জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ৩০ ২১:৫২:০৯
জ্বালানি তেলের নতুন প্রজ্ঞাপন জারি: অক্টোবর মাসের দর ঘোষণা
ছবি : সংগৃহীত

অক্টোবর (২০২৬) মাসের জন্য জ্বালানি তেলের বিদ্যমান মূল্য অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশ্ববাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সেপ্টেম্বর মাসে নির্ধারিত দর অনুযায়ীই আগামী ১ অক্টোবর থেকে দেশজুড়ে ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিন বিক্রি করা হবে। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. এনামুল হক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী অক্টোবর মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৫৫ টাকা দরে বিক্রি বহাল থাকবে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আগামী মাসজুড়েই সর্বশেষ পুনর্নির্ধারিত এই মূল্যহার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দর ও জাহাজ ভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায়। সেই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে গত ২০ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সব ধরনের তেলের দাম লিটারপ্রতি একলাফে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছিল সরকার। নতুন মাসে সেই বর্ধিত দরই আপাতত বলবৎ থাকছে।

/আশিক


ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের চাপ, বাণিজ্যমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ৩০ ১৮:৩৭:৩২
ভোজ্যতেলের দাম বাড়াতে ব্যবসায়ীদের চাপ, বাণিজ্যমন্ত্রীর অবস্থান পরিষ্কার
ছবি : সংগৃহীত

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব এলেও কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই না করে হুট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সার্বিক পরিস্থিতি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবেচনা করেই একটি যৌক্তিক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেবে। আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সিলেটে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের উত্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী এই অবস্থান পরিষ্কার করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় সরাসরি তার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে সাধারণ ভোক্তাদের দৈনিক খরচে। উদ্ভূত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়িক মহল থেকে নতুন করে তেলের দাম বাড়ানোর জোরালো আবেদন করা হয়েছে। এই বিষয়ে সরকারের ভাবনার কথা জানতে চাওয়া হলে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, মূল্যবৃদ্ধির অনুরোধ পেলেও সরকার কোনো তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নেবে না; বরং সামগ্রিক বাজারের অবস্থা, সরবরাহ ব্যবস্থা ও জনগণের সুবিধা বিবেচনা করেই ধাপে ধাপে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

একই অনুষ্ঠানে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী আরও জোর দেন যে, আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়গুলোর নেতিবাচক প্রভাব যাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। এর আগে সকালে তিনি সিলেট সদরের কানিশাইল এলাকায় ‘সুরমা-কুশিয়ারা নদী অববাহিকার উন্নয়ন এবং বন্যা ও সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে সুরমা নদীর ডানতীরের প্রতিরক্ষা কাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

/আশিক


ডলারের দাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে নতুন টানাপোড়েন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ৩০ ১৮:২১:৫৭
ডলারের দাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে নতুন টানাপোড়েন
ছবি : সংগৃহীত

মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এমন শঙ্কার কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম সামান্য বেড়ে চার হাজার ১৯৫ দশমিক ৫৬ ডলারে পৌঁছালেও, সেপ্টেম্বর মাসের সামগ্রিক হিসেবে এর দাম ৫ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার উঁচুতে রাখার অবস্থান বজায় রাখবে বলে ধারণা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এতে মার্কিন ডলারের মান শক্তিশালী হওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার ক্রেতাদের জন্য ডলারের মাধ্যমে স্বর্ণসহ অন্যান্য ধাতু কেনা বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, সুদের হার বেশি থাকলে বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণের মতো নিরাপদ সম্পদের আকর্ষণ কমে যায়; কারণ স্বর্ণে সরাসরি কোনো সুদ বা নির্দিষ্ট মুনাফা পাওয়া যায় না। আগামী দিনগুলোতে মার্কিন মূল্যস্ফীতির তথ্য ও ফেডের পরবর্তী নীতি সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের ভবিষ্যৎ গতিপথ। সার্বিক ধাতব বাজারে রূপার দামেও পতন দেখা গেছে, তবে বিপরীতে প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম কিছুটা বৃদ্ধির মুখ দেখেছে।

/আশিক


বিইআরসির নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বাড়ল শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ৩০ ১৭:৫৬:০৪
বিইআরসির নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বাড়ল শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানির দাম
ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও ভারী শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ফার্নেস অয়েলের দাম একলাফে লিটারপ্রতি প্রায় ১২ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে এর সংশোধিত দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা।

আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিইআরসির এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে এই মূল্যবৃদ্ধির আদেশ জারি করা হয়। নির্ধারিত এই নতুন দাম বুধবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই সারাদেশে কার্যকর হচ্ছে।

বিইআরসি তাদের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এবং রাষ্ট্রীয় তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাবনার ওপর গণশুনানি ও সার্বিক তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনার পরেই জ্বালানি পণ্যটির এই নতুন দাম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

/আশিক


চরম অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, নতুন রেকর্ড স্পর্শ করল দেশটির মুদ্রা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৯ ২১:১১:০০
চরম অর্থনৈতিক সংকটে ইরান, নতুন রেকর্ড স্পর্শ করল দেশটির মুদ্রা
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ডলারের বিপরীতে ইরানের মুদ্রা রিয়ালের মান কমে ইতিহাসে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তেহরানের মুক্তবাজারে ১ মার্কিন ডলারের বিনিময়মূল্য ২৫ লাখ রিয়াল অতিক্রম করে মুদ্রাবাজারে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।

এর আগে গত ২ সেপ্টেম্বর প্রতি ডলারের বিপরীতে রিয়ালের দর ২২ লাখ রিয়ালে নেমেছিল। সেখান থেকে মাত্র ২৭ দিনের ব্যবধানে মুদ্রাটির মানে এই নজিরবিহীন পতন ঘটল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে স্থবিরতা এবং সার্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তাই স্থানীয় মুদ্রার ওপর তৈরি হওয়া এই অতিরিক্ত চাপের প্রধান কারণ বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলমান সামরিক সংঘাত শুরুর পূর্বে তেহরানের খোলা বাজারে ১ ডলারের গড় মূল্য ছিল প্রায় ১৭ লাখ রিয়াল। সংঘাত শুরুর পর গত কয়েক মাসে ধাপে ধাপে রিয়ালের দরপতন ঘটে। মঙ্গলবার লেনদেনের এই চিত্র ইরানের অর্থনীতিতে বিদ্যমান তীব্র সংকটের গভীরতা ফুটিয়ে তুলেছে। মুদ্রার মান অস্বাভাবিক হারে কমে যাওয়ায় দেশটির আমদানি খরচ বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিক মূল্যস্ফীতি ও সাধারণ নাগরিকদের জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল


সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে ধস, ৭ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৮ ১৯:০৪:২০
সুদের হার বাড়ার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামে ধস, ৭ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু-হু করে বাড়তে থাকায় বিশ্বজুড়ে নতুন করে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর ফলে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার আবারও বাড়াতে পারে—এমন জোরালো পূর্বাভাসের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বুলিয়ন বাজারে সোনার দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) একদিনেই স্পট মার্কেটে মূল্যবান এই ধাতুর দাম ৩ শতাংশেরও বেশি কমে গত সাত সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।

বিশ্বখ্যাত বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সোমবার স্পট গোল্ডের দাম ৩.১ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ১৫৫.৬৭ ডলারে, যা গত ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক বাজারে সর্বনিম্ন। একই সময়ে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার গোল্ডের দামও ৩.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৮৮.১০ ডলারে লেনদেন হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের সুদহার বাড়তে থাকায় সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে পরিচিত সোনার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক চাপ তৈরি হয়েছে।

সুইস ব্যাংকিং দানব ইউবিএস (UBS)-এর প্রখ্যাত বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনোভা জানান, তেলের চড়া দাম এবং সুদের হার বৃদ্ধির আগাম হিসাব-নিকাশই মূলত বুলিয়ন মার্কেটের এই দরপতনের প্রধান নিয়ামক। সোনার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট সিলভার বা রুপার দাম ৪.৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬১.৩২ ডলার, প্ল্যাটিনামের দাম ২.৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৩৫.৯৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ৩.৪ শতাংশ কমে ১ হাজার ২২৪.৩৯ ডলারে ঠেকেছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের মন্দাভাব সত্ত্বেও দেশের বাজারে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নির্ধারিত দর অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। অলংকারের ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা, ২১ ক্যারেট ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ২ হাজার ৭৯৯ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে।

/আশিক


প্রতিযোগী দেশ টেক্কা দিতে বাজারে বিশেষ ম্যাট্রিক্স প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৮ ১৮:৫৪:১১
প্রতিযোগী দেশ টেক্কা দিতে বাজারে বিশেষ ম্যাট্রিক্স প্রণয়ন করছে বাংলাদেশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের মোট রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি খাতে চরম তৈরি পোশাকনির্ভরতা কমিয়ে আনতে পণ্য ও বাজার—উভয় ক্ষেত্রেই বৈচিত্র্য আনতে সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি কৌশল প্রণয়ন করছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনে বিশ্বের ১৮টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক বাণিজ্যিক গন্তব্যের সম্ভাব্য বাজার, সেখানে উপস্থিত বাণিজ্যিক বাধা, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগী দেশগুলোর কৌশল এবং বাংলাদেশের করণীয় বিশদভাবে বিশ্লেষণ করে পৃথক বাজারভিত্তিক রপ্তানি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ রপ্তানি বহুমুখীকরণ কৌশল: ১৮টি প্রধান বাণিজ্য গন্তব্যে পণ্য ও বাজার বহুমুখীকরণ’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় সভাপতির বক্তব্যে বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, দেশের রপ্তানি খাতকে বৈশ্বিক ধাক্কা থেকে রক্ষা করে টেকসই করতে ভৌগোলিক বাজার ও বৈচিত্র্যময় পণ্যের প্রসার নিশ্চিত করা আবশ্যক। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক উইং থেকে সংশ্লিষ্ট বাজারগুলোর বর্তমান আমদানিনীতি, বাংলাদেশের মূল প্রতিযোগী দেশের অবস্থান এবং সম্ভাবনাময় পণ্য খাত চিহ্নিত করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ম্যাট্রিক্স অনুসরণ করে প্রণীত এই কৌশল বিদ্যমান বাজারে রপ্তানি অংশীদারত্ব বাড়াতে ও নতুন বাজারে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে নীতিগত সহায়তা দেবে।

কর্মশালায় সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আধুনিক রপ্তানি বহুমুখীকরণের ক্ষেত্রে শুধু পণ্য নয়, বরং তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষতাভিত্তিক সেবা রপ্তানিকে সমমর্যাদায় গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তিনি ফ্রিল্যান্সারদের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ভৌগোলিক নৈকট্যকে কাজে লাগিয়ে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বাংলাদেশের পণ্য ও সেবা রপ্তানি জোরদার করার পরামর্শ দেন। সভায় বিজিএমইএ, ওয়ালটন গ্রুপ, বাংলাদেশ এগ্রোপ্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন এবং ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা তৈরি পোশাকের বাইরে ওষুধ, ইলেকট্রনিকস, প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য, চামড়া ও হালকা প্রকৌশল খাতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলার বিষয়ে নিজ নিজ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন।

/আশিক


বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি বাজার: কোন পথে বাংলাদেশ ও বিশ্ব?

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৬ ১৭:৩৮:১৩
বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি বাজার: কোন পথে বাংলাদেশ ও বিশ্ব?
ছবি : সত্য নিউজ গ্রাফিক্স

ইরানের সঙ্গে দীর্ঘ সাত মাস ধরে চলমান যুদ্ধ এবং হরমুজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক নৌপথে অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। সাধারণত মধ্যপ্রাচ্য থেকে এশিয়া ও ইউরোপগামী অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এবং এলএনজির ১৫ শতাংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়, যার বড় একটি অংশ আসে বাংলাদেশসহ এশিয়ার বাজারে। তবে সরবরাহ চ্যানেলে বাধার মুখে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ কমলেও বিশ্বজুড়ে চাহিদা কমানো ও বিকল্প পথ অনুসরণের কারণে জ্বালানি বাজার পুরোপুরি ভেঙে পড়েনি। যুদ্ধ শুরুর পর ব্যারেলপ্রতি দর ১৫০ ডলার ছাড়ানোর তীব্র শঙ্কা থাকলেও বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০১ ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে।

আন্তর্জাতিক পণ্যবাজার বিশ্লেষকদের মতে, চাহিদা কমে যাওয়া ও বিকল্প বাণিজ্য পথ ব্যবহারের কারণেই মূলত তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ হ্রাস, গণপরিবহন বৃদ্ধি, বৈদ্যুতিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়া এবং ওয়ার্ক-ফ্রম-হোম ব্যবস্থার কারণে বিশ্বে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেলের চাহিদা কমেছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, ভেনেজুয়েলা, ব্রাজিল, গায়ানা ও কানাডা সম্মিলিতভাবে দৈনন্দিন উৎপাদন প্রায় ২০ লাখ ব্যারেল বৃদ্ধি করেছে। সৌদি আরবও বিকল্প পাইপলাইনের মাধ্যমে ইরানের প্রভাবমুক্ত বন্দরগুলোতে অপরিশোধিত তেল রফতানি অব্যাহত রেখেছে। বৈশ্বিক এই কৌশলের প্রভাবেই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হওয়া সত্ত্বেও তেলের দর অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ছে না।

বৈশ্বিক এই সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। দেশে বছরে আমদানিকৃত ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন তেলের একটি বড় অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে সংগ্রহ করা হয়। দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি আগে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে চার হাজার টন তেলজাতীয় পণ্য উৎপাদন করলেও বর্তমানে তা কমিয়ে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টনে নামিয়ে এনেছে। উৎপাদন হ্রাস এবং কেবল সৌদি ক্রুড অয়েলের ওপর নির্ভরশীল না থেকে মালয়েশিয়াসহ বিকল্প উৎসের তেল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে বৈশ্বিক সংকটের মাঝেও দেশে বড় ধরনের কোনো সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়নি।

সার্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন যে, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে বড় কোনো দুশ্চিন্তার কারণ নেই, কারণ সরকার ক্রমাগত বিকল্প দেশ ও পথ থেকে সম্পদ সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও কৌশলগত মজুত এবং বিকল্প ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশই আন্তর্জাতিক এই সামরিক সংঘাত ও জ্বালানি সংকটের লাগাম ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

/আশিক


দেশের বাজারে নতুন সমন্বয়: অলঙ্কার কিনতে গুণতে হবে বাড়তি টাকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৪ ২০:০৩:৪৫
দেশের বাজারে নতুন সমন্বয়: অলঙ্কার কিনতে গুণতে হবে বাড়তি টাকা
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সমন্বয়ে ভরিপ্রতি ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের বিক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। গত ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন মূল্যসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে কেনাবেচা চলছে।

বাজুস ঘোষিত সংশোধিত দরপত্র অনুযায়ী, বর্তমানে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকায়। উল্লেখ্য, দেশীয় জুয়েলারি পরিমাপ নীতি অনুযায়ী প্রতি ভরিতে ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম পরিমাপ করা হয়।

এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। সে সময় ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা করা হয়েছিল। অর্থাৎ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে স্থানীয় বাজারে আবারও বাড়ানো হলো মূল্যবান এই ধাতুর দাম।

তবে বাজুসের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, গহনার ক্রেতাদের জন্য নির্ধারিত মূল্যের সাথে অতিরিক্ত মজুরি যুক্ত হবে। স্বর্ণ ও রূপার বিক্রয়মূল্যের ভেতরেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদা কোনো ভ্যাট আদায় করা যাবে না। পাশাপাশি পুরোনো অলঙ্কার পরিবর্তন বা বাটার (এক্সচেঞ্জ) ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে পুরোনো অলঙ্কার বিক্রি (পারচেজ) করার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ কর্তন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রেও আলাদাভাবে ভ্যাট কাটার কোনো সুযোগ নেই। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত সারা দেশের জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই মূল্য তালিকা বহাল থাকবে।

/আশিক


শক্তিশালী ডলারের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৩ ১৯:০৬:৪০
শক্তিশালী ডলারের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম
ছবি : সংগৃহীত

শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তাদের কড়াকড়ি মুদ্রানীতির সপক্ষে বক্তব্যের প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের স্পট মার্কেটে দরপতনের প্রভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধাতুটির আকর্ষণ কিছুটা কমেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার গ্রিনিচ মান সময় ১০টা ২৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহযোগ্য ডিসেম্বর মেয়াদের ফিউচার স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৩০ ডলারে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়া এবং সুদের হার উচ্চ রাখার পক্ষে ফেডারেল রিজার্ভের অনড় অবস্থান বিনিয়োগকারীদের সুদমুক্ত সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত স্বর্ণ কেনায় উৎসাহিত করছে না, যার নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি বাজারদরে দেখা যাচ্ছে।

তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পতনের বৈপরীত চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে। গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া বর্ধিত দরেই দেশে ধাতুটির কেনাবেচা চলছে। বাজুস নির্দেশিত দর অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকায়।

একই সাথে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ হাজার ৩০১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকায় স্থির রাখা হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স

পাঠকের মতামত: