ওজন কমাতে নাশতা বাদ? হিতে বিপরীত হওয়ার সতর্কতা

আধুনিক জীবনের ক্রমবর্ধমান ব্যস্ততা আর সময়ের সাথে পাল্লা দেওয়ার প্রতিযোগিতায় আমরা অনেকেই আজ এক অনিচ্ছাকৃত ভুলের জালে জড়িয়ে পড়ছি। সকালের সূর্যের সাথে সাথে আমাদের কর্মব্যস্ততা শুরু হলেও, শরীরের প্রাথমিক জ্বালানি অর্থাৎ 'প্রাতরাশ' বা সকালের নাশতা বাদ দেওয়া এখন অনেকের কাছেই খুব সাধারণ একটি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কেউ হয়তো সময়ের অভাবে, আবার কেউ তথাকথিত ডায়েট প্ল্যান অনুসরণ করতে গিয়ে দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই আহারটি এড়িয়ে চলছেন। তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও পুষ্টিবিদদের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণ বলছে, সাময়িকভাবে সময় বাঁচলেও এই অভ্যাসটি দীর্ঘমেয়াদে আমাদের শরীর ও মস্তিষ্কের ওপর এমন কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যা অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সকালের খাবার গ্রহণ না করার ফলে শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম বাধাগ্রস্ত হয়। সারারাত ঘুমের পর শরীর যখন পুনরায় সচল হওয়ার জন্য পুষ্টির সন্ধান করে, তখন প্রাতরাশ বাদ দিলে রক্তে শর্করার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। এর ফলে দিনের শুরুতেই তীব্র ক্লান্তি, দুর্বলতা এবং কাজের প্রতি অনীহা দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালের পুষ্টিকর খাবার কেবল পেট ভরানোর মাধ্যম নয়, বরং এটি সারাদিনের মানসিক একাগ্রতা এবং শারীরিক সক্ষমতা বজায় রাখার প্রধান চাবিকাঠি। যারা নিয়মিত সকালে না খেয়ে বাইরে বের হন, তাদের মধ্যে কর্মক্ষেত্রে মনোযোগের ঘাটতি এবং সৃজনশীলতার অভাব প্রকটভাবে লক্ষ্য করা যায়।
শারীরিক প্রভাবের পাশাপাশি এটি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলে। খালি পেটে কাজ শুরু করলে মস্তিষ্কে এক ধরনের রাসায়নিক অস্থিরতা তৈরি হয়, যা মানুষের মেজাজ বা 'মুড'-কে খিটখিটে করে তোলে। এর পেছনে বৈজ্ঞানিক কারণ হলো 'সেরোটোনিন' নামক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, যা আমাদের মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। একইসাথে, প্রাতরাশ বাদ দিলে শরীরে 'কর্টিসল' বা স্ট্রেস হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যায়, যা মানুষকে অতিরিক্ত মানসিক চাপের দিকে ঠেলে দেয়। এর ফলে খিটখিটে মেজাজ, রাগ এবং অস্থিরতা দৈনন্দিন আচরণের অংশ হয়ে দাঁড়ায়।
ওজন কমানোর উদ্দেশ্যে যারা সকালের খাবার বর্জন করেন, তাদের জন্য ফলাফল অনেক ক্ষেত্রেই উল্টো হয়। সকালে না খেলে শরীরের বিপাক হার কমে যায় এবং দীর্ঘ সময় অভুক্ত থাকার পর মধ্যাহ্নভোজের সময় মানুষ অতিরিক্ত ক্যালরিযুক্ত খাবারের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এই 'কম্পেনসেটরি ইটিং' বা ঘাটতি পূরণের প্রবণতা প্রকারান্তরে ওজন বৃদ্ধি এবং হজমজনিত সমস্যার সৃষ্টি করে। এছাড়াও নিয়মিত নাশতা না করা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করে দেয়, যা শরীরকে ভাইরাস ও জীবাণুর সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, সময়ের অভাব থাকলেও অত্যন্ত দ্রুত প্রস্তুতযোগ্য পুষ্টিকর খাবার যেমন—ডিম, ওটস, দই বা ফলমূলের সমন্বয়ে একটি পরিমিত নাশতা শরীরের হরমোনাল ভারসাম্য রক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে।
সূত্র : ইটিংওয়েল
চিরকাল তারুণ্য ধরে রাখার মূলমন্ত্র: সহজ কিছু অভ্যাসেই ত্বকের বয়স থমকে যাবে
বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র—যদি আপনার জীবনযাপন সঠিক হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলেন, তাদের ত্বকে বয়সের ছাপ অন্যদের তুলনায় অনেক দেরিতে পড়ে। তারুণ্য ধরে রাখার প্রথম এবং প্রধান মন্ত্র হলো সানস্ক্রিনের সঠিক ব্যবহার। অনেকেই মনে করেন কেবল কড়া রোদে বের হলেই সানস্ক্রিন প্রয়োজন, যা একটি বড় ভুল ধারণা।
সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি ঘরের ভেতরেও ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত এসপিএফ ৩০ প্লাস (SPF 30+) যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহারের অভ্যাস গড়ুন। এটি ত্বককে অকালে বুড়িয়ে যাওয়া, রোদপোড়া ভাব এবং বলিরেখা থেকে সুরক্ষা দেয়।
ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুমের কোনো বিকল্প নেই। প্রতিদিন অন্তত সাত থেকে আট ঘণ্টা গভীর ঘুম হলে ত্বক নিজে থেকেই তার কোষগুলোকে পুনর্জ্জীবিত করার সুযোগ পায়। ঘুমের অভাব হলে চোখের নিচে কালি পড়া এবং মুখ নিস্তেজ দেখানোর মতো সমস্যা তৈরি হয়, যা দ্রুত বয়সের ছাপ ফেলে। পাশাপাশি খাবারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া জরুরি।
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় টাটকা ফলমূল, সবুজ শাকসবজি এবং বাদাম রাখুন। এই খাবারগুলো ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগায়। অন্যদিকে অতিরিক্ত চিনি, তেল-মসলাযুক্ত খাবার এবং জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা উচিত, কারণ এগুলো ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা নষ্ট করে দেয়।
শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র বা হাইড্রেটেড রাখা তারুণ্য ধরে রাখার অন্যতম শর্ত। দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ভালো মানের ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। ত্বক যত বেশি আর্দ্র থাকবে, ততই তা নরম এবং টানটান দেখাবে।
স্কিনকেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ হলো—রুটিনকে যতটা সম্ভব সহজ রাখা। অনেকেই অনেক ধরনের কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্ট একসাথে ব্যবহার করেন, যা হিতে বিপরীত হতে পারে। তার বদলে কেবল তিনটি জিনিস—ক্লিনজার, ময়েশ্চারাইজার এবং সানস্ক্রিন নিয়মিত ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। একটু সচেতনতা আর সঠিক অভ্যাসের মাধ্যমে আপনিও পেতে পারেন দীর্ঘস্থায়ী তরুণ ও সতেজ ত্বক।
/আশিক
গরমে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় খাবার ও পানীয়
শরীরে খনিজ লবণের জোগান দিতে ডাবের পানি একটি অনন্য প্রাকৃতিক উপাদান। এটি পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস, যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি দ্রুত পানিশূন্যতা দূর করে। দুপুরের তপ্ত রোদে বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রোবায়োটিকে ভরপুর এই পানীয়তে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেলে শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি দ্রুত পূরণ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ লেবুর শরবত শরীরকে হাইড্রেট রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লেবুর শরবতের সঙ্গে সামান্য লবণ ও চিনি মিশিয়ে খেলে রক্তে ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য খুব দ্রুত ফিরে আসে।
গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তরমুজ হাইড্রেটেড থাকার আদর্শ উপায়, কারণ এতে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে। তরমুজে থাকা ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম পেশির টান বা ক্র্যাম্প কমাতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি তাজা ফলের রস শরীরে প্রয়োজনীয় শক্তির জোগান দেয় এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখে।
তবে এক্ষেত্রে প্যাকেটজাত জুস এড়িয়ে চিনি ছাড়া তাজা রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। খাবারের তালিকায় কুমড়ার বীজ বা কাঠবাদাম রাখলে তা ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা বজায় রেখে হৃৎপিণ্ড এবং স্নায়ুকে সচল রাখে।
যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে কাজ করেন, তাঁদের জন্য ওরস্যালাইন খাওয়া জরুরি কারণ এটি সোডিয়াম ও শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। সর্বোপরি সুস্থ থাকতে দিনে অন্তত ৩ থেকে ৪ লিটার পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন।
/আশিক
ওজন অনুযায়ী প্রোটিন মেপে ডায়েট: সুস্থ থাকার সঠিক গাইডলাইন
শরীরচর্চা এবং ওজন কমানোর ক্ষেত্রে প্রোটিন হলো সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। সুঠাম পেশি গঠন এবং দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রোটিনের বিকল্প নেই। একজন মানুষের শরীরে ঠিক কতটা প্রোটিন প্রয়োজন, তা নির্ভর করে তার বয়স, লিঙ্গ এবং দৈনন্দিন কায়িক পরিশ্রমের ওপর। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতি কেজি ওজনের জন্য ০.৮ গ্রাম প্রোটিন প্রয়োজন।
তবে যারা নিয়মিত ভারি শরীরচর্চা করেন বা কঠোর পরিশ্রমী কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই চাহিদার পরিমাণ প্রতি কেজি ওজনে ১.৩ গ্রাম থেকে ১.৬ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। বাঙালি হিসেবে আমাদের খাদ্যাভ্যাসে কার্বোহাইড্রেটের আধিক্য থাকলেও প্রোটিনের ঘাটতি প্রায়ই দেখা যায়, যা পরবর্তী সময়ে ওবেসিটি বা বিভিন্ন লাইফস্টাইল ডিজিজের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই শরীরকে ফিট রাখতে প্রতিদিনের সুষম আহারে কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাটের পাশাপাশি প্রোটিনের সঠিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা জরুরি।
প্রতিদিনের ডায়েটে যদি ৮০ গ্রাম প্রোটিন নিশ্চিত করতে চান, তবে সেটি সারাদিনের খাবারে ভাগ করে নিতে হবে। সকালের জলখাবারে দুধ বা দইয়ের সঙ্গে ওটস, মধু, চিয়া সিডস এবং আমন্ড মিশিয়ে খেলে প্রায় ২০ থেকে ২৫ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। দুপুরের খাবারে এক বাটি ভাতের সঙ্গে ১৫০ গ্রাম ডাল, ১০০ গ্রাম পনির অথবা ১২০-১৫০ গ্রাম চিকেন যোগ করলে সেখান থেকে আরও ২৫ থেকে ৩৫ গ্রাম প্রোটিন শরীরে প্রবেশ করবে।
বিকেলের নাস্তায় প্রোটিন শেক, পনির, ছোলা ভাজা বা মাখানা রাখলে বাড়তি ২০ গ্রাম প্রোটিন নিশ্চিত হয়। রাতের খাবারে আটার রুটির সঙ্গে ডাল, পনির বা চিকেন রাখা যেতে পারে। প্রতিদিন একই খাবার না খেয়ে ডায়েটে বৈচিত্র্য আনতে মাছ, ডিম, কিনোয়া বা ডালিয়ার মতো খাবারগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে তালিকাভুক্ত করা উচিত। মনে রাখবেন, প্রোটিন মেপে খেলে কেবল ওজনই কমবে না, বরং এটি শরীরের দীর্ঘমেয়াদী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
/আশিক
সারাদিন পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখার জাদুকরী কৌশল
প্রচণ্ড গরমে ঘর থেকে বের হলেই ঘাম আর সেই সঙ্গে ঘামের দুর্গন্ধ নিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় কমবেশি সবাইকে। অনেক সময় দামী পারফিউম ব্যবহার করেও অফিস পৌঁছাতে পৌঁছাতে সেই সুগন্ধ হালকা হয়ে যায়, যা নিজের জন্য যেমন অস্বস্তিকর, তেমনি অন্যের সামনেও বিব্রতকর হতে পারে। তবে কিছু সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে সকাল থেকে রাত অবধি আপনার পারফিউমের সুগন্ধ ধরে রাখা সম্ভব। প্রথমত, পারফিউম ব্যবহারের আগে ত্বকের প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
যাদের ত্বক শুষ্ক, তাদের পারফিউম দ্রুত উবে যায়। তাই পারফিউম ব্যবহারের আগে কবজি বা পালস পয়েন্টে হালকা ময়েশ্চারাইজার বা ভ্যাসলিন মেখে স্প্রে করলে সুগন্ধ অনেক বেশি স্থায়ী হয়। এছাড়া পারফিউম পোশাকের চেয়ে সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করলে অনেক বেশি সুফল পাওয়া যায়। পোশাকের ওপর স্প্রে করলে অনেক সময় দাগ পড়ার ভয় থাকে এবং গন্ধও দীর্ঘস্থায়ী হয় না।
সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো গোসলের ঠিক পরেই শরীর ভেজা থাকা অবস্থায় বা শরীর মোছার পরপরই পারফিউম লাগানো, কারণ তখন ত্বকের ছিদ্রগুলো উন্মুক্ত থাকে এবং সুগন্ধ ত্বকে আটকে যায়। শরীরের যেসব জায়গা বা ‘পালস পয়েন্ট’ স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা উষ্ণ থাকে, সেখানে স্প্রে করা উচিত।
কবজি, ঘাড়, কানের পেছনে, কনুইয়ের ভেতরের অংশ এবং হাঁটুর পেছনের অংশে রক্ত সঞ্চালন বেশি হওয়ায় সেখানে পারফিউমের গন্ধ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়। অনেকেই পারফিউম লাগানোর পর দুই হাত দিয়ে ঘষে দেন, যা একদমই ঠিক নয়। এতে পারফিউমের গন্ধের কণাগুলো ভেঙে যায় এবং এর স্থায়িত্ব কমে যায়।
এছাড়া চিরুনিতে সামান্য পারফিউম স্প্রে করে চুল আঁচড়ালে চুলে সারাদিন হালকা সুবাস লেগে থাকে। শরীরের উষ্ণতম অংশ যেমন পেটের আশপাশে বা বুকের ওপর স্প্রে করলে গন্ধটি ধীরে ধীরে ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে যা সারাদিন আপনাকে সতেজ অনুভূতি দেবে। তবে অতিরিক্ত ঘাম হয় এমন জায়গায় সরাসরি পারফিউম না লাগানোই ভালো, কারণ ঘাম সুগন্ধকে দ্রুত নষ্ট করে দেয়।
/আশিক
রোদে কালো হয়ে যাচ্ছে ত্বক? গোলাপ জলের এই ব্যবহারে ফিরবে হারানো উজ্জ্বলতা
তীব্র গরমে রোদে পোড়া ভাব, ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং কালচে ছোপ দূর করতে গোলাপ জল এক জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের এই দিনগুলোতে ঘাম আর ধুলোবালির কারণে ত্বকের উজ্জ্বলতা হারিয়ে যায়, দেখা দেয় ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা। তবে নিয়মিত ও সঠিক নিয়মে গোলাপ জল ব্যবহার করলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখার পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
গরমকালে ত্বকের পিএইচ (pH) স্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে গোলাপ জল অত্যন্ত কার্যকর। এটি ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল দূর করে এবং শুষ্ক ত্বকে আর্দ্রতা ফিরিয়ে দেয়। টোনার হিসেবে কটন প্যাডে গোলাপ জল নিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকের গভীরে জমে থাকা ময়লা দূর হয়। এছাড়া রাতে ঘুমানোর আগে গোলাপ জলের সাথে ভিটামিন-ই ক্যাপসুলের নির্যাস মিশিয়ে মুখে মাখলে ত্বকের অকাল বার্ধক্য রোধ হয় এবং ত্বক কোমল থাকে।
বাইরে বের হলে রোদের তাপে ত্বকে যে জ্বালা ভাব বা অস্বস্তি হয়, তা দূর করতে গোলাপ জলকে 'ফেস মিস্ট' হিসেবে ব্যবহার করা যায়। একটি স্প্রে বোতলে গোলাপ জল এবং এক থেকে দুই ফোঁটা এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে সাথে রাখুন। গরমে ত্বকে অস্বস্তি বোধ হলেই মুখে স্প্রে করে নিন, এতে তাৎক্ষণিক সতেজতা ফিরে আসবে। নিয়মিত এই ঘরোয়া যত্নে গরমের দিনেও আপনার ত্বক থাকবে সতেজ ও প্রাণবন্ত।
/আশিক
গরমে ঘামাচির যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ? জেনে নিন মুক্তি পাওয়ার সহজ ঘরোয়া উপায়
তীব্র দাবদাহ আর ভ্যাপসা গরমে আমাদের ত্বকের সবথেকে বিরক্তিকর সমস্যা হলো ঘামাচি। সারাদিন রোদে চলাফেরা বা অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীরে লালচে র্যাশ ও তীব্র চুলকানি দেখা দেয়, যা শরীরকে একদম অস্থির করে তোলে। একবার ঘামাচি জেঁকে বসলে তা সহজে সারতে চায় না। তবে কিছু কার্যকর ঘরোয়া নিয়ম মেনে চললে এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
ঘামাচি দূর করার প্রথম শর্ত হলো ত্বকের লোমকূপ পরিষ্কার রাখা। অনেকেই ঘামাচি হলে প্রচুর পরিমাণে পাউডার ব্যবহার করেন, যা আসলে ত্বকের ঘাম নিঃসরণের ছিদ্রগুলো বন্ধ করে দেয় এবং ঘামাচির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেয়।
তাই পাউডার এড়িয়ে চলাই ভালো। শরীর ঠান্ডা রাখতে দিনে অন্তত দুইবার গোসল করার অভ্যাস করতে হবে। পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে সিন্থেটিক বা মোটা কাপড় বাদ দিয়ে সুতির হালকা ও ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে, যাতে শরীরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।
চুলকানি কমাতে নখ ব্যবহার না করে আক্রান্ত স্থানে ক্যালামাইন লোশন লাগালে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। এছাড়া শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ডাবের পানি ও লেবুর শরবত পান করা জরুরি। মনে রাখবেন, শরীর যত হাইড্রেটেড থাকবে, ঘামাচির উপদ্রব ততটাই কম হবে। তাই এই গরমে রোদে কম বের হওয়ার চেষ্টা করুন এবং ত্বক পরিষ্কার রাখুন।
সূত্র : আনন্দবাজার
হিট স্ট্রোক ও চর্মরোগের হানা! দাবদাহে পোষা প্রাণীদের বাঁচাতে যা করবেন
তীব্র তাপপ্রবাহে মানুষের পাশাপাশি সমানভাবে ধুঁকছে অবলা প্রাণীরাও। বর্তমানে রাজধানীসহ সারা দেশে যে অসহ্য গরম পড়ছে, তাতে বাড়িতে পালা বিড়াল, কুকুর ও পাখিরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছে। এই সময়ে পোষা প্রাণীদের ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা, হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া ও জ্বরের মতো সমস্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে কুকুরের নাক গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং অস্বাভাবিক মলত্যাগের মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে মালিকদের দ্রুত সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।
পশু চিকিৎসকদের মতে, এই গরমে পোষা প্রাণীদের মধ্যে চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিসের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিচ্ছে। এ বিষয়ে পশু চিকিৎসক ডা. আনিসুর রহমান পরামর্শ দিয়েছেন যে, পোষা প্রাণীকে সব সময় ঠান্ডা স্থানে রাখতে হবে এবং নিয়মিত গোসল করাতে হবে। এছাড়া যেসব প্রাণীর লোম বেশি, তাদের লোম ট্রিম বা ছোট করে দিলে তারা গরম থেকে অনেকটাই স্বস্তি পাবে।
বিড়াল ও কুকুরের ক্ষেত্রে দিনের বেলা বিশেষ করে প্রখর রোদে বাইরে বের করা একদম অনুচিত। পরিবর্তে ভোরবেলা বা সন্ধ্যার পর তাদের হাঁটাতে নিয়ে যাওয়া নিরাপদ। ঘরে সব সময় তাজা পানির ব্যবস্থা রাখা এবং বন্ধ গাড়িতে কখনোই তাদের না রাখা নিশ্চিত করতে হবে।
যাঁরা বাড়িতে পাখি পালন করেন, তাঁদের ক্ষেত্রেও যত্নের ধরনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। পাখির খাঁচায় পান করা ও গোসলের জন্য আলাদা আলাদা পাত্রের ব্যবস্থা রাখা জরুরি। খাঁচার আশপাশে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের জন্য প্রয়োজনে ফ্যান ব্যবহার করা যেতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও সতর্ক করেছেন যে, যদি কোনো পোষা প্রাণী হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করে দেয়, অতিরিক্ত ঝিমুনি দেখায় কিংবা মুখ দিয়ে ঘন লালা ঝরায়, তবে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। একটু বাড়তি সচেতনতা ও সঠিক যত্নই পারে এই তীব্র গরমে আপনার প্রিয় সঙ্গীকে সুরক্ষিত রাখতে।
/আশিক
গরমে পানিশূন্যতা ও হিট স্ট্রোক এড়াতে যা করবেন: বিশেষজ্ঞদের জরুরি টোটকা
গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে জনজীবন যখন অতিষ্ঠ, তখন স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে 'হিট স্ট্রোক'। বাইরে বের হলেই প্রচণ্ড গরমে শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে এবং পানিশূন্যতা তৈরি হচ্ছে, যা থেকে দেখা দিচ্ছে মাথাব্যথা ও চরম শারীরিক অস্বস্তি। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, হিট স্ট্রোক কেবল রোদে গেলেই হয়—এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বদ্ধ, ভ্যাপসা গরম এবং আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করলে ঘরের ভেতরে এমনকি রাতেও হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, শরীরের তাপমাত্রা যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়, তখনই হিট স্ট্রোকের পরিস্থিতি তৈরি হয়। শরীর যখন তার অতিরিক্ত তাপ বের করে দিতে পারে না, তখন রক্তনালি প্রসারিত হয়ে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।
এর প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচণ্ড মাথা ঘোরা, বুকে চাপ অনুভব করা, হাত-পা অবসাদগ্রস্ত হয়ে যাওয়া এবং তীব্র মাথাব্যথা। অনেক ক্ষেত্রে রোগী ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যেতে পারেন এবং তাঁর রক্তচাপ বা ব্লাড প্রেসার দ্রুত কমে যেতে পারে।
হিট স্ট্রোকের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত শীতল স্থানে সরিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সম্ভব হলে তাঁকে দ্রুত এসির নিচে রাখতে হবে এবং ঠান্ডা পানি দিয়ে শরীর ভেজাতে হবে। পাশাপাশি পরনের কাপড় ঢিলা করে দিয়ে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এই ঝুঁকি এড়াতে তীব্র রোদে, বিশেষ করে দুপুরের সময়টা বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রয়োজনে ছাতা বা টুপি ব্যবহার করতে হবে এবং শরীর ঢেকে রাখতে হবে। এছাড়া এসি থেকে বের হয়ে সরাসরি রোদে না গিয়ে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় অপেক্ষা করা উচিত যাতে শরীর বাইরের আবহের সাথে মানিয়ে নিতে পারে। সুস্থ থাকতে রোদে বের হলে সাথে সবসময় পানি রাখা এবং নিয়মিত ওআরএস বা স্যালাইন পান করা প্রয়োজন।
/আশিক
গরমে নীরব ঘাতক হিট স্ট্রোক, জানুন সতর্কতা
দেশজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে জনজীবন ক্রমেই দুর্বিষহ হয়ে উঠছে। প্রচণ্ড গরমে বাইরে বের হলেই শরীর ঘামে ভিজে যাচ্ছে, দ্রুত কমে যাচ্ছে শরীরের পানির পরিমাণ। এর ফলে পানিশূন্যতা, দুর্বলতা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টের মতো নানা শারীরিক সমস্যা বাড়ছে। তবে চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করছে হিট স্ট্রোক, যা সময়মতো চিকিৎসা না পেলে প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেকেই মনে করেন শুধু রোদের মধ্যে দীর্ঘসময় থাকলেই হিট স্ট্রোক হয়। বাস্তবে ধারণাটি পুরোপুরি সঠিক নয়। বদ্ধ, গরম ও আর্দ্র পরিবেশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করলেও শরীরের তাপমাত্রা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এমনকি ঘরের ভেতরে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না থাকলেও ঝুঁকি তৈরি হয়। রাতের বেলাতেও অতিরিক্ত গরমে শরীরের স্বাভাবিক তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়ে হিট স্ট্রোক হতে পারে।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, হিট স্ট্রোকের সময় শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে। শরীর থেকে পর্যাপ্ত তাপ বের হতে না পারায় রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। এতে মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও কিডনির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। গুরুতর অবস্থায় রোগী অজ্ঞান হয়ে যেতে পারেন।
হিট স্ট্রোকের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মাথা ঘোরা, অতিরিক্ত দুর্বল লাগা, বুকে অস্বস্তি, মাথাব্যথা, শরীর কাঁপা, শ্বাসপ্রশ্বাস দ্রুত হওয়া, অতিরিক্ত তৃষ্ণা এবং হাত-পায়ে শক্তি কমে যাওয়া। অনেক ক্ষেত্রে রোগী দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না এবং হঠাৎ পড়ে যেতে পারেন। রক্তচাপ কমে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি আরও বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হিট স্ট্রোকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত রোগীকে ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে নিতে হবে। সম্ভব হলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে রাখতে হবে। শরীরে ঠান্ডা পানি ঢালা, ভেজা কাপড় ব্যবহার করা এবং আঁটসাঁট পোশাক ঢিলা করে দেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে দ্রুত চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। কারণ দেরি হলে মস্তিষ্কে স্থায়ী ক্ষতি এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও বলছেন, তীব্র রোদ বিশেষ করে দুপুর ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাইরে যাওয়া যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত। বাইরে বের হলে ছাতা, টুপি বা হালকা রঙের ঢিলেঢালা পোশাক ব্যবহার করা ভালো। শরীর ঢেকে রাখলে সরাসরি সূর্যের তাপ থেকে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া যায়।
এসি কক্ষ থেকে বের হয়েই হঠাৎ প্রচণ্ড রোদে না যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে ধীরে ধীরে বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে শরীরকে মানিয়ে নেওয়া নিরাপদ।
গরমে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তৃষ্ণা লাগলেই নয়, নির্দিষ্ট বিরতিতে পানি পান করতে হবে। চিকিৎসকদের মতে, ওরাল স্যালাইন বা ওআরএস শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। দীর্ঘসময় রোদে কাজ করলে মাঝেমধ্যে ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নেওয়াও জরুরি।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভবিষ্যতে দেশে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ও স্থায়িত্ব আরও বাড়তে পারে। ফলে হিট স্ট্রোক ও তাপজনিত রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
পাঠকের মতামত:
- ৫ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৫ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৫ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- লোডশেডিংমুক্ত এক সপ্তাহ: বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন স্বস্তি
- অনলাইন লেনদেনে সাবধান! কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জরুরি নির্দেশনা জারি
- নবম পে-স্কেল নিয়ে পুনর্গঠিত কমিটির নতুন পরিকল্পনা ফাঁস
- কেন দ্রুত গরম হয়ে যাচ্ছে আপনার শখের আইফোন? ভুলেও যে কাজগুলো করবেন না
- সতীর্থকে চড় মারার অভিযোগ: নতুন বিতর্কে নেইমার জুনিয়র
- ইরানকে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা হবে: ট্রাম্পের নজিরবিহীন হুঁশিয়ারি
- মার্কিন হামলায় ইরানের ছয় যুদ্ধযান ধ্বংসের দাবি, উত্তপ্ত বিশ্ব রাজনীতি
- আজ দিনভর যেসব কর্মসূচিতে মুখর থাকবে রাজধানী
- শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
- হাম নিয়ে ইউনিসেফের আগাম সতর্কবার্তা কানে তোলেনি অন্তর্বর্তী সরকার
- মমতার পতন না কি বিজেপির উত্থান? পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতার পালাবদলে ৫টি বড় কারণ
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- আমিরাতের তেল স্থাপনায় ইরানের হামলা: প্রতিশোধ নিতে মরিয়া আমিরাত
- স্বর্ণের বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার প্রভাব: আন্তর্জাতিক দরে ব্যাপক পতন
- মঙ্গলবার ঢাকার যেসব এলাকা ও মার্কেট বন্ধ থাকবে
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ১০০টিরও বেশি আসন লুট করা হয়েছে: মমতা
- স্বর্ণের বাজারে বড় ধস, ৪ ঘণ্টায় ১ শতাংশের বেশি দরপতন
- আজ রাত ১২টার মধ্যে দেশের ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবল শঙ্কা
- গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গাসাগর সর্বত্র পদ্ম! দিল্লির সদর দপ্তরে মোদির বিজয়োল্লাস
- কুমিল্লা চান্দিনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনিয়ে নিয়ে গণধর্ষণ: আটক ৪
- মহাসড়কে চাঁদাবাজদের সরাসরি যুদ্ধের হুমকি সেতুমন্ত্রীর
- বিগত ১৬ বছর ভোটাধিকার বঞ্চিত ছিল জনগণ: হাফিজ উদ্দিন
- হরমুজে ট্রাম্পের প্রজেক্ট ফ্রিডম: মানবিক উদ্ধার না কি যুদ্ধের উসকানি?
- পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার বদলে প্রভাব পড়বে না ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে: শামা ওবায়েদ
- পুরো হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের কবজায়! নতুন মানচিত্র প্রকাশ ইরানের
- তেহরানের হাতে বিশ্ব অর্থনীতির চাবি: ৬৭ দিনে বদলে গেল ভূ-রাজনীতির মানচিত্র
- হামে মৃত্যু ও আক্রান্তের রেকর্ড: আতঙ্কে অভিভাবকরা
- হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!
- দুই দশকের আধিপত্যের অবসান: বিপুল ব্যবধানে হেরে বিদায় নিচ্ছেন মমতা
- তামিল রাজনীতিতে বিজয় বিপ্লব: ডিএমকে-কে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাচ্ছে টিভিকে
- মাদক ও চাঁদাবাজদের দিন শেষ! সারাদেশে বিশেষ যৌথ অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- ৪ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ৪ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৪ মে: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: ঢাকাসহ ৭ জেলায় ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর তাণ্ডব: রাতভর বোমা হামলায় লণ্ডভণ্ড সীমান্ত
- এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির
- প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন: চরভদ্রাসনে খাল খনন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন
- দেবিদ্বারে হত্যা মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান মুকুল গ্রেপ্তার
- তামিলনাড়ুতে কি তবে ‘বিজয়’ উৎসব? ম্যাজিক ফিগারের কাছে থালাপতি
- ছোটবেলার পরীক্ষার দিনের মতো পাশে ছিল নাহিদ: ডা. মিতু
- ভবানীপুরে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই: শুভেন্দুর তান্ডবে কি তবে সিংহাসন হারাবেন মমতা?
- ডলার থেকে রিয়াল: জেনে নিন আজকের সর্বশেষ মুদ্রার বিনিময় হার
- বিলাসবহুল জাহাজ এখন ভাসমান মৃত্যুপুরী! প্রমোদতরীতে রহস্যময় ভাইরাসের ছোবল
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- এক্সে ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পের রহস্যময় বার্তা: সব কার্ড আমার কাছে
- ঢাবিতে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘কাঁকশিয়ালী’-র নতুন কমিটি গঠন
- স্বর্ণের দামে লাফ, তবে অপরিবর্তিত রুপা: বাজারদরের সবশেষ আপডেট
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নাটকীয় মোড়: কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে আবারও বাড়ল দাম
- সংসদের ১ম অধিবেশনের শেষদিনে প্রধানমন্ত্রীর নীতিনির্ধারণী সমাপনী বক্তব্য, হুবহু পড়ুন
- বন্ধ কারখানা চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
- টানা ২ বার কমার রেকর্ড! স্বর্ণের বাজারে কী ঘটছে? জানাল বাজুস
- জানুন রিজিক বৃদ্ধির শক্তিশালী আমল
- যুদ্ধবিরতিতে গোপনে অস্ত্র উদ্ধার করছে ইরান?
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধস: এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দর
- শুক্রবারের নামাজের পূর্ণ সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের নামাজের সময়সূচি: জানুন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার সঠিক সময়
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজার লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- স্বর্ণের বাজারে বিশাল পতন! বাজুসের নতুন ঘোষণায় সস্তা হলো সব মানের সোনা
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- ২৯ এপ্রিল: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার








