বিশ্বব্যাংকের সরে যাওয়া:চিকিৎসা নয়, হয়েছে কেবল নির্মাণ

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ মে ১৩ ১২:৪২:২৯
বিশ্বব্যাংকের সরে যাওয়া:চিকিৎসা নয়, হয়েছে কেবল নির্মাণ

সত্য নিউজ:রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত শিশু হাসপাতালে ঢুকে চোখে পড়ে অত্যাধুনিক সাজানো একটি খালি কক্ষ। দরজার বাইরে লেখা—“হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট (এইচডিইউ)”, যা করোনা মহামারির সময় গৃহীত ‘কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস’ প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু ভবন প্রস্তুত থাকলেও আজও আসেনি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ফলে ইউনিটটি চালু করা যায়নি।

দুর্নীতির ছোবলে অসমাপ্ত প্রকল্প

বিশ্বব্যাংক ও এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (AIIB) ঋণে নেওয়া এই প্রকল্পের মোট বাজেট ছিল ৬ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে ৫ হাজার ৯১৪ কোটি ছিল বৈদেশিক ঋণ। সরকারের নিজস্ব অনুদান ছিল ৪৭২ কোটি টাকা। মহামারিকালে জরুরি চিকিৎসা সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য থাকলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে—সেই লক্ষ্য ব্যর্থতার গহ্বরে।

২০২০ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৫ সালের জুনে। কিন্তু গত ডিসেম্বরেই বিশ্বব্যাংক দুর্নীতির অভিযোগে প্রকল্প থেকে সরে যাওয়ার পর সরকার একতরফাভাবে এটি সমাপ্ত ঘোষণা করে। এর ফলে দেশের বহু স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো রয়ে গেছে অর্ধসমাপ্ত, আর কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি না আসায় হাসপাতালগুলো কার্যত ব্যবহারযোগ্য হয়নি।

দৃষ্টান্তমূলক দুর্নীতির দলিল হয়ে উঠেছে এই প্রকল্প

সরকারের নিজেরই নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান, বৈদেশিক সাহায্যপুষ্ট প্রকল্প অডিট অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পে ৪৬৫ কোটি টাকার ৭৬টি নিরীক্ষা আপত্তি রয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৮০ কোটি টাকার আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে, বাকিগুলো অনিষ্পন্ন।

পিপিই, মাস্ক, থার্মোমিটারসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সামগ্রী কেনায় হিসাবের গরমিল দেখা গেছে প্রায় ৩৪ কোটি টাকার। এমনকি কেনা হয়েছে নিম্নমানের সরঞ্জাম, যেখানে মান যাচাইয়ের কোনো প্রক্রিয়াই অনুসরণ করা হয়নি। অনভিজ্ঞ ও অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয় চুক্তিতে। এতে সরকারের বাড়তি খরচ হয়েছে প্রায় ৫৯ কোটি টাকা।

অসমাপ্ত স্থাপনা, অচল যন্ত্রপাতি

শুধু শিশু হাসপাতাল নয়, দেশের ৫০টি জেলার সদর হাসপাতালে নির্মিত হয়েছে এক হাজার আইসোলেশন ইউনিট এবং ৪৮টি আইসিইউ। কিন্তু এই ইউনিটগুলোর অধিকাংশেই নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি।

৪৮টি আইসিইউর মধ্যে মাত্র ১৩টি তে যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে, বাকিগুলো অকেজো পড়ে আছে। ১৪টি মেডিকেল কলেজে স্থাপিত পেডিয়াট্রিক কেয়ার ইউনিটেও এখন পর্যন্ত যন্ত্রপাতির দরপত্র আহ্বানই করা হয়নি। ২০টি হাসপাতালের জন্য পরিকল্পিত মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্টের মধ্যে যন্ত্রপাতি সরবরাহ বাতিল করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যসেবার বড় মঞ্চে জনস্বার্থের পরাজয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল হামিদ বলেন, “এ প্রকল্পে দুর্নীতি প্রতিষ্ঠিত সত্য। তবে তার চেয়ে বড় বাস্তবতা হলো, এখনো মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত। তাই যারা দুর্নীতিতে জড়িত তাদের বিচারের পাশাপাশি প্রকল্পের অপূর্ণ অংশ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে।”

শিশু হাসপাতালের পরিচালক মো. মাহবুবুল হক জানান, “এইচডিইউ চালু করতে অন্তত চার কোটি টাকা প্রয়োজন, কিন্তু তা হাসপাতালের বাজেটে নেই। ইউনিটটি চালু থাকলে শিশুদের জরুরি চিকিৎসা নিশ্চিত করা যেত। এখন তা হয়ে আছে এক অপূর্ণ স্বপ্ন।”

জনগণের খেসারত: নীতিনির্ধারকদের দায়ভার

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক পরিচালক গেইল মার্টিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, প্রকল্পে দুর্নীতির যথাযথ প্রমাণ পেয়ে তা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে, যা পরে দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক শেখ সায়েদুল হক জানিয়েছেন, “আইএমইডির প্রতিবেদন এখনো হাতে পাইনি। কিছু অডিট আপত্তি নিষ্পত্তি হয়েছে, বাকিগুলোর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কোভিড মোকাবিলায় গৃহীত এ প্রকল্পের ব্যর্থতা শুধু একটি অর্থনৈতিক নয়, এক মানবিক বিপর্যয়ের প্রতিচ্ছবি। কোটি কোটি টাকার অপচয়, ব্যবহৃত না হওয়া অবকাঠামো, এবং অচল যন্ত্রপাতির পাহাড় যেন ভবিষ্যতের জন্য এক সতর্কবার্তা। দুর্নীতি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা এবং অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো দ্রুত সম্পন্ন করাই হতে পারে জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার প্রকৃত প্রমাণ।


তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা! কতদিন স্থায়ী হবে এই তাপপ্রবাহ?

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ২১:৫৫:২৮
তীব্র গরমে হাঁসফাঁস দশা! কতদিন স্থায়ী হবে এই তাপপ্রবাহ?
ছবি : সংগৃহীত

বৈশাখের দ্বিতীয় সপ্তাহে এসেই আগুনের হল্কা ছড়াচ্ছে প্রকৃতি। দেশের ১৪ জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) এক বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, লক্ষ্মীপুর, খুলনা, যশোর ও কুষ্টিয়া জেলাসহ পুরো রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে এই দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, এই হাঁসফাঁস করা গরম আগামী শুক্রবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে স্বস্তির খবর হলো, শনিবার থেকে সারাদেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে, যার ফলে কমতে শুরু করবে দিনের তাপমাত্রা। মজার ব্যাপার হলো, গত তিন বছর শতাব্দীর উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল পার করলেও সেই তুলনায় এ বছরের আবহাওয়া এখনও যথেষ্ট সহনশীল বলে মনে করছে আবহাওয়া অফিস।

তাপমাত্রার পরিমাপ অনুযায়ী, ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে মৃদু এবং ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রিকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বলা হয়। মঙ্গলবার রাজশাহীতে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা মাঝারি তাপপ্রবাহের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকাতেও ছিল প্রখর রোদ, যেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বিপরীত চিত্র দেখা গেছে সিলেটে, সেখানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবার দেশের কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে ময়মনসিংহ, বরিশাল, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির সাথে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের বাকি অংশে আকাশ মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এবং গরমের তীব্রতা বজায় থাকবে।

/আশিক


জ্বালানির দাম কমান, মানুষ বাঁচান: আখতার হোসেন

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ২১:১৬:৩২
জ্বালানির দাম কমান, মানুষ বাঁচান: আখতার হোসেন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে এলপিজি ও জ্বালানি তেলের ‘মাত্রাতিরিক্ত’ মূল্যবৃদ্ধির কড়া সমালোচনা করে সরকারের প্রতি তোপ দেগেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সংসদের অধিবেশনে জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, জ্বালানির এই অস্বাভাবিক দাম জনজীবনে চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

আখতার হোসেন তাঁর বক্তব্যে সরকারের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, "সরকার বলেছিল তারা দাম বাড়াবে না, কিন্তু এখন যে হারে দাম বাড়ানো হয়েছে তা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা মনে করি, এই মাত্রাতিরিক্ত দাম কমিয়ে দ্রুত জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনা উচিত।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট ও যুদ্ধের পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট থাকা স্বাভাবিক, তবে বাংলাদেশে এই সংকটের পেছনে ‘কৃত্রিম’ কিছু কারণও রয়েছে। তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট রোধে সরকারের ভূমিকা স্পষ্ট নয় বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

বিশেষ করে এলপিজির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে এনসিপির এই সংসদ সদস্য বলেন, "হঠাৎ করে এলপিজির দাম বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে সাধারণ মানুষের রান্নাবান্না থেকে শুরু করে উৎপাদনমুখী কাজগুলো স্থবির হয়ে পড়েছে। রান্নার কাজে যারা এলপিজি ব্যবহার করেন, তাদের পক্ষে এই বাড়তি খরচ বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে।" তিনি অবিলম্বে অভ্যন্তরীণ মজুতদারি ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে দাম কমিয়ে সহনীয় পর্যায়ে আনার জোর দাবি জানান।

/আশিক


সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট! দুর্নীতির রহস্য উম্মোচনে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২১ ২০:০৩:৫০
সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট! দুর্নীতির রহস্য উম্মোচনে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ক্যামেরা, ব্যাগ ও কার্ড রিডারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ ও দুর্নীতির ভয়ংকর অভিযোগ তদন্তে নজিরবিহীন কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন স্পিকার। বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে এসব পণ্য কিনে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের খবর প্রকাশ্যে আসার পর স্পিকারের নির্দেশে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল ২০২৬) সংসদ সচিবালয়ের মানবসম্পদ শাখা-১ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত ওই আদেশে জানানো হয়, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিনকে (নিজাম) এই তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদ, ঢাকা-১২ আসনের মো. সাইফুল আলম, চট্টগ্রাম-৭ আসনের হুমাম কাদের চৌধুরী এবং কুমিল্লা-৪ আসনের মো. আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ)।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ এপ্রিল একটি জাতীয় দৈনিকসহ বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে ‘সংসদের কেনাকাটায় হরিলুট’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। ওই সংবাদে ক্যামেরা, ব্যাগ ও কার্ড রিডার কেনাকাটায় অস্বাভাবিক খরচ দেখিয়ে সরকারি অর্থ লোপাটের যেসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠেছে, তা খতিয়ে দেখতেই এই কমিটি কাজ করবে। সংসদের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গঠিত এই কমিটি প্রতিটি কেনাকাটার নথিপত্র এবং বাজারদরের ব্যবধান সরেজমিনে যাচাই করবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদগুলোতে দাবি করা হয়েছিল যে, সংসদ সচিবালয়ের জন্য কেনা বিভিন্ন সরঞ্জামের দাম সাধারণ বাজারমূল্যের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দেখানো হয়েছে। এই দুর্নীতির খবরটি চাউর হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে এবং দোষীদের চিহ্নিত করতে সংসদ সচিবালয় এই জরুরি তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

/আশিক


পাচার রোধেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২০ ১৯:৩৬:২২
পাচার রোধেই জ্বালানি তেলের দাম বাড়াতে হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় তা পাচার হয়ে যাচ্ছে—এমন আশঙ্কায় পাচার রোধে সরকার দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে স্পষ্ট করে জানান, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের কোনো সংকট নেই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী সরাসরি নির্দেশ দিয়েছেন যেন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি না হয়। সেই লক্ষ্যে সরকার এতদিন জ্বালানি তেলের দাম একটি সহনীয় বা 'টলারেবল' মাত্রার মধ্যে আটকে রেখেছিল। কিন্তু প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দাম কম হওয়ায় দেশ থেকে জ্বালানি পাচারের একটি ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন কম মূল্যে জ্বালানি সরবরাহ করায় জাতীয় অর্থনীতির ওপর বড় চাপ তৈরি হয়েছে, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বলেন, "পাচার রোধ এবং জাতীয় অর্থনীতির সক্ষমতা বিবেচনা করে জ্বালানি তেলের দাম কিঞ্চিৎ পরিমাণ বৃদ্ধি করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।" বর্তমানে জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে তিনি এ বিষয়ে সংসদে আর আলোচনার প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন।

/আশিক


বিদেশে কর্মী পাঠাতে ১৮ দেশের সাথে চুক্তি! সংসদে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২০ ১৯:২৪:২১
বিদেশে কর্মী পাঠাতে ১৮ দেশের সাথে চুক্তি! সংসদে সুখবর দিলেন প্রতিমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

বিদেশে দক্ষ কর্মী পাঠানো এবং নতুন শ্রমবাজার উন্মুক্ত করা নিয়ে জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) সংসদে কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান মোজাহিদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে বিশ্বের ১৮টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) বা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক জানান, সৌদি আরবের পর মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় শ্রমবাজার। দেশটিতে কর্মী পাঠানোর পথ সুগম করতে গত ৮ থেকে ১১ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী মালয়েশিয়া সফর করেছেন।

সেখানকার সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনার প্রেক্ষাপটে দ্রুতই মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর কাজ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের মতো সংকুচিত শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালুর বিষয়েও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।

সরকারের বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদেশে দক্ষ ড্রাইভার পাঠানোর লক্ষ্যে ১ লাখ কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি প্রকল্প বর্তমানে চলমান রয়েছে। পাশাপাশি জাপানের সঙ্গে চুক্তির আওতায় আগামী পাঁচ বছরে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই লক্ষ্যে বিশেষায়িত ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে এবং জাপানি ভাষা শেখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ২০২৫ সালে রেকর্ড ১১ লাখ ৩২ হাজার ৫১৯ জন কর্মীর বৈদেশিক কর্মসংস্থান হয়েছে, যার মধ্যে ৬২ হাজার ৩৫২ জন নারী কর্মী রয়েছেন।

/আশিক


জনগণের দাবিতে বেড়েছে তেলের দাম প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী : রিজভী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২০ ১৭:৫৪:৫২
জনগণের দাবিতে বেড়েছে তেলের দাম প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী : রিজভী
ছবি : সংগৃহীত

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং গুম হওয়া নেতাদের সন্ধান নিয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাবেক বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর সন্ধানের দাবিতে আয়োজিত এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

রুহুল কবির রিজভী জানান, মূলত পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা বৃদ্ধি করতে হয়েছে। তিনি বলেন, “জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি করতে চাননি প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু যখন তেলের জন্য বিরাট লম্বা লাইন তৈরি হয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে বৈশ্বিক যুদ্ধের আবহাওয়ায় পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে দাম হু হু করে বাড়ছে, তখন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে।

এ সময় মন্ত্রী ও দায়িত্বশীলদের সতর্ক করে রিজভী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন, তা অনুসরণ করুন। এমন কোনো অসামঞ্জস্যপূর্ণ কথা বলবেন না যার সাথে কাজের মিল নেই।” পাশাপাশি গুম হওয়া নেতাদের বিষয়ে তিনি বলেন, গুমের সাথে সংশ্লিষ্ট অপরাধীরা এখনও দেশে আছে, তাদের রিমান্ডে নিলেই ইলিয়াস আলীসহ নিখোঁজ নেতাদের হদিস মিলবে। গুম বিরোধী আইন আরও শক্তিশালী করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশের ফাঁকফোকরগুলো সংশোধন করে মানবতার পক্ষে কঠোর আইন প্রণয়ন করা হবে।

/আশিক


গাবতলীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঐতিহাসিক সূচনা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২০ ১৭:১২:১০
গাবতলীতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ঐতিহাসিক সূচনা
ছবি : সংগৃহীত

তৃণমূল পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়ন এবং পরিবারের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে নিজ গ্রাম বগুড়ার বাগবাড়ীতে ৯১১টি পরিবারের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরে গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কার্ড বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিএনপির দলীয় সঙ্গীত ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ পরিবেশন করা হয়, যেখানে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে দাঁড়িয়ে কণ্ঠ মেলান। এ সময় সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ উপস্থিত হাজারো সমর্থক একযোগে সংগীতে শামিল হন।

নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী গত ১০ মার্চ ঢাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হলেও প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক নিবাসে এই কার্যক্রম শুরু হওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।

সরকারের এই প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে ১৪টি উপজেলার ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ডধারী প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবে।

পরিবারে মা অথবা নারী প্রধানের নামেই এই কার্ড ইস্যু করা হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এই ফ্যামিলি কার্ডকে একটি সর্বজনীন ‘সোশ্যাল আইডি কার্ডে’ রূপান্তর করা হবে, যা ভবিষ্যতে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠবে।

/আশিক


আবারও বাড়ছে বিদ্যুতের দাম! আবাসিক গ্রাহকদের পকেটে বাড়তি চাপের আশঙ্কা

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২০ ১২:৫৯:০৫
আবারও বাড়ছে বিদ্যুতের দাম! আবাসিক গ্রাহকদের পকেটে বাড়তি চাপের আশঙ্কা
ছবি : সংগৃহীত

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের জেরে বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়েছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। ক্রমাগত বাড়তে থাকা ঘাটতি ও বকেয়া বিলের পাহাড় সামলাতে এবার বিদ্যুতের পাইকারি ও খুচরা—উভয় পর্যায়ে দাম বাড়ানোর পথে হাঁটছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা মূল্য সমন্বয়ের চূড়ান্ত সুপারিশ করবে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি ৭০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৮০ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে প্রায় সাড়ে ৫৬ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি মেটাতেই এই উদ্যোগ। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) জানিয়েছে, বর্তমানে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে আকাশচুম্বী পার্থক্যের কারণে সরকারের ভর্তুকি দিয়েও কুলিয়ে ওঠা সম্ভব হচ্ছে না। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পিডিবির ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা, অথচ আয় হয়েছে মাত্র ৭০ হাজার ৯২৬ কোটি টাকা।

বিপিডিবির তথ্যমতে, দেশি-বিদেশি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বকেয়া পাওনা এখন ৪৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর পাওনা সাড়ে ১৬ হাজার কোটি টাকার বেশি। দীর্ঘ সাত-আট মাস বিল পরিশোধ না হওয়ায় চরম সংকটে পড়েছেন বিদ্যুৎ উদ্যোক্তারা।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মতে, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রতি মাসে সরকারকে কেবল জ্বালানি খাতেই আড়াই হাজার কোটি টাকা বাড়তি ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এই বিশাল ভর্তুকির চাপ কমাতে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতেই গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিকল্প দেখছে না সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

/আশিক


বিচার বিভাগে ডিজিটাল বিপ্লব! বগুড়ায় ‘ই-বেইল বন্ড’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ এপ্রিল ২০ ১২:৪৬:৩৬
বিচার বিভাগে ডিজিটাল বিপ্লব! বগুড়ায় ‘ই-বেইল বন্ড’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
বগুড়ায় ই-বেইল বন্ড সেবার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : কালবেলা

দেশের বিচারব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নিজ জেলা বগুড়া জজ আদালত ভবন থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ই-বেইল বন্ড’ সেবার উদ্বোধন করেন। বগুড়া ছাড়াও ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া—এই মোট সাতটি জেলায় একযোগে এই অনলাইন সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এছাড়া সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব আতিকুর রহমান রুমন। ই-বেইল বন্ড হলো এমন একটি অনলাইন ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে আদালত থেকে জামিন মঞ্জুর হওয়ার পর জামিননামা সরাসরি ও দ্রুততম সময়ে কারাগারে পৌঁছে যাবে। এর ফলে জামিন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য দূর হবে।

সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রচলিত সনাতন পদ্ধতিতে জামিননামা যাচাই ও বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়ায় সময়ের অপচয়ের পাশাপাশি জামিন জালিয়াতির ঝুঁকি থাকত। ডিজিটাল এই পদ্ধতিতে সরাসরি আদালত থেকে তথ্য কারাগারে যাওয়ায় জালিয়াতি ঠেকানো সম্ভব হবে। বগুড়া জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার নুরুল মুবীন জানান, এই পদ্ধতির ফলে বন্দিদের স্বজনদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে। এর আগে সকালে প্রধানমন্ত্রী বগুড়া জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্মিত বহুতল ভবনের ফলক উন্মোচন করেন এবং হেঁটে জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে পৌঁছান।

/আশিক

পাঠকের মতামত: