রঙিন খাবার কেন শরীরের জন্য জরুরি

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্থ জীবনযাপনের অন্যতম সহজ উপায় হলো প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন রঙের ফল ও শাকসবজি রাখা। কারণ খাবারের প্রতিটি প্রাকৃতিক রঙের সঙ্গে যুক্ত থাকে ভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও উদ্ভিজ্জ রাসায়নিক যৌগ, যা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, শুধু পেট ভরানোর জন্য নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্যও খাবারের বৈচিত্র্যের দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত রঙিন ফল ও শাকসবজি খেলে হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিছু ধরনের ক্যানসার এবং প্রদাহজনিত রোগের ঝুঁকি কমতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘রেইনবো ডায়েট’ বা রঙিন খাদ্যাভ্যাস বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর মূল ধারণা হলো প্রতিদিন অন্তত পাঁচ ধরনের প্রাকৃতিক রঙের খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা।
লাল রঙের খাবার হার্টের জন্য উপকারী
টমেটো, তরমুজ, ডালিম, স্ট্রবেরি, চেরি ও লাল ক্যাপসিকামে প্রচুর পরিমাণে লাইকোপিন নামের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, লাইকোপিন হৃদ্যন্ত্রকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে এবং কিছু ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। পাশাপাশি এটি রক্তনালির কার্যকারিতা উন্নত করতেও সাহায্য করে।
কমলা ও হলুদ খাবারে থাকে রোগ প্রতিরোধের শক্তি
গাজর, কমলালেবু, আম, মিষ্টি কুমড়া, পেঁপে এবং হলুদ ক্যাপসিকামে বিটা-ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
এই পুষ্টি উপাদানগুলো শরীরে ভিটামিন এ তৈরিতে সাহায্য করে, যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এ ছাড়া ত্বক সুস্থ রাখা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো এবং কোষের ক্ষয় কমাতেও এসব খাবার কার্যকর ভূমিকা রাখে।
সবুজ খাবার শরীরের প্রাকৃতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করে
পালং শাক, ব্রোকলি, লেটুস, শসা, করলা ও বিভিন্ন ধরনের সবুজ শাকসবজিতে ক্লোরোফিল, আয়রন, ফলেট ও ভিটামিন কে সমৃদ্ধ উপাদান থাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব খাবার শরীর থেকে ক্ষতিকর পদার্থ বের করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হজমশক্তি উন্নত করা, হাড় শক্তিশালী রাখা এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বেগুনি ও নীল রঙের খাবার মস্তিষ্কের জন্য উপকারী
ব্লুবেরি, কালোজাম, কালো আঙুর, বেগুনি বাঁধাকপি ও বেগুনে অ্যান্থোসায়ানিন নামের বিশেষ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, এই উপাদান স্মৃতিশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। একই সঙ্গে বয়সজনিত কোষের ক্ষয় কমানো এবং স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা বজায় রাখতেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।
সাদা ও বাদামী খাবার রোগজীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে
রসুন, পেঁয়াজ, মাশরুম, ফুলকপি, আদা ও বিভিন্ন বাদামজাতীয় খাবারে অ্যালিসিনসহ বিভিন্ন উপকারী উপাদান রয়েছে।
এসব খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, প্রদাহ কমানো এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকি হ্রাস করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
কেন প্রতিদিন পাঁচ রঙের খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি মাত্র ফল বা সবজি থেকে শরীরের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান পাওয়া সম্ভব নয়। তাই খাদ্যতালিকায় বৈচিত্র্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারা পরামর্শ দিচ্ছেন, প্রতিদিনের প্লেটে অন্তত পাঁচ ধরনের প্রাকৃতিক রঙের খাবার রাখার চেষ্টা করা উচিত। এতে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহজেই পেতে পারে।
দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যেভাবে যুক্ত করতে পারেন
সকালের নাস্তায় ফলের সালাদ, দুপুরে সবুজ শাকসবজি, বিকেলে মৌসুমি ফল এবং রাতের খাবারে বিভিন্ন রঙের সবজি রাখা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবারের পরিবর্তে প্রাকৃতিক ও মৌসুমি ফলমূল বেছে নেওয়াই সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত।
সুস্থ জীবনের সহজ সূত্র হতে পারে রঙিন খাবার
স্বাস্থ্য গবেষকদের মতে, ছোট একটি অভ্যাসই দীর্ঘমেয়াদে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। প্রতিদিনের প্লেটে যত বেশি প্রাকৃতিক রঙ যুক্ত হবে, শরীর তত বেশি পুষ্টি উপাদান পাবে।
তাদের মতে, রঙিন খাদ্যাভ্যাস শুধু রোগ প্রতিরোধেই নয়, বরং সুস্থ, কর্মক্ষম ও প্রাণবন্ত জীবন গড়তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
দ্রষ্টব্য: কোনো নির্দিষ্ট রোগ, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, উচ্চ রক্তচাপ বা বিশেষ খাদ্যনিয়ন্ত্রণ থাকলে চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করা উচিত।
শীতের সকালে ব্যায়ামের আগে কী খাবেন
শীতের সকালে অলসতা কাটিয়ে শরীরচর্চায় মনোযোগ দেওয়া কঠিন হলেও সঠিক সময়ে পুষ্টি ও পানির জোগান নিশ্চিত করা জরুরি। ক্যাফেইনযুক্ত কৃত্রিম সাপ্লিমেন্টের পরিবর্তে ঘরের সাধারণ উপাদান দিয়ে তৈরি প্রাকৃতিক পানীয় ক্লান্তি দূর করতে এবং শরীরে শক্তি ও আর্দ্রতা বজায় রাখতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তবে কোন পানীয়টি আপনার জন্য উপযোগী, তা নির্ভর করে মূলত ব্যায়ামের ধরন এবং সময়ের ওপর।
হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে পান করা শীতের সকালের জন্য একটি সহজ বিকল্প। এটি শরীরে পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং তরল গ্রহণে সাহায্য করলেও সরাসরি কোনো চর্বি পোড়ায় না বা শক্তি জোগায় না। অন্যদিকে, কলা ও দুধের স্মুদি কিংবা ওটস ও দুধের মিশ্রণ দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে এবং প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেট ও প্রোটিন সরবরাহ করতে বেশ উপকারী। তবে ওটসে ফাইবার থাকায় এটি হজম হতে একটু সময় নেয়, তাই কঠোর ব্যায়ামের ঠিক আগে এটি এড়িয়ে চলা ভালো।
প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট ও পটাশিয়ামের উৎস হিসেবে ডাবের পানি বেছে নেওয়া যায়, যদিও এতে সোডিয়ামের মাত্রা কম থাকায় দীর্ঘ ও কঠোর ব্যায়ামে ঘামের ঘাটতি পূরণে এটি একাই যথেষ্ট নয়। এছাড়া বিটরুটের রসে থাকা ডায়েটারি নাইট্রেট রক্তপ্রবাহ ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে এবং কমলার রস বা গরম দুধের সঙ্গে কলা খাওয়ার অভ্যাসও শক্তির জোগান দেয়। তবে সব ধরনের ব্যায়ামের জন্য একই পানীয় প্রযোজ্য নয়। এক ঘণ্টার কম সময়ের মাঝারি ব্যায়ামের ক্ষেত্রে কেবল সাধারণ পানিই যথেষ্ট হতে পারে। প্রতিদিন প্রি-ওয়ার্কআউট পানীয় গ্রহণ বাধ্যতামূলক না হলেও, শারীরিক অবস্থা ও স্বাস্থ্যগত জটিলতা যেমন ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যা থাকলে এসব পানীয় নির্বাচনে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সূত্র: এনডিটিভি
চোখের নিচে কালো দাগের পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণ
সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে সম্প্রতি স্বাস্থ্য ও রূপচর্চা বিষয়ে ‘ফেরিটিন ফেস’ নামক একটি ট্রেন্ড ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই ট্রেন্ডের দাবি অনুযায়ী, চোখের নিচে কালো দাগ, ফ্যাকাশে ত্বক ও চুল পড়ার মতো সমস্যাগুলো শরীরে আয়রনের ঘাটতির লক্ষণ। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, মুখাবয়বের এসব দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখে শরীরে আয়রন বা ফেরিটিনের মাত্রা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, কারণ এসব উপসর্গের পেছনে আরও বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত কারণ থাকতে পারে।
ফেরিটিন মূলত একটি প্রোটিন, যা মানবদেহে আয়রন সঞ্চয় করে রাখে। লোহিত রক্তকণিকায় থাকা হিমোগ্লোবিন সারা শরীরে অক্সিজেন সরবরাহের কাজ করে, আর এই হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রধান উপাদান হলো আয়রন। শরীরে আয়রনের সঞ্চয় কমে গেলে এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেলে তা ‘আয়রন ডেফিসিয়েন্সি অ্যানিমিয়া’ বা রক্তস্বল্পতায় রূপ নেয়।
ত্বক ফ্যাকাশে হওয়া বা চোখের নিচে কালচে ছোপ পড়া আয়রনের ঘাটতির সম্ভাব্য লক্ষণ হলেও জিনগত কারণ, অপর্যাপ্ত ঘুম, অ্যালার্জি বা বয়সের কারণেও তা হতে পারে। একইভাবে চুল পড়ার পেছনে থাইরয়েড, মানসিক চাপ ও হরমোনের সামঞ্জস্যহীনতা ভূমিকা রাখে। নখ দুর্বল হয়ে বাঁকা হওয়া কিংবা মুখের কোণে ফাটল ধরার মতো সমস্যা কেবল পুষ্টির অভাব নয়, ফাঙ্গাল ইনফেকশন বা চর্মরোগের কারণেও দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে আয়রনের ঘাটতির প্রকৃত লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, দ্রুত হৃদস্পন্দন, মাথাব্যথা, মনোযোগের অভাব ও নখ ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেকের মধ্যে কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না।
সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড দেখে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে রক্তে আয়রনের সঠিক মাত্রা জানতে ফেরিটিন ব্লাড টেস্ট ও সিবিসি পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আয়রন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা বিপজ্জনক, কারণ শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
/আশিক
কফি স্ক্রাবেই মিলবে কোরিয়ানদের মতো ‘গ্লাস স্কিন’
কোরিয়ানদের মতো কাচের মতো মসৃণ ও উজ্জ্বল ত্বক বা ‘গ্লাস স্কিন’ পাওয়ার জনপ্রিয় ট্রেন্ডের ছোঁয়া এখন রূপচর্চাপ্রেমীদের মুখে মুখে। এই ধরনের সতেজ ও প্রাণবন্ত ত্বক পেতে বাজারে রকমারি প্রসাধনী পাওয়া গেলেও ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই ত্বকের যত্ন নেওয়া সম্ভব। এ ক্ষেত্রে কফি দিয়ে তৈরি ফেস স্ক্রাব অন্যতম কার্যকরী ও সুপরিচিত একটি মাধ্যম হিসেবে নজর কাড়ছে। কফি কেবল ক্লান্তি দূর করতেই নয়, বরং রূপচর্চাতেও সমানভাবে ভূমিকা রাখে। এর সূক্ষ্ম দানাগুলো ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ আলতোভাবে দূর করে এবং ম্যাসাজের ফলে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে ত্বককে ভেতর থেকে সতেজ ও উজ্জ্বল করে তোলে।
আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ডা. চঞ্চল শর্মার মতে, কফির ফেস স্ক্রাব মূলত একটি চমৎকার ফিজিক্যাল এক্সফোলিয়েটর হিসেবে কাজ করে। কফির ছোট ছোট কণা ত্বককে আলতোভাবে ঘষে পরিষ্কার করে মৃত কোষ দূর করতে সহায়তা করে। ঘরে থাকা নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, মধু কিংবা দইয়ের সঙ্গে কফি মিশিয়ে খুব দ্রুতই এর কার্যকর পেস্ট তৈরি করা সম্ভব। কফি স্ক্রাব ব্যবহারে ত্বকের মৃত কোষ দূর হওয়ার পাশাপাশি ক্যাফেইনের উপস্থিতির কারণে মুখ সতেজ দেখায় এবং চোখের নিচের ফোলাভাব কমে আসে। এ ছাড়া কফিতে থাকা প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী উপাদান ত্বকের লালচে ভাব ও সংবেদনশীলতা কমাতেও বেশ সহায়ক।
রূপচর্চার সুবিধার্থে ঘরে বসেই খুব সহজে তৈরি করা যায়—এমন ৭টি কফি স্ক্রাবের বিস্তারিত প্রস্তুত প্রণালী ও ব্যবহারবিধি উল্লেখ করা হলো
১. কফি, নারকেল তেল ও মধু
২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ নারকেল তেল এবং ১ টেবিল চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে ঘন পেস্ট বানিয়ে নিন। এটি মুখে আলতো করে বৃত্তাকারে ম্যাসাজ করে ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।
২. কফি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল
২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ লেবুর রস ও ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে প্রস্তুত করুন। সংবেদনশীল চোখের চারপাশ এড়িয়ে মুখে আলতোভাবে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৩. কফি, অ্যালোভেরা ও ক্যামোমাইল
২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ তাজা অ্যালোভেরা জেল ও ১ চা চামচ ক্যামোমাইল চা মিশিয়ে মুখে প্রয়োগ করুন। হালকা ম্যাসাজের পর ৫ থেকে ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন।
৪. কফি ও বেন্টোনাইট ক্লে
২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ বেন্টোনাইট ক্লে এবং ১ টেবিল চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে পেস্ট বানান। মুখে লাগিয়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট শুকানোর সুযোগ দিন এবং এরপর পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ফেলুন।
৫. কফি, অ্যাভোকাডো ও জোজোবা অয়েল
১ টেবিল চামচ চটকে নেওয়া অ্যাভোকাডোর সঙ্গে ২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ জোজোবা অয়েল ভালোভাবে মিশিয়ে মুখে লাগান। হালকা হাতে ম্যাসাজ শেষে ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
৬. কফি, গ্রিন টি ও রোজহিপ অয়েল
লিকার তৈরি করে ঠান্ডা করা গ্রিন টি-র সঙ্গে ২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়া ও ১ চা চামচ রোজহিপ অয়েল মিশিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন এবং ১০ থেকে ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে নিন।
৭. কফি, ব্রাউন সুগার ও মধু
২ টেবিল চামচ কফির গুঁড়ার সঙ্গে ১ টেবিল চামচ ব্রাউন সুগার এবং ১ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে ত্বকে ব্যবহার করুন। সার্কুলার মোশনে আলতোভাবে ম্যাসাজ করে ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন।
তবে প্রাকৃতিক এসব স্ক্রাব ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু জরুরি সতর্কতা মেনে চলা আবশ্যক। যেকোনো নতুন স্ক্রাব মুখে সরাসরি ব্যবহারের আগে ত্বকের একটি ছোট অংশে ‘প্যাচ টেস্ট’ করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। স্ক্রাব করার সময় কখনই ত্বক জোরপূর্বক ঘষা যাবে না এবং সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বারের বেশি এটি ব্যবহার না করাই শ্রেয়। স্ক্রাবিং সম্পন্ন করার পরপরই ত্বকে একটি উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে হবে। আর যদি ত্বকে কোনো ধরনের চর্মরোগ, তীব্র অ্যালার্জি বা জটিলতা থাকে, তবে ঘরোয়া যেকোনো স্ক্রাব ব্যবহারের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
সূত্র: হেলথশটস
দৈনিক মাত্র চার ঘণ্টা ঘুম ডেকে আনছে বড় বিপদ
কাজের চাপ ও দুশ্চিন্তার কারণে সাময়িকভাবে ঘুম কম হওয়া স্বাভাবিক হলেও রাতের পর রাত পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া মারাত্মক শারীরিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। অপর্যাপ্ত ঘুম শুধু শারীরিক ক্লান্তি বা অবসাদই তৈরি করে না, বরং পুরুষদের শুক্রাণুর মান কমিয়ে বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে যেসব পুরুষ রাতে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমান, তাদের এই স্বাস্থ্যঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে।
আমাদের শরীরে একটি নির্দিষ্ট ছন্দে চলা জৈবিক ঘড়ি বা ‘সার্কাডিয়ান রিদম’-এর ওপর ভিত্তি করে চব্বিশ ঘণ্টার নানা গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ ও হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রিত হয়। হার্ভার্ডের গবেষকদের পরীক্ষামূলক তথ্যে দেখা গেছে, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে জেগে থাকেন এবং ভোরের দিকে মাত্র চার ঘণ্টা ঘুমান, তার শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়। এই হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে শুক্রাণুর উৎপাদন ও গুণগত মান দুটোই নষ্ট হয়, যা স্বাভাবিকভাবেই বন্ধ্যত্বের সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।
এছাড়া দেহঘড়ির ছন্দপতন ঘটলে ‘স্ট্রেস হরমোন’ বা কর্টিসলের ক্ষরণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, যা টেস্টোস্টেরনের মাত্রা আরও কমিয়ে দেয়। এর ফলে ‘অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপপনিয়া’ নামক রোগের ঝুঁকি বাড়ে, যাতে ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং অনিদ্রার সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘ সময় ধরে এই দেহঘড়ি বিঘ্নিত হতে থাকলে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, স্থূলতা, হৃদরোগ ও ক্যানসারের মতো মারাত্মক ঝুঁকির পাশাপাশি শুক্রাণুর সংখ্যাও হ্রাস পেতে পারে। তাই সুস্বাস্থ্যের জন্য রাতে টানা ও পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত জরুরি এবং ঘুম না আসলে মেডিটেশন করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
/আশিক
পুষ্টিতে ভরপুর কলা: শীতকালীন খাদ্যতালিকায় একে রাখা কেন জরুরি
শীতকাল এলেই আমাদের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে নানা ধরনের প্রচলিত ধারণা ও বিভ্রান্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, যার মধ্যে অন্যতম হলো শীতের দিনে বা রাতে কলা খেলে সর্দি-কাশির সমস্যা বাড়ে কি না। তবে আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য এই ধারণাকে পুরোপুরি সমর্থন করে না। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি স্বাস্থ্য ও লাইফস্টাইল প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, শীতকালে খাদ্যতালিকা থেকে কলা বাদ দেওয়ার কোনো কারণ নেই। যদিও সাইনাস বা শ্বাসকষ্টে ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা প্রয়োজন, তবে শীতকালীন পুষ্টির চাহিদা পূরণে কলার জুড়ি মেলা ভার।
শীতের ঠান্ডায় হাড়ের সুরক্ষা ও শারীরিক কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন খনিজের ভূমিকা অপরিসীম। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলা হলো পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ফোলেট, নিয়াসিন, রিবোফ্লাভিন এবং ভিটামিন বি৬-এর একটি শক্তিশালী উৎস। এছাড়া নিয়মিত কলা খাওয়ার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লিডস-এর একটি গবেষণার তথ্য তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যাপ্ত ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার কার্ডিওভাসকুলার ও করোনারি হার্ট ডিজিজের ঝুঁকি কমাতে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করে। পাশাপাশি কলার পটাশিয়াম হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি মস্তিষ্ককে সতেজ রাখতেও কাজ করে।
