শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: মূল্যবৃদ্ধির রেকর্ড

দুই দিনব্যাপী সংশোধনধর্মী প্রবণতার পর গতকাল ৯ জুলাই, বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) আবারও তার শক্তি ও স্থিতিশীলতা প্রমাণ করেছে। এদিন বাজারে এক সুস্পষ্ট বুলিশ ধারা পরিলক্ষিত হয়, যেখানে মোট ৩৯৭টি কোম্পানির শেয়ারের মধ্যে ২৭৩টির দর বেড়েছে—যা মোট লেনদেনের ৬৮.৭৭ শতাংশ। মাত্র ৭৮টি কোম্পানির শেয়ার দরপতনের মুখ দেখেছে এবং ৪৬টি শেয়ারের দর অপরিবর্তিত ছিল। এত বেশি সংখ্যক কোম্পানির দরবৃদ্ধি বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার প্রত্যাবর্তনের জোরালো ইঙ্গিত দেয়।
A ক্যাটাগরিতে শক্তিশালী ঘুরে দাঁড়ানো
‘A’ ক্যাটাগরির ২১৭টি কোম্পানির মধ্যে ১৪৭টির শেয়ারের দর বেড়েছে, যা এই শক্তিশালী সেগমেন্টে বিনিয়োগকারীদের উচ্চ আস্থা এবং ক্রয়চাপের প্রতিফলন। ‘A’ ক্যাটাগরির কোম্পানিগুলো সাধারণত মুনাফাবণ্টনকারী ও নিয়মিত হিসাব প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান হওয়ায়, বাজারের গতিপথে এদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাত্র ৪৪টি কোম্পানির দর কমেছে এবং ২৬টি অপরিবর্তিত থেকেছে, যা সমগ্র বাজার প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
‘B’ ও ‘Z’ ক্যাটাগরিতে ইতিবাচক গতি
‘B’ ক্যাটাগরির ৮৩টি কোম্পানির মধ্যে ৫৯টির শেয়ারের দর বেড়েছে, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার নির্দেশ করে। অন্যদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ ‘Z’ ক্যাটাগরিতেও উল্লেখযোগ্যভাবে ৬৭টি কোম্পানির দর বেড়েছে। এটি হয়তো লভ্যাংশহীন ও অনিয়মিত কোম্পানিগুলোতে ক্ষণস্থায়ী ট্রেডিং চক্র বা ‘স্পেকুলেটিভ বাইং’ বেড়ে যাওয়ার প্রতিফলন।
মিউচ্যুয়াল ফান্ডে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
৩৬টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে ১৪টির দর বেড়েছে, ৭টির কমেছে এবং ১৫টি অপরিবর্তিত ছিল। এটি বিনিয়োগকারীদের মিশ্র মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। যদিও এই খাতটি তুলনামূলকভাবে স্থির ছিল, তবে বাজারের সামগ্রিক ইতিবাচক ধারা এ খাতকেও ধীরে ধীরে পুনরুজ্জীবিত করতে পারে।
সরকারি ও কর্পোরেট বন্ডে স্থবিরতা
কর্পোরেট বন্ড এবং সরকারি সিকিউরিটিজ (G-Sec) মার্কেট ছিল আজও নিস্প্রভ। মাত্র একটি কর্পোরেট বন্ড ট্রেড হয়েছে এবং দুটি সরকারি সিকিউরিটি ট্রেডে অংশ নিয়েছে, যেখানে কোনো মূল্যবৃদ্ধি ঘটেনি। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে এই সেক্টর এখনো কাঙ্ক্ষিত তারল্য বা বিনিয়োগ আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পারেনি।
বিপুল লেনদেন ও বাজার মূলধনে উল্লম্ফন
বুধবারের লেনদেন ছিল অত্যন্ত প্রাণবন্ত। মোট ২০৮,০৯৩টি ট্রেডে ৩০.৯২ কোটি শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার মোট মূল্য দাঁড়ায় ৬৯০৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। আগের দিনের তুলনায় এটি একটি বড় লাফ, যা বাজারের তারল্য এবং বিনিয়োগকারীদের সক্রিয়তার পরিচায়ক।
বাজার মূলধনে নতুন উচ্চতা
বাজার মূলধনও যথেষ্ট হারে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬৭২,৬৯৬ কোটি টাকা, যেখানে ইকুইটি খাতে ৩৩.৭৫ লক্ষ কোটি, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে ২৯,৫০৯ কোটি এবং ডেট সিকিউরিটিজে ৩৩.২১ লক্ষ কোটি টাকার মূলধন দাঁড়িয়েছে। বাজারে এভাবে সমন্বিত মূলধন বৃদ্ধির ঘটনা অর্থনীতির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও স্থিতিশীল পুঁজিবাজার কাঠামোর প্রতিফলন।
ব্লক ট্রেডে ১৫০ কোটির রেকর্ড, কেন্দ্রবিন্দুতে LOVELLO ও MIDLANDBNK
ব্লক ট্রেডিং সেগমেন্টেও আজ উল্লেখযোগ্য গতিশীলতা দেখা গেছে। ৩২টি কোম্পানির মোট ৩৬.৬ লাখ শেয়ার ব্লক ট্রেডের মাধ্যমে হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ১৫০.৬১ কোটি টাকা।
প্রধান আলোচিত কোম্পানিগুলো:
- LOVELLO: ৭টি ব্লকে ৩.২৬ লাখ শেয়ারের লেনদেন, মূল্য: ৩০.১১ কোটি টাকা
- MIDLANDBNK: সর্বোচ্চ ১২টি ব্লকে ১৮.৮২ লাখ শেয়ার, মোট মূল্য: ৫১.৭৭ কোটি টাকা
- PREMIERCEM: ১০টি ট্রেডে ৪.০৪ লাখ শেয়ার, ২১.২৬ কোটি টাকার লেনদেন
- FINEFOODS এবং BRACBANK-এও ছিল উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ
এই ব্লক লেনদেনগুলো প্রমাণ করে যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা লক্ষ্যভিত্তিক পোর্টফোলিও পুনর্বিন্যাসে ব্যস্ত এবং নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানিকে তারা দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।
ইতিবাচক বার্তা ও বিনিয়োগচক্রের শক্ত প্রতিচ্ছবি
আজকের বাজারচিত্র স্পষ্ট করে যে, কিছুদিনের সংশোধনের পর আবারও বিনিয়োগকারীরা দৃঢ়ভাবে বাজারে ফিরছেন। মূল্যবৃদ্ধির সংখ্যা, লেনদেনের পরিমাণ এবং ব্লক ট্রেডের গতি সবকিছুই একটি সুপরিকল্পিত ও পরিণত বাজার মনস্তত্ত্বের ইঙ্গিত দেয়। এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শেয়ারবাজার ভবিষ্যতে আরও স্থিতিশীল, বিনিয়োগবান্ধব এবং আস্থাশীল হয়ে উঠবে।
শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক বিশ্লেষণ
রাজধানীর শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) চলতি সপ্তাহে প্রধান সূচকগুলো উত্থানে শেষ হয়েছে। বাজারে গড়ে দৈনিক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৬ শতাংশ এবং বাজার মূলধনও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পভিত্তিক (SME) বাজারে সূচক পতন হয়েছে, যা পুরো বাজারের গতিপ্রবাহে একটি সতর্ক সংকেত দিয়েছে।
সপ্তাহ শেষে ডিএসই’র প্রধান সূচক ডিএসইএক্স (DSEX) দাঁড়িয়েছে ৫,৫১৭.৯৫ পয়েন্টে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১৪২.৯৯ পয়েন্ট বা ২.৬৬ শতাংশ বেশি। ডিএস৩০ (DS30) সূচক ৬৭.৫৫ পয়েন্ট বা ৩.২৩ শতাংশ বেড়ে ২,১৫৬.৯৯ পয়েন্টে পৌঁছেছে। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস (DSES) বেড়েছে ২৬.৮৬ পয়েন্ট বা ২.২৮ শতাংশ, দাঁড়িয়েছে ১,২০৭.২০ পয়েন্টে। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পভিত্তিক সূচক ডিএসএমইএক্স (DSMEX) কমেছে ৩৮.৯৭ পয়েন্ট বা ৪.০৯ শতাংশ, যা বাজারে ওই খাতের দুর্বল অবস্থানকে নির্দেশ করছে।
লেনদেনের ক্ষেত্রে সপ্তাহজুড়ে গড়ে দৈনিক টার্নওভার দাঁড়িয়েছে ১১,৪৫৯.১২ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৯,০৭১.৩৮ কোটি টাকার তুলনায় ২৬.৩২ শতাংশ বেশি। মার্কিন ডলারে হিসাব করলে গড়ে দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৪.০৪ কোটি ডলার। মোট বাজার মূলধনও বৃদ্ধি পেয়েছে ৭,১৮৩,৫৬০ কোটি টাকায়, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ১.৪৪ শতাংশ বেশি।
সপ্তাহজুড়ে বাজারে মোট ২৬৮ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, ১০৫টির দাম কমেছে এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৩টি। বাজারে অগ্রগামী ও পশ্চাদগামী শেয়ারের অনুপাত (Advance-Decline Ratio, ADR) দাঁড়িয়েছে ২.৫৫, যা বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং ক্রয়চাপ বৃদ্ধির প্রতিফলন।
সেক্টরভিত্তিক লেনদেনে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে লাইফ ইনস্যুরেন্স এবং জেনারেল ইনস্যুরেন্স খাতে। লাইফ ইনস্যুরেন্স খাতে গড়ে দৈনিক লেনদেন বেড়েছে ১২০ শতাংশের বেশি এবং জেনারেল ইনস্যুরেন্স খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১৬ শতাংশ। টেক্সটাইল খাতও ভালো পারফর্ম করেছে, যেখানে গড়ে দৈনিক লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৫৯ শতাংশ। ফুয়েল ও পাওয়ার খাতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫১ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত ও করপোরেট বন্ড মার্কেটে লেনদেন কমেছে যথাক্রমে ০.২৩ এবং ৫১ শতাংশ।
সপ্তাহের শীর্ষ লেনদেনকারী শেয়ারগুলোর মধ্যে সিটি ব্যাংক শীর্ষে ছিল, যার লেনদেন হয়েছে প্রায় ২৮৯ কোটি টাকা। এর পরে রয়েছে মালেক স্পিনিং, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি), সোনালী পেপার এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।
শীর্ষ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ারের তালিকায় রয়েছে আইএসএন লিমিটেড (৪৫.৫৯%), টিআইএলআইএল (৩২.৭০%), ইপিজিএল (৩২.৩৫%), প্রগ্রেসিভ লাইফ (২৯.১৩%) এবং মননো ফেব্রিক্স (২৩.৯০%)। অন্যদিকে, শীর্ষ দরপতনের শিকার হয়েছে মূলত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের শেয়ার। এর মধ্যে ফার্স্ট ফাইন্যান্স (৩৩.৩৩% পতন), ফেয়ার ইস্ট ফাইন্যান্স (৩১.০৩% পতন), প্রিমিয়ার লিজিং (২৮% পতন), আইএলএফএসএল (২৬.৯২% পতন) এবং প্রাইম ফাইন্যান্স (২৬.৩২% পতন) উল্লেখযোগ্য।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাজারে টানা লেনদেন ও সূচক বৃদ্ধির ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে SME খাতের দুর্বলতা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের টানা দরপতন এবং বন্ড মার্কেটের স্থবিরতা বাজারের সামগ্রিক গতিপ্রকৃতিতে ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। ফলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান বজায় রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।
ডিএসই ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেন
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট ২০২৫) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে ব্যাপক লেনদেন হয়েছে। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, এদিন ব্লক মার্কেটে মোট ৩৭টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রায় ২০ কোটি ৩৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। ব্লক মার্কেট মূলত বড় বিনিয়োগকারীদের লেনদেনের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বড় অঙ্কের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
আজকের ব্লক মার্কেট লেনদেনে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে ফাইন ফুডস লিমিটেড। কোম্পানিটি একাই ৩ কোটি ৬১ লাখ ৫৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করেছে, যা দিনের মোট লেনদেনের উল্লেখযোগ্য অংশ। ফুড অ্যান্ড বেভারেজ খাতে কোম্পানিটির শেয়ার দীর্ঘদিন ধরে বিনিয়োগকারীদের নজরে রয়েছে, এবং ব্লক মার্কেটে এর বড় অঙ্কের উপস্থিতি বাজারে নতুন আস্থা তৈরি করছে।
লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি। ব্যাংক খাতের এই প্রতিষ্ঠানের ব্লক মার্কেটে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৩১ লাখ ২৪ হাজার টাকা। এটি ব্যাংকিং খাতের প্রতি বড় বিনিয়োগকারীদের স্থায়ী আগ্রহকেই প্রতিফলিত করে।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে মালেক স্পিনিং মিলস্ পিএলসি, যার লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩৭ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাতের এই কোম্পানির শেয়ার লেনদেন প্রমাণ করে যে, খাতটিও আবার বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
এর বাইরে আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বড় অঙ্কের লেনদেন করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জি কিউ বলপেন ইন্ডাস্ট্রিজ লি., যার শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২ কোটি ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার এবং বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (BSC), যার শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ১৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।
-রফিক
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আজকের লেনদেনের সামগ্রিক বিশ্লেষণ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই) বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখের লেনদেন শেষে বাজারে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকে। দিনের সারসংক্ষেপে দেখা যায়, মোট ৩৯৮টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ২৮১টি শেয়ারমূল্য বেড়েছে, ৮৬টি কমেছে এবং ৩১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ দিনের সামগ্রিক বাজার প্রবণতায় উন্নতিমুখী শেয়ারের সংখ্যাই ছিল বেশি, যা বাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির প্রতিফলন।
ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে। এখানে মোট ২১৯টি কোম্পানি লেনদেন করেছে, যার মধ্যে ১৪৮টির শেয়ারমূল্য বেড়েছে, ৫৭টির কমেছে এবং ১৪টি অপরিবর্তিত ছিল। এটি প্রমাণ করে যে মূলত মানসম্মত ও ধারাবাহিক মুনাফা প্রদানকারী ‘এ’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোতেই বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সর্বাধিক ছিল। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে মোট ৮৩টি শেয়ারের মধ্যে ৫৮টির দর বেড়েছে এবং মাত্র ১৮টির দর কমেছে। এ খাতের ফলাফলও ইতিবাচক। ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে ৯৬টি কোম্পানি লেনদেন করে, যার মধ্যে ৭৫টির দাম বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল পারফরম্যান্স করা এ ক্যাটাগরিতেও এমন উন্নতিমুখী ফলাফল বাজারে তারল্য ও জল্পনা-কল্পনার সক্রিয়তাকে ইঙ্গিত করছে। তবে ‘এন’ ক্যাটাগরিতে কোনো লেনদেন হয়নি, যা নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের ইঙ্গিত বহন করে।
মিউচুয়াল ফান্ড খাতেও আশাব্যঞ্জক ফলাফল পাওয়া গেছে। মোট ৩৬টি ফান্ডের মধ্যে ২৫টির দর বেড়েছে, মাত্র ২টির কমেছে এবং ৯টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এটি ইঙ্গিত দেয় যে বিনিয়োগকারীরা ধীরে ধীরে মিউচুয়াল ফান্ড খাতকে আবারও সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচনা করছেন। করপোরেট বন্ড বাজারে লেনদেন সীমিত থাকলেও ইতিবাচক ফলাফল এসেছে—২টি করপোরেট বন্ডই মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সরকারি সিকিউরিটিজ (G-Sec) বাজারে পতন হয়েছে। এখানে ২টি ইস্যু লেনদেন হয় এবং দুটিরই দর কমে যায়। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সরকারি সিকিউরিটিজ বাজারে এ পতনের পেছনে সুদের হারের ওঠানামা ও নীতিগত চাপ কাজ করছে।
লেনদেনের সামগ্রিক চিত্রও ছিল শক্তিশালী। আজকের দিনে মোট ২,৯৮,৭৭২টি ট্রেড সম্পন্ন হয়েছে। শেয়ারের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭.৫৯ কোটি এবং লেনদেনের আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১,১৩২.৩২ কোটি টাকা। বাজার মূলধন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ইক্যুইটি শেয়ারের মোট মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩৬৬১.৫৩ কোটি টাকা, মিউচুয়াল ফান্ডের ২৭৩.০৬ কোটি টাকা এবং ঋণপত্র (ডেট সিকিউরিটিজ) খাতে ৩৪৯৪৭.২৬ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭১৮৩৫.৬০ কোটি টাকা। বাজার মূলধনের এই বৃদ্ধি শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়।
আজকের দিনে ব্লক মার্কেটও ছিল বেশ সক্রিয়। মোট ৩৭টি কোম্পানির শেয়ার ব্লক মার্কেটে লেনদেন হয়েছে। এখানে ৬৫টি ট্রেডে প্রায় ৪১.৮ লাখ শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০৩.৭৯ কোটি টাকা। ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লেনদেনগুলোর মধ্যে রয়েছে—ব্র্যাক ব্যাংক, ফাইন ফুডস, জিকিউ বলপেন, মালেক স্পিনিং, বিএসসি এবং সিপার্ল। ব্র্যাক ব্যাংক একাই প্রায় ৪.৫৮ লাখ শেয়ার লেনদেন করেছে, যার মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩৩.১২ কোটি টাকা। ফাইন ফুডস ১.৩২ লাখ শেয়ার লেনদেন করে ৩৬.১৫ কোটি টাকার বিপুল অঙ্ক সংগ্রহ করেছে। একইভাবে জিকিউ বলপেন ২১.১৪ কোটি টাকা, মালেক স্পিনিং ২৩.৭৫ কোটি টাকা এবং বিএসসি ১১.৮৩ কোটি টাকার লেনদেন করেছে। ব্লক মার্কেটে এসব বড় অঙ্কের লেনদেন প্রমাণ করছে যে প্রাতিষ্ঠানিক ও বড় বিনিয়োগকারীরাও সক্রিয় রয়েছেন।
সার্বিকভাবে আজকের বাজারচিত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে যে শেয়ারবাজার ইতিবাচক গতিপথে রয়েছে। যদিও কিছু সরকারি সিকিউরিটিজে পতন লক্ষ্য করা গেছে, তবুও ইক্যুইটি শেয়ার, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের ইতিবাচক অগ্রগতি বাজারে আস্থা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আজকের এই ইতিবাচক প্রবণতা অব্যাহত থাকলে বাজারে আরও তারল্য আসবে এবং বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে। তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছেন যে, স্বল্পমেয়াদি জল্পনার পরিবর্তে মৌলভিত্তিক শক্তিশালী শেয়ারে বিনিয়োগ করলেই বাজার দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতা পাবে।
-রফিক
২৮ আগস্ট দরপতনের তালিকায় শীর্ষ ১০ কোম্পানি
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দুপুর ২টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী বাজারে পতনধারা স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। ক্লোজ প্রাইস ও গতকালের ক্লোজ প্রাইস (YCP) তুলনায় এবং ওপেন প্রাইসের সঙ্গে সর্বশেষ লেনদেনমূল্য (LTP) বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফাইন্যান্স ও বীমা খাত আজকের সবচেয়ে বড় লুজার হিসেবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে পেট্রোলিয়াম ও শিল্প খাত থেকেও বেশ কয়েকটি কোম্পানির শেয়ার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, যা বাজারে খাতভিত্তিক দুর্বলতা এবং আস্থাহীনতার বার্তা দিচ্ছে।
আজকের তালিকার শীর্ষে রয়েছে FASFIN, যার শেয়ার ১.৭ টাকা থেকে নেমে ১.৬ টাকায় ক্লোজ করেছে, পতনের হার ৫.৮৮%। এর ঠিক পরে রয়েছে FAREASTFIN, যা ২.১ টাকা থেকে নেমে ২.০ টাকায় স্থিত হয়েছে, পতন ৪.৭৬%। একই খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান PRIMEFIN ২.৯ টাকা থেকে নেমে ২.৮ টাকায় ক্লোজ করেছে, পতন ৩.৪৫%। একাধিক ফাইন্যান্স কোম্পানির এ ধস বিনিয়োগকারীদের আস্থার বড় সংকটকে প্রতিফলিত করছে, যেখানে নন-পারফর্মিং লোন ও তারল্য ঘাটতির প্রভাবও ভূমিকা রাখছে।
বীমা খাতেও আজ বড় ধরনের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। REPUBLIC Insurance ৩৫.৬ টাকা থেকে নেমে ৩৪.১ টাকায় স্থিত হয়েছে, পতন ৪.২১%। CONTININS ২৯ টাকা থেকে নেমে ২৭.৯ টাকায় ক্লোজ করেছে, পতন ৩.৭৯%। একইভাবে CENTRALINS ৪৭.৫ টাকা থেকে নেমে ৪৫.৭ টাকায়, NORTHRNINS ৩৫ টাকা থেকে ৩৩.৩ টাকায় এবং PADMALIFE ২২.৭ টাকা থেকে নেমে ২১.৭ টাকায় স্থির হয়েছে। এই ধারাবাহিক পতন দেখাচ্ছে যে বীমা খাত বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের কাছে অনিশ্চয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছে, যেখানে স্বচ্ছতা ও মুনাফার ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন জেগেছে।
দিনের সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম (MEGHNAPET) থেকে। ওপেন প্রাইস ছিল ২৯.৫ টাকা, কিন্তু সেখান থেকে নেমে এটি ক্লোজ করেছে মাত্র ২৬.১ টাকায়, যা একদিনেই ১১.৫২% পতন—আজকের সর্বোচ্চ ক্ষতির নজির। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্থিরতা, সরকারি নীতি-অসঙ্গতি এবং মুনাফা প্রত্যাশার ঘাটতি এই পতনের মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জ্বালানি খাতে এর ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও নড়বড়ে হয়ে উঠেছে।
শিল্প খাত থেকেও পতনের আঘাত এসেছে। ATLASBANG শেয়ার ৬৮.৬ টাকা থেকে নেমে ৬৪.৮ টাকায় ক্লোজ করেছে, পতন ৫.৫৪%। দুর্বল উৎপাদন সক্ষমতা এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে অবস্থান হারানো এই শেয়ারের পতনের অন্যতম কারণ বলে ধরা হচ্ছে। একইভাবে BPML ৩৮.৭ টাকা থেকে নেমে ৩৭.৪ টাকায় ক্লোজ করেছে, যা ৩.৩৫% পতন নির্দেশ করে। এছাড়া SAMATALETH ১১১.৫ টাকা থেকে কমে ১০৭.৭ টাকায় স্থির হয়েছে, পতন ৩.৪০%।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের শেয়ারের পতন মূলত স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা গ্রহণ প্রবণতার ফল। এছাড়া ব্যাংক খাত থেকেও নেতিবাচক তালিকায় এসেছে EXIMBANK, যার শেয়ার ৪.৫ টাকা থেকে নেমে ৪.৩ টাকায় ক্লোজ করেছে, পতন ৪.৪৪%।
২৮ আগস্ট শীর্ষ ১০ গেইনার তালিকা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দুপুর ২টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত লেনদেনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা বিরাজ করেছে। ক্লোজ প্রাইস এবং গতকালের ক্লোজ প্রাইস (YCP) তুলনায় শীর্ষ ১০ গেইনার তালিকায় স্থান পাওয়া কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের আস্থা এবং বাজারের বহুমুখী প্রবৃদ্ধি প্রতিফলিত করেছে। এদিন শীর্ষ গেইনার হিসেবে উঠে এসেছে ISNLTD, যেখানে শিল্প, বস্ত্র, ফার্মাসিউটিক্যালস, মিউচুয়াল ফান্ড, প্রযুক্তি ও আর্থিক খাতের বিভিন্ন শেয়ারের শক্তিশালী উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।
তালিকার শীর্ষে ISNLTD
দিনের সেরা পারফরম্যান্স করেছে ISNLTD। গতকাল ৯৬.১ টাকায় ক্লোজ করা শেয়ারটি আজ ৯.৯৯% প্রবৃদ্ধি পেয়ে ১০৫.৭ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে। দিনের মধ্যে শেয়ারটির সর্বনিম্ন দাম ছিল ৮৯ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০৫.৭ টাকা। বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক ক্রয়চাপ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থাই এই শেয়ারটিকে শীর্ষ গেইনারে পরিণত করেছে।
শিল্প ও বস্ত্র খাতের উত্থান
HRTEX শেয়ার ২৮.৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩১.৩ টাকায় ক্লোজ করেছে, যা ৯.৮২% প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। একইভাবে EPGL ২০.৫ টাকা থেকে ২২.৫ টাকায় উঠে ৯.৭৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। শিল্প খাতের আরেকটি প্রতিষ্ঠান BESTHLDNG ১৬.৬ টাকা থেকে ১৮.২ টাকায় পৌঁছে ৯.৬৪% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ তিনটি কোম্পানির ধারাবাহিক উত্থান শিল্প ও বস্ত্র খাতের প্রতি বিনিয়োগকারীদের নতুন করে আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মিউচুয়াল ফান্ডে প্রাণ ফিরছে
দীর্ঘদিন ধরে তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা মিউচুয়াল ফান্ড খাতে আজ নতুন প্রাণ ফিরেছে। 1STPRIMFMF শেয়ার ১৯.৮ টাকা থেকে বেড়ে ২১.৭ টাকায় ক্লোজ করে ৯.৬% প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, মিউচুয়াল ফান্ড খাতের এই উত্থান ভবিষ্যতে খাতটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির পথ খুলে দিতে পারে।
প্রযুক্তি ও ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের শক্তিশালী অবস্থান
প্রযুক্তি খাতের INTECH আজ বিনিয়োগকারীদের নজর কাড়ে। শেয়ারটি ২৫.৮ টাকা থেকে বেড়ে ২৮.২ টাকায় ক্লোজ করেছে, প্রবৃদ্ধি ৯.৩০%। অন্যদিকে, ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান রেনেটা (RENATA) আবারও শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে। গতকালের ৪৭৪.৬ টাকা থেকে বেড়ে এটি ৫১৬.১ টাকায় লেনদেন শেষ করেছে, যা ৮.৭৪% প্রবৃদ্ধির প্রতিফলন। স্বাস্থ্যসেবা খাতে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ও প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতাই রেনেটার সাফল্যের মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আরও যারা তালিকায়
রাসায়নিক খাতের WATACHEM আজ ১৪৬.৪ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৯.২ টাকায় ক্লোজ করেছে, প্রবৃদ্ধি ৮.৭৪%। TILIL ৭৭.১ টাকা থেকে বেড়ে ৮৩.২ টাকায় পৌঁছে ৭.৯১% বৃদ্ধি পেয়েছে। আর্থিক খাতের প্রতিনিধি CAPITECGBF ৬.৮ টাকা থেকে বেড়ে ৭.৩ টাকায় ক্লোজ করেছে, যা ৭.৩৫% প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।
বিশ্লেষকদের মতে, আজকের প্রবণতা বাজারে ইতিবাচক মনোভাব সঞ্চার করেছে। এটি অব্যাহত থাকলে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ ও বাজারে তারল্য আরও বৃদ্ধি পাবে, যা সামগ্রিকভাবে শেয়ারবাজারকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে।
ডিএসইতে শীর্ষ ২০ শেয়ারের তালিকায় আধিপত্য যে দুই কোম্পানির
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫ তারিখে দুপুর আড়াইটায় লেনদেনকৃত শীর্ষ ২০ কোম্পানির তালিকায় দেখা গেছে ব্যাংক, ফার্মাসিউটিক্যালস, কাগজ ও শিল্প খাতের শেয়ারগুলোর শক্তিশালী অবস্থান। লেনদেনের পরিমাণ, মূল্য এবং বাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বিশ্লেষণ করলে একটি বহুমাত্রিক চিত্র পাওয়া যায়।
রেনেটা শীর্ষে
ওষুধ উৎপাদনকারী কোম্পানি রেনেটা লিমিটেড (RENATA) লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করেছে। মোট ৫,২৯৯টি লেনদেনের মাধ্যমে ২২৬.৫০৯ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে। দিনের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ৫১৬.১ টাকা এবং সর্বনিম্ন ৪৬৮ টাকা হলেও দিনশেষে শেয়ারটি ৫১৬.১ টাকায় স্থিত হয়। এই শক্তিশালী উপস্থিতি ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের স্থিতিশীল চাহিদা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থার বহিঃপ্রকাশ।
ব্যাংক খাতের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি
ব্যাংক খাত থেকেও একাধিক কোম্পানি শীর্ষ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এর মধ্যে সিটি ব্যাংক (CITYBANK) ৮৭.৭৬ লাখ শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে ২২১.১১ কোটি টাকার শেয়ার হাতবদল করে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। ব্র্যাক ব্যাংক (BRACBANK) এর শেয়ার ২৭ লাখেরও বেশি লেনদেনে ১৯১.৪১ কোটি টাকা মূল্যের শেয়ার বিনিময় করে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে। ব্যাংক খাতের এই প্রবল উপস্থিতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে ইঙ্গিত করে, বিশেষত মধ্যম মূল্যের শেয়ারগুলোতে তারল্য বেশি দেখা যাচ্ছে।
কাগজ, শিল্প ও ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের উত্থান
সোনালী পেপার (SONALIPAPR) ৭.৪৯ লাখ শেয়ারের বিপরীতে ২১০.৮৬ কোটি টাকার লেনদেন সম্পন্ন করে তৃতীয় অবস্থানে আছে। অন্যদিকে কোয়াসেম ইন্ডাস্ট্রিজ (QUASEMIND), ওরিয়ন ইনফিউশন (ORIONINFU), এবং বিকন ফার্মা (BEACONPHAR) যথাক্রমে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৮ম স্থানে থেকে ফার্মাসিউটিক্যালস ও শিল্প খাতের শক্ত অবস্থানকে প্রতিফলিত করেছে।
মাঝারি শেয়ারের প্রতি আগ্রহ
তালিকায় মাঝারি দামের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ লক্ষ্যণীয়। যেমন— ডোমিনেজ (DOMINAGE), ইপিজিএল (EPGL), এআইএল (AIL), টেকনো ড্রাগ (TECHNODRUG) এবং বেস্ট হোল্ডিংস (BESTHLDNG) প্রভৃতি শেয়ারগুলো ১৩০ থেকে ১৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি লেনদেন করে বিনিয়োগকারীদের চাহিদা বাড়ার প্রমাণ দিয়েছে।
ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের আধিপত্য
তালিকার ২০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্তত ছয়টি প্রতিষ্ঠান ফার্মাসিউটিক্যালস ও স্বাস্থ্যসেবা খাতের। এর মধ্যে রেনেটা, বিকন ফার্মা, নাভানা ফার্মা (NAVANAPHAR), টেকনো ড্রাগ এবং বেক্সিমকো ফার্মা (BXPHARMA) বিনিয়োগকারীদের কাছে শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে।
সার্বিক চিত্র
শীর্ষ তিন কোম্পানি (রেনেটা, সিটি ব্যাংক, সোনালী পেপার) মিলিয়ে প্রায় ৬৫৮ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হয়েছে।
ব্যাংক ও ফার্মাসিউটিক্যালস খাতের আধিপত্য বাজারে স্থিতিশীলতার পাশাপাশি খাতভিত্তিক আস্থাকে প্রতিফলিত করছে।
মাঝারি দামের শেয়ারগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের ঝোঁক বাড়ছে, যা বাজারে তারল্য বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।
-রফিক
প্রভাবশালী কোম্পানিগুলোর শেয়ারেও নীরবতা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর ডিএসই-৩০ সূচকে অন্তর্ভুক্ত শেয়ারগুলোর লেনদেন বৃহস্পতিবার সকালে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। সকাল ৯টা ৩৮ মিনিট পর্যন্ত সূচকের অন্তর্ভুক্ত কোনো কোম্পানির শেয়ারেই লেনদেন হয়নি। ফলে Last Traded Price (LTP), High, Low, Trade, Value ও Volume সবগুলো ক্ষেত্রেই শূন্য (০) অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে।
তবে প্রতিটি কোম্পানির Yesterday’s Closing Price (YCP) অপরিবর্তিত অবস্থায় প্রদর্শিত হয়েছে। যেমন ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (BATBC) এর YCP ছিল ২৮৫.৪ টাকা, গ্রামীণফোন (GP) ২৯৯.৬ টাকা, লিন্ডে বাংলাদেশ (LINDEBD) ৯৪৮.৬ টাকা, ওয়ালটন হাইটেক (WALTONHIL) ৪৪৭.৫ টাকা এবং স্কয়ার ফার্মা (SQURPHARMA) ২২২ টাকা।
একইভাবে ব্যাংক খাতের শেয়ার যেমন ব্র্যাক ব্যাংক ৬৯.১ টাকা, সিটি ব্যাংক ২৪.৮ টাকা, প্রাইম ব্যাংক ২৮ টাকা এবং পুবালী ব্যাংক ২৮.৭ টাকা দরে অপরিবর্তিত রয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ডিএসই-৩০ সূচকের কোনো কোম্পানির শেয়ারের দামে শতকরা পরিবর্তন (% Change) হয়নি। অর্থাৎ, লেনদেন শূন্য থাকায় বাজারে কার্যত কোনো মূল্য ওঠানামা লক্ষ্য করা যায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে লেনদেন স্থবির হয়ে পড়া বিনিয়োগকারীদের আস্থা, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ পরিস্থিতিতে ডিএসই-৩০ সূচকে অন্তর্ভুক্ত শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলোর লেনদেন না হওয়া বাজারের সামগ্রিক স্থবিরতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, দিনের পরবর্তী সময়ে বাজার সচল হতে পারে, তবে এ ধরণের লেনদেনহীন পরিস্থিতি বিনিয়োগকারীদের জন্য সতর্ক সংকেতও বহন করছে।
-রাফসান
ডিএসই টিমের তদন্তে অপ্রত্যাশিত তথ্য ফাঁস
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) একটি পরিদর্শন টিম নিউ লাইন ক্লথিংস লিমিটেডের কারখানা ও প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন করেছে। গত ৮ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে সম্পন্ন হওয়া এ পরিদর্শনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কারখানায় কোনো ধরনের উৎপাদন কার্যক্রম চলছে না এবং কার্যত প্রতিষ্ঠানটির স্বাভাবিক অপারেশনও বন্ধ রয়েছে।
ডিএসই’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানির কার্যক্রম বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও মূলধন বাজারের স্বচ্ছতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। তাই কারখানায় উৎপাদন বন্ধ থাকার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের জানানো গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। এ ধরনের তথ্য প্রকাশ বাজারে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং বিনিয়োগকারীদের যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
উল্লেখ্য, নিউ লাইন ক্লথিংস লিমিটেড মূলধন বাজারে তালিকাভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটির আর্থিক ও উৎপাদন কার্যক্রমের নিয়মিত অগ্রগতি সম্পর্কে বিনিয়োগকারীরা জানতে আগ্রহী। ডিএসই’র এ পরিদর্শন প্রতিবেদন থেকে স্পষ্ট হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে স্থবিরতা বিরাজ করছে, যা ভবিষ্যতে কোম্পানির আর্থিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
ডিএসই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় এ ধরনের নজরদারি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চালানো হবে।
-রফিক
বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ নিষ্পত্তিতে ডিএসই’র নতুন উদ্যোগ
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) বিনিয়োগকারীদের জন্য অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াকে আরও সহজ ও কার্যকর করতে নতুন একটি অনলাইন সুবিধা চালু করেছে। এখন থেকে বিনিয়োগকারীরা ট্রেক হোল্ডার কোম্পানি এবং তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের ইস্যুকারীদের (যদি থাকে) বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগ Customer Complaint Address Module (CCAM) এর মাধ্যমে জমা দিতে পারবেন।
ডিএসই জানায়, অনলাইনে অভিযোগ গ্রহণের এই ব্যবস্থা চালুর ফলে বিনিয়োগকারীরা শারীরিকভাবে হাজির না হয়েও সহজে তাদের অভিযোগ দাখিল ও সমাধানের সুযোগ পাবেন। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের নির্ধারিত লিংকে (https://www.cdbl.com.bd/complaints.sec.gov.bd/) গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে অভিযোগ জমা দিতে হবে।
কর্তৃপক্ষের মতে, এই পদক্ষেপ মূলধন বাজারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিনিয়োগকারীর অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া হবে দ্রুত ও সময়োপযোগী, যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও বাড়াবে।
ডিএসই আশা করছে, প্রযুক্তিনির্ভর এই উদ্যোগ বাজারে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে এবং বিনিয়োগকারীরা ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই তাদের সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হবেন।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- ব্ল্যাকহেড্স দূর করার ঘরোয়া উপায়: মাত্র দুটি জিনিস লাগবে
- মা-মেয়েকে অজ্ঞান করতে গিয়ে ধরা, নিজ জুসেই বেহুঁশ অজ্ঞান পার্টির সদস্য
- শরিয়াহবিরোধী,আখ্যায় আফগানিস্তানে নারীদের বিউটি পার্লার বন্ধে কঠোর অবস্থান
- টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের রেকর্ড ছুঁলেন লিটন, বাংলাদেশের সহজ জয়
- রংপুরে চাপা উত্তেজনা: জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ মুখোমুখি
- নুরের পাশে জামায়াত: ঢাকা মেডিকেলে তাহেরের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল
- খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান অংশ নেবেন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে
- শঙ্কামুক্ত নন: নুরকে আরও ৩৬ ঘণ্টা আইসিইউতে রাখার সিদ্ধান্ত চিকিৎসকদের
- ট্রাম্পের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে, কী বলছে হোয়াইট হাউস?
- নেদারল্যান্ডসকে ১৩৬ রানে আটকে দিল টাইগাররা
- সবার সক্রিয় সমর্থন চাই: ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কাছে তারেক রহমানের আহ্বান
- কড়া বার্তা অন্তর্বর্তী সরকারের
- সংসদ ভবনে আগুন দিল বিক্ষোভকারীরা
- এক মঞ্চে মামুনুল-চরমোনাই পীর: নির্বাচন ও জুলাই সনদ নিয়ে কঠোর বার্তা
- অ্যাপলের নতুন চমক: আইফোন ১৭ সিরিজ আসছে, কী থাকছে নতুন ফোনে?
- পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলতেই ৩২ বস্তা টাকা, এবার রেকর্ড ভাঙার আশা
- ভারত আমাদের হাত বেঁধে, মুখ ঢেকে বন্দীদের মতো করে নিয়ে যায়—এরপর সমুদ্রে ফেলে দেয়
- শিবচরে ৪ বাসের ভয়ংকর সংঘর্ষ, অচল হয়ে পড়েছে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে
- খুঁটির সঙ্গে বেঁধে বৃদ্ধকে পেটালেন বিএনপি নেতা
- নাকের হাড় ভেঙেছে নুরের, অবস্থা স্থিতিশীল: ঢামেক পরিচালক
- স্বর্ণের দামে স্বস্তি নেই: ফের বাড়ল দাম, নতুন মূল্য কার্যকর আজ থেকে
- যানজট নিরসনে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল চালু হচ্ছে আজ
- ঐতিহাসিক রায়ে ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক অবৈধ ঘোষণা
- নিজের আমলের ফল নিজেই ভোগ করবে মানুষ: হাদিসে কুদসীর শিক্ষা
- গ্ল্যামারাস রূপে হানিয়া আমির, নতুন লুকে মুগ্ধ ভক্তরা
- এশিয়া কাপের প্রস্তুতি: আজ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ
- কালো হাত ভেঙে দেওয়া হবে: নুরের ওপর হামলা নিয়ে সারজিস আলমের হুঁশিয়ারি
- নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর
- চিয়া বীজ কি সবার জন্য নিরাপদ? জেনে নিন কাদের জন্য এটি বিপজ্জনক
- জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের
- নুরের ওপর হামলা,ভারতের মদতে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা: হাসনাত
- বিএনপির সঙ্গে বরফ না গলায় ছয় দল নিয়ে এগোচ্ছে জামায়াত
- নুরের ওপর হামলার আইনি তদন্তের আহ্বান তারেক রহমানের
- আর মানবিক মূল্যবোধ উপেক্ষা নয়: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত তুরস্কের
- আইসিইউতে নুরুল হক নুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক
- ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা আনতে কঠোর আইন: অনলাইনে মিথ্যা তথ্য দিলেই কারাদণ্ড
- কাকরাইলে সংঘর্ষে রক্তাক্ত নুর, উত্তপ্ত রাজনীতি: এনসিপির বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা
- দিল্লিতে হাসিনা–এস আলম গোপন বৈঠকে অর্থায়ন, প্রোপাগান্ডা ও অস্থিতিশীলতার কৌশল!
- "জাতীয় নাগরিক পার্টি আসলে ইউনূসের দল, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে"
- মসজিদে প্রবেশের আগে যে ছোট কাজটি আনতে পারে রহমত
- কেন প্রতিদিন লেখার চর্চা আপনাকে করে তুলতে পারে আলাদা? জানুন কিভাবে
- কেন আমরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি- মনোবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক বিশ্লেষণ
- সবজির পর এবার অন্য যেসব খাতে আগুন
- আসন্ন নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনারের অভূতপূর্ব মন্তব্য
- নকলায় বিএনপি থেকে জামায়াতে যোগ ২৪ নেতা-কর্মীর
- নদী ভাঙন রোধে কী পরিকল্পনা জানালেন বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী
- স্বাধীনতা দিবসে সব নাগরিককে নগদ অর্থ দেবে সরকার
- নিহত গাজা সাংবাদিকের চিঠি পড়ে কেঁদে ফেললেন জাতিসংঘে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত
- গাজা উপত্যকায় রাতভর তাণ্ডব
- ডিএসই প্রকাশ করল নতুন মার্জিন ঋণযোগ্য সিকিউরিটিজ তালিকা
- মাহাথির মোহাম্মদ ও মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তর: নীতি, সংস্কার ও উত্তরাধিকার
- "জাতীয় নাগরিক পার্টি আসলে ইউনূসের দল, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে"
- অমীমাংসিত ইস্যু সরকারের বিষয়, মুসলিম বিশ্বের ঐক্য শক্তিশালী করার আহ্বান জামায়াতের
- পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুনভাবে ভাবতে চায় এনসিপি, ৭১-এর অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান
- ২৭ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৬ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের
- ২৭ আগস্টের বন্ড মার্কেট আপডেট: কিছু বন্ডে দরপতন, বেশিরভাগই স্থবির
- মুক্তিযুদ্ধের নাম কি তবে ‘৭১ ডিল’: মেহের আফরোজ শাওন
- ২৬ আগস্ট শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া বিপ্লব অসম্পূর্ণ: ডা. তাহের
- ২৫ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- নাইজেরিয়ার বাজারে ডেরিকা: টমেটো পেস্ট থেকে মাপের এককে রূপান্তরের গল্প
- ২৪ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার