মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের এক সিদ্ধান্তেই আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে বড় ধসের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ধারণার চেয়েও বড় আকারে কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বৈশ্বিক প্রভাবশালী বিনিয়োগ ব্যাংক জেপি মরগান তাদের সাম্প্রতিক এক বিশেষ অর্থনৈতিক পূর্বাভাসে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ যদি সুদের হার আরও বাড়িয়ে দেয়, তবে সোনা বা এই জাতীয় অনুৎপাদনশীল ধাতুর বাজারে বড় ধরনের ধস বা চাপ তৈরি হতে পারে। মূলত সুদের হার বেশি থাকলে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা সোনার চেয়ে অন্যান্য লাভজনক ও উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে বেশি পছন্দ করেন, যার সরাসরি প্রভাব পড়ে স্বর্ণবাজারে।
বিশ্বের প্রধান প্রধান খাতগুলো থেকে সোনার চাহিদা আশানুরূপ না হওয়ায় দাম বৃদ্ধির আগের লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেকটাই সরে এসেছে জেপি মরগান। নতুন পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি ২০২৬ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৩০০ ডলার এবং চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ৪ হাজার ৫০০ ডলার হতে পারে। অথচ গত ৯ জুনের এক পূর্বাভাসে ব্যাংকটি জানিয়েছিল, বছরের শেষ নাগাদ সোনার দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। নতুন মূল্যায়নে সেই অবস্থান থেকে তারা বড় অঙ্কে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়েছে।
অবশ্য এই নেতিবাচক পূর্বাভাসের মধ্যেই শুক্রবার (৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক বাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ২১ ডলারে লেনদেন হয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি সপ্তাহে ধাতুটির দাম সামগ্রিকভাবে ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
সাময়িক ওঠানামা এবং নিকট অতীতে দাম কমার বড় ঝুঁকি থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার নিয়ে এখনও আশাবাদী জেপি মরগান। ব্যাংকটি জানিয়েছে, ২০২৭ সাল নাগাদ বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা কেনার প্রবণতা এবং বাজারে বাস্তব চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এই স্বর্ণবাজার আবারও বেশ শক্তিশালীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে।
সোনার পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামেরও নতুন পূর্বাভাস দিয়েছে জেপি মরগান। তাদের মতে, আগামী দিনগুলোতে প্রতি আউন্স রুপার গড় দাম ৬০ থেকে ৬৫ ডলার হতে পারে। এছাড়া ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্ল্যাটিনামের দাম আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৮০০ ডলার এবং ২০২৭ সালে তা ১ হাজার ৯check৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। অন্যদিকে, প্যালাডিয়ামের দাম ২০২৬ সাল নাগাদ আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৩৫০ ডলার হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
/আশিক
বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর দামের সর্বশেষ পরিস্থিতি
টানা দুই সেশনে বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন দেখা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড শক্তিশালী হওয়ায় স্বর্ণের ওপর নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৩৯২.৮৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স হয়েছে ৪,৪৪৯.৫০ ডলার।
বাজার বিশ্লেষক রস নরম্যান জানান, সাম্প্রতিক দরবৃদ্ধির পর বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা এবং ডলারের শক্ত অবস্থানের কারণে এই সংশোধন হয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার ফলে জ্বালানি তেলের দাম দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে। এর ফলে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার কমানোর সম্ভাবনা মন্থর হতে পারে—এমন আশঙ্কায় স্বর্ণের বাজারে সাময়িক বিক্রির চাপ বেড়েছে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে স্পট রুপার দাম ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫.০৮ ডলার, প্লাটিনামের দাম ১.৪ শতাংশ কমে ১,৭৪৫.৫৮ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ শতাংশ কমে ১,৩১৮.২৯ ডলারে নেমেছে।
এদিকে দেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
/আশিক
শিক্ষকদের পে স্কেল পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষকদের জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রণয়নের বিষয়টি সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করেছেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদান অনন্য হওয়ায় তাঁদের বেতন বা মর্যাদা অন্য কোনো পেশার সঙ্গে তুলনা করে নির্ধারণ করা উচিত নয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘খেলায় খেলায় শিখি’ শীর্ষক তথ্যপুস্তক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, শিক্ষকদের জীবনমান ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে একটি আলাদা বেতনকাঠামো প্রয়োজন। জাতীয় সংসদে শিক্ষকদের বেতন নিয়ে অন্যান্য পেশার সাথে করা তুলনার সমালোচনা করে তিনি বলেন, শিক্ষকরা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ার কারিগর, তাই তাঁদের স্বতন্ত্র মর্যাদার জায়গা থেকেই মূল্যায়ন করতে হবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, ২০১৭ সাল থেকে চলমান আইনি জটিলতা ও প্রশাসনিক বাধার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে প্রধান শিক্ষকসহ বহু পদ দীর্ঘদিন শূন্য রয়েছে। সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ে শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কাজ করছে। পাশাপাশি দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করতে কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষার প্রসারে জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, সেভ দ্য চিলড্রেনের কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসী উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
ডলার সংকটের মুখে অবিশ্বাস্য সুখবর: রেমিট্যান্স বাড়ল ৩২ শতাংশেরও বেশি!
চলতি আগস্ট মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শুধু ১৭ আগস্ট (সোমবার) এক দিনেই রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ২০৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা। গত বছরের একই সময়ে (আগস্টের প্রথম ১৭ দিন) রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪২ কোটি ৪০ লাখ ডলার; সে তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয়ে ৩২.৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের সামগ্রিক চিত্র (১ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত) বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ সময়ে মোট ৪৭৪ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৯০ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ অর্থবছরের শুরু থেকেই রেমিট্যান্স প্রবাহে ২১.৬০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে।
/আশিক
নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ
প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ চূড়ান্ত করা হয়েছে। দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে যাওয়া এই নতুন বেতনকাঠামোর সংক্রান্ত সচিব কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সব সদস্য স্বাক্ষর করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুকের ‘নবম জাতীয় বেতন স্কেলে: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান’ অধ্যায়ে এই তথ্য জানানো হয়।
ই-বুকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার জন্য ৮৯ হাজার ৮৩৬ কোটি টাকা এবং পেনশন ও গ্র্যাচুইটিসহ মোট ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। দীর্ঘ ১১ বছর পর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই বেতনকাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় ধাপে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা সমন্বয় করা হতে পারে।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই গঠিত ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দেয়। সেখানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮,২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০,০০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বে গঠিত ১০ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের বিশেষ কমিটি সার্বিক পর্যালোচনা শেষে এই সুপারিশের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
/আশিক
হরমুজ সংকটেও বাড়েনি তেলের দাম, নেপথ্যে চীনের গোপন চাল
দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আসা ওপেক জোটকে ছাপিয়ে প্রভাব বিস্তার করছে চীন। সাম্প্রতিক ইরান যুদ্ধ ও হরমুজ প্রণালির সংকটের মধ্যেও তেলের বাজারে যে বড় ধরনের ধস নামেনি, তার পেছনে বড় অবদান রেখেছে বেইজিংয়ের কৌশলগত বাজার ব্যবস্থাপনা—এমনটাই উঠে এসেছে দ্য ইকোনমিস্টের এক বিশ্লেষণে।
যুদ্ধের শুরুতে গত ৩০ এপ্রিল ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে পৌঁছালেও পরবর্তীতে তা নিয়ন্ত্রণে আসে। হরমুজ প্রণালি অচল হওয়ার ঝুঁকিতে প্রতিদিন প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল তেল আটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত পাইপলাইনের মাধ্যমে ৫০ লাখ ব্যারেল তেল বিকল্প পথে সরিয়ে নেওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের কৌশলগত মজুত ছাড়ার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে চীন। বিশ্বের শীর্ষ আমদানিকারক দেশটি তাদের দৈনিক তেল আমদানি অর্ধেকে নামিয়ে ৫৫ লাখ ব্যারেলে নিয়ে আসে। একই সঙ্গে নিজস্ব বিশাল মজুত থেকে ব্যবহার, পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা সমন্বয়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক বাজারে স্থিতিশীলতা ধরে রাখে।
ওপেক মূলত তেল উৎপাদন কমানো বা বাড়ানোর মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ করত। অন্যদিকে চীন বিশ্বের বৃহত্তম ক্রেতা হিসেবে নিজস্ব চাহিদা ও মজুত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজারে ভারসাম্য তৈরি করেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের এই প্রভাব দীর্ঘমেয়াদে হয়তো একই রকম থাকবে না। ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তার এবং পরিবহন খাতে তেলের চাহিদা কমলে বেইজিংয়ের এই তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। একই সাথে দীর্ঘমেয়াদে একক কোনো দেশ বা জোটের ওপর জ্বালানি নির্ভরতা এড়াতে বিকল্প উৎসের সন্ধান ও জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
/আশিক
চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে পরিবর্তন
টানা তিন দফা বৃদ্ধির পর গতকাল শুক্রবার দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে কিছুটা পতন এলেও চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে তা আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এবার ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বাড়িয়ে স্বর্ণের নতুন মূল্য পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।
আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের এই নতুন দামের ঘোষণা দেয় বাজুস।
বাজুসের হালনাগাদ মূল্যতালিকা অনুযায়ী, দেশের বাজারে সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকায়। একইভাবে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ হাজার ১০০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮০৮ টাকা বাড়িয়ে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা। অন্যদিকে সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের ক্ষেত্রে দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে এখন প্রতি ভরির মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
/আশিক
নিম্ন গ্রেডে বেশি বেতন বৃদ্ধির তোড়জোড়, নতুন পে-স্কেলের খসড়া প্রকাশ
নবম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত খসড়া প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন বিশেষ কমিটি। প্রণীত প্রস্তাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাস থেকেই নতুন এই বেতন কাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ধরা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ২০২৮ সালের জানুয়ারির মধ্যে পুরো পে-স্কেল সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করার সার্বিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে প্রস্তাবিত নতুন বেতন কাঠামো কতটি ধাপে বাস্তবায়িত হবে, সে সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে দেশের মন্ত্রিসভা।
বুধবার (১২ আগস্ট) অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে খসড়া প্রস্তাবনাটি মন্ত্রিসভার টেবিলে উপস্থাপনের জন্য নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়। সচিবদের নিয়ে গঠিত কমিটির এক সদস্য নিশ্চিত করেছেন যে, বাস্তবায়নের ধাপসংখ্যা ঠিক করার দায়িত্ব মন্ত্রিসভার ওপরই রাখা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাও এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
এর আগে গত ২৬ জুলাই অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নবম পে-স্কেলের সার্বিক বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়। পরবর্তীতে সেই আলোচনার আলোকেই বর্তমান সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাটি তৈরি করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
নতুন বেতন কাঠামোর মূল পরিকল্পনায় উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তুলনায় নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন অনুপাতে কিছুটা বেশি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব ফিরোজ মিয়া মতামত প্রদান করে বলেন, নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন কয়েক ধাপে না বাড়িয়ে একবারে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। অন্যদিকে, প্রাথমিক পর্যায়ে উচ্চ গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন না বাড়ালেও তেমন কোনো বড় সমস্যা তৈরি হবে না। তিনি ব্যাখ্যা করেন, উচ্চ গ্রেডের কর্মকর্তারা বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সরকারি ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পান, কিন্তু নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরাই বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন।
নবম পে-স্কেল চূড়ান্তকরণের এই পর্যায়ে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নিয়ে কিছু আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিয়েছে। এসব জটিলতা দ্রুত নিরসন করে বিচার বিভাগের পদধারীদের বেতন কাঠামো নির্ধারণের জন্য গত ৬ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) অর্থ মন্ত্রণালয়ে এই কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গঠিত কমিটির পর্যালোচনামূলক সুপারিশ প্রাপ্তির পরেই মূল খসড়াটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
পূর্বের সুপারিশ অনুযায়ী, নবম পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। এই প্রস্তাবনায় সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার কথা বলা হয়।
উল্লেখ্য, সর্বশেষে ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘদিন নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষিত হয়নি। এ সময়সীমায় সরকারি কর্মচারীদের নির্ধারিত বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট বাড়লেও বাজারের উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির ফলে নতুন পে-স্কেলের দাবি জোরালো হয়ে ওঠে।
পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে-কমিশন তাদের সুপারিশ সংবলিত প্রতিবেদন জমা দেয়। বিএনপির নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ২১ এপ্রিল পে-স্কেলের সুপারিশগুলো পুনর্বিবেচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে, যার পর্যালোচনার ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামো আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে।
/আশিক
নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন গতি
দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নের কাজ নতুন করে গতি পেয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পে স্কেলের আগে জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ তৈরির উদ্দেশ্যে সাত সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। গঠিত এই কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে।
সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, 'বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন-২০২৫'-এর প্রতিবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করে যৌক্তিক সুপারিশ প্রণয়ন করাই হবে এই কমিটির প্রধান কাজ। এ কাজের স্বার্থে প্রয়োজন মনে করলে কমিটি নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত বা কো-অপ্ট করার এখতিয়ার রাখবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চলতি মাসের শেষের দিকে অথবা আগামী সপ্তাহে এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলা হতে পারে। মন্ত্রিসভায় বিষয়টি উপস্থাপনের পরই পে স্কেল বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপ ও সার্বিক দিশা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে পরবর্তী পদক্ষেপে প্রজ্ঞাপন জারির কাজ শুরু হবে। তবে নতুন এই পে স্কেল চূড়ান্তভাবে ঠিক কবে থেকে কার্যকর করা সম্ভব হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে এর সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব। রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের বাড়তি চাপ ও দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির কথা বিবেচনায় নিয়ে নতুন পে স্কেল কার্যকর করার সিদ্ধান্ত আপাতত কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
তবে পরামর্শ থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি স্থগিত না করে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বিশ্লেষণ পূর্বক এটি বাস্তবায়নের উপায় খুঁজছে সরকার। পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার বিকল্প চিন্তাও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল চালুর পর দীর্ঘ সময় ধরে নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয়নি। দীর্ঘ এই সময়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বার্ষিক নির্দিষ্ট হারে বেতন বাড়লেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে নবম জাতীয় পে স্কেল চালুর দাবি প্রবল হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নবম পে কমিশন সরকারের কাছে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়, যেখানে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়।
ওই সুপারিশে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পরে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর গত ২১ এপ্রিল এসব সুপারিশ পর্যালোচনায় এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়, যাদের পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
এদিকে অর্থনীতিবিদদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, প্রস্তাবিত পে স্কেল পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের বার্ষিক বাজেট পরিচালন ব্যয় অনেক বেড়ে যাবে। এই বাড়তি ব্যয়ের চাপ সামলাতে একদিকে যেমন অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে, অন্যদিকে সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরও বেশি দক্ষতা আনার প্রয়োজন পড়বে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। প্রস্তাবটি কবে মন্ত্রিসভায় উঠবে, অনুমোদন শেষে কখন প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে এবং ঠিক কোন পদ্ধতিতে নতুন স্কেল কার্যকর হবে—বর্তমানে সেদিকেই নজর রাখছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
/আশিক
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বন্ধ ৩ রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল চালুর চুক্তি স্বাক্ষর
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল পুনরায় চালুর বড় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। বেসরকারি খাতের শীর্ষস্থানীয় দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে এসব মিল দীর্ঘমেয়াদি লিজ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশন (বিজেএমসি), প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের মধ্যে আনুষ্ঠানিক লিজ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ সিরাজগঞ্জের 'জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড' এবং খুলনার 'স্টার জুট মিলস লিমিটেড' লিজ নিয়েছে। অন্যদিকে, হ্যামকো গ্রুপ লিজ নিয়েছে খুলনার 'প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড'। রাজধানীতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিজেএমসির পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষে কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান ও হ্যামকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর পর এই তিনটি পাটকলে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। এর ফলে নতুন করে অন্তত ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার ধরা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের বিবরণ অনুযায়ী, সিরাজগঞ্জের রায়পুরে অবস্থিত জাতীয় জুট মিলসে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে, যেখানে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান এবং প্রায় ৫০০ কোটি টাকার বার্ষিক টার্নওভারের আশা করা হচ্ছে। খুলনার দিঘলিয়ার স্টার জুট মিলসে ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান ও ৫০০ কোটি টাকার বার্ষিক টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া খুলনার খালিশপুরের প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলসে ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান এবং ১৭৫ কোটি টাকার বার্ষিক টার্নওভার অর্জিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসির বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ২০টি মিল ইজারার ভিত্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সিদ্ধান্ত রয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের লিজ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯টি মিলে ইতোমধ্যে উৎপাদন শুরু হয়েছে। উক্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাট সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরীসহ উভয় খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক সম্পর্ক ও জ্বালানি সরবরাহ পর্যালোচনার আশ্বাস ভারতের
- প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য
- স্মার্টফোন চার্জে দেওয়ার সময় যেসব সাধারণ ভুল এড়িয়ে চলবেন
- আবারও ‘ক্যাপ্টেন জ্যাক স্প্যারো’: পাইরেটস ফ্র্যাঞ্চাইজিতে ফিরছেন জনি ডেপ?
- পাঁচ দশকের সব রেকর্ড ভাঙল হরমুজ সংকট, জ্বালানি বাজারে তীব্র অস্থিরতা
- দুপুরের আকাশে জ্বলজ্বল করবে তারা: বিরল সূর্যগ্রহণে রেকর্ড গড়বে লুক্সর
- বিআরটিসির ‘পিংক বাসে’ এবার স্টারলিংকের হাই-স্পিড স্যাটেলাইট ইন্টারনেট
- মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনার মাঝে কিম জং উনের প্রতি ট্রাম্পের বার্তা
- তারেক রহমানের কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই, দেশেই সব উৎসর্গ: রিজভী
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতুর দামের সর্বশেষ পরিস্থিতি
- শিক্ষকদের পে স্কেল পর্যালোচনা নিয়ে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী
- ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এবার বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী
- ডলার সংকটের মুখে অবিশ্বাস্য সুখবর: রেমিট্যান্স বাড়ল ৩২ শতাংশেরও বেশি!
- নেতাদের জুয়ার মূল্য নগদে শোধ করছে মার্কিন পরিবারগুলো: ইরান
- সুরক্ষা নিশ্চিত না হলে স্বাধীন সাংবাদিকতা অসম্ভব: বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ
- বাণিজ্য বাধা দূর করতে ঢাকায় ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল
- ২০২৮-২৯ থেকে নতুন অর্থবছর: ৯ মাসের অন্তর্বর্তী বাজেট ২০২৭-২৮ অর্থবছরে
- মক্কা-মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসন নিয়ে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের নতুন নিয়ম
- সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্টের পারফরম্যান্স জানাবে গুগল সার্চ কনসোল
- অনুমতি ছাড়া মিছিলের চেষ্টা: হবিগঞ্জে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ নেতা আটক
- সরকারের ছয় মাস পূর্তিতে চরমোনাই পীরের ৬ দফা পরামর্শ
- বদলে যাচ্ছে ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম: আসছে একগুচ্ছ বড় পরিবর্তন
- অবিলম্বে সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ করুক ইরান: ট্রাম্প
- বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ হচ্ছে ভিসা নীতি: শিক্ষামন্ত্রী
- দেশের ১৫ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির নতুন পূর্বাভাস
- বরফ গলে নতুন রুট: সুয়েজ ও হরমুজকে কি টেক্কা দিতে পারবে চীন-রাশিয়া?
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ জানালেন মোহাম্মদ বিন সালমান
- নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে নতুন তথ্য প্রকাশ
- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে রায়পুরা থানায় দুটি পুলিশ ভ্যান দিলেন এমপি বকুল
- ট্রাম্পের মেয়াদে আর্থিক পরিস্থিতির অবনতি: মার্কিন জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- এখানকার সরকারই আমি, কুষ্টিয়ায় লাঠি মিছিলে আমির হামজার হুঁশিয়ারি
- শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলেও পাবেন না বিলম্ব মার্জনা: ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশন
- মধ্যরাতের মধ্যে যেসব এলাকায় ৬০ কিমি বেগে ঝড় হতে পারে
- জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়তে চায় সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- ভারত-পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের বিশ্বরেকর্ড
- কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে যেসব অভ্যাস বর্জনীয়
- নারীদের অনার্স পর্যন্ত পড়াশোনা ফ্রি করার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলতে বাংলাদেশের সামনে যে সমীকরণ
- হরমুজ সংকটেও বাড়েনি তেলের দাম, নেপথ্যে চীনের গোপন চাল
- ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
- ইরানকে পরমাণু অস্ত্রহীন রাখতে বাড়তি তেলের দামও মেনে নেওয়া যায়: ট্রাম্প
- গত ১৭ বছরের সব হত্যাকাণ্ডের বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী
- বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটতে কমপক্ষে দুই বছর লাগবে: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- কুষ্টিয়ায় জামায়াত ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষ: এমপি আমির হামজার গাড়িতে হামলা
- মেটার নতুন এআই অ্যাপে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য নতুন সুবিধা
- বিএনপির জনপ্রিয়তার মূল কারিগর ছিলেন খালেদা জিয়া: মির্জা ফখরুল
- সংগ্রামের পথ পেরিয়ে নেতৃত্বের সর্বোচ্চ শিখরে—ত্যাগ, যোগ্যতা ও আনুগত্যের ঐতিহাসিক স্বীকৃতি
- ফরিদপুরে গভীর রাতে প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি
- চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে স্বর্ণের দামে পরিবর্তন
- ১৯৫৩ সালের পর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি? উত্তর কোরিয়ার কোর্টে বল ঠেলল দক্ষিণ কোরিয়া
- নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় নতুন গতি
- ডিজিটাল সেবা সত্ত্বেও কেন দালাল ধরে লাইসেন্স পেতে হয়, প্রশ্ন জাইমা রহমানের
- জীবনের সেরা উপদেষ্টাকে হারিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসি আবেগপ্লাবিত
- চার প্রজ্ঞাপনে বদলে গেল পুলিশের ২৩ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার দায়িত্ব
- চিরপ্রতিদ্বন্দ্বিতা ভুলে শোকার্ত মেসির পাশে রোনালদো: ইনস্টাগ্রামে ভাইরাল মন্তব্য
- ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ টেনে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিল ইরান
- দেশজুড়ে বিশেষ নজরদারি! ১৫ আগস্ট ঘিরে নিষিদ্ধ সংগঠনের ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করছে র্যাব
- জ্বালানি সংকট নিরসনে মধ্যমেয়াদি টেকসই পরিকল্পনার কথা জানালেন মাহ্দী আমি
- নতুন চাঁদের আলোহীন রাতে আজ দেখা মিলবে পারসিড উল্কাবৃষ্টির
- মানুষকে অভাবে রেখে রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- তুরস্ক সফরে ট্রাম্পের সুনির্দিষ্ট অবস্থান ছিল ইরানের হাতে, উড়োজাহাজে হামলার চক্রান্ত
- দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ও আবহাওয়া দপ্তরের নতুন নির্দেশনা
- খুলনা-চট্টগ্রামসহ ৬ অঞ্চলে তীব্র ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা
- বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে নতুন পদক্ষেপ
- লোডশেডিং মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই: জ্বালানি মন্ত্রী








