বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৫ ১৯:০৬:১৭
বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দেশেই দক্ষ প্রকৌশলী গড়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির
ছবি : সংগৃহীত

টেক্সটাইল খাতের চাহিদা মেটাতে দেশে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী তৈরি এবং বিদেশি বিশেষজ্ঞদের ওপর নির্ভরতা কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই আহ্বান জানান। এ সময় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ও বুটেক্সের অ্যালামনাই সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সানজিদা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

সাক্ষাৎকালে টেক্সটাইল খাতকে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, শিক্ষার্থীদের দেশে ও বিদেশে যথাযথ কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একদিকে দক্ষ জনশক্তির সঠিক ব্যবহার হয় এবং অন্যদিকে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। এ ছাড়া দেশের টেক্সটাইল শিল্পের কাঁচামালের চাহিদা পূরণে তুলার দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, এর জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি উৎপাদন খরচ কমানোর উপায় খুঁজে বের করতে হবে এবং কৃষি ও টেক্সটাইল খাতের মধ্যকার সমন্বয় আরও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে পাট, আনারসের পাতা ও কলাগাছের মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে তন্তু সংগ্রহ এবং সিনথেটিক সুতা তৈরির সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণালব্ধ কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

বৈঠকে বুটেক্স প্রতিনিধিদল দেশের তৈরি পোশাকশিল্প ও টেক্সটাইল খাতের প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা এবং সামগ্রিক শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে বিস্তারিত জানান। এ সময় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আধুনিক গবেষণাগার স্থাপন, প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি, বিসিএস (টেক্সটাইল) নামে আলাদা ক্যাডার সৃষ্টি, বাজেট সম্প্রসারণ এবং ঢাকার পূর্বাচলে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য জমি বরাদ্দ চেয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রাষ্ট্রপতি তাদের কথা মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং উত্থাপিত বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সাক্ষাতের একপর্যায়ে বুটেক্সের উপাচার্য আগামী বছরের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তনে ‘রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর’-কে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত থাকার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আনন্দের সঙ্গে এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন। প্রতিনিধিদলে বুটেক্সের বিভিন্ন অনুষদের ডিনগণের মধ্যে অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব, অধ্যাপক শিল্পী আক্তার, অধ্যাপক ড. হাসিনা আখতার, অধ্যাপক ড. রাশেদা বেগম দিনা এবং অধ্যাপক ড. লামইয়া জাহির উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বৈঠকে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবরাও অংশ নেন।

/আশিক


অন্যের নামে জমি রেকর্ড হলে করণীয় কী?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৫ ১৭:২৫:৪৪
অন্যের নামে জমি রেকর্ড হলে করণীয় কী?
কৃষি জমি, দলিল ও সরকারের লোগো। গ্রাফিক্স: কালবেলা

নিজের কেনা কিংবা উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত জমি ভুলবশত অন্য কারও নামে রেকর্ডভুক্ত হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। সঠিক দলিল ও আইনগত মালিকানার উপযুক্ত প্রমাণ থাকলে এই রেকর্ড সংশোধন করার কার্যকর ব্যবস্থা রয়েছে। তবে সংশোধনের প্রক্রিয়া নির্ভর করে মূলত ভুলটি কী প্রকৃতির, সম্পত্তি কীভাবে অর্জন করা হয়েছে এবং সংশোধিত খতিয়ানটি চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে কি না—তার ওপর। কোথাও সাধারণ বানান বা করণিক ত্রুটির জন্য সাধারণ আবেদন করলেই সমস্যার সমাধান মেলে, আবার জটিল বিরোধের ক্ষেত্রে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানি আদালতের শরণাপন্ন হতে হয়।

জমি অন্যের নামে রেকর্ড হওয়ার পেছনে মূলত কয়েকটি সাধারণ কারণ কাজ করে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে জরিপ চলাকালীন তথ্য সংগ্রহের ত্রুটি, জমি কেনাবেচার পর সময়মতো নামজারি না করা, ওয়ারিশদের নাম বাদ পড়ে যাওয়া কিংবা প্রতারণামূলক জাল দলিলের ব্যবহার। অনেকে জমি কেনার পর নামজারি সম্পন্ন না করায় পুরোনো মালিকের নাম রেকর্ডে থেকে যায়। একইভাবে, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলেও খতিয়ানে সবার নাম সঠিকভাবে অন্তর্ভুক্ত নাও হতে পারে। তবে খতিয়ানে নাম থাকা মানেই সবসময় তিনি ওই জমির চূড়ান্ত মালিক নন; মালিকানা নিশ্চিত করতে মূল দলিল, পূর্ববর্তী খতিয়ান এবং অন্যান্য আইনি কাগজপত্র যাচাই করা বাধ্যতামূলক।

রেকর্ড সংশোধনের জন্য ঘটনার ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে নিবন্ধিত ক্রয়দলিল বা পূর্বের মালিকের দলিল, বিভিন্ন ধাপের জরিপের খতিয়ান (সিএস, এসএ, আরএস, বিএস), মৌজা ও দাগ নম্বরসহ জমির সুনির্দিষ্ট বিবরণ, নামজারির আদেশপত্র, ওয়ারিশ সনদ ও বণ্টননামা (উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে), হালনাগাদ ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং আগের কোনো মামলা থাকলে তার রায়ের কপি। সব ক্ষেত্রে সব নথির প্রয়োজন হয় না, বরং মালিকানার উৎস ও ভুলের ধরনের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র প্রস্তুত করতে হয়।

ভুলের ধরন ভেদে প্রতিকারের পথও ভিন্ন হয়। খতিয়ানে নামের বানান বা গাণিতিক হিসাবের মতো সাধারণ ভুল থাকলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে সংশোধনের আবেদন করা যায়। কিন্তু জরিপের খতিয়ানে প্রকৃত মালিকের বদলে অন্য কারও নাম অন্তর্ভুক্ত হলে এবং রেকর্ড চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়ে থাকলে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের নির্ধারিত ধারায় ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে মামলা করতে হতে পারে। অন্যদিকে, কেউ প্রতারণা বা জাল দলিলের মাধ্যমে রেকর্ড নিজের নামে করে নিলে বিরোধের প্রকৃতি অনুযায়ী ভূমি কর্তৃপক্ষ বা দেওয়ানি আদালতে আইনি লড়াইয়ে যেতে হয়। এছাড়া নিজের দলিল থাকা সত্ত্বেও অন্যের নামে নামজারি হয়ে গেলে সংশ্লিষ্ট নামজারি মামলার নথি যাচাই করে আপিল বা সংশোধনের সুযোগ নেওয়া যায়।

আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে জমির মৌজা, দাগ ও খতিয়ান নম্বর পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মিলিয়ে দেখা জরুরি। শুধু দখল বা কর পরিশোধের রসিদ সবসময় মালিকানার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয় না, তাই বৈধ দলিলের সঠিকতা ও রেকর্ডের বর্তমান অবস্থা (খসড়া না চূড়ান্ত) নিশ্চিত করতে হবে। সমস্যার ধরন বুঝে সঠিক কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে হবে এবং আইনি সময়সীমা যেন পার হয়ে না যায়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে। জমির খতিয়ান বা নামজারি সংক্রান্ত তথ্যের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি রেকর্ড অধিদপ্তরের পোর্টাল ব্যবহার করা যায়, পাশাপাশি প্রয়োজনে উপজেলা ভূমি অফিস বা সংশ্লিষ্ট ভূমি আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া নিরাপদ।

সরকারি ভূমিসেবা পাবেন কোথায়?

জমির খতিয়ান, নামজারি ও রেকর্ডসংক্রান্ত তথ্য পেতে সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যায়।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের ভূমিসেবা পোর্টাল:https://land.gov.bd/

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর:https://dlrs.gov.bd/

বাংলাদেশের প্রচলিত আইন:https://bdlaws.minlaw.gov.bd/

/আশিক


লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে এইচএসসির ফল

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২৩:৩২:৪৮
লাখো শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে এইচএসসির ফল
ছবি : সংগৃহীত

আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) প্রকাশিত হতে যাচ্ছে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে গত ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল, যার ভিত্তিতেই ২৯ অক্টোবর চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়। চলতি বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নেন। সারা দেশের মোট ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা গত ২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেন। যদিও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামসহ কিছু বোর্ডের পরীক্ষা শেষ হতে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লেগেছিল, তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ব্যবহারিক পরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

/আশিক


আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ২০:৪৪:১০
আওয়ামী লীগের মতো নিজেদের ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির দেওয়া নোট অব ডিসেন্টে কোনো পরিবর্তন চাইলে বিরোধী দলকে রাজপথের বদলে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠকে এসে সুস্পষ্ট প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান বিশেষজ্ঞ ও সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই আহ্বান জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগ অবৈধভাবে নিজেদের শাসনভার ও ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করার লক্ষ্যেই ইচ্ছামতো সংবিধান সংশোধন করেছিল। কিন্তু জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ে নির্বাচিত বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কখনো সেই অগণতান্ত্রিক পথে হাঁটবে না।

আজকের বৈঠকের গতিপ্রকৃতি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, আলোচনার টেবিলে বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা সুনিশ্চিতকরণ, সংবিধানে বহুল আলোচিত ৭০ অনুচ্ছেদের পরিমার্জন এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার সুষম ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার মতো মৌলিক বিষয়গুলো প্রাধান্য পেয়েছে। এ ছাড়া আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসহ প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের স্বাধীন কার্যকারিতা এবং ভবিষ্যতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

/আশিক


জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৮:৫৫:৩৮
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবিচল অবদানের স্বীকৃতি
ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও বৈষম্য মোকাবিলায় বহুপাক্ষিকতা কেবল কোনো বিকল্প পথ নয়, বরং এটি অত্যন্ত অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে শনিবার (২৪ অক্টোবর) প্রদত্ত এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিক কূটনীতির প্রতি অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বিশ্ববাসীর সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের কার্যকর ও অর্থবহ সংস্কারকে জোরালোভাবে সমর্থন করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা সুদৃঢ় করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাণীতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটি আন্তর্জাতিক বহুপাক্ষিক কর্মকাণ্ডে সরকারের নতুন ও সক্রিয় ভূমিকার অঙ্গীকারকে ফুটিয়ে তোলে। বাংলাদেশ সবসময় একটি প্রতিনিধিত্বমূলক, স্বচ্ছ ও কার্যকর জাতিসংঘের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বিশ্বশান্তি রক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন বলে তিনি স্মরণ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও জোরালো ও অব্যাহত সহযোগিতা প্রদান করতে হবে। এছাড়া টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে উন্নয়নশীল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পরিশেষে, পারস্পরিক আস্থা ফিরিয়ে আনা, বিভেদ ভুলে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধি অর্জনে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

/আশিক


আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৮:৩৫:০০
আলেমদের জন্য রক্ত দিতেও পিছপা হব না: ধর্মমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে সমাজ গঠনে নিয়োজিত ইমাম ও আলেম সমাজের নিরাপত্তা ও সম্মানের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নিজের রক্ত দিতেও কুণ্ঠাবোধ করবেন না বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সম্মেলনে উপস্থিত দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম-ওলামাদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, দেশের কওমি ওলামায়ে কেরাম ও ইমামরা ইসলামের মূল ধারক ও বাহক। তাঁদের যেকোনো ন্যায্য প্রয়োজনে ও সুরক্ষায় গায়ের রক্ত দিতে হলেও তিনি দ্বিধা করবেন না। সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, মাদ্রাসাসহ যেকোনো প্রতিষ্ঠানে এমন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রোধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে এবং কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেবে।

একই সঙ্গে সামাজিক শান্তি বজায় রাখা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা নস্যাৎ করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। সমাজে ইমামদের অগাধ গ্রহণযোগ্যতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে জুমার খুতবায় মাদক, সন্ত্রাস, শিশু নির্যাতন ও অন্যান্য সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর ও সচেতনতামূলক বক্তব্য প্রদানের তাগিদ দেন তিনি। কাউন্সিল অধিবেশনে ইমাম সমিতির পক্ষ থেকে সারা দেশের ইমামদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া মন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপন করা হয়।

/আশিক


মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২৪ ১৭:২৪:১৭
মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ
রাজধানীতে সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন জাপান সফরকালে টোকিওতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে ঢাকায় ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি অভ্যন্তরীণ ও প্রশাসনিক বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাকশন এইডের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কপ ৩১ ন্যাশনাল পজিশন পেপার আনভেইলিং অ্যান্ড ডায়লগ’ শীর্ষক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, কোন রাষ্ট্রদূতকে কখন মন্ত্রণালয়ে তলব বা ফিরিয়ে আনা হবে, সেটি কোনো জাতীয় বা আন্তর্জাতিক বিষয় নয়; বরং এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পূর্ণ নিজস্ব ও রুটিন প্রক্রিয়া।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধকাল থেকে শুরু করে জাপান সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার। বিশেষ করে বিএনপি সরকারের আমলেই দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও গভীর ও সুদৃঢ় হয়েছে। জাপানি প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সরকারি সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। সফরকালে অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, পোশাক, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী ‘বাংলাদেশ ইনভেস্ট’ আইনের মাধ্যমে দেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে কূটনৈতিক প্রস্তুতি ও সার্বিক আয়োজন সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় সচিব এম নজরুল ইসলামকে ইতোমধ্যে টোকিওতে পাঠানো হয়েছে।

/আশিক


দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:৪৬:২৮
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে মোংলায় প্রধানমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দরের সার্বিক পরিচালন কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বন্দরের জেটি এলাকায় গিয়ে তিনি চলমান বন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প, জেটি সুবিধা ও কনটেইনার ইয়ার্ডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে মোংলা বন্দরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, গতিশীল পণ্য খালাস ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং অবকাঠামোগত আধুনিকায়নের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

উপকূলীয় দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বাস্তবায়ন ও মোংলা বন্দরের সার্বিক সক্ষমতা পর্যালোচনার অংশ হিসেবে এ দিন সকালে সরকারি সফরে মোংলায় পৌঁছান তিনি। সকাল ১০টার দিকে মোংলায় যাওয়ার পূর্বে তিনি খুলনা ও সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা হেলিকপ্টার ও জলযানে ঘুরে পর্যবেক্ষণ করেন। পরে নৌবাহিনীর বানৌজা মোংলা ঘাঁটিতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে সরাসরি মোংলা বন্দরের জেটিতে প্রবেশের সময় প্রধান ফটকে সমবেত দলের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

পরিদর্শনের সময় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ছিলেন। বন্দর পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প পর্যালোচনা সভা শেষ করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।

/আশিক


বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৯:৩৮:৪১
বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অন্যান্য জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি সার রপ্তানিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহ প্রকাশ করেছে উত্তর আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। একই সঙ্গে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ওষুধ ও চামড়াশিল্পে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়েছে দেশটি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেদ আত্তাফের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন খাতবিষয়ক এক ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে আলজেরিয়া থেকে সরাসরি সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) পদ্ধতিতে জ্বালানি ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির নতুন সম্ভাবনা উন্মোচিত হলো। এছাড়া বাংলাদেশের তেল শোধনাগার, এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং খনিজ গ্যাস ও কয়লা অনুসন্ধানে যৌথভাবে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে আলজিয়ার্স।

জ্বালানি খাতের কারিগরি দক্ষতা বাড়াতে আলজেরিয়ার পেট্রোলিয়াম ইনস্টিটিউট বাংলাদেশি প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদদের প্রশিক্ষণ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে। আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি মাথায় রেখে তাদের দেশের প্রেসিডেন্ট চুক্তিটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সই করার নির্দেশনা দেন। বৈঠকে বাংলাদেশে সার সরবরাহের বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের পাশাপাশি আলজেরিয়ার নিজস্ব বস্ত্রশিল্প পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশের বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে শীঘ্রই ঢাকায় পরবর্তী ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

/আশিক


বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ অক্টোবর ২২ ১৮:৩১:০৯
বট ও গুপ্ত শুধু জামায়াত-আওয়ামী লীগে নয়, বিএনপির ভেতরেও আছে: মীর শাহে আলম

‘বট’ ও গোপন শত্রুর উপস্থিতি কেবল জামায়াতে ইসলামী বা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং খোদ বিএনপির রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যেও এদের অস্তিত্ব রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী ‘মম-ইন’ হোটেলের কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত ‘বগুড়ার উন্নয়ন সম্ভাবনা, সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন।

নিজের সন্তানদের নামে ইউনিয়নের নামকরণ কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক সমালোচনার সরাসরি জবাব দিতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, এই নামকরণের পেছনে তাঁর কোনো ব্যক্তিগত আগ্রহ বা স্বার্থ জড়িত ছিল না। ওই এলাকার সাধারণ মানুষই ভালোবেসে তাঁর দুই সন্তান ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’-এর নামে ইউনিয়নের নামকরণ করেছিলেন। তবে দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিতর্ক এড়াতে নাম পরিবর্তনের নির্দেশনা দেওয়ার পরপরই তা দ্রুত পরিবর্তন করে 'জগন্নাথপুর' ইউনিয়ন রাখা হয়েছে।

ঐতিহাসিক বিভিন্ন অঞ্চলের নামকরণের প্রসঙ্গ টেনে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিএনপিকে আক্রমণ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে প্রশ্ন তোলেন, বগুড়ার জহরুল নগর যদি সাবেক মেয়রের নামে হতে পারে, তবে তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠে না কেন? ঢাকা বা মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানের নামকরণের উদাহরণ দিয়ে তিনি দলকে আক্রমণকারী সমালোচকদের যথাযথ জবাব দেওয়ার আহ্বান জানান।

বগুড়া অঞ্চলের সার্বিক অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম দৃঢ়তার সঙ্গে ঘোষণা করেন যে, এলাকার উন্নয়নের প্রশ্নে বর্তমান সরকার কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। বিগত দুই দশকের উন্নয়ন ঘাটতি পূরণে বগুড়ার ৬ জন সংসদ সদস্য একযোগে সরকারের সাথে আলোচনা করে সমন্বিত কাজ করবেন বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

/আশিক

পাঠকের মতামত: