৩০০ পরিবারের জন্য নতুন পাকা ঘর করে দিচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

ভয়াবহ ও প্রলয়ংকরী প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবারই সবচেয়ে বেশি লণ্ডভণ্ড ও ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রান্তিক সাধারণ মানুষ। আকস্মিক বন্যার পানির তীব্র তোড়ে যখন একটি নিম্নবিত্ত পরিবারের সারাজীবনের ঘরবাড়ি, শেষ সহায়-সম্বল ও বেঁচে থাকার স্বপ্ন নিমিষেই ভেসে যায়, তখন তাদের জন্য একটি নিরাপদ স্থায়ী আশ্রয়ই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় ও মানবিক প্রয়োজন।
মাঠপর্যায়ের এমন চরম ও রূঢ় বাস্তবতায় উপদ্রুত বানভাসি মানুষের পাশে আবারও অনন্য মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’। বন্যাকবলিত এলাকায় তাৎক্ষণিক জরুরি খাদ্য ও ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি এবার বন্যায় সম্পূর্ণ ঘরহারা ও গৃহহীন হয়ে পড়া পরিবারগুলোর টেকসই পুনর্বাসনের লক্ষ্যে সম্পূর্ণ নতুন পাকা ঘর নির্মাণের এক বিশাল ও যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
চলমান বন্যায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে ঠাঁই নেওয়া ৩০০টি চরম ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে দুই কক্ষবিশিষ্ট আধুনিক ও মজবুত ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিনের নতুন পাকা ঘর’ নির্মাণের এই বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। ঘর নির্মাণের পাশাপাশি বন্যাদুর্গত লাখো মানুষের জন্য জরুরি শুকনো ও ভারী ত্রাণ বিতরণ এবং অন্যান্য পুনর্বাসন কার্যক্রমও সমানতালে অব্যাহত রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
আজ রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন ও দিকনির্দেশনামূলক পোস্টে দেশের সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতি ও নতুন এই পুনর্বাসন প্রজেক্টের বিস্তারিত তথ্য দেশবাসীকে জানান আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব শায়খ আহমাদুল্লাহ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সেই পোস্টে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেন, বন্যাপরবর্তী টেকসই পুনর্বাসন প্রকল্পের প্রথম ধাপের আওতায় ঘরহারা ও অতিদরিদ্র ৩০০টি পরিবারকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দুই কক্ষের উন্নত ও টেকসই ইন্ডাস্ট্রিয়াল টিনের নতুন পাকা ঘর নির্মাণ করে হস্তান্তর করা হবে। এর পাশাপাশি দেশ-বিদেশ থেকে তাদের বিশেষ ফান্ডে তহবিল সংগ্রহের পরিমাণ যদি আরও বৃদ্ধি পায়, তবে ঘর নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা এবং জরুরি ত্রাণ কার্যক্রমের পরিধিও জ্যামিতিক হারে আরও সম্প্রসারণ ও বৃদ্ধি করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহর ফেসবুক পোস্টে চলমান ত্রাণের ডেটা উল্লেখ করে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রামের সবচেয়ে উপদ্রুত অঞ্চল বাঁশখালীর চরম ক্ষতিগ্রস্ত চারটি দুর্গম ইউনিয়নের দুই হাজার বন্যাদুর্গত পরিবারের দ্বারে দ্বারে আস-সুন্নাহর ভলান্টিয়ারদের মাধ্যমে ইতোমধ্যে জরুরি উন্নত মানের খাদ্যসামগ্রী সফলভাবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া বন্যার্তদের তাৎক্ষণিক ক্ষুধা নিবারণের জন্য রাজধানী ঢাকায় ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আরও চার হাজার বিশেষ খাদ্যসামগ্রীর (প্যাকেজ) বস্তা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই বিশাল ত্রাণের বহর আজ রাতেই বিশেষ ট্রাকে করে সরাসরি চট্টগ্রামে পাঠানো হবে এবং পরদিন সোমবার সকাল থেকেই জেলার মোট আটটি বন্যাকবলিত উপজেলার প্রান্তিক ও প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে সুশৃঙ্খলভাবে বিতরণের চূড়ান্ত পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশের এই জাতীয় দুর্যোগের মুহূর্তে দেশ ও বিদেশের সমস্ত বিত্তবান, সামর্থ্যবান ও মানবিক হৃদয়ের মানুষদের প্রতি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এই মহৎ পুনর্বাসন কার্যক্রমে সাধ্যানুযায়ী আর্থিক ও লজিস্টিক সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।
উল্লেখ্য, এর আগেও বিগত বছরগুলোতে এবং চলমান বন্যার একদম শুরু থেকেই আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের বন্যাকবলিত বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় লাখ লাখ মানুষের মাঝে ভারী ও শুকনো খাদ্য, নিরাপদ বিশুদ্ধ খাবার পানি, জরুরি জীবনরক্ষাকারী ওষুধসহ নানাবিধ জরুরি তাৎক্ষণিক সহায়তা নিরবচ্ছিন্নভাবে পৌঁছে দিয়ে সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। তবে এবার কেবল সাময়িক খাদ্য সহায়তার গণ্ডি পেরিয়ে গৃহহারা ও নিঃস্ব মানুষের মাথার ওপর স্থায়ী ছাদ তৈরি করে দিতে নতুন ঘর নির্মাণের এই মেগা ঘোষণা প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পুনর্বাসন কার্যক্রমের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মাইলফলক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ক্রীড়া ও সমাজকল্যাণ বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্যোগের পর মাঠে চাল-ডাল বা ত্রাণ বিতরণ সাময়িকভাবে ক্ষুধার তীব্র সংকট লাঘব করলেও, একটি স্থায়ী ও নিরাপদ পাকা ঘর একটি বিপর্যস্ত পরিবারকে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর এবং নতুনভাবে জীবন শুরু করার চরম মানসিক শক্তি ও সাহস জোগায়। তাই বন্যায় পুরোপুরি ঘরহারা ৩০০টি পরিবারের জন্য আধুনিক ঘর নির্মাণের এই দূরদর্শী উদ্যোগ শুধু প্রথাগত মানবিক সহায়তাই নয়, বরং জাতীয় পর্যায়ে দুর্যোগ পুনর্বাসনের একটি অনন্য ও টেকসই দৃষ্টান্ত।
আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এই মহৎ উদ্যোগের সঙ্গে দেশের আপামর বিত্তবান ও সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে আসেন, তবে বন্যার তোড়ে ভেসে যাওয়া আরও হাজারো অসহায় পরিবার নতুন স্থায়ী আশ্রয়, সামাজিক নিরাপত্তা এবং একটি স্বাভাবিক সুন্দর জীবনে ফিরে আসার সুবর্ণ সুযোগ লাভ করবে।
/আশিক
আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
আজ রোববার (১২ জুলাই ২০২৬)। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি তারিখ ২৬ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো আজও ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকার প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৮ মিনিটে। এরপর আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে।
দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে। আর এশার নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ১৮ মিনিটে।
পরদিন অর্থাৎ সোমবার (১৩ জুলাই) ভোরে ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে সকাল ৩টা ৫৬ মিনিটে। তাই যারা তাহাজ্জুদ, সেহরি বা ফজরের জামাতের প্রস্তুতি নেন, তারা আগেভাগেই সময় জেনে রাখতে পারেন।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৯ মিনিটে। অন্যদিকে আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৯ মিনিটে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজ নির্ধারিত ওয়াক্তে আদায় করা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই প্রতিদিনের সময়সূচি সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং যথাসময়ে সালাত আদায়ের প্রস্তুতি নেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
-ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা
৮ জুলাইয়ের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
আজ বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬। বাংলা তারিখ ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ২২ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো আজও মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও আশপাশের এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় এবং বিভাগীয় শহরগুলোর জন্য সময়ের পার্থক্যও জানানো হয়েছে।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে। এরপর জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে। বিকেলে আসরের নামাজের সময় শুরু হবে ৪টা ৪৩ মিনিটে। মাগরিবের নামাজের ওয়াক্ত শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৩ মিনিটে, আর এশার নামাজ শুরু হবে রাত ৮টা ১৯ মিনিটে।
এদিকে আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৭ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত ঘটবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ফজরের নামাজের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৫২ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৭ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বিভাগীয় শহরগুলোর ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার সময়ের সঙ্গে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে।
অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট যোগ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।
ইসলামিক বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজের ওয়াক্ত যথাসময়ে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই প্রতিদিন হালনাগাদ সময়সূচি অনুসরণ করলে ওয়াক্ত সম্পর্কে বিভ্রান্তির সুযোগ থাকে না এবং নির্ধারিত সময়েই ইবাদত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
মঙ্গলবারের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় প্রকাশ
মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। তাই প্রতিদিনের নামাজের সময়সূচি জেনে রাখা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের জন্য প্রয়োজনীয়। আজ মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬ (২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১ মহররম ১৪৪৮ হিজরি) উপলক্ষে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে।
আজকের সূচি অনুযায়ী, জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৭ মিনিটে। এরপর আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের আজান হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর এশার সময় শুরু হবে রাত ৮টা ১৯ মিনিটে।
আগামী দিনের প্রস্তুতির জন্যও ফজরের সময় উল্লেখ করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) ফজরের সময় শুরু হবে ভোর ৩টা ৫৩ মিনিটে। এছাড়া আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৭ মিনিটে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, নামাজ নির্ধারিত ওয়াক্তে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই সময়সূচি অনুযায়ী ইবাদতের প্রস্তুতি নেওয়া এবং মসজিদে জামাতে অংশ নেওয়ার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নামাজের সময় কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। তাই নিজ নিজ এলাকার নির্ভরযোগ্য সময়সূচি অনুসরণ করা উত্তম।
সূত্র: ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, বসুন্ধরা, ঢাকা।
সহিহ হাদিসে জান্নাতের দরজা উন্মুক্ত হওয়ার ১২ আমল
মুমিনের জীবনের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হলো আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন এবং জান্নাতে প্রবেশের সৌভাগ্য লাভ করা। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে এমন বহু আমলের কথা এসেছে, যেগুলো একজন মুসলিমকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। কিছু আমল সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ ﷺ বিশেষ সুসংবাদ দিয়েছেন যে আমলের কারণে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হবে, জান্নাতের নির্দিষ্ট দরজা দিয়ে আহ্বান করা হবে অথবা জান্নাতে বিশেষ মর্যাদা লাভের আশা করা যায়।
১. পরিপূর্ণভাবে অজু করে শাহাদাত পাঠ
সহিহ মুসলিমের বর্ণনা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে অজু সম্পন্ন করে এরপর শাহাদাতের দোয়া পাঠ করে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেন। সে ইচ্ছামতো যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সম্মান লাভ করবে।
২. আল্লাহর পথে আন্তরিক দান
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এসেছে, যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে উদারভাবে দান করেন, কিয়ামতের দিন তাদের জান্নাতের বিভিন্ন দরজা থেকে আহ্বান করা হবে। ইসলামে দান শুধু সম্পদ ব্যয়ের বিষয় নয়; এটি ঈমান, তাকওয়া ও আত্মত্যাগেরও প্রতীক।
৩. নারীদের জন্য বিশেষ সুসংবাদ
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে নারী নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেন, রমজানের রোজা রাখেন, নিজের পবিত্রতা রক্ষা করেন এবং স্বামীর বৈধ বিষয়ে আনুগত্য করেন, তাকে জান্নাতের যেকোনো দরজা দিয়ে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে।
৪. রমজানের রোজা
সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, জান্নাতে ‘রাইয়্যান’ নামে একটি বিশেষ দরজা রয়েছে। কিয়ামতের দিন এই দরজা দিয়ে কেবল রোজাদারদেরই প্রবেশ করতে দেওয়া হবে। অন্য কেউ সেই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না।
৫. আল্লাহর পথে সংগ্রাম
সহিহ বুখারির বর্ণনায় রাসূল ﷺ বলেছেন, আল্লাহ তাঁর পথে সংগ্রামকারীদের জন্য জান্নাতে একশত উচ্চ মর্যাদার স্তর প্রস্তুত করে রেখেছেন। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, এটি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য বৈধ ও শরিয়তসম্মত সংগ্রামের মর্যাদা নির্দেশ করে।
৬. ফরজ ইবাদতের প্রতি অবিচল থাকা
এক সাহাবি যখন জানতে চাইলেন তিনি যদি ফরজ সালাত আদায় করেন, রমজানের রোজা রাখেন এবং হালাল-হারাম মেনে চলেন, তাহলে কি জান্নাতে প্রবেশ করবেন? তখন রাসূল ﷺ সংক্ষেপে উত্তর দেন, "হ্যাঁ।" এটি ফরজ বিধান পালনের গুরুত্ব স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
৭. আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মসজিদ নির্মাণ
সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে এসেছে, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন। ইসলামে এটি একটি চলমান সদকার (সাদাকায়ে জারিয়া) অন্যতম উত্তম উদাহরণ।
৮. এতিমের দায়িত্ব গ্রহণ
রাসূল ﷺ নিজের তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল পাশাপাশি রেখে বলেছেন, জান্নাতে তিনি এবং এতিমের দায়িত্ব গ্রহণকারী ব্যক্তি এতটাই নিকটবর্তী অবস্থানে থাকবেন। এতিমদের দেখাশোনা ও লালন-পালনের গুরুত্ব ইসলামে অত্যন্ত বেশি।
৯. উত্তম চরিত্র
ইসলামের অন্যতম প্রধান শিক্ষা হলো সুন্দর চরিত্র। রাসূল ﷺ জানিয়েছেন, যিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী, তার জন্য জান্নাতের সর্বোচ্চ স্তরে একটি ঘরের জামিন তিনি নিজেই।
১০. তাওহীদের ওপর জীবন শেষ করা
রাসূল ﷺ বলেছেন, যার জীবনের শেষ কথা হবে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ", সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আলেমরা ব্যাখ্যা করেছেন, এটি এমন ব্যক্তির জন্য, যিনি ঈমানের ওপর অবিচল থেকে জীবন অতিবাহিত করেন।
১১. জান্নাতের জন্য নিয়মিত দোয়া
সুনান তিরমিজির বর্ণনায় এসেছে, যে ব্যক্তি তিনবার আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করে, জান্নাত নিজেই আল্লাহর কাছে তার জন্য জান্নাত কামনা করে। এটি দোয়ার গুরুত্ব এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশা রাখার শিক্ষা দেয়।
১২. ফজর ও আসরের সালাতের বিশেষ মর্যাদা
রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি নিয়মিত ফজর ও আসরের সালাত আদায় করবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। এই দুই সালাতকে হাদিসে "বারদাইন" বা দুই শীতল সময়ের সালাত বলা হয়েছে।
ইসলামের মূল শিক্ষা কী?
আলেমদের মতে, কোনো একটি আমলকে বিচ্ছিন্নভাবে নয়, বরং ঈমান, ইখলাস, ফরজ বিধান পালন, হারাম থেকে বেঁচে থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক নেক আমলের সমন্বয়ই একজন মুমিনকে জান্নাতের পথে এগিয়ে নেয়। তাই এসব হাদিস একজন মুসলিমকে নেক আমলে উৎসাহিত করে এবং আল্লাহর রহমতের প্রতি আশাবাদী হতে শেখায়।
তথ্যসূত্র: সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনান আবু দাউদ, সুনান আত-তিরমিজি, মুসনাদ আহমাদ।
৬ জুলাইয়ের নামাজের সময় প্রকাশ, জেনে নিন এখনই
আজ সোমবার (৬ জুলাই ২০২৬)। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ এবং হিজরি বর্ষপঞ্জিতে ২০ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো আজও মুসল্লিদের সুবিধার্থে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের জন্য সময়ের প্রয়োজনীয় যোগ-বিয়োগও উল্লেখ করা হয়েছে।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী, ফজরের নামাজ শুরু হবে ভোর ৩টা ৫০ মিনিটে। এরপর জোহরের নামাজ দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে, আসরের নামাজ বিকেল ৪টা ৪৩ মিনিটে, মাগরিবের নামাজ সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে এবং ইশার নামাজ রাত ৮টা ২০ মিনিটে আদায় করা হবে।
আজ সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে। সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের এই সময়ের ভিত্তিতেই নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
আগামীকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) ফজরের নামাজের সময় ভোর ৩টা ৫০ মিনিট এবং সূর্যোদয় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে হবে বলে জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
তবে দেশের সব অঞ্চলে একই সময় প্রযোজ্য নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভাগভেদে নামাজের সময়ে সামান্য পার্থক্য দেখা যায়। চট্টগ্রামে ঢাকার সময় থেকে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট যোগ করে স্থানীয় সময় অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে হবে।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় জেনে নিন
আজ শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬)। বাংলা তারিখ ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৮ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের ইবাদত যথাসময়ে আদায়ের সুবিধার্থে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি সূর্যোদয়-সূর্যাস্তের সময় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরের সময়ের পার্থক্যও জানানো হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নিজ নিজ অবস্থান অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে পারেন।
আজকের সময়সূচি অনুযায়ী ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিটে। এরপর জোহরের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ৭ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজের সময় শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে। আগামীকাল রোববার (৫ জুলাই) ফজরের সময় অপরিবর্তিত থেকে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিটে শুরু হবে এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকা সময়ের সঙ্গে অন্যান্য বিভাগীয় শহরের নামাজের সময়ের কিছু পার্থক্য রয়েছে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামে ৫ মিনিট এবং সিলেটে ৬ মিনিট সময় বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনায় ৩ মিনিট, বরিশালে ১ মিনিট, রাজশাহীতে ৭ মিনিট এবং রংপুরে ৮ মিনিট সময় যোগ করে স্থানীয় নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
-রফিক
জীর্ণ ও ছেঁড়া আল-কোরআন অপসারণের শরিয়তসম্মত বিধান: অবমাননা রোধে কী করণীয়?
আল-কোরআন মহান আল্লাহ তাআলার চিরন্তন ও অলৌকিক কালাম। এর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ঈমানী দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ-এর ৭৭ থেকে ৭৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই কিতাবের উচ্চ মর্যাদা ঘোষণা করে বলেছেন, এটি এক সম্মানিত কোরআন, যা সুরক্ষিত কিতাবে লিপিবদ্ধ এবং পবিত্রগণ ব্যতীত কেউ তা স্পর্শ করে না। তবে দীর্ঘদিনের ব্যবহার, বার্ধক্য কিংবা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় কোরআনের পাতা বা পুরো কপি ছিঁড়ে কিংবা জীর্ণ হয়ে পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবমাননার হাত থেকে রক্ষা করতে শরিয়তসম্মত উপায়ে তা অপসারণের সুনির্দিষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে ইসলামে।
শরিয়ত বিশেষজ্ঞদের মতে, জীর্ণ কোরআনের অংশবিশেষ যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে তা পায়ে মাড়ানো বা ময়লা-আবর্জনার সংস্পর্শে আসার তীব্র ঝুঁকি থাকে, যা মারাত্মক গুনাহ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কুফরির শামিল। তাই যখন কোনো মুসহাফ বা কোরআনের অনুলিপি আর পাঠযোগ্য থাকে না, তখন তাকে সসম্মানে বিদায় দেওয়ার ফিকহী নীতিমালা রয়েছে। ইসলামী আইনবিদ তথা ফকীহগণ প্রধানত দুটি পদ্ধতিকে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সর্বোত্তম পদ্ধতি: মাটিতে সসম্মানে দাফন করা
হানাফী, শাফেঈ ও হাম্বলী মাযহাবের অধিকাংশ ইমামের মতে, জীর্ণ কোরআন অবমাননা থেকে বাঁচানোর সবচেয়ে নিরাপদ ও উত্তম উপায় হলো মাটিতে দাফন করা। হানাফী মাযহাবের চূড়ান্ত প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘ফাতাওয়া শামী’ (রদ্দুল মুহতার)-এ ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) স্পষ্টভাবে লিখেছেন, কোরআন মাজীদ যখন পুরোনো হয়ে যায় এবং তা পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে, তখন তা কোনো ময়লা বা ক্ষতিকর স্থানে ফেলার চেয়ে দাফন করা উত্তম। একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মুসলিমের লাশের মতো করে তা সসম্মানে দাফন করতে হবে।
অনুরূপভাবে হাম্বলী মাযহাবের বিখ্যাত ফকীহ ইমাম ইবনে মুফলিহ তাঁর ‘আল-ফুরু’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.) জীর্ণ কোরআনের পাতা মাটিতে দাফন করাকেই সর্বোত্তম মনে করতেন। এক্ষেত্রে শরিয়তের শর্ত হলো, গর্তটি বেশ গভীর হতে হবে যেন বৃষ্টির পানিতে ওপরের মাটি সরে না যায় কিংবা কোনো হিংস্র পশু তা বের করতে না পারে। স্থান হিসেবে জনমানবহীন নির্জন জায়গা, মসজিদের আঙিনা বা কবরস্থানের মতো পবিত্র স্থান নির্বাচন করা উচিত।
বিশেষ পরিস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা
যদি কোনো কারণে দাফন করার মতো নিরাপদ স্থান খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে অবমাননা রোধের উদ্দেশ্যে সতর্কতার সাথে পুড়িয়ে ফেলা শরিয়তে সম্পূর্ণ জায়েজ। ইসলামের ইতিহাসে এর শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর খেলাফতকালে যখন পবিত্র কোরআনের প্রামাণ্য অনুলিপি তৈরি করা হয়, তখন উপভাষা ও উচ্চারণগত বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সাহাবিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে (ইজমা) পূর্বের অন্যান্য অনুলিপিগুলো পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা সহীহ বুখারীর ৪৯৮৭ নম্বর হাদিসে প্রমাণিত।
বিখ্যাত কোরআন গবেষক আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহ.) তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলূমিল কোরআন’ গ্রন্থে লিখেছেন, হযরত উসমান (রা.) যেহেতু পুড়িয়েছিলেন, তাই অবমাননা রোধে এটি সম্পূর্ণরূপে জায়েজ এবং এতে কোনো গুনাহ নেই। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-ও তাঁর ফতোয়াগ্রন্থে খলিফা উসমানের এই কাজকে সমর্থন করে একে কোরআনের সুরক্ষার অন্যতম উপায় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হলো, পাতাগুলো যেন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং পোড়ানোর পর সেই ছাই বাতাসে উড়িয়ে না দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে হবে বা বড় কোনো নদী-সমুদ্রে বিসর্জন দিতে হবে।
আধুনিক যুগের প্রযুক্তি: কাগজ কুচি ও রিসাইকেলিং
বর্তমান শিল্পোন্নত ও যান্ত্রিক যুগে আধুনিক ফতোয়া বোর্ডগুলো (যেমন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ড ‘আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ’) জানিয়েছে, জীর্ণ কোরআনের পাতা যদি এমন আধুনিক মেশিনে (Cross-cut Shredder) কাটা হয় যা হরফ ও শব্দকে সম্পূর্ণ মিহি বা গুঁড়ো করে ফেলে এবং কোনো একক অক্ষরের অস্তিত্ব রাখে না, তবে তা জায়েজ (ফতোয়া নং ৪১৩৮)। তবে ফিতার মতো লম্বা করে কাটা সাধারণ অফিস শ্রেডার ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কারণ তাতে আল্লাহর নাম বা আয়াত অক্ষত থাকার ঝুঁকি থাকে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমি-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ বর্জ্যের সাথে মিলিয়ে কোরআনের কেমিক্যাল রিসাইকেলিং করা হারাম হলেও, যদি কোনো বিশেষায়িত কারখানা কেবল কোরআনের কাগজ আলাদা করে, সম্পূর্ণ পবিত্র প্রক্রিয়ায় নতুন মণ্ড তৈরি করে পুনরায় কোরআন বা ধর্মীয় কিতাব ছাপে, তবে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ ও প্রশংসনীয়।
যেসব প্রচলিত পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
অনেকে না বুঝে জীর্ণ কোরআনের পাতা সরাসরি নদী বা জলাশয়ে ভাসিয়ে দেন। ফকীহগণের মতে এটি অনিরাপদ পদ্ধতি। কারণ পানিতে ভাসমান হালকা পাতাগুলো স্রোতের টানে তীরে এসে আবর্জনার স্তূপে জমতে পারে বা নালায় আটকে যেতে পারে। ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) তাঁর ফতোয়ায় লিখেছেন, সরাসরি পানিতে ফেলার চেয়ে যদি কোনো ভারী পাথরের সাথে কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে পানির গভীর তলদেশে ডুবিয়ে দেওয়া হয় যাতে তা স্থায়ীভাবে থিতু হয়, তবে তা কিছুটা গ্রহণযোগ্য; অন্যথায় মাটিতে দাফন বা পুড়িয়ে ফেলাই একমাত্র নিরাপদ পথ। এছাড়া সাধারণ ডাস্টবিনে বা গৃহস্থালির বর্জ্যের সাথে কোরআনের আয়াতযুক্ত কোনো কাগজ ফেলা সম্পূর্ণ হারাম। ইমাম নওয়াবী (রহ.) তাঁর ‘আল-তিবয়ান’ গ্রন্থে এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সামষ্টিক উদ্যোগের আহ্বান
কোরআনের মর্যাদা রক্ষা করা শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজেরও সম্মিলিত দায়িত্ব। বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় প্রতিটি অঞ্চলের বড় বড় মসজিদ, মাদরাসা বা সরকারি উদ্যোগে ‘কোরআন কালেকশন বক্স’ বা বুথ স্থাপন করা সময়ের দাবি। সাধারণ মানুষ তাদের ঘরের ছেঁড়া পৃষ্ঠা বা পুরোনো কোরআন সেখানে জমা দিলে পরবর্তীতে ওলামাদের তত্ত্বাবধানে সমষ্টিগতভাবে তা গভীর মাটিতে দাফন বা শরিয়াহসম্মত উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এর ফলে অসচেতনতাবশত আল্লাহর কালামের অবমাননা ও গুনাহের হাত থেকে উম্মাহ রক্ষা পাবে।
আজ শুক্রবারের নামাজের সময়সূচি, দেখে নিন
আজ শুক্রবার (৩ জুলাই ২০২৬)। বাংলা তারিখ ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৭ মহররম ১৪৪৮। মুসল্লিদের ইবাদত-বন্দেগি সঠিক সময়ে আদায়ে সহায়তার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঢাকাসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ এই সময়সূচি অনুসরণ করে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও অন্যান্য ইবাদত যথাসময়ে আদায় করতে পারবেন।
আজ ঢাকায় ফজরের সময় ভোর ৩টা ৪৯ মিনিট, জোহরের সময় দুপুর ১২টা ০৬ মিনিট, আসরের সময় বিকেল ৪টা ৪২ মিনিট, মাগরিবের সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিট এবং ইশার সময় রাত ৮টা ২০ মিনিট। এছাড়া আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে এবং সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
আগামীকাল শনিবার (৪ জুলাই ২০২৬) ঢাকায় ফজরের সময় থাকবে ভোর ৩টা ৪৯ মিনিট এবং সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ঢাকার সময়সূচিকে ভিত্তি ধরে অন্যান্য বিভাগীয় শহরে নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট, রংপুরের জন্য ৮ মিনিট এবং বরিশালের জন্য ১ মিনিট যোগ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার নামাজের সময় নির্ধারণ করতে হবে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞদের মতে, নামাজ ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের অন্যতম। তাই নির্ধারিত ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে শুক্রবারের জুমার নামাজ ইসলামে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় এদিন সময়সূচি অনুসরণ করে যথাসময়ে মসজিদে উপস্থিত হওয়ার প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করে থাকে। ফলে মুসল্লিরা নিজ নিজ এলাকার সময়ের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগ-বিয়োগ করে সহজেই সঠিক ওয়াক্ত অনুযায়ী নামাজ আদায় করতে পারেন।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ।
আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন এক নজরে
আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬), ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৩০ জুন, বাংলা ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ এবং হিজরি ১৪ মহররম ১৪৪৮। প্রতিদিনের মতো রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকার মুসল্লিদের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। নির্ধারিত সময়ে ইবাদত আদায়ের সুবিধার্থে প্রকাশিত এই সময়সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে। এরপর জোহরের নামাজের সময় শুরু হবে দুপুর ১২টা ০৬ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে। দিনের শেষভাগে মাগরিবের নামাজ শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫৪ মিনিটে, আর ইশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৮টা ২০ মিনিটে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৫১ মিনিটে। আগামীকাল বুধবার (১ জুলাই) ফজরের সময়ও ভোর ৩টা ৪৮ মিনিটে শুরু হবে এবং সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৪ মিনিটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকার সময়কে ভিত্তি ধরে দেশের অন্যান্য বিভাগীয় শহরে নামাজের সময় কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সে অনুযায়ী চট্টগ্রামের জন্য ৫ মিনিট এবং সিলেটের জন্য ৬ মিনিট বিয়োগ করতে হবে। অন্যদিকে খুলনার জন্য ৩ মিনিট, বরিশালের জন্য ১ মিনিট, রাজশাহীর জন্য ৭ মিনিট এবং রংপুরের জন্য ৮ মিনিট যোগ করতে হবে।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা জানান, নামাজ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান। তাই নিজ নিজ এলাকার সময়সূচি অনুযায়ী ইবাদত পালন করাই উত্তম। বিশেষ করে ভ্রমণ বা অন্য বিভাগে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সময়ের পার্থক্য বিবেচনায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
পাঠকের মতামত:
- ৩০০ পরিবারের জন্য নতুন পাকা ঘর করে দিচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন
- ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ ও আর্জেন্টিনার রেফারিং সুবিধা: ২০২৬ বিশ্বকাপে ফিফার নজিরবিহীন কেলেঙ্কারি
- দেশের ৭ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, নতুন করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা
- রেফারিই হারিয়ে দিল আমাদের, এমবোলোর বিতর্কিত লাল কার্ডে ফুঁসছেন মুরাত ইয়াকিন
- বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের ভবিষ্যদ্বাণী: আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এগিয়ে ইংল্যান্ড!
- শিক্ষকের মর্যাদা যখন প্রশ্নবিদ্ধ: সংকটে শিক্ষাঙ্গন, সংকটে আমাদের ভবিষ্যৎ
- সাত জেলায় বন্যার্তদের জন্য মাথাপিছু বরাদ্দ মাত্র ২৮ টাকা ও ৩ কেজি চাল!
- ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুসহ ১৩ বিশ্বনেতাকে হত্যার ‘হিট লিস্ট’ প্রকাশ করল ইরানের গণমাধ্যম
- প্রত্যর্পণ চুক্তিতে ফিরলে সরাসরি কারাগারে যেতে হবে শেখ হাসিনাকে, ট্রাইব্যুনালের কড়া বার্তা
- মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সংঘাত যেকোনো মুহূর্তে বিশ্ব কাঁপানো আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি
- আনোয়ারার বেড়িবাঁধের বরাদ্দের একটি টাকাও দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না: নাহিদ ইসলাম
- তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য বড় সুখবর: বিনা জামানতে মিলবে ১০ লাখ টাকার ঋণ
- ‘আমার সঙ্গে সম্মান দিয়ে কথা বলুন’- রেফারিকে মেসি
- ‘প্রতিশ্রুতি না রাখলে মূল্য দিতে হবে’: গালিবাফ
- রোববার রাজধানীর কোথায় মার্কেট বন্ধ? জেনে নিন
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- প্রাথমিক বৃত্তির ফল আজ, যেভাবে জানবেন রেজাল্ট
- সোনা-রুপার নতুন দাম কার্যকর, জানুন সর্বশেষ তালিকা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের এক্সিট সুবিধা, তবু কেন অনীহা ব্যাংকগুলোর?
- বন্যার্তদের পাশে সরকার, প্রধানমন্ত্রীর নতুন নির্দেশনা
- বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সংখ্যা দ্বিগুণ করল মিসরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়
- ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রের দিকে ছুটছেন বানভাসি মানুষ, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে রেড অ্যালার্ট
- ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পিকআপ উদ্ধারের সময় বাসের চাপা, ৫ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু
- দাউদকান্দি পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ২১ ও ১৭ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৯
- সুইসদের বিপক্ষে অপরাজেয় রেকর্ডের আত্মবিশ্বাস নিয়ে সেমিফাইনালের লক্ষ্যে মেসিরা
- মার্কার অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান: গতির বিচারে ক্রীড়াবিজ্ঞানকে বিস্মিত করছেন মেসি
- ধার-দেনা ও মানসিক চাপ কমাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দেওয়া হচ্ছে রেশন
- মন্তিয়েল বনাম মোলিনা: সুইজারল্যান্ড ম্যাচে রাইটব্যাকে কে পাচ্ছেন সুযোগ?
- চার বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আবহাওয়া অফিস
- আগামী ১০০ বছরেও বাংলাদেশে আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা
- খিচুড়ি রান্না বা কচুরিপানা দেখতে আমলাদের বিদেশ সফরের যুগ শেষ: শিক্ষামন্ত্রী
- মধ্যপ্রাচ্যে চরম যুদ্ধাবস্থার মাঝেই ওমানে মুখোমুখি হচ্ছে আমেরিকা ও ইরান
- শেখ মুজিবুর রহমানের পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না: স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ
- খামেনি হত্যার মোক্ষম প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন নতুন সর্বোচ্চ নেতা
- পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো শিল্পকারখানা গড়ার সুযোগ নেই: পরিবেশমন্ত্রী
- ট্রফির চেয়েও বড় কোন ‘উত্তরাধিকার’ খুঁজছেন স্কালোনি? সুইজারল্যান্ড বধের আগে বিশ্বজয়ীর আবেগঘন বার্তা
- ঢামেকে তারেক রহমান, উৎসবমুখর ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
- ট্রাম্পের হুমকি, ‘ইরানকে নিশ্চিহ্ন করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র’
- ঢাকা মেডিকেলে তারেক রহমান, উদ্বোধন করলেন বৃক্ষরোপণ
- মিয়ামিতে মহাদ্বৈরথ: ইংল্যান্ডকে ফেবারিট মেনেও কোন সমীকরণে হুঙ্কার ছাড়ছে নরওয়ে?
- যুদ্ধ নাকি কূটনীতি? ইরান-মার্কিন চরম উত্তেজনার মাঝে তেহরানে কাতার, টেবিলে কঠিন শর্ত
- জ্বলছে দক্ষিণ স্পেন: এক রূপকথার অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের নারকীয় তাণ্ডব, নেপথ্যে কী?
- নাহিদ, আসিফ ও পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নুরের
- টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়
- স্পেন-বেলজিয়াম মহারণ, সেমির টিকিট কার হাতে
- আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ১৪ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে সংকেত
- উত্তরাঞ্চলে দুই নতুন নদীবন্দর নির্মাণে সরকারি ঘোষণা
- যুদ্ধ থামেনি, আরও বড় হামলার বার্তা দিল ইসরায়েল
- আজ মাঠে স্পেন-বেলজিয়াম, জমজমাট ক্রীড়া সূচি
- ফন্টেইনের ৬৮ বছরের রেকর্ড ভাঙবেন মেসি?
- ‘অন্য ভাষায় জবাব পাবেন’ ট্রাম্পকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল ইরান
- তাপপ্রবাহে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু, এবার ঝড়-বন্যার নতুন শঙ্কা
- আমির-গৌরীর বিয়ে, আলোচনায় গৌরীর সম্পদের পরিমাণ
- ৩৪ ম্যাচের অপরাজিত মরক্কোকে বিদায় দিল ফ্রান্স
- সোনা-রুপার নতুন দাম কার্যকর, জানুন সর্বশেষ তালিকা
- খামেনির শোক র্যালিতে জনসমুদ্র, প্রতিশোধের লাল পতাকায় মুখর তেহরান
- স্পেন-বেলজিয়াম মহারণ, সেমির টিকিট কার হাতে
- স্বর্ণ কিনতে বাড়তি খরচ, কার্যকর নতুন মূল্যতালিকা
- ৬ জুলাই ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারে ভয়াবহ বিপর্যয়
- নাহিদ, আসিফ ও পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নুরের
- ‘আমেরিকাই একমাত্র নয়, ভারতের মতো বড় বন্ধু আছে’-ভ্যান্সকে জবাব নেতানিয়াহুর
- ২০৩০ বিশ্বকাপ কোথায়? জানুন সব ভেন্যু
- শিক্ষকের মর্যাদা যখন প্রশ্নবিদ্ধ: সংকটে শিক্ষাঙ্গন, সংকটে আমাদের ভবিষ্যৎ








