বেশি করে খাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে শরীরে পানিশূন্যতা না দেখা দেয়।
হামের কারণে জ্বর ও শরীর ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে কোনো অবস্থাতেই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।
এছাড়া রোগীর ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া, ব্যবহৃত জিনিসপত্র আলাদা রাখা এবং মাস্ক ব্যবহার করলে সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।
হামের সময় চোখ লাল হয়ে যাওয়া বা কষ জমা একটি সাধারণ উপসর্গ। এ ক্ষেত্রে ফুটিয়ে ঠান্ডা করা পরিষ্কার পানি ও তুলা দিয়ে আলতোভাবে চোখ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিলে রোগীর আরাম পেতে সহায়তা করে।
চিকিৎসাবিদরা আরও বলেন, হাম হলে রোগীকে পর্যাপ্ত বিশ্রামে রাখা এবং পুষ্টিকর খাবার প্রদান করা উচিত। এতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দ্রুত সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিলে বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে। যেমন শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অতিরিক্ত জ্বর বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো টিকাদান। শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিত করা গেলে এই রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
সামগ্রিকভাবে, সচেতনতা, সময়মতো চিকিৎসা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমেই হামকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব বলে মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
দেশে হামের মহামারি আতঙ্ক: আক্রান্ত ১১ হাজার ছাড়াল, বাড়ছে লাশের মিছিল
দেশে হামের প্রকোপ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে এবং আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৮ জনে। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, যা দেশজুড়ে অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৩৩ জনে। এর মধ্যে শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৪৮ জন সন্দেহজনক রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৭ হাজার ৫৭৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৯ জন। তবে আশার কথা হলো, আক্রান্তদের মধ্যে ৫ হাজার ২৪১ জন শিশু চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ জ্বরের সাথে শরীরে লালচে র্যাশ বা দানা দেখা দিলে সেটিকে অবহেলা করা একদমই উচিত নয়। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি চললেও পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত তরল নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।
/আশিক
হাম নাকি সাধারণ র্যাশ? চেনার উপায় ও চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ
তীব্র গরমে শিশুদের মধ্যে জ্বর, ডায়রিয়া ও শরীরে র্যাশের মতো উপসর্গের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। চিকিৎসকরা বলছেন, এই লক্ষণগুলোর অনেকটাই হামের মতো মনে হলেও সব ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে হাম শনাক্ত হচ্ছে না। বিশেষ করে নবজাতক থেকে ৬ মাস বয়সি শিশুরা এই সময়ে সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে। রাজধানীর শিশু হাসপাতালগুলোতে প্রতিদিনই নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের আলাদা ওয়ার্ডে রেখে নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক সপ্তাহে অনেক শিশু হাসপাতালে আসার পাশাপাশি কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে, যা অভিভাবকদের জন্য চরম সতর্কবার্তাস্বরূপ। বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বরের সঙ্গে পাতলা পায়খানা বা শরীরে লালচে দানা দেখা দিলে সেটিকে সাধারণ সমস্যা ভেবে অবহেলা করা প্রাণঘাতী হতে পারে।
শিশুর যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যদি শিশুর অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পাতলা পায়খানা শুরু হয়, তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে। এছাড়া সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে আক্রান্ত শিশুকে অন্য শিশুদের থেকে আলাদা রাখা এবং ঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা জরুরি।
বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে। সরকারি টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, সঠিক সময়ে টিকা প্রদান এবং প্রাথমিক লক্ষণ দেখামাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে শিশুদের বড় ধরনের বিপদ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।
/আশিক
সতর্ক হোন! ডায়াবেটিসের এই লক্ষণগুলো অবহেলা করলে বাড়ছে বড় ঝুঁকি
ডায়াবেটিস বর্তমানে অনেকের কাছেই এক সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যায় পরিণত হয়েছে। তবে কেবল নিয়মিত ওষুধ সেবন বা খাবার নিয়ন্ত্রণ করলেই এই রোগ পুরোপুরি আয়ত্তে রাখা সম্ভব হয় না। অনেক সময় রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক থাকলেও শরীরের অভ্যন্তরে এমন কিছু সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটতে থাকে, যা শুরুতে আমাদের নজরে আসে না।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেবল ল্যাবরেটরির রিপোর্টের ওপর নির্ভর না করে নিজের শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তনগুলোর দিকে নিয়মিত নজর রাখা জরুরি। কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসজনিত বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা আগেভাগেই শনাক্ত করা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে গেলে শরীর কিছু প্রাথমিক সংকেত দেয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো ঘনঘন তৃষ্ণা পাওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব হওয়া। এছাড়া পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি শরীর সারাদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগে, তবে বুঝতে হবে রক্তে শর্করার ওঠানামা আপনার জীবনীশক্তি কমিয়ে দিচ্ছে।
খাদ্যাভ্যাসে কোনো পরিবর্তন না আনা সত্ত্বেও যদি শরীরের ওজন হঠাৎ কমে যায় বা বেড়ে যায়, তবে সেটিকেও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হয়ে আসা ডায়াবেটিসের একটি গুরুতর লক্ষণ, কারণ উচ্চ শর্করা সরাসরি চোখের লেন্সের ওপর প্রভাব ফেলে।
শরীরের কোনো অংশে ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া বা ঘা যদি সহজে শুকাতে না চায়, তবে তা ডায়াবেটিসের জটিলতার স্পষ্ট ইঙ্গিত হতে পারে। অনেক সময় দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ শর্করার ফলে স্নায়ুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে হাত-পা ঝিনঝিনি করা, জ্বালাপোড়া বা অবশ হওয়ার মতো অনুভূতি তৈরি হয়। এছাড়া ত্বকের অস্বাভাবিক শুষ্কতা, বারবার সংক্রমণ হওয়া বা চুলকানিও এই রোগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। এমনকি হঠাৎ খুব বেশি ক্ষুধা পাওয়া কিংবা খাওয়ার রুচি একেবারে চলে যাওয়াও রক্তে শর্করার ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ হতে পারে।
ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ জীবনযাপন করতে হলে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি শরীরের এই ভাষাহীন সংকেতগুলো বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উল্লিখিত লক্ষণগুলোর কোনোটি যদি দীর্ঘসময় ধরে স্থায়ী হয়, তবে কালক্ষেপণ না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। মনে রাখতে হবে, প্রাত্যহিক জীবনের ছোট ছোট শারীরিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকলেই ভবিষ্যতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে চলা সম্ভব।
সূত্র: আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন, মায়ো ক্লিনিক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
যেসব শিশুকে দেওয়া যাবে না হামের টিকা! স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সতর্কতা
অসুস্থ বা জ্বর থাকা শিশুদের এই মুহূর্তে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (৫ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ৯টা থেকে জরুরি ভিত্তিতে এই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। তবে যেসব শিশু বর্তমানে উচ্চ জ্বর, তীব্র সংক্রমণ বা শ্বাসকষ্টের মতো গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছে, তাদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত টিকা দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
এছাড়া আগে হামের টিকা নিয়ে যাদের মারাত্মক অ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া হয়েছিল বা যারা ক্যানসারের চিকিৎসা ও দীর্ঘমেয়াদি স্টেরয়েড সেবনের কারণে দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতায় ভুগছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া টিকা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে। যারা সম্প্রতি রক্ত বা রক্তজাত পণ্য গ্রহণ করেছে, তাদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকা স্থগিত রাখতে বলা হয়েছে।
এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে আগে হামের টিকা নেওয়া শিশুরাও অংশ নিতে পারবে। প্রথম ধাপে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, অর্থাৎ পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এই বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ হলো আমেরিকার দুয়ার: তালিকায় বাংলাদেশও
- জুলাই সনদের প্রতিটি দফা বাস্তবায়ন হবেই: প্রধানমন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রে মেধাবী ছাত্র লিমনের করুণ পরিণতি! এখনো নিখোঁজ নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি
- স্বর্ণের দামে বড় ধস! এক ধাক্কায় অনেকটা কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম
- ৩০ হাজার ইরানি হাজির অপেক্ষায় সৌদি আরব: সম্পর্কের নয়া অধ্যায়
- সকালে খালি পেটে মেথি পানি: আপনার শরীরের জন্য কেন এটি অমৃত?
- ভাড়া বাড়ানো হয়নি, সাথে ‘সমন্বয়’ করা হয়েছে: সড়ক মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- প্রয়োজনে সংসদ ও রাজপথ একাকার হবে! সরকারকে নাহিদ ইসলামের চরম হুঁশিয়ারি
- কবে শেষ হবে লোডশেডিং? সুখবর দিলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী!
- একই শহরে ইরান ও আমেরিকার শীর্ষ প্রতিনিধিরা! ইসলামাবাদে কি তবে শান্তি চুক্তি?
- মাঝ সমুদ্রে নৌযান উড়িয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র! ট্রাম্পের নির্দেশে রক্তক্ষয়ী অভিযান
- শনিবার ঢাকার যেসব মার্কেট ও দর্শনীয় স্থান বন্ধ থাকবে
- যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত পূরণ হয় এমন প্রস্তাব পাঠাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প
- বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচসহ আজকের ক্রীড়া সূচি
- তাপপ্রবাহের মধ্যেই ঝড়-বৃষ্টির নতুন সতর্কতা
- আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যা জানাল ইরান
- আজ নামাজের সময়সূচি দেখে নিন
- দক্ষিণ এশিয়া ও আসিয়ান অঞ্চলে জ্বালানি তেলের দাম: বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?
- "মিত্রদের" জন্য হরমুজে ফি মওকুফ, মধ্যপ্রাচ্যে আরো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ: কী বার্তা দিচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র?
- ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা
- কেন জুমায় সূরা কাহফ পড়তে বলা হয়েছে
- হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নতুন যে পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
- ইরান যুদ্ধে কমছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার
- তাপদাহের পর এবার ঝড়-বৃষ্টির বড় পূর্বাভাস
- রেকর্ড পতন স্বর্ণের দামে, বাজুসের নতুন ঘোষণা
- বের হওয়ার আগে দেখে নিন আজ কোথায় কোন মার্কেট বন্ধ
- আজ ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায়
- ওয়াসিম আকরাম ও ট্রেন্ট বোল্টকে ছুঁয়ে ফেললেন মোস্তাফিজ! সাগরিকায় ইতিহাস
- শাহবাগে টানটান উত্তেজনা: ছাত্রদল-শিবির মুখোমুখি
- পর্দার আড়াল থেকে নির্দেশনা: মোজতবা খামেনির ক্ষমতা নিয়ে বিবিসির চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
- ট্রেলারেই বাজিমাত! মুক্তির পর কি সব রেকর্ড ভাঙবে বায়োপিক ‘মাইকেল’?
- সূচকের সুবাতাস ও লেনদেনের জোয়ার: ডিএসইতে কি তবে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত?
- সংসদ থেকেও বিদ্যুৎ কাটুন! সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার অভাবনীয় প্রস্তাব
- কুমিল্লার লালমাইয়ে মাদকাসক্ত ছেলেকে হত্যা করলো বাবা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাক্ষী কুমিল্লায়! ইতিহাসের পাতায় ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি
- যুদ্ধ কি অনিবার্য? মাইন স্থাপনকারী জাহাজের ওপর সরাসরি হামলার ডাক ট্রাম্পের
- চোট কাটিয়ে ফিরেই ফিজের তাণ্ডব! নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল টাইগাররা
- আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে বাসের নতুন ভাড়া! কোন রুটে কত টাকা বাড়ল?
- জ্বালানি সংকট রুখতে ১০ সদস্যের মহাপরিকল্পনা! প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের ঐক্য
- ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে টোল আদায় শুরু: সাগরে ইরানের নয়া আধিপত্য
- ট্রাম্পের বিস্ফোরক পোস্ট: ভারত ও চীনকে ‘জাহান্নাম’ আখ্যা
- ডলারের দাপটে কোণঠাসা স্বর্ণ! বিশ্ববাজারে কেন কমছে দামী এই ধাতুর দাম?
- ছাত্রলীগের বদলে এখন হামলা করছে শিবির: রাশেদ খাঁন
- ২৩ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ২৩ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৩ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- বাসভাড়া বৃদ্ধির ঘোষণা দিল সরকার
- ফুটবলে ট্রাম্পের নগ্ন হস্তক্ষেপ? ইরানের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা
- রূপপুরে ফুয়েল লোডিং শুরু: পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশ
- সব রেকর্ড চুরমার: স্বর্ণের দাম বাড়াল বাজুস, আজকের রেট জেনে নিন
- ডলার শক্তিশালী হওয়ায় বিপাকে স্বর্ণের বাজার! বাড়ছে দুশ্চিন্তা
- দেশে স্বর্ণের বাজারে আগুনের উত্তাপ: নতুন উচ্চতায় মূল্যবান এই ধাতু
- কালিগঞ্জ ওসির বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়! আদালতের নির্দেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি
- স্বপ্ন না কি দুঃস্বপ্ন? সাধারণের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে এক ভরি স্বর্ণ
- সোনার সাথে রুপার দামেও আগুন! আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- রেকর্ড দামের পর অবশেষে স্বস্তি: সোনার ভরিতে বড় ছাড় দিল বাজুস
- ২১ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- পৃথিবী: প্রাণ, পানি আর রহস্যের গল্প
- ২০ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২১ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন শর্ত
- ঈদের সম্ভাব্য তারিখ জানা গেল
- বিশ্ববাজারে কমছে তেলের দাম
- ধান-চালের নতুন দাম ঘোষণা সরকারের








