স্মৃতিশক্তি থাকবে অটুট; মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে বিশেষজ্ঞদের ৬ পরামর্শ

বয়স বাড়ার সাথে সাথে মানুষের শরীর ও মস্তিষ্কে কিছু স্বাভাবিক পরিবর্তন আসা একটি জৈবিক প্রক্রিয়া। তবে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্নায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক জীবনযাপন ও পরিকল্পিত অভ্যাসের মাধ্যমে স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার এই গতিকে উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর করা সম্ভব। এমনকি আলঝেইমার বা অন্যান্য স্মৃতিভ্রংশজনিত জটিল রোগের ঝুঁকি কমাতেও সুনির্দিষ্ট কিছু অভ্যাস জাদুকরী ভূমিকা রাখতে পারে। মস্তিষ্ককে দীর্ঘকাল সচল ও কর্মক্ষম রাখতে বিশেষজ্ঞরা বর্তমানে ৬টি বিশেষ বিষয়ের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।
মস্তিষ্ককে সচল রাখার প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তাদের স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেক কম। ব্যায়ামের ফলে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়, যা মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যকার সংযোগকে আরও মজবুত করে। বিশেষজ্ঞরা সপ্তাহে অন্তত কয়েক দিন ৩০ থেকে ৬০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম, যেমন—হাঁটা, সাঁতার কাটা বা হালকা দৌড়ের পরামর্শ দেন।
ব্যায়ামের পাশাপাশি মস্তিষ্কের বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত ও টানা ঘুম অপরিহার্য। ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক সারাদিনের অপ্রয়োজনীয় উপাদানগুলো কোষ থেকে দূর করে এবং স্মৃতিগুলোকে সুশৃঙ্খলভাবে গুছিয়ে রাখে। এতে নতুন কিছু শেখার ক্ষমতা ও মনে রাখার শক্তি বাড়ে। সুস্থ মস্তিষ্কের জন্য প্রতিদিন রাতে টানা ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি। যারা ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বা ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যায় ভোগেন, তাদের দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ অসম্পূর্ণ ঘুম মস্তিষ্কের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করতে পারে।
মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের ওপর খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। উদ্ভিদজাত খাবার, যেমন—শাকসবজি, ফলমূল, গোটা শস্য এবং সামুদ্রিক মাছ মস্তিষ্কের কোষের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে অলিভ অয়েল ও ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার আলঝেইমারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। গবেষকরা দেখেছেন, যারা স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত গ্রহণ করেন, তাদের মানসিক সক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হয়।
মস্তিষ্ক অনেকটা শরীরের পেশির মতো; একে ব্যবহার না করলে এর কার্যকারিতা দ্রুত হ্রাস পায়। তাই মস্তিষ্ককে সর্বদা চ্যালেঞ্জের মুখে রাখা বা সক্রিয় রাখা প্রয়োজন। নিয়মিত বই পড়া, শব্দছক বা সুডোকু মেলানো, তাস খেলা কিংবা কোনো জটিল ধাঁধার সমাধান করা মস্তিষ্ককে সচল রাখার চমৎকার উপায়। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখার অভ্যাস মস্তিষ্ককে নিষ্ক্রিয় করে ফেলে, তাই সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
মানুষ মূলত সামাজিক জীব, আর এই সামাজিক যোগাযোগ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে। পরিবার, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ মানসিক চাপ ও বিষণ্নতা কমাতে সাহায্য করে। যারা একাকী জীবনযাপন করেন, তাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই সামাজিক অনুষ্ঠানগুলোতে অংশগ্রহণ এবং মানুষের সঙ্গে কথা বলা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।
পরিশেষে, মস্তিষ্কের সুস্থতা সরাসরি আমাদের রক্তনালি ও হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভরশীল। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং উচ্চ কোলেস্টেরল মস্তিষ্কের টিস্যুর ক্ষতি করতে পারে। তাই নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা এবং লবণের পরিমাণ কমিয়ে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরি। ধূমপান পুরোপুরি পরিহার করা এবং অ্যালকোহল সীমিত রাখা মস্তিষ্কের দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করে। ছোট ছোট এই পরিবর্তনগুলো আজ থেকে শুরু করলে ভবিষ্যতে স্মৃতিশক্তি ও মানসিক সক্ষমতা বজায় রাখা অনেক সহজ হবে।
সূত্র : Mayo Clinic
কেন খাবেন পান্তা ভাত? জেনে নিন বৈশাখী এই খাবারের বিস্ময়কর উপকারিতা
পহেলা বৈশাখ মানেই পান্তা-ইলিশের আমেজ। সারা বছর খুব একটা খাওয়া না হলেও বছরের প্রথম দিনটিতে পান্তা ভাত বাঙালির পাত পেড়ে খাওয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে পান্তা ভাত কেবল লোকজ ঐতিহ্যই নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে বিজ্ঞানের দারুণ সব স্বাস্থ্যগুণ। দীর্ঘ সময় পানিতে ভিজে থাকায় ভাতের পুষ্টিগুণ বহুগুণ বেড়ে যায়, যা আমাদের শরীরের জন্য ওষুধের মতো কাজ করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, পান্তা ভাত প্রিবায়োটিক এবং প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ একটি খাবার, যা অন্ত্রের সংক্রমণ রোধ করে এবং হজমশক্তি উন্নত করতে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। ভাতের পানিতে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পদার্থ শরীরকে সতেজ রাখে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
বিশেষ করে বৈশাখের এই প্রখর গরমে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশন দূর করতে পান্তা ভাতের কোনো বিকল্প নেই। এতে থাকা ল্যাকটিক এসিড অনিদ্রা দূর করে এবং শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে। যারা কোলেস্টেরল কমানোর চিন্তায় থাকেন, তাদের জন্য পান্তা ভাত একটি আদর্শ খাবার হতে পারে।
পান্তা ভাত তৈরি করাও অত্যন্ত সহজ। আগের রাতের রান্না করা ভাতে পানি দিয়ে সারারাত ভিজিয়ে রাখলেই সকালে তা খাওয়ার উপযুক্ত হয়। পান্তার সঙ্গে একটু লবণ, পোড়া মরিচ, ডিম ভাজা কিংবা পছন্দের ভর্তা ও মাছ ভাজা থাকলে পহেলা বৈশাখের খাবারের তৃপ্তি ষোলো আনা পূর্ণ হয়।
/আশিক
কফিশপ নয়, ডেটিংয়ের জন্য এখন কবরস্থানই পছন্দ জেন-জিদের!
কফিশপ বা জনাকীর্ণ পার্কের বদলে জেন-জি (Gen-Z) তরুণ-তরুণীদের ডেটিংয়ের জন্য কবরস্থানকে বেছে নেওয়া শুনতে কিছুটা অদ্ভুত মনে হতে পারে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ‘ইন্ডিয়া টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে এই নতুন ও সিনেমাটিক ট্রেন্ডের পেছনের চমকপ্রদ কারণগুলো উঠে এসেছে। কোলাহলমুক্ত পরিবেশ এবং গভীর আলাপচারিতার সুযোগ থাকায় এটি এখন জেন-জি প্রজন্মের কাছে নতুন এক রোমান্টিক আবহে পরিণত হচ্ছে।
মূলত শহরজুড়ে ক্যাফে বা রেস্তোরাঁগুলোতে এখন তিল ধারণের জায়গা থাকে না, থাকে মানুষের কৌতূহলী নজর। এর বিপরীতে কবরস্থান দেয় নিঝুম শান্তি এবং পূর্ণ ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। এখানে নেই কোনো প্রমাণের চাপ বা অস্বস্তিকর নজরদারি, ফলে যুগলরা নির্ভার হয়ে একে অপরের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলতে পারেন।
পুরোনো পাথরের সমাধি আর বড় বড় গাছের ছায়ায় ঘেরা এই নীরব বিষণ্ন পরিবেশটি তাঁদের কাছে হয়ে ওঠে দারুণ ‘নান্দনিক’ বা সিনেমাটিক। অনেকটা ‘কাপুর অ্যান্ড সন্স’ সিনেমার সেই দৃশ্যের মতো, যা তাঁদের নিজেদের গল্পের ‘মেইন ক্যারেক্টার’ বা প্রধান চরিত্র হিসেবে অনুভব করতে সাহায্য করে।
এই ট্রেন্ডের পেছনের মনস্তাত্ত্বিক দিকটি হলো—মৃত্যুর স্মৃতিঘেরা এমন পরিবেশে স্বাভাবিকভাবেই অগভীর বা অপ্রাসঙ্গিক কথাবার্তা কম হয়। বরং মানুষ অবলীলায় জীবন, অস্তিত্ব এবং সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে আলোচনা শুরু করে।
ফলে সম্পর্কের ভিত আরও মজবুত ও বাস্তব হয়ে ওঠে। যেখানে চারপাশে শুধু শব্দ আর ব্যস্ততা, সেখানে এই নীরবতাকেই সবচেয়ে বড় বিলাসিতা হিসেবে দেখছে বর্তমান প্রজন্ম। ভৌতিক বা অদ্ভুত লাগলেও জেন-জিদের কাছে এটিই এখন ঘনিষ্ঠতার এক নতুন সংজ্ঞা।
/আশিক
ইন্ডাকশন চুলায় রান্না করেও বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৫টি জাদুকরী উপায়
বর্তমানে গ্যাস সংকটের কারণে অনেকেই রান্নার বিকল্প হিসেবে ইন্ডাকশন চুলার দিকে ঝুঁকছেন। তবে মাস শেষে চড়া বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তাও কম নয়। রান্নার পদ্ধতিতে সামান্য কিছু কৌশল অবলম্বন করলে ইন্ডাকশন চুলায় বিদ্যুতের খরচ নাটকীয়ভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাঁচটি পরিবর্তন আপনার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে
সঠিক বাসনের ব্যবহার
ইন্ডাকশন চুলা মূলত তড়িৎ-চৌম্বকীয় (Electromagnetic) ক্ষেত্রের মাধ্যমে কাজ করে। তাই রান্নার জন্য সবসময় কাস্ট আয়রন বা ম্যাগনেটিক স্টেইনলেস স্টিলের ফ্ল্যাট বা সমান তলা বিশিষ্ট বাসন ব্যবহার করুন। বাসনের তলা যদি অসমান বা আঁকাবাঁকা হয়, তবে শক্তি আদান-প্রদান ব্যাহত হয় এবং প্রচুর বিদ্যুতের অপচয় ঘটে।
রান্নার আগে প্রস্তুতি ও ভেজানো
রান্না শুরু করার অন্তত ৩০ মিনিট আগে চাল, ডাল বা যেকোনো শস্য পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এতে দানাগুলো আগে থেকেই নরম হয়ে যায় এবং ইন্ডাকশনে বসানোর পর খুব দ্রুত সেদ্ধ হয়। কম সময় চুলা চললে স্বাভাবিকভাবেই বিদ্যুতের ইউনিট কম পুড়বে।
তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ঢেকে রান্না
ইন্ডাকশন চুলা খুব দ্রুত গরম হয়, তাই সবসময় 'ফুল পাওয়ার'-এ রান্না করার প্রয়োজন নেই। পানি ফুটে গেলে বা কড়াই গরম হয়ে গেলে পাওয়ার কমিয়ে দিন। এছাড়া রান্নার সময় সবসময় ঢাকনা ব্যবহার করুন। এতে তাপ ভেতরে আটকে থাকে এবং খাবার দ্রুত সেদ্ধ হয়, ফলে কয়েলকে অতিরিক্ত শক্তি খরচ করতে হয় না।
পরিচ্ছন্নতা ও স্মার্ট সুইচিং
ইন্ডাকশনের গ্লাস-সেরামিক উপরিভাগ সবসময় পরিষ্কার রাখুন। ময়লা বা পোড়া খাবারের স্তর থাকলে কয়েল এবং বাসনের মধ্যে চৌম্বকীয় শক্তি স্থানান্তরে বাধা সৃষ্টি হয়। এছাড়া রান্না পুরোপুরি শেষ হওয়ার ২-৩ মিনিট আগেই সুইচ বন্ধ করে দিন। বাসনের তলায় যে অবশিষ্ট তাপ থাকে, তা দিয়েই রান্নার শেষ অংশটুকু সম্পন্ন করা সম্ভব।
সচেতনভাবে এই নিয়মগুলো মেনে চললে ইন্ডাকশন চুলা ব্যবহার করেও আপনি আপনার বিদ্যুৎ বিল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।
/আশিক
বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তা? মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল কমানোর সহজ উপায়
গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে বাসা-বাড়িতে ফ্যান, এসি এবং অন্যান্য ইলেকট্রিক ডিভাইসের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেকেই। গ্রীষ্মকালে ডিভাইসের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং কিছু অসতর্কতার কারণে বিদ্যুৎ খরচ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। তবে কিছু সহজ ও সচেতন পদক্ষেপ নিলে এই বাড়তি বিল অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
বিশেষ করে এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রির বদলে ২৪–২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে রাখলে প্রতি ১ ডিগ্রি বাড়ার জন্য প্রায় ৬ শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা যায়। এর পাশাপাশি এসির ফিল্টার নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং সাথে ফ্যান ব্যবহার করলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় ও এসির ওপর চাপ কম পড়ে।
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রাকৃতিকভাবে ঘর ঠান্ডা রাখাও বেশ কার্যকর; দিনের বেলা জানালার পর্দা টেনে রাখলে ঘরে তাপ কম ঢোকে এবং বিকেলে বাতাস চলাচলের সুযোগ দিলে ঘর স্বাভাবিকভাবেই শীতল থাকে।
এছাড়া টিভি, চার্জার বা মাইক্রোওয়েভের মতো ডিভাইসগুলো স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে কাজ শেষে প্লাগ খুলে রাখলে অপ্রয়োজনীয় অপচয় রোধ করা যায়।
ফ্রিজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেটি দেয়াল থেকে কিছুটা দূরে রাখা, গরম খাবার সরাসরি ভেতরে না দেওয়া এবং ‘সামার মোড’ ব্যবহার করা জরুরি।
ফিলামেন্ট বা টিউবলাইটের পরিবর্তে এলইডি বাতি ব্যবহার করলে কম শক্তিতে বেশি আলো পাওয়া সম্ভব। ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করলেই মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলে বড় ধরনের সাশ্রয় করা সম্ভব বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
/আশিক
গরমে ঘামাচির জ্বালায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন নিমিষেই মুক্তির ৯টি ঘরোয়া উপায়
গরম বাড়ার সাথে সাথেই ত্বকের অন্যতম যন্ত্রণদায়ক সমস্যা হিসেবে দেখা দেয় ঘামাচি, র্যাশ এবং চুলকানি। অতিরিক্ত গরমে ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে এই সমস্যা তৈরি হয়, যা শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাইকেই অস্বস্তিতে ফেলে। বিশেষ করে ঘামাচির জায়গায় জামা-কাপড়ের ঘর্ষণ লাগলে জ্বালাপোড়া আরও বেড়ে যায়। এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি পেতে ঘরোয়া কিছু কার্যকর সমাধান মেনে চলতে পারেন:
ঘামাচি ও র্যাশ দূর করার ৯টি ঘরোয়া উপায়
১. একটি পরিষ্কার শুকনো কাপড়ে কয়েক টুকরো বরফ বেঁধে ঘামাচির ওপর ১০-১৫ মিনিট ধরে হালকা করে লাগান। এটি নতুন করে ঘাম বসতে দেবে না। দিনে ৩-৪ বার এটি করলে দ্রুত আরাম পাবেন।
২.নিম পাতা প্রাকৃতিক অ্যান্টি-সেপটিক হিসেবে কাজ করে। নিম পাতার রসের সঙ্গে সামান্য গোলাপ জল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগালে ঘামাচি ও চুলকানি দুই-ই কমে।
৩. বাইরে বের হন বা না হন, সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে ত্বক ভালোভাবে পরিষ্কার করা জরুরি। ঘাম জমতে না দিলে ঘামাচির ভয় থাকে না।
৪. ঘামাচি তাড়াতে অ্যালোভেরা জেল জাদুর মতো কাজ করে। শুধু অ্যালোভেরার রস অথবা এর সঙ্গে সামান্য কাঁচা হলুদ মিশিয়ে লাগিয়ে রাখুন, তারপর ধুয়ে ফেলুন। হলুদের অ্যান্টি-সেপটিক গুণ ত্বককে সুস্থ রাখবে।
৫. এক কাপ ঠান্ডা পানিতে এক চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। পরিষ্কার কাপড় সেই পানিতে ভিজিয়ে ঘামাচির ওপর ১০-১৫ মিনিট আলতো করে মুছে নিন। এতে ত্বকের ঘাম বসে যাওয়া বন্ধ হবে।
৬. গরমে সবসময় হালকা রঙের সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন। এতে ত্বকের সঙ্গে কাপড়ের ঘর্ষণ কম হবে এবং বাতাস চলাচলের ফলে ত্বক সুস্থ থাকবে।
৭. ঘামাচি হলে নখ দিয়ে চুলকানো এড়িয়ে চলুন। চুলকানি কমাতে অ্যালোভেরা, নিম পাতা বা পাতিলেবুর রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে পাতলা করে ত্বকে লাগাতে পারেন।
৮. ঘামাচি হলে ট্যালকম পাউডার ব্যবহার না করাই ভালো। পাউডার রোমকূপের মুখ বন্ধ করে দিয়ে সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
৯. শরীর ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন।
/আশিক
ঘামের দুর্গন্ধ দূর করবেন কীভাবে, জানুন সহজ উপায়
গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ঘামের কারণে শরীরে দুর্গন্ধ তৈরি হওয়া একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর সমস্যা, যা ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক স্বাচ্ছন্দ্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুর্গন্ধের মূল কারণ ঘাম নিজে নয়; বরং ত্বকের ওপর থাকা ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে ঘামের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলেই এই গন্ধ সৃষ্টি হয়।
দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এই সমস্যার সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়। নিয়মিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সাবান দিয়ে গোসল করলে ত্বকে থাকা জীবাণুর সংখ্যা কমে যায়, ফলে দুর্গন্ধের ঝুঁকিও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। গোসলের পর শরীর সম্পূর্ণ শুকনো রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আর্দ্র পরিবেশ ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য সহায়ক।
অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট ও ডিওডোরেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রেও পার্থক্য বোঝা জরুরি। অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট মূলত ঘাম উৎপাদন কমায়, আর ডিওডোরেন্ট দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে অ্যান্টিপারস্পিরেন্ট এবং সাধারণ দুর্গন্ধের ক্ষেত্রে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার কার্যকর হতে পারে।
পোশাক নির্বাচনও এই সমস্যার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। সুতি, লিনেন বা সিল্কের মতো প্রাকৃতিক তন্তুর কাপড় বাতাস চলাচল সহজ করে এবং ঘাম দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। বিপরীতে সিন্থেটিক কাপড় ঘাম আটকে রেখে দুর্গন্ধ বাড়াতে পারে।
ঘরোয়া পদ্ধতিতেও ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। বেকিং সোডা ত্বকের আর্দ্রতা শোষণ করে এবং ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্রম কমাতে সহায়তা করে। লেবুর রস প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে এবং ত্বকের পিএইচ মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। একইভাবে ভিনেগার জীবাণু ধ্বংসে কার্যকর এবং নিমপাতা ত্বকের টক্সিন দূর করতে সহায়ক।
বগলের লোম পরিষ্কার রাখা দুর্গন্ধ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কারণ লোমে ঘাম জমে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার সহজ হয়। এছাড়া নিয়মিত পোশাক পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজনে ভিনেগার বা বেকিং সোডা মিশ্রিত পানিতে কাপড় ভিজিয়ে ধোয়া দুর্গন্ধ দূর করতে কার্যকর।
খাদ্যাভ্যাসও শরীরের গন্ধে প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার, পেঁয়াজ, রসুন এবং লাল মাংস খাওয়ার ফলে শরীরের গন্ধ তীব্র হতে পারে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের টক্সিন বের করতে সহায়তা করে এবং দুর্গন্ধ কমায়।
তবে যদি নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করার পরও সমস্যা থেকে যায়, তাহলে তা কোনো অন্তর্নিহিত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে। এ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।
সামগ্রিকভাবে, ঘামের দুর্গন্ধ একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য সমস্যা, যা সঠিক পরিচ্ছন্নতা, উপযুক্ত পোশাক নির্বাচন, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং প্রয়োজনীয় যত্নের মাধ্যমে সহজেই কমানো সম্ভব।
মাথা ব্যথায় অস্থির? জেনে নিন হুটহাট যন্ত্রণা বাড়ার আসল কারণ
মাথা ব্যথাকে আমরা অনেকেই সাধারণ সমস্যা মনে করে এড়িয়ে যাই, কিন্তু এটি যখন অসহ্য হয়ে দাঁড়ায় তখন দৈনন্দিন কাজ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। অনিয়মিত জীবনযাপন এবং ছোটখাটো কিছু অসতর্কতাই মূলত হুটহাট মাথার যন্ত্রণা বাড়িয়ে দেওয়ার পেছনে দায়ী।
তীব্র আলো, বিকট শব্দ কিংবা দীর্ঘক্ষণ খালি পেটে থাকা মাথা ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে খালি পেটে থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হয়, যা সরাসরি মাথায় চাপ সৃষ্টি করে। এছাড়া যাদের মাইগ্রেন বা সাইনাসের সমস্যা আছে, তাদের জন্য রোদ একটি বড় শত্রু। রোদে বের হলে বা পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শরীর ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে। সর্দি বা কফ জমার ধাত থাকলেও মাথা ভার হয়ে ব্যথা হতে পারে।
মাথা ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে হলে কিছু নিয়ম মানা জরুরি। ব্যথা শুরু হলে কোনো শান্ত ও অন্ধকার ঘরে বিশ্রাম নেওয়া সবচেয়ে কার্যকর। এছাড়া সময়মতো খাবার খাওয়া এবং বাইরে বের হওয়ার সময় রোদ থেকে বাঁচতে ছাতা বা সানগ্লাস ব্যবহার করা উচিত। তবে মনে রাখবেন, ঘন ঘন মাথা ব্যথা হলে নিজে নিজে ব্যথানাশক ওষুধ না খেয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
সূত্র : এবিপি
আপনার শিশু কি নিরাপদ? হামের প্রকোপ রুখতে এখনই যা করা জরুরি
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখন আর কেবল সাধারণ রোগ নেই, বরং এটি বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। মার্চ মাসেই অন্তত ২১ শিশুর মৃত্যু এবং ১০টি জেলায় দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার খবর জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূলত টিকাদানের ঘাটতি, শিশুদের পুষ্টিহীনতা এবং মাতৃদুগ্ধের অভাবের কারণে এই মরণঘাতী ভাইরাসের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে।
প্যারা-মিক্সোভাইরাসের মাধ্যমে ছড়ানো এই রোগটি এতটাই সংক্রামক যে, একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে একই ঘরে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মানুষ সংক্রমিত হতে পারেন। হাঁচি-কাশি বা বাতাসের ক্ষুদ্র কণার মাধ্যমে এটি ছড়ায় এবং কোনো পৃষ্ঠে ভাইরাসটি দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। শরীরে প্রবেশের পর এটি দ্রুত ফুসফুস ও লিম্ফ নোড হয়ে এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকেই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যের শরীরে রোগটি ছড়িয়ে দিতে সক্ষম।
হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলো চিনে রাখা অত্যন্ত জরুরি। প্রথম ৩-৪ দিন শুষ্ক কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া এবং তীব্র জ্বরের পাশাপাশি ক্লান্তি দেখা দেয়। এ সময় মুখের ভেতরে ছোট সাদা দাগ বা ‘কোপলিক স্পট’ দেখা দিতে পারে, যা হামের প্রধান সংকেত। এরপর কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে লালচে-বাদামি ফুসকুড়ি পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেলে নিউমোনিয়া বা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো মারাত্মক জটিলতা তৈরি হতে পারে।
চিকিৎসকদের মতে, হাম প্রতিরোধে সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। আক্রান্ত শিশুকে দ্রুত আইসোলেশনে বা আলাদা রাখা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পুষ্টিকর তরল খাবার নিশ্চিত করতে হবে। তবে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হলো সময়মতো টিকা নেওয়া। টিকাদানের হার কম এমন এলাকায় সংক্রমণ দ্রুত মহামারি রূপ নিতে পারে, তাই শিশুদের সুরক্ষায় জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি সফল করা এখন সময়ের দাবি।
/আশিক
অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় ভুগছেন? মন ভালো করার ৫টি জাদুকরী কৌশল
মানসিক চাপ আর নেতিবাচক চিন্তা বর্তমান সময়ে আমাদের নিত্যসঙ্গী। অতিরিক্ত কাজের চাপ বা ব্যক্তিগত নানা কারণে মন বিষণ্ণ হয়ে পড়া অস্বাভাবিক নয়। তবে এই নেতিবাচক ভাবনার বৃত্তে আটকে থাকলে তা আমাদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলে। সারাক্ষণ মাথায় ঘুরপাক খাওয়া এই দুশ্চিন্তা কমাতে এবং মনকে চনমনে রাখতে কিছু সহজ কিন্তু কার্যকর কৌশল দারুণ কাজে দিতে পারে।
মন খারাপের সময় নিজেকে গুটিয়ে না রেখে সক্রিয় রাখাটা সবচেয়ে জরুরি। অলস বসে থাকলে নেতিবাচক চিন্তাগুলো আরও জেঁকে বসে। তাই মন খারাপ হলে ঘরেই হালকা হাঁটাহাঁটি করা, ঘর গোছানো বা সামান্য ব্যায়াম করলে মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসরণ হয়, যা মনকে সতেজ করে। পাশাপাশি নিজের পছন্দের কাজ যেমন—গান শোনা, বই পড়া বা শখের কোনো কাজে ডুবে থাকলে মনোযোগ অন্যদিকে সরে যায় এবং মনের ওপর চাপ কমে।
বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের নেতিবাচক চিন্তার অন্যতম বড় উৎস। অন্যের জীবনের চাকচিক্য দেখে নিজের সঙ্গে তুলনা করলে মন আরও খারাপ হতে পারে। তাই মন খারাপের সময় মোবাইল বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ। পরিবর্তে বন্ধু বা পরিবারের বিশ্বাসযোগ্য কারও সঙ্গে মনের কথা শেয়ার করলে মনের বোঝা অনেকটাই হালকা হয়। এছাড়া নিয়মিত দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম বা 'ডিপ ব্রিদিং' করলে স্নায়ু শান্ত হয় এবং তাৎক্ষণিক দুশ্চিন্তা কমে। মনে রাখবেন, সমস্যা থেকে পালিয়ে নয়, বরং নিজেকে কিছুটা সময় দিয়ে এই ছোট ছোট অভ্যাসের মাধ্যমেই মনকে শক্ত করা সম্ভব।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- কুমিল্লায় কেন্দ্রীয় পদ ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
- কুমিল্লা সাড়ে সাত লাকসামে খালের বাঁধ কেটে ২৫০ বিঘা জমি অবমুক্ত
- ট্রাম্প বেশি কথা বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকির মুখে বিস্ফোরক ইরান!
- গুলিবর্ষণের শিকার দুটি জাহাজ: হরমুজ রুটে কেন আবার মারমুখী আইআরজিসি?
- প্রকৃতির তাণ্ডব! ধান কাটার ভরা মৌসুমে ৫ জেলায় শোকের মাতম
- দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও দাফন হয়নি খামেনির! কোথায় হবে সমাধি?
- লেবার পার্টির মেয়র প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুর মুকুন্দ মধুসূদন পুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন
- দিনের আলোয় দেখা মিলল ঈদের চাঁদের! শুরু হলো কোরবানির ক্ষণগণনা
- বিদেশেও সংরক্ষিত হবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি: লন্ডনে বিশিষ্টজনদের বিশেষ সভা
- নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারের দূরদর্শী পরিকল্পনা!
- কুমিল্লায় স্বামীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় আটক ১
- ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বিদেশে স্থানান্তরের প্রশ্নই ওঠে না: ইরান
- কোচিং বাণিজ্য নির্মূলে হার্ডলাইনে সরকার! ডেমরায় প্রতিমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- আমেরিকায় রহস্যের পাহাড়! একের পর এক পরমাণু বিজ্ঞানী নিখোঁজ
- এনসিপিতে যোগ দেওয়ার খবর কি গুজব? রুমিন ফারহানার সোজাসাপ্টা জবাব
- টাকার মান বাড়ল না কি কমল? দেখে নিন ১৮ এপ্রিলের সর্বশেষ কারেন্সি রেট
- এক ক্লিকেই ভ্যানিশ হবে শর্টস ফিড: ইউটিউবের ধামাকা আপডেট!
- শুক্র গ্রহ: সৌরজগতের সবচেয়ে রহস্যময় উজ্জ্বল গ্রহ
- সম্পর্ক এখন খুবই ভালো: ইরান নিয়ে ট্রাম্পের গলায় নতুন সুর
- প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ভাই এখন বিসিবিতে! লজিস্টিক বিভাগে মাশরুর
- জামায়াত একটি ভদ্র দল! সংসদে তাদের শৃঙ্খলায় মুগ্ধ স্পিকার হাফিজ উদ্দিন
- আর একটাও বোমা নয়, যথেষ্ট হয়েছে: ইসরায়েলকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি
- বুধবারের পরই কি মহাযুদ্ধ? ইরানকে ট্রাম্পের চরম আল্টিমেটাম!
- আবারও বন্ধ হবে হরমুজ প্রণালি! আমেরিকাকে চূড়ান্ত আল্টিমেটাম দিল ইরান
- দুপুরের মধ্যেই আসছে ঝড়-বৃষ্টি! চার অঞ্চলের জন্য আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তা
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- তীব্র গরমে স্বস্তি উধাও! লোডশেডিং ও তাপপ্রবাহে হাহাকার শহর থেকে গ্রামে
- আগামী হজে আরও বড় চমক? হজযাত্রীদের স্বপ্ন পূরণে সরকারের নতুন বার্তা
- দেখে নিন ১৮ এপ্রিলের নামাজের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি
- আজ কেনাকাটার আগে জেনে নিন ঢাকার কোন কোন মার্কেট বন্ধ
- হরমুজ খুলে দিল তেহরান: যুদ্ধবিরতির মধ্যেও শক্ত বার্তা
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- যে ৬ শর্তে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতিতে লেবানন-ইসরায়েল
- যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরই ভাঙন: লেবানন সীমান্তে ফের ইসরায়েলি হামলা
- তেলের দামে বড় পতন
- বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান আর নেই
- লেবানন যুদ্ধবিরতিতে ক্ষুব্ধ ইসরায়েল
- শনিবার যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ
- ডিএসইতে সপ্তাহজুড়ে উত্থান-পতনের লড়াই
- সোনা-রুপার দামে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশে
- আজকের লাইভ খেলা: কোথায় কিভাবে দেখবেন সব ম্যাচ
- আজ ঢাকার আবহাওয়া কেমন থাকবে? জেনে নিন
- আজ ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না, জানুন এলাকা
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- ১৭ এপ্রিল মুদ্রা বাজারে টাকার বিপরীতে মুদ্রা রেট দেখুন
- আজ ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ, বের হওয়ার আগে জানুন
- শুক্রবারের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- বিদায় বেলায় অশ্রুসিক্ত শিক্ষার্থীরা: মরিচা ছায়েদ আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে দোয়া মাহফিল
- চরভদ্রাসন উপজেলায় তীব্র লোডশেডিং, বিপর্যস্ত জনজীবন ও শিক্ষাকার্যক্রম
- রেকর্ড গড়ল স্বর্ণ: স্বর্ণের বাজারে চরম অস্থিরতা
- আদালতের আদেশ অমান্য! কালিগঞ্জে মসজিদের জমি দখলে নিতেই তুলকালাম
- এক লাফে ২ হাজার টাকা বৃদ্ধি! স্বর্ণের বাজারে আগুন দেখছে বাংলাদেশ
- ডিএসই আপডেট, লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৪ এপ্রিল: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- "ইরানের কাছে হেরে গেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, মধ্যপ্রাচ্যে আর ফিরতে পারবে না আমেরিকা"
- বুধ গ্রহ: ছোট হলেও বিস্ময়ে ভরা এক জগৎ
- ইসরাইলে ১৩ লক্ষ্যবস্তুতে হিজবুল্লাহর হামলা
- আজ ১৩ এপ্রিলের নামাজের সময়সূচি: জেনে নিন আপনার এলাকার ওয়াক্ত
- পাঁচ জেলায় শুরু হবে ই-হেলথ সেবা কার্যক্রম, মিলবে যেসব সুবিধা
- তেলের দামে বড় পতন
- ২১ ঘণ্টার বৈঠক ব্যর্থ! কোনো চুক্তি ছাড়াই ইসলামাবাদ ছাড়ছে আমেরিকা
- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর
- যেসব কারণে চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র! নেপথ্যে বড় ৫ কারণ
- কৃষক কার্ড উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, যেসব সুবিধা থাকছে








