সারা বছর ইলিশের স্বাদ পেতে জানুন সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ জুলাই ২৮ ২০:০১:৪৫
সারা বছর ইলিশের স্বাদ পেতে জানুন সঠিক সংরক্ষণ পদ্ধতি
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের রন্ধনসংস্কৃতিতে ইলিশ মাছ একটি অনন্য স্থান অধিকার করে আছে। বর্ষাকালে ইলিশ ধরা পড়ে বেশি, ফলে অনেকেই বছরের অন্যান্য সময়েও এই মাছ উপভোগ করতে চান। কিন্তু সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করলে ইলিশের স্বাদ ও গন্ধ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই দীর্ঘদিন ভালো রাখতে মাছ সংরক্ষণের পদ্ধতি জানা অত্যন্ত জরুরি।

প্রথম ধাপ: পরিষ্কার করাই মূল ভিত্তি

ইলিশ সংরক্ষণের আগে সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো মাছটিকে সঠিকভাবে পরিষ্কার করা। বাজার থেকে আনা মাছ প্রথমেই ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। মাথা, নাড়িভুঁড়ি ও রক্ত ভালোভাবে ফেলে দিতে হবে, যেন এগুলো মাছের তাজাভাব বা দুর্গন্ধ তৈরি না করে।

দ্বিতীয় ধাপ: প্রয়োজন অনুযায়ী টুকরা করা

পরিষ্কার করার পর মাছটিকে ছোট ছোট টুকরায় কেটে নিতে হবে। আপনি যেভাবে রান্না করেন বা খেতে পছন্দ করেন, সেই অনুযায়ী টুকরাগুলোর আকার নির্ধারণ করুন। ছোট টুকরা করলে সংরক্ষণ ও রান্না উভয় ক্ষেত্রেই সুবিধা হয়।

তৃতীয় ধাপ: বায়ুরোধী মোড়কে মোড়ানো অপরিহার্য

মাছের টুকরাগুলো আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। এর জন্য এয়ারটাইট কনটেইনার বা জিআই প্যাক (জিপার-লক ব্যাগ) ব্যবহার করা শ্রেষ্ঠ। এতে করে মাছের টুকরা একে অপরের সঙ্গে লেগে থাকবে না এবং বরফ জমে স্বাদ নষ্ট করবে না।

এয়ারটাইট প্যাকেজিং না করলে মাছ থেকে গন্ধ বেরিয়ে আসতে পারে এবং ফ্রিজের অন্য খাবারের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।

চতুর্থ ধাপ: সাধারণ ফ্রিজ নয়, ব্যবহার করুন ডিপ ফ্রিজ

মাছ ফ্রিজে রাখার ক্ষেত্রে সাধারণ ঠান্ডা তাপমাত্রা যথেষ্ট নয়। ইলিশ মাছ সংরক্ষণে অবশ্যই ডিপ ফ্রিজ (deep freezer) ব্যবহার করা উচিত। ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করলে তাপমাত্রা মাইনাস ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া বা পচনশীলতা রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

সাধারণ ফ্রিজে রাখলে মাছ থেকে পানি বেরিয়ে যেতে পারে এবং গন্ধ-স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

মেয়াদ: কতদিন ভালো থাকবে ইলিশ

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি উপরের ধাপগুলো যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয় তবে ইলিশ মাছ ডিপ ফ্রিজে প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত তাজা ও খাওয়ার উপযোগী থাকে। এর চেয়ে বেশি সময় রাখলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ কিছুটা ক্ষয় হতে পারে।

রান্নার আগে কী করবেন?

ফ্রিজ থেকে ইলিশ বের করে সরাসরি গরম পানিতে ভেজানো উচিত নয়। এতে মাছের টেক্সচার নরম হয়ে ভেঙে যেতে পারে। বরং মাছকে স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ রেখে স্বাভাবিকভাবে ডিফ্রস্ট করতে হবে। এতে করে রান্নার সময় মাছ টিকে থাকবে এবং স্বাদ অটুট থাকবে।

বর্ষাকালের শ্রেষ্ঠ উপহার ইলিশ মাছ, সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে আপনি সারা বছর এই ঐতিহ্যবাহী স্বাদের মাছ উপভোগ করতে পারেন। পরিষ্কার, বায়ুরোধী মোড়ক, ডিপ ফ্রিজ ও ধৈর্য্য—এই চারটি মূলনীতি মেনে চললেই ঘরে ইলিশ থাকবে দীর্ঘদিন নিরাপদ এবং সুস্বাদু।


