আল জাজিরার প্রতিবেদন

মুহাম্মদ ইউনূস প্রশাসনের ভবিষ্যৎ কেন অনিশ্চিত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ মে ২৫ ২১:১৮:৪৬
মুহাম্মদ ইউনূস প্রশাসনের ভবিষ্যৎ কেন অনিশ্চিত

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার, সেনাবাহিনী এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক এখন এক জটিল এবং উত্তপ্ত মোড় নিয়েছে। জাতীয় নির্বাচন, ক্ষমতা হস্তান্তর, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সংস্কার—এসব ইস্যুতে ক্রমশ বাড়ছে মতবিরোধ। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্ব ও সরকারের স্থায়িত্ব নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।

সেনাবাহিনী বনাম প্রশাসন:

২০ মে অনুষ্ঠিত একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের মধ্যে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। তবে এটি এমন এক সময় হলো, যখন সেনাবাহিনী ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। সেনাপ্রধানের দাবি, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হওয়া উচিত; অন্যদিকে ইউনূস প্রশাসন বলছে, ২০২৬ সালের আগে কোনো ভোট নয়।

জেনারেল ওয়াকার স্পষ্ট করে বলেন, “সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা রক্ষার জন্য, পুলিশের কাজ করার জন্য নয়।” তিনি একে দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় প্রতিরক্ষার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন এবং বলেছেন, নির্বাচন শেষে সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফেরানো উচিত।

পদত্যাগ গুজব ও বাস্তব সংকট

গত সপ্তাহে মুহাম্মদ ইউনূসের পদত্যাগের গুজব ছড়ালে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনার সৃষ্টি হয়। যদিও উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর এ দাবি নাকচ করা হয়, কিন্তু ভেতরের সূত্র বলছে, ইউনূস বাস্তবিকই পদত্যাগের কথা বিবেচনা করছিলেন। তার দাবি, “বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের সম্ভাবনা খুব কম,” এবং যেকোনো ভোট যদি কারচুপির শিকার হয়, তিনি তার দায় নিতে রাজি নন।

এ বক্তব্য ইঙ্গিত করে, তিনি সরকারের ওপর রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছেন বলে মনে করছেন। বিশেষত পুলিশ প্রশাসন, রাজস্ব বোর্ড ও সেনাবাহিনী—সব কটি অঙ্গই এখন তাঁর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক

সেনাপ্রধানের মতে, একাধিক বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত “সার্বভৌমত্বের সঙ্গে আপস” করছে। যেমন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মানবিক করিডর খোলা, চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি ব্যবস্থাপনায় দেওয়া বা স্টারলিংক চালু করার মতো উদ্যোগে সেনাবাহিনী ‘কড়া আপত্তি’ জানিয়েছে।

জেনারেল ওয়াকারের ভাষায়, “এ ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু একটি নির্বাচিত সরকারই নিতে পারে।” তার বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি ইউনূস প্রশাসনের সার্বিক বৈধতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের নৈতিক ভিত্তি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন।

রাজনৈতিক চাপ ও BNP-এর দাবি

বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি একদিকে চায় নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যেই হোক, অন্যদিকে কয়েকজন উপদেষ্টার পদত্যাগও দাবি করছে। তারা নির্বাচন না হলে সরকারকে সহযোগিতা বন্ধের হুমকি দিয়েছে। যদিও তারা বলছে, ইউনূসের পদত্যাগ চায় না।

বিএনপি নেতা আমীর খসরু বলেন, “আমরা চাই ইউনূস একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন।” তবে তিনি বলেন, বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বাদ দিয়ে একটি ছোট আকারের নিরপেক্ষ উপদেষ্টা দল গঠনের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।

রাজনৈতিক সংস্কার ও ইউনূসের ব্যর্থতা

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে প্রস্তাবিত নানা সংস্কার উদ্যোগ, যেমন এনবিআর ভেঙে দুটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর, প্রশাসনের পক্ষ থেকে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছে। এটি সরকারের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণহীনতা ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে তুলে ধরেছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, রাজনৈতিক ঐকমত্য ছাড়া সংস্কার কার্যকর নয়। আন্দোলন ও অচলাবস্থার মধ্যে পড়ে ইউনূস নিজেকে ‘জিম্মি’ বোধ করছেন, এবং সেটা তাঁর অবস্থানকে দুর্বল করে তুলছে।বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট এখন নেতৃত্ব সংকটে পর্যবসিত হয়েছে। সেনাবাহিনী, রাজনৈতিক দল ও প্রশাসনের টানাপোড়েনের কেন্দ্রে এখন মুহাম্মদ ইউনূস। নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই চাপ বাড়ছে—এবং উত্তেজনা নিরসনের কোনো তাৎক্ষণিক উপায় চোখে পড়ছে না।


সীমান্ত থেকে পোশাক শিল্পে উসকানি দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ২৩:৪৩:৩৩
সীমান্ত থেকে পোশাক শিল্পে উসকানি দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন, স্বার্থ সুরক্ষা এবং দেশের রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পোশাক শিল্পের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণের নির্দিষ্ট সময় আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকলেও সরকার আন্তরিকতার সঙ্গে আগেই মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। মালিক পক্ষের নাম দ্রুত পাওয়া গেলেও শ্রমিক পক্ষের প্রতিনিধির নাম পেতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় নাম পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আলোচনার পথ খোলা থাকা সত্ত্বেও আন্দোলনের নামে পুলিশের গাড়িতে আগুন, ভাঙচুর ও কারখানায় অগ্নিসংযোগের মতো সহিংসতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও শিল্প ধ্বংসের চক্রান্তে নিরীহ শ্রমিকদের ব্যবহার করে সীমান্তের ওপার থেকে উসকানি দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, বিশৃঙ্খলা ও নাশকতাকারীদের কঠোরহস্তে দমন করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া বন্ধ থাকা কারখানাগুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত চালুর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার শান্তি ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

উক্ত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


পোশাক খাতের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ২০:৪২:০২
পোশাক খাতের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

তৈরি পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১ নভেম্বর) রাতে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, আগামী ডিসেম্বর মাসকে সামনে রেখে পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করবে সরকার। এর আগে শ্রমিক অসন্তোষের বর্তমান পরিস্থিতি, এর অন্তর্নিহিত কারণ এবং উদ্ভূত সংকট নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করতে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও উপদেষ্টার সঙ্গে এক উচ্চপর্যায়ের জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে চলমান সমস্যার স্থায়ী সমাধান ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এদিকে, পোশাক শ্রমিকদের নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের লক্ষ্যে সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে গেজেট প্রকাশ করেছে। রোববার শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে এই গেজেট প্রকাশ করা হয়। গঠিত এই বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন আহমদকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএ’র পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন ও বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম-মহাসচিব আসিফ আইয়ুব এবং শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

/আশিক


১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৯:৩০:৫৮
১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর
ছবি : সংগৃহীত

১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৬ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার জিতেছে ০৯২৩২৮৩ নম্বরটি এবং ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার দ্বিতীয় পুরস্কার জিতেছে ০৮৪২৫১১ নম্বরটি।

রোববার (১ নভেম্বর) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান মিঞা। আয়োজকরা জানান, একক সাধারণ পদ্ধতিতে অর্থাৎ প্রতিটি সিরিজের একই নম্বরের বিপরীতে এই ড্র পরিচালনা করা হয়। এবারের ড্রয়ে মোট ৮৬টি সিরিজের ৪৬টি সাধারণ সংখ্যার বিপরীতে ৩ হাজার ৯৫৬টি প্রাইজবন্ড পুরস্কারের জন্য বিজয়ী নির্বাচিত হয়েছে।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় পুরস্কারের পাশাপাশি ১ লাখ টাকা করে দুটি তৃতীয় পুরস্কার বিজয়ী নম্বর হলো ০৮৭৩৬১১ ও ০৮৯১৯৫৬। ৫০ হাজার টাকা করে দুটি চতুর্থ পুরস্কার জিতেছে ০৪৫৮৬৫৮ ও ০৯২৪৬৯৫ নম্বর। এ ছাড়া ১০ হাজার টাকা মূল্যমানের পঞ্চম পুরস্কার জিতেছেন ৪০ জন বিজয়ী। প্রাইজবন্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে, ড্র অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে অন্তত ৬০ দিন পূর্বে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ডগুলোই কেবল এই ড্রয়ের আওতাভুক্ত হয়েছে। বিজয়ী প্রাইজবন্ডধারীদের আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ উৎসে কর কেটে রাখা হবে।

/আশিক


সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৮:৫৯:২০
সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ৩ নভেম্বর রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) দুই দিনব্যাপী প্রথমবারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘বাংলাদেশ সোলার এক্সপো ২০২৬’। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান অতিথি হিসেবে এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আজ রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ তথ্য জানান।

‘ছাদের প্রতিটি ইঞ্চি কাজে লাগান, সৌরবিদ্যুৎ থেকে আয় বাড়ান’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (ইডকল) যৌথভাবে এই এক্সপোর আয়োজন করেছে। প্রদর্শনীটি ৩ ও ৪ নভেম্বর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুতের ঘাটতি হ্রাস এবং গ্রীষ্মকালীন জনদুর্ভোগ ন্যূনতম পর্যায়ে নামিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার। এক্সপো চলাকালে সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণ, জাতীয় জ্বালানি মিশ্রণে এর অংশ বাড়ানো এবং অব্যবহৃত জমি ও ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ে মোট চারটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০) বাস্তবায়ন এবং সৌরবিদ্যুতের প্রসারে সরকারি নীতি ও প্রণোদনা তুলে ধরাই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

প্রদর্শনীতে আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি প্রদর্শনের পাশাপাশি বিনিয়োগকারী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে অর্থায়নের সুযোগ তুলে ধরা হবে। এতে নীতিনির্ধারক, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, প্রযুক্তি সরবরাহকারী এবং সাধারণ ভোক্তারা অংশ নেবেন। প্রদর্শনীতে কর ও শুল্ক সুবিধা, সবুজ ও জলবায়ু অর্থায়ন, কার্বন ক্রেডিট, সৌরচালিত সেচব্যবস্থা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পাবে। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং বিপিডিবি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিমসহ সংশ্লিষ্ট শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


এইচএসসিতে শতভাগ ফেল: এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থার নির্দেশ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০১ ১৮:৩৮:৫০
এইচএসসিতে শতভাগ ফেল: এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থার নির্দেশ
ছবি : সংগৃহীত

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার শূন্য কিংবা আশঙ্কাজনকভাবে কম, সেগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (১ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে শিক্ষামন্ত্রী নিজে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, পাসের হার শূন্য বা আশঙ্কাজনকভাবে কম থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির মুখোমুখি করতে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, এ বছর দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২টি, অর্থাৎ এবার এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৯১টি বেড়েছে। অন্যদিকে, এ বছরের পরীক্ষায় শতভাগ পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা মাত্র ১৩৯টি।

/আশিক


সিসিটিভি ফুটেজে মিলল তাহসিফের মৃত্যুর আগের রাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ৩১ ২০:১৪:৫৮
সিসিটিভি ফুটেজে মিলল তাহসিফের মৃত্যুর আগের রাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য
বারের লিফটে উঠছেন তাহসিফ সাউরি, তার বান্ধবী ও ছোট ভাই আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপ (হেলমেট পরিহিত)। সিসিটিভি ফুটেজ: সংগৃহীত

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। জানা গেছে, ঘটনার দিন টঙ্গীর মাজার বস্তিতে যাওয়ার আগে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের ‘নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’-এ প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় কাটিয়েছিলেন তাহসিফ। ওই সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার বান্ধবী এবং জুনিয়র বন্ধু দীপ।

সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে একটি মোটরসাইকেলে করে তাহসিফ ও তার বান্ধবী উত্তরার ওই রেস্টুরেন্টে পৌঁছান। এর কিছুক্ষণ পর আরেকটি মোটরসাইকেলে সেখানে যোগ দেন দীপ। এরপর তিনজনে মিলে লিফটে করে বারে প্রবেশ করেন এবং প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে অবস্থান শেষে পুনরায় মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে বের হন।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানান, বার থেকে বের হওয়ার পর তাহসিফের বান্ধবীকে তার বাসায় নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তাহসিফ ও দীপ দুজনে মিলে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকার উদ্দেশে রওনা হন। মৃত্যুর আগের রাতের এই চলাচল ও বিভিন্ন স্থানে তাদের অবস্থানের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তবে এ বিষয়ে তদন্তসংশ্লিষ্টরা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এদিকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার তাহসিফের জুনিয়র বন্ধু দীপকে আদালতে হাজির করা হলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

/আশিক


রাজপথে লংমার্চ নয়, সংবিধান সংস্কারে আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ৩১ ২০:১০:৫১
রাজপথে লংমার্চ নয়, সংবিধান সংস্কারে আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
ছবি : সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কার ও উচ্চকক্ষ গঠন নিয়ে রাজপথে লংমার্চ না করে সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, উচ্চকক্ষের ক্ষমতা, কর্মপরিধি, এখতিয়ার এবং আইন প্রণয়নে দীর্ঘসূত্রতা এড়ানোর বিষয়গুলো নিয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা ও আলোচনার কোনো বিকল্প নেই।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে ‘স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট ও বাকশাল’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উচ্চকক্ষ গঠিত হলে তার সদস্যদের সুযোগ-সুবিধা এবং তাদের ক্ষমতা বা এখতিয়ার কী হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন। নিম্নকক্ষ থেকে পাস হওয়া আইন পর্যালোচনার জন্য উচ্চকক্সে পাঠানো হলে কত দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে, সে বিষয়েও স্পষ্ট নীতিমালা থাকা দরকার, অন্যথায় সংসদীয় কার্যক্রমে জট লাগতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, উচ্চকক্ষের সদস্যদের জন্য গাড়ি, বাড়ি বা বিশেষ বেতন-ভাতা না রাখার যে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তিনি তার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত।

অর্ডার দিয়ে বা গায়ের জোরে সংবিধান পরিবর্তনের বিরোধিতা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কেবল আদেশ জারি করে বা সংবিধানকে স্পর্শ করা সমীচীন নয়, এর জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সমঝোতা ও অঙ্গীকার। অতীতে তিন জোটের সমঝোতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সমঝোতার দলিল থাকলে তা পালনে সবাই বাধ্য থাকে এবং কোনো পক্ষ তা ভাঙলে সংসদে তার রাজনৈতিক জবাবদিহি নিশ্চিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি জানান, রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জনগণের দাবি বিবেচনায় নিয়েই বিএনপি অতীতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা মেনে নিয়েছিল।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির ওপর গুরুত্ব দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে সবাই সমর্থন করে এবং বর্তমানে বিচারকরা বিচারকার্য পরিচালনায় যথেষ্ট স্বাধীন রয়েছেন। তবে বিচারকদের স্বাধীনতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া কেবল সাংবিধানিক সংস্কার নয়, বরং যেকোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে আইনি জবাবদিহি ও ভারসাম্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

/আশিক


কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ৩১ ১৮:১৬:৩১
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান
ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে বাস্তবায়নাধীন দেশের প্রথম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি ইউরেনিয়ামের আরও একটি নতুন ও অত্যন্ত সংবেদনশীল চালান কঠোর নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে নির্ধারিত প্রকল্প এলাকায় এসে পৌঁছেছে। এটি এই ইউনিটের চতুর্থ এবং সামগ্রিক প্রকল্প হিসেবে চতুর্থ চালান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৭টা ১৭ মিনিটে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা তিনটি বিশেষায়িত লরির একটি বহর পাবনার ঈশ্বরদীর রূপপুর প্রকল্প চত্বরে নিরাপদে প্রবেশ করে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুর রহমান এই চালান পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, অত্যন্ত স্পর্শকাতর এই চালানটির পরিবহন ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং কঠোর নজরদারি বজায় রেখেছিল। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক শক্তি করপোরেশন রোসাটমের পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য মোট সাতটি কার্গো ফ্লাইটে ১৬৩টি এবং প্রথম ইউনিটের অতিরিক্ত জ্বালানির জন্য আরও দুটি কার্গোতে ৪৮টিসহ মোট নয়টি চালানে পারমাণবিক জ্বালানি বাংলাদেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের কাজও বেশ দ্রুততার সঙ্গেই এগিয়ে চলছে। ভিভিইআর-১২০০ মডেলের দুটি ইউনিটের এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটে ইতোমধ্যে ‘পাওয়ার স্টার্টআপ স্টেজ-সি’ বা পরীক্ষামূলক চালুকরণ কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) চেয়ারম্যান প্রথম ইউনিটের এই ধাপের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার সূত্র জানিয়েছে, ‘স্টেজ-সি’ পর্যায়ে ধাপে ধাপে পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরের ক্ষমতা বাড়ানো হবে এবং এর পাশাপাশি টারবাইন-জেনারেটরসহ অন্যান্য আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা হবে। সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে চলতি নভেম্বর মাসেই পরীক্ষামূলকভাবে এই ইউনিট থেকে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় সঞ্চালন গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

/আশিক


সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদসহ পুলিশের আট কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ৩১ ১৭:৪৯:১০
সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদসহ পুলিশের আট কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
গ্রাফিক্স: কালবেলা

কর্মস্থলে দীর্ঘদিন অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকা এবং পলায়নের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বহুল আলোচিত ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ পুলিশের মোট আটজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে এই বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়।

বরখাস্ত হওয়া আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে কার্যকর), ট্যুরিস্ট পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি শ্যামল কুমার মুখার্জী (২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর), রাজশাহী রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি মো. আনিসুর রহমান (২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর) এবং লক্ষ্মীপুরের সাবেক পুলিশ সুপার মো. তারেক বিন রশিদ (২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর থেকে কার্যকর)।

এ ছাড়াও এই তালিকায় আরও রয়েছেন নৌ পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম জাহাঙ্গীর হাছান (২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে কার্যকর), ডিএমপির সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার ফারহানা তাসকিন (২০১৮ সালের ২৮ মার্চ থেকে কার্যকর), ডিএমপির সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান সরকার (২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর) এবং বরিশালের সহকারী পুলিশ কমিশনার কাজী মিজানুর রহমান।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিনা অনুমতিতে দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন কিংবা দায়িত্ব পালন থেকে পালিয়ে বেড়িয়েছেন। অনেককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তারা যথাযথ জবাব দেননি বা প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেননি। তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট বিধিমালার বিধান অনুযায়ী তাঁদের গুরুদণ্ডস্বরূপ চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত নির্দিষ্ট তারিখ থেকে এই আদেশ কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: