হঠ্যাৎ কী কারণে বদলে যাচ্ছে র্যাবের নাম

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, বহুল আলোচিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী Rapid Action Battalion–এর নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে নিরাপত্তা প্রশাসনে বড় ধরনের নীতিগত রদবদল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
মঙ্গলবার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, র্যাবের নতুন নাম নির্ধারণ করা হয়েছে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)’। প্রধান উপদেষ্টা এই নাম অনুমোদন দিয়েছেন এবং শিগগিরই আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি হলে নতুন নামে বাহিনীর কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি আরও জানান, শুধু নাম পরিবর্তনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না এই উদ্যোগ। নতুন নামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাহিনীর পোশাক ও বাহ্যিক পরিচিতিতেও পরিবর্তন আনা হবে। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই রূপান্তরের লক্ষ্য হলো বাহিনীর কার্যক্রমকে আরও পেশাদার, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা।
উল্লেখযোগ্য যে, এই বাহিনীর নামকরণ নিয়ে অতীতেও পরিবর্তন এসেছে। প্রাথমিকভাবে বাহিনীটির নাম ছিল ‘র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট)’। পরে ২০০৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)’ নামে বাহিনীটি গঠিত হয় এবং দ্রুতই এটি দেশের অন্যতম প্রভাবশালী বিশেষ বাহিনীতে পরিণত হয়।
তবে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই র্যাবের বিরুদ্ধে গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে আসছে। এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে যুক্তরাষ্ট্র র্যাব এবং বাহিনীটির সাতজন শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
এই নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট ও পররাষ্ট্র দপ্তর পৃথকভাবে জারি করে। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার ফলে তাঁর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়। এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার সময় সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে United Nations Office of the High Commissioner for Human Rights একটি তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে র্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশও অন্তর্ভুক্ত ছিল, যা সরকারের জন্য একটি বড় বার্তা হিসেবে বিবেচিত হয়।
নিউইয়র্কভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Watch দীর্ঘদিন ধরেই র্যাব বিলুপ্ত বা মৌলিক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। সংস্থাটি তাদের বিভিন্ন প্রতিবেদনে র্যাবের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর মানবাধিকার উদ্বেগের বিষয় হিসেবে তুলে ধরেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘র্যাব’ থেকে ‘এসআইএফ’ নামকরণ কেবল একটি প্রশাসনিক পরিবর্তন নয়; বরং এটি সরকারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক মহল ও দেশের জনগণের কাছে একটি রাজনৈতিক ও নৈতিক বার্তা। এখন দেখার বিষয়, নাম ও পোশাক পরিবর্তনের পাশাপাশি বাহিনীর কার্যক্রম, জবাবদিহি ও আইনি কাঠামোয় কতটা বাস্তব সংস্কার আসে।
-রফিক
হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
বাংলাদেশে হামের সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব ও টিকাদান কর্মসূচির সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর তথ্য সামনে এসেছে। জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, দেশে হামের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকার সেই সতর্কবার্তাকে গুরুত্ব দেয়নি, যার ফলে টিকাদান কার্যক্রমে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে।
বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআই শুরু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ কারিগরি ও কৌশলগত সহায়তা দিয়ে আসছে। সংস্থাটির দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টায় দেশে পোলিও ও টিটেনাস নির্মূলসহ টিকাদানের হার ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়। বিশেষ করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি ও স্যানিটেশন কার্যক্রমের সাথে টিকাদানকে যুক্ত করে একটি সমন্বিত সফল মডেল তৈরি করা হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার টিকা কেনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে উন্মুক্ত দরপত্র বা ওপেন টেন্ডার মেথড অনুসরণের সিদ্ধান্ত নিলে এই সফল ধারায় স্থবিরতা নেমে আসে।
স্ট্যানলি গুয়াভুইয়ার মতে, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কিনতে গেলে সরবরাহ প্রক্রিয়ায় প্রায় ১২ মাস পর্যন্ত দেরি হতে পারে বলে ইউনিসেফ আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু সেই আপত্তি উপেক্ষা করেই নতুন পদ্ধতিতে এগোয় তৎকালীন সরকার। ফলস্বরূপ টিকা সংগ্রহে ব্যাপক বিলম্ব ঘটে এবং দেশের অনেক স্থানে টিকার মজুত শেষ হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২৫ সালে ইউনিসেফ নিজস্ব তহবিল থেকে ১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার আগাম অর্থায়ন করে কিছু টিকার মজুত নিশ্চিত করলেও ২০২৬ সালের শুরুর দিকে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়। মূলত অর্থছাড় না করা এবং ক্রয় নীতিমালার পরিবর্তনের কারণেই এই সংকট ঘনীভূত হয়।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর পরিস্থিতি পুনরায় মূল্যায়ণ করা হয়। নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মার্চ মাসে বিতর্কিত সেই উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন এবং এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমেই টিকা সংগ্রহের পুরনো পদ্ধতিতে ফিরে আসে বাংলাদেশ। সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে ইউনিসেফ কেবল ২০২৫ সালেই নয়, বরং ২০১৭ থেকে ২০২২ সালের মধ্যেও প্রায় ২ কোটি ডলার আগাম ব্যয় করেছিল। বর্তমানে হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় সংস্থাটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে উন্নতমানের টিকা সংগ্রহ ও জরুরি তহবিল নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক দাতাদের সাথে কাজ করছে।
সংকটের গভীরতা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, দেশে রোগ নজরদারি ও তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের দুর্বলতা ছিল। ইউনিসেফ জানায়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকেই তারা সম্ভাব্য ক্যাম্পেইনের জন্য হামের টিকা সংগ্রহ করে রেখেছিল, অথচ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ আনুষ্ঠানিকভাবে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির তথ্য পায় ২০২৬ সালের মার্চের শেষ দিকে। ক্রয় জটিলতার কারণে টিকার অভাব, ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ধাপ পরিচালনা করতে না পারা এবং নজরদারি ব্যবস্থার ধীরগতির সম্মিলিত প্রভাবে হামের প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে।
ইউনূস সরকারের উচ্চপর্যায়ের সাথে একাধিক বৈঠকে ইউনিসেফ টিকার ঘাটতি এবং এর ফলে শিশু মৃত্যুহার বাড়ার ঝুঁকি নিয়ে বারবার সতর্কবার্তা দিয়েছিল। প্রতিটি বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমেও এই উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী হাম-রুবেলা (এমআর) ক্যাম্পেইন শুরু হলেও বিলম্বিত সিদ্ধান্তের কারণে টিকাদান কাভারেজে যে বড় ধাক্কা লেগেছে, তা এখন স্পষ্ট।
/আশিক
মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
সড়ক-মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং চাঁদাবাজি নির্মূলে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সরকার। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ এবং যারা এর সঙ্গে জড়িত তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। সোমবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ঈদযাত্রায় মানুষের নিরাপত্তা ও স্বস্তি নিশ্চিত করাই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
মন্ত্রী বলেন, "আগামী ঈদে সড়কে চ্যালেঞ্জ অনেক বেশি। তবে আমরা মানুষের ভোগান্তি কমাতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছি।" তিনি ঘোষণা করেন, সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণ ও সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য দেশের গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। এর ফলে অপরাধীদের শনাক্ত করা এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে।
সড়ক খাতের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী একটি বড় অংকের হিসাব তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত দুই মাসে সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে যে পরিমাণ রাস্তা প্রশস্তকরণ ও উন্নয়নের চাহিদাপত্র জমা পড়েছে, তা বাস্তবায়নে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার প্রয়োজন। তবে চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ অনেক কম (৪০ হাজার কোটি টাকা) হলেও জনগুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সম্পন্ন করবে সরকার। সীমিত বাজেটেও সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
/আশিক
বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
বিগত সরকারের আমলে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার হারিয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “বিগত ১৬ বছরের নির্বাচনে বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। তবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সেই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা আবারও সমুন্নত হয়েছে।” সোমবার দুপুরে সংসদ ভবনের কার্যালয়ে সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি হজ পালন করতে মক্কা ও মদিনায় গমন করেন, যা দুই দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং দীর্ঘমেয়াদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে আন্তঃসংসদীয় সম্পর্ক জোরদারকরণ এবং সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গঠনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকে স্পিকার ও রাষ্ট্রদূত চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বিশেষ করে ইরান ও আমেরিকার ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় স্পিকার রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে মুসলিম দেশগুলোর সংগঠন ওআইসি-কে (OIC) আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রস্তাব করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সৌদি আরব এই মানবিক সংকট সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে। অনুষ্ঠানে সংসদ সচিবালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং সৌদি দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বড় ব্যবধানে এগিয়ে থাকা এবং তৃণমূলের সম্ভাব্য পরাজয়ের খবরের মাঝেই বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কার করলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পরিবর্তন বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ চালিয়ে যাব।" উল্লেখ্য যে, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশেও নতুন সরকার (বিএনপি নেতৃত্বাধীন) দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ভারতের কোনো বড় রাজ্যে প্রথম নির্বাচন।
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "গঙ্গা চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে এবং বাংলাদেশ একটি ন্যায়সংগত ও দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের বিষয়ে আশাবাদী।" এছাড়া সীমান্ত দিয়ে ‘পুশইন’ বা অনুপ্রবেশের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
গত কয়েকমাস ধরে ভারতীয় ভিসা প্রাপ্তিতে বাংলাদেশিদের যে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে, তা দ্রুতই কেটে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, "ভারতের সঙ্গে শিগগিরই ভিসা প্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে বলে আমরা আশা করছি।" উল্লেখ্য যে, মে মাসের শুরু থেকেই ভারতীয় ভিসা সেন্টারগুলো তাদের কার্যক্রম পুনরায় পুরোদমে শুরু করার ইঙ্গিত দিয়েছে, যা দুই দেশের মানুষের যাতায়াত ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও চাঙ্গা করবে।
/আশিক
হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
সারা দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে হাম। সোমবার (৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক বিশেষ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে ২ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১৫ জনসহ মোট ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ মে পর্যন্ত সময়ে নিশ্চিত হামে ৫২ জন এবং হাম সন্দেহে ২৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অধিদপ্তর জানিয়েছে, আক্রান্তদের মধ্যে একটি বড় অংশই শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ১ হাজার ৩০২ জন নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১ হাজার ৭৯৩ জনে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৪৬৭ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হামের জীবাণু শনাক্ত হয়েছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ২৮ হাজার ৮৪২ জন ভর্তি রয়েছেন এবং চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৫ হাজার ১৫১ জন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বমুখী হার প্রতিরোধে শিশুদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করা জরুরি। হাম অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় জ্বর ও শরীরে লালচে দানা দেখা দিলেই দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতালে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বিশেষ করে জনবহুল এলাকায় এই ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।
/আশিক
মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার সচিবালয়ে ‘বলপ্রয়োগ বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’র সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া বিশৃঙ্খল অবস্থা থেকে সংস্থাগুলোকে পুনর্গঠন করতে কিছুটা সময় লাগলেও সরকার এখন সঠিক পথেই আছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ১ মে থেকে সারাদেশে মাদক, অবৈধ অস্ত্র এবং চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিতভাবে এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান এবং মাদক ব্যবসার মূল হোতাদের ধরতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে বা করবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ প্রশাসনে সাম্প্রতিক বদলি ও বাধ্যতামূলক অবসর নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং নিয়মিত রুটিন কার্যক্রম। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হওয়া চিহ্নিত অপরাধীদের বিষয়েও সরকার সজাগ রয়েছে। মন্ত্রী জানান, আদালত থেকে জামিন পাওয়া আইনি বিষয় হলেও তারা যাতে পুনরায় অপরাধ করতে না পারে, সেজন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে আছে। হত্যাকাণ্ডসহ যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে এবং অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে।
/আশিক
যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নভঙ্গ! পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহবাহী বিমান এখন ঢাকায়
দীর্ঘ প্রতীক্ষা আর শোকের ছায়া মাড়িয়ে দেশে ফিরল ফ্লোরিডায় খুন হওয়া ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ। সোমবার সকালে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে তাঁর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায়। এর আগে গত শনিবার রাতে ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁর মরদেহ দেশের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল। লিমনের অকাল ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে বিমানবন্দরে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
মরদেহ দেশে পাঠানোর আগে গত বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার টাম্পা বে এলাকার ইসলামি সোসাইটিতে লিমনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে তাঁর সহপাঠী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়ে প্রিয় মেধাবী মুখটিকে চোখের জলে বিদায় জানান।
গেল ১৬ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর ২৪ এপ্রিল জামিল লিমনের এবং ৩০ এপ্রিল নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করে ফ্লোরিডা পুলিশ। লিমনের রুমমেট হিশাম আবুঘেরহেকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নথিতে বলা হয়েছে, লিমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে দুটি ‘ফার্স্ট-ডিগ্রি’ অর্থাৎ পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, খুনের আগে সে এআই প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে হত্যার উপায় খুঁজেছিল।
এদিকে নিহত অন্য শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। আগামী বুধবার (৬ মে) যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর পরিবারের অনুরোধ অনুযায়ী দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাঁর মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ওয়াশিংটনের বাংলাদেশ দূতাবাস। প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা জানিয়েছেন, দূতাবাস এ বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
/আশিক
কওমি শিক্ষার্থীরা আলাদা থাকবে না, মূলধারায় ফেরাতে সরকারের নতুন উদ্যোগ
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মূলধারার জাতীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কওমি শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষার সমমান প্রদানের জন্য সরকার একটি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে।
রোববার ডিসি সম্মেলনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কার্য-অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “কওমি মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আমাদের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে—তাদের কোন স্তরটি এসএসসি, কোন স্তরটি এইচএসসি, ডিগ্রি বা দাওরায়ে হাদিসের সমমান হবে। এই স্তরগুলো নির্ধারণের বিষয়ে তাঁদের সঙ্গে আমাদের ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।”
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কেবল সমমান দেওয়াই সরকারের লক্ষ্য নয়, বরং কওমি শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করে গড়ে তুলতে সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কিছু কারিগরি শিক্ষা (Technical Education) অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা চাই না কওমি শিক্ষার্থীরা জাতীয় মূলধারা থেকে আলাদা থাকুক। তারা যা চায়, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।
লেভেলগুলো ঠিক হয়ে গেলেই তাঁরা সাধারণ শিক্ষার মতোই স্বীকৃতি পাবেন।” সরকারের এই উদ্যোগের ফলে কওমি মাদ্রাসা থেকে পাস করা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থান ও উচ্চশিক্ষার পথ আরও সুগম হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
ধেয়ে আসছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়: আবহাওয়া অফিসের দীর্ঘমেয়াদী সতর্কতা
তীব্র তাপপ্রবাহের অসহনীয় দহনের পর দেশজুড়ে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি শুরু হওয়ায় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও, কৃষিখাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে ফসলহানির ঘটনা ঘটেছে। তবে মে মাসের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস বলছে, আবহাওয়া আরও চরম রূপ নিতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে অন্তত একটি নিম্নচাপ অথবা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
অধিদপ্তর জানিয়েছে, মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হলেও ৫ থেকে ৮ দিন হালকা বা মাঝারি ধরনের শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাত হতে পারে। এর মধ্যে ২ থেকে ৩ দিন তীব্র কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার সাথে বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টি কৃষি ও জানমালের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। তবে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা মে মাসে সাধারণত স্বাভাবিক থাকার কথা থাকলেও তাপপ্রবাহের পূর্বাভাসে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে।
বৃষ্টির এই ধারা স্থায়ী হবে না। মে মাসে দেশে ১ থেকে ৩টি মৃদু বা মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এছাড়া মাসের কোনো এক সময়ে দেশের ওপর দিয়ে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ (৪০ থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। অর্থাৎ বৃষ্টি ও ঝড়ের মাঝেই আবার প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অস্থির হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে।
দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে আপাতত স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকলেও বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদীগুলোর পানি সমতল সময় বিশেষে বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে এই অঞ্চলগুলোতে আকস্মিক পানির চাপ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- মার্কিন হামলায় ইরানের ছয় যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি, উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব: রাতভর বোমা হামলায় লণ্ডভণ্ড সীমান্ত
- এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: চরভদ্রাসনে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
- দেবিদ্বারে হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার
- তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
- ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
- ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: শুভেন্দুর তান্ডবে কি তবে সিংহাসন হারাবেন মমতা?
- ডলার থেকে রিয়াল: জেনে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিলাসবহুল জাহাজ এখন ভাসমান মৃত্যুপুরী! প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসের ছোবল
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- এক্সে ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা: সব কার্ড আমার কাছে
- যুক্তরাষ্ট্রে স্বপ্নভঙ্গ! পিএইচডি শিক্ষার্থী লিমনের মরদেহবাহী বিমান এখন ঢাকায়
- বিশ্ব অর্থনীতি বাঁচাতে ট্রাম্পের তুরুপের তাস: প্রজেক্ট ফ্রিডম নিয়ে উত্তাল পারস্য উপসাগর
- সোমবার রাজধানীর কোথায় কোথায় মার্কেট বন্ধ
- যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের নতুন ১৪ দফা প্রস্তাব
- ফজর থেকে এশা, আজকের পূর্ণ নামাজ সূচি
- ঢাকাসহ যে ৮ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা
- চেলসি ম্যাচসহ আজ টিভিতে যত খেলা
- বিসিসিআই-এর সাথে ইগো দেখাতে গিয়ে আইসিসির সাথে যুদ্ধ বাঁধাল বিসিবি
- হাকালুকিতে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ! সোনালী ধান এখন অথৈ পানির
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সৌদি-দুবাইয়ে ভরিতে ৪০ হাজার টাকা কম! জানুন কেন বাংলাদেশের সাধারণ ক্রেতারা ঠকছেন
- ২৮ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ








