আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা, আবারও আসছে ডিভি লটারি সুযোগ

২০২৭ সালের ডাইভারসিটি গ্রিন কার্ড লটারি বা ডিভি লটারি কার্যক্রম পুনরায় চালুর জন্য ট্রাম্প প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন আদালত। যেসব দেশ থেকে সচরাচর যুক্তরাষ্ট্রে খুব বেশি অভিবাসী আসার সুযোগ পান না, সেসব দেশের নাগরিকদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের সংবাদ। ক্যালিফোর্নিয়ার ফেডারেল আদালতের বিচারক জিনসুক ওহতা গত ১৪ অক্টোবর এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধনের সময়সূচি প্রকাশ এবং ১ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন গ্রহণ শুরু করতে হবে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী এই নিবন্ধন কার্যক্রম টানা ৩০ দিন পর্যন্ত চালু থাকতে পারে। তবে আবেদনকারীদের চূড়ান্ত সময়সূচি, নির্দিষ্ট যোগ্যতার শর্ত এবং সঠিক আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রেড ঈগল ল নামক একটি আইন প্রতিষ্ঠানের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে এই রায় আসে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল যে, নির্দিষ্ট সময়ে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু না করার মাধ্যমে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কার্যত এই কর্মসূচি আটকে রেখেছে। এর ফলে একদিকে যেমন সাধারণ আবেদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, অন্যদিকে লটারি-সংক্রান্ত আইনি সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটিও আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে বলে আদালতে দাবি করা হয়। বহুল পরিচিত এই ডিভি লটারির মাধ্যমে মূলত যুক্তরাষ্ট্রে তুলনামূলকভাবে কম অভিবাসী পাঠানো দেশগুলোর যোগ্য নাগরিকদের প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়া হয়ে থাকে। এতে নির্বাচিত ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের আইনি সুযোগ লাভ করেন।
অন্যান্য অনেক কর্মভিত্তিক অভিবাসন প্রক্রিয়ার মতো এই লটারিতে অংশগ্রহণের জন্য আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিষ্ঠানের চাকরির অফার বা কোনো নিয়োগকর্তার স্পন্সরশিপের প্রয়োজন হয় না। তবে লটারিতে নাম নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হয়ে যায় না; বরং নির্বাচিত আবেদনকারীদের নির্ধারিত সব যোগ্যতা যথাযথভাবে পূরণ করতে হয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হয় এবং কঠোর অভিবাসন ও নিরাপত্তা যাচাই প্রক্রিয়া সফলভাবে পার করতে হয়। সাধারণত এই কার্যক্রমে আবেদনের জন্য আবেদনকারীকে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে অথবা এর বিকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালের ‘ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট’-এ স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ এই কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। ১৯৬৫ পরবর্তী অভিবাসন ব্যবস্থার ফলে নির্দিষ্ট কিছু দেশের অভিবাসীদের ক্ষেত্রে যে বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছিল, তা দূর করাই ছিল এর মূল উদ্দেশ্য। পরিবার বা পেশাগত দক্ষতার বাইরে অনগ্রসর ও কম প্রতিনিধিত্বশীল জনগোষ্ঠীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই কর্মসূচির আওতায় বরাদ্দকৃত মোট ভিসার সংখ্যার মধ্যে মূল আবেদনকারীর বৈধ স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের হিসাবও অন্তর্ভুক্ত থাকে।
/আশিক
বিরোধীরা জিতলেও এখনই ক্ষমতা ছাড়ছেন না নেতানিয়াহু
ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনের ফল বিরোধীদের পক্ষে গেলেও প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন সরকারকে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমতা ছাড়তে নাও হতে পারে। নতুন সরকার গঠনে কয়েক মাস সময় লেগে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে তেহরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হলে, গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও সামরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নেতানিয়াহুর হাতেই থেকে যাবে। ইউরোনিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেছেন চ্যাথাম হাউসের জ্যেষ্ঠ পরামর্শক ফেলো ইয়োসি মেকেলবার্গ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইসরায়েলিরা ভোট প্রদানের সময় তিনি বলেন, নির্বাচনের ঠিক পরদিনই নতুন সরকার গঠিত হচ্ছে না। ফলে অন্তর্বর্তী সরকার সামরিক অভিযান অনুমোদনের ক্ষমতাসহ উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা ধরে রাখবে, যা পরিস্থিতিকে আরও বেশি অস্থিতিশীল ও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর এটিই ইসরায়েলের প্রথম সাধারণ নির্বাচন। ওই ঘটনার পর প্রায় তিন বছর ধরে চলা যুদ্ধ, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিভাজন এবং হামলার আগের নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতার জবাবদিহির দাবি দেশটির রাজনীতিতে জোরালোভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। ইসরায়েলের ইতিহাসের দীর্ঘতম সময়ের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে এই নির্বাচনকে একটি গণভোট হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক জনমত জরিপের ফল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, নেতানিয়াহুর ক্ষমতাসীন জোট কিংবা সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট—কোনো পক্ষই ১২০ আসনের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসন নিশ্চিত করতে পারেনি। এর ফলে বিরোধীরা বেশি আসন পেলেও সরকার গঠনের প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে এবং এই সুযোগে নেতানিয়াহু ক্ষমতায় বহাল থাকতে পারেন।
ইসরায়েলের নির্বাচন শেষ হওয়ার এক সপ্তাহ পর আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই সময়টির মধ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযানের পর ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জল্পনাও জোরদার হয়েছে। মেকেলবার্গের মতে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে সংঘাত শুরুর সময় নির্ধারণে বড় প্রভাব রাখবে। দুই দেশের এই নির্বাচনের মধ্যবর্তী সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর ফলাফল ইরানে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হবে কি না তা নির্ধারণে ভূমিকা রাখবে।
তার মতে, বিরোধীদের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হলে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তির ওপর ইসরায়েলের অতিমাত্রার নির্ভরতা পুনর্বিবেচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক স্বার্থ তার ভবিষ্যতের সামরিক সিদ্ধান্তগুলোকে প্রভাবিত করছে কি না, সেই প্রশ্নও সামনে আসছে। মেকেলবার্গ মন্তব্য করেন যে, নেতানিয়াহুর প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ করার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে, কারণ তার নীতির সঙ্গে দুর্নীতির বিচার এবং যেকোনো মূল্যে ক্ষমতায় টিকে থাকার বিষয়টি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এমনকি ইরানকে ঘিরে নতুন কোনো সংকট তৈরির সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ইসরায়েলে সরকার পরিবর্তন হলে গাজা, অধিকৃত পশ্চিম তীর এবং প্রতিবেশী লেবাননের বিষয়ে দেশটির সামগ্রিক নীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। তার ধারণা, বিরোধীদের সরকার গঠিত হলে গাজা সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা এবং লেবাননের সঙ্গে নিরাপত্তাবিষয়ক সমঝোতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
তবে নতুন জোটে কোন কোন দল অন্তর্ভুক্ত হবে, তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো শেষ পর্যন্ত সরকারে যুক্ত হবে কি না, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রশ্নে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে মিল থাকলেও, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারির ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের নিজ নিজ অবস্থানে বেশ বড় ধরনের বিভেদ রয়েছে।
মেকেলবার্গ সতর্ক করে জানান যে, দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান রাতারাতি বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। তবে দখলদারির বর্তমান পরিস্থিতি কিছুটা শিথিল করা এবং আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ তৈরির উদ্যোগ অবশ্যই নেওয়া যেতে পারে। নতুন এই সরকার অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্যগুলো কতটা সফলভাবে সমাধান করতে পারবে, তার ওপরই দেশটির আঞ্চলিক নীতির ভবিষ্যৎ রূপ পরিবর্তন নির্ভর করবে।
সূত্র : ইউরো নিউজ
গভীর সংকটে চীনের বাজার, বড় পতনের মুখে শেয়ারমূল্য
চীনের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা দিয়েছে। গত মে মাসের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে দেশটির শেয়ারবাজারের মোট বাজারমূল্য কমেছে প্রায় সাড়ে তিন ট্রিলিয়ন ডলার। গত সপ্তাহে বিক্রির চাপ তীব্র হওয়ায় মূল ভূখণ্ডের বেঞ্চমার্ক সূচক সিএসআই ৩০০ বিয়ার মার্কেটে প্রবেশ করেছে। একই সময়ে হংকংয়ের প্রযুক্তি খাতের সূচক হ্যাং সেং টেক ইনডেক্সও দুই বছর আগে বেইজিংয়ের ঘোষিত অর্থনৈতিক প্রণোদনার পর অর্জিত প্রায় সব মুনাফা হারানোর দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।
দ্য জাপান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনের অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী ভোগব্যয় সংকোচন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার তীব্র মূল্য প্রতিযোগিতা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে ব্যাংক, বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা, আবাসন খাত এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) মডেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর মুনাফার ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
বাজারের এই দরপতনের মূল কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন কোম্পানির মুনাফার পূর্বাভাস কমে যাওয়া। এমএসসিআই চায়না সূচকভুক্ত কোম্পানিগুলোর ২০২৬ সালের সম্মিলিত মুনাফার পূর্বাভাস মার্চের শেষ দিক থেকে চার শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে, চীনের ইন্টারনেট জায়ান্টদের আধিপত্য থাকা হ্যাং সেং টেক ইনডেক্সের কোম্পানিগুলোর মুনাফার পূর্বাভাস কমেছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। বিশেষ করে ই-কমার্স খাতে চলা তীব্র মূল্যযুদ্ধ কোম্পানিগুলোর আয় ও মুনাফার সম্ভাবনাকে দুর্বল করে তুলছে।
যেসকল কোম্পানি ইতোমধ্যে তাদের আর্থিক ফলাফল প্রকাশ করেছে, এমএসসিআই চায়না সূচকভুক্ত সেসব প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বিশ্লেষকদের সম্মিলিত পূর্বাভাসের তুলনায় গড়ে নয় শতাংশ কম এসেছে। সংশ্লিষ্ট হিসাব অনুযায়ী, গত দুই বছরের মধ্যে কোনো প্রান্তিকে পূর্বাভাসের তুলনায় এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম নেতিবাচক ব্যবধান হতে পারে। এর প্রভাব পড়েছে বড় বড় কোম্পানির ওপরও; যেমন—ব্যাটারি নির্মাতা সিএটিএল বিশ্লেষকদের মুনাফার পূর্বাভাস পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। চায়না মোবাইলের চলতি বছরের প্রথম নয় মাসের (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) নিট মুনাফা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আট শতাংশ কমেছে। এছাড়া বাজারে দাম কমে যাওয়ায় লিথিয়াম উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গানফেং লিথিয়াম গ্রুপও প্রত্যাশিত মুনাফা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
মুনাফার ওপর তীব্র চাপ তৈরি হওয়ায় কিছু কোম্পানি শেয়ারবাজার থেকে নতুন অর্থ সংগ্রহের পথ বেছে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আলিবাবা গ্রুপ হোল্ডিং অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন ডলারের শেয়ার বিক্রি করেছে। নতুন শেয়ার ইস্যু বা বিক্রির এই পদক্ষেপে বিদ্যমান শেয়ারধারীদের মালিকানার অনুপাত কমে যেতে পারে, যা তাদের বিনিয়োগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
এদিকে, চীনের মূল ভূখণ্ডের শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ গত বছরের জুলাইয়ের পর সর্বনিম্ন অবস্থানের কাছাকাছি নেমে এসেছে। একই সঙ্গে মার্জিন লেনদেনের পরিমাণও এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য, মার্জিন লেনদেনে বিনিয়োগকারীরা ধার করা অর্থ দিয়ে শেয়ার কেনেন। এই ধরনের লেনদেন কমে যাওয়া বাজারে বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকি নেওয়ার মানসিকতা দুর্বল হওয়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়।
শেয়ারবাজারের এই পতন ঠেকাতে চীনা কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে রাষ্ট্র-সমর্থিত বিভিন্ন বিনিয়োগ তহবিল ব্যবহার করছে। বাজার স্থিতিশীল করতে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে এসব তহবিলের মাধ্যমে শেয়ার কেনা হচ্ছে। তবে অর্থনীতিতে চাপ থাকা সত্ত্বেও বড় আকারের নতুন প্রণোদনা কর্মসূচি ঘোষণার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে চীন সরকার। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে দেশটির মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চার দশমিক পাঁচ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছরের প্রথম নয় মাসে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকায় বেইজিংয়ের সামনে ধাপে ধাপে অর্থনৈতিক সহায়তা অব্যাহত রাখার সুযোগ রয়েছে। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বড় কোনো প্রণোদনা ঘোষণা না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নীতিগত সহায়তা দেওয়ার নীতিতেই অটল রয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকলেও ভোগব্যয়ের দুর্বলতা, কোম্পানিগুলোর মধ্যকার মূল্যযুদ্ধ এবং মুনাফার পূর্বাভাস কমে যাওয়া বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ দিন দিন বাড়িয়ে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন যে এসব সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে চীনের শেয়ারবাজারের অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
তথ্যসূত্র : ইউএ.নিউজ
ইসরায়েল ভোটের প্রাক্কালে মস্কোয় পেজেশকিয়ানের কূটনৈতিক চাল
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের আসন্ন রাশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। ইসরায়েলের নির্বাচনের ঠিক আগের দিন তার এই মস্কো যাত্রা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সোমবার সন্ধ্যায় মস্কোর উদ্দেশে রওনা দিয়ে মঙ্গলবার গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরামের (জিইসিএফ) অষ্টম সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।
সফরকালে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন পেজেশকিয়ান। দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি জ্বালানি খাতের অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ নিয়ে তাদের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারত্ব চুক্তি বাস্তবায়নের বর্তমান অগ্রগতিও পর্যালোচনা করবেন দুই নেতা। সাম্প্রতিক আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু নিয়েও শীর্ষ এই বৈঠকে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা মতবিনিময় করবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি এই সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। তার ভাষ্যমতে, বিশ্বের বড় জ্বালানি সরবরাহকারী দেশগুলোর মধ্যে পরামর্শ এবং অন্যান্য দেশের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের জন্য এটি একটি দারুণ সুযোগ। তেল ও গ্যাস খাতে তেহরান ও মস্কোর দীর্ঘদিনের সহযোগিতামূলক ইতিহাস রয়েছে এবং এই সফরে ইরানের তেল মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও প্রতিনিধিদলে অংশ নিচ্ছেন। সফর শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।
রাশিয়ার রাজধানীতে অনুষ্ঠেয় এই সম্মেলনে একটি অভিন্ন গ্যাসবাজার প্রতিষ্ঠা এবং যুদ্ধকালীন নাশকতা থেকে জ্বালানি অবকাঠামোগুলোকে সুরক্ষিত রাখার ওপর বিশেষ জোর দেবে ইরান। দেশটির ভারপ্রাপ্ত তেলমন্ত্রী হামিদ বোভার্দ মস্কো যাত্রার আগে জানিয়েছেন যে, জিইসিএফের সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে কৌশলগত গ্যাস বিষয়ে তেহরানের আলোচনা চলমান রয়েছে। যৌথভাবে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন এবং গ্যাস বিনিময় চুক্তির পরিধি বৃদ্ধিই রাশিয়া ও ইরানের জ্বালানি সহযোগিতার মূল কেন্দ্রবিন্দু। সম্মেলনে ইরান নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদা বৈঠকও করবে।
উল্লেখ্য, গ্যাস রপ্তানিকারক দেশগুলোর ফোরাম বা জিইসিএফ বিশ্বের ১২টি প্রধান গ্যাস উৎপাদনকারী দেশের একটি আন্তসরকারি সংস্থা, যার সদস্য হিসেবে রয়েছে ইরান, রাশিয়া ও কাতার। ২০০১ সালে তেহরানে এই ফোরাম গঠনের প্রস্তাব উত্থাপিত হওয়ার পর ২০০৮ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। গ্যাস উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে নীতিগত সমন্বয় সাধন, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পশ্চিমা বাজারের অস্থিরতা কিংবা যেকোনো ধরনের একতরফা চাপ থেকে রপ্তানিকারক দেশগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
সূত্র : প্রেস টিভি
ইসরায়েলে ২৬তম নেসেট নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন নাগরিকরা
গাজায় যুদ্ধ ও লেবানন সংকটের পটভূমিতে আগামীকাল মঙ্গলবার ২৬তম নেসেট (পার্লামেন্ট) নির্বাচনে ভোট দিতে যাচ্ছেন ইসরায়েলিরা। দেশটির ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দুর্নীতির বিচার চলা সত্ত্বেও আবারও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং তাঁর কট্টর ডানপন্থী জোটের সঙ্গে ইহুদি নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোটের তীব্র লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
১২০ সদস্যবিশিষ্ট নেসেটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৬১টি আসন, তবে জনমত জরিপ অনুযায়ী কোনো পক্ষই এককভাবে এই ম্যাজিক ফিগার পাবে না। ফলস্বরূপ, ভোটগ্রহণ শেষে দলগুলোকে জোট গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় দেওয়া হবে এবং প্রয়োজন সাপেক্ষে আরও ১৪ দিন সময় বাড়ানো হতে পারে। ইসরায়েলের প্রায় ৭৩ লাখ নিবন্ধিত ভোটার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ভোটকেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
৭ অক্টোবরের নিরাপত্তাব্যবস্থার ব্যর্থতা, অতি-কট্টর ইহুদিদের সামরিক জোটে ছাড়, বিচারব্যবস্থার বিতর্কিত সংস্কার, যুদ্ধকালীন অর্থনৈতিক চাপ ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবারের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু। ২০১৯ সালের পর দেশটিতে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে এটি ষষ্ঠ নির্বাচন হলেও, গত ৩৮ বছরের মধ্যে এই প্রথম নেসেটের পূর্ণ মেয়াদ শেষে ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণী এই নির্বাচনের নতুন সরকার শপথ না নেওয়া পর্যন্ত তিনি তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
/আশিক
ইরানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে তিন দেশ
আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও পারস্পরিক সমন্বয় জোরদারের লক্ষ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানে দেশটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ যৌথ বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমান এবং তুরস্কের গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ইব্রাহিম কালিন। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের উপসচিব আলী বাঘেরি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় এই যৌথ বৈঠকের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, যা ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে ইরান। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, মক্কা চুক্তির সদস্য দেশগুলোর এই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এমন এক সময়ে তেহরানে বৈঠকটি করছেন, যখন ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলা ও উত্তেজনার মুখে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এক নতুন মোড় নিয়েছে। এর আগে অক্টোবরের শুরুর দিকে রিয়াদে অনুষ্ঠিত জরুরি বৈঠকে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কে সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছিল। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সংঘাতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং নিজেদের মধ্যে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতেই এই উচ্চপর্যায়ের ত্রিপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
/আশিক
আলোচনার আড়ালে শর্ত চাপাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, তেহরানের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন ইসমাইল বাঘাইয়ের
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সদিচ্ছা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলে তেহরান জানিয়েছে, ওয়াশিংটন আলোচনার কথা বললেও মূলত একতরফা শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই অভিযোগ করেন। তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলুর বরাত দিয়ে ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর মার্কিন হামলার ঠিক আগেও ওয়াশিংটন আলোচনার পক্ষে কথা বলেছিল উল্লেখ করে তেহরান প্রশ্ন তুলেছে যে, এই দ্বিমুখী আচরণের মধ্যে কোনো সততা খোঁজে পাওয়া যায় কি না। এছাড়া ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্ধভাবে অনুসরণ করার জন্য যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির তীব্র সমালোচনা করেন বাঘাই।
সংবাদ সম্মেলনে ইসমাইল বাঘাই পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করেনি বা অর্জনের চেষ্টাও করেনি। ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে তেহরান আন্তরিকভাবে সই করলেও ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে তা থেকে সরে আসে বলে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। ইসরায়েলের প্রভাবেই মার্কিন প্রশাসন ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের যৌক্তিকতা খোঁজার চেষ্টা করছে বলে তাঁর দাবি। এছাড়া কাতারে বিমান হামলায় নিহত তিন ইরানি পাইলটের বিষয়ে কাতারকে কড়া বার্তা দিয়ে বাঘাই জানান, তাদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ বা নথি না দেওয়া পর্যন্ত হামলার শিকার দেশের ওপরই সম্পূর্ণ দায় বর্তাবে এবং বিষয়টি নিয়ে কারিগরি ও আইনি আলোচনা চলছে।
ইসরায়েলের আসন্ন নির্বাচন ও সামরিক হুমকির বিষয়ে বাঘাই মন্তব্য করেন যে, ইসরায়েলি রাজনীতিকরা অপরাধের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন এবং কে ক্ষমতায় এল তাতে তেহরানের কিছু আসে যায় না। তবে আঞ্চলিক কূটনীতির অংশ হিসেবে কাতারি প্রতিনিধিদলের তেহরান সফর এবং চলমান সংঘাতের বার্তা বিনিময়ের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। পাশাপাশি, গ্যাস রপ্তানিকারক দেশের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে সোমবার রাতেই রুশ সফরে যাচ্ছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, যেখানে জ্বালানি সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে। এছাড়া পাকিস্তান ও ইরাকের সঙ্গে সীমান্ত নিরাপত্তা ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বাগদাদের ওপর মার্কিন চাপের বিষয়ে তেহরান তার কঠোর সতর্কতা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
/আশিক
বাদাম বিক্রেতা থেকে ব্রাজিলের শ্রমিক নেতা ও সফল প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা
দারিদ্র্য ও চরম প্রতিকূলতাকে জয় করে শ্রমিক আন্দোলন থেকে ব্রাজিলের রাষ্ট্রক্ষমতায় পৌঁছানো লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা দেশটির রাজনীতিতে এক অনন্য ইতিহাসের জন্ম দিয়েছেন। ১৯৪৫ সালে জন্ম নেওয়া লুলা শৈশবে বাদাম বিক্রি ও কৈশোরে কারখানায় শ্রমিকের কাজ করেছেন এবং এক দুর্ঘটনায় নিজের একটি আঙুলও হারিয়েছেন। ১৯৭৫ সালে ধাতব শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান হওয়ার মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় এবং ১৯৮০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ব্রাজিলের প্রথম বড় সমাজতান্ত্রিক দল ‘ওয়ার্কার্স পার্টি’ বা পিটি। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২০০২ সালে প্রথমবারের মতো দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে তিনি ‘বোলসা ফ্যামিলিয়া’র মতো যুগান্তকারী সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে লাখো দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন।
জীবনের পথপরিক্রমায় দুর্নীতির অভিযোগে কারাবাসের মতো বড় ধাক্কা আসলেও হাল ছাড়েননি এই বর্ষীয়ান নেতা। ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে দণ্ড বাতিল হওয়ার পর ২০২২ সালে তিনি তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় আসেন। সর্বশেষ গত রবিবার অনুষ্ঠিত নাটকীয় নির্বাচনে কট্টর ডানপন্থী প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লাভিও বলসোনারোকে পরাজিত করে ৮০ বছর বয়সী এই বামপন্থী নেতা ঐতিহাসিকভাবে চতুর্থবারের মতো ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুননির্বাচিত হয়েছেন। প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনায় ৫১.৭৫ শতাংশ ভোট পেয়ে তিনি এই জয় নিশ্চিত করেন, যা ব্রাজিলের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে প্রথম ধাপে দ্বিতীয় হয়েও পরবর্তীতে বিজয়ী হওয়ার প্রথম রেকর্ড গড়েছে।
সূত্র: বিবিসি
ইরানের ‘জানফাদা’ কর্মসূচি: সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র চালনায় উদ্বুদ্ধ করার নেপথ্য কারণ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাতের আশঙ্কা জোরালো হওয়ার প্রেক্ষাপটে বেসামরিক নাগরিকদের অস্ত্র পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ দেওয়ার কর্মসূচিটিতে বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে ইরান। দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত সম্ভাব্য হুমকি সফলভাবে মোকাবিলা করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘জানফাদা’ বা ‘যারা জীবন উৎসর্গ করেন’ নামক এই প্রতিরক্ষা কর্মসূচিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার চরম পর্যায়ে গত মার্চ মাসের শেষ দিকে চালু করা হয়েছিল। বর্তমানে ইরানের বিস্তীর্ণ এলাক জুড়ে এই কর্মসূচিটির কার্যক্রম ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেশের সাধারণ নারী ও পুরুষ উভয়কেই স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশ নেওয়ার জন্য উন্মুক্ত আহ্বান জানানো হচ্ছে।
যদিও এই প্রশিক্ষণে তরুণ প্রজন্মের অংশগ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, তবুও দেশের সর্বস্তরের সব বয়সের মানুষের জন্যই এটি উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যে কোনো মুহূর্তে নতুন করে সর্বাত্মক সংঘাত শুরু হতে পারে—এমন গভীর আশঙ্কার মাঝেই তেহরান কর্তৃপক্ষ এই বেসামরিক সামরিক প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রমকে আরও জোরদার ও বিস্তৃত করে চলেছে।
/আশিক
আল-খলিলে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত অভিযান, বাস্তুচ্যুত দেড় হাজার ফিলিস্তিনি
অধিকৃত পশ্চিম তীরের দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-খলিল শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান ভয়াবহ অভিযানে প্রায় ২৫০টি পরিবারের দেড় হাজার ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া এই উচ্ছেদ অভিযানের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আরও আড়াই হাজার ফিলিস্তিনিকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। আল-খলিল পৌরসভার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মূলত দেইর বাহা ও আল-জিলদা এলাকার ৫০০ পরিবারের মধ্যে এই উচ্ছেদ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইসরায়েলি বাহিনী ইতিমধ্যে উচ্ছেদের শিকার বাড়িগুলো চিহ্নিত করেছে এবং যেসব পরিবার এখনও বাড়ি ছাড়েনি, তাদের নিজেদের কোনো যানবাহন ব্যবহার না করেই অবিলম্বে বসতি ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছে।
ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদ সংস্থা ওয়াফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আল-খলিলের গভর্নর খালেদ দুদিন জানান, এই আকস্মিক ও বর্বর অভিযানে দুইশটিরও বেশি পরিবার গৃহহীন হয়েছে। তিনি ইসরায়েলের এই দমনপীড়ন বন্ধ করতে দ্রুত জরুরি আন্তর্জাতিক ও আইনি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এছাড়া পরিস্থিতি সামাল দিতে শুক্রবারই গভর্নরেট কর্তৃপক্ষ স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গোত্রীয় সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে একটি বিশেষ সংকট ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র ও প্রবাসী বিষয়ক মন্ত্রণালয় শনিবার এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, আল-খলিলের বিভিন্ন অঞ্চলে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি বৃদ্ধি এবং আবাসিক এলাকা ধ্বংস করার হুমকি দিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন, যা মূলত ১৯৪৮ সালের ঐতিহাসিক ‘নাকবা’র পুনরাবৃত্তি এবং পরিকল্পিত জাতিগত নিধনের স্পষ্ট প্রচেষ্টা।
ইসরায়েলের এই জবরদস্তিমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বমঞ্চে কূটনৈতিক চাপ বাড়াতে ফিলিস্তিনের সব দূতাবাস ও মিশনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে আল-খলিলের ফার্শ আল-হাওয়া এলাকায় ভবন ও বাণিজ্যিক দোকানপাট গুঁড়িয়ে দেওয়া, ঘরে ঘরে তল্লাশি এবং অন্তত ১৩ জন ফিলিস্তিনিকে আটকের মতো ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি শহর, গ্রাম এবং শরণার্থীশিবিরগুলোর সমস্ত প্রবেশপথ অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বাড়িঘর হারিয়ে বহু অসহায় পরিবারকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে। মূলত অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলোর যাতায়াত পথ নিরাপদ ও সুদৃঢ় করতেই দখলদার বাহিনী এখন স্থানীয় বিভিন্ন ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে তুলে নিচ্ছে।
এদিকে, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা জানিয়েছে যে ২০২২ সালের শেষ দিকে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে তারা ১০৪টি নতুন বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে এবং পুরো পশ্চিম তীরজুড়ে ১৬০টি কৃষিভিত্তিক বসতি-চৌকি গড়ে তুলেছে। ফিলিস্তিনিদের কৃষিজমিতে অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের নিয়ন্ত্রণ জোরদারের পাশাপাশি তাদের ওপর হামলা, অগ্নিসংযোগ ও গবাদিপশু ধ্বংসের ঘটনাও আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এক ঐতিহাসিক রায়ে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের উপস্থিতি সম্পূর্ণ বেআইনি ঘোষণা করে তা অবিলম্বে অবসানের নির্দেশ দিয়েছিল। তা সত্ত্বেও বসতি সম্প্রসারণের এই তৎপরতা ফিলিস্তিনের ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনাকে মারাত্মকভাবে নস্যাৎ করে দিচ্ছে।
আল-খলিলের এই নৃশংস অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। সংস্থাটির মহাসচিব ইসমাইল উলদ শেখ আহমেদ একে ইসরায়েলি বাহিনী ও অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের পরিকল্পিত উচ্ছেদ নীতির অংশ হিসেবে বিপজ্জনক উত্তেজনা বৃদ্ধি বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, আল-খলিল ও আশপাশের অঞ্চলের জনতাত্ত্বিক ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য বদলে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই চক্রান্ত চালানো হচ্ছে। নির্বিচারে ভবন ধ্বংস ও গণহারে মানুষ উচ্ছেদের এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং জেনেভা কনভেনশনের চরম লঙ্ঘন। এছাড়া ইব্রাহিমি মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা দেওয়া এবং তা বন্ধ রাখার মতো ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের চক্রান্তেরও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ওআইসি।
পার্সটুডে
পাঠকের মতামত:
- আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা, আবারও আসছে ডিভি লটারি সুযোগ
- ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার দুই নেতার
- স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা চাইলেন ডা. জুবাইদা রহমান
- বিরোধীরা জিতলেও এখনই ক্ষমতা ছাড়ছেন না নেতানিয়াহু
- গভীর সংকটে চীনের বাজার, বড় পতনের মুখে শেয়ারমূল্য
- ইসরায়েল ভোটের প্রাক্কালে মস্কোয় পেজেশকিয়ানের কূটনৈতিক চাল
- নতুন পে-স্কেলে ভাতা না বাড়ায় বড় ধাক্কা, হতাশ সরকারি কর্মচারীরা
- সৌদি গমনে ব্যর্থ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য সুখবর, স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলবে প্রবেশের সুযোগ
- আঞ্জনি হলে ঘরোয়া পরিচর্যায় কোন কাজগুলো করা একেবারেই নিরাপদ নয়?
- ইসরায়েলে ২৬তম নেসেট নির্বাচনে মঙ্গলবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন নাগরিকরা
- ইরানের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসছে তিন দেশ
- রাজনীতিতে পারিবারিক প্রভাব ও মন্ত্রীদের স্বজনপ্রীতির কঠোর সমালোচনা এনসিপি নেতার
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে বিএনপি এবারও টালবাহানা করছে: এনসিপি আহ্বায়ক
- শেষ হলো বিসিবির নতুন ডি-থ্রি টুর্নামেন্টের আকর্ষণীয় ক্রিকেটার নিলাম
- আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’
- আপনি আসেন, আমরা আপনার অপেক্ষায় আছি: শেখ হাসিনাকে হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
- এনবিআরের ই-রিটার্ন সিস্টেমে যেভাবে দেখবেন বিলম্বের প্রদেয় অর্থের পরিমাণ
- আলোচনার আড়ালে শর্ত চাপাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, তেহরানের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন ইসমাইল বাঘাইয়ের
- সবচেয়ে কম বয়সে ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য রেকর্ড
- ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় লাগাম টানছে স্বর্ণের বাজারমূল্য
- বাদাম বিক্রেতা থেকে ব্রাজিলের শ্রমিক নেতা ও সফল প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা
- জাপানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাইকা প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ
- খুলনার স্টেডিয়াম ও বিকেএসপির অবকাঠামোগত উন্নয়নের ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর
- ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ কি আঘাত হানবে? যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- ইরানের ‘জানফাদা’ কর্মসূচি: সাধারণ নাগরিকদের অস্ত্র চালনায় উদ্বুদ্ধ করার নেপথ্য কারণ
- মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: কনস্যুলেটের কোনো অবহেলা ছিল কি না জানাল সংসদীয় কমিটি
- আল-খলিলে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত অভিযান, বাস্তুচ্যুত দেড় হাজার ফিলিস্তিনি
- ইরানের পরমাণু অস্ত্র ইসরায়েলের অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেবে: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- ভারতের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: নাহিদ ইসলাম
- পুষ্টিতে ভরপুর কলা: শীতকালীন খাদ্যতালিকায় একে রাখা কেন জরুরি
- জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাশেদ খান
- উচ্চশিক্ষিত ও স্থিতিশীল চাকরিজীবীদের ক্রেডিট কার্ড বিল পরিশোধে বিপর্যয়
- সাংবাদিকদের অবমাননা ও পেটানোর হুমকি, এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিশ
- আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
- আন্তর্জাতিক বাজারের পতনের ধাক্কা, দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম কত?
- দেশে ফেরার গুঞ্জনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি: আতঙ্ক ছড়ানোর নেপথ্যে কারা?
- বড় ধাক্কা খেল সান্তোস, বড় নিষেধাজ্ঞায় নেইমার
- অন্যের নামে জমি রেকর্ড হলে করণীয় কী?
- মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তাল
- পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ দেখলেই ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের
- লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে এইচএসসির ফল
- যেকোনো সামরিক সংঘাতে কঠোর জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের
- আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বর্তমান সংসদ পাঁচ বছর টিকবে কি না সন্দেহ: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ
- আমি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছি, অথচ নোবেল পাইনি: ট্রাম্প
- স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া পুরস্কার পেলেন লিওনেল মেসি
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন রুখতে বড় সামরিক অভিযানের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
- প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিতের তাগিদ আসিফ নজরুলের
- প্রেক্ষাগৃহে রজনীকান্তের উপস্থিতি ও বক্স অফিসে নতুন ইতিহাস
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর জেরে নতুন বিতর্ক, মুখ খুলল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ
- খুলনার তেরখাদায় বিএনপির দুই পক্ষে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
- অনলাইনে আবেদন করলেও মিলবে না ভোটার নিবন্ধন, যা করতে হবে
- 'এখন থেকে ১০ হাজার লোক নিয়ে চলব': সরাইল থানায় এমপি রুমিন ও ওসির তীব্র বাগ্বিতণ্ডার পেছনে আসল ঘটনা কী?
- মার্কিন ডিভি লটারি ফিরছে: সুযোগ কি পাচ্ছেন বাংলাদেশিরা?
- সৌদি মিডিয়ার খবর দেখে দুই বাংলাদেশির প্রাণদণ্ডের তথ্য জানল কনস্যুলেট
- ভিডিও বানিয়ে আয়ের সুযোগ দিচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স
- পুলিশ অফিসার্স হাউজিংয়ে ডিজে পার্টির আড়ালে মাদকের আসর, গাড়ি জব্দসহ ব্যাপক আটক
- ফাইনালে ওঠার কঠিন সমীকরণের মুখে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ
- বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতুর দরপতন: কেমন আছে স্বর্ণ ও রুপার বাজার?
- জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাশেদ খান
- পদ্মা ও তিস্তা নদীতে ব্যারাজ নির্মাণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের
- শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকারকে ১৮ ডিসেম্বরের আলটিমেটাম
- যে আতঙ্কে খালি করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানির সদর দপ্তর: বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত?
- ঢাকা-সৌদি রুটে ভয়াবহ ফ্লাইট বিপর্যয়: চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা








