ত্বক ও চুলে অ্যালোভেরার অবিশ্বাস্য উপকারিতা

প্রাকৃতিক উপায়ে সৌন্দর্যচর্চার ইতিহাসে অ্যালোভেরা একটি বহুল ব্যবহৃত এবং গবেষণাভিত্তিক উপাদান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। মরুভূমি অঞ্চলে জন্ম নেওয়া এই রসালো উদ্ভিদটি শুধু ভেষজ চিকিৎসাতেই নয়, আধুনিক স্কিন কেয়ার ও হেয়ার কেয়ার শিল্পেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালোভেরার ভেতরে থাকা ভিটামিন, খনিজ, অ্যামিনো অ্যাসিড, এনজাইম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ত্বক ও চুলের নানা সমস্যায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যালোভেরা জেলের প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। ফলে এটি ত্বকে গভীর আর্দ্রতা যোগ করলেও অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব তৈরি করে না। এ কারণেই শুষ্ক ত্বক থেকে শুরু করে তৈলাক্ত ত্বকের মানুষের কাছেও এটি সমান জনপ্রিয়। বিশেষ করে গরম আবহাওয়ায় অ্যালোভেরা ত্বকে শীতল অনুভূতি এনে আরাম দেয়।
চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যালোভেরায় থাকা গ্লাইকোপ্রোটিন ও পলিস্যাকারাইড উপাদান প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এজন্য একজিমা, সোরিয়াসিস, ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং রোদে পোড়া ত্বকে এটি ব্যবহার করা হয়। অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ রোদে থাকার কারণে ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালা ও শুষ্কতা তৈরি হয়। অ্যালোভেরা সেই অস্বস্তি কিছুটা কমিয়ে ত্বককে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করতে পারে।
ব্রণের সমস্যায়ও অ্যালোভেরা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। এতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য প্রদাহজনিত ব্রণ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। বিশেষ করে লালচে ও ফোলা ব্রণের ক্ষেত্রে এটি ত্বককে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, গুরুতর ব্রণ বা হরমোনজনিত সমস্যার ক্ষেত্রে শুধু অ্যালোভেরা যথেষ্ট নয়, চিকিৎসকের পরামর্শও প্রয়োজন।
ত্বকের ক্ষত সারানো এবং দাগ হালকা করার ক্ষেত্রেও অ্যালোভেরার ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। এতে থাকা ভিটামিন সি ও ই ত্বকের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। ছোটখাটো কাটা-ছেঁড়া, পোড়া দাগ কিংবা ব্রণের কালো দাগ কমানোর জন্য অনেকেই নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহার করেন। এছাড়া এটি ত্বকের কোষ পুনর্গঠনে সহায়তা করে বলে মনে করা হয়।
অ্যালোভেরাকে অনেকেই “ন্যাচারাল অ্যান্টি-এজিং জেল” বলেও অভিহিত করেন। কারণ এটি কোলাজেন ও ইলাস্টিন উৎপাদনে সহায়তা করতে পারে, যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে বলিরেখা ও শুষ্কতা বাড়ে। নিয়মিত অ্যালোভেরা ব্যবহারে ত্বক কিছুটা টানটান ও সতেজ দেখাতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
শুধু ত্বক নয়, চুল ও স্ক্যাল্পের যত্নেও অ্যালোভেরা অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশেষ করে খুশকি, স্ক্যাল্পের চুলকানি এবং অতিরিক্ত তৈলাক্ততার সমস্যায় এটি কার্যকর হতে পারে। অ্যালোভেরা স্ক্যাল্পের মৃত কোষ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়ায় জমে থাকা অতিরিক্ত তেল ভেঙে ফেলে। ফলে স্ক্যাল্প তুলনামূলক পরিষ্কার ও সতেজ থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সেবোরিক ডার্মাটাইটিস বা খুশকিজনিত সমস্যায় অ্যালোভেরা আরাম দিতে পারে। এটি স্ক্যাল্পে আর্দ্রতা ধরে রাখে এবং শুষ্কতা কমায়। ফলে খুশকির কারণে হওয়া চুলকানি ও অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।
চুলের শক্তি বৃদ্ধি ও ভাঙন কমানোর ক্ষেত্রেও অ্যালোভেরার ভূমিকা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এতে থাকা ভিটামিন এ, সি, ই এবং বি১২ চুলের ফলিকলকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে চুল তুলনামূলক মজবুত হয় এবং অতিরিক্ত ভেঙে পড়া কমতে পারে। যদিও এটি টাক সমস্যার সরাসরি সমাধান নয়, তবে চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।
বর্তমানে অনেক কসমেটিক ও বিউটি ব্র্যান্ড তাদের পণ্য তৈরিতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করছে। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, সানবার্ন জেল, শ্যাম্পু, কন্ডিশনার এবং হেয়ার মাস্কে অ্যালোভেরা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হয়ে উঠেছে।
ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করতে চাইলে সরাসরি গাছের পাতা থেকে জেল বের করে ব্যবহার করা যায়। এটি মুখে, হাতে, ঘাড়ে বা স্ক্যাল্পে লাগানো যেতে পারে। অনেকে মধু, দই বা নারিকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে হেয়ার মাস্ক হিসেবেও ব্যবহার করেন।
তবে চিকিৎসকরা সতর্ক করেছেন, সব ত্বকে অ্যালোভেরা সমানভাবে মানানসই নাও হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে অ্যালার্জি, চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। তাই প্রথমবার ব্যবহারের আগে হাতে বা কবজির ভেতরের অংশে অল্প পরিমাণ লাগিয়ে পরীক্ষা করা উচিত।
চোখের ক্লান্তি ও কালো দাগ দূর করতে আলু নাকি শসা, কোনটি সেরা?
মোবাইল ও ল্যাপটপের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং অনিয়মিত ঘুমের কারণে চোখের ক্লান্তি ও চোখের নিচে কালো দাগ (ডার্ক সার্কেল) এখন ঘরে ঘরে বেশ সাধারণ সমস্যা। এই ভোগান্তি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই রান্নাঘরের দুটি পরিচিত উপাদান—আলু ও শসার ওপর ভরসা করেন। তবে চোখের যত্নে এই দুটির মধ্যে কোনটি বেশি উপকারী, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইটিভি ভারত’-এর এক প্রতিবেদনে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চোখের ক্লান্তি দূর করতে এবং তাৎক্ষণিক প্রশান্তি জোগাতে শসা অত্যন্ত কার্যকর। শসায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি চোখের ওপর রাখলে দারুণ শীতল অনুভূতি পাওয়া যায়। দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকা কিংবা ঘুমের ঘাটতির কারণে চোখে যে ভারীভাব বা ফোলাভাব তৈরি হয়, তা দূর করতে শসার জুড়ি নেই।
অন্যদিকে, চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল বা জেদি কালো দাগ দূর করার ক্ষেত্রে আলু বেশি কার্যকরী। আলুর মধ্যে এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ও এনজাইম থাকে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং পিগমেন্টেশন কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত আলুর রস বা টুকরো ব্যবহারে চোখের নিচের ত্বক তুলনামূলক ফর্সা ও সতেজ দেখায়। তবে চোখের নিচে সাধারণ ফোলাভাব কমাতে আলু ও শসা দুটিই সমান উপকারী, কারণ উভয়ের মধ্যেই ত্বককে প্রশমিত করার গুণ রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার চোখের সমস্যা ঠিক কী—তার ওপর ভিত্তি করেই উপাদান বেছে নেওয়া উচিত। প্রধান সমস্যা যদি চোখের ক্লান্তি, জ্বালাপোড়া বা ফোলাভাব হয়, তবে শসা বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আর যদি মূল লক্ষ্য হয় চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল দূর করা, তবে আলু ব্যবহার করা ভালো। এমনকি ভালো ফলাফলের জন্য এই দুটি উপাদানকে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে রূপচর্চার রুটিনে রাখা যেতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, কেবল ঘরোয়া প্রতিকারের ওপর নির্ভর করলেই চলবে না; এই সমস্যাগুলো স্থায়ীভাবে দূর করতে পর্যাপ্ত ঘুম, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ করা সমানভাবে জরুরি।
/আশিক
তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় যেসব পরিবর্তন জরুরি
সারাদেশে তীব্র দাবদাহে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত গরমের কারণে মানবশরীরে পানিশূন্যতা, চরম ক্লান্তি, তীব্র মাথাব্যথা এবং হজমজনিত বিভিন্ন জটিলতা দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখার জন্য দৈনন্দিন খাবারের তালিকায় কিছু পরিবর্তন আনা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন চিকিৎসকেরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পুষ্টির জোগান দেওয়ার পাশাপাশি যেসব খাবারে প্রচুর পরিমাণে পানি রয়েছে, সেগুলো শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখতে এবং গরমের ক্লান্তি দূর করতে বড় ভূমিকা পালন করে।
প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরে শক্তি জোগাতে এবং ক্লান্তি দূর করতে ডাবের পানি অন্যতম সেরা একটি উপাদান হিসেবে কাজ করে। এই প্রাকৃতিক পানীয়তে থাকা পটাশিয়াম, সোডিয়ামসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান মানবশরীরে ইলেকট্রোলাইটের সমতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তরমুজও এই সময়ে অত্যন্ত কার্যকর, কারণ এর প্রায় ৯০ শতাংশের বেশি অংশই পানি দিয়ে গঠিত।
এটি শরীরে পানির অভাব দ্রুত পূরণ করার পাশাপাশি ভিটামিন এ ও সি-এর জোগান দিয়ে শরীরকে সতেজ রাখে, তবে চিকিৎসকেরা এটি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ না করার পরামর্শ দেন। নিয়মিত খাবারের তালিকায় শসা রাখা হলে তা শরীর ঠান্ডা রাখতে বড় ভূমিকা রাখে, কারণ শসায় থাকা প্রচুর পানি ও ফাইবার পরিপাকপ্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে এবং দীর্ঘ সময় শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে।
শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং পেট ঠান্ডা রাখতে দই একটি আদর্শ খাবার হতে পারে। দইয়ে বিদ্যমান প্রোবায়োটিক উপাদান গরমে হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং পেটের যেকোনো ধরনের অস্বস্তি দূর করে, যা চাইলে বিভিন্ন ফলের সাথে মিশিয়েও খাওয়া সম্ভব। এছাড়া তাৎক্ষণিকভাবে ক্লান্তি দূর করতে এবং শরীরে শক্তির জোগান দিতে এক গ্লাস লেবুর শরবত দারুণ কাজ করে, যার সাথে সামান্য লবণ মিশিয়ে নিলে শরীরে খনিজের ঘাটতি পূরণ হয়।
এর পাশাপাশি পুদিনা পাতা খাবারে যোগ করলে তা শরীরে এক ধরনের শীতল অনুভূতি তৈরি করে, তাই এই সময়ে আম, আনারস, স্ট্রবেরি কিংবা কলার মতো পুষ্টিকর ফল ও পুদিনা পাতার সমন্বয়ে তৈরি স্মুদি শরীরের পুষ্টি ও সতেজতা নিশ্চিত করতে পারে।
তীব্র গরমের এই দিনগুলোতে সুস্থ থাকার জন্য কিছু খাবার এড়িয়ে চলাও সমানভাবে জরুরি। অতিরিক্ত তেল, চর্বি ও কড়া মসলাযুক্ত ভারী খাবার এবং বাজারে প্রচলিত কৃত্রিম চিনিযুক্ত কোমল পানীয় গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকা উচিত, কারণ এই ধরনের খাবার ও পানীয় শরীরে পানির তৃষ্ণা এবং ঘাটতি আরও বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রচণ্ড এই গরমে কেবল অতিরিক্ত পানি পান করাই যথেষ্ট নয়, বরং খাদ্যতালিকায় ডাবের পানি, তরমুজ, শসা, দই ও লেবুর শরবতের মতো পানি ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত রাখলে গরমের অস্বস্তি ও শারীরিক ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
/আশিক
মাংস খাওয়ার পর বমি ও তীব্র পেট ব্যথা? অবহেলা করলে হতে পারে জীবনঝুঁকি
পবিত্র ঈদুল আজহার খুশির আমেজে গরু কিংবা খাসির সুস্বাদু মাংস খাওয়া প্রায় প্রতিটি বাঙালি পরিবারেরই উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। তবে ঈদের এই উৎসবমুখর সময়ে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার পর অনেকেরই পেটের নানাবিধ জটিলতা দেখা দেয়। আকস্মিক ডায়রিয়া, তীব্র পেট ব্যথা কিংবা হজমের মারাত্মক গোলযোগকে অধিকাংশ মানুষই সাময়িক বা সাধারণ একটি বিষয় মনে করে অবহেলা করেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, উৎসবের পর হঠাৎ এমন অসুস্থতার পেছনে বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট শারীরিক ও বৈজ্ঞানিক কারণ থাকতে পারে। অনেক সময় এটি কেবল সাধারণ বদহজম নয়, বরং ক্ষতিকর অ্যালার্জি, খাদ্যে বিষক্রিয়া (ফুড পয়জনিং), কিংবা শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো জটিল রোগের আগাম ইঙ্গিত হতে পারে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু মানুষের শরীর লাল মাংস বা রেড মিটের নির্দিষ্ট কিছু উপাদানের প্রতি অস্বাভাবিক ও নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘আলফা-গাল সিন্ড্রোম’ (Alpha-gal Syndrome) বলা হয়। এই বিশেষ অ্যালার্জির কারণে চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মানবশরীরে ডায়রিয়া, তীব্র পেট ব্যথা, বমি বমি ভাব, ত্বকে লালচে র্যাশ ওঠা কিংবা শ্বাসকষ্টের মতো বিপজ্জনক উপসর্গ দেখা দিতে পারে। গুরুতর অবস্থায় এই সিন্ড্রোম মানুষের জীবনঝুঁকির কারণও হতে পারে; তাই মাংস খাওয়ার পর এমন কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ প্রকাশ পেলে বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে রোগীকে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন।
এর বাইরেও একটি বড় অংশের মানুষের শরীর অতিরিক্ত চর্বি ও উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ মাংস সহজে হজম বা পরিপাক করতে পারে না। পরিপাকতন্ত্রের এই দুর্বলতার ফলে মাংস খাওয়ার পরপরই পেট ফাঁপা, গ্যাস হওয়া, পেটে প্রচণ্ড অস্বস্তি ও পাতলা পায়খানার মতো সমস্যা দেখা দেয়। সাধারণত ভারী খাবার গ্রহণের কিছু সময়ের মধ্যেই এসব উপসর্গ শরীরে ডানা মেলতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা সাময়িকভাবে মাংস খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে কিছুদিন পরিমিত ও সহজপাচ্য নরম খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন।
কুরবানির ঈদের সময় মাংস কাটাকুটি, সংরক্ষণ বা রান্নার ক্ষেত্রে সামান্য অসতর্কতা থেকেও বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। সঠিকভাবে সেদ্ধ বা অপর্যাপ্তভাবে রান্না করা মাংস এবং ফ্রিজে সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করা মাংসে দ্রুত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়ার প্রধান কারণ। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির অনবরত বমি, ডায়রিয়া, মোচড় দিয়ে পেট ব্যথা ও চরম শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ওরাল স্যালাইন ও সঠিক খাবার নিয়মে কয়েক দিনের মধ্যে সুস্থতা ফিরে আসলেও, যদি ডায়রিয়া দীর্ঘস্থায়ী হয়, উচ্চ জ্বর ওঠে কিংবা শরীরে তীব্র পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
মেডিকেল বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করে জানান, মানবশরীরের পিত্তথলি (Gallbladder) কিংবা অগ্ন্যাশয়ের (Pancreas) স্বাভাবিক কার্যকারিতায় পূর্ব থেকে কোনো সমস্যা বা রোগ থাকলে, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত মাংস খাওয়ার পর হজমের জটিলতা বহুগুণ বেড়ে যায়। এ ধরনের অভ্যন্তরীণ রোগের ক্ষেত্রে রোগীর পাতলা ও তৈলাক্ত মল হওয়া, চরম ক্ষুধামন্দা, পেটের ওপরের অংশে তীব্র ব্যথা, অল্প দিনেই ওজন হ্রাস পাওয়া কিংবা জন্ডিসের মতো চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়ার মতো গুরুতর উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই ঈদের সময় পেটের এই সমস্ত লক্ষণকে সাধারণ বদহজম ভেবে অবহেলা না করে অনতিবিলম্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সুস্থতার সাথে উৎসবের আনন্দ বজায় রাখতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মূল পরামর্শ হলো—ঈদের সময়েও মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর পরিমিতিবোধ বজায় রাখা, পশুর মাংস কাটার পর তা দ্রুত ও নিরাপদ উপায়ে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা এবং খাবার গ্রহণের পর শরীরের যেকোনো ধরণের অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ার দিকে সতর্ক নজর রাখা। তবেই উৎসবের তৃপ্তির পাশাপাশি নিজের সুস্বাস্থ্যও অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব হবে।
সূত্র: এভরিডে হেলথ
কুরবানির মাংস বণ্টনের সুন্নতি নিয়ম: জেনে নিন তিন ভাগের সঠিক বণ্টন পদ্ধতি
আর মাত্র একদিন পরেই সারা দেশে উদযাপিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে এটি একাধারে আনন্দের উৎসব এবং ত্যাগের মহিমান্বিত দৃষ্টান্ত স্থাপনের দিন। ইসলামের বিধান অনুযায়ী, আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান মুসলমানদের ওপর কুরবানি করা ওয়াজিব। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই ইবাদতের মাধ্যমে মূলত মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ করা সম্ভব হয়।
পবিত্র কুরবানির অন্যতম প্রধান একটি নিয়ম হলো পশুর গোশত সমবন্টন করা, যা সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এই গোশতকে তিন ভাগে ভাগ করতে হয়। এর মধ্যে প্রথম অংশটি রাখতে হয় নিজের ও পরিবারের সদস্যদের জন্য। দ্বিতীয় অংশটি দিতে হয় নিকট আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের মাঝে। আর অবশিষ্ট তৃতীয় অংশটি সমাজের দরিদ্র, অসহায় ও দুস্থ মানুষের অধিকার হিসেবে তাদের মাঝে বণ্টন করে দিতে হয়।
ঈদের দিন ঘরে অনেক গোশত চলে আসায় অনেকেই তা গুছিয়ে রাখা নিয়ে বেশ বিচলিত হয়ে পড়েন। তবে সংরক্ষণের সঠিক বৈজ্ঞানিক ও শরীয়তসম্মত পদ্ধতি জানা থাকলে এই কাজটি কোনো বড় সমস্যাই নয়। ফ্রিজে মাংস রাখার সঠিক নিয়ম জানা থাকলে এর স্বাদ, গুণাগুণ ও পুষ্টিমান দীর্ঘদিন পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ রাখা সম্ভব। এর জন্য ফ্রিজ আগে থেকেই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি মাংস ভালো রাখার কিছু জরুরি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।
কুরবানির মাংস ফ্রিজে তোলার আগে প্রথমে ভালো করে ধুয়ে এর ভেতরের সম্পূর্ণ পানি ঝরিয়ে নিতে হবে। রক্তসহ বা ভেজা অবস্থায় কাঁচা মাংস খোলা রেখে ফ্রিজে রেখে দেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই নিরাপদ নয়। মাংস সংরক্ষণের জন্য সবসময় ভালো মানের ফুড-গ্রেড পলিথিন অথবা শক্ত ঢাকনাযুক্ত প্লাস্টিক কন্টেইনার ব্যবহার করা উচিত। অনেকে বড় কোনো প্লাস্টিকের ব্যাগে এক গাদা মাংস একসাথে রেফ্রিজারেটরে ঢুকিয়ে রাখেন, যা একটি সম্পূর্ণ ভুল পদ্ধতি। এর পরিবর্তে সবসময় ছোট ছোট ভাগে বা একবেলার রান্নার উপযোগী ‘ফ্যামিলি প্যাক’ আকারে মাংস রাখা সবচেয়ে কার্যকর। কারণ ফ্রিজ থেকে একবার মাংস বের করে বরফ গলানোর পর, তা রান্না না করে পুনরায় আবার ফ্রিজে রেখে দিলে মাংসের মান ও পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়।
ফ্রিজের নরমাল কিংবা ডিপ—উভয় চেম্বারেই কুরবানির কাঁচা মাংস রাখার সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। কাঁচা মাংসকে সবসময় ফ্রিজে আগে থেকে তৈরি করে রাখা রান্না করা খাবার, মিষ্টিজাতীয় জিনিস অথবা ফলমূল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ও দূরে রাখতে হবে, যাতে কোনোভাবেই জীবাণুর সংক্রমণ না ঘটে। সঠিক উপায়ে ডিপ ফ্রিজের মাইনাস বা হিমাঙ্ক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা সম্ভব হলে কুরবানির গরুর মাংস সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত সম্পূর্ণ ভালো, তাজা এবং খাওয়ার উপযোগী থাকে।
/আশিক
ফ্রিজের শক্ত বরফ জমা মাংস দ্রুত গলানোর ৪টি বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ ঘরোয়া কৌশল
রান্নাঘরের ব্যস্ততম সময়ে অনেক সময়ই দেখা যায় ফ্রিজ থেকে বের করা মাংস পাথরের মতো শক্ত হয়ে বরফ জমে আছে। এই অবস্থায় তাড়াহুড়ো করে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় বা কিচেন কাউন্টারে দীর্ঘক্ষণ মাংস রেখে দিলে, বিশেষ করে তীব্র গরমের দিনে, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। তবে খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বাদ অক্ষুণ্ণ রেখে অত্যন্ত দ্রুত ও বৈজ্ঞানিক উপায়ে মাংস ডিফ্রস্ট বা বরফ গলানোর বেশ কিছু দারুণ কৌশল রয়েছে, যা জানা থাকলে শেষ মুহূর্তের রান্নার চাপ অনেকটাই কমে যায়।
খুব দ্রুত অথচ নিরাপদ উপায়ে মাংস গলাতে ঠান্ডা পানির ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর। প্রথমে বরফ জমে থাকা মাংসটিকে একটি প্লাস্টিক ব্যাগে বাতাসহীনভাবে ভালোভাবে সিল করে নিন। এরপর একটি গভীর পাত্রে ঠান্ডা পানি নিয়ে ব্যাগটি ডুবিয়ে রাখুন। প্রতি ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর পর পাত্রের পানি বদলে দিন। মাংসের টুকরো ছোট হলে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই এটি সম্পূর্ণ গলে রান্নার উপযোগী হয়ে যাবে এবং জীবাণুর আক্রমণও ঘটবে না।
বিজ্ঞানের তাপ পরিবহন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ধাতু বা মেটালের সাহায্যে মাংস দ্রুত গলানো সম্ভব। দুটি ধাতব প্যান বা অ্যালুমিনিয়ামের ট্রের মাঝখানে বরফযুক্ত মাংসের প্যাকেটটি চেপে রেখে দিন। ধাতু বাতাস থেকে দ্রুত তাপ শোষণ করে মাংসে পরিবাহিত করে, যার ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক দ্রুত বরফ গলে যায়।
আধুনিক ওভেনগুলোতে 'Defrost' নামের একটি বিশেষ অপশন থাকে। কম পাওয়ার দিয়ে অল্প সময় নির্ধারণ করে ওভেনে মাংস দিন এবং মাঝে মাঝে উল্টেপাল্টে দিন। তবে মনে রাখবেন, ওভেনে ডিফ্রস্ট করার পর মাংসের কিছু অংশ যেন আংশিক সেদ্ধ না হয়ে যায়। আর ওভেনে গলানো মাংস অবহেলা না করে সঙ্গে সঙ্গেই রান্না করে ফেলা উচিত।
রান্নার ঝামেলা স্থায়ীভাবে কমাতে মাংস ফ্রিজিং করার সময়ই কিছুটা কৌশলী হতে হবে। বড় বড় ব্লকে বা একবারে অনেক মাংস একসাথে না রেখে, ছোট ছোট প্লাস্টিক ব্যাগে পাতলা স্তর করে ভাগ করে রাখুন। এতে মাংস যেমন সমানভাবে জমে, তেমনি প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প অংশ বের করে দ্রুত গলিয়ে নেওয়া যায়। ফলে বারবার পুরো মাংস গলানো এবং পুনরায় ফ্রিজে রাখার ক্ষতিকর চক্র থেকে মুক্তি মেলা সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের চোখে সবচেয়ে নিরাপদ উপায় কোনটি?
খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, রান্নার আগের দিন রাতে ডিপ ফ্রিজ থেকে মাংস বের করে নরমাল ফ্রিজে (Refrigerator) রেখে ধীরে ধীরে বরফ গলানোই সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ পদ্ধতি। এতে তাপমাত্রা একদম নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে জরুরি প্রয়োজনে ঠান্ডা পানির পদ্ধতিটি সবচেয়ে সেরা বিকল্প। আর মনে রাখবেন, যদি মাংস নরমাল ফ্রিজের ভেতরে রেখে গলানো হয়, তবেই কেবল তা রান্না না করে পুনরায় ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যাবে। কিন্তু ঘরের বাইরে বা ওভেনে গলানো মাংস কোনোভাবেই দ্বিতীয়বার ফ্রিজে রাখা উচিত নয়, এতে খাবারের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ দুই-ই নষ্ট হয়।
সূত্র: এনডিটিভি
ঈদের আগে উজ্জ্বল ও মসৃণ ত্বক পেতে রূপবিশেষজ্ঞদের বিশেষ রূপচর্চা গাইড
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। উৎসবের এই দিনগুলোতে প্রত্যেকেই চান নিজেকে নিখুঁত, মসৃণ এবং উজ্জ্বল ত্বকে ফুটিয়ে তুলতে। তবে বর্তমানে জ্যৈষ্ঠের তীব্র ভ্যাপসা গরম আর হুটহাট বৃষ্টির এই খামখেয়ালি আবহাওয়ায় ত্বকের সজীবতা ধরে রাখতে প্রয়োজন এখন থেকেই ধারাবাহিক ও পরিকল্পিত রূপচর্চা। পার্লার বা ঘরে বসেই ঈদের দিনে শতভাগ স্বাস্থ্যকর ও গ্লোয়িং স্কিন পেতে রূপবিশেষজ্ঞরা একটি বিশেষ নিবিড় পরিচর্যা ও প্রি-ঈদ স্কিন কেয়ার রুটিন প্রকাশ করেছেন, যা উৎসবের দিনগুলোতে আপনার মেকআপকে করবে দীর্ঘস্থায়ী ও ত্রুটিহীন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উৎসবের আমেজে উজ্জ্বলতা পেতে শেষ মুহূর্তের ভরসা হতে পারে একটি ধারাবাহিক ডেইলি রুটিন। প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কারের জন্য একটি মৃদু ক্লিনজার ব্যবহার করে বৃত্তাকার গতিতে ম্যাসাজ করে হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিতে হবে, যা ত্বকের প্রাকৃতিক তেল বজায় রাখে।
এরপর ত্বকের সূক্ষ্ম রেখা দূর করতে ও দৃঢ়তা বজায় রাখতে নিয়মিত ভালো ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা অপরিহার্য। মরা চামড়া বা মৃত কোষ দূর করতে সপ্তাহে এক বা দুইবার সঠিক এক্সফোলিয়েশন বা স্ক্রাবিং করতে হবে, যা ঈদের মেকআপকে মসৃণভাবে ত্বকে বসতে সাহায্য করবে।
এছাড়া চোখের নিচের ক্লান্তি ও ডার্ক সার্কেল দূর করতে নিয়মিত আঙুলের ডগায় আই ক্রিম লাগানো এবং দিনে দুবার টোনার হিসেবে স্প্রে বোতলে গোলাপ জল ব্যবহার করলে সারাদিন সতেজ থাকা যায়। ঈদের অন্তত তিন দিন আগে ত্বকের ধরন অনুযায়ী একটি ভালো ফেসিয়াল ম্যাসাজ করিয়ে নেওয়া উচিত। বাহ্যিক যত্নের পাশাপাশি ভেতর থেকে ত্বককে আর্দ্র রাখতে প্রতিদিন প্রচুর পানি, পানি সমৃদ্ধ ফল ও পর্যাপ্ত শাকসবজি খাওয়া প্রয়োজন।
যারা ঈদের ব্যস্ততায় পার্লারে যাওয়ার সময় পাবেন না, তারা ঘরে বসেই রান্নাঘরের কিছু সহজ উপাদান দিয়ে তৈরি করতে পারেন ৪টি মেগা ফেসপ্যাক। ত্বকের গঠন নরম ও উজ্জ্বল করতে এক টেবিল চামচ দইয়ের সাথে সামান্য মধু মিশিয়ে ২০ মিনিট মুখে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তৈলাক্ত ত্বকের লোমকূপ গভীরভাবে পরিষ্কার করতে ১০-১৫ মিনিটের জন্য ক্লে মাস্ক ব্যবহার করুন, তবে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হওয়া এড়াতে এটি পুরোপুরি শুকানোর আগেই ধুয়ে ফেলতে হবে।
ত্বককে পরবর্তী দিনগুলোতে অন্যান্য রূপচর্চার পণ্য ভালোভাবে শোষণের উপযোগী করতে এবং গভীর আর্দ্রতা দিতে ২০ মিনিটের জন্য একটি অ্যালোভেরা বা গ্লিসারিন-সমৃদ্ধ মাস্ক লাগাতে পারেন। সবশেষে, ঈদের ঠিক আগের শেষ দিনে (চাঁদ রাতে) তাৎক্ষণিক গ্লো বা ইনস্ট্যান্ট ব্রাইটনেস পেতে ১৫ মিনিটের জন্য একটি ভিটামিন সি মাস্ক বা রেডিমেড শিট মাস্ক ব্যবহার করলেই উৎসবের সকালে আপনার ত্বক দেখাবে সবচেয়ে আকর্ষণীয়।
/আশিক
নারীদের সুন্দর ও আকর্ষণীয় শারীরিক গঠন ধরে রাখার ৫টি বৈজ্ঞানিক ও টেকসই উপায়
নারীরা সাধারণত সুন্দর ও আকর্ষণীয় শারীরিক গঠন ধরে রাখার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকার মহৎ উদ্দেশ্যেই ওজন কমানোর (Weight Loss) আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকেন। তবে সঠিক গাইডলাইনের অভাব এবং দ্রুত ফল পাওয়ার তীব্র আকুলতায় অনেক সময় কিছু মারাত্মক ভুল অভ্যাস তাঁদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় যুক্ত হয়ে পড়ে। এই ভুলগুলো শরীরের বিপাক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম (Metabolism) সম্পূর্ণ ধীর করে দেয়, হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট করে এবং উল্টো দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমানোর পুরো প্রক্রিয়াকে আরও বেশি জটিল ও কঠিন করে তোলে। তাই সুস্থভাবে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইলে নারীদের কয়েকটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকা জরুরি।
প্রথমত, দ্রুত মেদ ঝরানোর আশায় অনেকেই খাবার খাওয়া একেবারে কমিয়ে দেন বা না খেয়ে থাকেন। শুরুতে ক্র্যাশ ডায়েটের কারণে ওজন কিছুটা কমলেও পরে মেটাবলিজম ধীর হয়ে শরীর প্রচণ্ড দুর্বল হয়ে পড়ে এবং পেশী ক্ষয় (Muscle Loss)সহ হরমোনের মারাত্মক জটিলতা দেখা দেয়। তাই না খেয়ে থাকার ক্ষতিকর আত্মঘাতী পথ পরিহার করে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণ করাই সবচেয়ে বৈজ্ঞানিক ও কার্যকর পদ্ধতি।
দ্বিতীয়ত, নারীরা ওজন কমানোর সময় কার্বোহাইড্রেট বা চর্বি কমানোর দিকে যতটা অন্ধের মতো মনোযোগ দেন, প্রোটিন খাওয়ার ক্ষেত্রে ততটাই অবহেলা করেন। অথচ পর্যাপ্ত প্রোটিন শরীরের পেশী গঠন মজবুত রাখে, দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখার অনুভূতি দেয় এবং রক্তে শর্করার (Blood Sugar) মাত্রা নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এজন্য প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, মাছ, মাংসের পাশাপাশি ডাল, দই, পনির, টোফু বা বাদামের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখা বাধ্যতামূলক।
তৃতীয়ত, সুপারশপে নানাবিধ প্রক্রিয়াজাত বা প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে ‘লো-ফ্যাট’ (Low-fat) কিংবা ‘ডায়েট ফুড’ লেখা দেখেই বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। কারণ এসব খাবারে স্বাদ ধরে রাখতে গোপনে অতিরিক্ত চিনি, ক্ষতিকর লবণ, কৃত্রিম প্রিজারভেটিভ ও অস্বাস্থ্যকর চর্বি মেশানো থাকে, যা ওজনকে উল্টো বাড়িয়ে দেয়। তাই প্যাকেটজাত খাবারের বদলে সবসময় প্রাকৃতিক ও ঘরে তৈরি তাজা খাবার বেছে নেওয়া উচিত।
চতুর্থত, ওজন কমানোর সম্পূর্ণ সমীকরণটি শুধু ডায়েট বা জিমের কঠোর ব্যায়ামের ওপর নির্ভর করে না; বরং পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক স্বস্তি এর অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে গেলে শরীরে ‘কর্টিসল’ (Cortisol) নামক হরমোন নিঃসৃত হয়, যা ক্ষুধা বাড়িয়ে দেয় এবং পেটের বিপজ্জনক জেদি মেদ (Belly Fat) জমাতে সরাসরি সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন রাতে পর্যাপ্ত ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুম নিশ্চিত করা অপরিহার্য।
পরিশেষে, কোনো ম্যাজিক বা ডিটক্স ওয়াটারের ফাঁদে পড়ে রাতারাতি চিকন হওয়ার তাড়াহুড়ো করা যাবে না। অল্প সময়ে কঠোর ডায়েট শরীরের অপূরণীয় ক্ষতি করে। তাই ধৈর্য ধরে ধীরে ধীরে একটি স্থায়ী স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস গড়ে তোলাই মেদহীন শরীর পাওয়ার একমাত্র টেকসই চাবিকাঠি।
/আশিক
অল্প বয়সেই মাথায় টাক পড়ার ভয়? ডায়েটে রাখুন এই ৫ সুপারফুড
প্রতিদিন ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক হলেও এর বেশি হওয়া মানেই দুশ্চিন্তার কারণ। চুলের বাহ্যিক যত্নের চেয়েও অভ্যন্তরীণ পুষ্টি বা সঠিক খাদ্যাভ্যাস চুল পড়া রোধে বেশি কার্যকর। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রোটিন ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত তালিকায় রাখলে অল্প বয়সে চুল কমে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
চুল পড়া রোধে ৫টি সুপারফুড
ক্যাপসিকাম
চুলের স্বাস্থ্যের জন্য ক্যাপসিকাম অত্যন্ত উপকারী। এতে থাকা পুষ্টি উপাদান চুলের গোড়া মজবুত করে। সালাদ বা চাইনিজ খাবারে ক্যাপসিকাম রাখা অথবা পনিরের সাথে সেদ্ধ করে খাওয়া চুলের জন্য ভালো।
ডিম
ডিম হলো বায়োটিন ও প্রোটিনের বড় উৎস। অনেকে চুলে ডিম মেখে থাকেন, তবে নিয়মিত ডিম খেলে ভেতর থেকে চুল শক্ত ও স্বাস্থ্যবান হয়।
মাছ
ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, ভিটামিন ডি এবং ক্যালসিয়ামের জন্য মাছের কোনো বিকল্প নেই। এটি চুলের গুণগত মান বাড়াতে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
মসুর ডাল
প্রোটিন ও জিংকের চাহিদা মেটাতে মসুর ডাল অনবদ্য। চুলের গোড়া মজবুত করতে সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন ডাল খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
মিষ্টি আলু
এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীর ভিটামিন এ-তে রূপান্তর করে, যা মাথার ত্বকে সিবাম তৈরিতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া কমায়।
/আশিক
শিকড় ভুলে যাওয়ার দিন নয় আজ: অস্তিত্বের টানে ফিরে আসুক ভালোবাসা
আজ বিশ্ব মা দিবস। মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে মমতাময়ী মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানোর জন্য এই দিনটি উৎসর্গ করা হয়েছে। মা—এমন এক শব্দ, যার গভীরতা পরিমাপ করা অসম্ভব এবং যার ঋণ কোনো পার্থিব মূল্যে শোধ করা যায় না।
দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারণ থেকে শুরু করে সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখানো এবং তিলে তিলে মানুষ করার পেছনে মায়ের যে আত্মত্যাগ, তা অতুলনীয়। প্রতিটি ধর্মেই মাকে সর্বোচ্চ সম্মান দেওয়া হয়েছে। তবে আধুনিকতার ইঁদুর দৌড়ে আজ অনেক সন্তানই শিকড়ের বন্ধন ভুলে যাচ্ছেন। সামাজিক আভিজাত্য রক্ষা করতে গিয়ে বৃদ্ধা মাকে 'ওল্ড হোমে' পাঠিয়ে দেওয়া কিংবা গ্রামের বাড়িতে অযত্নে ফেলে রাখার মতো অমানবিক দৃষ্টান্ত আজ আমাদের সমাজে প্রকট হচ্ছে। অথচ মায়ের দোয়াই সন্তানের সফলতার মূল চাবিকাঠি।
মা দিবসের শেকড় প্রোথিত মধ্যযুগের ব্রিটেন এবং আধুনিক যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে। মধ্যযুগে খ্রিস্টান ধর্মের উৎসব 'লেন্ট'-এর চতুর্থ রোববারে দূর-দূরান্তে থাকা সন্তানেরা মায়ের কাছে এবং ছোটবেলার চার্চে ফিরে আসতেন, যা 'মাদারিং সানডে' হিসেবে পরিচিত ছিল।
আধুনিক মা দিবসের যাত্রা শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ১৯০৭ সালের ১২ মে ফিলাডেলফিয়ার আনা জারভিস তার প্রয়াত মায়ের স্মরণে একটি সভা আয়োজন করেন। তার মা আনা রিভস জারভিস মায়েদের স্বাস্থ্য ও শিশু মৃত্যুহার কমাতে 'ডে ওয়ার্ক ক্লাব' প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিজের ১১ সন্তানের মধ্যে ৯ জনকেই হারানো সেই মায়ের সংগ্রামের স্বীকৃতি দিতেই আনার এই উদ্যোগ। পরবর্তীতে ১৯১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন মে মাসের দ্বিতীয় রবিবারকে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বিশ্বকাপের ঠিক আগে ইনজুরিতে জর্জরিত আর্জেন্টিনা
- ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ১৮ জেলায় রাত ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- গ্রামাঞ্চলে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, বাজেট অধিবেশনে রুমিন ফারহানার ক্ষোভ
- মার্কিন নিরস্ত্রীকরণ প্রচেষ্টাকে 'সেকেলে কল্পনা' বলে উড়িয়ে দিল উত্তর কোরিয়া
- বিজিবি-বিএসএফের মুখোমুখি অবস্থান; সীমান্তজুড়ে ৩ দিন ধরে ধুঁকছে মানবতা
- ১ বছরে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ: রোনালদো কি এখনও পর্তুগাল দলের ‘অটো-চয়েজ’?
- ট্রাম্প-নেতানিয়াহু দ্বন্দ্ব তুঙ্গে: ট্রাম্পের নিষেধ সত্ত্বেও বৈরুতে ৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ল ইসরায়েল
- কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
- বিবিএস-এর হালনাগাদ রিপোর্টে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চিত্র
- বিসিবি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল
- মুরাদনগরে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট কার্যক্রমের বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত
- দিল্লির রাজপথে ‘তেলাপোকা বাহিনীর’ গর্জন, মোদি সরকারের জন্য বড় সতর্কবার্তা
- সংসদে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভাঙায় জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসানকে স্পিকারের সতর্কবার্তা
- ভারতের যেকোনো অবৈধ পুশ ইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে সরকার প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- দক্ষিণ লেবাননের ৫ শহরে ইসরায়েলের নতুন বিমান হামলা
- আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ শিশুর মৃত্যু: ভরিপ্রতি ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে রিট
- অবৈধ ঘোড়ার মাংস বাণিজ্যে হাইকোর্টের রুল
- ৭ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৭ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- মেসিকে বেঞ্চে রেখেও আর্জেন্টিনার সহজ জয়, হারল হন্ডুরাস
- ফেসবুক-ইউটিউবের আয় থেকে আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা কাটবে না ব্যাংক
- ফ্যাসিবাদী শাসন শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিপর্যস্ত করেছে, এখন ঘুরে দাঁড়ানোর সময়: প্রধানমন্ত্রী
- কুয়েত ও বাহরাইনে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে উৎসবের কাছে ভয়াবহ গোলাগুলি
- পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ঘাতক সোহেল ও তার স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
- শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘিরে ঢাকা আদালত প্রাঙ্গণে তীব্র উত্তেজনা ও বিক্ষোভ
- বিশ্ব বাজারের প্রভাবে দেশে দুই দফায় কমল স্বর্ণের দাম
- জেনে নিন আজ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচি
- রবিবার ঢাকার কোন কোন এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ, জেনে নিন
- জেনে নিন আজকের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি
- ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলে দুপুর ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ধনকুবের রবিন খুদার
- রেকর্ড ১৭ দিনে বিচার শেষ: রায় ঘিরে ঢাকা আদালত প্রাঙ্গণে কড়া নিরাপত্তা
- ঢাকাসহ ১৮ অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস
- মার্কিন-ইরান সংঘাতের রেশ কাটতেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় পতন
- ফিলিস্তিনিদের বিয়ের অনুষ্ঠানে ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের বর্বরতা
- উদ্বোধনী আসরে জে বালভিন ও মানাসহ একঝাঁক তারকার মেলা
- গোয়ায় রানার্সআপ বাংলাদেশ: দীর্ঘ ৬ বছর পর আবারও সাফের মুকুট ভারতের ঘরে
- পাইপলাইনের জরুরি লিকেজ মেরামত: ১০ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না বেশ কিছু এলাকায়
- মিরপুরে চার দিন ১০ ঘণ্টা করে যান চলাচল বন্ধ ঘোষণা
- একবার চার্জে ৬ ঘণ্টা চলবে বিশ্বকাপের বল, থাকছে হাইবারনেশন মোড
- ইরানের বেশিরভাগ ড্রোন ও মিসাইল কারখানা ধ্বংস করা হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
- কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে ৫ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু
- মনুষ্যত্ব এখন টাকার কাছে বিক্রি হচ্ছে: রাশেদ খাঁন
- সাফের মুকুট ধরে রাখার লড়াই: মেগা ফাইনালে মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারত
- হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ বন্ধের কড়া হুঁশিয়ারি দিল ইরান, কাঁপছে মধ্যপ্রাচ্য
- আওয়ামী লীগ ১৭ বছরে যেখানে গিয়েছিল, বিএনপি ৩ মাসেই সেখানে গেছে: আসিফ মাহমুদ
- ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০৩২
- চোখের ক্লান্তি ও কালো দাগ দূর করতে আলু নাকি শসা, কোনটি সেরা?
- সাহারার মৃত্যুফাঁদে ৪৯ প্রাণ: বিকল ট্রাক, ফুরিয়ে যায় পানি, মরুভূমিতেই শেষ যাত্রা
- ৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- ৩ জুন: আজকের শেয়ারবাজারের বিস্তারিত বিশ্লেষণ
- তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর: এজেন্ডায় ৯ লাখ কর্মীর ভাগ্য ও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
- ৩ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২ জুন ২০২৬: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণ কিনতে সুখবর, এক লাফে কমল স্বর্ণের দাম
- ১ জুন ২০২৬: আজ দিনভর কেমন থাকবে রাজধানীসহ দেশের আবহাওয়া?
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
- জমি বিরোধের জেরে সাতক্ষীরার ঝায়ামারীতে গৃহবধূকে পথরোধ করে বর্বর হামলা
- নেপালকে বধ করে টানা তৃতীয়বার সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ
- কালিগঞ্জে পৈত্রিক সম্পত্তি ও মৎস্য ঘের দখলে থানায় অভিযোগ








