প্রতিদিন কয়টি ডিম আপনার স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

দীর্ঘদিন ধরেই পুষ্টিবিজ্ঞানের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ডিম। একদিকে উচ্চমানের প্রোটিনের উৎস হিসেবে এটি প্রশংসিত হলেও অন্যদিকে এতে থাকা কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ে সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দ্বিধাবিভক্তি কাজ করত। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক ঐকমত্য এখন নতুন এক ইঙ্গিত দিচ্ছে। পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম যদি সাবধানতার সাথে এবং পরিমিত পরিমাণে গ্রহণ করা হয়, তবে এটি স্বাস্থ্যকর সুষম খাদ্যের একটি অত্যন্ত মূল্যবান অংশ হতে পারে। বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে, কতগুলো ডিম খাওয়া একজন মানুষের জন্য নিরাপদ হবে তা মূলত নির্ভর করে ওই ব্যক্তির শারীরিক পরিশ্রম, বয়স এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর।
অধিকাংশ সুস্থ ব্যক্তির ক্ষেত্রে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ হলো, একটি সুষম খাদ্যতালিকায় প্রতিদিন এক থেকে দুটি আস্ত ডিম নিরাপদে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। তবে যাদের প্রোটিনের চাহিদা সাধারণের তুলনায় বেশি, বিশেষ করে যারা নিয়মিত কঠোর শারীরিক পরিশ্রম করেন কিংবা পেশাদার ক্রীড়াবিদ, তাদের জন্য হিসাবটি কিছুটা ভিন্ন। এই ধরণের ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে শরীরের ওজন এবং দৈনন্দিন ক্যালরির চাহিদার ওপর ভিত্তি করে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২টি পর্যন্ত ডিমের সাদা অংশ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। অন্যদিকে, যারা স্বাভাবিক মাত্রার সক্রিয় জীবনযাপন করেন কিন্তু হৃদরোগ বা লিপিড ডিসঅর্ডারের মতো ঝুঁকি নেই, তারা দিনে তিনটি পর্যন্ত ডিম গ্রহণ করতে পারেন যা তাদের পেশি ও হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে বিশেষ সহায়তা করবে।
ডিমের এই বিপুল পুষ্টিগুণের নেপথ্যে রয়েছে এতে থাকা প্রয়োজনীয় সব মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট। এটি মূলত ওমেগা ডিএইচএ (DHA) এবং ইপিএ (EPA), ভিটামিন ডি৩, বি১২, সেলেনিয়াম এবং ভিটামিন এ ও ই দ্বারা সুরক্ষিত একটি খাদ্য। এই পুষ্টি উপাদানগুলো কেবল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাই বাড়ায় না, বরং মস্তিষ্কের বিকাশ, হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো এবং জ্ঞানীয় কার্যকারিতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ছাড়া ডিমকে একটি ‘সম্পূর্ণ প্রোটিন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কারণ এতে আয়রন, জিঙ্ক এবং কোলিনের মতো উপাদান থাকে যা মানুষের বিপাক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য। বিশেষ করে ডিমে থাকা কোলিন মস্তিষ্কের কোষকে সজীব রাখে এবং লুটেইন ও জেক্সানথিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখের স্বাস্থ্যের সুরক্ষায় কাজ করে।
ডিম খাওয়া নিয়ে অনেকের মনে যে কোলেস্টেরল ভীতি কাজ করে, সে বিষয়ে নতুন আলোকপাত করেছেন ডায়েটিশিয়ান এবং সার্টিফাইড ডায়াবেটিস এডুকেটর ডা. অর্চনা বাত্রা। তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, আধুনিক পুষ্টি গবেষণা ডিমের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে আমূল বদলে দিয়েছে। আগের নির্দেশিকাগুলোতে কোলেস্টেরলের দোহাই দিয়ে ডিম খেতে নিরুৎসাহিত করা হলেও বর্তমান প্রমাণ বলছে যে, খাদ্যতালিকাগত কোলেস্টেরল বেশিরভাগ মানুষের রক্তের কোলেস্টেরলের ওপর অত্যন্ত সামান্য প্রভাব ফেলে। বরং বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে ডিম এইচডিএল (HDL) বা ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে এবং এলডিএল (LDL) বা খারাপ কোলেস্টেরলের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব নেই বললেই চলে। ডা. বাত্রার মতে, হৃদরোগের জন্য ডিমের চেয়েও বড় ঝুঁকি হলো অতিরিক্ত সম্পৃক্ত চর্বি (Saturated Fat) এবং অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ করা।
তবে বিশেষ কিছু শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ডিম গ্রহণের বিষয়ে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। ডা. বাত্রা পরামর্শ দেন যে, যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চমাত্রার এলডিএল কোলেস্টেরল বা বিদ্যমান হৃদরোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সপ্তাহে ৩ থেকে ৫টি ডিমের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত। এমন পরিস্থিতিতে ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে কেবল সাদা অংশ গ্রহণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ। এর পাশাপাশি ডিম রান্নার পদ্ধতির ওপরও পুষ্টিগুণ অনেকটা নির্ভর করে। মাখনে ভাজা বা প্রক্রিয়াজাত মাংসের সাথে মিশিয়ে খাওয়ার চেয়ে সিদ্ধ করা, পোচ করা কিংবা সামান্য তেলে ভাজা ডিম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক বেশি উপকারী। পরিমিত পরিমাণে সঠিক পদ্ধতিতে ডিম গ্রহণ করলে এটি সব বয়সের মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় অনন্য অবদান রাখতে সক্ষম।
সূত্র : নিউজ ১৮
ইফতারে যে ভুলগুলো ডেকে আনতে পারে বড় বিপদ
পবিত্র রমজানে দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর ইফতারে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় পুষ্টিবিদরা। তাঁদের মতে, সারাদিন খালি পেটে থাকার পর হঠাৎ করে নির্দিষ্ট কিছু খাবার পাকস্থলীতে গেলে তাৎক্ষণিক অ্যাসিডিটি, তীব্র পেটব্যথা ও বুকে জ্বালাপোড়াসহ নানাবিধ শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। ইফতারের সময় অতিরিক্ত ক্ষুধার্ত থাকা স্বাভাবিক হলেও হুটহাট খাবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটু অসচেতনতা আপনার হজম প্রক্রিয়ায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদী রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বিশেষ করে ইফতারে সাইট্রাস জাতীয় ফল এবং এর তৈরি অতিরিক্ত ঠান্ডা শরবত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। কমলালেবু বা মুসুম্বির মতো টক জাতীয় ফল খালি পেটে খেলে পাকস্থলীতে অ্যাসিডের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এসব ফলে থাকা ফ্রুক্টোজ হজমপ্রক্রিয়াকে ধীরগতির করে ফেলে। এছাড়া ইফতারের পরপরই চা বা কফি পানের অভ্যাস রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট করার পাশাপাশি অগ্ন্যাশয় ও যকৃতের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। তাই দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর ভারী খাবারের সাথে বা ঠিক পরেই চা-কফি পানের বিষয়ে সাবধান করেছেন চিকিৎসকরা।
বাংলাদেশি ইফতারের চিরচেনা অনুষঙ্গ ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার নিয়েও পুষ্টিবিদদের কড়া সতর্কবার্তা রয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর তেল-চর্বিযুক্ত খাবার খেলে গ্যাস, মাথাব্যথা, অবসাদ এমনকি আলসারের মতো সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত এমন খাদ্যাভ্যাস স্থূলতা ও অন্ত্রের জটিলতার ঝুঁকি বাড়ায়। এর পরিবর্তে ইফতারে খেজুর, দই, সবজি, ইসবগুলের শরবত এবং সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সঠিক খাদ্যাভ্যাসই পারে রোজাদারকে সুস্থভাবে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনায় সহায়তা করতে।
/আশিক
ইফতারে পানিশূন্যতা দূর করবে জাদুকরী ৭টি শরবত
বর্তমান আবহাওয়ায় রোজা রাখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করা। সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের পানির ঘাটতি মেটাতে এবং নিজেকে সুস্থ রাখতে ইফতারে পুষ্টিকর শরবতের কোনো বিকল্প নেই। ডাব ও লেবুপানি, তরমুজের শরবত, তোকমা দানা বা ইসবগুলের ভুসির মতো পানীয় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ইফতারে কৃত্রিম পানীয় বর্জন করে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি শরবত খেলে ক্লান্তি দূর হয় এবং পিত্তনালীর প্রবাহ সঠিক থাকে। বিশেষ করে পুদিনাপাতা মেশানো তরমুজের শরবত হজমে সহায়তা করে এবং এতে থাকা ইলেক্ট্রোলাইট শরীরের সামঞ্জস্য বজায় রাখে। আবার প্রাকৃতিক মিষ্টিজাতীয় ফল লাল আঙুরের শরবত দ্রুত শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের প্রদাহ কমাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
রোজার সময় অনেকেরই গা বমি বমি ভাব হতে পারে, যা রোধ করতে আদা মেশানো লেবুর শরবত খুবই উপকারী এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
এছাড়া ভিটামিন সি-তে ভরপুর স্ট্রবেরি ও প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ দইয়ের শরবত অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। হাড়ের সুরক্ষা ও তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য কাঠবাদাম ও দুধের মিশ্রণে তৈরি শরবত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের অভাব পূরণ করে। শরীর থেকে টক্সিক উপাদান বের করে দিতে এবং শরীরকে দীর্ঘক্ষণ আর্দ্র রাখতে শসার শরবত অনন্য।
অন্যদিকে, যারা ক্যালরি নিয়ে সচেতন তাদের জন্য ভিটামিন সি ও ফাইবার সমৃদ্ধ পেয়ারার শরবত হতে পারে ইফতারের এক ভিন্ন স্বাদের ও স্বাস্থ্যকর সংযোজন। এই প্রতিটি শরবত কেবল তৃষ্ণা মেটায় না, বরং দীর্ঘ উপবাসের পর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সরাসরি অবদান রাখে।
/আশিক
ইফতারে ভাজাপোড়া নয়, স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু চিকেন মোমো হতে পারে সেরা পছন্দ
রোজার দিনে ইফতারের টেবিলে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর সাধারণত আমরা তেলেভাজা ভারী খাবারের প্রতি ঝুঁকে পড়ি, যা অনেক সময় পেটের অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করলে বর্তমানে মোমো অনেকের কাছেই একটি জনপ্রিয় ও মুখরোচক বিকল্প হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর এই খাবারটি দ্রুত শরীরে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে। সবসময় দোকানের ওপর নির্ভর না করে ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তৈরি করা যায় এই মজাদার চিকেন মোমো।
এক কাপ চিকেন কিমা, এক কাপ ময়দা, সামান্য আদা-রসুন ও পেঁয়াজ বাটা, গোলমরিচ গুঁড়ো, সয়া সস, তেল এবং স্বাদমতো লবণ দিয়েই প্রস্তুত করা সম্ভব ভিন্ন স্বাদের এই চমৎকার পদটি যা ইফতারের আয়োজনে আনবে বৈচিত্র্য ও আভিজাত্য।
মজাদার এই মোমো তৈরি করতে প্রথমে ময়দার সঙ্গে সামান্য তেল ও লবণ মিশিয়ে ভালো করে মেখে একটি ডো তৈরি করে এক ঘণ্টার জন্য রেখে দিতে হবে। এরপর একটি প্যানে সামান্য তেল গরম করে তাতে চিকেন কিমার সঙ্গে সব মশলা ও উপকরণ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে পুর তৈরি করে নিতে হবে। কিমা রান্না হয়ে গেলে একটি বাটিতে ঢেলে তা ঠান্ডা হতে দিতে হবে। এরপর আগে থেকে রাখা ময়দার ডো থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে লুচির মতো বেলে নিয়ে তার ভেতরে তৈরি করা কিমার পুর দিয়ে পছন্দমতো মলাট বা ভাঁজ করে মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। শেষে চুলায় স্টিমারে পানি দিয়ে তা ফুটে উঠলে মোমোগুলো সাজিয়ে ঢাকনা দিয়ে ১০ থেকে ১২ মিনিট ভাপ দিতে হবে। গরম গরম ভাপানো মোমো পছন্দের সস বা ঝাল চাটনি দিয়ে পরিবেশন করলে ইফতারের ক্লান্তি দূর হয়ে শরীর ও মনে প্রশান্তি ফিরে আসবে।
/আশিক
রোজায় প্রশান্তি জোগাবে স্বাস্থ্যকর খরমুজের শরবত: জেনে নিন তৈরির সহজ উপায়
পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার পর শরীরকে দ্রুত সতেজ ও চনমনে করতে ফলের শরবতের কোনো বিকল্প নেই। ইফতারের টেবিলে সহজে তৈরি করা যায় এমন স্বাস্থ্যকর পানীয়গুলোর মধ্যে খরমুজের শরবত এখন অনেকেরই পছন্দের তালিকায় শীর্ষে। খরমুজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি এবং প্রয়োজনীয় ভিটামিন এ ও সি যা সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এই শরবতটি শরীরের ক্লান্তি দূর করে দ্রুত শক্তি জোগাতেও বেশ সহায়ক। ঘরে থাকা সামান্য কিছু উপকরণ দিয়ে খুব অল্প সময়েই এই সুস্বাদু পানীয়টি প্রস্তুত করা সম্ভব যা ইফতারের আয়োজনে বাড়তি তৃপ্তি যোগাবে।
পুষ্টিকর এই শরবতটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে দুই কাপ ছোট টুকরো করা খরমুজ, দুই কাপ ঠাণ্ডা পানি, স্বাদমতো চিনি, মধু এবং গুঁড়া দুধ। প্রথমে খরমুজের খোসা ছাড়িয়ে এবং ভেতর থেকে বীজ ফেলে দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে নিতে হবে। এরপর একটি ব্লেন্ডার জারে পরিমাণমতো পানি, খরমুজের টুকরোগুলো, চিনি, গুঁড়া দুধ ও মধু একসাথে নিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করতে হবে। মিশ্রণটি একদম মসৃণ হয়ে এলে এটি গ্লাসে ঢেলে নিতে হবে।
ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে পরিবেশনের সময় গ্লাসে পছন্দমতো আইস কিউব বা বরফ কুচি দিয়ে দিলে এর স্বাদ বহুগুণ বেড়ে যায়। পরিবেশনের সৌন্দর্য বাড়াতে গ্লাসের ওপর খরমুজের ছোট টুকরো বা তাজা পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যেতে পারে যা শরবতটিকে আরও আকর্ষণীয় ও সুঘ্রাণযুক্ত করে তুলবে। ইফতারের পাতে এমন একটি স্বাস্থ্যকর পানীয় ক্লান্তি দূর করে রোজাদারকে প্রশান্তি দিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে।
/আশিক
রোজায় পানিশূন্যতা বিদায় হবে নিমিষেই: সুস্থ থাকতে মেনে চলুন এই জাদুকরী নিয়ম
পবিত্র রমজান মাসে দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকার ফলে শরীরে পানির অভাব বা পানিশূন্যতা তৈরি হওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তবে কিছু প্রয়োজনীয় বিষয়ে সচেতন থাকলে খুব সহজেই এই শারীরিক অস্বস্তি এড়িয়ে সুস্থ থাকা সম্ভব। পানিশূন্যতা প্রতিরোধের প্রথম এবং প্রধান উপায় হলো পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান নিশ্চিত করা।
বিশেষ করে সেহরিতে অন্তত এক থেকে দুই গ্লাস পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। শুধু ইফতারের সময় একবারে প্রচুর পানি পান না করে বরং ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত জেগে থাকা পুরো সময়টায় অল্প অল্প করে পানি পান করা বেশি কার্যকর। তবে খাবার খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বা খাওয়ার মাঝখানে বেশি পানি পান না করাই ভালো কারণ এতে হজমে সমস্যা তৈরি হতে পারে, তাই খাবার ও পানি পানের মাঝে অন্তত ২০ মিনিট বিরতি রাখা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
শরীরকে ভেতর থেকে সজীব রাখতে পানিসমৃদ্ধ ফল ও সবজি যেমন শসা, লেটুস এবং তরমুজ খাদ্যতালিকায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এর পাশাপাশি ইফতারে ডাবের পানি শরীরের পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পুষ্টিও জোগাবে এবং ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত, স্যুপ বা স্মুদি শরীরকে দীর্ঘক্ষণ হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে।
রোজার সময় কিছু নির্দিষ্ট খাবার ও পানীয় এড়িয়ে চলাও পানিশূন্যতা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চা, কফি এবং কোমল পানীয় কম পান করাই শ্রেয় কারণ এগুলোতে থাকা ক্যাফেইন প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়িয়ে শরীর থেকে দ্রুত পানি বের করে দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত ভাজাপোড়া, প্রক্রিয়াজাত এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে কারণ এসব খাবার তৃষ্ণা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
ইফতারে অনেকেরই খুব ঠান্ডা পানীয় পান করার প্রতি আগ্রহ থাকলেও শরীরের অভ্যন্তরীণ ভারসাম্যের জন্য হালকা গরম পানি বেশি উপকারী। হালকা গরম পানি দ্রুত হজমে সহায়তা করে এবং শরীরের কোষগুলো ঠান্ডা পানির তুলনায় এই তরল অনেক সহজে শোষণ করতে পারে। এই নিয়মগুলো মেনে চললে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমিয়ে রমজানের ইবাদতগুলো অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যে পালন করা সম্ভব হবে।
/আশিক
ওজন কমাতে চান না কি মেদ ঝরাতে? দই ও ঘোলের গুণাগুণ জেনে নিন
পেট ভালো রাখতে দইয়ের কোনো বিকল্প নেই এবং অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য দইয়ের প্রোবায়োটিক অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে পেট খারাপ হলে বা হজমের সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকেরা অনেক সময় দইয়ের চেয়ে দইয়ের ঘোল খাওয়ার পরামর্শ দেন, যা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে আসলে কোনটি বেশি সেরা।
টক দই শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার যা সকালের নাশতায় হোক কিংবা দুপুরের খাবারের পর, এক বাটি খেলে হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। দইয়ের মধ্যে থাকা প্রোবায়োটিক হলো মূলত কিছু ভালো ব্যাকটেরিয়া যা সরাসরি হজমে সাহায্য করে এবং পেটের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখে। তবে পুষ্টিগুণের বিচারে এবং হজম করার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে দই ও ঘোলের উপকারিতা ভিন্ন ভিন্ন মানুষের জন্য ভিন্ন রকম হতে পারে।
সহজপাচ্য হওয়ার দিক থেকে দইয়ের ঘোলের অবস্থান দইয়ের চেয়েও ওপরে এবং যারা নিয়মিত অম্বল বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য ঘোল বেশি উপকারী। দইয়ে প্রচুর পরিমাণে ক্যালশিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন বি-১২ থাকে যা হাড় মজবুত করতে এবং পেশি গঠনে সহায়তা করে, তাই শিশুদের হাড় ও দাঁতের গঠনের জন্য দই বেশ কার্যকর। এছাড়া যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিন্তু গ্যাস-অম্বলের সমস্যা নেই, তাদের জন্য দই খাওয়া বেশি লাভজনক।
অন্যদিকে বদহজম ও ডিহাইড্রেশন বা জলশূন্যতার সমস্যায় যারা ভুগছেন, তাদের জন্য দইয়ের বদলে ঘোলই বেশি যশোযোগ্য। ঘোলে ক্যালরি ও ফ্যাটের পরিমাণ দইয়ের চেয়ে কম থাকায় স্থূলত্ব বা অতিরিক্ত ওজনের মানুষের জন্য ঘোল নিয়মিত খেলে মেদ দ্রুত ঝরবে। বিশেষ করে যাদের ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স বা দুগ্ধজাত খাবারে অ্যালার্জি আছে, তাদের জন্য দইয়ের চেয়ে ঘোল অনেক বেশি নিরাপদ। দীর্ঘ সময় ধরে হাঁপানি বা শ্বাসজনিত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের দই এড়িয়ে চলা উচিত কারণ দই শ্লেষ্মা বাড়িয়ে দিতে পারে, আর সেক্ষেত্রে দইয়ের বদলে ঘোল খেলে তারা বেশি উপকার পাবেন।
/আশিক
গ্যাসের গন্ধ পেলেই যা করবেন: সিলিন্ডার বিস্ফোরণ এড়াতে জরুরি টিপস
বর্তমানে আমাদের দৈনন্দিন রান্নাবান্নার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডার। পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকায় শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই সিলিন্ডারের ব্যবহার বেড়েছে। তবে যথাযথ সচেতনতার অভাবে প্রায়ই সিলিন্ডার বিস্ফোরণের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে। সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে এবং নিয়মিত তদারকি করলে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। আপনার ও আপনার পরিবারের সুরক্ষায় এলপিজি ব্যবহারের জরুরি কিছু সতর্কতা নিচে তুলে ধরা হলো
সিলিন্ডার কেনার সময় সতর্কতা
সব সময় অনুমোদিত ডিলার বা পরিবেশকের কাছ থেকে সিলিন্ডার সংগ্রহ করুন। ডেলিভারির সময় অবশ্যই সিলিন্ডারের সিল (Seal) ও সেফটি ক্যাপ পরীক্ষা করে নিন; সিল ভাঙা থাকলে তা গ্রহণ করবেন না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সিলিন্ডারের গায়ে লেখা পরীক্ষার মেয়াদ (DFT) দেখে নেওয়া। মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার ব্যবহার করা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নতুন সিলিন্ডার লাগানোর পর সাবানের ফেনা দিয়ে লিক পরীক্ষা করুন, কখনোই দিয়াশলাই বা আগুনের শিখা ব্যবহার করবেন না।
রান্নার সময় ও রক্ষণাবেক্ষণ
রান্নাঘর সব সময় পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের উপযোগী রাখুন। চুলার পাশে প্লাস্টিক, কাগজ বা কাপড়ের মতো দাহ্য বস্তু রাখা থেকে বিরত থাকুন। রান্নার সময় ঢিলেঢালা পোশাক এড়িয়ে চলা এবং রান্না শেষে রেগুলেটরের নব বন্ধ করা একটি ভালো অভ্যাস। এছাড়া প্রতিবছর চুলার পাইপ বা সুরক্ষা টিউব পরিবর্তন করা এবং উন্নত মানের (ISI সম্বলিত) রেগুলেটর ও চুলা ব্যবহার করা উচিত। মনে রাখবেন, সিলিন্ডার সব সময় সোজা অবস্থায় খোলা ও শুষ্ক জায়গায় রাখতে হবে।
জরুরি পরিস্থিতিতে করণীয়
যদি ঘরে গ্যাসের গন্ধ পান, তবে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত রেগুলেটর ও চুলার নব বন্ধ করে দিন। সব দরজা-জানালা খুলে দিন যেন বাতাস চলাচল করতে পারে। সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— গ্যাসের গন্ধ পাওয়া অবস্থায় বিদ্যুতের সুইচ, ফ্যান বা লাইট স্পর্শ করবেন না। কারণ ক্ষুদ্র একটি স্ফুলিঙ্গ থেকেও বড় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। প্রয়োজন হলে ঘর থেকে বেরিয়ে বাইরে গিয়ে মেইন সুইচ বন্ধ করুন এবং দ্রুত ডিস্ট্রিবিউটর বা জরুরি সেবায় যোগাযোগ করুন।
/আশিক
রোজায় ওজন কমাতে চান? ইফতারে কলা খাওয়ার ৫টি দারুণ কারণ
সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারের সময় আমাদের শরীর থাকে পরিশ্রান্ত এবং পুষ্টির ক্ষুধায় কাতর। এই সময় পেট খালি থাকায় ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার খেলে গ্যাস্ট্রিক ও হজমের সমস্যা অবধারিত। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতারে শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগাতে এবং পুষ্টির ঘাটতি মেটাতে সবথেকে সহজলভ্য ও কার্যকরী খাবার হলো কলা। আজ ৬ রমজান (২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), ইফতারের টেবিলে কেন নিয়মিত কলা রাখা জরুরি, তার বিশেষ কিছু কারণ নিচে তুলে ধরা হলো।
১. দ্রুত শক্তির সঞ্চার
সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে যে ক্লান্তি আসে, তা দূর করতে কলার বিকল্প নেই। কলায় থাকা মিনারেল ও ভিটামিন খুব দ্রুত রক্তে মিশে গিয়ে শরীরে শক্তির জোগান দেয়।
২. হজম ও পেট পরিষ্কার
একটি মাঝারি মাপের কলায় প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। এটি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। যারা রোজায় অ্যাসিডিটিতে ভোগেন, তাদের জন্য কলা অত্যন্ত উপকারি।
৩. হাড় ও হার্টের সুরক্ষা
একটি কলায় প্রায় ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে, যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এছাড়া কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের ক্ষয় রোধ করে হাড়কে মজবুত রাখতে সহায়তা করে।
৪. ওজন নিয়ন্ত্রণ ও রক্তের শর্করা
কলায় ক্যালোরি কম থাকে এবং এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যারা রোজায় ওজন কমাতে চান, তাদের জন্য ইফতারে কলা হতে পারে আদর্শ একটি ফল।
সহজলভ্য এই ফলটি প্রতিদিন ইফতারে রাখলে তা যেমন শরীরের পানিশূন্যতা ও খনিজ লবণের ঘাটতি মেটাবে, তেমনি আপনাকে রাখবে সারাদিন সতেজ ও প্রাণবন্ত।
সূত্র: হেলথলাইন
ইফতারে প্রশান্তি! মাত্র কয়েক মিনিটে তৈরি করুন তরমুজের বিশেষ শরবত
সারাদিন রোজা রাখার পর এক গ্লাস ঠান্ডা শরবত যেন প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। বর্তমানে বাজারে তরমুজ প্রায় সারাবছরই মিলছে। ইফতারের টেবিলে ভিন্নতা আর সতেজতা আনতে আপনি অনায়াসেই তৈরি করতে পারেন তরমুজের শরবত। রন্ধনশিল্পী আফরোজা খানম মুক্তার দেওয়া সহজ এই রেসিপিটি ব্যবহার করে খুব অল্প সময়েই ঘরে এটি প্রস্তুত করা সম্ভব।
উপকরণ
তরমুজ (বীচিসহ ২ কাপ), এক চিমটি বিট লবণ, এক চিমটি গোল মরিচ গুঁড়া, ২ চা চামচ লেবুর রস, ২ টেবিল চামচ চিনি (স্বাদমতো), ৫-৬টি পুদিনা পাতা এবং প্রয়োজনমতো বরফ কুচি (আইস কিউব)।
প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমে তরমুজের খোসা ফেলে দিয়ে গ্রেট করে নিন এবং একটি ছাঁকনি দিয়ে ছেঁকে রস আলাদা করুন। এবার এই রসের সাথে বিট লবণ, সাদা গোল মরিচ গুঁড়া, লেবুর রস, চিনি ও পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিন। স্বাদ আরও বাড়াতে ব্লেন্ডারে হালকা ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। সবশেষে গ্লাসে ঢেলে বরফ কুচি আর উপরে সতেজ পুদিনা পাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
তরমুজে থাকা প্রচুর পরিমাণ পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং লেবু ও পুদিনার মিশ্রণ নিমিষেই ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ইফতারের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে এই স্বাস্থ্যকর পানীয়টি হতে পারে সেরা অনুষঙ্গ।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- কালিগঞ্জে সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দীনের বিশাল ইফতার মাহফিল
- তেহরানের ওপর চটল সৌদি আরব: কূটনৈতিক সম্পর্কে চরম টানাপোড়েন
- আকাশ প্রতিরক্ষা ভেদ করে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত: কাঁপছে ইসরায়েল
- রমজানে মসজিদুল আকসা বন্ধ করল ইসরায়েল: তারাবি পড়তে পারলেন না হাজারো মুসল্লি
- স্ত্রী হত্যার প্ররোচনা মামলা: প্রধান আসামি অভিনেতা জাহের আলভী
- কালিগঞ্জে ১৬ শতাধিক পরিবারের মাঝে ইঞ্জিনিয়ার মুকুলের ইফতার সামগ্রী বিতরণ
- সংসদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ড. খন্দকার মোশাররফ কুমিল্লার সন্তান
- ইরানে হামলা গ্যাংস্টারসুলভ আগ্রাসন: উত্তর কোরিয়া
- ইফতারে প্রশান্তি পেতে ঝটপট তৈরি করুন স্বাস্থ্যকর ফ্রুট কাস্টার্ড
- সীমান্ত হত্যা যেন আর শুনতে না হয়, ভারতীয় হাইকমিশনারকে বলেছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- রণক্ষেত্র ইরান: ১ হাজার ২০০ বোমায় ধ্বংস হচ্ছে একের পর এক শহর
- সব শক্তি দিয়ে খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেবে ইরান
- ১৩ দিনে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- খামেনি হত্যা ও শিশু নিধনের প্রতিবাদ: রাজধানীতে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ
- খামেনিকে হত্যার ঘটনায় পাকিস্তানে মার্কিন কনস্যুলেটে তাণ্ডব
- আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- ১ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ দরপতনের তালিকা প্রকাশ
- ১ মার্চ ডিএসই: শীর্ষ ১০ গেইনারের তালিকা প্রকাশ
- কিয়ামতের আগে ইমাম মাহদির আগমনের আলামত কী কী
- নতুন বেতন কাঠামো ও পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা জানা গেল
- খামেনি হত্যার নেপথ্যে সৌদি
- রমজানে হামলা হৃদয়বিদারক: খামেনি হত্যায় গভীর ক্ষোভ জামায়াত আমিরের
- কুমিল্লায় ব্যাতিক্রমী গোলাপ প্রদর্শনী: মোস্তফা কামাল ফুলু ফাউন্ডেশনের
- জেনে নিন আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার
- ইরানে হামলার তীব্র নিন্দা রাশিয়ার; চরম বিপর্যয়ের হুঁশিয়ারি পুতিনে
- অগ্নিঝরা মার্চের সূচনা: বাঙালির অদম্য প্রত্যয়ের মাস শুরু
- নিজ দপ্তরেই শেষ নিঃশ্বাস
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- ইতিহাসের সবচেয়ে বিধ্বংসী হামলার ঘোষণা: কাঁপছে মার্কিন-ইসরায়েলি ঘাঁটি
- ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- আজকের ঢাকা: জ্যাম এড়াতে জেনে নিন কোন এলাকায় কী কর্মসূচি
- আজ ১১ রমজান: দেখে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- সুরক্ষিত ভবনে যেভাবে প্রাণ হারালেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
- শহীদ হলেন আয়াতুল্লাহ খামেনি
- কেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানকে আক্রমণ করছে?
- রণক্ষেত্র মধ্যপ্রাচ্য: রিয়াদ-বাহরাইনের পর এবার কাঁপল দুবাই
- যুব রেড ক্রিসেন্ট, হাজেরা তজু স্কুল এন্ড কলেজ ইউনিটের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
- সংসদে নতুন বিরোধী দল দেখবে দেশ: জামায়াত আমির
- বিকাশে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি: বড় পদে আবেদনের সময় শুরু
- গণতন্ত্রের জয়যাত্রায় আমরা ঐক্যবদ্ধ: জামায়াতের ইফতারে প্রধানমন্ত্রীর বড় বার্তা
- ইরানের স্কুলে ইসরায়েলি মিসাইল: নিষ্পাপ শিশুদের রক্তে লাল ইরান
- ঈদের দূরপাল্লার বাসের অগ্রিম টিকিটের তারিখ ঘোষণা
- ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে লণ্ডভণ্ড বিশ্ব বিমান চলাচল
- ইসরায়েল-আমিরাতের পর এবার সৌদিতে বিস্ফোরণ
- ইরানে যুদ্ধের মধ্যেই বিদ্রোহের উস্কানি দিলেন ট্রাম্প
- অতীতের কাদা ছোঁড়াছুড়িতে সময় নষ্ট নয়: মির্জা ফখরুল
- নিশানা এবার খোদ আমেরিকা: বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে বড় হামলা
- ইসরায়েলে আকাশ থেকে নামছে ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি! সাইরেনের শব্দে কাঁপছে ইসরায়েল
- অনলাইনে ও মোবাইলে যেভাবে দেখবেন জুনিয়র বৃত্তির ফলাফল
- স্বর্ণের দামে ফের রেকর্ড! ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা
- স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে বাড়ল ৩ হাজার ২৬৬ টাকা
- বন্ধকী কূটনীতির দেশে স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির স্বপ্ন
- মহাকাশে বিরল মহোৎসব: বাংলাদেশ থেকে এক সারিতে দেখা যাবে ৬ গ্রহ!
- ৫ আগস্টের সেই ৪০ মিনিট! বঙ্গভবনের ভেতর যা ঘটেছিল জানালেন রাষ্ট্রপতি
- সব রেকর্ড ভাঙল স্বর্ণ! আজ থেকে নতুন রেট কার্যকর
- ক্ষমতার লড়াইয়ে ইরান: খামেনির আসনে বসতে আইআরজিসি’র চাপ
- ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রস্তুত ১৩ জেলা: উদ্বোধনের তারিখ জানালেন প্রধানমন্ত্রী
- সাতক্ষীরায় সংরক্ষিত নারী আসন: নেতাকর্মীদের পছন্দের শীর্ষে সেতারা নাসরিন নিশি
- জাকাত ও ফিতরা কত দেবেন? জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ
- আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম! জানুন নতুন মূল্যতালিকা
- কালিগঞ্জে ঘেরের বাসায় আগুন, দখলচেষ্টা ও মাছ লুটের অভিযোগ প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন
- বাহরাইন প্রেসক্লাবের নতুন কমিটির সভাপতি সম্রাট নজরুল ও সম্পাদক নোমান সিদ্দিকী
- ইরানে সরাসরি হামলা চালাল ইসরায়েল: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের ভয়াবহ দামামা