২৪ ডিগ্রি না কি ২৬ ডিগ্রি? কোন তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কমবে

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৬ ১১:৩২:৪৫
২৪ ডিগ্রি না কি ২৬ ডিগ্রি? কোন তাপমাত্রায় এসি চালালে বিদ্যুৎ বিল কমবে
ছবি : সংগৃহীত

গ্রীষ্মের তীব্র গরমে এসি এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং অনেকের কাছেই নিত্যপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তবে ঘর দ্রুত ঠান্ডা করার আশায় তাপমাত্রা একবারে কমিয়ে রাখা অনেকের অভ্যাস, যা আসলে একটি বড় ভুল ধারণা। তাপমাত্রা যত কম রাখা হয়, এসির কম্প্রেসরকে তত দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে আপনার বিদ্যুৎ বিলের ওপর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসির তাপমাত্রা প্রতি ১ ডিগ্রি বাড়ানোর ফলে প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব। সেই হিসাবে আপনি যদি ২৪ ডিগ্রির পরিবর্তে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালান, তবে মাস শেষে প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয় হতে পারে। বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ মূল্যের হিসেবে এই সামান্য পরিবর্তনের ফলে মাসে প্রায় ৭০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় হওয়া সম্ভব।

একটি ১.৫ টন এসি সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় ১.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে। ২৪ ডিগ্রিতে এটি দৈনিক ৮ ঘণ্টা চালালে প্রায় ১২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, যার আর্থিক মূল্য দাঁড়ায় ১০০-১২০ টাকার মতো। কিন্তু তাপমাত্রা ২৬ ডিগ্রিতে সেট করলে কম্প্রেসর মাঝে মাঝে বিশ্রাম পায়, ফলে দৈনিক খরচ কমে ৭৫-৯০ টাকায় নেমে আসতে পারে।

সাশ্রয়ের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত দিক থেকেও ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বেশ উপযোগী। এই তাপমাত্রায় শরীর হঠাৎ করে ঠান্ডা বা গরমের তীব্র ধাক্কা অনুভব করে না, যা সর্দি-কাশি বা শারীরিক অস্বস্তির ঝুঁকি কমায়। তাই পকেট এবং শরীর—উভয়কেই ভালো রাখতে ঘর ঠান্ডা করার সময় ২৬ ডিগ্রি তাপমাত্রাই এখন বিশেষজ্ঞদের প্রথম পছন্দ।

/আশিক


আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৫ ২১:৫৪:৩০
আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
ছবি : সংগৃহীত

মহাকাশপ্রেমীদের জন্য চলতি সপ্তাহ নিয়ে আসছে এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা। আজ মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার ভোর পর্যন্ত আকাশে ডানা মেলবে ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ (Eta Aquariid) উল্কাবৃষ্টি। আমেরিকান মেটিওর সোসাইটির তথ্যমতে, ভোরের ঠিক আগের কয়েক ঘণ্টা এই মহাজাগতিক দৃশ্য উপভোগ করার জন্য সেরা সময়। তবে বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী এটি বুধবার বেলা ১১টার পর শুরু হওয়ায় আমাদের দেশ থেকে এর দৃশ্যমানতা থাকবে না বললেই চলে।

সোসাইটির ফায়ারবল রিপোর্ট সমন্বয়কারী রবার্ট লুনসফোর্ড জানান, আকাশের ‘অ্যাকুয়ারিয়াস’ বা কুম্ভ রাশি থেকে এই উল্কাগুলো নির্গত হয় বলে মনে হয়। কুম্ভ রাশিটি রাত ৩টার আগে দিগন্তের উপরে ওঠে না, তাই ভোরের আগের সময়টুকুই এটি দেখার একমাত্র সুযোগ। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলো থেকে এই দৃশ্য সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে, যেখানে ঘণ্টায় প্রায় ৪০টি উল্কা নজরে আসতে পারে। উত্তর গোলার্ধে উজ্জ্বল চাঁদের আলোর কারণে এই সংখ্যা ১০-এর নিচে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

নাসার তথ্য অনুযায়ী, ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ উল্কাগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন; এগুলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪৪ মাইল বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। এই অতি গতির কারণে উল্কাগুলো মিলিয়ে যাওয়ার পরও আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল রেখা কিছুক্ষণ স্থায়ী হতে দেখা যায়।

