সিনহুয়ার সাক্ষাৎকার
চীন-বাংলাদেশ সহযোগিতা নতুন স্তরে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে: ঢাকার কর্মকর্তা

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গড়ে ওঠা ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছে। এই সম্পর্ক আগামী দিনে দুই পক্ষের জন্যই আরও উপকারী হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) ব্যবসায়িক উন্নয়ন বিভাগের প্রধান নাহিয়ান রহমান রোচি।
সম্প্রতি চীনের সিনহুয়া বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা খুবই ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ। চীন আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ অংশীদার।”
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চীন গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে রয়েছে। বর্তমানে প্রায় এক হাজার চীনা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কাজ করছে। নাহিয়ান রহমান বলেন, অবকাঠামো উন্নয়নে চীনের সহায়তা সবসময়ই উল্লেখযোগ্য। তৈরি পোশাক খাতে বিনিয়োগ ছাড়াও ওষুধ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স খাতেও চীনের নতুন আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশ একটি আঞ্চলিক উৎপাদন কেন্দ্র গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে এবং সেই লক্ষ্যে চীনের সঙ্গে আরও গভীর অংশীদারত্ব প্রয়োজন।” চীনের উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনের অভিজ্ঞতা এবং বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা একত্রে কাজ করলে দুই দেশের অর্থনীতিই উপকৃত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের শিল্প খাতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে তিনি টেকসই জ্বালানি সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করেন। রোচির মতে, “শিল্পখাতকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি দিতে হলে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে মনোযোগ বাড়াতে হবে। সৌর, বায়ু ও জলবিদ্যুৎ এই ক্ষেত্রে সম্ভাবনাময়।”
তিনি আরও বলেন, “চীন এই পরিবর্তনে আমাদের সবচেয়ে কার্যকরী অংশীদার হতে পারে। তাদের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আমাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করতে পারে।”
চীনের বিনিয়োগ আকর্ষণের পদ্ধতির প্রশংসা করে রোচি বলেন, “বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে চীন বিশ্বে অন্যতম উদাহরণ। আমরা চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিচ্ছি এবং আমাদের নীতিগুলোও সেই অনুযায়ী গড়ে তুলছি।”
এই মাসেই বিডার একটি প্রতিনিধি দল চীন সফরে যাবে বলে জানান তিনি। এই সফরে চীনের বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হবে। বিশেষ করে, টেক্সটাইল, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অটোমোবাইল খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ইতিমধ্যে রয়েছে, এবং আরও একটি অঞ্চলের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলেও জানান রোচি। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী চীনা উদ্যোক্তাদের জন্য আমরা করসহ নানা ধরনের প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছি, যা তাদের জন্য খুবই সহায়ক হবে।”
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সম্পর্কে আশাবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, “গত ৫০ বছরের অর্জন আগামী দিনের জন্য একটি ভালো ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।”
ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হামাসের মুখপাত্র আবু উবাইদা
গাজায় শনিবার চালানো এক বিমান হামলায় হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জ আদ-দীন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু উবাইদা নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এই খবর নিশ্চিত করেছেন। এ বিষয়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মহলে আগে থেকেই গুঞ্জন থাকলেও এটি ছিল প্রথম কোনো সরকারি স্বীকৃতি।
রোববার (৩১ আগস্ট) ‘টাইমস অব ইসরায়েল’-এর এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়।
কাটজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “দীর্ঘদিনের মুখপাত্র আবু উবাইদাকে নরকের তলানিতে ইরান, গাজা, লেবানন ও ইয়েমেনের ধ্বংসপ্রাপ্ত অক্ষশক্তির সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “গাজা অভিযানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আরও অনেক হামাস সন্ত্রাসী ও অপরাধীর সঙ্গে সেও সেখানে যোগ দেবে।”
এর আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছিলেন যে আবু উবাইদাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, তবে তিনি বেঁচে আছেন কিনা তা তখন নিশ্চিত ছিল না।
অন্যদিকে হামাস দ্রুত এই দাবি নাকচ করে দিয়ে জানায়, এ ধরনের গুজব ইসরায়েলের ‘মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ’। সংগঠনটি ফিলিস্তিনিদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, এ ধরনের খবর ছড়ানো জনগণের আস্থা ও ঐক্য দুর্বল করে দেবে।
শনিবার রাতের হামলাটি গাজা সিটির একটি অ্যাপার্টমেন্টে চালানো হয়। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, ওই অ্যাপার্টমেন্টে আবু উবাইদা ছাড়াও অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও ছিল। সৌদি আরবের আল-আরাবিয়া টিভি এক ফিলিস্তিনি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পরিবারের সদস্য ও হামাস কর্মকর্তারা তার মরদেহ শনাক্ত করেছেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা বেসামরিক হতাহতের ঝুঁকি কমাতে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ওপর নজরদারি ও নির্ভুল অস্ত্র ব্যবহার করেছে।
হুদায়ফা সামির আব্দুল্লাহ আল-খালুত নামের এই ব্যক্তি ‘আবু উবাইদা’ ছদ্মনামে ২০০৪ সাল থেকে ইজ্জ আদ-দীন আল-কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ২০০৬ সালে ইসরায়েলি সেনা গিলাদ শালিতকে অপহরণের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তিনি আলোচনায় আসেন এবং গাজা ও আরব বিশ্বের অনেক স্থানে একটি প্রতীকী মুখপাত্রে পরিণত হন।
আবু উবাইদার সর্বশেষ বিবৃতিটি প্রকাশিত হয় শুক্রবার রাতে। সেখানে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, গাজা সিটিতে ইসরায়েলের সম্ভাব্য আক্রমণে জিম্মিদেরও একই ঝুঁকি ও পরিস্থিতির মুখে পড়তে হবে।
প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত, রাগে বিদ্যুতের লাইন কেটে দিলেন প্রেমিক
প্রেমিকার ওপর ক্ষোভের কারণে এক যুবক বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে হাইটেনশন লাইন কেটে পুরো গ্রামকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিয়েছেন। এতে মুহূর্তেই ভোগান্তিতে পড়েন এলাকার বাসিন্দারা। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে এই দৃশ্য দেখা গেছে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, ওই তরুণ লোহার কাটার যন্ত্র হাতে একটি খুঁটির ওপর উঠে একের পর এক বিদ্যুতের তার কেটে যাচ্ছেন। যেকোনো সময় একটি প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটতে পারত, কিন্তু তিনি কোনো কিছুরই তোয়াক্কা করেননি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘এই সময়’-এর দাবি, প্রেমিকার ফোন বারবার ব্যস্ত থাকায় ক্ষোভে ওই তরুণ এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। তবে ভিডিওটির সত্যতা বা ঘটনাটি ঠিক কোথায় ঘটেছে, তা এখনো যাচাই করা যায়নি।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনরা নানা ধরনের মন্তব্য করছেন। একজন লিখেছেন, “প্রেমে ক্ষোভে অনেকে নিজের শিরা কাটে, এ তো গোটা গ্রামের শিরা কেটে দিল।” আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “কথায় বলে প্রেমে অন্ধ, কিন্তু এই প্রেমে তো পুরো গ্রাম অন্ধ।”
দরজার নিচ দিয়ে গড়িয়ে পড়া রক্তে প্রকাশ পেল অচিন্তনীয় কাহিনি
ভারতের রাজধানী দিল্লির রোহিনিতে জন্মদিনের উপহার বিনিময়কে কেন্দ্র করে ভয়াবহ এক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এক ব্যক্তি নিজের স্ত্রী এবং শাশুড়িকে নির্মমভাবে খুন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির পরপরই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ আগস্ট মেঘ সিনহার মা কুসুম সিনহা (৬৩) নাতির জন্মদিন উদ্যাপন করতে মেয়ে প্রিয়া সেহালের (৩৪) বাসায় গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে প্রিয়া ও তার স্বামী যোগেশ সেহালের মধ্যে জন্মদিনের উপহার নিয়ে তর্ক শুরু হয়। পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন কুসুম সিনহা, কিন্তু তাতেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়।
পুলিশের এক সিনিয়র কর্মকর্তা জানান, মেঘ সিনহা ৩০ আগস্ট মাকে ফোন করলে কোনো সাড়া পাননি। এরপর তিনি প্রিয়ার বাসায় যান। সেখানে গিয়ে দেখেন দরজা ভেতর থেকে বন্ধ এবং দরজার নিচ দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি দেখে তিনি প্রতিবেশীদের খবর দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করলে কুসুম ও প্রিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
মেঘ সিনহার অভিযোগ, তার বোনের স্বামী যোগেশ সেহাল বর্তমানে বেকার ছিলেন এবং মানসিক চাপের মধ্যে ভুগছিলেন। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের সময় উপহার নিয়ে তর্ক-বিতর্কের জেরে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তার মা ও বোনকে হত্যা করেন এবং সন্তানকে নিয়ে পালিয়ে যান।
ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত যোগেশ সেহালকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে রক্তমাখা জামাকাপড় ও হত্যার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত একটি কাঁচি উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, ঘটনাটি পারিবারিক সহিংসতার জটিলতা থেকেই সংঘটিত হয়েছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত আরও গভীরভাবে করার জন্য পুলিশ ক্রাইম টিম এবং ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির বিশেষজ্ঞদের ঘটনাস্থলে ডেকেছে। তারা ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে হত্যার প্রকৃত কারণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের বিস্তারিত প্রমাণ সংগ্রহ করছেন।
-শরিফুল
ভারতের কেরালায় ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ: ‘বিফ ফেস্ট’
ভারতের কেরালার এরনাকুলামে ক্যানারা ব্যাংকের কর্মীরা এক অভিনব পদ্ধতিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সম্প্রতি নতুন যোগ দেওয়া এক শাখা ম্যানেজার ক্যান্টিনে গরুর মাংস পরিবেশন বন্ধের নির্দেশ জারি করেন। এর জেরেই কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রতীকীভাবে একটি ‘বিফ ফেস্ট’ আয়োজন করেন।
এই কর্মসূচির উদ্যোগ নেয় ব্যাংক এমপ্লয়িজ ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া (বিইএফআই)। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে তারা ম্যানেজারের অশালীন আচরণ এবং কর্মীদের মানসিক হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু গরুর মাংস পরিবেশনে নিষেধাজ্ঞার পর বিষয়টি অন্য রূপ নেয় এবং কর্মীরা সিদ্ধান্ত নেন ক্যান্টিনের সামনে গরুর মাংস ও পরোটা খেয়ে প্রতীকী উৎসবের মাধ্যমে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করবেন।
সংগঠনের নেতা এস এস অনিল বলেন, “এখানে একটি ছোট ক্যান্টিন আছে যেখানে নির্দিষ্ট দিনে গরুর মাংস পরিবেশন করা হয়। কিন্তু ম্যানেজার সরাসরি ক্যান্টিন কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন, আর গরুর মাংস দেওয়া যাবে না। অথচ এই ব্যাংক সংবিধানের নিয়ম মেনে চলে। খাবার একটি ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়। ভারতীয় সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে নিজের খাদ্যাভ্যাস বেছে নেওয়ার অধিকার দিয়েছে। আমরা কাউকে জোর করছি না গরুর মাংস খেতে। আমাদের প্রতিবাদের এই আয়োজন শুধুই একটি প্রতীকী বার্তা।”
ঘটনার পর কেরালার স্বতন্ত্র এমএলএ কে টি জালিল প্রকাশ্যে প্রতিবাদকারীদের প্রশংসা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, “উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কোনও অধিকার নেই মানুষ কী পরবে, কী খাবে, কী ভাববে, তা নির্ধারণ করার।”
এর আগে ২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকার গরু বিক্রি নিষিদ্ধ করলে কেরালার বিভিন্ন জেলায় মানুষ ব্যাপক আকারে ‘বিফ ফেস্ট’ আয়োজন করে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। সাম্প্রতিক এই ঘটনায় আবারও সেই ধরনের আন্দোলনের পুনরাবৃত্তি ঘটল, যা কেরালার সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
-রফিক
শরিয়াহবিরোধী,আখ্যায় আফগানিস্তানে নারীদের বিউটি পার্লার বন্ধে কঠোর অবস্থান
আফগানিস্তানে গোপনে পরিচালিত নারীদের সব বিউটি পার্লার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে তালেবান সরকার। এক ঘোষণায় তারা জানিয়েছে, যেসব পার্লার লুকিয়ে চালু আছে, সেগুলো আগামী এক মাসের মধ্যে বন্ধ করে দিতে হবে। অন্যথায় এসব পার্লারের মালিক ও কর্মীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জীবিকা ও অধিকার কেড়ে নেওয়া
তালেবান সরকারের দাবি, নারীদের জন্য বিউটি পার্লার ‘ইসলামী শরিয়াহবিরোধী’, তাই এগুলো কোনোভাবেই চালু রাখা যাবে না। তাদের এই সিদ্ধান্তে যারা গোপনে এই ব্যবসা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন, তারা এখন নতুন করে ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। তালেবান সরকার ২০২৩ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সব বিউটি পার্লার বন্ধ করে দিয়েছিল, যার ফলে প্রায় ১২ হাজার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় এবং অন্তত ৫০ হাজার নারী চাকরি হারান।
৩৮ বছর বয়সী এক নারী, ছদ্মনামে ফ্রেশতা, বলেন—তার স্বামী অসুস্থ, আর তিন সন্তানের ভরণপোষণের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। তিনি বলেন, “যখন কোনো নারী আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের সৌন্দর্য দেখে হাসতেন, সেই আনন্দ আমার আনন্দ হয়ে যেত। শুধু টাকার জন্য নয়, নিজের কাজের জন্যও আমি খুশি হতাম। কিন্তু এখন ঝুঁকি এত বেশি যে হয়তো আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।” ফ্রেশতা বলেন, “আমি আর কোনো কাজ জানি না, অথচ আমাদের অবস্থা খুব খারাপ। এই পৃথিবীতে আমাদের আর্তনাদ শোনার কেউ নেই।”
তালেবান কর্তৃপক্ষ কমিউনিটি নেতা ও স্থানীয় প্রবীণদের নির্দেশ দিয়েছে, তারা যেন গোপন বিউটি পার্লারের খোঁজ দিয়ে মালিকদের পুলিশের হাতে তুলে দেন।
নারীদের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ
২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই তালেবান নারীদের ওপর নানা ধরনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে চলেছে। অধিকাংশ নারীদের চাকরি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং মেয়েদের মাধ্যমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পড়াশোনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, তালেবান কার্যত নারীদের বিরুদ্ধে এক ধরনের “লিঙ্গভিত্তিক বর্ণবাদ” চালু করেছে। নারীরা এখন পুরুষ অভিভাবক ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন না, পার্কে হাঁটতে, জিম বা সেলুনে যেতে পারেন না। এমনকি তাদের বাইরে বের হলে পুরো শরীর ঢেকে রাখতে হয় এবং জনসমক্ষে তাদের কণ্ঠস্বরও শোনা যায় না।
/আশিক
ট্রাম্পের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে, কী বলছে হোয়াইট হাউস?
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে অদ্ভুত এক গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এক্স (সাবেক টুইটার) প্ল্যাটফর্মে শনিবার পর্যন্ত ‘ট্রাম্প মারা গেছেন’ শিরোনামে ৫৬ হাজারেরও বেশি পোস্ট হয়েছে। এতে ৭৯ বছর বয়সী প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য নিয়ে জল্পনা-কল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।
এর আগেও ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। জুলাই মাসে তার হাতের ওপর ক্ষতচিহ্ন ও গোড়ালিতে ফোলাভাব দেখা যায়। সে সময় হোয়াইট হাউস দ্রুত জানায়, এটি গুরুতর কিছু নয়। তবে সম্প্রতি তার হাতের ক্ষত ঢাকতে মেকআপ ব্যবহার করা হয়েছে বলে যে ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তা নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
ভাইস প্রেসিডেন্টের মন্তব্যে বিতর্ক
গুজব আরও জোরালো হয় যখন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের একটি মন্তব্য প্রকাশ্যে আসে। ২৭ আগস্ট ইউএসএ টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদি কোনো ‘ভয়াবহ দুর্ঘটনা’ ঘটে, তবে তিনি দায়িত্ব নিতে প্রস্তুত। যদিও তিনি একইসঙ্গে জোর দিয়ে বলেন, ট্রাম্প এখনো চমৎকার ফিট এবং মজবুত। ভ্যান্স বলেন, “গত ২০০ দিনে আমি দারুণ অন-দ্য-জব ট্রেনিং পেয়েছি। আল্লাহ না করুক, যদি কোনো ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে, তবে এই অভিজ্ঞতাই হবে সবচেয়ে কার্যকর প্রস্তুতি।”
উল্লেখ্য, ৭৯ বছর বয়সে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট। অন্যদিকে, ৪১ বছর বয়সী ভ্যান্স দেশের তৃতীয় কনিষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট।
‘ব্রুইজ মিস্ট্রি’ বা ক্ষতের রহস্য
ট্রাম্পের হাতে হঠাৎ দেখা দেওয়া ক্ষতকে অনেকেই সন্দেহজনক বলে মনে করছেন। কয়েক দিন আগে ওভাল অফিসের বৈঠকে তার ডান হাতে একটি ক্ষত দেখা যায়, যা মেকআপ দিয়ে ঢাকার চেষ্টা করা হয়েছে বলে সমালোচকরা দাবি করছেন। একই সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিউং-এর সঙ্গে বৈঠকের ছবিতেও তার হাতে একই চিহ্ন দেখা গেছে।
এর আগে জুলাই মাসে হোয়াইট হাউস জানায়, ট্রাম্পের গোড়ালিতে ফোলাভাব হয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছিলেন, এটি শিরায় রক্তপ্রবাহজনিত একটি সমস্যা যা সাধারণত বয়স্কদের মধ্যে দেখা যায়।
হোয়াইট হাউসের ব্যাখ্যা
প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রতিদিন হাজারো মানুষের সঙ্গে হাত মেলান। এর ফলে এমন ছোটখাটো ক্ষত হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়।” ট্রাম্পের ব্যক্তিগত চিকিৎসক শন বার্বাবেলাও এক বিবৃতিতে জানান, প্রেসিডেন্টের হাতে দেখা দেওয়া ক্ষত কেবল সফট টিস্যু ইরিটেশন, যা বারবার হাত মেলানো ও অ্যাসপিরিন ব্যবহারের কারণে হয়ে থাকে।
তবে সরকারি ব্যাখ্যা সত্ত্বেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পকে ঘিরে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ও গুজব থামছে না। এর আগে ২০২৩ সালেও ট্রাম্প জুনিয়রের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে ট্রাম্পের ভুয়া মৃত্যুসংবাদ ছড়ানো হয়েছিল।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে
সংসদ ভবনে আগুন দিল বিক্ষোভকারীরা
শ্রমজীবীদের জন্য অপ্রতুল মজুরি এবং রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের বিলাসবহুল জীবনযাপনকে কেন্দ্র করে ইন্দোনেশিয়ায় শুরু হওয়া অসন্তোষ এখন দেশব্যাপী বিক্ষোভে রূপ নিয়েছে। রাজধানী জাকার্তায় এক বিক্ষোভকারীর পুলিশ গাড়িচাপায় মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং বিদ্যমান উত্তেজনা যেন নতুন করে উসকে যায়।
সর্বশেষ সুলাওয়েসি প্রদেশের আঞ্চলিক সংসদ ভবনে ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা আগুন ধরিয়ে দেয়। শুক্রবার রাতে সংঘটিত এই ঘটনায় অন্তত তিনজন প্রাণ হারান এবং পাঁচজন গুরুতর আহত হন। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, নিহতরা সংসদ ভবনের ভেতরে আটকে গিয়ে দগ্ধ হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহতদের মধ্যে দুজন আতঙ্কে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন।
মূলত জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, সংসদ সদস্যদের ভাতা বৃদ্ধি, এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারের দাবিতে বৃহস্পতিবার শত শত মানুষ জাকার্তায় জাতীয় সংসদ ভবনের বাইরে সমবেত হন। শিক্ষাখাতের বাজেট সংকোচন ও সরকারি স্কুল মিল কর্মসূচি নিয়েও তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরদিন শুক্রবার এই আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়। পার্লামেন্ট ভবনের সামনে পুলিশের সাথে সংঘর্ষের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি গাড়ি বিক্ষোভকারীদের ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়ে এবং এতে এক যুবক ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান।
এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে জাতিকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। নিহত বিক্ষোভকারীর পরিবারের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে তিনি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন। প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, পুলিশ কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত অ্যাকশন তাকে হতবাক ও হতাশ করেছে।
এদিকে স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার জাকার্তায় বিচ্ছিন্নভাবে লুটপাটের ঘটনা ঘটে এবং এতে পরিবহন অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি হয়। একইসঙ্গে বান্দুং ও জগজাকার্তা শহরেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভের কারণে রাজধানীর জনপরিবহন ব্যবস্থাও স্থবির হয়ে যায়। শনিবার জাকার্তার মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিক্ষোভস্থলের নিকটবর্তী একটি স্টেশনে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। পাশাপাশি প্রাদেশিক মালিকানাধীন ট্রান্সজাকার্তা বাস সার্ভিসও বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
-রফিক
ভারত আমাদের হাত বেঁধে, মুখ ঢেকে বন্দীদের মতো করে নিয়ে যায়—এরপর সমুদ্রে ফেলে দেয়
নুরুল আমিন তার ভাইয়ের সঙ্গে শেষবার গত ৯ মে কথা বলেছেন। ফোনকলে তিনি জানতে পারেন, তার ভাই কায়রুলসহ ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মিয়ানমারে বিতাড়িত করেছে ভারত সরকার। এই ৪০ জন শরণার্থী প্রাণ বাঁচাতে কয়েক বছর আগে মিয়ানমার থেকে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বর্তমানে মিয়ানমারে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধ চলছে, যেখানে সামরিক জান্তার অনুগত বাহিনীর সঙ্গে ক্ষুদ্র-জাতিগোষ্ঠীর মিলিশিয়া ও প্রতিরোধ বাহিনীর সংঘাত চলছে। এই পরিস্থিতিতে নুরুলের জন্য তার পরিবারকে আবার দেখার সম্ভাবনা প্রায় শূন্যের কোঠায়।
বিতাড়নের তিন মাস পর বিবিসি মিয়ানমারে থাকা সেই শরণার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তাদের বেশিরভাগই মিয়ানমারের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে লড়াইরত ‘বা হ্তু আর্মি (বিএইচএ)’ প্রতিরোধ দলের সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন।
শরণার্থী সৈয়দ নুর ভিডিও কলে বিবিসিকে বলেছেন, “আমরা মিয়ানমারে নিরাপদ বোধ করি না। এখানে পুরো এলাকা যুদ্ধক্ষেত্রের মতো।” তিনি একটি কাঠের তৈরি আশ্রয়শিবিরে ছিলেন, তার চারপাশে আরও ছয়জন শরণার্থী ছিলেন।
দিল্লিতে থাকা নুরুল আমিন বলেন, “আমি মানতেই পারি না যে আমার মা-বাবা ও যাঁদের বিতাড়ন করা হয়েছে, তাঁরা কী কষ্টে আছেন।” তিনি আরও বলেন, “মানুষকে কীভাবে শুধু সমুদ্রে ফেলা যায়? বিশ্বে মানবিকতা বেঁচে আছে, কিন্তু আমি ভারত সরকারের মধ্যে কোনো মানবিকতা দেখিনি।”
বিতাড়নের প্রক্রিয়া
বিবিসি জানায়, এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রথমে দিল্লি থেকে উড়োজাহাজে করে বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর নৌযানে করে আন্দামান সাগরে নিয়ে জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট পরিয়ে পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। সাঁতরে তাঁরা তীরে পৌঁছান এবং এখন মিয়ানমারে অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখোমুখি হয়েছেন।
জাতিসংঘের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ র্যাপোর্টিয়ার থমাস অ্যান্ড্রু বলেছেন, ভারতের বিরুদ্ধে এ অভিযোগের সপক্ষে ‘গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ’ রয়েছে। তিনি জেনেভায় ভারতের মিশনপ্রধানের কাছে এই তথ্য উপস্থাপন করলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাননি। বিবিসিও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেও কোনো উত্তর পায়নি।
একজন শরণার্থী জন তার ভাইকে ফোনে বলেছেন, “তারা (ভারতীয় কর্তৃপক্ষ) আমাদের হাত বেঁধে, মুখ ঢেকে বন্দীদের মতো করে নিয়ে গেছে। তারপর (নৌকায় উঠিয়ে) সমুদ্রে ফেলে দিয়েছে।”
বিতাড়িত শরণার্থীদের ওপর নির্যাতন
সৈয়দ নুর বলেন, উড়োজাহাজ থেকে নামার পর তাদের দুটি বাসে ওঠানো হয়, যার পাশে ‘ভারতীয় নৌসেনা’ লেখা ছিল। তিনি আরও বলেন, “আমাদের হাত প্লাস্টিক দিয়ে বাঁধা হয়েছিল এবং মুখ কালো কাপড়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছিল।” বাসে থাকা লোকজন হিন্দি ভাষায় কথা বলতেন।
নৌকায় হাত খোলা ও মুখের কাপড় সরানোর পর শরণার্থীরা বুঝতে পারেন, তারা একটি বড় যুদ্ধজাহাজে আছেন। অনেকেই টি-শার্ট, কালো প্যান্ট ও কালো সেনা বুট পরা ছিলেন। সৈয়দ নুর বলেন, নৌকায় তারা ১৪ ঘণ্টা ছিলেন। খাবার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল চাল, ডাল ও পনির।
কিছু পুরুষ শরণার্থী অভিযোগ করেছেন, নৌকায় তাদের ওপর নির্যাতন ও অপমান করা হয়েছে। ফয়েজ উল্লাহ নামের একজন তার ডান কনুইয়ে ক্ষত দেখিয়ে বলেন, তাকে বারবার পেটানো, থাপ্পড় মারা ও বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসা করা হচ্ছিল, কেন তারা অবৈধভাবে ভারতে আছেন।
মে মাসে বিতাড়িত হওয়া ৪০ জনের মধ্যে ১৫ জন খ্রিস্টান ছিলেন। নুর বলেন, “দিল্লি থেকে যাওয়ার সময় শরণার্থীদের আটক করা ব্যক্তিরা বলতেন, ‘তুমি হিন্দু হওনি কেন? খ্রিস্টান হওয়ার কারণ কী?’” তিনি আরও বলেন, ‘খৎনা হয়েছে কি না দেখার জন্য আমাদের বিবস্ত্র হতে বাধ্য করা হয়েছে।’
এক শরণার্থী ইমান হোসেন বলেন, সেনারা তাকে কাশ্মীরের পেহেলগাম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ করেন। এই হত্যাকাণ্ডে রোহিঙ্গাদের জড়িত থাকার কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
নৌকা থেকে ফেলে দেওয়া
৮ মে সন্ধ্যায় শরণার্থীদের নৌযানের পাশে থাকা সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসতে বলা হয়। সেখানে কালো রাবারের চারটি ছোট নৌকা দেখতে পান তারা। দুটি নৌকায় ২০ জন করে শরণার্থীকে স্থানান্তর করা হয়। ৭ ঘণ্টার বেশি হাতবাঁধা অবস্থায় ভ্রমণের পর সৈন্যরা তাদের জীবন রক্ষাকারী জ্যাকেট পরিয়ে হাতের বাঁধন খুলে পানিতে ঝাঁপ দিতে বলে। নুর বলেন, “আমরা দড়ি ধরে ১০০ মিটারের বেশি সাঁতার কেটে তীরে পৌঁছেছি।” এরপর তাদের বলা হয়, তারা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছেছেন, এবং তারপর সৈন্যরা চলে যায়।
৯ মে ভোরে স্থানীয় জেলেরা তাদের খুঁজে পান এবং জানান, তারা মিয়ানমারে আছেন। এরপর জেলেরা তাদের ফোন ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন যেন তারা ভারতে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
জাতিসংঘ বলেছে, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যখন এই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আন্দামান সাগরে পাঠায়, তখনই তাদের জীবন চূড়ান্ত ঝুঁকিতে ফেলে।
ক্ষতিপূরণের আবেদন ও আতঙ্ক
১৭ মে নুরুল আমিন ও অন্যান্য পরিবারের সদস্যরা ভারতের সুপ্রিম কোর্টে একটি পিটিশন দায়ের করেছেন। সেখানে তাদের স্বজনদের দিল্লিতে ফিরিয়ে আনা, বিতাড়ন বন্ধ করা এবং ৪০ জনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কলিন গঞ্জালেস বলেন, “এটি রোহিঙ্গা বিতাড়নের ভয়াবহতার কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরে। যুদ্ধক্ষেত্রে জীবনরক্ষাকারী জ্যাকেট পরিয়ে কেউ মানুষকে সমুদ্রে ফেলে দিতে পারে, তা স্বাভাবিকভাবে বিশ্বাস করা কঠিন।”
তবে পিটিশনের জবাবে দুই সদস্যের বেঞ্চের এক বিচারক এ অভিযোগকে ‘কাল্পনিক ধারণা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
এ ঘটনা ভারতে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। নুরুল আমিন বলেন, “আমার মনে শুধু এই ভয় যে ভারত সরকার আমাদেরও নিয়ে যাবে ও সমুদ্রে ফেলে দেবে। এখন আমরা বাড়ি থেকে বের হতে ভয় পাই।”
ঐতিহাসিক রায়ে ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক অবৈধ ঘোষণা
যুক্তরাষ্ট্রের একটি আপিল আদালত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা বেশিরভাগ বৈশ্বিক শুল্ককে অবৈধ বলে রায় দিয়েছে। এই রায় ট্রাম্প প্রশাসনের বৈদেশিক বাণিজ্য নীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়।
