রেকর্ড ছুঁয়েছে সোনার দাম: বিশ্ব অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ আশ্রয় সোনা

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৫ অক্টোবর ০৮ ১২:১০:৩২
রেকর্ড ছুঁয়েছে সোনার দাম: বিশ্ব অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তায় বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ আশ্রয় সোনা
ছবিঃ সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বিনিয়োগকারীদের ‘নিরাপদ আশ্রয়’ খোঁজার প্রবণতা আবারও সোনার বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৪,০০০ ডলার (প্রায় ২,৯৮৫ পাউন্ড) অতিক্রম করে সর্বকালের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এটি ১৯৭০–এর দশকের পর সোনার সবচেয়ে বড় উত্থান বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এপ্রিল থেকে এখন পর্যন্ত সোনার দাম বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্কনীতির পর থেকেই বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা তৈরি হয়, যা বিনিয়োগকারীদের সোনার দিকে ঝুঁকতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মার্কিন সরকারের চলমান ‘শাটডাউন’ বা আংশিক কার্যক্রম বন্ধ থাকাও এই মূল্যবৃদ্ধির অন্যতম কারণ। টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করা এই সংকটে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক তথ্য প্রকাশ বিলম্বিত হচ্ছে, যা বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।

সোনা ঐতিহ্যগতভাবে একটি ‘সেফ হেভেন’ বা নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে পরিচিত—যে সম্পদ বাজারের অস্থিরতা বা অর্থনৈতিক মন্দার সময়েও মূল্য ধরে রাখে, এমনকি বাড়ায়ও।

বুধবার সকালে এশীয় বাজারে স্পট গোল্ড—অর্থাৎ তাৎক্ষণিক বিক্রয়যোগ্য সোনার দাম—প্রতি আউন্সে ৪,০১১ ডলারের উপরে উঠে যায়। একই দামে ৭ অক্টোবর পৌঁছেছিল গোল্ড ফিউচারস মার্কেটও, যা বাজারের ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক ব্যাংক ওসিবিসির (OCBC) রেটস স্ট্র্যাটেজিস্ট ক্রিস্টোফার ওং বলেন, “মার্কিন সরকারের শাটডাউন সোনার দামের জন্য শক্তিশালী অনুকূল বাতাস তৈরি করেছে। অতীতেও এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকেছেন।”

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এক মাসব্যাপী সরকারি অচলাবস্থার সময়ও সোনার দাম প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছিল। তবে ওং সতর্ক করে বলেন, “যদি শাটডাউন প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত শেষ হয়, তাহলে সোনার দাম কিছুটা কমে আসতে পারে।”

ইউওবি ব্যাংকের বাজার কৌশল বিভাগের প্রধান হেং কুন হাও বলেন, “গত এক মাসের সোনার অভূতপূর্ব উত্থান বিশ্লেষকদের সব পূর্বাভাস ছাড়িয়ে গেছে।” তিনি জানান, ডলারের দুর্বলতা এবং নতুন খুচরা বিনিয়োগকারীদের (রিটেইল ইনভেস্টর) অংশগ্রহণ এই উত্থানে বড় ভূমিকা রেখেছে।

প্রেসিয়াস মেটাল ব্যবসায়ী ও স্টোরেজ প্রতিষ্ঠান সিলভার বুলিয়ন–এর প্রতিষ্ঠাতা গ্রেগর গ্রেগারসন বলেন, “গত এক বছরে আমাদের গ্রাহকের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। এখন ব্যাংক, ধনী পরিবার ও খুচরা বিনিয়োগকারীরা সোনাকে বিশ্ব অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে একধরনের সুরক্ষা হিসেবে বিবেচনা করছেন।”

তার ভাষায়, “আমাদের বেশিরভাগ গ্রাহক দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকারী—তারা সাধারণত চার বছরের বেশি সময় সোনা সংরক্ষণ করেন। সোনার দাম ভবিষ্যতে কিছুটা নামতে পারে, কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অন্তত আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত এটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় থাকবে।”

তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন, সুদের হার বাড়লে বা ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমিত হলে সোনার দাম কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। ওসিবিসির ওং বলেন, “২০২২ সালে যখন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদের হার বাড়িয়েছিল, তখন সোনার দাম ২,০০০ ডলার থেকে নেমে ১,৬০০ ডলারে পৌঁছেছিল।”

তিনি আরও বলেন, “সোনা অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে একধরনের বীমা হলেও, সেই বীমা পরিস্থিতি বদলালে ভাঙা যায়।”

বিশ্লেষকদের মতে, এবার সোনার উত্থান মূলত বাজারে এমন ধারণা থেকে এসেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ শিগগিরই সুদের হার কমাবে। এতে সোনার বিনিয়োগ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

এর মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফেডের ওপর প্রকাশ্যে চাপ বাড়িয়েছেন—গভর্নর লিসা কুককে বরখাস্তের চেষ্টা ও চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে সমালোচনা করে। অর্থনীতিবিদ ওং মন্তব্য করেন, “এভাবে ফেডের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতি আস্থা কমে যাবে, আর তখন অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক সম্পদ হিসেবে সোনার গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে।”

বিশ্লেষক মহল একমত—বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিরতা, মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন মিলিয়ে সোনার এই রেকর্ড উত্থান শুধুমাত্র বাজারের প্রতিক্রিয়া নয়, বরং অনিশ্চিত সময়ে নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবেও নতুন করে আবির্ভূত হচ্ছে।

-আশরাফুল ইসলাম


শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১৭:১০:৫৭
শীতে এলপিজির হাহাকার রুখতে বড় পদক্ষেপ নিল সরকার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং সাধারণ ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) একটি বিশেষ চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই চিঠিতে এলপিজি আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে বিদ্যমান ভ্যাট এবং ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের জন্য জোরালো অনুরোধ জানানো হয়েছে। মূলত শীতকালীন সংকটের মুখে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করেই এই শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের পাঠানো চিঠিতে বর্তমান পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, দেশে ব্যবহৃত মোট এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। বিশেষ করে শীত মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। এর ফলে বাজারে এলপি গ্যাসের চাহিদা আকাশচুম্বী হয়ে ওঠে এবং তীব্র সংকটের সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংকট নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর সরকার বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সাথে কাজ শুরু করেছে এবং সরাসরি এনবিআর-এর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

চিঠিতে আরও প্রস্তাব করা হয়েছে যে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা জরুরি। এছাড়াও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণ এবং ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর সম্পূর্ণভাবে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এই প্রস্তাবের সাথে সরকারের উপদেষ্টা পরিষদও একমত পোষণ করেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় মনে করছে, যদি এই ভ্যাট ও ট্যাক্স কাঠামো দ্রুত পরিবর্তন করা হয়, তবে আমদানিকারকদের খরচ কমবে এবং বাজারে গ্যাসের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে।

তবে এই ভ্যাট ছাড়ের সুফল সাধারণ গ্রাহকরা পাবেন কি না, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে সমন্বিতভাবে বিস্তারিত বিশ্লেষণ করতে বলা হয়েছে যে, ভ্যাট কমানোর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে সিলিন্ডার প্রতি ঠিক কত টাকা কমবে। উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) নেতাদের সঙ্গে একটি উচ্চপর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় ব্যবসায়ীরা উচ্চ শুল্ক হারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং তা কমানোর প্রস্তাব দেন, যার প্রেক্ষিতেই মন্ত্রণালয় আজ এই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করল।


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১১:৫২:০৬
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬), দেশের ব্যাংকিং ও খোলা বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়নি। আমদানি ব্যয় মেটানো এবং রেমিট্যান্স প্রবাহের দিক থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ডলারের দাম আজ ১২২.২৯ টাকা (ক্রয়) এবং ১২২.৩০ টাকা (বিক্রয়) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ডলারের এই স্থিতিশীলতা ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিচ্ছে। অন্যদিকে, ইউরোপীয় দেশগুলোর মুদ্রা বিশেষ করে ব্রিটিশ পাউন্ডের দর আজ বেশ ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি পাউন্ড স্টার্লিং কিনতে গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে ১৬৪.৬৬ টাকা, যেখানে এর ক্রয়মূল্য ১৬৪.৫৫ টাকা।

ইউরো জোনের প্রধান মুদ্রা ইউরোর দামও আজ স্থিতিশীল রয়েছে; যার বিক্রয়মূল্য ১৪৩.৩৫ টাকা এবং ক্রয়মূল্য ১৪৩.৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতীয় রুপির বিনিময় হার ১.৩৬ টাকায় স্থির আছে, যা সীমান্ত বাণিজ্য ও পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চীনের মুদ্রা ইউয়ানের দর আজ ১৭.৫৫ টাকা এবং জাপানি ইয়েনের দাম ০.৭৮ টাকায় দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫.১২ টাকা এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮১.৮৭ টাকা দরে বাজারে কেনাবেচা হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো উচ্চ রেমিট্যান্স এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দক্ষ ব্যবস্থাপনার কারণে ডলারের বাজার বর্তমানে অনেকটা নিয়ন্ত্রিত। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে পাউন্ড ও ইউরোর দরে সামান্য ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। যারা ব্যক্তিগত কাজে বা শিক্ষার উদ্দেশ্যে বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন অথবা রেমিট্যান্স পাঠাতে চান, তাদের জন্য প্রতিদিনের এই হালনাগাদ বিনিময় হার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১০:১৯:০১
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (৫ জানুয়ারি ২০২৬) ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে। সোমবার রাতে নির্ধারিত এই নতুন দাম অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশের বাজারে স্বর্ণ কেনাবেচা হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তারা এই নতুন মূল্য নির্ধারণে বাধ্য হয়েছে।

বাজুসের নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ এখন থেকে বিক্রি হবে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকায়। তবে বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস বিশেষভাবে সতর্ক করে জানিয়েছে, গহনা কেনার ক্ষেত্রে এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং নূন্যতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে, যা ডিজাইনভেদে আরও বাড়তে পারে।

স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩৮৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা এখন ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা ভরি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রমাগত দাম বৃদ্ধির ফলে সাধারণ ক্রেতা ও জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মধ্যে এক ধরণের অস্বস্তি কাজ করছে, কারণ মজুরি ও ভ্যাটসহ এক ভরি গহনা তৈরিতে খরচ এখন প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার থেকে আড়াই লাখ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।


প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৮ ১০:১৩:৫০
প্রবাসী আয়ের শক্তিতে সমৃদ্ধ হচ্ছে দেশ: শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা প্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ে নতুন এক মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে সংগৃহীত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই স্বস্তিদায়ক তথ্য জানা গেছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপ ও আমেরিকার দেশগুলোতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক অবদানেই আয়ের এই উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, রেমিট্যান্স আহরণে একক দেশ হিসেবে যথারীতি শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। গত ডিসেম্বর মাসে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি থেকে ৪৯ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এছাড়া শীর্ষ ১০ দেশের তালিকায় থাকা যুক্তরাজ্য থেকে ৪০ কোটি ৪৯ লাখ, মালয়েশিয়া থেকে ৩২ কোটি ২৮ লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫ কোটি ৯২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

প্রবাসী আয়ের এই প্রবৃদ্ধি কেবল অর্থনীতিতে গতি ফেরাবে না, বরং ডলারের বাজারেও স্থিতিশীলতা আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। শীর্ষ তালিকার অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে ইতালি (১৯ কোটি ৫৩ লাখ), ওমান (১৮ কোটি), কুয়েত (১৬ কোটি ৪৩ লাখ), কাতার (১৪ কোটি ৫০ লাখ) এবং সিঙ্গাপুর (১১ কোটি ৫০ লাখ) থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ জাতীয় সমৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখছে এবং সামনের মাসগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১১:৫৯:৪৬
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

আজকের লেনদেনের জন্য ব্যাংক রেট ও বিকাশ রেটের তালিকা নিচে দেওয়া হলো (উল্লেখ্য যে, যেকোনো সময় এই হার পরিবর্তন হতে পারে

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংক রেট (৳) বিকাশ রেট (৳)
মার্কিন ১ ডলার ১২৩.১২ ১২৪.৩৩
সৌদির ১ রিয়াল ৩২.৫৪ ৩২.৫৪
ইতালিয়ান ১ ইউরো ১২৭.১০ ১২৬.৫৭
ব্রিটেনের ১ পাউন্ড ১৫০.৯৩ ১৪৭.৩৩
মালয়েশিয়ান ১ রিংগিত ২৭.১০ ২৬.৫৫
সিঙ্গাপুরের ১ ডলার ৮৮.৫০ ৮৯.৪২
ওমানি ১ রিয়াল ৩১৫.০০ ৩১৫.০০
কুয়েতি ১ দিনার ৩৯৪.০০ ৩৯৪.০০
ইন্ডিয়ান ১ রুপি ১.৪০ ১.৪০

প্রবাসীদের জন্য কিছু জরুরি তথ্য

টাকার রেট প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে। তাই যখন দেখবেন বাংলাদেশি টাকার বিপরীতে বৈদেশিক মুদ্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে, তখনই রেমিট্যান্স পাঠানো বুদ্ধিমানের কাজ।

বাংলাদেশের প্রথম কাগুজে নোট চালু হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। তখন এক ডলারের মান ছিল মাত্র সাড়ে ৭ থেকে ৮ টাকা।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তেল রপ্তানির ওপর ভিত্তি করে কুয়েতি দিনার এখনও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রা হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে।


আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৭ ১১:১২:৩৫
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে, যা আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে কার্যকর হচ্ছে। নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে এখন খরচ হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা।

নতুন স্বর্ণের দাম (ভরি প্রতি)

২২ ক্যারেট: ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা

২১ ক্যারেট: ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা

১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা

সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ার কারণেই এই সমন্বয়। এর সাথে ক্রেতাকে সরকারি ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি অতিরিক্ত পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, গত ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বারই দাম বেড়েছিল।

স্বর্ণের এই আকাশচুম্বী দামের মধ্যেই বড় খবর এসেছে জ্বালানি খাতে। সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে এই ডিজেল আমদানিতে ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৪৬২ কোটি টাকা। ১৫ বছর মেয়াদী দীর্ঘকালীন চুক্তির অংশ হিসেবে পাইপলাইনের মাধ্যমে এই জ্বালানি বাংলাদেশে আসবে।


০৬ জানুয়ারি বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:২১:০৮
০৬ জানুয়ারি বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
ছবি : সংগৃহীত

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সচল রাখতে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময়ের হার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রার নতুন বিনিময় হার ঘোষণা করেছে। নতুন এই হার অনুযায়ী, মার্কিন ডলার ও ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান স্থিতিশীল থাকলেও অন্যান্য কিছু মুদ্রার ক্ষেত্রে কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আজ প্রতি মার্কিন ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সায় বিনিময় হচ্ছে। এছাড়া ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরোর দাম ১৪৩ টাকা ৩৭ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দাম ১৬৫ টাকা ৬০ পয়সা নির্ধারিত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম জনপ্রিয় মুদ্রা সৌদি রিয়ালের দর আজ ৩২ টাকা ৪৮ পয়সা এবং কুয়েতি দিনারের মান ৩৯৬ টাকা ৬৭ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

প্রবাসী অধ্যুষিত দেশ মালয়েশিয়ার রিঙ্গিত আজ ৩০ টাকা ৫ পয়সা এবং সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ১৬ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতের রুপির মান আজ ১ টাকা ৩৫ পয়সা। জাপানি ইয়েন ৭৮ পয়সা এবং চীনা ইউয়ান রেনমিনবি ১৭ টাকা ৫১ পয়সায় কেনাবেচা হচ্ছে। আমদানিকারক ও প্রবাসীদের লেনদেনের সুবিধার্থে এই তালিকাটি অত্যন্ত সহায়ক হবে। তবে ব্যাংক ভেদে এবং স্থানভেদে এই হারের সামান্য তারতম্য হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

(সূত্র : গুগল)


আজকের স্বর্ণের দাম: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৬ ১১:০৭:২৯
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে মাত্র এক দিনের ব্যবধানে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়েছে। ফলে আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সভায় এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাজুস জানিয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অলঙ্কারের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে হবে।

স্বর্ণের পাশাপাশি এবার রুপার দামেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৮৫ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে গত ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার এবং রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। চলতি বছরের মাত্র পাঁচ দিনেই স্বর্ণের দাম তিনবার সমন্বয় করার ঘটনা বাজারের অস্থিতিশীলতাকেই স্পষ্ট করে তুলছে।


স্বর্ণের বাজারে আগুন: মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দাম

অর্থনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ জানুয়ারি ০৫ ২১:৪৯:২১
স্বর্ণের বাজারে আগুন: মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন দাম
ছবি : সংগৃহীত

দেশের বাজারে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি ২০২৬) থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ কিনতে ক্রেতাদের গুনতে হবে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। সোমবার বিকেলে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক জরুরি সভায় এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাজুস জানিয়েছে যে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অলঙ্কারের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ক্রেতাদের মনে রাখতে হবে যে স্বর্ণের এই বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ ভ্যাট ও মজুরি মিলিয়ে প্রকৃত ক্রয়মূল্য আরও বাড়বে। গয়নার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

চলতি ২০২৬ সালের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় এটি স্বর্ণের দামের তৃতীয় দফা সমন্বয়। এর মধ্যে দুইবার দাম বাড়ানো হলো এবং একবার কমানো হয়েছিল। উল্লেখ্য যে বিগত ২০২৫ সালেও স্বর্ণের বাজারে ব্যাপক অস্থিরতা ছিল। গত বছর মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বারই ছিল দাম বাড়ানোর ঘটনা আর ২৯ বার কমানো হয়েছিল। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় চাহিদার প্রেক্ষিতে স্বর্ণের দাম এভাবে দফায় দফায় বাড়ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

পাঠকের মতামত:

ব্যক্তিগত দায় বনাম প্রাতিষ্ঠানিক দায়: দায়মুক্তির এক রাজনৈতিক সংস্কৃতি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের ঘটনা কাগজে পড়লে প্রথমে মনে হয় এটা যেন কোনো যুদ্ধের খবর। এক তরুণকে বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে হাত–পা প্রায়... বিস্তারিত