বিশেষ প্রতিবেদন
জীর্ণ ও ছেঁড়া আল-কোরআন অপসারণের শরিয়তসম্মত বিধান: অবমাননা রোধে কী করণীয়?

আল-কোরআন মহান আল্লাহ তাআলার চিরন্তন ও অলৌকিক কালাম। এর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন এবং এর পবিত্রতা রক্ষা করা মুসলিম উম্মাহর অন্যতম প্রধান ঈমানী দায়িত্ব। পবিত্র কোরআনের সূরা আল-ওয়াকিয়াহ-এর ৭৭ থেকে ৭৯ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা এই কিতাবের উচ্চ মর্যাদা ঘোষণা করে বলেছেন, এটি এক সম্মানিত কোরআন, যা সুরক্ষিত কিতাবে লিপিবদ্ধ এবং পবিত্রগণ ব্যতীত কেউ তা স্পর্শ করে না। তবে দীর্ঘদিনের ব্যবহার, বার্ধক্য কিংবা অসাবধানতার কারণে অনেক সময় কোরআনের পাতা বা পুরো কপি ছিঁড়ে কিংবা জীর্ণ হয়ে পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অবমাননার হাত থেকে রক্ষা করতে শরিয়তসম্মত উপায়ে তা অপসারণের সুনির্দিষ্ট ও মর্যাদাপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে ইসলামে।
শরিয়ত বিশেষজ্ঞদের মতে, জীর্ণ কোরআনের অংশবিশেষ যেখানে-সেখানে ফেলে রাখলে তা পায়ে মাড়ানো বা ময়লা-আবর্জনার সংস্পর্শে আসার তীব্র ঝুঁকি থাকে, যা মারাত্মক গুনাহ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কুফরির শামিল। তাই যখন কোনো মুসহাফ বা কোরআনের অনুলিপি আর পাঠযোগ্য থাকে না, তখন তাকে সসম্মানে বিদায় দেওয়ার ফিকহী নীতিমালা রয়েছে। ইসলামী আইনবিদ তথা ফকীহগণ প্রধানত দুটি পদ্ধতিকে এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন।
সর্বোত্তম পদ্ধতি: মাটিতে সসম্মানে দাফন করা
হানাফী, শাফেঈ ও হাম্বলী মাযহাবের অধিকাংশ ইমামের মতে, জীর্ণ কোরআন অবমাননা থেকে বাঁচানোর সবচেয়ে নিরাপদ ও উত্তম উপায় হলো মাটিতে দাফন করা। হানাফী মাযহাবের চূড়ান্ত প্রামাণ্য গ্রন্থ ‘ফাতাওয়া শামী’ (রদ্দুল মুহতার)-এ ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) স্পষ্টভাবে লিখেছেন, কোরআন মাজীদ যখন পুরোনো হয়ে যায় এবং তা পড়ার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ে, তখন তা কোনো ময়লা বা ক্ষতিকর স্থানে ফেলার চেয়ে দাফন করা উত্তম। একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মুসলিমের লাশের মতো করে তা সসম্মানে দাফন করতে হবে।
অনুরূপভাবে হাম্বলী মাযহাবের বিখ্যাত ফকীহ ইমাম ইবনে মুফলিহ তাঁর ‘আল-ফুরু’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.) জীর্ণ কোরআনের পাতা মাটিতে দাফন করাকেই সর্বোত্তম মনে করতেন। এক্ষেত্রে শরিয়তের শর্ত হলো, গর্তটি বেশ গভীর হতে হবে যেন বৃষ্টির পানিতে ওপরের মাটি সরে না যায় কিংবা কোনো হিংস্র পশু তা বের করতে না পারে। স্থান হিসেবে জনমানবহীন নির্জন জায়গা, মসজিদের আঙিনা বা কবরস্থানের মতো পবিত্র স্থান নির্বাচন করা উচিত।
বিশেষ পরিস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে ফেলা
যদি কোনো কারণে দাফন করার মতো নিরাপদ স্থান খুঁজে পাওয়া না যায়, তবে অবমাননা রোধের উদ্দেশ্যে সতর্কতার সাথে পুড়িয়ে ফেলা শরিয়তে সম্পূর্ণ জায়েজ। ইসলামের ইতিহাসে এর শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে। ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর খেলাফতকালে যখন পবিত্র কোরআনের প্রামাণ্য অনুলিপি তৈরি করা হয়, তখন উপভাষা ও উচ্চারণগত বিভ্রান্তি দূর করতে তিনি সাহাবিদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে (ইজমা) পূর্বের অন্যান্য অনুলিপিগুলো পুড়িয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিলেন, যা সহীহ বুখারীর ৪৯৮৭ নম্বর হাদিসে প্রমাণিত।
বিখ্যাত কোরআন গবেষক আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতী (রহ.) তাঁর ‘আল-ইতকান ফী উলূমিল কোরআন’ গ্রন্থে লিখেছেন, হযরত উসমান (রা.) যেহেতু পুড়িয়েছিলেন, তাই অবমাননা রোধে এটি সম্পূর্ণরূপে জায়েজ এবং এতে কোনো গুনাহ নেই। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহ.)-ও তাঁর ফতোয়াগ্রন্থে খলিফা উসমানের এই কাজকে সমর্থন করে একে কোরআনের সুরক্ষার অন্যতম উপায় বলে উল্লেখ করেছেন। তবে এক্ষেত্রে প্রধান শর্ত হলো, পাতাগুলো যেন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং পোড়ানোর পর সেই ছাই বাতাসে উড়িয়ে না দিয়ে মাটিতে পুঁতে দিতে হবে বা বড় কোনো নদী-সমুদ্রে বিসর্জন দিতে হবে।
আধুনিক যুগের প্রযুক্তি: কাগজ কুচি ও রিসাইকেলিং
বর্তমান শিল্পোন্নত ও যান্ত্রিক যুগে আধুনিক ফতোয়া বোর্ডগুলো (যেমন সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ফতোয়া বোর্ড ‘আল-লাজনাহ আদ-দাইমাহ’) জানিয়েছে, জীর্ণ কোরআনের পাতা যদি এমন আধুনিক মেশিনে (Cross-cut Shredder) কাটা হয় যা হরফ ও শব্দকে সম্পূর্ণ মিহি বা গুঁড়ো করে ফেলে এবং কোনো একক অক্ষরের অস্তিত্ব রাখে না, তবে তা জায়েজ (ফতোয়া নং ৪১৩৮)। তবে ফিতার মতো লম্বা করে কাটা সাধারণ অফিস শ্রেডার ব্যবহার করা নিষিদ্ধ, কারণ তাতে আল্লাহর নাম বা আয়াত অক্ষত থাকার ঝুঁকি থাকে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক ইসলামী ফিকহ একাডেমি-র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাধারণ বর্জ্যের সাথে মিলিয়ে কোরআনের কেমিক্যাল রিসাইকেলিং করা হারাম হলেও, যদি কোনো বিশেষায়িত কারখানা কেবল কোরআনের কাগজ আলাদা করে, সম্পূর্ণ পবিত্র প্রক্রিয়ায় নতুন মণ্ড তৈরি করে পুনরায় কোরআন বা ধর্মীয় কিতাব ছাপে, তবে তা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ ও প্রশংসনীয়।
যেসব প্রচলিত পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
অনেকে না বুঝে জীর্ণ কোরআনের পাতা সরাসরি নদী বা জলাশয়ে ভাসিয়ে দেন। ফকীহগণের মতে এটি অনিরাপদ পদ্ধতি। কারণ পানিতে ভাসমান হালকা পাতাগুলো স্রোতের টানে তীরে এসে আবর্জনার স্তূপে জমতে পারে বা নালায় আটকে যেতে পারে। ইমাম ইবনে আবিদিন (রহ.) তাঁর ফতোয়ায় লিখেছেন, সরাসরি পানিতে ফেলার চেয়ে যদি কোনো ভারী পাথরের সাথে কাপড় দিয়ে শক্ত করে বেঁধে পানির গভীর তলদেশে ডুবিয়ে দেওয়া হয় যাতে তা স্থায়ীভাবে থিতু হয়, তবে তা কিছুটা গ্রহণযোগ্য; অন্যথায় মাটিতে দাফন বা পুড়িয়ে ফেলাই একমাত্র নিরাপদ পথ। এছাড়া সাধারণ ডাস্টবিনে বা গৃহস্থালির বর্জ্যের সাথে কোরআনের আয়াতযুক্ত কোনো কাগজ ফেলা সম্পূর্ণ হারাম। ইমাম নওয়াবী (রহ.) তাঁর ‘আল-তিবয়ান’ গ্রন্থে এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সামষ্টিক উদ্যোগের আহ্বান
কোরআনের মর্যাদা রক্ষা করা শুধু ব্যক্তির নয়, সমাজেরও সম্মিলিত দায়িত্ব। বর্তমান সামাজিক বাস্তবতায় প্রতিটি অঞ্চলের বড় বড় মসজিদ, মাদরাসা বা সরকারি উদ্যোগে ‘কোরআন কালেকশন বক্স’ বা বুথ স্থাপন করা সময়ের দাবি। সাধারণ মানুষ তাদের ঘরের ছেঁড়া পৃষ্ঠা বা পুরোনো কোরআন সেখানে জমা দিলে পরবর্তীতে ওলামাদের তত্ত্বাবধানে সমষ্টিগতভাবে তা গভীর মাটিতে দাফন বা শরিয়াহসম্মত উপায়ে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এর ফলে অসচেতনতাবশত আল্লাহর কালামের অবমাননা ও গুনাহের হাত থেকে উম্মাহ রক্ষা পাবে।
চব্বিশ ঘণ্টার রুটিনেই মিলবে অশেষ সওয়াব, জেনে নিন ৫টি ছোট দোয়া
দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কাজগুলোকে সহজেই পুণ্যে রূপান্তর করতে রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশ কিছু সংক্ষিপ্ত অথচ অর্থবহ দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন। ঘর থেকে বের হওয়া, মসজিদে প্রবেশ, কিংবা যানবাহনে আরোহণের মতো প্রাত্যহিক অভ্যাসে এসব দোয়ার নিয়মিত চর্চা একজন মুমিনের জীবনে আল্লাহর রহমত ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
দৈনন্দিন জীবনে আমল করার মতো পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়ার বিবরণ
যানবাহনে ওঠার দোয়া: সুরা যুখরুফের ১৩-১৪ নম্বর আয়াতের এই দোয়াটি বাহনে চড়ে আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া এবং তাঁর কাছে চূড়ান্ত প্রত্যাবর্তনের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়—
আরবি: سُبْحَانَ الَّذِي سَخَّرَ لَنَا هَذَا وَمَا كُنَّا لَهُ مُقْرِنِينَ، وَإِنَّا إِلَى رَبِّنَا لَمُنْقَلِبُونَ
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাজি সাখখারালানা হা-যা ওয়া মা কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রাব্বিনা লামুনকালিবুন।
অর্থ: তিনি পূতপবিত্র, যিনি এ বাহনকে আমাদের অধীন করে দিয়েছেন। অথচ এটি আয়ত্তে আনার ক্ষমতা আমাদের ছিল না। আর নিশ্চয়ই আমরা আমাদের রবের কাছেই ফিরে যাব।
মসজিদে প্রবেশের দোয়া: আল্লাহর বিশেষ রহমত ও অনুগ্রহ কামনায় মসজিদে প্রবেশের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি পাঠ করতেন (আবু দাউদ: ৪৬৬)—
আরবি: اللَّهُمَّ افْتَحْ لِي أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রহমাতিক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।
মসজিদ থেকে বের হওয়ার দোয়া: ইবাদত শেষে পার্থিব রিজিক ও জীবিকায় আল্লাহর অনুগ্রহ লাভের উদ্দেশ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়াটি পড়তেন (আবু দাউদ: ১২৬)—
আরবি: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদ্বলিক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।
ঘরে প্রবেশের দোয়া: ঘরে কল্যাণ ও বরকত নিশ্চিত করতে এবং পরিবারের নিরাপত্তায় আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল প্রকাশে এই দোয়াটি পাঠের বিধান রয়েছে (আবু দাউদ: ৫০৯৬)—
আরবি:اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَ الْمَوْلِجِ وَخَيْرَ الْمَخْرَجِ، بِسْمِ اللَّهِ وَلَجْنَا، وَبِسْمِ اللَّهِ خَرَجْنَا، وَعَلَى اللَّهِ رَبِّنَا تَوَكَّلْنَا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাল মাউলাজি, ওয়া খাইরাল মাখরাজি; বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খারাজনা; ওয়া আলাল্লাহি রাব্বিনা তাওয়াক্কালনা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে প্রবেশ ও প্রস্থানের কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আল্লাহর নামে আমরা প্রবেশ করলাম এবং আল্লাহর নামেই বের হলাম। আর আমাদের রব আল্লাহর ওপরই আমরা ভরসা করলাম।
ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া: ঘর থেকে বাইরে যাওয়ার মুহূর্তে আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত পেতে রাসুলুল্লাহ (সা.) এই দোয়া শিখিয়েছেন (তিরমিজি: ৩৪২৬)—
আরবি: بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللهِ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
অর্থ: আল্লাহর নামে বের হলাম। আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।
/আশিক
বাড়বে না হজের নিবন্ধনের সময়, চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
২০২৭ সালের পবিত্র হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটার বিপরীতে এখন পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন মাত্র ৩ হাজার ৭৪১ জন যাত্রী। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জন নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন; ফলে নির্ধারিত জাতীয় কোটার একটি বড় অংশই এখনও ফাঁকা রয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর হজ নিবন্ধনের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে এবং এর পর আর কোনোভাবেই সময় বৃদ্ধি করা হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১। সার্কুলারে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই সমস্ত নিবন্ধন কার্যক্রম সম্পন্ন করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। গত ২৭ জুলাই শুরু হওয়া এই নিবন্ধনের সময়সীমা পার হওয়ার পর সৌদি সরকারের কাছে হজযাত্রীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রেরণ করা হবে এবং সেই তালিকার ভিত্তিতেই সৌদি পর্বের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহের অর্থ স্থানান্তর করা হবে। একই সাথে চূড়ান্ত তালিকার ওপর ভিত্তি করে শুরু হবে হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফিটনেস সনদ প্রদান, বাধ্যতামূলক টিকাদান ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত কোটা পূরণ হতে এখনও ৭৪ হাজার ৭৫৯ জনের নিবন্ধন বাকি রয়েছে।
/আশিক
২০২৭ সালের পবিত্র রমজান কবে শুরু? সামনে এলো সম্ভাব্য তারিখ
২০২৭ সাল শুরু হতে আর মাত্র তিন মাস বাকি থাকতেই মুসলিম বিশ্বের ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে আসন্ন বছরের পবিত্র রমজান মাসের সম্ভাব্য সময় নিয়ে গভীর কৌতূহল দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাম্প্রতিক জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশ বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে যে, আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী মাসের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত সূচনা নির্ভর করবে সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখা যাওয়ার ওপর।
এরই মধ্যে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে ১৪৪৮ হিজরি সনের রবিউস সানি মাস। এর ফলে হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী পবিত্র রমজান শুরুর অপেক্ষা এখন শেষ পাঁচটি চন্দ্রমাসে এসে ঠেকেছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানের বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে রমজানের নতুন চাঁদ অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। সেই সন্ধ্যায় যদি আকাশে একফালি চাঁদের দেখা মেলে, তবে ওই রাতেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আদায় করবেন প্রথম তারাবির নামাজ এবং পরদিন ৮ ফেব্রুয়ারি পালন করবেন প্রথম রোজা।
তবে নির্ধারিত সন্ধ্যায় যদি নতুন চাঁদ দৃশ্যমান না হয়, সে ক্ষেত্রে রমজান শুরুর সম্ভাব্য এই তারিখ এক দিন পিছিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। ইসলামিক চান্দ্র ক্যালেন্ডারের প্রতিটি মাস যেহেতু কেবলই চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল, তাই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবের সঙ্গে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সামান্য তারতম্য হওয়া স্বাভাবিক। একইভাবে চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রমজান মাস ২৯ কিংবা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে। সিয়াম সাধনার মাস শেষে শাওয়াল মাসের নতুন চাঁদ দেখা সাপেক্ষে উদযাপিত হবে মুসলিমদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য দিন হিসেবে আগামী ১০ মার্চকে ধারণা করা হলেও সেই তারিখটিও পুরোপুরি চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।
/আশিক
আগামী বছরের হজ নিবন্ধন প্রক্রিয়া ও নির্ধারিত সময়সীমা নিয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি
২০২৭ সালের হজের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধনপ্রক্রিয়া আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত এই সময়ের পর আর কোনোভাবেই সময় বাড়ানো হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করার জরুরি তাগিদ দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সৌদি সরকারের দেওয়া কঠোর দিকনির্দেশনার আলোকে নিবন্ধন সমাপ্তির সঙ্গে সঙ্গেই বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। এরপরই মূলত সৌদি পর্বের বাড়িভাড়া ও প্রয়োজনীয় অর্থ প্রেরণ, মেডিক্যাল চেকআপ, ফিটনেস সনদ ইস্যু, বাধ্যতামূলক টিকা প্রদান ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মতো সময়সাপেক্ষ কাজগুলো শুরু হবে। উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের জন্য বাংলাদেশের মোট হজযাত্রী কোটা নির্ধারিত রয়েছে ৭৮ হাজার ৫০০ জন। গত ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি মাধ্যমে ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে ২ হাজার ৬৭৬ জনসহ সর্বমোট ৩ হাজার ৭৪১ জন হজযাত্রী নিবন্ধন চূড়ান্ত করেছেন।
/আশিক
২০২৭ সালের হজ প্যাকেজে বড় ছাড়: প্যাকেজ-১ ও ২-এ যত টাকা সাশ্রয় হচ্ছে
হজযাত্রীদের সার্বিক অর্থনৈতিক বোঝা লাঘব করতে খাবারের ব্যয় যুক্ত করার পরও ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের খরচ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমানো হয়েছে বলে জাতীয় সংসদকে অবহিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালী বিধির ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরেন তিনি।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনা অনুসরণ করে আগামী বছরের হজ প্যাকেজকে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য অধিকতর সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্যাকেজভিত্তিক বিস্তারিত খরচের হিসাব দিয়ে তিনি জানান, ২০২৬ সালে হজ প্যাকেজ-১-এর মূল্য যেখানে ছিল ৬ লাখ ৯০ হাজার ৫৭৭ টাকা, ২০২৭ সালে তা ৭৫ হাজার ৩৫৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ১৫ হাজার ২২৩ টাকায়। বিশেষ বিষয় হলো, নতুন এই প্যাকেজের মধ্যেই খাবার বাবদ ৩৯ হাজার ১৩৬ টাকার খরচটি আগে থেকেই অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। একইভাবে হজ প্যাকেজ-২-এর ব্যয়ও ৫৩ হাজার ২৩৩ টাকা কমানো হয়েছে। পূর্ববর্তী বছরে এ প্যাকেজের খরচ ৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮৮১ টাকা থাকলেও আগামী বছরের জন্য তা ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে, যার মধ্যে খাবার বাবদ ২৯ হাজার টাকার ব্যয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্যাকেজের সামগ্রিক ব্যয়ের পাশাপাশি বিমান ভাড়ার ক্ষেত্রেও বড় ধরনের ছাড় দেওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, ২০২৬ সালে হজের বিমান ভাড়া ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা, যা ২০২৭ সালের জন্য ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকায়। সাধারণত সময়ের পরিক্রমায় নানা সেবামূলক খাতের ব্যয় ঊর্ধ্বমুখী হলেও হাজিদের সার্বিক কল্যাণ বিবেচনায় সরকার বিমান ভাড়া ও প্যাকেজের মূল্য কমিয়ে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পূর্ববর্তী বছরের হিসাবের স্বচ্ছতা তুলে ধরে ধর্মমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনায় সর্বমোট ৪ হাজার ৩৮১ জন ধর্মপ্রাণ মুসলমান সৌদি আরবে পবিত্র হজব্রত পালন করেছেন। বিভিন্ন খাতে নির্ধারিত বাজেটের তুলনায় ব্যয় সাশ্রয় হওয়ায় চূড়ান্ত হিসাব শেষে সরকারের কাছে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে। কোনো প্রকার মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংকিং লেনদেন ব্যবস্থার (বিএফটিএন) মাধ্যমে সেই বাড়তি অর্থ সরাসরি প্রত্যেক হাজির নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সরকারের কঠোর জবাবদিহিতা ও আর্থিক স্বচ্ছতার কারণেই এই পদক্ষেপ সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে।
চলতি বছরের সার্বিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত সফল ও নির্বিঘ্ন ছিল দাবি করে তিনি বলেন, সরকারপ্রধানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও নিবিড় তদারকির কারণে কোনো ধরনের সংকট ছাড়াই হাজিরা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পেরেছেন, যা খোদ সৌদি আরবের হজ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রশংসিত হয়েছে। আল্লাহর মেহমানদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানই প্রশাসনের মূল ব্রত উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে আগামী দিনগুলোতেও সততা, মানবিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই সেবামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
/আশিক
২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন: বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে আবেদন
২০২৭ সালের পবিত্র হজের প্রাথমিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান থাকলেও আগ্রহীদের সাড়া মিলছে তুলনামূলকভাবে কম। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৫১ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৩৬৩ জনসহ সর্বমোট ২ হাজার ১১৪ জন হজযাত্রী প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন, যার তুলনায় এখনো প্রায় সম্পূর্ণ কোটাই খালি পড়ে রয়েছে।
প্রাথমিক নিবন্ধনের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত এই তারিখের পর আর সময় বাড়ানো হবে না। হজে গমনেচ্ছুকদের শুরুতে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন এবং পরবর্তীতে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে; এরপর আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্যাকেজের অবশিষ্ট অর্থ পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমেই কেন্দ্রীয় ই-হজ সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করা যাচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে এবং বেসরকারি ক্ষেত্রে এজেন্সির নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা দিতে হবে।
নিবন্ধনের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট এবং স্বাস্থ্যগত যোগ্যতার ওপর বেশ কিছু কঠোর শর্ত আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। আবেদনকারীর পাসপোর্টের মেয়াদ অন্তত ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকতে হবে এবং বয়স হতে হবে ন্যূনতম ১৫ বছর। এছাড়া গুরুতর হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার বা কিডনির জটিলতা, ডিমেনশিয়া, স্নায়বিক ও মানসিক রোগ, চলমান থেরাপিতে থাকা ক্যানসার রোগী এবং যক্ষ্মা বা হেমোরেজিক ফিভারের মতো সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজে যাওয়ার অনুমোদন পাবেন না। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ বা শেষ দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারীদের ক্ষেত্রেও ফিটনেস সনদ প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
/আশিক
আজকের নামাজের সময়সূচি, জেনে নিন একনজরে
আজ সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬। বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী দিনটি ৯ ভাদ্র এবং হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১০ রবিউল আউয়াল। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার মুসল্লিদের জন্য আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দেওয়া সময় অনুযায়ী ওয়াক্তের শুরু বিবেচনায় নিয়ে মুসল্লিরা দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিতে পারবেন।
ইসলামে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের অন্যতম মৌলিক ইবাদত। তাই কর্মব্যস্ততার মধ্যেও সঠিক সময়ে সালাত আদায়ের জন্য ওয়াক্ত সম্পর্কে জানা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ফজর ও মাগরিবের সময় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত হওয়ায় প্রতিদিন সময়ের কিছুটা পরিবর্তন ঘটে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় ফজরের ওয়াক্ত শুরু হয়েছে ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে। জোহরের ওয়াক্ত শুরু হবে দুপুর ১২টা ১ মিনিটে এবং আসরের ওয়াক্ত শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৪ মিনিটে।
আজ ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী ইফতারের সময় সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিট এবং মাগরিবের ওয়াক্তও শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টা ২৮ মিনিটে। এশার ওয়াক্ত শুরু হবে রাত ৭টা ৪৩ মিনিটে।
পরবর্তী দিন মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ঢাকায় ফজরের ওয়াক্ত শুরু হবে ভোর ৪টা ১৯ মিনিটে। ওই দিন সূর্যোদয় হবে সকাল ৫টা ৩৭ মিনিটে। ফলে ফজরের নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে সূর্যোদয়ের আগেই নামাজ সম্পন্ন করার বিষয়টি মুসল্লিদের খেয়াল রাখতে হবে।
ঢাকার বাইরে অবস্থানকারীদের ক্ষেত্রে স্থানীয় ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে নামাজের ওয়াক্তে কয়েক মিনিটের পার্থক্য হতে পারে। তাই অন্য জেলা বা বিভাগে অবস্থানকারী মুসল্লিদের নিজ এলাকার জন্য প্রযোজ্য নির্ভরযোগ্য সময়সূচি অনুসরণ করা উচিত।
উল্লেখ্য, নামাজের ওয়াক্ত নির্ধারণে সূর্যের অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় বছরের বিভিন্ন সময়ে সময় পরিবর্তিত হয়। এ কারণে প্রতিদিনের হালনাগাদ সময়সূচি দেখে নামাজ আদায় করা সুবিধাজনক।
সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন
২০২৭ সালের রমজান ও দুই ঈদের সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ
২০২৭ সালের পবিত্র রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং নতুন ইসলামি বর্ষ শুরুর সম্ভাব্য সময়সূচি প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র। তবে এসব ধর্মীয় উৎসবের চূড়ান্ত দিনক্ষণ সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বৈজ্ঞানিক গণনার সাথে বাস্তব ক্ষেত্রে এক-দুই দিনের ব্যবধান তৈরি হতে পারে।
ইসলামি চন্দ্র বর্ষপঞ্জির প্রতিটি মাস সাধারণত ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে, যা সরাসরি নির্ভর করে নতুন চাঁদের দৃশ্যমানতার ওপর। সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতি আরবি মাস শুরুর আগে আনুষ্ঠানিক পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করে দেশটির জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এবং তাদের সিদ্ধান্তের আলোকেই যাবতীয় ধর্মীয় উৎসবের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়।
জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্রের প্রাথমিক হিসাব পর্যালোচনা করে জানানো হয়েছে, ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার রমজানের নতুন চাঁদ উদিত হতে পারে। তবে ৬ ফেব্রুয়ারি বা ২৯ শাবানের সন্ধ্যায় আরব আমিরাতসহ ভৌগোলিক অবস্থানভেদে চাঁদ স্পষ্ট দেখার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ, কারণ ওই সময়ে সূর্যাস্তের পূর্বেই চাঁদ অস্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে শাবান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা বিবেচনায় দেশটিতে ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হতে পারে।
পবিত্র রমজান মাসের সমাপ্তি এবং শাওয়াল মাসের শুরুর ওপর ভিত্তি করে ঈদুল ফিতরের সময় নির্ধারিত হবে। বৈজ্ঞানিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় শাওয়ালের নতুন চাঁদ আকাশে দেখা গেলে পরদিন ৯ মার্চ মঙ্গলবার ঈদ উদযাপিত হবে। আর যদি সেদিন চাঁদ দেখা না যায় এবং রমজান ৩০ দিন পূর্ণ করে, তবে ১০ মার্চ বুধবার ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে; অর্থাৎ ৯ বা ১০ মার্চের যেকোনো একদিন মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতর পালনের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।
পবিত্র হজের সঙ্গে সম্পর্কিত ঈদুল আজহা জিলহজ মাসের ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়, যার আগের দিন ৯ জিলহজ পালিত হয় পবিত্র আরাফাহ দিবস। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুসারে, ২০২৭ সালের ৬ মে বৃহস্পতিবার বা ৭ মে শুক্রবার জিলহজের চাঁদের দেখা মিলতে পারে। সেই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০২৭ সালের ১৬ মে রবিবার কিংবা ১৭ মে সোমবার ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা প্রকাশ করা হয়েছে।
এদিকে ইসলামি হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের মাধ্যমে নতুন বছরের সূচনা ঘটবে জুনের প্রথম সপ্তাহে। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, জিলহজ মাসের স্থায়িত্বের ওপর নির্ভর করে ২০২৭ সালের ৫ জুন শনিবার থেকে ৭ জুন সোমবারের মধ্যে যেকোনো একদিন নতুন ইসলামি বর্ষের প্রথম দিন বা ১ মহররম সূচিত হতে পারে। তবে সমস্ত ধর্মীয় দিবসের আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন স্থানীয়ভাবে চাঁদ দেখার চূড়ান্ত ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হবে।
/আশিক
মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসন নিয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম
২০২৭ সালের হজ মৌসুমকে কেন্দ্র করে হজযাত্রীদের আবাসন ব্যবস্থাপনায় নতুন নীতিমালা ও শ্রেণিবিন্যাসের মানদণ্ড অনুমোদন করেছে সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয়। নতুন এই নীতিমালায় আবাসন সুবিধাকে ‘ইকোনমি’ ও ‘ফার্স্ট ক্লাস’—এই দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করার পাশাপাশি মক্কা ও মদিনার আবাসন স্থাপনাগুলোর জন্য একটি সুনির্দিষ্ট লঙ্ঘনসংক্রান্ত তালিকাও প্রণয়ন করা হয়েছে।
সৌদি পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসর আল-আনসারি জানান, সেবার নিয়ন্ত্রক ও পরিচালন কাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন মানদণ্ডে আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনাগত প্রস্তুতি, নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, অতিথি কক্ষ ও অভ্যর্থনা এলাকার মান এবং জরুরি সেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিতের ওপর কঠোর শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
সেবার মান বজায় রাখতে লাইসেন্স অনুমোদনের আগে, কার্যক্রম শুরুর প্রাক্কালে এবং পরিচালনাকালে—একাধিক ধাপে পরিদর্শন ও তদারকি চালানো হবে। ২০২৭ সালের হজে আবাসনসেবা দিতে ইচ্ছুক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন জমা দেওয়ার আগেই যাবতীয় প্রস্তুতি ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ‘স্বৈরাচার ও গুপ্ত দল আবার এক হয়েছে’: ফেনী থেকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
- এলপিজি আমদানি পর্যাপ্ত, তবু ১৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার ২৯০০: গ্যাস গেল কোথায়?
- চলতি বছর ৪৩ লাখ কৃষক পাবেন ‘কৃষক কার্ড’ ও প্রণোদনা: কৃষি মন্ত্রী
- জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
- স্কুল ভর্তি থেকে জমি কেনাবেচা: রাজ্যগুলোর কাছে ধর্মভিত্তিক হিসাব তলব ভারতের কমিটির
- উচ্ছেদের আগে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের টেকসই ব্যবস্থার তাগিদ আমীরে জামায়াতের
- দেশে এলপিজি গ্যাসের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট রোধে ডিসিদের কড়া নির্দেশ
- রাড্ডা ক্লিনিক ভাঙচুরে এমপি মিষ্টির নাম, তদন্তে অপরাধী মিললে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- জনপ্রীয়তায় শীর্ষে ভাড়াশিমলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বিশ্বাস
- মধ্যপ্রাচ্য সংকট: তেহরানে পৌঁছাল যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক জবাব
- লাইন পরিবর্তন কাজ: বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় জরুরি বার্তা তিতাসের
- কলকাতায় ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের টিকিটে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য ধামাকা অফার
- নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষে প্রথমবার ড্রিলিং, ভূগর্ভে মিলল অস্বাভাবিক বস্তুর সংকেত
- এক দশক পর চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর ও গদর বন্দর ঘিরে নতুন সমীকরণ
- প্রবীণদের বয়স্ক ভাতা বৃদ্ধি ও ফ্যামিলি কার্ডে সহায়তার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের চাপ, বাণিজ্যমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার
- এশিয়ান গেমসে বৃষ্টির থাবা, সেমিফাইনালের আগে নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ
- আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলায় নতুন মোড়, আদালতে বাদীর বিশেষ আবেদন
- ডলারের দাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে নতুন টানাপোড়েন
- বিইআরসির নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বাড়ল শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম
- শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কোনো সুযোগ নেই, রাজনীতি শেষ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ নীতিতে বিশেষ সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশসহ ২০ দেশ
- দলীয় বিবেচনা নয়, সর্বজনীন কল্যাণে কাজ করবে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: মন্ত্রী জাহিদ হোসেন
- সাত মাসের সংঘাত থামাতে সক্রিয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, নতুন আলোচনার ইঙ্গিত
- দাম বাড়তেই তেল সংকট কীভাবে মিটল? বিপিসির ব্যাখ্যায় অসন্তুষ্ট সংসদীয় কমিটি
- সব পক্ষের মতামতেই আসবে অন্তর্ভুক্তিমূলক সংবিধান সংশোধনী: সালাহউদ্দিন আহমদ
- চরম অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, নতুন রেকর্ড স্পর্শ করল দেশটির মুদ্রা
- অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের দিনেও ব্রাজিল শিবিরে নতুন অস্বস্তি
- টানা ৭ দিনের ছুটি পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকরিজীবীদের ৫ দিন
- অ্যাপ ইনস্টল না করেই সাইবার ঝুঁকি এড়ানোর উপায় চালু করল ট্রুকলার
- যুদ্ধ নাকি কূটনীতি? নিউ ইয়র্কে অবস্থানকালে বার্তা দিলেন আব্বাস আরাগচি
- আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন সিদ্ধান্ত পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা
- ২৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টাকে দুদকের জরুরি তলব
- সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর নিয়ে গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন নেতানিয়াহু
- আমরা তেল রফতানি করতে না পারলে মধ্যপ্রাচ্যের কেউ বিক্রি করতে পারবে না: ইরান
- একনেক বৈঠকে ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দে মেগা সিদ্ধান্ত
- শেখ হাসিনাকে ফেরত আনার বিষয়টিকে দ্বিপক্ষীয় দেখছে সরকার, প্রয়োজন নেই যুক্তরাষ্ট্রের
- নেপালে আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ: বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা জারি
- ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
- সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন সতর্কতা
- মার্কিন চাপে কি বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ? মুখ খুললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- শেষ হলো ভোট গ্রহণ, ব্যালন ডি'অর জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে যে ৫টি প্রশ্ন করা বিপজ্জনক হতে পারে
- 'ছাত্ররা নামলেই গুলি করে মারা হবে' ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি চাইলেন জুলাইযোদ্ধা
- জাতীয় নাগরিক পার্টির বড় সিদ্ধান্ত: নতুন জাতীয় দায়িত্বে সারজিস আলম
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- ইরানে আর কখনো বিদেশি আধিপত্য ফিরবে না, আরব সাগর থেকেও তাড়ানো হবে শত্রুদের: খামেনি
- চীনের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
- আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও আমদানির নতুন সংকট: বিশেষ প্রতিবেদন
- ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক: গাজী শওকাত হোসেনের পরিবার-সাড়ে পাঁচ দশকের জনসেবা
- ফিলিস্তিন শাসন করবে ফিলিস্তিনিরাই: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বার্তা দিল চীন
- পৈতৃক জমির ওপর পিচঢালাই রাস্তার আশঙ্কায় আইনি নোটিশ, যৌথ ভূ-জরিপের দাবি
- বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি বাজার: কোন পথে বাংলাদেশ ও বিশ্ব?
- জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরে আমরা ব্যথিত: ন্যায়বিচারের আশ্বাস রাশেদ খাঁনের
- বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদী শক্তিকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- বিশ্বমঞ্চে শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভাঙার দ্বারপ্রান্তে বিরাট কোহলি
- ক্রিকেট খেলায় নতুন দিগন্ত: সারা দেশে ট্রায়াল পর্বের সূচনা
- সরকারি কর্মচারীদের সঞ্চয় ও অনুদান তহবিলে নতুন অর্থবছরীয় নির্দেশনা জারি
- মাথার কাছে মোবাইল রেখে ঘুমানো: ব্রেন টিউমার ও রেডিয়েশন দাবির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা
- আমরা জয়ী হয়েছি তবে বিজয় সুসংহত করতে হবে: তেহরানে ইরানি সেনাপ্রধান
- জাতীয় দল ও ইতালিয়ান ক্লাবের টানাপোড়েন: বড় সিদ্ধান্তের মুখে বিশ্বজয়ী তারকা
- দেশের সব বিদ্যুৎকেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার নির্দেশ দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী: বিশ্বমঞ্চে ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে কড়া বার্তা