আপিল আদালত তার রায়ে বলেছে, ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) অধীনে অনুমোদিত নয়। সাত-চার ভোটে দেওয়া এই রায়ে আদালত ট্রাম্পের শুল্কগুলোকে ‘আইনের পরিপন্থী ও অবৈধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। এই রায়টি ১৪ অক্টোবরের আগে কার্যকর হবে না, যাতে প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টে আপিলের জন্য আবেদন করার সময় পায়।
আপিল আদালতের রায়ের তীব্র সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ তিনি লিখেছেন, এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকলে তা যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দেবে। তিনি আরও বলেছেন, ‘অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট একটি আপিল আদালত ভুলভাবে বলেছে আমাদের শুল্ক তুলে নেওয়া উচিত। কিন্তু তারা জানে, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে।’
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, এই শুল্কগুলো তুলে নেওয়া হলে তা দেশের জন্য ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনবে এবং আমেরিকা আর্থিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়বে।
আইইইপিএ'র অধীনে একজন প্রেসিডেন্টকে অস্বাভাবিক হুমকির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়। ট্রাম্প বাণিজ্যে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বলেছিলেন, বাণিজ্য ঘাটতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর। তবে আপিল আদালত এই যুক্তি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, শুল্ক আরোপ করা প্রেসিডেন্টের এখতিয়ার নয়, এটি কংগ্রেসের মূল ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত।
আদালতের ১২৭ পৃষ্ঠার রায়ে বলা হয়েছে, আইইইপিএ আইনে ‘শুল্ক’ বা এর কোনো প্রতিশব্দ উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়াও, প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সুস্পষ্টভাবে সীমিত করার মতো কোনো প্রক্রিয়াগত সুরক্ষাও এতে নেই। আদালত মনে করে, কর ও শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতেই থাকবে।
এই রায়টি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং কয়েকটি অঙ্গরাজ্যের জোটের দায়ের করা দুটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এসেছে। গত এপ্রিলে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে বিশ্বের প্রায় সব দেশের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক এবং আরও ডজনখানেক দেশের ওপর ‘পারস্পরিক শুল্ক’ আরোপ করা হয়েছিল।
এই রায়ের ফলে এখন প্রশ্ন উঠেছে, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক কমানোর চুক্তি করেছিল, সেগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে। যদি সুপ্রিম কোর্ট মামলাটি বিবেচনায় নেয়, তবে নয়জন বিচারপতি নির্ধারণ করবেন, ট্রাম্পের শুল্ক কর্মসূচি আইনসিদ্ধ কিনা। আপিল আদালতে ট্রাম্প হেরে গেলেও, সুপ্রিম কোর্টে ৬ জন রিপাবলিকান বিচারপতির মধ্যে ৩ জন ট্রাম্পের নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় সর্বোচ্চ আদালতে মামলার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হতে পারে।
-বিবিসি
পাঠকের মতামত:
- পিনাকি গং-এর কৌশলগত প্রচারণা: বিএনপির বিভাজন ও ডানপন্থার উত্থান
- প্রাসাদ ষড়যন্ত্র ও বাংলাদেশে রাজনীতির বিপদসংকেত
- জাতীয় নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, দাবি ও প্রত্যাশা: জামায়াত, এনসিপি ও বিএনপির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক
- নীরব ঘাতক স্ট্রোক, যে চারটি লক্ষণ দেখলে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে
- যারা নির্বাচনের বিকল্প ভাবে, তারা জাতির জন্য বিপজ্জনক: প্রধান উপদেষ্টা
- নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্র চলছে, সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে: তারেক রহমান
- শেখ হাসিনার মামলার বিচার শেষ পর্যায়, রায় শীঘ্রইে
- কোপানোর পর দুই শিক্ষার্থীকে ফেলে দেওয়া হয় ছাদ থেকে: চবিতে নারকীয় হামলা
- চাপে পড়ে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে: ড. তাহের
- ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হামাসের মুখপাত্র আবু উবাইদা
- চবিতে হামলায়, প্রশাসনের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে কাঁদলেন উপ-উপাচার্য
- একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি: মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নাতি-নাতনিদের আবেদন বাতিল
- প্রেমিকার ফোন ব্যস্ত, রাগে বিদ্যুতের লাইন কেটে দিলেন প্রেমিক
- আ.লীগের মতো জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ চায় জামায়াত
- ফ্যাসিস্ট আমলেও এমন হামলা হয়নি’: নুরের স্ত্রী মারিয়া নুর
- নুরের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার হবে, আশ্বাস দিলেন উপদেষ্টা আসিফ
- জামালপুরে বিএনপির সাবেক নেতার বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ
- আজকের বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমান: আমীর খসরু
- পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ
- বিএনপি থেকে বহিষ্কার হলেন উদয় কুসুম বড়ুয়া
- উন্নতি হচ্ছে নুরুল হক নুরের: কথা বলছেন ও তরল খাবার খাচ্ছেন
- চ্যাটবটের সঙ্গে ভুলেও শেয়ার করবেন না যে ১০টি তথ্য
- প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনে জামায়াত: নির্বাচনকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- বুয়েটে কেউ পাত্তা দিত না: ব্যক্তিগত জীবনের গল্প শোনালেন অপি করিম
- প্রধান উপদেষ্টার বিরুদ্ধে এনসিপি নেত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্য
- নুরের ওপর হামলা ‘পূর্ব পরিকল্পিত’, মেরে ফেলার উদ্দেশ্য ছিল: রিজভী
- চবি ক্যাম্পাসে উত্তেজনা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৪৪ ধারা জারি
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের আজকের লেনদেন: বাজারের সামগ্রিক বিশ্লেষণ
- ৩১ আগস্ট শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৩১ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আইএসপিআরের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান,সেনাবাহিনী ও পুলিশই হামলা চালিয়েছে: রাশেদ খান
- অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় আছে: রিজভী
- নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও সংঘর্ষ
- বাংলাদেশে প্রথম রোবটিক রিহ্যাব সেন্টার: চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত
- ডিএসই-তে শীর্ষ ২০ শেয়ার: ভ্যালু, ভলিউম ও ট্রেডে বাজারের গতি-প্রকৃতি
- দাবি পরিশোধ সক্ষমতায় শীর্ষে উঠে এলো একটি বীমা প্রতিষ্ঠান
- সরকারি সিকিউরিটিজে কুপন প্রদানের রেকর্ড ডেট ঘোষণা
- হাঁড়ি-কলসি থেকে টেরাকোটা: দোয়েল চত্বরে মাটির শিল্পের রঙিন দুনিয়া
- দেশের বহুমুখী শিল্পগোষ্ঠীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান, শেষ তারিখ ২৯ সেপ্টেম্বর
- দরজার নিচ দিয়ে গড়িয়ে পড়া রক্তে প্রকাশ পেল অচিন্তনীয় কাহিনি
- রুমিন ফারহানা ও হাসনাত সম্পর্কের নতুন মোড়
- ডা. তাহেরের বিতর্কিত মন্তব্যে চিকিৎসক সমাজে তীব্র প্রতিক্রিয়া
- ভারতের কেরালায় ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ: ‘বিফ ফেস্ট’
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পরীক্ষা স্থগিত, সেনা মোতায়েন
- জুলাই সনদ নিয়ে মতভেদ চরমে, আজ তিন দলের সঙ্গে বৈঠক অন্তর্বর্তী সরকারের
- ব্ল্যাকহেড্স দূর করার ঘরোয়া উপায়: মাত্র দুটি জিনিস লাগবে
- মা-মেয়েকে অজ্ঞান করতে গিয়ে ধরা, নিজ জুসেই বেহুঁশ অজ্ঞান পার্টির সদস্য
- শরিয়াহবিরোধী,আখ্যায় আফগানিস্তানে নারীদের বিউটি পার্লার বন্ধে কঠোর অবস্থান
- টি-টোয়েন্টিতে সাকিবের রেকর্ড ছুঁলেন লিটন, বাংলাদেশের সহজ জয়
- ডিএসই প্রকাশ করল নতুন মার্জিন ঋণযোগ্য সিকিউরিটিজ তালিকা
- মাহাথির মোহাম্মদ ও মালয়েশিয়ার অর্থনৈতিক রূপান্তর: নীতি, সংস্কার ও উত্তরাধিকার
- "জাতীয় নাগরিক পার্টি আসলে ইউনূসের দল, জামায়াতই দেশ চালাচ্ছে"
- জ্ঞান ফিরেছে নুরুল হক নুরের
- ২৭ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৬ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- ২৭ আগস্টের বন্ড মার্কেট আপডেট: কিছু বন্ডে দরপতন, বেশিরভাগই স্থবির
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া বিপ্লব অসম্পূর্ণ: ডা. তাহের
- ২৬ আগস্ট শেয়ারবাজারে দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মাহফুজ আলমের উপস্থিতিতে নিউইয়র্কে কনস্যুলেটে আওয়ামী সহিংসতা, নিন্দার ঝড়
- নাইজেরিয়ার বাজারে ডেরিকা: টমেটো পেস্ট থেকে মাপের এককে রূপান্তরের গল্প
- ২৫ আগস্ট ডিএসইতে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশ শেয়ার
- জুলাই সনদ নিয়ে মতভেদ চরমে, আজ তিন দলের সঙ্গে বৈঠক অন্তর্বর্তী সরকারের
- সার্কিট ব্রেকারে তালিকাভুক্ত দুই শীর্ষ কোম্পানি
- ডিএসইতে ব্যাংক শেয়ারের দাপট