‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’
আগস্ট ৫ এখন ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’: জাতীয় ছুটি ঘোষণা সরকারের

২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে জীবন উৎসর্গকারীদের সম্মান জানাতে আগামী ৫ আগস্ট থেকে দিনটি ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালিত হবে, এবং এ উপলক্ষে সারা দেশে থাকবে সাধারণ ছুটি—এমন ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
বুধবার (২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারিকৃত গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। গেজেটে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. খালেদ হাসান। এতে জানানো হয়, "আগামী ৫ আগস্ট এবং প্রতি বছর একই দিনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হবে।"
দিবসটি এখন থেকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই শ্রেণিভুক্ত দিবসগুলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হয়।
পটভূমি ও তাৎপর্য
২০২৪ সালের জুলাই মাসের অভ্যুত্থান ঘটনাটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। ওই সময় গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে দেশজুড়ে তীব্র গণআন্দোলন শুরু হয়, যা পরিণত হয় অভ্যুত্থানে। আন্দোলন চলাকালে বেশ কিছু মানুষ আত্মত্যাগ করেন, যাদের স্মরণে ও সম্মানে এই দিবসটি সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাধ্যমে এই দিবসটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সচেতন করবে গণতন্ত্র, অধিকার এবং ন্যায়ের সংগ্রাম সম্পর্কে। পাশাপাশি দিবসটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেও অভিমত প্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
গণআন্দোলনের ফলাফল, আন্দোলনকারীদের আত্মত্যাগ এবং রাজনৈতিক পালাবদলের ইতিহাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ করতেই এই জাতীয় ছুটির ঘোষণা সময়োপযোগী এবং প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
-হাসানুজ্জামান, নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ হলো ২০২৬ সালের ব্যাংক ছুটির পূর্ণ তালিকা
২০২৬ সালে সরকারি ছুটি ও ব্যাংক হলিডে মিলিয়ে দেশের সব তফসিলি ব্যাংক মোট ২৮ দিন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন (ডিওএস) এ বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত সরকারি ছুটির প্রজ্ঞাপনের আলোকে এই ব্যাংক ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়, নির্ধারিত দিনগুলোতে দেশের সব ব্যাংকে কোনো ধরনের লেনদেন কার্যক্রম পরিচালিত হবে না।
ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বিভিন্ন জাতীয় দিবস, ধর্মীয় উৎসব ও গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ্যে মোট ২৮ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে ৬টি দিন আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবারের সঙ্গে মিলে গেছে। পাশাপাশি, আলাদা করে ব্যাংক হলিডে হিসেবে ১ জুলাই এবং বছরের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর দেশের সব ব্যাংকে লেনদেন সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত ছুটির তালিকায় উল্লেখযোগ্য দিনগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪ ফেব্রুয়ারি শবে বরাত, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ১৭ মার্চ শবে কদর এবং ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ঈদুল ফিতর ও জুমাতুল বিদা উপলক্ষে ছুটি। এছাড়া ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসেও ব্যাংক বন্ধ থাকবে।
এ তালিকায় আরও রয়েছে ১৩ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তি, যা শুধুমাত্র পার্বত্য তিন জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের জন্য প্রযোজ্য। ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ, ১ মে মহান মে দিবস ও বুদ্ধ পূর্ণিমা, ২৬ থেকে ৩১ মে ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ছুটি থাকবে ব্যাংকগুলোতে।
এছাড়া ২৬ জুন পবিত্র আশুরা, ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), ৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমী, ২০ ও ২১ অক্টোবর দুর্গাপূজার নবমী ও বিজয়া দশমী, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস এবং ২৫ ডিসেম্বর যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন উপলক্ষেও ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ধর্মীয় উৎসব সংশ্লিষ্ট কিছু ছুটির তারিখ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় প্রয়োজনে এসব তারিখ পরিবর্তন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে সংশোধিত তারিখ অনুযায়ী আলাদা নির্দেশনা জারি করা হবে।
এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে, যাতে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
-রফিক
নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মধ্যরাতে পটকার বিকট শব্দে কাঁপল ঢাকা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশজুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হলেও রাজধানী ঢাকায় তার তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কঠোর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই ৩১ ডিসেম্বর দিবাগত মধ্যরাতে পটকা ও আতশবাজি ফুটিয়ে ২০২৬ সালকে বরণ করে নিয়েছে নগরবাসী। ঘড়ির কাঁটায় রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় আতশবাজির ঝলকানি আর পটকার বিকট শব্দে এক অস্থির পরিবেশ তৈরি হয়।
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানোতে আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল ডিএমপি। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছিল—উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি বা শোভাযাত্রা করা যাবে না। কিন্তু নতুন বছরের প্রথম প্রহরে পুলিশের সেই নির্দেশনার লেশমাত্র দেখা যায়নি। রাত ১১টা থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পটকা ফাটানো শুরু হয়, যা গভীর রাত পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।
ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, পুরান ঢাকা থেকে শুরু করে গুলশান-বনানী—সবখানেই ছিল আতশবাজির দাপট। তবে অতীতের তুলনায় এবার ফানুসের সংখ্যা কিছুটা কম লক্ষ্য করা গেছে। এই উচ্চশব্দের কারণে অনেক এলাকায় ছোট শিশু ও বয়স্করা শারীরিকভাবে ঝুঁকির মুখে পড়েন এবং জনমনে তীব্র বিরক্তির সৃষ্টি হয়। উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো এবং গণ-উপদ্রব সৃষ্টি না করার জন্য পুলিশের যে বিশেষ অনুরোধ ছিল, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা উপেক্ষিত হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শোকের গাম্ভীর্য ছাপিয়ে থার্টি ফার্স্ট নাইটের এই উন্মাদনা এখন খোদ পুলিশের সক্ষমতা ও সাধারণ মানুষের সচেতনতা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তান ও নেপালের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে শ্রদ্ধা জানাতে আসা বিদেশি প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক এবং নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা পৃথকভাবে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে এদিন দক্ষিণ এশিয়ার প্রভাবশালী দেশগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিরা ঢাকায় সমবেত হন। এই তালিকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি এন ধুংগিয়েল, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজিতা হেরাথ এবং মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী আলী হায়দার আহমেদ অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তাঁরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সংহতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য যে, বুধবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিদেশি প্রতিনিধিদের পাশাপাশি তিন বাহিনীর প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। বরেণ্য এই নেত্রীর মৃত্যুতে বিদেশি অতিথিদের এমন উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে।
হাড়কাঁপানো শীতের ইতিহাস, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কবে কত ছিল?
বছরের শেষ দিনে এসে শীতের তীব্রতায় কাঁপছে পুরো বাংলাদেশ। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) গোপালগঞ্জ জেলায় দেশের এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গোপালগঞ্জ আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক আবু সুফিয়ান জানিয়েছেন, সকাল ৬টায় যখন এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়, তখন বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৭ শতাংশ। ঘন কুয়াশা আর কনকনে উত্তুরে হাওয়ায় উত্তরবঙ্গসহ দেশের অন্তত ২১টি জেলায় বর্তমানে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা জনজীবনকে পুরোপুরি বিপর্যস্ত করে তুলেছে।
চলতি বছরের এই ঠান্ডার দাপট দেশবাসীকে অতীতে ঘটে যাওয়া চরম শীতের রেকর্ডগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশের আবহাওয়ার ইতিহাসে এখন পর্যন্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ডটি ২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারির। সেদিন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় পারদ নেমে এসেছিল অবিশ্বাস্য ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একই দিনে নীলফামারীর ডিমলা ও সৈয়দপুরেও তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রির নিচে নেমে গিয়েছিল। এর আগে ১৯৬৮ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল, যা দেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন তাপমাত্রার নজির।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর রেকর্ড বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০১৩ সালে সৈয়দপুরে ৩ ডিগ্রি এবং ১৯৯৬ সালে দিনাজপুরে ৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। ২০১৭ সালে কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৫ ডিগ্রি। এ বছরও ডিসেম্বর মাসজুড়ে সূর্যের দেখা না মেলায় এবং ঘন কুয়াশার কারণে দিনের তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২১টিরও বেশি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ জারি থাকায় ছিন্নমূল ও শ্রমজীবী মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। বছরের শেষ দিনে গোপালগঞ্জের এই রেকর্ড আগামী জানুয়ারি মাসে আরও তীব্র শীতের পূর্বাভাস দিচ্ছে কি না, তা নিয়ে এখন বড় উদ্বেগ কাজ করছে জনমনে।
জাতি এক মহান অভিভাবককে হারাল: প্রধান উপদেষ্টা
বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে দেশবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল দুপুর ১২টায় রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে দেওয়া এই ভাষণে তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ এক মহান অভিভাবককে হারাল। তাঁর এই শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।” প্রধান উপদেষ্টা তাঁর বক্তব্যে বেগম জিয়াকে গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের এক অম্লান প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।
ড. ইউনূস তাঁর ভাষণে বেগম জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, ১৯৮২ সালে এক কঠিন সময়ে রাজনীতির মাঠে এসে তিনি ৯ বছরের স্বৈরশাসনের পতন ঘটাতে যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তা বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে বিরল। তিনি উল্লেখ করেন যে, খালেদা জিয়া শুধুমাত্র একটি দলের নেত্রী ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির এক মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব ও ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এবং প্রিয় মাতৃভূমির সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল ভূমিকা জাতি চিরকাল পরম শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
শোকাতুর এই সময়ে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়ে বলেন যে, জাতির এই কঠিন সময়ে কেউ যেন কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ না পায়। তিনি জানাজাসহ সব ধরণের শোক পালনের আনুষ্ঠানিকতা অত্যন্ত শৃঙ্খলার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্য ও লক্ষ লক্ষ কর্মীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে তিনি মহান আল্লাহর কাছে তাঁর বিদেহী আত্মার চিরশান্তি প্রার্থনা করেন।
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম এবং দেশের প্রতি তাঁর অনন্য অবদানকে সম্মান জানিয়ে বর্তমান সরকার তাঁকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে উঠে আসা এই গভীর শ্রদ্ধা ও মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মতপার্থক্য ছাপিয়ে এক জাতীয় সংহতির আবহ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।
জনসমুদ্রে পরিণত সংসদ ভবন,চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে রাজধানী ঢাকায় এক আবেগঘন ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে যে, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার বদলে এবার মরদেহবাহী কফিনটি রাখা হবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে। সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে মুসল্লিদের জন্য জানাজার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে বেগম জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে। দাফন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে জিয়া উদ্যানে নির্ধারিত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। জানাজা ও দাফন চলাকালীন নিরাপত্তার খাতিরে এভারকেয়ার হাসপাতাল, সংসদ ভবন ও জিয়া উদ্যান এলাকায় ২৭ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশনায় ২ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরণের আতশবাজি, ফানুস ও ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
বিজিডিসিএল এবং ট্রাফিক পুলিশের দেওয়া রুট ম্যাপ অনুযায়ী, এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বেগম জিয়ার মরদেহ গুলশানের বাসভবন 'ফিরোজা' হয়ে বিজয় সরণি ও উড়োজাহাজ ক্রসিং দিয়ে সংসদ ভবনের ৬ নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করবে। জানাজায় অংশগ্রহণকারী সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আজ বিশেষ মেট্রো ট্রেন সার্ভিস চালু করেছে ডিএমটিসিএল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত লাখো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি উচ্চ শব্দে হর্ন বাজানো বা জন-উপদ্রব সৃষ্টিকারী কোনো কাজ না করার জন্য কঠোর বার্তা দিয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শোকের এই দিনে সবাইকে সর্বোচ্চ সংযম ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিশেষ ঘোষণা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরাপত্তা ও পৃথক ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে বিএনপি এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে, সর্বস্তরের মানুষের আবেগ ও শ্রদ্ধার কথা বিবেচনায় রেখে নারীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও নিরাপদ জোন তৈরি করা হয়েছে।
মির্জা ফখরুল তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন যে, জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় নারীদের জন্য এই পৃথক ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মহিলারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ পরিবেশে তাঁদের প্রিয় নেত্রীর শেষ জানাজায় অংশ নিতে পারবেন। প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এই বিশেষ উদ্যোগের বিষয়টি বিএনপিকে জানানো হয়েছে। বেগম জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে নারী অধিকার ও উন্নয়নে তাঁর ভূমিকার প্রতি সম্মান জানাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
জানাজা উপলক্ষে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দুপুর ২টায় জানাজা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে জানাজায় অংশগ্রহণকারী কোনো নারী বা পুরুষকেই কোনো প্রকার ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন না করার জন্য কঠোর অনুরোধ জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। এছাড়া জানাজায় আগতদের মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সকাল থেকেই সংসদ ভবন এলাকার দিকে মানুষের ঢল নামতে শুরু করেছে। এই প্রথম দেশের কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জানাজায় নারীদের অংশগ্রহণের জন্য এমন পরিকল্পিত ও পৃথক ব্যবস্থার উদ্যোগ দেখা গেল। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নারীদের জানাজা স্থলে পৌঁছাতে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে।
খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আজ ঢাকায় আসছেন যেসব দেশের মন্ত্রী
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে এবং তাঁর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসছেন ভারত ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিতব্য জানাজায় দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক দেশের প্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য কূটনৈতিক নজির তৈরি করতে যাচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী দেশগুলোর এই অংশগ্রহণ বেগম জিয়ার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থান এবং তাঁর রাষ্ট্রীয় ভূমিকার প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রতিফলন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বেগম জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। এছাড়া পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিকও আজই সরাসরি জানাজায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, বেগম জিয়ার প্রয়াণে পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের জনগণের শোকের সাথে সংহতি প্রকাশ করবে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দা শর্মা, শ্রীলঙ্কার ভিজিতা হেরাথ, ভুটানের ডি এন ধুংগিয়েল এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত আলী হায়দার আহমেদও জানাজায় উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তাঁর আজীবন সংগ্রামের কারণে বিদেশের মাটিতেও খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল অপরিসীম। বিভিন্ন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিদের এই উপস্থিতি মূলত তাঁর সেই বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনেরই প্রতিচ্ছবি।
এদিকে বিদেশি মেহমান ও দেশীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানী ঢাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১০ হাজার সদস্যের পাশাপাশি বিশেষায়িত ইউনিটগুলো জানাজা স্থল ও বিদেশি অতিথিদের যাতায়াতের পথে বিশেষ নজরদারি রাখছে। বেগম জিয়ার জানাজাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মতভেদ ছাপিয়ে পুরো দেশে এখন এক গভীর শোক ও শ্রদ্ধার আবহ বিরাজ করছে। বিকেলেই রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে জিয়া উদ্যানে সমাহিত করা হবে।
বাদ জোহর স্বামীর কবরের পাশেই শায়িত হচ্ছেন খালেদা জিয়া
বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন আজ বুধবার পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বাদ জোহর দুপুর ২টায় তাঁর নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তাঁর স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হবে। জানাজায় ইমামতি করবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে যে, এই জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকরা অংশগ্রহণ করবেন। রাষ্ট্রীয় এই আনুষ্ঠানিকতা উপলক্ষে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীনভাবে জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙখলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ১০ হাজার সদস্য এই নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। পুরো জানাজা প্রক্রিয়াটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) সরাসরি সম্প্রচার করবে।
নিরাপত্তার স্বার্থে দাফন অনুষ্ঠানে সাধারণ জনগণের প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা হওয়ায় দাফনের সময় কেবল আমন্ত্রিত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্টরাই উপস্থিত থাকতে পারবেন। এছাড়া জানাজা ও দাফনস্থলে কোনো ধরনের ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন না করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে মরদেহ দক্ষিণ প্লাজায় আনার সময় সড়কের দুই পাশে বিশেষ প্রটোকল ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন যে, পুরো জানাজা কার্যক্রমের সঞ্চালনা করবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। দলের পক্ষ থেকে নেতাকর্মীদের সুশৃঙ্খলভাবে জানাজায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে বেগম জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় সংসদ, বাংলাদেশের বিভিন্ন দূতাবাস এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৃথক শোক বই খোলা হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিরাপত্তা টিমের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রীয় সম্মানের সাথে মরদেহ আনার সময় পথে পথে সাধারণ মানুষ তাদের প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাবেন।
পাঠকের মতামত:
- একীভূত ব্যাংকে কত টাকা তুলবেন, জানুন নিয়ম
- সঞ্চয়পত্রে মুনাফা আরও কমলো, জানুন নতুন হার
- প্রকাশ হলো ২০২৬ সালের ব্যাংক ছুটির পূর্ণ তালিকা
- ওরিয়ন ফার্মা ও ইনফিউশনের নতুন ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
- এক ধাপে বড় কমতি স্বর্ণের দামে
- বৃহস্পতিবার ঢাকার যেসব মার্কেট বন্ধ থাকবে জেনে নিন আগেই
- পুঁজিবাজারে মিউচুয়াল ফান্ডের দৈনিক এনএভি প্রকাশ
- রেকর্ড ডেটের আগে দুই কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে বিধিনিষেধ
- নতুন বছরের প্রথম দিনেই শেয়ারবাজারে শক্ত উত্থান
- ০১ জানুয়ারি ২০২৬ হালনাগাদ বৈদেশিক মুদ্রার দর
- ১৭ জেলায় শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি
- ভারতীয় কূটনীতিকদের সঙ্গে গোপন বৈঠকের বিষয়ে যা বললেন ডা. শফিক
- শীতে শখের রঙিন মাছ মরে যাচ্ছে? মাছ বাঁচাতে ৪টি বিশেষ টিপস
- শীতে হাত পা ফাটলে কী করবেন? ৫টি ঘরোয়া টোটকা জানুন আজই
- শীতে ফুসফুস সুরক্ষিত রাখার ৫ উপায়
- পুরো বাংলাদেশই আজ আমার পরিবার: তারেক রহমান
- শীতে টনসিল থেকে রক্ষা পাওয়ার ঘরোয়া উপায় ও চিকিৎসকের টিপস
- স্বর্ণের দামে নতুন বছরের শুরুতেই স্বস্তি: আজ থেকে কার্যকর নতুন দর
- এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ তোমাকে দিশেহারা করার অপেক্ষায়: আজহারী
- আজ ০১ জানুয়ারি নামাজের সময়সূচি
- নতুন বছরে কমল জ্বালানি তেলের দাম: আজ থেকে কার্যকর নতুন মূল্য
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- টিভির পর্দায় আজকের সব খেলার সূচি
- উৎসবহীন ২০২৬-এর পথচলা: হাড়কাঁপানো ঠান্ডা আর শোকের চাদরে ঢাকা দেশ
- নিষেধাজ্ঞা ভেঙে মধ্যরাতে পটকার বিকট শব্দে কাঁপল ঢাকা
- নতুন বছরের শুরুতেই শীতে কাঁপছে পঞ্চগড়, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ
- সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমানের আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট
- আয়ের দৌড়ে শীর্ষ নেতাদের পেছনে ফেললেন নুর, হলফনামায় নতুন চমক
- কেন ১ জানুয়ারি নতুন বছর? জানুন এর পেছনের রোমাঞ্চকর ইতিহাস
- প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তান ও নেপালের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ
- হাড়কাঁপানো শীতের ইতিহাস, দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কবে কত ছিল?
- ভারসাম্য হারাচ্ছে জলবায়ু তবে কি ধেয়ে আসছে পরবর্তী তুষারযুগ?
- শীতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সেরা ৫ টিপস
- বছর শেষে স্বর্ণের দামে বড় ধস, কাল থেকে কার্যকর নতুন রেট
- ঠাকুরগাঁওয়ে ফখরুলের সম্পদের পাহাড়? হলফনামায় মিলল বড় তথ্য
- টাঙ্গাইলে খোলস পাল্টে ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের তিন নেতা
- খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় থেকে হাসিনা মুক্তি পাবেন না: নজরুল
- কবে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পাওয়া যাবে, জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর
- দেশজুড়ে খালেদা জিয়ার গায়িবানা জানাজা
- কেন তিনি ‘আপসহীন’? খালেদা জিয়ার জীবনের অজানা অধ্যায়
- জনসেবা ত্যাগ ও সংগ্রামের এক অবিস্মরণীয় ইতিহাস রেখে গেলেন তিনি
- নগরকান্দায় এলজিইডি প্রকৌশলীর ঘুষের ভিডিও ভাইরাল
- জানুয়ারি–জুন: ২০২৬ সালের ক্রীড়া সূচি
- কত টাকার মালিক হাসনাত? সম্পদের হিসাব প্রকাশ
- প্রাকৃতিক উপায়ে ওজন বাড়ানোর সেরা খাবার
- মৃত্যুর পর মানবদেহে কী ঘটে, জানাচ্ছে বিজ্ঞান
- জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন: মানিক মিয়ার পথে বেগম জিয়া
- ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে কলেজে দীর্ঘ ছুটির নতুন সূচি
- মালয়েশিয়ায় বিদেশি কর্মীর ব্যাপক চাহিদা: নতুন আবেদনের সময় জানুন
- পুঁজিবাজারে তিন প্রতিষ্ঠানের রেটিং আপডেট
- আজ ঢাবির ভর্তি যুদ্ধ: আছে এমআইএসটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খবর
- আজকের স্বর্ণের দাম: ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
- আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন মূল্য
- পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য বড় সুখবর
- আজ থেকে শুরু বিপিএলের দ্বাদশ আসর, জানুন পূর্ণাঙ্গ সময়সূচী
- সাধারণের নাগালের বাইরে সোনার বাজার: মধ্যবিত্তের সোনা কেনার স্বপ্ন কি তবে শেষ
- আজকের স্বর্ণের দাম: ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- এমবিবিএস-বিডিএস ভর্তি পিছাল, নতুন তারিখ ঘোষণা
- ঢাকা-১৫ জামায়াত আমিরের বিপক্ষে নামলেন যে বিএনপি প্রার্থী
- বাবার কবরের সামনে দাঁড়িয়ে নীরবে কেঁদেছেন তারেক রহমান
- ২০২৬ সালে স্কুলে ছুটি কমলো ১২ দিন, দেখে নিন তালিকা
- সোনার বাজারে সুখবর! কমল দাম যত
- ই-রিটার্ন দাখিলে আর বাধা নেই: বড় সুখবর দিল রাজস্ব বোর্ড আজ
- হাড়কাঁপানো শীত ও ঘন কুয়াশা থেকে মুক্তি কবে? যা জানাল আবহাওয়া অফিস
- ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা: আজই দেখে নিন রুটিন