হজম প্রক্রিয়া ও শক্তির যোগানেও কলার রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। কলায় প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার থাকায় এটি হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় কলা রাখলে সারাদিনের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি পাওয়া যায় এবং বারবার ক্ষুধা লাগার প্রবণতা কমে। তবে শীতের রাতে কলা খাওয়া যাবে কি না তা নিয়ে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে। পুষ্টির দিক থেকে রাতের বেলা মিষ্টি খাওয়ার স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে কলা, এবং সন্ধ্যার দিকে বা জিম করার পর এটি পেশির ক্লান্তি দূর করে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, আয়ুর্বেদিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী রাতে কলা পরিহার করাই শ্রেয়, কারণ এটি হজম হতে তুলনামূলক বেশি সময় নেয় এবং শ্লেষ্মা বা কাশির প্রকোপ বাড়াতে পারে।
সংক্ষেপে বলতে গেলে, শীতকালে কলা অত্যন্ত উপকারী একটি ফল হলেও কিছু বিশেষ শারীরিক সমস্যায় বিশেষ যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। সর্দি-কাশি, সাইনাস কিংবা অ্যাজমার মতো শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের শীতের রাতে কলা খাওয়া থেকে বিরত থাকা বা তা সীমিত করা উচিত, কারণ এটি শরীরে শ্লেষ্মার অস্বস্তি তৈরি করতে পারে।
/আশিক
মন ভালো রাখতে দৈনন্দিন জীবনে যে ছোট্ট পরিবর্তনগুলো আনা জরুরি
প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হয়। দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা এবং এর গুরুত্ব তুলে ধরা। শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা বজায় রাখাও সমানভাবে জরুরি। কাজের অতিরিক্ত চাপ, ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন সমস্যা, অনিয়মিত ঘুম এবং দৈনন্দিন ব্যস্ততা মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘদিন এমন চাপের মধ্যে থাকলে তা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা, পেশাগত ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দৈনন্দিন কাজকে ব্যাহত করে।
মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে নিজের অনুভূতির যত্ন নেওয়া, পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে বিশ্বস্ত মানুষের সহায়তা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দৈনন্দিন রুটিনে কিছু সহজ অভ্যাস যুক্ত করলেই মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখা সম্ভব। এর মধ্যে রয়েছে নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা, শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করতে নিয়মিত শরীরচর্চা বা হাঁটা, এবং পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়া। এছাড়া প্রতিদিনের ব্যস্ততার মাঝেও নিজের পছন্দের কাজের জন্য কিছুটা সময় রাখা, মনের জমা থাকা কথা কাছের মানুষের সঙ্গে শেয়ার করা এবং মানসিক চাপ মোকাবিলার কৌশল আয়ত্ত করা দরকার।
একসঙ্গে অতিরিক্ত কাজের চাপ না নিয়ে কাজকে ছোট ভাগে ভাগ করা এবং কাজের ফাঁকে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে মানসিক শান্তি রক্ষার্থে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের সময় নির্দিষ্ট করা এবং অন্যের সঙ্গে নিজের তুলনা করে হতাশা তৈরি হওয়া থেকে দূরে থাকা জরুরি। মন খারাপ বা উদ্বেগকে অস্বাভাবিক না ভেবে নিজের অনুভূতিকে মূল্যায়ন করা এবং প্রয়োজনে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা পেশাদার চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া কোনো দুর্বলতা নয়, বরং সুস্থ থাকার একটি দায়িত্বশীল পদক্ষেপ। মানসিক সুস্থতা একদিনে অর্জন করা সম্ভব নয়; বরং ছোট ছোট ধারাবাহিক অভ্যাসের মাধ্যমেই এটি দীর্ঘস্থায়ী করা যায়।
/আশিক
ডিজিটাল হচ্ছে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন
তথ্য গোপন করে দ্বিতীয় বিয়ে করা বন্ধে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থায় সংরক্ষিত তথ্য পর্যায়ক্রমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), জন্মনিবন্ধন ও পাসপোর্টের কেন্দ্রীয় সার্ভারের সাথে সমন্বয় করা হবে। এর ফলে যেকোনো বিয়ের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির আগের বৈবাহিক তথ্যাদি সহজেই অনলাইনে যাচাই করে নেওয়া সম্ভব হবে।
শনিবার রাজধানীর নিকেতনে অবস্থিত ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে নিকাহ রেজিস্ট্রারদের (কাজী) জন্য আয়োজিত ১০ দিনব্যাপী এক আবাসিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ব্যক্ত করেন। ‘অনলাইনে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধনে সফটওয়্যারের ব্যবহারবিধি এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি’ শীর্ষক এই বিশেষ কর্মশালায় দেশের নিকাহ রেজিস্ট্রারদের অনলাইন নিবন্ধন পদ্ধতি পরিচালনা ও সংশ্লিষ্ট সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষ করে তোলার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, পর্যায়ক্রমে সারা দেশের প্রতিটি নিকাহ রেজিস্ট্রারকে এই ডিজিটাল নিবন্ধন কাঠামোর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং এ উদ্দেশ্যে কাজীদের প্রয়োজনীয় আধুনিক প্রশিক্ষণ দেওয়া অব্যাহত থাকবে। তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ে ও তালাকের সব তথ্য ডিজিটাল সার্ভারে সংরক্ষিত থাকলে প্রতারণামূলকভাবে আগের বৈবাহিক অবস্থা গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার সুযোগ বন্ধ হবে। একই সাথে এই পদক্ষেপে সমাজ থেকে বাল্যবিবাহ ও বেআইনি বহুবিবাহ রোধ করাও অনেকটাই সহজতর হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে এনআইডি, পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সাথে বৈবাহিক তথ্য যুক্ত হওয়ায় একজন নাগরিকের সার্বিক পরিচয়ভিত্তিক ডাটাবেজ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি সম্পর্কিত বিয়ে, বিচ্ছেদ ও পরিচয়গত সব তথ্য একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে নিশ্চিত করা যাবে।
অনলাইন ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি সুফল তুলে ধরে মন্ত্রী মন্তব্য করেন যে, ভবিষ্যতে কোনো নাগরিকের মৃত্যুর পর সম্পত্তি বা উত্তরাধিকার সূত্রে স্ত্রী-সন্তানদের মধ্যে একাধিক দাবি কিংবা জটিলতা তৈরি হলে নিবন্ধিত ডিজিটাল তথ্য দেখে বৈবাহিক সম্পর্কের সত্যতা নিশ্চিত করা যাবে। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত পারিবারিক বিরোধ ও বিচারালয়ে দীর্ঘমেয়াদি মামলা-মোকদ্দমার ঝোঁক অনেকটাই হ্রাস পাবে, যা শেষ পর্যন্ত বিচার বিভাগের ওপর অতিরিক্ত চাপ কমাবে।
/আশিক
শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরার বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া প্রকাশ
মেদ ঝরার পর শরীরের অতিরিক্ত চর্বি আসলে কোথায় উধাও হয়ে যায়—ঘাম হয়ে ঝরে পড়ে, নাকি মলমূত্রের মাধ্যমে বের হয়ে যায়—এমন প্রশ্ন অনেকের মনেই ঘুরপাক খায়। আপাতদৃষ্টে বিষয়টি সাধারণ মনে হলেও এর অন্তরালে রয়েছে বিজ্ঞানের এক নিখুঁত ও চমৎকার রসায়ন, যার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন যুক্তরাজ্যের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক।
মানবদেহে মেদ জমার প্রক্রিয়াটি মূলত শুরু হয় প্রাত্যহিক খাদ্যাভ্যাস থেকে। দৈনন্দিন গৃহীত চর্বিযুক্ত খাবারগুলো মানব পাচনতন্ত্রে গিয়ে ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত হয়ে ফ্যাটি অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়। শরীর এই ফ্যাটি অ্যাসিডের কিছুটা অংশ কোষ গঠন, গুরুত্বপূর্ণ হরমোন নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ এবং ভেতরের সংবেদনশীল অঙ্গগুলো সুরক্ষার কাজে কাজে লাগায়। আর অবশিষ্ট অতিরিক্ত অংশটুকু ট্রাইগ্লিসারাইড যৌগ হিসেবে জমা থাকে ফ্যাট সেলে, যা পরবর্তীতে আকস্মিক শক্তির সংকট দেখা দিলে ব্যবহারের জন্য রক্ষিত থাকে। সাধারণত এই চর্বি চামড়ার নিচের স্তরে এবং শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের চারপাশে জমতে থাকে।
তবে আসল পরিবর্তন শুরু হয় যখন কোনো ব্যক্তি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা শারীরিক কসরত শুরু করেন। শরীর যখন গৃহীত খাদ্য থেকে পর্যাপ্ত শক্তি পান না এবং ক্যালরির ঘাটতি সৃষ্টি হয়, তখন হরমোন ও স্নায়বিক সংকেতের প্রভাবে ফ্যাট সেলগুলো সাড়া দিতে শুরু করে। বিজ্ঞানের ভাষায় চর্বি ক্ষয় বা চর্বি ভাঙার এই জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'লাইপোলাইসিস'।
লাইপোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ট্রাইগ্লিসারাইড ভেঙে উৎপন্ন ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মূল শক্তির কেন্দ্র মাইটোকন্ড্রিয়ায় প্রবেশ করে। সেখানে 'বিটা-অক্সিডেশন' প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এগুলো ভেঙে প্রয়োজনীয় শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই সামগ্রিক রাসায়নিক বিক্রিয়ার চূড়ান্ত উপজাত বা বর্জ্য হিসেবে মূলত দুটি উপাদান তৈরি হয়—কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি।
সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রায়ই ধারণা কাজ করে যে অতিরিক্ত মেদ ঝরা মানেই শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হওয়া। তবে গবেষকদের পর্যবেক্ষণ বলছে, মূল বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। চর্বি ক্ষয় হওয়ার পর তার সিংহভাগ অংশই ফুসফুসের মাধ্যমে আমরা যখন শ্বাস ত্যাগ করি, তখন বাতাস থেকে বাতাসে মিলিয়ে যায়। বিজ্ঞানীদের সুনির্দিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, ক্ষয়প্রাপ্ত মেদের প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে নিশ্বাসের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। আর অবশিষ্টাংশ বা ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাব এবং অন্যান্য শারীরিক তরলের আকারে নিষ্কৃত হয়।
তবে এ থেকে দ্রুত নিশ্বাস ফেলে মেদ কমানোর কোনো সুযোগ নেই। অনবরত দ্রুত শ্বাস ফেললেই শরীরে জমানো চর্বি গলে যায় না, কারণ শ্বাস ত্যাগ করা হলো কেবল পোড়া চর্বির বর্জ্য নিষ্কাশনের একটি মাধ্যম, চর্বি পোড়ানোর মূল চালিকাশক্তি নয়। শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বির মজুত কাটাতে হলে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, কায়িক ব্যায়াম এবং পরিমিত সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রেখে ক্যালরির সঠিক ঘাটতি তৈরি করাই একমাত্র বৈজ্ঞানিক উপায়।
/আশিক
দিনভর শারীরিক অলসতা ও ক্লান্তি: চিকিৎসকদের নতুন স্বাস্থ্য পরামর্শ
অনেকেরই পর্যাপ্ত ঘুমের পরও সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর শরীর চাঙা লাগে না কিংবা কোনো কাজেই কাঙ্ক্ষিত উৎসাহ পাওয়া যায় না। সারাদিন ধরে শুয়ে-বসে থাকার এই তীব্র প্রবণতা বা অবসাদ সবসময় কেবল আলস্য বা ইচ্ছাশক্তির ঘাটতি নয়, বরং এটি মানবদেহে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভিটামিনের অভাবজনিত শারীরিক সংকেত হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে শরীরে অতিরিক্ত ক্লান্তি, ঝিমুনি ও ঝিমুনিভাব বজায় থাকলে মূলত ভিটামিন 'ডি' এবং ভিটামিন 'বি১২'-এর ঘাটতি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা অত্যন্ত জরুরি। অবশ্য এর পাশাপাশি রক্তশূন্যতা (এনেমিয়া), থাইরয়েডের সমস্যা কিংবা ঘুমের অনিয়মও এ ধরনের শারীরিক অলসতার অন্যতম কারণ হতে পারে।
মানবদেহে ভিটামিন ডি মূলত হাড়, পেশি এবং মেটাবলিজম ঠিক রাখতে প্রধান ভূমিকা পালন করে। এর অভাব দেখা দিলে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, হাত-পা ও হাঁটুতে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয় এবং দিনের বেলাতেও শরীরে সারাক্ষণ ক্লান্তি ভর করে থাকে। অন্যদিকে স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ এবং লোহিত রক্তকণিকা গঠনে ভিটামিন বি১২ অপরিহার্য। বি১২-এর ঘাটতি ঘটলে শরীরে চরম দুর্বলতা ও ক্লান্তি তো আসেই, সেই সাথে হাত-পায়ে ঝিনঝিনি বা অসাড়তা, মাথা ঘোরা এবং কিছু ক্ষেত্রে মেজাজ খিটখিটে হওয়া বা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটার মতো উপসর্গ দেখা দেয়।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা অলসতা বজায় থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শে সিবিসি, সিরাম ফেরিটিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং থাইরয়েড (TSH) পরীক্ষা করে নির্দিষ্ট ঘাটতি নির্ণয় করা সম্ভব। সার্বিক আলস্য কাটিয়ে শরীরকে সতেজ রাখতে নিয়মিত পুষ্টিকর ও ভিটামিনযুক্ত খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, রাতে অন্তত ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার গভীর ঘুম নিশ্চিত করা এবং প্রতিদিন হালকা শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- সীমান্ত থেকে পোশাক শিল্পে উসকানি দেওয়া হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- দেশের পাঁচ বিভাগে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
- প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে জেলে পাঠানোর হুংকার রাহুল গান্ধীর
- পোশাক খাতের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক: জামায়াত আমির
- পোশাক খাতের নিরাপত্তা নিয়ে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- উত্তপ্ত সাজেকে সশস্ত্র দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
- মাত্র দশ মিনিটে কি ধ্বংস সম্ভব ইরানের পরমাণু শক্তি
- শীতের সকালে ব্যায়ামের আগে কী খাবেন
- সারাদেশে তিন দিন গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে
- ১২৫তম প্রাইজবন্ড ড্র: বিজয়ী হলো যেসব নম্বর
- জুমার খুতবায় শেখ হাসিনাকে ‘স্বৈরাচার’ বলায় খতিবকে অব্যাহতি
- নিউজিল্যান্ড সিরিজেই ঐতিহাসিক ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত
- সোলার এক্সপো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে ভারতে তীব্র রাজনৈতিক সংকট
- এইচএসসিতে শতভাগ ফেল: এক সপ্তাহের মধ্যে ব্যবস্থার নির্দেশ
- নেতানিয়াহুর পতনে আইজেনকোটকে সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান আহমেদ টিবির
- বেতনের দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ: ৭ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মবিরতিতে
- কালিয়াকৈর থানার ওসির হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হলো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক
- বিএনপি মাঠে নামলে পালানোর পথ পাবেন না: মির্জা আব্বাস
- সিসিটিভি ফুটেজে মিলল তাহসিফের মৃত্যুর আগের রাতের চাঞ্চল্যকর তথ্য
- রাজপথে লংমার্চ নয়, সংবিধান সংস্কারে আলোচনার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- নতুন বেতনকাঠামো: কাল যারা টাকা পাচ্ছেন, যাদের অপেক্ষা করতে হবে
- খুলনায় ১১ দলীয় জোটের লংমার্চের বহরে ককটেল বিস্ফোরণ
- চীন ও জাপানের বিনিয়োগে সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশের অর্থনীতি
- চোখের নিচে কালো দাগের পেছনে লুকিয়ে থাকা কারণ
- মুক্তির আগেই রেকর্ড গড়ল শাহরুখ খানের ‘কিং’
- ক্যারিবীয় স্পিনারদের বিপক্ষে আবারও ব্যর্থতার পরিচয় বাংলাদেশের
- চাঁদের বুকে পারমাণবিক চুল্লি বসাতে লড়ছে তিন পরাশক্তি
- আইন না মেনে গায়ের জোরে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চায় বিরোধী দল: রিজভী
- এইচএসসির ফল নিয়ে অসন্তুষ্ট? যেভাবে আবেদন করবেন অনলাইনে
- সারাদেশের কোমর ভাঙা, তাই দেশ মেরামত করতে হবে: জামায়াত আমির
- যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে মোজতবা খামেনির চরম হুঙ্কার: মানা হবে না কোনো সীমানা
- কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের চতুর্থ চালান
- মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন উত্তাপ: প্রস্তুত থাকার নির্দেশ আমেরিকার
- সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদসহ পুলিশের আট কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অঙ্গীকার, গণভোট ও সাংবিধানিক বৈধতার জটিল সমীকরণ
- ধানের শীষের প্রার্থীর কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছেন জামায়াত প্রার্থী
- ই-রিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা জারি: মানতে হবে যেসব কড়া শর্ত
- টাকার বিনিময়ে ভোট ও কারচুপির অভিযোগে বিতর্কিত রোনালদোর ‘ব্যালন ডি’অর অব অল টাইম’ জয়
- যুক্তরাষ্ট্রের হামলার আশঙ্কায় তেহরান আগাম আক্রমণ চালাতে পারে: এফডিডি কর্মকর্তা
- যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- রূপপুর প্রজেক্টের ঐতিহাসিক মাইলফলক: মিলল বায়েরার অনুমোদন
- নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ
- কফি স্ক্রাবেই মিলবে কোরিয়ানদের মতো ‘গ্লাস স্কিন’
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে আসামি হাজিরে বিচার ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে: আইনমন্ত্রী
- সংকটের মাঝেই এলপিজির কমিশন ২ থেকে ৩ গুণ বাড়ানোর দাবি
- ফের ঊর্ধ্বমুখী মার্কিন মুদ্রা: খোলা বাজারে ও ব্যাংকে বাড়ছে ডলারের দাম
- নেতানিয়াহুর দলের অভিযোগ খারিজ করে দিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
- ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ফল নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার
- ডিভি লটারি ২০২৭-এ বাংলাদেশ কি সুযোগ পাবে?
- জুলাই সনদ বাস্তবায়ন: রাজনৈতিক অঙ্গীকার, গণভোট ও সাংবিধানিক বৈধতার জটিল সমীকরণ
- আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’
- নতুন পে-স্কেলে ভাতা না বাড়ায় বড় ধাক্কা, হতাশ সরকারি কর্মচারীরা
- এনবিআরের ই-রিটার্ন সিস্টেমে যেভাবে দেখবেন বিলম্বের প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
- সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ড
- আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা, আবারও আসছে ডিভি লটারি সুযোগ
- মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- সৌদি গমনে ব্যর্থ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর, স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলবে প্রবেশের সুযোগ
- বিক্রির কদিন না যেতেই অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোনে ফাটল!
- পর্যটকদের জন্য বড় স্বস্তি: সেন্টমার্টিনে রাতে থাকতে আর বাধা নেই
- নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ
- রাজনীতিতে পারিবারিক প্রভাব ও মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির কঠোর সমালোচনা এনসিপি নেতার
- হুথিদের হামলা থামাতে তেহরানকে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদির?
- শেষ হলো বিসিবির নতুন ডি-থ্রি টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় ক্রিকেটার নিলাম
- তাপপ্রবাহের পর ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই এলো ঘূর্ণিঝড়ের আপডেট








