সবাই মিলে স্বৈরাচার হটিয়েছি, এবার আসুন দেশ গড়ি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে দেশের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দল, মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব মানুষ যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়েছে, ঠিক একইভাবে এখন সবাইকে মিলেমিশে দেশের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করতে হবে। সোমবার (১৩ জুলাই) বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় সাগরদী খালের পাড়ে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এই আহ্বান জানান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ইতিহাসের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে দেশের সব ধর্মের ও সব পেশার মানুষ যেভাবে একসঙ্গে লড়াই করে দেশ স্বাধীন করেছিল, ঠিক কদিন আগেও দেশের আপামর জনতা রাজপথে নেমে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, আমরা যদি সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারি, তবে তার সুফল দেশের প্রতিটি নাগরিক ভোগ করবে। প্রধানমন্ত্রী বধ্যভূমি এলাকায় একটি নারিকেল গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির সূচনা করেন এবং পরে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা কেবল সরকার বা সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এর জন্য সামাজিক সচেতনতা ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজন। তিনি উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলেন, বৃক্ষরোপণের এই দিনে সবাইকে প্রতিজ্ঞা করতে হবে যে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে চারপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখব। তিনি দেশের নাগরিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যার যার ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও কার্যালয়ের চারপাশের আঙিনা সুন্দর ও দূষণমুক্ত রাখার পরামর্শ দেন।
ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন সাগরদী খালের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই খালের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দায়িত্ব স্থানীয় বাসিন্দাদেরও। পার্কে ঘুরতে আসা সাধারণ মানুষ অনেক সময় ব্যবহৃত প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন কিংবা টিস্যু পেপার খালের পানিতে ফেলে দেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি সবাইকে এসব বর্জ্য নির্দিষ্ট বিনে ফেলার অনুরোধ জানান এবং সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে মাইকিং করার নির্দেশনা দেন।
খালের পানি দূষণমুক্ত রাখার তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, খালের অপর পাড়ে কিছু আবাসিক ভবনের সুয়ারেজ ও ড্রেনেজ লাইনের সংযোগ সরাসরি খালের সাথে যুক্ত করা হয়েছে। তিনি সিটি কর্পোরেশনকে দ্রুত একটি সমন্বিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, খালের পানিতে ময়লা পানি বা বর্জ্যের সংযোগ দেওয়া বন্ধ করতে হবে, অন্যথায় প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিজেদের ঘর গোছানোর মতো করে যদি আমরা নিজেদের এলাকা বা দেশ পরিষ্কার না রাখি, তবে এর ক্ষতিকর প্রভাব আমাদের ওপরই পড়বে। নিজের দেশের সম্পদ নষ্ট করে অন্য দেশের সুন্দর জায়গা দেখে আফসোস করার কোনো মানে হয় না।
পরিবেশ সুরক্ষার এই কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, নৌ প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মজিবুর রহমান সারোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার এবং সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশ নেন এবং খালের দুপাড়ে বৃক্ষরোপণ করেন। এ সময় উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত করে তোলেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল সার্কিট হাউসে গিয়ে জোহরের নামাজ আদায় ও মধ্যাহ্নভোজ সম্পন্ন করেন। সফরসূচি অনুযায়ী বিকেলে শিল্পকলা একাডেমিতে স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে তাঁর বরিশাল সফর শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
/আশিক
দুদকের দুই মামলায় খালাস পেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক দুটি দুর্নীতি মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান এই রায় ঘোষণা করেন। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আইনজীবী মহিউদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, রাজধানীর গুলশান, ধানমণ্ডি ও শান্তিনগর এলাকার ১৮টি পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ি নিলামে বিক্রির ক্ষেত্রে অনিয়ম, দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগে ২০০৭ সালে মোট ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদক।