এই চমৎকার উল্কাবৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে বিখ্যাত হ্যালির ধূমকেতু। পৃথিবী যখন বছরে দুবার এই ধূমকেতুর রেখে যাওয়া ধূলিকণা ও পাথুরে অবশিষ্টাংশের কক্ষপথ অতিক্রম করে, তখনই উল্কাবৃষ্টির সৃষ্টি হয়। মে মাসে ‘এটা অ্যাকুয়ারিড’ এবং অক্টোবর মাসে ‘অরিওনিড’ উল্কাবৃষ্টি এই হ্যালির ধূমকেতুরই দান। বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি ১৭০৫ সালে এটি আবিষ্কার করেন। সবশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা যাওয়া এই ধূমকেতুটি আবার ২০৬১ সালে পৃথিবীর আকাশে ফিরে আসবে।

শহরের কৃত্রিম আলো থেকে দূরে কোনো অন্ধকার ও খোলা জায়গায় অবস্থান নিন। চাঁদের তীব্র আলো এড়াতে কোনো বড় গাছের ছায়া বেছে নিতে পারেন। আকাশ দেখার আগে অন্তত ৪৫ মিনিট সময় দিন যাতে আপনার চোখ অন্ধকারের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। এরপরই আবছা উল্কাগুলো স্পষ্ট হতে শুরু করবে।

/আশিক


চিরকাল তারুণ্য ধরে রাখার মূলমন্ত্র: সহজ কিছু অভ্যাসেই ত্বকের বয়স থমকে যাবে

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০৩ ১২:১৮:১২
চিরকাল তারুণ্য ধরে রাখার মূলমন্ত্র: সহজ কিছু অভ্যাসেই ত্বকের বয়স থমকে যাবে
ছবি : সংগৃহীত

বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র—যদি আপনার জীবনযাপন সঠিক হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলেন, তাদের ত্বকে বয়সের ছাপ অন্যদের তুলনায় অনেক দেরিতে পড়ে। তারুণ্য ধরে রাখার প্রথম এবং প্রধান মন্ত্র হলো সানস্ক্রিনের সঠিক ব্যবহার। অনেকেই মনে করেন কেবল কড়া রোদে বের হলেই সানস্ক্রিন প্রয়োজন, যা একটি বড় ভুল ধারণা।

সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ঘরের ভেতরেও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত এসপিএফ ৩০ প্লাস (SPF 30+) যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ুন। এটি ত্বককে অকালে বুড়িয়ে যাওয়া, রোদপোড়া ভাব এবং বলিরেখা থেকে সুরক্ষা দেয়।

ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা গভীর ঘুম হলে ত্বক নিজে থেকেই তার কোষগুলোকে পুনর্জ্জীবিত করার সুযোগ পায়। ঘুমের অভাব হলে চোখের নিচে কালি পড়া এবং মুখ নিস্তেজ দেখানোর মতো সমস্যা তৈরি হয়, যা দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে। পাশাপাশি খাবারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা ফলমূল, সবুজ শাকসবজি এবং বাদাম রাখুন। এই খাবারগুলো ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত চিনি, তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দেয়।

শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখা তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম শর্ত। দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ত্বক যত বেশি আর্দ্র থাকবে, ততই তা নরম এবং টানটান দেখাবে।

স্কিনকেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হলো—রুটিনকে যতটা সম্ভব সহজ রাখা। অনেকেই অনেক ধরনের কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট একসাথে ব্যবহার করেন, যা হিতে বিপরীত হতে পারে। তার বদলে কেবল তিনটি জিনিস—ক্লিনজার, ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন নিয়মিত ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। একটু সচেতনতা আর সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে আপনিও পেতে পারেন দীর্ঘস্থায়ী তরুণ ও সতেজ ত্বক।

/আশিক


গরমে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ মে ০২ ১২:৫৬:৩০
গরমে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয়
ছবি : সংগৃহীত

শরীরে খনিজ লবণের জোগান দিতে ডাবের পানি একটি অনন্য প্রাকৃতিক উপাদান। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস, যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি দ্রুত পানিশূন্যতা দূর করে। দুপুরের তপ্ত রোদে বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রোবায়োটিকে ভরপুর এই পানীয়তে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেলে শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ লেবুর শরবত শরীরকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেবুর শরবতের সঙ্গে সামান্য লবণ ও চিনি মিশিয়ে খেলে রক্তে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য খুব দ্রুত ফিরে আসে।

গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তরমুজ হাইড্রেটেড থাকার আদর্শ উপায়, কারণ এতে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে। তরমুজে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম পেশির টান বা ক্র্যাম্প কমাতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি তাজা ফলের রস শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয় এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে।

তবে এক্ষেত্রে প্যাকেটজাত জুস এড়িয়ে চিনি ছাড়া তাজা রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খাবারের তালিকায় কুমড়ার বীজ বা কাঠবাদাম রাখলে তা ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বজায় রেখে হৃৎপিণ্ড এবং স্নায়ুকে সচল রাখে।

যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে কাজ করেন, তাঁদের জন্য ওরস্যালাইন খাওয়া জরুরি কারণ এটি সোডিয়াম ও শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। সর্বোপরি সুস্থ থাকতে দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।

/আশিক


ওজন অনুযায়ী প্রোটিন মেপে ডায়েট: সুস্থ থাকার সঠিক গাইডলাইন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১২:৫৫:৫১
ওজন অনুযায়ী প্রোটিন মেপে ডায়েট: সুস্থ থাকার সঠিক গাইডলাইন
ছবি : সংগৃহীত

শরীরচর্চা এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রোটিন হলো সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। সুঠাম পেশি গঠন এবং দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রোটিনের বিকল্প নেই। একজন মানুষের শরীরে ঠিক কতটা প্রোটিন প্রয়োজন, তা নির্ভর করে তার বয়স, লিঙ্গ এবং দৈনন্দিন কায়িক পরিশ্রমের ওপর। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৮ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন।

তবে যারা নিয়মিত ভারি শরীরচর্চা করেন বা কঠোর পরিশ্রমী কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই চাহিদার পরিমাণ প্রতি কেজি ওজনে ১.৩ গ্রাম থেকে ১.৬ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। বাঙালি হিসেবে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে কার্বোহাইড্রেটের আধিক্য থাকলেও প্রোটিনের ঘাটতি প্রায়ই দেখা যায়, যা পরবর্তী সময়ে ওবেসিটি বা বিভিন্ন লাইফস্টাইল ডিজিজের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই শরীরকে ফিট রাখতে প্রতিদিনের সুষম আহারে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পাশাপাশি প্রোটিনের সঠিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা জরুরি।

প্রতিদিনের ডায়েটে যদি ৮০ গ্রাম প্রোটিন নিশ্চিত করতে চান, তবে সেটি সারাদিনের খাবারে ভাগ করে নিতে হবে। সকালের জলখাবারে দুধ বা দইয়ের সঙ্গে ওটস, মধু, চিয়া সিডস এবং আমন্ড মিশিয়ে খেলে প্রায় ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। দুপুরের খাবারে এক বাটি ভাতের সঙ্গে ১৫০ গ্রাম ডাল, ১০০ গ্রাম পনির অথবা ১২০-১৫০ গ্রাম চিকেন যোগ করলে সেখান থেকে আরও ২৫ থেকে ৩৫ গ্রাম প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করবে।

বিকেলের নাস্তায় প্রোটিন শেক, পনির, ছোলা ভাজা বা মাখানা রাখলে বাড়তি ২০ গ্রাম প্রোটিন নিশ্চিত হয়। রাতের খাবারে আটার রুটির সঙ্গে ডাল, পনির বা চিকেন রাখা যেতে পারে। প্রতিদিন একই খাবার না খেয়ে ডায়েটে বৈচিত্র্য আনতে মাছ, ডিম, কিনোয়া বা ডালিয়ার মতো খাবারগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তালিকাভুক্ত করা উচিত। মনে রাখবেন, প্রোটিন মেপে খেলে কেবল ওজনই কমবে না, বরং এটি শরীরের দীর্ঘমেয়াদী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

/আশিক


সারাদিন পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখার জাদুকরী কৌশল

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ৩০ ১২:২৬:৪৩
সারাদিন পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখার জাদুকরী কৌশল
ছবি : সংগৃহীত

প্রচণ্ড গরমে ঘর থেকে বের হলেই ঘাম আর সেই সঙ্গে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় কমবেশি সবাইকে। অনেক সময় দামী পারফিউম ব্যবহার করেও অফিস পৌঁছাতে পৌঁছাতে সেই সুগন্ধ হালকা হয়ে যায়, যা নিজের জন্য যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি অন্যের সামনেও বিব্রতকর হতে পারে। তবে কিছু সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে সকাল থেকে রাত অবধি আপনার পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখা সম্ভব। প্রথমত, পারফিউম ব্যবহারের আগে ত্বকের প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ।

যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের পারফিউম দ্রুত উবে যায়। তাই পারফিউম ব্যবহারের আগে কবজি বা পালস পয়েন্টে হালকা ময়েশ্চারাইজার বা ভ্যাসলিন মেখে স্প্রে করলে সুগন্ধ অনেক বেশি স্থায়ী হয়। এছাড়া পারফিউম পোশাকের চেয়ে সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করলে অনেক বেশি সুফল পাওয়া যায়। পোশাকের ওপর স্প্রে করলে অনেক সময় দাগ পড়ার ভয় থাকে এবং গন্ধও দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো গোসলের ঠিক পরেই শরীর ভেজা থাকা অবস্থায় বা শরীর মোছার পরপরই পারফিউম লাগানো, কারণ তখন ত্বকের ছিদ্রগুলো উন্মুক্ত থাকে এবং সুগন্ধ ত্বকে আটকে যায়। শরীরের যেসব জায়গা বা ‘পালস পয়েন্ট’ স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা উষ্ণ থাকে, সেখানে স্প্রে করা উচিত।

কবজি, ঘাড়, কানের পেছনে, কনুইয়ের ভেতরের অংশ এবং হাঁটুর পেছনের অংশে রক্ত সঞ্চালন বেশি হওয়ায় সেখানে পারফিউমের গন্ধ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়। অনেকেই পারফিউম লাগানোর পর দুই হাত দিয়ে ঘষে দেন, যা একদমই ঠিক নয়। এতে পারফিউমের গন্ধের কণাগুলো ভেঙে যায় এবং এর স্থায়িত্ব কমে যায়।

এছাড়া চিরুনিতে সামান্য পারফিউম স্প্রে করে চুল আঁচড়ালে চুলে সারাদিন হালকা সুবাস লেগে থাকে। শরীরের উষ্ণতম অংশ যেমন পেটের আশপাশে বা বুকের ওপর স্প্রে করলে গন্ধটি ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে যা সারাদিন আপনাকে সতেজ অনুভূতি দেবে। তবে অতিরিক্ত ঘাম হয় এমন জায়গায় সরাসরি পারফিউম না লাগানোই ভালো, কারণ ঘাম সুগন্ধকে দ্রুত নষ্ট করে দেয়।

/আশিক


রোদে কালো হয়ে যাচ্ছে ত্বক? গোলাপ জলের এই ব্যবহারে ফিরবে হারানো উজ্জ্বলতা

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১২:৪৮:০৬
রোদে কালো হয়ে যাচ্ছে ত্বক? গোলাপ জলের এই ব্যবহারে ফিরবে হারানো উজ্জ্বলতা
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র গরমে রোদে পোড়া ভাব, ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং কালচে ছোপ দূর করতে গোলাপ জল এক জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের এই দিনগুলোতে ঘাম আর ধুলোবালির কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়, দেখা দেয় ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা। তবে নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে গোলাপ জল ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

গরমকালে ত্বকের পিএইচ (pH) স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে গোলাপ জল অত্যন্ত কার্যকর। এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয়। টোনার হিসেবে কটন প্যাডে গোলাপ জল নিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর হয়। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে গোলাপ জলের সাথে ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধ হয় এবং ত্বক কোমল থাকে।

বাইরে বের হলে রোদের তাপে ত্বকে যে জ্বালা ভাব বা অস্বস্তি হয়, তা দূর করতে গোলাপ জলকে 'ফেস মিস্ট' হিসেবে ব্যবহার করা যায়। একটি স্প্রে বোতলে গোলাপ জল এবং এক থেকে দুই ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে সাথে রাখুন। গরমে ত্বকে অস্বস্তি বোধ হলেই মুখে স্প্রে করে নিন, এতে তাৎক্ষণিক সতেজতা ফিরে আসবে। নিয়মিত এই ঘরোয়া যত্নে গরমের দিনেও আপনার ত্বক থাকবে সতেজ ও প্রাণবন্ত।

/আশিক


গরমে ঘামাচির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন মুক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া উপায়

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৭ ১২:৪৪:০২
গরমে ঘামাচির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন মুক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া উপায়
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে আমাদের ত্বকের সবথেকে বিরক্তিকর সমস্যা হলো ঘামাচি। সারাদিন রোদে চলাফেরা বা অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে লালচে র‍্যাশ ও তীব্র চুলকানি দেখা দেয়, যা শরীরকে একদম অস্থির করে তোলে। একবার ঘামাচি জেঁকে বসলে তা সহজে সারতে চায় না। তবে কিছু কার্যকর ঘরোয়া নিয়ম মেনে চললে এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

ঘামাচি দূর করার প্রথম শর্ত হলো ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার রাখা। অনেকেই ঘামাচি হলে প্রচুর পরিমাণে পাউডার ব্যবহার করেন, যা আসলে ত্বকের ঘাম নিঃসরণের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়।

তাই পাউডার এড়িয়ে চলাই ভালো। শরীর ঠান্ডা রাখতে দিনে অন্তত দুইবার গোসল করার অভ্যাস করতে হবে। পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্থেটিক বা মোটা কাপড় বাদ দিয়ে সুতির হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে, যাতে শরীরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।

চুলকানি কমাতে নখ ব্যবহার না করে আক্রান্ত স্থানে ক্যালামাইন লোশন লাগালে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। এছাড়া শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি ও লেবুর শরবত পান করা জরুরি। মনে রাখবেন, শরীর যত হাইড্রেটেড থাকবে, ঘামাচির উপদ্রব ততটাই কম হবে। তাই এই গরমে রোদে কম বের হওয়ার চেষ্টা করুন এবং ত্বক পরিষ্কার রাখুন।

সূত্র : আনন্দবাজার


হিট স্ট্রোক ও চর্মরোগের হানা! দাবদাহে পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে যা করবেন

জীবনযাপন ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২৬ ১২:৫৬:২০
হিট স্ট্রোক ও চর্মরোগের হানা! দাবদাহে পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে যা করবেন
ছবি : সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষের পাশাপাশি সমানভাবে ধুঁকছে অবলা প্রাণীরাও। বর্তমানে রাজধানীসহ সারা দেশে যে অসহ্য গরম পড়ছে, তাতে বাড়িতে পালা বিড়াল, কুকুর ও পাখিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। এই সময়ে পোষা প্রাণীদের ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া ও জ্বরের মতো সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কুকুরের নাক গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং অস্বাভাবিক মলত্যাগের মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে মালিকদের দ্রুত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

পশু চিকিৎসকদের মতে, এই গরমে পোষা প্রাণীদের মধ্যে চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিচ্ছে। এ বিষয়ে পশু চিকিৎসক ডা. আনিসুর রহমান পরামর্শ দিয়েছেন যে, পোষা প্রাণীকে সব সময় ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে এবং নিয়মিত গোসল করাতে হবে। এছাড়া যেসব প্রাণীর লোম বেশি, তাদের লোম ট্রিম বা ছোট করে দিলে তারা গরম থেকে অনেকটাই স্বস্তি পাবে।

বিড়াল ও কুকুরের ক্ষেত্রে দিনের বেলা বিশেষ করে প্রখর রোদে বাইরে বের করা একদম অনুচিত। পরিবর্তে ভোরবেলা বা সন্ধ্যার পর তাদের হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া নিরাপদ। ঘরে সব সময় তাজা পানির ব্যবস্থা রাখা এবং বন্ধ গাড়িতে কখনোই তাদের না রাখা নিশ্চিত করতে হবে।

যাঁরা বাড়িতে পাখি পালন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও যত্নের ধরনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। পাখির খাঁচায় পান করা ও গোসলের জন্য আলাদা আলাদা পাত্রের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। খাঁচার আশপাশে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের জন্য প্রয়োজনে ফ্যান ব্যবহার করা যেতে পারে।

চিকিৎসকরা আরও সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনো পোষা প্রাণী হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করে দেয়, অতিরিক্ত ঝিমুনি দেখায় কিংবা মুখ দিয়ে ঘন লালা ঝরায়, তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একটু বাড়তি সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে এই তীব্র গরমে আপনার প্রিয় সঙ্গীকে সুরক্ষিত রাখতে।

/আশিক

পাঠকের মতামত:

৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার

দেশের পুঁজিবাজারে মঙ্গলবারের লেনদেনে শীর্ষ গেইনার তালিকায় বহুমুখী খাতের কোম্পানির উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারে বিস্তৃত ভিত্তিতে আস্থার ইঙ্গিত... বিস্তারিত