টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১৯:৫২:০৪
টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
ছবি : সংগৃহীত

টানা দ্বিতীয়বারের মতো দেশের বাজারে কমল স্বর্ণ ও রুপার দাম। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও ভরিতে ২৩৩ টাকা কমানো হয়েছে।

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে বড় পতন হয়েছে। তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় টানা দ্বিতীয় দফায় এই দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় দাম কমার পর, মাত্র ৫ দিনের ব্যবধানে দুই দফায় স্বর্ণের দাম মোট ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমল।

স্বর্ণের নতুন বাজারদর (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ২,৪৪,৭১১ টাকা (কমল ২,২১৬ টাকা)

২১ ক্যারেট: ২,৩৩,৫৭২ টাকা

১৮ ক্যারেট: ২,০০,২১৩ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৩,০৬৩ টাকা

রুপার দামেও স্বস্তি

স্বর্ণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ভরিতে ২৩৩ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দুই দফায় রুপার দাম মোট কমেছে ৫৮৪ টাকা।

রুপার নতুন বাজারদর (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ৫,৪৮২ টাকা

২১ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা

১৮ ক্যারেট: ৪,৪৯১ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ৩,৩৮৩ টাকা

বাজুসের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম মোট ৫৭ বার এবং রুপার দাম ৩৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। বাজারের অস্থিরতা গত বছরের তুলনায় এ বছর অনেক বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিয়মিত এই সমন্বয় করছে বাজুস।

/আশিক


সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১৪:৩৫:২৩
সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন

স্বর্ণের বাজারে যেন আগুন লেগেছে, তবে সেই আগুনের তাপ দেশভেদে ভিন্ন। আজ ২৮ এপ্রিল, ২০২৬; ঢাকার জুয়েলারি দোকানগুলোতে যখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২,৪৪,৭১১ টাকায় ঠেকেছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশছোঁয়া বুর্জ খলিফার দেশ দুবাই বা মরুবেষ্টিত কুয়েতে চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা। একজন সাধারণ ক্রেতা যদি আজ ঢাকা থেকে এক ভরি গয়না কেনেন, আর ঠিক একই মানের গয়না যদি দুবাই বা কাতার থেকে আনেন, তবে তার পকেটে জমা থাকতে পারে প্রায় ৩৬,০০০ থেকে ৪০,০০০ টাকা বাড়তি সঞ্চয়। কিন্তু কেন এই আকাশ-পাতাল ব্যবধান? এটি কি কেবল শুল্কের খেলা, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো গাণিতিক সমীকরণ?

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে স্বর্ণের বাজার সরাসরি আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটের সাথে তাল মিলিয়ে চলে। আজ কুয়েতে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাংলাদেশি টাকায় মাত্র ২,০৪,৯৮০ টাকা, যা বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় ৩৯,৭৩১ টাকা কম। এমনকি সৌদি আরব বা কাতারেও এই ব্যবধান ৩৮ হাজার টাকার আশেপাশে। দুবাই, যাকে বলা হয় ‘সিটি অব গোল্ড’, সেখানেও ভরিপ্রতি দাম বাংলাদেশের চেয়ে অন্তত ৩৬ হাজার টাকা সাশ্রয়ী। এই বিশাল পার্থক্যের প্রধান কারণ হলো বাংলাদেশের উচ্চ আমদানি শুল্ক এবং ডলারের বিপরীতে টাকার রেকর্ড অবমূল্যায়ন। মধ্যপ্রাচ্যে স্বর্ণ আমদানিতে করের বোঝা যেমন কম, তেমনি সেখানে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ভ্যাট রিফান্ডের বিশেষ সুবিধা, যা একজন ক্রেতার খরচকে নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দেয়।

তবে এই দামের পার্থক্যের পেছনে কেবল ট্যাক্স নয়, কাজ করছে স্থানীয় বাজারের ‘তেজাবী’ স্বর্ণের যোগান ও চাহিদার মনস্তাত্ত্বিক খেলাও। বাংলাদেশে যখনই বিশ্ববাজারে দাম বাড়ে, তার প্রভাব পড়ে মুহূর্তের মধ্যে; কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে স্থানীয় বাজারে তার সুফল পৌঁছাতে সময় লাগে কয়েক সপ্তাহ। এই শ্লথ গতির সমন্বয় সাধারণ ভোক্তাদের পকেট কাটছে প্রতিনিয়ত। ফলে মধ্যপ্রাচ্য ফেরত প্রবাসীদের মাধ্যমে স্বর্ণ আনার প্রবণতা এখন আর কেবল শখ নয়, বরং একটি লাভজনক বিনিয়োগে পরিণত হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, দেশের বাজারে এই কৃত্রিম উচ্চমূল্য কি শেষ পর্যন্ত বৈধ জুয়েলারি শিল্পকে হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে? নীতিনির্ধারকরা যদি শুল্ক কাঠামো এবং গোল্ড এক্সচেঞ্জ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ না নেন, তবে সাধারণ মানুষের কাছে ‘সোনার হরিণ’ কেবল প্রবাসীদের হাত ধরেই আসবে, দেশের দোকানগুলো থেকে নয়।


টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন ২৮ এপ্রিলের বৈদেশিক মুদ্রার রেট

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১২:৪০:২৬
টাকার মান কি বাড়ল না কমল? দেখে নিন ২৮ এপ্রিলের বৈদেশিক মুদ্রার রেট
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতি আর প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের প্রবাহ সচল রাখতে বৈদেশিক মুদ্রার সঠিক হিসাব রাখা অত্যন্ত জরুরি। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা আর বাণিজ্যিক লেনদেনের প্রসারে প্রতিদিন টাকার মান পরিবর্তিত হচ্ছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) বিশ্বের প্রধান প্রধান দেশগুলোর মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ বিনিময় হার নিচে দেওয়া হলো।

বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার (ক্রয় ও বিক্রয় দর)

ইউএস ডলার: আজ প্রতি ইউএস ডলার কেনা হচ্ছে ১২২.২৫ টাকায় এবং বিক্রি করা হচ্ছে ১২৩.২৫ টাকায়।

ইউরোপীয় ইউরো: ইউরোর ক্রয়মূল্য ১৪১.৩৫ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪৬.২২ টাকা।

ব্রিটেনের পাউন্ড: প্রতি পাউন্ড ১৬৩.৫৩ টাকায় কেনা হচ্ছে এবং ১৬৮.৬৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সৌদি রিয়েল: প্রবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই মুদ্রার ক্রয়দর ৩২.৫৮ টাকা এবং বিক্রয়দর ৩২.৮৮ টাকা।

আমিরাতি দিরহাম: দিরহামের ক্রয়মূল্য ৩৩.২৮ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ৩৩.৫৭ টাকা।

সিঙ্গাপুর ডলার: সিঙ্গাপুর ডলার কেনা হচ্ছে ৯৫.৪৯ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ৯৭.০৯ টাকায়।

ইন্ডিয়ান রুপি: ভারতীয় রুপির ক্রয়দর ১.২৯ টাকা এবং বিক্রয়দর ১.৩১ টাকা।

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: রিঙ্গিতের বাজারদর আজ স্থিতিশীল রয়েছে। (তথ্য অনুযায়ী আপডেট করে নিতে হবে)।

অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ক্রয়মূল্য ৮৭.১৮ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ৮৯.১৭ টাকা।

চাইনিজ ইউয়ান: প্রতি ইউয়ান কেনা হচ্ছে ১৭.৮০ টাকায় এবং বিক্রি হচ্ছে ১৮.১৬ টাকায়।

জাপানি ইয়েন: ইয়েনের ক্রয়মূল্য ০.৭৬ টাকা এবং বিক্রয়মূল্য ০.৭৮ টাকা।

সুইস ফ্রাঁ: প্রতি ফ্রাঁ ১৫৩.৯৩ টাকায় কেনা হচ্ছে এবং ১৫৮.০৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মনে রাখবেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রাবাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। লেনদেনের আগে আপনার নিকটস্থ ব্যাংক বা মানি এক্সচেঞ্জ থেকে সর্বশেষ রেট যাচাই করে নিন।

/আশিক


হুমকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় রেকর্ড উচ্চতায় তেলের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১২:২৫:৫৮
হুমকির মুখে বিশ্ব অর্থনীতি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনায় রেকর্ড উচ্চতায় তেলের দাম
ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক টানাপোড়েনে অস্থির হয়ে উঠেছে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজার। সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান ও ওমানের মধ্যস্থতায় হওয়া আলোচনায় কোনো সুনির্দিষ্ট সমাধান না আসায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই (WTI)—উভয় সূচকই বড় ধরণের ঊর্ধ্বগতি প্রত্যক্ষ করেছে।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আজ জুনে সরবরাহযোগ্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ৪৫ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৮.৬৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের সেশনেও এই দাম ২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল, যা গত ৭ এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দামও ৫৮ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬.৯৬ ডলারে পৌঁছেছে। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (IEA) এই পরিস্থিতিকে বিশ্ব জ্বালানি নিরাপত্তার ইতিহাসের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এদিকে তেহরানের সাথে আলোচনার প্রশ্নে নিজেদের অনড় অবস্থানের কথা আবারও স্পষ্ট করেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের সহকারী প্রেস সেক্রেটারি অলিভিয়া ওয়েলস এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন প্রশাসন সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে কোনো ধরণের ‘পাবলিক নেগোসিয়েশন’ বা দরকষাকষিতে আগ্রহী নয়। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর হওয়ায় গোপনীয়তা রক্ষা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার—আমেরিকান জনগণের স্বার্থই সবার উপরে। ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার আগ পর্যন্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাবে না ওয়াশিংটন। মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, আলোচনা চললেও ওয়াশিংটন পুরো প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রেখেছে।

সূত্র: আল জাজিরা।


আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৮ ১০:৪০:৪৫
আবারও সস্তা হলো সোনা: আজ থেকেই নতুন মূল্য কার্যকর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বস্তির খবর দিয়ে আবারও কমানো হয়েছে সোনার দাম। টানা ঊর্ধ্বগতির পর এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নতুন দামের কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই সারাদেশে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এখন থেকে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনা কিনতে গ্রাহকদের গুনতে হবে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এর আগে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছালেও টানা কয়েক দফা দাম কমিয়ে বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে বাজুস।


ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী? দেখে নিন আজকের কারেন্সি আপডেট

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১১:৩০:০০
ডলারের বিপরীতে টাকা শক্তিশালী? দেখে নিন আজকের কারেন্সি আপডেট
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে এক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতিদিন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হয়, যা দেশের আমদানি-রপ্তানি ও সাধারণ মানুষের কেনাকাটায় বড় প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপ-আমেরিকায় বসবাসরত লাখ লাখ প্রবাসী রেমিট্যান্স পাঠানোর সময় টাকার সঠিক বিনিময় হার জানতে চান।

আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল ২০২৬) ব্যাংক ও মানি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান স্থিতিশীল রয়েছে।

আমেরিকান ডলারের বর্তমান বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো লেনদেন হচ্ছে ১৪২ টাকা ২৪ পয়সায়।

এছাড়া ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকা পাওয়া যাচ্ছে ১৬৩ টাকা ৩০ পয়সা।

এশিয়ান দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১ টাকা ৩১ পয়সা এবং মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের মান ৩০ টাকা ৩৮ পয়সা।

প্রবাসীদের অন্যতম গন্তব্য সিঙ্গাপুরি ডলারের বিপরীতে আজ টাকার হার ৯৫ টাকা ৬১ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার আজ ৩২ টাকা ৬১ পয়সা এবং কুয়েতি দিনারের মান ৩৯৫ টাকা ৭৭ পয়সা।

অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৮৫ টাকা ০১ পয়সায়।

উল্লেখ্য যে, দেশের জিডিপি এবং মাথাপিছু আয়ের আন্তর্জাতিক হিসাব পশ্চিমা মুদ্রায় করা হয় বিধায় ডলার বা ইউরোর হারের ওপর দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতি অনেকাংশেই নির্ভর করে। তাই লেনদেনের আগে নিকটস্থ ব্যাংক বা অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে বর্তমান রেট যাচাই করে নেওয়া ভালো।

/আশিক


রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১০:৩৬:৪৮
রেকর্ড দামের পর এবার কি কমছে স্বর্ণ? একনজরে আজকের বাজার দর
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। বর্তমানে এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায়।

বাজুস জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হওয়ায় স্থানীয় বাজারেও এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের রুপা ভরিতে ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৫,৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা কমলে দাম আরও স্থিতিশীল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


 জ্বালানি তেলের মেগা চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা ট্যাংকার শিং তং ৭৯৯

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১৭:৪২:৩০
 জ্বালানি তেলের মেগা চালান নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে চীনা ট্যাংকার শিং তং ৭৯৯
ছবি : সংগৃহীত

চীনের পতাকাবাহী বিশাল ট্যাংকার ‘শিং তং ৭৯৯’ ৩৪ হাজার টন জেট ফুয়েল (বিমানের জ্বালানি) নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে জাহাজটি নোঙর করার পর কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ১৮২.৫ মিটার দীর্ঘ এই জাহাজটির ড্রাফট অনেক বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি।

জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কিছু জ্বালানি খালাস করে জাহাজের ওজন বা ড্রাফট কমিয়ে আনা হচ্ছে। এরপর জাহাজটিকে বন্দরের মূল জেটিতে নিয়ে আসা হবে। এর আগে গত ১৪ এপ্রিলও সিঙ্গাপুর থেকে ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে ‘এমটি গ্রেট প্রিন্সেস’ নামের আরেকটি ট্যাংকার চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল।

জেট ফুয়েলের পাশাপাশি দেশের ডিজেল সরবরাহেও গতি ফিরেছে। শনিবার ভোরে দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’ সরাসরি বন্দরে ভিড়েছে। এছাড়া শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে পাকিস্তানের পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘এমটি কোয়েটা’ বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। চট্টগ্রাম বন্দরে একের পর এক জ্বালানি তেলবাহী জাহাজ আসায় দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

/আশিক


ইউনূস সরকারের ‘লোকসানের ফরমুলা’? ধুঁকছে বাটা, সিঙ্গার ও ইউনিলিভার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১২:৪২:০৩
ইউনূস সরকারের ‘লোকসানের ফরমুলা’? ধুঁকছে বাটা, সিঙ্গার ও ইউনিলিভার
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান শক্তি হিসেবে পরিচিত বহুজাতিক কোম্পানিগুলো এখন এক নজিরবিহীন সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ৩৫ বছর ধরে দাপটের সাথে ব্যবসা করার পর প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল (P&G) হঠাৎ বাংলাদেশ থেকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে, দেশের জুতা ও স্যান্ডেলের বাজারে একসময় একচেটিয়া রাজত্ব করা বাটা এখন বিশাল অংকের লোকসানের মুখে পড়েছে।

সিঙ্গার এবং লাফার্জের মতো জায়ান্ট কোম্পানিগুলোর অবস্থাও এখন বিপর্যয়ের মুখে। টয়োটা গাড়ি থেকে শুরু করে সাধারণ বাটা স্যান্ডেল—দেশের প্রায় সব বড় কোম্পানি কেন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের শাসনকাল চলাকালে একসাথে লোকসানের মুখে পড়ল, তা নিয়ে এখন বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ড. ইউনূস সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর একের পর এক অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নিয়েছেন যা অনেকের কাছে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টারপ্ল্যান মনে হয়েছিল। তবে এর ফলাফল কী দাঁড়াচ্ছে তা নিয়ে এখন বিতর্ক তুঙ্গে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ড. ইউনূসের এই অর্থনৈতিক পরিকল্পনা কি আসলে এক প্রকার বাধ্যতামূলক লোকসানের ফর্মুলা? সরকারের নেওয়া সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির অংশ হিসেবে নতুন করে টাকা না ছাপানো এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো হয়েছে।

২০২৪ সালের প্রথমার্ধে সুদের হার যেখানে মাত্র ৬ থেকে ৭ শতাংশ ছিল, ২০২৫ সালের শেষ দিকে তা ১০ শতাংশ ছাড়িয়ে গেছে। এর ফলে সরাসরি প্রভাব পড়েছে উৎপাদন খাতে। সিঙ্গার বাংলাদেশ তাদের লোকসানের প্রধান কারণ হিসেবে এই ঋণের সুদের হার বৃদ্ধিকেই দায়ী করেছে।

জ্বালানি খাতে সরকারের নেওয়া কিছু সিদ্ধান্তও ব্যবসায়িক বিপর্যয়কে ত্বরান্বিত করেছে। কাতারভিত্তিক এলএনজি কোম্পানি কাতার এনার্জি ট্রেডিংয়ের সঙ্গে ১৫ বছরের সাশ্রয়ী চুক্তি থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার পিটার হাসের সংশ্লিষ্টতা থাকা এক্সিলারেট এনার্জি থেকে এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়। যেখানে কাতার থেকে ৯-১১ ডলারে গ্যাস পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে এখন চারগুণ বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে, যার খেসারত দিচ্ছে শিল্প কারখানাগুলো।

বাটা কোম্পানি জানিয়েছে, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে তাদের সাড়ে ১৪ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। এর পেছনে প্রশাসনিক ও বিপণন খরচ বাড়ার পাশাপাশি ডলারের বিপরীতে টাকার মানের অস্থিরতা কাঁচামালের ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে। বাটা মনে করছে, সরকারের নীতিগত অস্থিরতা এবং উচ্চ ব্যয় কোম্পানির কাঁধে এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আশ্চর্যজনক বিষয় হলো, সিঙ্গার বাংলাদেশের বিক্রি চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে ১৫ শতাংশ বাড়লেও দিনশেষে তাদের ৬৬ কোটি টাকা লোকসান গুনতে হয়েছে। অর্থনীতিতে সাধারণত বিক্রি বাড়লে মুনাফা বাড়ে, কিন্তু এখানে উচ্চ পরিবহন ও উৎপাদন খরচের কারণে উল্টো ঘটনা ঘটেছে। ডলারের দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এবং হঠাৎ সুদের হার বাড়ানোই এর মূল কারণ। একইভাবে ইউনিলিভার জানিয়েছে তাদের মুনাফা ১২ শতাংশ কমেছে এবং বিক্রি কমেছে ৮ শতাংশ।

এমনকি ৩০ বছর ধরে ব্যবসা করা প্রক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল বাংলাদেশ ছাড়ার কারণ হিসেবে ক্রমবর্ধমান কর এবং ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়াকে দায়ী করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের বর্তমান নীতি নির্মাণ খাতেও ধস নামিয়েছে, যার ফলে সিমেন্ট ও রডের চাহিদাও তলানিতে ঠেকেছে। যদি এই পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হয় এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি না করা যায়, তবে দেশে বেকারত্ব আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

/আশিক


আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ২৬ এপ্রিল কোন দেশের কত দাম?

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১২:০৪:৫৫
আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ২৬ এপ্রিল কোন দেশের কত দাম?
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক যেমন বাড়ছে, তেমনি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে বড় ভূমিকা রাখছে। ব্যবসা-বাণিজ্য বা বিদেশ থেকে টাকা পাঠানোর প্রয়োজনে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষকে বৈদেশিক মুদ্রার সঠিক বিনিময় হার জানতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আজ রোববার (২৬ এপ্রিল ২০২৬) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার সর্বশেষ দর প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রবাসী ও সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আজকের মুদ্রার বিনিময় হার নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।

আজ মার্কিন ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।

ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম দাঁড়িয়েছে ১৪৩ টাকা ৬৫ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দর ১৬৫ টাকা ৭২ পয়সা।

প্রতিবেশী দেশ ভারতের ১ রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি ১ টাকা ৩০ পয়সা পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া এশিয়ার অন্যান্য দেশের মধ্যে মালয়েশিয়ান রিঙ্গিতের বিনিময় হার ৩০ টাকা ৯০ পয়সা এবং সিঙ্গাপুরি ডলারের দাম ৯৬ টাকা ১৯ পয়সা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে সৌদি রিয়ালের দর আজ ৩২ টাকা ৭১ পয়সা এবং কুয়েতি দিনার ৩৯৮ টাকা ৯৪ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৮৭ টাকা ৮৬ পয়সা।

তবে মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার কারণে যেকোনো সময় এই বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: