ফেসবুকে বিনা খরচে রিচ বাড়াবেন যেভাবে: জেনে নিন ৫ সহজ কৌশল

ফেসবুকে এখন অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করছেন যে তাদের পোস্ট আগের মতো মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না, অর্থাৎ ‘রিচ’ কমে যাচ্ছে। ফলে হতাশায় ভুগছেন কনটেন্ট নির্মাতা ও উদ্যোক্তারা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সঠিক কৌশল জানা থাকলে কোনো খরচ ছাড়াই পোস্টের অর্গানিক রিচ বাড়ানো সম্ভব।
রিচ কমে যাওয়ার কারণ:
ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যাওয়া: ফেসবুক ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে এবং যদি কোনো নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্টে ব্যবহারকারী আগ্রহ না দেখায়, তবে সেই কনটেন্ট তাদের কাছে আর পৌঁছায় না।
সময়: পোস্ট করার সময়ের ওপরও রিচ নির্ভর করে। মধ্যরাতে বা যখন ব্যবহারকারী সক্রিয় কম থাকেন, তখন পোস্ট করলে স্বাভাবিকভাবেই রিচ কম হয়।
কনটেন্টের বৈচিত্র্যহীনতা: একই ধরনের পোস্ট বারবার করলে ব্যবহারকারীদের আগ্রহ কমে যায়।
ক্লিকবেইট ও স্প্যাম: ক্লিকবেইট বা স্প্যামধর্মী পোস্ট রিচ কমার একটি বড় কারণ। ফেসবুকের অ্যালগরিদম এসব সহজেই ধরে ফেলে।
বিনা খরচে রিচ বাড়ানোর ৫ কৌশল
১. মানবিক দিক রাখুন: শুধুমাত্র তথ্য না দিয়ে কনটেন্টে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, ছোট গল্প বা অনুপ্রেরণামূলক বিষয় তুলে ধরুন।
২. কনটেন্টে বৈচিত্র্য আনুন: নিয়মিত ছবি, ভিডিও, রিল ও ইনফোগ্রাফিক্স ব্যবহার করুন। প্রশ্ন করে ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা বাড়ানোর চেষ্টা করুন।
৩. ক্লিকবেইট থেকে দূরে থাকুন: এমন কোনো কিছু পোস্ট করবেন না যা শুধু ক্লিক বাড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে।
৪. ডেটা বিশ্লেষণ করুন: নিয়মিত ফেসবুক ইনসাইট পর্যবেক্ষণ করে কোন সময়ে পোস্ট দিলে বেশি রিচ পাওয়া যায়, তা বোঝার চেষ্টা করুন।
৫. নিয়মিত সক্রিয় থাকুন: শুধু নিজের কনটেন্ট পোস্ট না করে অন্যদের পোস্টে কমেন্ট ও শেয়ার করে সক্রিয়তা বাড়ান।
সূত্র : এইসময়
‘সেলফি’ ভবিষ্যদ্বাণী মিলল বাস্তবের সঙ্গে
নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে আলোচনায় এসেছে জুলকারনাইন সায়ের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাস, যেখানে তিনি অতীতের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত স্মরণ করেছেন।
নিজের পোস্টে তিনি লিখেছেন, শেষবার যখন তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তখন মজা করে একটি সেলফি তোলার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কারণ পরবর্তী সময়ে তিনি যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তাহলে রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অতিক্রম করে এমন স্বতঃস্ফূর্ত ছবি তোলা কঠিন হয়ে যাবে। সময়ের ব্যবধানে সেই কথাই যেন বাস্তবে রূপ নিয়েছে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

তারেক রহমান মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রীয় পদে আসীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা ও প্রটোকলের বলয় স্বাভাবিকভাবেই কঠোর হয়ে ওঠে। ফলে ব্যক্তিগত ও অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়।
-রাফসান
দেড় বছরের সাধনা ও অধ্যবসায়ের ফল নিয়ে হাজির শায়খ আহমাদুল্লাহ
দীর্ঘ দেড় বছরের নিরবচ্ছিন্ন সাধনা ও গভীর অধ্যবসায়ের পর নতুন একটি বই প্রকাশের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন জনপ্রিয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ শিরোনামের এই গ্রন্থে কোরআন ও হাদিসের আলোকে ঈমানের মৌলিক বিষয়গুলো অত্যন্ত সহজ ও সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি তাঁর ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানান, একসময় বইয়ের প্রতি তাঁর গভীর নিমগ্নতা দেখে এক শিক্ষক তাঁকে মজা করে ‘জিন’ বলে ডাকতেন। নতুন এই বইটি রচনার সময় তিনি আবারও সেই পুরনো ‘বইপাগল’ ছাত্র হিসেবে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করেছেন। গত কয়েক মাস প্রায় গৃহবন্দি হয়ে নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি বইটির কাজ শেষ করেছেন। শুরুতে সামগ্রিক ইসলামকে এক মলাটে আনার পরিকল্পনা থাকলেও, বিষয়ের গভীরতা ও ব্যাপ্তির কারণে তিনি শুধু ঈমান নিয়ে এই আলাদা গ্রন্থটি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেন।
বইটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এর নাম চূড়ান্ত করার আগে শায়খ আহমাদুল্লাহ পাঠকদের মতামত চেয়েছিলেন, যেখানে প্রায় ৭০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তাঁদের মতামতের ভিত্তিতেই ‘ঈমানের অপরিহার্য পাঠ’ নামটি নির্ধারণ করা হয়েছে। বইটিতে সমকালীন বিভিন্ন কুফর, নিফাকের লক্ষণ এবং বিশ্বাসগত সংকট থেকে উত্তরণের পথ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। ঈমান বিষয়ক এই বইয়ের পর পর্যায়ক্রমে ইবাদত, আখলাক ও লেনদেন নিয়ে পৃথক গ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।
/আশিক
২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার নিয়ে প্রস্তুত শায়খ আহমাদুল্লাহ: এবার যুক্ত হচ্ছে বিশেষ উপহার
বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহ দেশের দরিদ্র মানুষের কল্যাণে এক বিশাল উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন’ এবারের রমজানে ৩৩ হাজার ৩০০ দরিদ্র পরিবারের জন্য ২৩৩ মেট্রিক টন ইফতার সামগ্রী প্রস্তুত করছে। শনিবার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি জানান যে, নির্বাচনের ছুটির মাঝেও আস-সুন্নাহ স্কিলের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে দিনরাত এই ইফতার সামগ্রী প্যাকেজিংয়ের কাজ করে যাচ্ছেন।
শায়খ আহমাদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৬৪টি জেলার মোট ৬২৭টি নির্দিষ্ট স্পটে এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে। প্রতিটি পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত ইফতার প্যাকেজে থাকছে ২ কেজি ছোলা, ২ কেজি মসুর ডাল, ১ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি উন্নত মানের খেজুর এবং ১ কেজি মুড়ি। এটি গত কয়েক বছরের তুলনায় বড় একটি আয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
তবে এবারের আয়োজনে বড় চমক হিসেবে যুক্ত হয়েছে ধর্মীয় শিক্ষার বিষয়টি। শায়খ আহমাদুল্লাহ জানান, কেবল খাদ্য সহায়তা নয়, বরং রমজানের আমলকে সমৃদ্ধ করতে এবারই প্রথম প্রতিটি ইফতার প্যাকেজের সঙ্গে 'মাহে রমজানের ২৭ আমল' নামক একটি বই উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। এই মানবিক ও ধর্মীয় উদ্যোগের খবরটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে এবং বহু মানুষ এই সেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
/আশিক
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের পক্ষে নিজের সুষ্পষ্ট অবস্থান ব্যক্ত করেছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ সমুন্নত রেখে যেকোনো ইতিবাচক সংস্কারে তাঁর সমর্থন রয়েছে।
শায়খ আহমাদুল্লাহ তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, ইতিবাচক সংস্কার ও পরিবর্তনের প্রশ্নে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে। তবে এই সংস্কার কার্যক্রম অবশ্যই দেশের ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থ কেবল পরিবর্তন নয়, বরং মূল্যবোধ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি সুন্দর আগামীর অঙ্গীকার করা।
রাষ্ট্র ও নির্বাচিত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এই জনপ্রিয় ইসলামী ব্যক্তিত্ব বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ধরনের বিচ্যুতি না ঘটে, তা নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে চূড়ান্ত সংস্কার কার্যক্রমে দেশের প্রতিনিধিত্বশীল আলেমদের সম্পৃক্ত করারও দাবি জানান তিনি। তাঁর মতে, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলেমদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে ধর্মীয় মূল্যবোধের সুরক্ষা দেওয়া সহজ হবে এবং জনমনে আস্থার জায়গা তৈরি হবে।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান ড. মিজানুর রহমান আজহারীর
রাষ্ট্র গঠনে ভারসাম্য ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জনপ্রিয় আলেম ও ইসলামি চিন্তাবিদ ড. মিজানুর রহমান আজহারী। আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এই দেশাত্মবোধক আহ্বান জানান।
নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ড. আজহারী উল্লেখ করেন, একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে গণভোটে 'হ্যাঁ' দিন। তিনি ইংরেজি অক্ষরে লিখেছেন— "Say ‘YES’ for Future Bangladesh." তার এই আহ্বানের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুসারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ করা গেছে। অনেকে তার এই অবস্থানকে রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সারা দেশে একযোগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে এবারের ভোট উৎসবের ভিন্নতা হলো—সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি 'জুলাই সনদ' অনুযায়ী রাষ্ট্র সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) সূত্রে জানা গেছে, এদিন প্রত্যেক ভোটার দুটি পৃথক ব্যালটে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
১. সংসদীয় ব্যালট: এখানে ভোটাররা তাদের নিজ নিজ সংসদীয় আসনের পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকে ভোট দেবেন।
২. গণভোট ব্যালট: এই ব্যালটটি হবে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত। সেখানে প্রস্তাবিত জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের সমর্থন আছে কি না, সেই প্রশ্নে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ বক্সে সিল দেবেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ড. আজহারীর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের এই আহ্বান সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে গণভোটের গুরুত্ব বুঝতে এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে উৎসাহিত করবে।
পিজ্জা ডেলিভারি করা তরুণকে স্কুলবন্ধুর তাচ্ছিল্য, ভিডিও ভাইরাল
জীবিকা নির্বাহের তাগিদে পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করেন এক তরুণ। রাস্তায় হঠাৎ দেখা হয়ে যায় স্কুলজীবনের এক বান্ধবীর সঙ্গে। সেই মুহূর্তেই তার পেশাকে কেন্দ্র করে তাচ্ছিল্য ও বিদ্রুপের শিকার হতে হয় তরুণকে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র আলোচনা ও সমালোচনা।
যদিও ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি এবং কোথায় বা কবে ঘটনাটি ঘটেছে সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, তবুও ভিডিওটি ইতোমধ্যেই নেটদুনিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ব্যস্ত সড়কের সিগন্যালে স্কুটি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন ওই তরুণ। পেছনে পিজ্জা রাখার ডেলিভারি বক্স। ঠিক তখনই সেখানে উপস্থিত হন তার স্কুলের বান্ধবী। তরুণকে দেখামাত্রই তিনি হাসতে শুরু করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন।
ভিডিওতে তরুণীকে তাচ্ছিল্যের সুরে বলতে শোনা যায়, স্কুলজীবনে ওই তরুণ নাকি বন্ধুদের অনুপ্রেরণামূলক ভিডিও পাঠাতেন। অথচ এখন ৩০ বছর বয়সে তিনি পিজ্জা ডেলিভারির কাজ করছেন। ভিডিওটি তিনি অন্যদেরও দেখাবেন বলেও মন্তব্য করেন। এসব কথা শুনে তরুণকে বিব্রত ও লজ্জিত অবস্থায় হাসতে দেখা যায়।
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সংশ্লিষ্ট তরুণ ও তরুণীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, পুরো ঘটনাটি সাজানো ছিল। তবে এই ব্যাখ্যা মানতে নারাজ নেটিজেনদের একটি বড় অংশ। তাদের মতে, জনমতের চাপে পড়েই বিষয়টিকে ‘স্ক্রিপ্টেড’ বলে চালানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভিডিওটি পোস্ট করা হয়েছে X–এর একটি অ্যাকাউন্ট থেকে, যার নাম ‘স্যাফরন চার্জার্স’। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি বিপুল সংখ্যক দর্শক দেখেন। লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যে ভরে ওঠে পোস্টটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশিরভাগ প্রতিক্রিয়াই তরুণের পক্ষে গেছে। বহু ব্যবহারকারী তার প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন এবং তরুণীর আচরণকে নিন্দনীয় ও শিক্ষার অভাবের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন।
একজন নেটিজেন লিখেছেন, “কোনও কাজই ছোট নয়। সংসার চালাতে অনেককেই ডেলিভারি বয়ের কাজ করতে হয়। কাউকে এভাবে অপমান করা মানসিক দীনতার পরিচয়।”
আরেকজন মন্তব্য করেন, “জীবন সব সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে না। কখনও দায়িত্ব হঠাৎ কাঁধে এসে পড়ে। তখন স্বপ্ন থেমে গেলেও দায়িত্ব পালন করাটাই আসল। এই তরুণ বাস্তব জীবনের নায়ক।”
অনেকে আবার প্রশ্ন তুলেছেন, সামাজিক মর্যাদা কি শুধু পেশার সঙ্গে যুক্ত? পড়াশোনা ও বাস্তব জীবনের সংগ্রামের মধ্যকার এই বৈপরীত্য সমাজের শ্রেণিভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গিকেই সামনে এনেছে বলে মত দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এই ভাইরাল ভিডিওটি সত্য হোক বা সাজানো এটি একটাই প্রশ্ন সামনে এনেছে: জীবিকা নির্বাহের জন্য পরিশ্রম করা মানুষকে তাচ্ছিল্য করার অধিকার কারও আছে কি না?
সূত্র:আনন্দবাজার
কুচক্রী মহল থেকে সাবধান: ফেসবুক পোস্টে জরুরি বার্তা দিলেন আজহারি
বর্তমান সময়ের আলোচিত ও জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর নাম, ছবি এবং কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে চালানো সুসংগঠিত ডিজিটাল প্রতারণার বিরুদ্ধে অত্যন্ত কঠোর ও জরুরি এক সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দেশের ভেতরে ও দেশের বাইরে থেকে সক্রিয় থাকা বিভিন্ন কুচক্রী প্রতারক মহলের বিরুদ্ধে এই ‘ফাইনাল ওয়ার্নিং’ বা চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আজহারি অভিযোগ করেছেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর কণ্ঠস্বর বা ‘ভয়েস ক্লোন’ (AI Voice Cloning) করা হচ্ছে এবং তাঁর ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নানা ধরণের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে মূলত সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে অনৈতিকভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।
ড. আজহারি তাঁর পোস্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, এই প্রতারক চক্রগুলো ওষুধি পণ্য এবং বিভিন্ন ধরণের ভুয়া বিউটি বা হেলথ প্রোডাক্ট প্রমোশনে তাঁর কৃত্রিমভাবে তৈরি কণ্ঠস্বর ও ছবি ব্যবহার করছে। বিশেষ করে চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত অবৈজ্ঞানিক ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনে তাঁর সম্পৃক্ততা দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির এই অপব্যবহার সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন না, এমন অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাধারণ মানুষ এসব বিজ্ঞাপন দেখে আর্থিকভাবে প্রতারিত হচ্ছেন। এর ফলে কেবল সাধারণ মানুষের ক্ষতিই হচ্ছে না, বরং এই ইসলামি বক্তার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং তাঁর প্রতি মানুষের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস ও আস্থাও চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন যে, এ ধরণের কোনো বাণিজ্যিক পণ্য বা ওষুধের প্রচারণার সঙ্গে তাঁর বিন্দুমাত্র কোনো সম্পর্ক নেই।
এই জালিয়াতির প্রভাব ড. আজহারির প্রতিষ্ঠিত ‘হাসানাহ ফাউন্ডেশন’ (Hasanah Foundation)-এর ওপরও পড়েছে বলে জানা গেছে। আজহারি উল্লেখ করেছেন যে, এসব ভুয়া পণ্য বা ওষুধের ব্যাপারে খোঁজ নিতে প্রতিদিন অগণিত মানুষ ফাউন্ডেশনের অফিশিয়াল নাম্বারে ফোন করছেন। এর ফলে ফাউন্ডেশনের দৈনন্দিন দাপ্তরিক ও সেবামূলক কার্যক্রমে চরম বিঘ্ন ঘটছে। তিনি অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেন যে, তাঁর পরিচয় ব্যবহার করে কোনো পণ্য বিক্রির চেষ্টা করা হলে তা সম্পূর্ণ অনৈতিক এবং এটি জালিয়াতির অংশ। ইতোমধ্যে তাঁর টিম এই ধরণের প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বিভিন্ন মিডিয়া ও ফেসবুক পেজগুলোর একটি বিস্তারিত তালিকা প্রস্তুত করেছে। এই তালিকাটি অতি দ্রুত পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে পাঠানো হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দেশ বা বিদেশের যেকোনো স্থান থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
পরিশেষে, ড. মিজানুর রহমান আজহারি তাঁর শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তারা কোনো বিজ্ঞাপন দেখে সহজেই বিভ্রান্ত না হন। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন যে, যেকোনো প্রচারণার সত্যতা যাচাই করতে হলে যেন তাঁর অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া সোর্সগুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়। প্রতারকদের প্রতি কঠোর বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি অনতিবিলম্বে এসব কন্টেন্ট রিমুভ না করা হয়, তবে তিনি আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বাধ্য হবেন। তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যারা এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অনৈতিক উপায়ে অর্থ উপার্জন করছেন, আল্লাহ যেন তাদের মেধাকে হালাল ও পজিটিভ কাজে ব্যবহার করে রিজিক অন্বেষণের তাওফিক দান করেন। ভক্তদের সুবিধার্থে তিনি তাঁর পোস্টে সবকটি অফিশিয়াল প্ল্যাটফর্মের লিংকও সংযুক্ত করে দিয়েছেন।
এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ তোমাকে দিশেহারা করার অপেক্ষায়: আজহারী
রাষ্ট্রীয় শোক আর পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীর আকাশ যখন আতশবাজির ঝলকানিতে রঙিন, ঠিক তখনই পরকালের ভয়ংকর আগুনের স্মারক মনে করিয়ে দিলেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি থার্টি ফার্স্ট নাইটের এই বিকট উল্লাস নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তাঁর এই পোস্টটি মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ড. আজহারী তাঁর পোস্টে লিখেছেন—যে বিকট শব্দ আর আগুনের ঝলকানি মানুষকে আজ উল্লাসে মাতাচ্ছে, এর চেয়েও বহুগুণ বিকট আওয়াজ আর তীব্র আগুন পরকালে মানুষকে দিশেহারা করার অপেক্ষায় রয়েছে। মানুষের এই ক্ষণস্থায়ী উন্মাদনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, “তবুও তুমি বুঝবে না?” তাঁর এই বার্তাটি এমন এক সময়ে এল যখন রাজধানীর অসুস্থ রোগী এবং ছোট শিশুরা পটকার বিকট শব্দে চরম আতঙ্কের মধ্য দিয়ে সময় পার করছিল।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক অভিভাবক তাঁদের শিশু সন্তানদের কান্নাকাটি আর আতঙ্কের কথা শেয়ার করেছেন। বিশেষ করে হাসপাতালে থাকা হৃদরোগী ও বয়স্কদের জন্য এই উচ্চশব্দ কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা নিয়ে অনেক অসহায় মানুষ নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ডিএমপির পক্ষ থেকে ফানুস ও পটকা ফাটানোয় স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা কার্যকর না হওয়ায় অনেকেই হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে ড. আজহারীর এই আধ্যাত্মিক সতর্কবার্তা ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষের মধ্যে বিবেক জাগ্রত করার এক বিশেষ ডাক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারে হামলা সংবাদপত্রের ওপর আঘাত: শশী থারুর
বাংলাদেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার ওপর সাম্প্রতিক হামলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের লোকসভা সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শশী থারুর। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থাকে বহুমাত্রিক সমাজের ভিত্তির ওপর চরম আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেন। বিশেষ করে প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টার কার্যালয়ে পরিকল্পিত হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি তাকে গভীরভাবে বিচলিত করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শশী থারুর তার পোস্টে সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামসহ অন্যান্য সাহসী সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন যে সংবাদকর্মীদের জীবন বাঁচাতে মরিয়া হয়ে বার্তা দিতে হবে এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি মনে করেন যে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ধরণের সংঘাত ও অসহিষ্ণুতার পরিবেশ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য একটি অত্যন্ত অশুভ সংকেত। থারুর স্পষ্ট জানিয়েছেন যে একটি স্থিতিশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং উগ্র জনতার শাসনের বদলে গঠনমূলক সংলাপের পথ বেছে নিতে হবে।
বাংলাদেশের অরাজক পরিস্থিতির প্রভাবে খুলনা ও রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের ভিসা পরিষেবা স্থগিত হওয়াকে তিনি একটি বড় বিপত্তি হিসেবে অভিহিত করেছেন। এর ফলে দুই দেশের সাধারণ শিক্ষার্থী, রোগী এবং যারা জরুরি প্রয়োজনে সীমান্ত পার হতে চেয়েছিলেন তারা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। থারুরের মতে কূটনৈতিক মিশনগুলোকে অবশ্যই নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে সুরক্ষা দিতে হবে এবং আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা দূতাবাসগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিক দায়িত্ব।
বর্তমান অচলাবস্থা নিরসনে শশী থারুর প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে ব্যক্তিগতভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা কেবল দেশটির নিজস্ব বিষয় নয় বরং এটি পুরো দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের কণ্ঠস্বর যেন কোনো সহিংসতা বা হুমকির মুখে চাপা না পড়ে এবং ব্যালটের মাধ্যমে প্রকৃত প্রতিফলন ঘটে এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তার বক্তব্য শেষ করেন এই জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা।
পাঠকের মতামত:
- সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জামায়াত আমির
- গণভোটের হ্যাঁঅটোমেটিক কার্যকর হবে, এটাই জুলাই সনদ: এ্যানি
- আজকের টাকার রেট কত? দেখে নিন বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার
- যশোরে তালা ভেঙে আওয়ামী লীগ অফিসে ছবি টাঙালো ছাত্রলীগ
- আজ শনিবার; রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ
- ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসে এমন আচরণ কাম্য নয়: রুমিন ফারহানা
- জেনে নিন রাজধানীতে আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- আজ রাজধানীতে কোথায় কী কর্মসূচি: জেনে নিন সকালে বের হওয়ার আগে
- আজকের বাজারে স্বর্ণের দর কত? জেনে নিন বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা
- একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
- রমজানের তৃতীয় দিনের ইফতার ও নামাজের সময়সূচি
- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাদের দপ্তর বণ্টন, কে কোন দায়িত্বে?
- আবারও স্বর্ণের বাজারে বড় উত্থান
- রমজানে অর্ধশত পরিবারের পাশে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন
- মুরাদনগরে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে নির্মাণ শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা
- শেয়ারবাজারের সাপ্তাহিক পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- যমুনা ছাড়ছেন কবে ড. ইউনূস, কোথায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
- ঢাকায় ১০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান ইশরাকের
- শেয়ারবাজারে আসছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অর্থ মন্ত্রী আমীর খসরু
- ২১ ফেব্রুয়ারিতে ডিএমপির সড়ক নির্দেশনা, কোন পথ এড়াবেন
- হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটি হবে লক্ষ্যবস্তু: ইরান
- "আই হ্যাভ এ প্ল্যান" বাস্তবায়ন শুরু
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- বৈদেশিক মুদ্রার সর্বশেষ বিনিময় হার: ২০ ফেব্রুয়ারি
- বের হওয়ার আগে জেনে নিন আজ যেসব মার্কেট বন্ধ
- এইচএসসি ২০২৬: ফরম পূরণের পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি ও নীতিমালা প্রকাশ
- শুক্রবারের পূর্ণ নামাজ সূচি, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- রাজধানীতে আজ আবহাওয়ার পূর্বাভাস
- বাংলাদেশের ম্যাচসহ আজ টিভিতে যেসব খেলা দেখবেন
- এতিমদের মধ্য থেকেই কেউ একদিন প্রধানমন্ত্রী হবে: শফিকুর রহমান
- ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কমিটি: দায়িত্বে আছেন যারা
- সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা তোলা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
- স্বর্ণের বাজারে টানা উত্থান: বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় খবর
- ইফতারের পর ক্লান্ত লাগে? সতেজ থাকার সহজ উপায়গুলো জেনে নিন
- মহাকাশ বিজয়ে ইরান: সফলভাবে উৎক্ষেপিত হলো জাম-এ-জাম ১
- ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ব্যস্ত মন্ত্রিসভা, জনস্বার্থ উপেক্ষিত: নাহিদ ইসলাম
- পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসছে
- ১৯ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- রোজার প্রথম দিনেই মুরগি ও সবজির দামে লাগামহীন রাজধানীর বাজার
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- ইফতারে যেসব ভুলের কারণে গ্যাস্ট্রিক ও ওজন বাড়ে
- প্রথম রোজার ইফতারে চমক! ঘরেই তৈরি করুন মুচমুচে ও সুস্বাদু চিকেন পাকোড়া
- দুপুরের নির্জনতা ভেঙে হঠাৎ কেঁপে উঠল সিলেট: বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস?
- ১৯ ফেব্রুয়ারি ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- নতুন সরকারের প্রতি ট্রাম্পের পূর্ণ আস্থা: অভিনন্দন বার্তায় চাঞ্চল্য
- ভারতীয় ভিসা নিয়ে বড় সুখবর
- জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা নৈতিক দায়িত্ব: ফখরুল
- স্বাধীনতার পর প্রথম মন্ত্রী: কুমিল্লা বরুড়াবাসীর স্বপ্ন পূরণ করতে চান জাকারিয়া তাহের
- ঈদের আগেই চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, ধাপে ধাপে পাবে পাঁচ কোটি পরিবার
- বাজুসের নতুন দর! ২ লাখ ১৩ হাজারে মিলবে ১ ভরি সোনা
- হু হু করে কমল সোনার দাম
- রমজানে স্কুল খোলা নিয়ে হাইকোর্টের বড় রায়: বদলে গেল ছুটির পুরো ক্যালেন্ডার
- চাকরির টাকায় সংসার না চললে ছেড়ে দিন, দুর্নীতির কোনো ক্ষমা নেই: আইনমন্ত্রী
- প্রাথমিকে রোজার ছুটি নিয়ে নতুন তথ্য জানাল অধিদপ্তর
- অগ্নিমূল্য স্বর্ণের বাজার, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বাড়লো ২২১৬ টাকা
- বিশ্ববাজারের প্রভাব পড়ল দেশের স্বর্ণবাজারে: আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশের অংশবিশেষ
- কালিগঞ্জে শতবর্ষী মাদ্রাসার জমি জোরপূর্বক বিক্রয়ের অভিযোগ, দখলের পায়তারা
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিভাবক হলেন এহসানুল হক মিলন
- আজ বিকেলেই শুরু হচ্ছে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ: বাংলাদেশ থেকে কি দেখা যাবে?
- মঙ্গলবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত: আজ থেকেই কার্যকর হচ্ছে স্বর্ণের হ্রাসকৃত মূল্য
- আকাশছোঁয়া স্বর্ণের বাজারে কিছুটা স্বস্তি: আজ থেকেই দাম কমছে
- ১৫ ফেব্রুয়ারি শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ








