নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ

আসন্ন নভেম্বর মাসে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের নিয়ম থাকলেও, সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি বজায় রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা মাথায় রেখে নভেম্বরের জন্য আগের নির্ধারিত হারেই সব জ্বালানি তেল বিক্রির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে নভেম্বর মাসের এই নতুন ও অপরিবর্তিত মূল্যতালিকা প্রকাশ করা হয়। সরকারের নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পুরো নভেম্বর মাস জুড়ে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা দরেই বিক্রি হবে। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারের বর্তমান গতিপ্রকৃতি ও মূল্যের ওঠানামা সত্ত্বেও দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে জনস্বার্থ বিবেচনায় আপাতত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি।
/আশিক
সংকটের মাঝেই এলপিজির কমিশন ২ থেকে ৩ গুণ বাড়ানোর দাবি
দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে গত প্রায় দুই মাস ধরে তীব্র অস্থিরতা বিরাজ করছে। পর্যাপ্ত সরবরাহের ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে অনেক স্থানেই বাড়তি দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে, যা সাধারণ ভোক্তাদের চরম ভোগান্তির মুখে ফেলেছে। এই সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যে এলপিজি বিক্রির কমিশন বর্তমান হারের তুলনায় দুই থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর নতুন দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিয়াম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা তাঁদের এই প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
শুনানিতে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর আমদানিকারকদের কমিশন বর্তমান ১৯১ টাকা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা থেকে ৪৭৮ টাকা পর্যন্ত করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সাথে পরিবেশকদের কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫০ টাকা এবং খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ টাকা করার প্রস্তাব রাখা হয়। এ ছাড়া যানবাহন চালকদের জন্য ব্যবহৃত অটোগ্যাসের প্রতি লিটারে কমিশন ৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১ টাকা করার আবেদন করেছেন ব্যবসায়ীরা। গণশুনানিতে বিভিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি কোম্পানির এসব প্রস্তাব মূল্যায়নের পর বিইআরসির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি তাদের নিজস্ব প্রতিবেদন উপস্থাপন করে।
কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবনার বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের মূল্য বর্তমান ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৭৬ টাকা করার সুপারিশ করেছে। নতুন প্রস্তাবনায় বেসরকারি এলপিজি বোতলজাতকরণ ও মজুত বাবদ খরচ প্রতি কেজিতে ১৬ টাকা ৭৪ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৩ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কারখানার পরিচালনা ব্যয়, শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ, পরিবহন খরচ এবং ব্যবসায়ী মূলধনের ওপর নির্দিষ্ট রিটার্ন বিবেচনায় নিয়ে এই সুপারিশ করা হয়েছে। শুনানির নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে প্রাপ্ত মতামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানোর বিধান থাকলেও, ধারণা করা হচ্ছে নভেম্বরের শুরুতেই বিইআরসি নতুন দাম ঘোষণা করতে পারে।
অপরদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান বৈধ অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত মূলধন বা অন্যান্য জটিলতার কারণে গ্যাস আমদানি করতে পারছে না, তাদের পক্ষ থেকে পৃথক পাইকারি দাম নির্ধারণের জোরালো দাবি তোলা হয়। গণশুনানির সমাপ্তি বক্তব্যে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ আশ্বস্ত করে জানান, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—উভয় পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ যৌক্তিকতা বজায় রেখেই এলপিজির নতুন দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
/আশিক
ফের ঊর্ধ্বমুখী মার্কিন মুদ্রা: খোলা বাজারে ও ব্যাংকে বাড়ছে ডলারের দাম
ব্যাংক ও খোলাবাজার— উভয় ক্ষেত্রেই মার্কিন ডলারের দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠায় তা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ১২ কোটি ২০ লাখ ডলার সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে প্রতি ডলার ১২৪ টাকা থেকে ১২৪ টাকা ৩০ পয়সা দরে ব্যাংকগুলোকে এই অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এর আগে গত গত ২০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা দরে বিক্রি করেছিল।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত এক মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোতে মার্কিন ডলারের গড় দাম প্রায় ১ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে, খোলা বাজারে বা কার্ব মার্কেটে ডলারের দাম বেড়েছে প্রায় ২ টাকা। মূলত বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে ক্রমবর্ধমান চাপ ও দামের ঊর্ধ্বগতি সামাল দিতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে এই ডলারের জোগান দিচ্ছে।
/আশিক
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং খাদ্যশস্য পরিবহনে নানান বাধার কারণে চলতি ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে সামগ্রিক পণ্যমূল্য প্রায় ২৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংক। বুধবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের আশঙ্কা, চলমান যুদ্ধের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পেলে এবং রুশ তেল অবকাঠামোর ক্ষতি অব্যাহত থাকলে বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছর বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম প্রায় ৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের পরের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছাতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় মূল্য ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ ৫.২ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে। ২০২০ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার বছরটি বাদ দিলে গত চার দশকের মধ্যে এটিই হবে জ্বালানি সরবরাহ হ্রাসের রেকর্ড পরিমাণ পতন।
অন্যদিকে, চলতি বছর বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম দশ শতাংশের বেশি বাড়তে পারে এবং পরবর্তীতে ২০২৭ সালে তা আরও সাত শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেলে দুই বছরের ব্যবধানে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধির হার প্রায় ১৮ শতাংশে দাঁড়াবে। এর পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনে অপরিহার্য উপাদান সারের দামও এ বছর ১৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষ্ণসাগর দিয়ে খাদ্যশস্য পরিবহনে প্রতিবন্ধকতা, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতি খাদ্যপণ্যের বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে তীব্র এল নিনোর প্রভাবে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্যের দাম পূর্বাভাসের চেয়ে আরও ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি ও চরম দারিদ্র্যের হার বাড়িয়ে দিতে পারে।
এদিকে, সরবরাহে ধারাবাহিক বিঘ্ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ইলেকট্রিক ভেহিকল বা বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টারে বিনিয়োগের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে চলতি বছর ধাতুর দাম ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর ফলে অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের মতো প্রয়োজনীয় ধাতুর দাম নতুন রেকর্ড গড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ভূরাজনৈতিক নানা অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের মতো মূল্যবান ধাতুর দাম প্রায় ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে এই পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্তব্য করেছেন যে, পণ্যের বৈশ্বিক বাজার বর্তমানে একসাথে একাধিক বড় ধরনের ধাক্কার মুখোমুখি হয়েছে।
জ্বালানির বর্ধিত খরচ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে নানাবিধ বিঘ্ন বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক চাপ তৈরি হচ্ছে। এই সংকট মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি দেশকে প্রায় ৮৭০ কোটি ডলারের স্বল্প সুদের ঋণসহ বিভিন্ন ধরনের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।
সূত্র: রয়টার্স
সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় পতন
যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বৃদ্ধির জোরালো সম্ভাবনার ফলে বিশ্ববাজারে স্বর্ণসহ অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামে বড় ধরনের পতন পরিলক্ষিত হয়েছে। মূল্যস্ফীতির নতুন তথ্য প্রকাশের অপেক্ষায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এই দরপতন ঘটে, যা নিয়ে টানা দ্বিতীয় মাসের মতো মূল্যবান এই ধাতু মন্দার মুখে রয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১.১ শতাংশ কমে ৪ হাজার ২২.১৯ ডলারে নেমে আসে এবং একই সময়ে ডিসেম্বরের ফিউচার মূল্য ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৫ ডলারে দাঁড়ায়।
এর আগে বুধবার মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার অপরিবর্তিত রাখলেও মূল্যস্ফীতির আরও তথ্য এবং আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরিস্থিতি মূল্যায়নের সুযোগ রাখতে ঋণ গ্রহণের খরচ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রেখেছে। বাজারের মূল পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত যুক্তরাষ্ট্রের পিসিই মূল্যসূচক প্রকাশের অপেক্ষায় থাকা বিশ্লেষকদের মতে, এই ডাটা যদি প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়, তবে ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা আরও জোরালো হবে এবং স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে। সিএমইর ফেডওয়াচ টুলের হিসাব অনুযায়ী, ডিসেম্বরে সুদহার বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রায় ৮০ শতাংশ ধরে ট্রেড করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। সাধারণত সুদহার বাড়লে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এর আকর্ষণ হ্রাস পায়।
এদিকে ভূরাজনৈতিক উদ্বেগ ও জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামাও বাজারের গতিপথকে প্রভাবিত করছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কর্তৃক ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজায়িকে শান্তি আলোচনার চিঠি পাঠানোর পর জ্বালানি বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এবং তেলের দাম কমেছে। তবে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়লে এবং তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলার ছাড়িয়ে গেলে মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোর মুদ্রানীতি নিতে হতে পারে, যা স্বর্ণের দামকে নতুন সর্বনিম্ন স্তরে ঠেলে দিতে পারে।
স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য ধাতুর বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে; স্পট মার্কেটে রুপার দাম ২.৪ শতাংশ কমে ৫২.৬৭ ডলার, প্লাটিনামের দাম ২.৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৫০২.৬১ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০.৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ২.৫৫ ডলারে নেমে এসেছে। সার্বিকভাবে পিসিই মূল্যস্ফীতি, ফেডের ভবিষ্যৎ নীতি এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিই আগামী দিনে এই বাজারের দিক নির্ধারণ করবে।
সূত্র: রয়টার্স
রমজানে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি জানিয়েছেন, রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে পণ্যের কোনো ধরনের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পণ্য আমদানির পাইপলাইনে রয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়িক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল ও চিনির মতো আমদানিনির্ভর পণ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, পাইপলাইনের এই মজুত বাজার স্থিতিশীল রাখতে পুরোপুরি যথেষ্ট। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য এবং জাহাজভাড়ার ওঠানামা যে আমদানি ব্যয় ও দেশীয় বাজারের দাম নির্ধারণে প্রভাব ফেলে, সে কথা তিনি উল্লেখ করেন। আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বাড়লেও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিকারকদের সাথে নিয়মিত আলোচনা চলছে এবং ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে কোনো ব্যাংকিং জটিলতা দেখা দিলে তা বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে আলোচনা করে সমাধান করা হবে বলে আশ্বস্ত করেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েও কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মালয়েশিয়ার সাথে প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে প্রথম দফার আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, ওমান, নিউজিল্যান্ড ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো অংশীদারদের সাথেও বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চলছে। এলডিসি উত্তরণের পর আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতায় এসব চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
/আশিক
বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম, প্রভাবে অস্থিরতার আভাস
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন সুদহারসংক্রান্ত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষাপটে মূল্যস্ফীতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সামান্য কমেছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৫৪ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৫.৫৯ ডলারে নেমে আসে। অথচ আগের কার্যদিবসেও মূল্যবান এই ধাতুর দাম প্রায় ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ডিসেম্বর মাসের সরবরাহের চুক্তি অনুযায়ী স্বর্ণের ফিউচার মূল্য ০.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭০.২০ ডলারে স্থির হয়।
মূলত সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে সাম্প্রতিক হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ২ ডলারেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের জলবায়ু ও পণ্যবাজারবিষয়ক অর্থনীতিবিদ হামাদ হুসেইন জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং এর ফলে বাজারের প্রত্যাশার তুলনায় ফেডের আরও বেশি কঠোর মুদ্রানীতি নেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় স্বর্ণের দামের ওপর এই চাপ সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানির উচ্চমূল্য দীর্ঘ সময় ধরে সুদের হার চড়া রাখার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়, যা মূলত সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণ ধরে রাখার সুযোগব্যয় (অপরচুনিটি কস্ট) বাড়িয়ে দেয় এবং স্বর্ণের বাজারদরের জন্য এটি নেতিবাচক প্রভাব তৈরি করে।
বুধবার গ্রিনিচ মান সময় সন্ধ্যা ৬টায় নিজেদের বহুল প্রতীক্ষিত সুদহারসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কথা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের। বাজার বিশ্লেষকদের অধিকাংশের ধারণা, এবারের বৈঠকে নীতিগত সুদহার অপরিবর্তিত রাখা হতে পারে। তবে সিএমই (CME) ফেডওয়াচ টুলের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর মাসেই ফেড পুনরায় সুদহার বৃদ্ধি করতে পারে—এমন ৮৪ শতাংশ সম্ভাবনা ধরে নিয়ে বাজারে লেনদেন চালাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যক্তিগত ভোগব্যয় মূল্যসূচক’ (পিসিই)-এর হালনাগাদ তথ্য প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। মূল্যস্ফীতি পরিমাপের ক্ষেত্রে এই পিসিই সূচকটিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয় ফেডারেল রিজার্ভ, যেখানে তাদের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা হলো ২ শতাংশ। স্বাধীন আর্থিক বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস মনে করেন, পিসিই-এর প্রকাশিত তথ্য যদি প্রত্যাশার তুলনায় ইতিবাচক আসে এবং ফেড যদি প্রত্যাশার চেয়ে কম কড়া অবস্থান নেয়, তবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে।
উচ্চ মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের মুনাফা বা ইয়েল্ড, মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় থাকার পূর্বাভাসের কারণে ২০২৬ সালে স্বর্ণের সম্ভাব্য দর নিয়ে নিজেদের পূর্বাভাস টানা দ্বিতীয় প্রান্তিকের মতো কমিয়েছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক সাম্প্রতিক জরিপে অংশ নেওয়া বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, ২০২৭ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম পুনরায় বড় ধরনের পুনরুদ্ধারের মুখ দেখতে পারে। ওই একই জরিপে ২০২৬ সালের জন্য প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামের পূর্বাভাসও টানা তৃতীয় প্রান্তিকের মতো কমানো হয়েছে।
বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দর বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এদিন স্পট মার্কেটে রুপার দাম ০.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৪.০৪ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনামের দাম ০.১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৩৮.৫০ ডলারে। তবে এর বিপরীতে প্যালাডিয়ামের দাম ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৭.৮০ ডলারে উন্নীত হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
রমজানের আগেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
আসন্ন পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণ দেখিয়ে লিটারপ্রতি ১৫ টাকা ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। একইসঙ্গে খেজুর আমদানিতে শুল্ক ছাড়েরও জোরালো দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকরা। তবে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হলেও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রমজান মাসকে সামনে রেখে দেশের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি প্রস্তুতি, সার্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি ও বাজারমূল্য পর্যালোচনা করার উদ্দেশ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকেই ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে এসব প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
বৈঠকে ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম বর্তমানে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিবহন এবং আমদানি ব্যয় যুক্ত হওয়ায় আগের দামে পণ্য সরবরাহ করা তাদের জন্য অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। এই বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতেই রমজানের আগেই ভোজ্যতেল লিটারপ্রতি ১৫ টাকা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
তবে মন্ত্রণালয় তাৎক্ষণিকভাবে এই বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। অন্যদিকে, খেজুর আমদানিকারকরা জানান যে বর্তমানে খেজুর আমদানিতে প্রায় ৫৫ শতাংশ শুল্ক ও কর পরিশোধ করতে হয়। উচ্চ শুল্কায়নমূল্য এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে সার্বিক আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারেও। তারা আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে পণ্য পরিবহনে নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং বিকল্প পথে পণ্য আনতে বাধ্য হওয়ায় খরচ আরও বেড়ে গেছে। পাশাপাশি, ঋণপত্র বা এলসি খোলার ক্ষেত্রে চলমান জটিলতাগুলো দূর না হলে আসন্ন রমজানে পণ্য সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ মিসর, সৌদি আরব, ইরা ও আলজেরিয়াসহ প্রায় এক ডজন দেশ থেকে বিভিন্ন মানের খেজুর আমদানি করে থাকে। কিন্তু সব ধরনের খেজুরের জন্য যদি একই শুল্কায়নমূল্য নির্ধারণ করা হয়, তবে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই খেজুরের জাত, মান এবং প্রকৃত বাজারমূল্য বিবেচনা করে একটি অত্যন্ত যৌক্তিক শুল্ক কাঠামো নির্ধারণ করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। বৈঠকে খেজুর আমদানিতে শুল্ক ছাড়ের বিষয়টি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে এসংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে রমজানকে সামনে রেখে দেশের বাজারে ভোজ্যতেল, চিনি, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ৮ লাখ ২৩ হাজার টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৭ লাখ ৫ হাজার টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ভোজ্যতেল আমদানি বেড়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার টন।
একই সময়ে ভোজ্যতেল আমদানির জন্য ৮ লাখ ৫ হাজার টনের ঋণপত্র খোলা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ১ লাখ ৩১ হাজার টন বেশি। একইভাবে, চিনি আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় ১ লাখ ৫৩ হাজার টন বেশি এবং এর বিপরীতে ৮ লাখ ১০ হাজার টনের এলসি খোলা হয়েছে। রমজানের ইফতারের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ ছোলার আমদানিও ব্যাপকহারে বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ৮২ হাজার টন ছোলা আমদানি হয়েছে, যেখানে গত বছরের একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ১২ হাজার টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ছোলা আমদানি বেড়েছে ৭০ হাজার টন এবং এর জন্য ১ লাখ ৩৮ হাজার টনের ঋণপত্র খোলা হয়েছে। এছাড়া মসুর ডাল আমদানি হয়েছে ১ লাখ ২২ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় ৬৪ হাজার টন বেশি এবং খেজুর আমদানি হয়েছে ১১ হাজার টন, যা গত বছর ছিল মাত্র ৪ হাজার টন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, পবিত্র রমজান মাসে ইফতার ও সেহরির কারণে ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল, ছোলা, খেজুর, মুরগি ও ডিমের চাহিদা সাধারণ সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। এই বাড়তি চাহিদা মেটানোর জন্য আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
বৈঠকে বড় ব্যবসায়ীদের আধিপত্যের কারণে ছোট ডাল মিলগুলোর সংকটের বিষয়টিও জোরালোভাবে উঠে আসে। বাংলাদেশ ডাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী নেসার উদ্দিন জানান, দেশের ছোলার চাহিদা সম্পূর্ণভাবেই আমদানির ওপর নির্ভরশীল এবং ডালের মোট চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। বড় ব্যবসায়ীদের প্রতিযোগিতায় ছোট ডাল মিলগুলো টিকতে পারছে না উল্লেখ করে তিনি রমজানে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছোট ব্যবসায়ীদের সমস্যা সমাধানে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেন।
অন্যদিকে, পোল্ট্রি খাতের প্রতিনিধিরা বৈঠকে জানান যে বর্তমানে দেশের বাজারে ডিম ও মুরগির উৎপাদন সন্তোষজনক ও স্বাভাবিক রয়েছে। খামার পর্যায়ে ডিমের দাম প্রতি পিস সাড়ে ১১ টাকা থেকে কমে ১০ টাকার নিচে নেমে এসেছে। বড় ধরনের কোনো রোগবালাইয়ের প্রকোপ না থাকায় আসন্ন রমজানে পোল্ট্রি পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহে বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই বললেই চলে।
বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের পর্যালোচনায় জানানো হয়েছে যে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেল ও ছোলার দাম কিছুটা বাড়লেও মসুর ডালের দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে ছোলা ও মসুর ডাল আমদানিতে কোনো ধরনের শুল্ক-কর না থাকলেও চিনি ও ফল আমদানির বিদ্যমান শুল্ক কাঠামো পর্যালোচনা করে যৌক্তিক সমন্বয় করা হলে বাজারে পণ্যের দাম সহনীয় রাখা সম্ভব হবে।
বৈঠকে আরও জানানো হয়, রমজান মাসে এক মাসেই শুধু চিনির চাহিদা প্রায় ৩ লাখ টনে গিয়ে ঠেকে। একই সঙ্গে ভোজ্যতেল, ছোলা, মসুর ডাল ও খেজুরের চাহিদাও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। মুরগি ও ডিম ছাড়া এসব নিত্যপণ্যের চাহিদা মেটানোর জন্য মূলত আমদানির ওপরই ভরসা করতে হয়। তাই রমজানের বাজারে পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে পর্যাপ্ত আমদানি এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করার এবং বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার আহ্বান জানান।
এ ক্ষেত্রে সরকার ব্যবসায়ীদের সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করবে বলে আশ্বাস দেন তিনি। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, এনবিআর, টিসিবি, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, এফবিসিসিআই এবং পুলিশ, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ের উর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
স্বর্ণের বাজার নিয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠানের চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বাড়ার বড় ধরনের পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মরগ্যান। প্রতিষ্ঠানটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৩০০ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে। আন্তর্জাতিক এই বাজারদরের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়েছে যে, এর ফলে ভারতের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকায় পৌঁছাতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্টের গত ২৭ অক্টোবরের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেপি মরগ্যান এর আগে পূর্বাভাস দিয়ে বলেছিল যে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাবে। আর তারই ধারাবাহিকতায় ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ তা আরও বেড়ে ৬ হাজার ৩০০ ডলারে উন্নীত হতে পারে।
ভারতের বাজারে স্বর্ণের দামের ওঠানামা বিশ্লেষণ করে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশটির মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (এমসিএক্স) গত ২৯ জানুয়ারি প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম রেকর্ড ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ রুপিতে উঠেছিল। তবে পরবর্তীতে দরপতনের ধারায় গত ২৭ অক্টোবরের কাছাকাছি সময়ে দাম কমে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ রুপিতে নেমে আসে। বর্তমান বাজারদর এবং মুদ্রার বিনিময় হার বিবেচনা করলে ভারতের বাজারে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা হতে পারে। সেই হিসেবে ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম বা এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পেছনে বেশ কিছু জোরালো কারণ রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান হলো যুক্তরাষ্ট্রের বন্ডের সুদহার হ্রাসের সম্ভাবনা, মার্কিন ডলারের দুর্বল অবস্থান এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা। পাশাপাশি, মূল্যস্ফীতির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সম্পদের সুরক্ষা এবং নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণের বাড়তি চাহিদাও এর দাম বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখছে।
তবে স্বর্ণের দাম দীর্ঘমেয়াদে বাড়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকলেও স্বল্প মেয়াদে বাজারের গতিপ্রকৃতি বেশ অনিশ্চিত বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে মার্কিন সুদের হার, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় যেকোনো ধরনের পরিবর্তন স্বর্ণের বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। তাই জেপি মরগ্যানের পূর্বাভাস অনুযায়ী দাম বাড়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকলেও, নির্দিষ্ট সময়ে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে কি না—তা নিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তা নেই।
এদিকে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজার প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, এই হিসাবটি সম্পূর্ণভাবে ভারতের বাজারদর ও মুদ্রা বিনিময়ের হারের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে এবং এটি কোনোভাবেই বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারের পূর্বাভাস নয়। মূলত আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার, দেশীয় শুল্ক, ভ্যাট, কর এবং স্থানীয় বাজারের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হতে পারে।
/আশিক
নতুন পে-স্কেলে ভাতা না বাড়ায় বড় ধাক্কা, হতাশ সরকারি কর্মচারীরা
সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং গত ৫ অক্টোবর থেকে আইবাসে (iBAS++) তথ্য হালনাগাদ শুরু হয়েছে। নতুন এই কাঠামোতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। চলতি মাসের বেতনের সঙ্গে আগের তিন মাসের বর্ধিত অর্থ কর্মীরা পেলেও আপাতত ৩০ জুনের হারেই ভাতা বহাল রাখা হয়েছে এবং ভাতা বাড়েনি। অর্থ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বিভিন্ন অধিদপ্তর ও সংস্থার কর্মচারীরা এই কাঠামোর আওতায় রয়েছেন।
এদিকে বেতন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত ও এর প্রভাব নিয়ে বিশিষ্টজনেরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার মন্তব্য করেছেন যে, শুধু বেতন বাড়ালেই দুর্নীতি কমে না; বরং মনিটরিং জোরদার ও দুর্নীতিবাজদের কঠোরভাবে দমন না করলে মাসিক বেতন কোটি টাকা করলেও দুর্নীতি বন্ধ হবে না। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) সাবেক মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমেদ চৌধুরী মনে করেন, বেতন বৃদ্ধির ফলে অর্থের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও তা ১৭ কোটি মানুষের দেশে বড় ধরনের মূল্যস্ফীতি ঘটানোর মতো পর্যায়ে পৌঁছায় না। তবে এর সামগ্রিক প্রভাব অর্থনীতির ওপর পড়ায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সুসমন্বয় বজায় রাখা জরুরি বলে তিনি মত দিয়েছেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- নভেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ
- কফি স্ক্রাবেই মিলবে কোরিয়ানদের মতো ‘গ্লাস স্কিন’
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে আসামি হাজিরে বিচার ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে: আইনমন্ত্রী
- সংকটের মাঝেই এলপিজির কমিশন ২ থেকে ৩ গুণ বাড়ানোর দাবি
- ফের ঊর্ধ্বমুখী মার্কিন মুদ্রা: খোলা বাজারে ও ব্যাংকে বাড়ছে ডলারের দাম
- নেতানিয়াহুর দলের অভিযোগ খারিজ করে দিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
- ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ফল নিজেদের অনুকূলে নেওয়ার চেষ্টা করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার
- ডিভি লটারি ২০২৭-এ বাংলাদেশ কি সুযোগ পাবে?
- তাহসিফের সঙ্গে কী ঘটেছিল, পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ জাতিকে জানাতে হবে: নাহিদ ইসলাম
- মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা
- সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় পতন
- জাপান সফর শেষে ফেরার পথে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
- বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে চার সমঝোতা স্মারকসহ সাতটি চুক্তি সই
- চ্যাটজিপিটিতে এলো নতুন ‘মেমরি আর্কিটেকচার’ ও চ্যাট লক সুবিধা
- নরম সুরে কথা বলে পানির ন্যায্য হিস্যা মিলবে না: রুহুল কবির রিজভী
- বিএনপির নিজেদের নেতাকর্মীও এখন নিরাপদ নন: ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম
- মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যেই ইরানে কর্মী বাড়াচ্ছে রাশিয়া
- জয়-পুতুলসহ আটজনের মামলায় সিআরআইয়ের কর নথিপত্র জব্দের নির্দেশ আদালতের
- হোয়াটসঅ্যাপে ‘No’ লিখলেই কি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যায়?
- তাপপ্রবাহের পর ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই এলো ঘূর্ণিঝড়ের আপডেট
- বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যেসব এলাকায় মিলবে না বিদ্যুৎ
- ক্ষমতা নয়, শিক্ষা-স্বাস্থ্য সংস্কারই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী
- দৈনিক মাত্র চার ঘণ্টা ঘুম ডেকে আনছে বড় বিপদ
- তারেক রহমানকে নিয়ে সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী
- ইসরায়েলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠন নিয়ে অনিশ্চয়তা
- মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা
- রমজানে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী
- বাংলাদেশের ৫ খাতে জাপানি বিনিয়োগের বড় প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর
- বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম, প্রভাবে অস্থিরতার আভাস
- গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের পতন হলেও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই শেষ হয়নি
- বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে জাপানের জোরালো সমর্থনের ঘোষণা
- ডি-থ্রি ট্রফিতে শক্তিশালী দল গড়ল ওয়ালটন, লক্ষ্য শিরোপা
- ক্রসফায়ার বা কাস্টডিয়াল ডেথ সরকার সহ্য করবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- গ্রিড বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন
- পর্যটকদের জন্য বড় স্বস্তি: সেন্টমার্টিনে রাতে থাকতে আর বাধা নেই
- হুথিদের হামলা থামাতে তেহরানকে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদির?
- বিক্রির কদিন না যেতেই অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডিং আইফোনে ফাটল!
- হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রাম ব্যবহারে আসছে নতুন কড়াকড়ি
- প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের লোকজনের পকেটে ফিরতি টিকিট থাকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- রমজানের আগেই ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের
- চেলসির তরুণ তুর্কি এস্তেভাওকে দলে ভেড়াতে মরিয়া পিএসজি
- ব্রাজিলে লুলার প্রত্যাবর্তন, লাতিন আমেরিকায় চাপে ট্রাম্প
- হুথি উত্তেজনার মাঝে সৌদিতে রহস্যময় জরুরি সতর্কতা
- স্বর্ণের বাজার নিয়ে মার্কিন প্রতিষ্ঠানের চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস
- আবেদন শুরুর তারিখ ঘোষণা, আবারও আসছে ডিভি লটারি সুযোগ
- ঐতিহাসিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার দুই নেতার
- স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনের সহযোগিতা চাইলেন ডা. জুবাইদা রহমান
- বিরোধীরা জিতলেও এখনই ক্ষমতা ছাড়ছেন না নেতানিয়াহু
- গভীর সংকটে চীনের বাজার, বড় পতনের মুখে শেয়ারমূল্য
- ইসরায়েল ভোটের প্রাক্কালে মস্কোয় পেজেশকিয়ানের কূটনৈতিক চাল
- 'এখন থেকে ১০ হাজার লোক নিয়ে চলব': সরাইল থানায় এমপি রুমিন ও ওসির তীব্র বাগ্বিতণ্ডার পেছনে আসল ঘটনা কী?
- জামায়াত-এনসিপির ৯০ এমপির মেধা-যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: রাশেদ খান
- ইরানের পরমাণু অস্ত্র ইসরায়েলের অস্তিত্ব ধ্বংস করে দেবে: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু
- আগামী জাতীয় নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বলের ইতিহাস ও নতুন বিশ্বরেকর্ড
- প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন এক রাজনৈতিক নেতা: রাশেদ খাঁন
- যে আতঙ্কে খালি করা হলো বিশ্বের সর্ববৃহৎ তেল কোম্পানির সদর দপ্তর: বড় বিপর্যয়ের ইঙ্গিত?
- অন্যের নামে জমি রেকর্ড হলে করণীয় কী?
- আরও শক্তিশালী হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে ‘অর্ণব’
- নতুন পে-স্কেলে ভাতা না বাড়ায় বড় ধাক্কা, হতাশ সরকারি কর্মচারীরা
- ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন রুখতে বড় সামরিক অভিযানের নির্দেশ নেতানিয়াহুর
- আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ৫ দিনের বিশেষ পূর্বাভাস
- এপস্টিন ফাইলে নাম জড়িয়ে সৌদি রাজপরিবারের সমালোচনা হুথি নেতাদের
- মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে দীর্ঘদিনের অংশীদার জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক: শামা ওবায়েদ
- বড় ধাক্কা খেল সান্তোস, বড় নিষেধাজ্ঞায় নেইমার