এসব মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রতিটি মামলায় আসামি করা হয়। অন্য আসামিদের তালিকায় ছিলেন এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ুন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী ও মো. শহীদ আলম।
এ ছাড়া এই ১৫টি মামলার মধ্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে দুটি এবং মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ ও আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়েছিল।
দুদকের এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছিল, রাজউকের মাধ্যমে সাজানো দরপত্রে কারচুপি করে পছন্দের ব্যক্তিদের কাছে নামমাত্র মূল্যে এসব বাড়ি বিক্রি করা হয়। এতে তৎকালীন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ক্ষমতার অপব্যবহার ও প্রভাব খাটিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের নির্ধারিত উচ্চমূল্য উপেক্ষা করে কম মূল্যের দরপত্র অনুমোদন দেন বলে দাবি করা হয়। এসব ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯ ও ১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।
/আশিক
অর্থসংকটে অনিশ্চিত মেডিকেল ভবিষ্যৎ: শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
অর্থসংকটে লেখাপড়া বন্ধের ঝুঁকিতে পড়া অসচ্ছল মেডিকেল শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমা খানমের পড়াশোনার দায়িত্ব নিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী ফাতেমা খানমের হাতে ৫ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান তুলে দেন।
নাটোরের বাসিন্দা মেধাবী শিক্ষার্থী মোছা. ফাতেমা খানম নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে সম্প্রতি চীনের একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ অর্জন করেন। তবে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন পূরণের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় পরিবারের চরম অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা ও প্রয়োজনীয় অর্থের সংকট।
মেধাবী এই শিক্ষার্থীর সংকটের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তাঁর মেডিকেল শিক্ষার প্রাথমিক খরচ নির্বাহের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে এই ৫ লাখ টাকার সহায়তা প্রদান করা হয়। অনুদানের অর্থ তুলে দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেন যে, বিদেশে ফাতেমার পড়াশোনা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে ভবিষ্যতে আরও সহায়তার প্রয়োজন হলে তা প্রদান করা হবে।
/আশিক
বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানালেন বিশ্বনেতা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ব ইউরোপ ও সিআইএস (সিআইএস) উইংয়ের মহাপরিচালক এস এম মাহবুবুল আলমের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের পক্ষ থেকে প্রেরিত এই বিশেষ অভিনন্দনপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন।
ঢাকাস্থ রাশিয়ান দূতাবাসের এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্বভার গ্রহণ করায় তাঁর সফলতা কামনা করে এই কূটনৈতিক বার্তা ও শুভেচ্ছা পাঠিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান।
/আশিক
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত: দ্রুত আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে তিন নির্বাচন কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে সিইসি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই স্থানীয় সরকার নির্বাচনও নিরপেক্ষতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালনা করার বিষয়ে কমিশন অঙ্গীকারবদ্ধ। রাষ্ট্রপতিও নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন এবং দেশে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে সরকারের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। আচরণ বিধিমালা সংক্রান্ত নথিপত্র আইন মন্ত্রণালয় থেকে ভেটিং শেষে ফেরত আসায় এবং কারিগরি প্রস্তুতি গুছিয়ে নেওয়ায় কমিশন এখন তফসিল ঘোষণার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।
ভোটের সম্ভাব্য সময়সূচি ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে সিইসি জানান, আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে এ বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনও নির্ধারিত ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। তবে আসন্ন দুর্গাপূজা, বন্যা পরিস্থিতি, শীতকালীন স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা এবং পরবর্তী সময়ে রোজা, ঈদ ও বর্ষা মৌসুমের কারণে নির্বাচনের জন্য উপযোগী সময় বেশ সীমিত। বার্ষিক পরীক্ষা সমন্বয় করে সবকিছু ঠিক থাকলে নভেম্বরের শেষ নাগাদ ভোটগ্রহণ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা সম্পন্ন হতে আগামী বছরের শুরু পর্যন্ত গড়াতে পারে। মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের আবহাওয়া বিবেচনায় নিয়ে ধাপে ধাপে এ ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে দেশি ও প্রবাসী ভোটারদের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে সীমিত পরিসরে পোস্টাল ব্যালট চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে অন্য কমিশনও এ ব্যবস্থা কার্যকর রাখতে পারে, সেজন্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও নির্দেশিকা তৈরির কাজ চলছে। এ ছাড়া নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দ্রুতই সমন্বয় সভা করা হবে এবং প্রয়োজনে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার স্পষ্ট করেন যে, কমিশন নির্বাচনে 'ভোটার সার্বভৌমত্ব' প্রতিষ্ঠা করতে চায়, যেখানে সাধারণ ভোটারের স্বাধীন ইচ্ছাই হবে চূড়ান্ত।
/আশিক
মক্কা চুক্তি মুসলিমদের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা, উদ্বেগের কারণ নেই: খলিলুর রহমান
‘মক্কা প্যাক্ট’ বিশ্ব মুসলিম সমাজের আত্মরক্ষার একটি সমন্বিত ব্যবস্থা এবং এটি মুসলিম পরিবারের অভ্যন্তরীণ বিষয় হওয়ায় এ নিয়ে অন্যদের উদ্বেগের কোনো কারণ নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ভবিষ্যতে এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে বাংলাদেশ তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা তাঁর সম্পূরক প্রশ্নে জানতে চান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান মিলে গত ৭ আগস্ট যে ‘মক্কা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে, বাংলাদেশ এতে যুক্ত হলে দেশের কী ধরনের সুবিধা হতে পারে। এর জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চুক্তিটি বর্তমানে উল্লেখিত তিন দেশের মধ্যে সম্পাদিত হয়েছে এবং ঢাকা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছে। তবে এতে বাংলাদেশের যোগ দেওয়ার বিষয়টি এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে আসেনি, কারণ এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করছে চুক্তিভুক্ত মূল সদস্য দেশগুলোর আগ্রহ ও অভিপ্রায়ের ওপর। তারা যদি বাংলাদেশকে জোটে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে সরকার তা নিশ্চয়ই ইতিবাচকভাবে ভেবে দেখবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব আসার আগে এই চুক্তির বিস্তারিত লাভ-ক্ষতি বা ভালোমন্দ নিয়ে মন্তব্য করার সময় এখনও আসেনি এবং সময় হলে সরকার সবদিক পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করবে। তবে জোটটি যদি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হয়, তবে তা বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর আত্মরক্ষামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ করবে। এটি একান্তই মুসলিম বিশ্বের ভেতরের বিষয় হওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অন্যদের এ নিয়ে অযথা উৎকণ্ঠিত হওয়ার অবকাশ নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
/আশিক
২০১০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২০১০ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ১৯ হাজার ৬৪১টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের প্রথম দিনে জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন।
সংসদ সদস্য শাহ মো. ওয়ারেছ আলী মামুন তাঁর প্রশ্নে ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট কতজনকে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এবং এর বছরভিত্তিক হিসাব জানতে চান। এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ইস্যুকৃত মোট ১৯ হাজার ৬৪১টি লাইসেন্সের মধ্যে ৭ হাজার ৩০৮টি শটগান, ৫ হাজার ৩৪৭টি পিস্তল, ৫৯৪টি রিভলভার, ৯৪৮টি রাইফেল এবং অন্যান্য ক্যাটাগরিতে ৫ হাজার ৪৪৪টি অস্ত্রের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই দীর্ঘ সময়ের বছরভিত্তিক পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব দেশের ৬৪ জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কার্যালয় থেকে সংগ্রহ করে প্রস্তুত করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। সে কারণে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে আপাতত এই আংশিক হিসাব সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে।
/আশিক
খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়: মন্ত্রী
সরকারিভাবে কোনো খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সঙ্গে নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করা, অবৈধ পথে বিদেশযাত্রা বন্ধ এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা ও ভাষাগত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নিরাপদ অভিবাসন ও অবৈধভাবে বিদেশযাত্রা প্রতিরোধ বিষয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, বিদেশে কর্মী পাঠানোর পাশাপাশি তাদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করানো জরুরি। প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা ছাড়া বিদেশে গিয়ে কর্মীদের নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই বিদেশ যাওয়ার আগে কর্মীদের যথাযথ প্রশিক্ষণ ও ভাষাগত দক্ষতা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
এ লক্ষ্যে সুনামগঞ্জের পাঁচটি নির্বাচনি এলাকায় পাঁচটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান আরিফুল হক চৌধুরী। এসব প্রশিক্ষণকেন্দ্রে প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী নিশ্চিত করতে জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
বিদেশগামী কর্মীদের ভাষাগত দক্ষতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রী বলেন, কর্মীদের ইংরেজি, আরবি, জাপানি, চীনা ও কোরিয়ান ভাষায় প্রশিক্ষণ নেওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট দেশের ভাষা জানা থাকলে কর্মীরা কর্মস্থলে যোগাযোগ ও দৈনন্দিন কাজে তুলনামূলকভাবে সহজে মানিয়ে নিতে পারবেন।
তিনি বিদেশ যেতে আগ্রহীদের দালাল বা অবৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার পরিবর্তে সরকারি ও বৈধ প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানান। প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও ভাষাগত প্রশিক্ষণ অর্জনের পর বৈধ প্রক্রিয়ায় বিদেশ যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সরকারের এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে মালয়েশিয়ায় যেতে আগ্রহী বিপুলসংখ্যক কর্মীর জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে নিরাপদ ও নিয়মতান্ত্রিক অভিবাসনের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর পথও আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সূত্র: বাসস
দেশজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বড় সুখবর দিল সরকার
জ্বালানি সরবরাহ সংকট, বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারিগরি ত্রুটি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ, সঞ্চালন গ্রিডের সীমাবদ্ধতা এবং সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক চাহিদা বৃদ্ধির কারণে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সামগ্রিক পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজধানী ঢাকায় পরিকল্পিত লোডশেডিং করে সাশ্রয় হওয়া বিদ্যুৎ দেশের অন্যান্য জেলা ও গ্রামাঞ্চলে পুনর্বণ্টনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর্যাপ্ত অবকাঠামোগত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি সংকট ও পাওয়ার প্ল্যান্টগুলোর রক্ষণাবেক্ষণজনিত কারণে পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। গ্রিডের সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি অতিরিক্ত চাহিদার কারণে বিদ্যুৎ ঘাটতি জটিল রূপ নিয়েছে।
এই ঘাটতির প্রভাব সুষমভাবে বণ্টন করতে ঢাকার দুই প্রধান বিতরণ সংস্থা ডিপিডিসি ও ডেসকোর আওতাভুক্ত এলাকায় লোডশেডিং সমন্বয় করা হচ্ছে। রাজধানীতে বিদ্যুৎ ব্যবহার কিছুটা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সাশ্রয় হওয়া অংশটি ঢাকার বাইরের শিল্পাঞ্চল ও প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে পাঠানো হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে রাজধানীর বাইরের শিল্প-কারখানায় সরবরাহ যেমন স্থিতিশীল হচ্ছে, তেমনি প্রত্যন্ত অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ও ঘনঘন লোডশেডিংয়ের ভোগান্তিও কিছুটা কমে আসছে।
সরকারের মূল লক্ষ্য কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল বা গ্রাহক শ্রেণিকে দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎহীন না রেখে দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের বোঝা সুষম রাখা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়া, প্ল্যান্টগুলোর ত্রুটি দূর করা এবং সঞ্চালন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতির দিকে যাবে।
এদিকে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের মোট চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ১৭৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে উৎপাদন হয়েছিল ১৩ হাজার ৯১৭ মেগাওয়াট, ফলে তাৎক্ষণিকভাবে দেশে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ২৫৯ মেগাওয়াট। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজধানী থেকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে অন্য এলাকায় পাঠানোর এই সিদ্ধান্তকে সাময়িক স্বস্তির উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
/আশিক
দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফরকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হলেও আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে অন্তত দুবার সেই উদ্যোগ শেষ মুহূর্তে থমকে গেছে। সফরের সম্ভাব্য সময়সূচি ও আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি অনেক দূর এগোলেও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে যাননি। ফলে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্কে কোন বিষয়টি উচ্চপর্যায়ের এই সফরের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা নিয়ে দুই দেশের কূটনৈতিক মহলে আলোচনা বাড়ছে।
তারেক রহমানের ভারত সফরের আলোচনা অবশ্য নতুন নয়। গত ফেব্রুয়ারিতে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসা ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। এরপর সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বেও বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অর্থাৎ দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় দুই পথেই তার দিল্লি যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
কূটনৈতিক তৎপরতা সত্ত্বেও আগস্টে পরিকল্পিত সফরগুলো বাস্তবায়িত না হওয়ার পেছনে সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হিসেবে সামনে এসেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রশ্ন। ঢাকার অবস্থান হলো, শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধের দৃশ্যমান অগ্রগতি ছাড়া দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করা কঠিন।
অন্যদিকে ভারতের বক্তব্য ভিন্ন। দিল্লি বলছে, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ অনুরোধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভারতে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা যেসব বক্তব্য দিচ্ছেন বা রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন, সেগুলো তার ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ড; এসব বক্তব্যকে ভারত সরকারের অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
তবে আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের বাইরে দুই রাজধানীর মধ্যে পারস্পরিক সন্দেহ রয়ে গেছে বলেই সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। বিশেষ করে ৫ আগস্ট দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবের একটি আয়োজনে শেখ হাসিনার অনলাইনে যুক্ত হওয়ার ঘটনাকে ঢাকা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে। বাংলাদেশের একটি অংশের ধারণা, ভারতের অন্তত নীরব সম্মতি ছাড়া দিল্লিকেন্দ্রিক এমন রাজনৈতিক উপস্থিতি সহজ হতো না। ঢাকা এ নিয়ে প্রকাশ্যেও অসন্তোষ জানিয়েছে।
ভারতের নীতিনির্ধারণী মহলে আবার ভিন্ন একটি মূল্যায়ন রয়েছে। তাদের একটি অংশ মনে করে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। শেখ হাসিনা সরাসরি বাংলাদেশে ফিরে গেলে যে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাগত পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, সেটি সামাল দেওয়া বর্তমান সরকারের জন্যও সহজ হবে না এমন বিশ্লেষণ দিল্লির কিছু মহলে রয়েছে। তবে এটি ভারতের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়; বরং সংশ্লিষ্ট মহলের রাজনৈতিক মূল্যায়ন হিসেবে দেখা প্রয়োজন।
ফলে একই ইস্যুকে ঢাকা ও দিল্লি দুই ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে। বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি জুলাই-আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তন, বিচার এবং জনমতের সঙ্গে যুক্ত; ভারতের জন্য এটি প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ও বৃহত্তর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক দুই ক্ষেত্রকে যতটা সম্ভব পৃথক রাখার প্রশ্ন।
দিল্লি চাইছে, শেখ হাসিনাকে কেন্দ্র করে তৈরি বিরোধের বাইরে গিয়ে বাণিজ্য, যোগাযোগ, পানি বণ্টন, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্পের মতো পারস্পরিক স্বার্থের বিষয়গুলোতে আলোচনা এগিয়ে যাক। ভারতীয় কূটনৈতিক মহল থেকে ঢাকাকে এমন বার্তাও দেওয়া হচ্ছে যে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক দীর্ঘদিন আটকে রাখা উভয় পক্ষের জন্যই ক্ষতিকর হতে পারে।
কিন্তু ঢাকার সামনে রয়েছে অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ। শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামল এবং ২০২৪ সালের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের কারণে বাংলাদেশের একটি বড় অংশের মধ্যে তাকে ঘিরে তীব্র বিরোধিতা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করে রাজনৈতিক বক্তব্য অব্যাহত রাখলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর দেশে কীভাবে গ্রহণ করা হবে, সেটিও সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।
এই প্রেক্ষাপটে ভারতের কাছ থেকে অন্তত এমন দৃশ্যমান পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যাতে বোঝা যায়—ভারতের ভূখণ্ড বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে প্রভাবিত করার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে না। অন্যদিকে দিল্লির কর্মকর্তাদের একটি অংশ প্রত্যর্পণের পরিবর্তে শেখ হাসিনার স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে তুলনামূলকভাবে কম জটিল সমাধান হিসেবে দেখছেন।
এই প্রশ্নে কোনো গ্রহণযোগ্য সমঝোতা তৈরি হলে তারেক রহমানের দিল্লি সফরের অন্যতম বড় রাজনৈতিক প্রতিবন্ধকতা দূর হতে পারে বলে ভারতীয় কূটনৈতিক মহলে ধারণা রয়েছে। তবে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন, প্রত্যর্পণ বা সম্ভাব্য বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে এখনো এমন কোনো চূড়ান্ত সমঝোতার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।
তারেক রহমানকে দ্রুত দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানানোর পেছনে ভারতের নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থও রয়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দুই দেশের বেশ কয়েকটি সহযোগিতা প্রকল্পের গতি কমেছে। গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা, যোগাযোগ ও অবকাঠামো প্রকল্প এবং সীমান্তসহ একাধিক বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আঞ্চলিক ভূরাজনীতি। বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক কীভাবে এগোয়, সেটিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে ভারত। তারেক রহমান ইতোমধ্যে বেইজিং সফর করায় দিল্লির কাছে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে দ্রুত সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরাসরি যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।
বাংলাদেশের জন্যও ভারতের সঙ্গে স্থিতিশীল সম্পর্কের প্রয়োজন রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে বিশাল বাণিজ্য, দীর্ঘ সীমান্ত, অভিন্ন নদী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতা এবং সড়ক-রেল যোগাযোগের কারণে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ককে শুধু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ভিত্তিতে পরিচালনা করা কঠিন। ফলে উভয় পক্ষই সম্পর্ক সচল রাখতে আগ্রহী হলেও কোন রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে তা করা হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।
এই অচলাবস্থা কাটানোর সম্ভাব্য পথ হিসেবে সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের তুলনায় বহুপক্ষীয় সম্মেলনে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক দিক থেকে তুলনামূলকভাবে কম স্পর্শকাতর হতে পারে। বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে অংশ নিলে সফরটিকে সরাসরি ভারত সফরের পরিবর্তে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ হিসেবেও উপস্থাপন করা সম্ভব।
তারেক রহমান ব্রিকসের আয়োজনে দিল্লি গেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সুযোগও তৈরি হতে পারে। বহুপক্ষীয় সম্মেলনের সাইডলাইনে এ ধরনের বৈঠক আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে স্বাভাবিক ঘটনা। সে ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের রাজনৈতিক চাপ ছাড়াই দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব সরাসরি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পারবেন।
সব মিলিয়ে তারেক রহমানের দিল্লি সফরের প্রশ্নটি এখন শুধু একটি রাষ্ট্রীয় সফরের সময়সূচিতে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান ও প্রত্যর্পণ প্রশ্ন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জনমত, ভারতের কৌশলগত স্বার্থ, চীন ফ্যাক্টর এবং দুই দেশের আটকে থাকা দ্বিপক্ষীয় এজেন্ডা জড়িয়ে গেছে।
-রফিক
পাঠকের মতামত:
- দুদকের দুই মামলায় খালাস পেলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- বিশ্ববাজারে বিনিয়োগকারীদের চাহিদায় পরিবর্তন: ধাতুর বাজারে দরপতন
- সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাব: ১০ দিনের নতুন আবহাওয়া বার্তা
- অর্থসংকটে অনিশ্চিত মেডিকেল ভবিষ্যৎ: শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী
- সংসদের অধিবেশন ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা
- কম বয়সেই বাড়ছে নীরব ঘাতক রোগ: জেনে নিন সুরক্ষার উপায়
- বাঁধ ভাঙার অভিযোগ নাকচ চীনের: নেপালকে হিমবাহ ধসের তথ্য দিল ইউএসজিএস
- ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা ঘিরে নতুন জটিলতা: বড় তারকার ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা
- নেপালে আরও একটি কৃত্রিম লেক ফেটে বন্যার শঙ্কা: চীনের সতর্কতা
- এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে বাংলাদেশ: চূড়ান্ত হলো গ্রুপ ও প্রতিপক্ষ
- বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানালেন বিশ্বনেতা
- স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত: দ্রুত আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
- বিদ্যুৎ-গ্যাস এখন ‘টুকু আসে, টুকু যায়: রুমিন ফারহানা
- ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্নির্মাণের প্রমাণ মেলেনি: আইএইএ প্রধান
- মক্কা চুক্তি মুসলিমদের আত্মরক্ষার ব্যবস্থা, উদ্বেগের কারণ নেই: খলিলুর রহমান
- এটা প্রশ্ন না পল্টনের বক্তৃতা: সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ২০১০ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত প্রায় ২০ হাজার অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধ্বংসস্তূপে চলছে সন্ধান: প্রাণহানি ছাড়াল তিন শতাধিক
- মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারা দেশে আবহাওয়ার নতুন পূর্বাভাস
- বাংলাদেশ একদিন জামায়াতের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: হামিদুর রহমান আযাদ
- ১০০ মিটারের স্প্রিন্টে অভাবনীয় কীর্তি: রোবটের দৌড়ে বিশ্ব তোলপাড়
- চার বছরের বিরতি ভেঙে বড় পর্দায় ফিরে বক্স অফিসে ঝড়
- স্বামীকে প্রবাসে রেখে দেশে ফিরেই নতুন বিয়ে, চার সন্তানের জননীর
- মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষায় জোটবদ্ধ হওয়ার ডাক দিলেন শীর্ষ কূটনীতিকরা
- নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে প্রবল বন্যা: ৫৫ জনের প্রাণহানি ও শতাধিক নিখোঁজ
- সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় খবর: চূড়ান্ত হচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত প্রজ্ঞাপন
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সীমা: যেসব বিষয়ে নির্ভরতা বিপজ্জনক
- স্বর্ণের দামে নতুন মোড়, সামনে গুরুত্বপূর্ণ সময়
- চার বছর পর আবারও ঢাকায় আসছেন জনপ্রিয় বিদেশি সংগীতশিল্পী
- রাতের আকাশে দেখা যাবে রক্তিম রূপ: প্রস্তুত হচ্ছে বিশ্ব
- খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মী যাবে মালয়েশিয়ায়: মন্ত্রী
- বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া বড় চাপ: প্রতিমন্ত্রী
- গ্রিন কার্ডের জন্য অপেক্ষমাণদের জন্য এলো বড় সুখবর
- ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যার হুমকি দিয়ে ইরানে ভিডিও প্রকাশ
- দেশজুড়ে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে বড় সুখবর দিল সরকার
- যুক্তরাষ্ট্রের হামলা রুখতে আক্রমণাত্মক কৌশলে যাচ্ছে ইরান
- লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
- দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
- ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
- হরমুজ প্রণালির সব মাইন সরিয়ে ফেলেছে মার্কিন নৌবাহিনী: ট্রাম্প
- ব্রাজিলকে আনতে সরকারের টাকা খরচের মানসিকতা নেই: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নজরুল আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক: রিজভী
- জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে বোর্ডের নতুন নীতিমালা প্রকাশ
- সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার
- ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ ঘোষণা
- নরসিংদীতে ইটবোঝাই লরির ধাক্কায় শ্রমিক নিহত
- বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে চোখ: বড় স্বপ্নের পথে বাংলাদেশ
- আবহাওয়ার বড় বার্তা: বিভিন্ন অঞ্চলে ৫ দিনের বিশেষ পূর্বাভাস
- কাশির সঙ্গে রক্ত: কারণ ও জরুরি সতর্কতার লক্ষণসমূহ
- চীনের জে-১০সি কিনতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ
- ক্ষমতার পরিবর্তনই যথেষ্ট নয়, বদলাতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি: AMRA গোলটেবিলে বক্তারা
- চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যে নতুন চাপ, নজর সিঙ্গাপুরেও
- ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য, ৪ ভারতীয় প্রতিষ্ঠানে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা
- লাফিয়ে বাড়ছে স্বর্ণের দাম, নতুন রেকর্ডের পথে ভরি
- বাংলাদেশে রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছর: প্রত্যাবাসন কেন এখনো অনিশ্চিত
- এডমিরাল পদে পদোন্নতি পেলেন নৌপ্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম
- দুবার প্রস্তুতি, তারেক রহমানের দিল্লি সফর বারবার বাতিল, নেপথ্যে কী
- বঙ্গোপসাগরে ২৪ নাবিক নিয়ে ডুবল জাহাজ, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২২
- দুই দিনেই ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত
- আজ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না বহু এলাকায়
- আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন একনজরে
- সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামো নিয়ে বড় খবর
- আজ বঙ্গভবনে উঠছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল
- নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে টিসিবির বড় পরিকল্পনা
- ভোট না দিয়ে রুমিন ফারহানা বললেন, ‘এটা নির্বাচন নয়’








