বিশেষ সংবাদ
ইনসুলিনের দামে বৈষম্য: বন্ধের মুখে দেশীয় উৎপাদন

বাংলাদেশে ডায়াবেটিস রোগীদের জীবন রক্ষাকারী অন্যতম ওষুধ ইনসুলিন উৎপাদনে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এক বড় সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ইনসুলিনের দামের তুলনায় বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ইনসুলিনের দাম দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় দেশীয় কোম্পানিগুলো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে, যার ফলে উৎপাদন প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ওষুধ কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ২০০৭ সাল থেকে দেশে আন্তর্জাতিক মানের ইনসুলিন তৈরি করে আসছে। বিদেশি ওষুধের তুলনায় দেশীয় ইনসুলিন সাশ্রয়ী হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের রোগীরা ব্যাপকভাবে এটি ব্যবহার করে।
ওষুধ শিল্প সমিতির তথ্য অনুযায়ী, ১৪ বছর আগে দেশীয় ইনসুলিনের একটি ডোজের মূল্য ২২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল এবং আজও সেই একই দামে এটি বিক্রি হচ্ছে। অথচ একই সময়ে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত ইনসুলিনের দাম ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে বর্তমানে ৬৩৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এই অস্বাভাবিক মূল্য বৈষম্যের কারণে দেশীয় উৎপাদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে, ইনসুলিন আমদানির জন্য দেশ থেকে প্রচুর ডলার বিদেশে চলে যাচ্ছে।
দেশে প্রায় ১৩ লাখ ডায়াবেটিস রোগী নিয়মিত ইনসুলিন ব্যবহার করেন। এর মধ্যে ৬০ ভাগ দেশীয় ইনসুলিন এবং ৪০ ভাগ আমদানিকৃত ইনসুলিন ব্যবহার করেন। এই ৪০ ভাগ রোগীর পেছনে বছরে প্রায় ৬০ কোটি টাকা খরচ হয়, যেখানে দেশীয় ইনসুলিন ব্যবহারকারী ৬০ ভাগ রোগীর খরচ মাত্র ৩২ কোটি টাকা।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ওষুধ শিল্প সমিতির মতে, দেশে উৎপাদিত ইনসুলিনের গুণগত মান উন্নতমানের। দেশের চাহিদা মিটিয়ে এটি অনেক দেশে রপ্তানিও করা হচ্ছে। ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ডা. জাকির হোসেন বলেন, ডায়াবেটিস রোগীদের বৃহত্তর স্বার্থে এই মূল্য বৈষম্য দ্রুত নিরসন করা জরুরি। অন্যদিকে ওষুধ বিক্রেতারা মনে করেন, প্রচুর ডলার বিদেশে যাওয়া বন্ধ করতে চিকিৎসকদের মানসিকতা পরিবর্তন করা এবং দেশীয় ইনসুলিনের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি।
তবে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, জনস্বার্থে ইনসুলিনের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা বর্তমানে সরকারের নেই।
করোনার চেয়েও ভয়ংকর? রহস্যময় ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সতর্কতা
করোনার ক্ষত শুকোতে না কাটতেই বিশ্বজুড়ে নতুন এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সতর্ক করে জানিয়েছে, এই রহস্যময় ভাইরাসটি সাধারণ অ্যাডিনোভাইরাসের চেয়েও বেশি সংক্রামক এবং দ্রুত রূপ বদলাতে সক্ষম। আগে গবাদি পশুর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন এটি মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার ক্ষমতা অর্জন করেছে, যা বড় ধরনের মহামারির ইঙ্গিত দিচ্ছে।
আমেরিকা ও জার্মানির গবেষকরা দেখেছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি একটি অত্যন্ত স্থিতিশীল আরএনএ (RNA) ভাইরাস, যা উচ্চ তাপমাত্রাতেও টিকে থাকতে পারে। পশু খামারের কর্মীদের শরীরে এই ভাইরাসের অ্যান্টিবডি মেলায় এটি নিশ্চিত হওয়া গেছে যে সংক্রমণ শুরু হয়েছে। বিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের লিভারে থাকা ‘অ্যাপোলিপোপ্রোটিন ডি’ এই ভাইরাসের বিস্তারকে আরও মারাত্মক করে তোলে। এটি শরীরের শক্তির উৎস মাইটোকন্ড্রিয়াকে আক্রমণ করে কোষের মৃত্যু ঘটায়, ফলে রোগীর রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দ্রুত ভেঙে পড়ে।
প্রাথমিক উপসর্গ সাধারণ ফ্লুর মতো মনে হলেও এটি শরীরের ভেতরে অত্যন্ত দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে সক্ষম। যদিও এটি এখনও বৈশ্বিক মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েনি, তবে এর বিবর্তন ও অভিযোজন ক্ষমতা বিজ্ঞানীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, একে সাধারণ ফ্লু হিসেবে অবহেলা করার সুযোগ নেই। এই ভাইরাসের বিস্তার রোধে এবং কার্যকর প্রতিষেধক তৈরিতে এখন থেকেই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ শুরু হয়েছে।
/আশিক
হামে মৃত্যুর মিছিলে শিশুদের সংখ্যাই বেশি! স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
দেশে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে হামের প্রকোপ। গত ৫৬ দিনে এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা অর্ধলক্ষ ছাড়িয়ে গেছে, আর প্রাণ হারিয়েছে ৩৫০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (১০ মে সকাল ৮টা থেকে ১১ মে সকাল ৮টা) হাম সন্দেহে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নথি অনুসারে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। গত এক দিনে নতুন করে ১ হাজার ৩৪৮ জন সন্দেহভাজন রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫০ হাজার ৫০০ জনে। এই ৫৬ দিনে মোট ৩৫০ জন মারা গেছে, যাদের মধ্যে ৬৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামের কারণে হয়েছে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর। মৃতদের একটি বড় অংশই শিশু।
হামের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা দিয়েছে ঢাকা বিভাগে। এখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৭১৮ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ১৪১ জনের, যা সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। আক্রান্তের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম (৬,৫৫৫ জন) এবং তৃতীয় স্থানে রাজশাহী (৪,৩৭৩ জন)। অন্যদিকে, রংপুর বিভাগে আক্রান্ত (৪১৮ জন) ও মৃত্যু (৪ জন) উভয়ই সবচেয়ে কম।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৯৮০ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৩১ হাজার ৯৯২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। বর্তমানেও কয়েক হাজার রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি না করলে এই পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে।
/আশিক
নীরব ঘাতক কিডনি রোগ: যেসব লক্ষণ অবহেলা করলে পস্তাতে হতে পারে
অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমান সময়ে কিডনি রোগের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। কিডনিকে বলা হয় শরীরের 'ছাঁকনি', যার প্রধান কাজ রক্ত থেকে বর্জ্য অপসারণ করা। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, কিডনি বিকল হতে শুরু করলেও অনেক সময় প্রাথমিক অবস্থায় কোনো লক্ষণ ধরা পড়ে না। ফলে রোগটি যখন শনাক্ত হয়, তখন তা অনেকটা জটিল পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
কিডনি সমস্যার প্রধান লক্ষণসমূহ
কিডনি সঠিকভাবে কাজ করতে না পারলে শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হতে পারে না, যার ফলে সারাক্ষণ ক্লান্তি বা দুর্বলতা অনুভূত হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি জমার কারণে চোখ, পা কিংবা গোড়ালি ফুলে যাওয়া কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান সংকেত। এছাড়া প্রস্রাবে অস্বাভাবিক ফেনা হওয়া (প্রোটিন ক্ষরণ), রং পরিবর্তন বা অতিরিক্ত দুর্গন্ধ হওয়া সতর্কবার্তার লক্ষণ। ক্ষুধার অভাব, বমি ভাব এবং ত্বকে হঠাৎ চুলকানি বা খসখসে ভাব দেখা দিলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ব্যথার অবস্থান ও ধরন
কিডনির ব্যথা এবং সাধারণ কোমর ব্যথার মধ্যে অনেকেই গুলিয়ে ফেলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, কিডনির ব্যথা মূলত পিঠের নিচের দিকে পাঁজরের ঠিক নিচে অনুভূত হয়। পাথর থাকলে এই ব্যথা হঠাৎ তীব্র হয়ে কুঁচকি বা তলপেট পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে, সংক্রমণ হলে ব্যথা ধীরে ধীরে শুরু হয়ে তীব্রতর রূপ নেয়।
প্রস্রাবের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে যাওয়া কিংবা রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া কিডনি বিকলের ইঙ্গিত দিতে পারে। প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা লালচে আভা বা রক্ত দেখা দিলে তা মারাত্মক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
যদি কোমর বা পাঁজরের ব্যথা এক থেকে দুই দিনের বেশি স্থায়ী হয় এবং এর সাথে জ্বর বা কাঁপুনি থাকে, তবে দ্রুত ইউরোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিত পর্যাপ্ত পানি পান, লবণ কম খাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
/আশিক
অবিবাহিতদের ক্যানসার ঝুঁকি বেশি! গবেষণায় উঠে এল ভয়ংকর তথ্য
২০১৫ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ১২টি অঙ্গরাজ্যের ৪০ লাখেরও বেশি মানুষের স্বাস্থ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা এক ভীতিকর চিত্র খুঁজে পেয়েছেন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় সব ধরনের প্রধান ক্যানসারের ক্ষেত্রেই অবিবাহিতদের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় অনেক বেশি।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অবিবাহিত পুরুষদের ক্যানসারের ঝুঁকি বিবাহিতদের তুলনায় প্রায় ৭০ শতাংশ বেশি। নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকির মাত্রা আরও ভয়াবহ, যা প্রায় ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
গবেষণায় নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ক্ষেত্রে ভয়াবহ পার্থক্যের কথা বলা হয়েছে। যেমন, অবিবাহিত পুরুষদের মলদ্বারের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার হার বিবাহিতদের চেয়ে প্রায় পাঁচ গুণ বেশি। অন্যদিকে, অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জরায়ুমুখের ক্যানসারের হার প্রায় তিন গুণ বেশি দেখা গেছে।
গবেষকদের মতে, বৈবাহিক জীবন মানুষের জীবনযাত্রায় এক ধরনের শৃঙ্খলা আনে। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণ এবং একে অপরের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার ফলে বিবাহিতরা পরোক্ষভাবে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সক্ষম হন।
তবে বিশেষজ্ঞরা এই গবেষণার ফলকে সতর্কতার সাথে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁদের মতে, বিয়ে করলেই যে ক্যানসার হবে না—বিষয়টি তেমন নয়। এটি মূলত একটি সামাজিক ও আচরণগত নির্দেশক মাত্র।
যারা অবিবাহিত রয়েছেন, গবেষকরা তাঁদের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়ে আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখা তাঁদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এই গবেষণার ফলাফল বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
/আশিক
কিডনিতে পাথর কেন হয়? প্রাণঘাতী এই ব্যথা থেকে বাঁচার ৫টি অব্যর্থ উপায়
কিডনি বা মূত্রনালির পাথর হওয়া আধুনিক জীবনযাত্রায় একটি কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এই যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় শরীরের ভেতর জমে থাকা খনিজ ও লবণের এই শক্ত কণাকেই আমরা পাথর বলে থাকি।
হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া কিংবা রক্ত—শরীরের এই নীরব সংকেতগুলো হতে পারে কিডনি বা মূত্রনালির পাথরের লক্ষণ। সময়মতো সচেতন না হলে এই ক্ষুদ্র স্ফটিকই হয়ে উঠতে পারে অসহনীয় যন্ত্রণার কারণ। কেন তৈরি হয় এই পাথর আর কীভাবে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব? দেখে নিন একনজরে
প্রস্রাবে থাকা খনিজ ও বর্জ্য পদার্থ যখন ঠিকমতো শরীর থেকে বের হতে পারে না, তখন সেগুলো জমাট বেঁধে স্ফটিক বা পাথরে পরিণত হয়। এর প্রধান কারণগুলো হলো
পর্যাপ্ত পানি পান না করলে প্রস্রাব ঘন হয়ে যায়, ফলে খনিজ পদার্থগুলো সহজে জমাট বাঁধার সুযোগ পায়।
অতিরিক্ত লবণ, লাল মাংস (Red Meat) এবং অক্সালেটসমৃদ্ধ খাবার (যেমন পালংশাক, বাদাম) বেশি খেলে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব আটকে রাখলে মূত্রনালির স্বাভাবিক কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি হয় এবং পাথর তৈরির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।
পরিবারে কারও এই সমস্যা থাকলে ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া স্থূলতা, ডায়াবেটিস বা দীর্ঘদিন শারীরিক পরিশ্রম না করাও একটি কারণ।
পাথর ছোট থাকলে অনেক সময় টের পাওয়া যায় না। কিন্তু বড় হলে কোমরের এক পাশে বা তলপেটে তীব্র ব্যথা হতে পারে। এর সঙ্গে বমিভাব বা জ্বরও থাকতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অন্তত ২.৫ থেকে ৩ লিটার পানি পান করা এই রোগ প্রতিরোধের সবথেকে বড় অস্ত্র। পাশাপাশি খাবারে বাড়তি লবণের ব্যবহার কমানো এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় লেবুর শরবত বা সাইট্রাস জাতীয় ফল রাখা অত্যন্ত কার্যকর।
শরীরের নীরব সংকেতগুলো অবহেলা না করে নিয়মিত স্বাস্থ্য সচেতনতাই পারে আপনাকে বড় ঝুঁকি থেকে বাঁচাতে।
/আশিক
হৃদরোগ আসার আগেই শরীর দেয় সংকেত: জেনে নিন রক্তনালির গোপন সংক্রামক
আপনার হার্টের রোগ কোনো ঘোষণা দিয়ে আসে না, তবে শরীর নিঃশব্দে এক বিশেষ সংকেত পাঠাতে থাকে। সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, হৃদরোগ হানা দেওয়ার অনেক আগেই রক্তনালির ভেতরের অত্যন্ত সংবেদনশীল আস্তরণ বা ‘এন্ডোথেলিয়াম’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একেই বলা হয় ‘এন্ডোথেলিয়াল ডিসফাংশন’। এটি কোনো সরাসরি রোগ নয়, বরং ধমনিতে চর্বি জমা বা ব্লকেজ তৈরির প্রাথমিক পর্যায়।
রক্তনালির সুরক্ষাবলয় ভেঙে যায় যেভাবে
শরীরের প্রতিটি রক্তনালির ভেতরে এন্ডোথেলিয়াম নামক একটি আস্তরণ থাকে, যার কাজ হলো রক্তনালিকে নমনীয় রাখা এবং রক্ত চলাচলের পথ সুগম করা। এই স্তরটি শরীরকে প্রয়োজনীয় ‘নাইট্রিক অক্সাইড’ সরবরাহ করে। কিন্তু ধূমপান, উচ্চ রক্তচাপ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং উচ্চ কোলেস্টেরলের কারণে এই স্তরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে নাইট্রিক অক্সাইডের উৎপাদন কমে যায় এবং রক্তনালিগুলো শক্ত ও সরু হতে শুরু করে।
কেন এটি বিপজ্জনক?
এন্ডোথেলিয়াম স্তরটি নষ্ট হয়ে গেলে রক্তনালির ভেতরে প্রদাহ শুরু হয় এবং এর নিচে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমে ‘প্লাক’ তৈরি করে। এই প্লাকই মূলত ধমনিতে ব্লকেজ সৃষ্টি করে, যা থেকে পরবর্তী সময়ে হার্ট অ্যাটাক বা ব্রেন স্ট্রোক ঘটে। গবেষকদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের উচ্চ শর্করা এবং ধূমপায়ীদের নিকোটিন এই স্তরটিকে সবচেয়ে দ্রুত ধ্বংস করে।
বাঁচার উপায় কী?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এন্ডোথেলিয়াল ডিসফাংশন প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে জীবনযাত্রা পরিবর্তনের মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিয়মিত ব্যায়াম, ধূমপান বর্জন এবং রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে রক্তনালির এই আস্তরণকে সুস্থ রাখা যায়।
/আশিক
তীব্র দাবদাহে সুস্থ থাকার মহৌষধ: কী খাবেন আর কী এড়িয়ে চলবেন?
তীব্র তাপদাহে সারা দেশের জনজীবন এখন বিপর্যস্ত। এই অসহনীয় গরমে সুস্থ থাকাটাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এবং দ্য টাইমস ম্যাগাজিনের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তীব্র গরমে সুস্থ ও নিরাপদ থাকার কিছু কার্যকর উপায় নিচে দেওয়া হলো।
তীব্র রোদে ঘর ঠান্ডা রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। দিনের বেলা রোদের তাপ বেশি থাকলে জানালা বন্ধ রেখে ভারি পর্দা ব্যবহার করুন। তবে সন্ধ্যার পর বাইরের বাতাস যখন কিছুটা ঠান্ডা হয়, তখন সব জানালা খুলে দিয়ে ঘরে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করুন। ঘরে অপ্রয়োজনীয় লাইট বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র বন্ধ রাখলে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকে।
অনেকেই মনে করেন ফ্যান সব সময় আরাম দেয়, কিন্তু তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে গেলে ফ্যান সরাসরি ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রিতে সেট করে সাথে একটি ফ্যান চালালে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় এবং বিদ্যুৎ বিলও কম আসে।
গরমে আরাম পেতে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির কাপড় পরার বিকল্প নেই। নিয়মিত ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন এবং বাইরে থেকে ফিরে ঘাম শুকিয়ে শরীর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। মাঝেমধ্যে চোখে-মুখে পানির ঝাপটা বা স্প্রে ব্যবহার করলে প্রশান্তি পাওয়া যায়।
তৃষ্ণা না পেলেও দিনে অন্তত ২-৩ লিটার পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। আপনার প্রস্রাবের রং যদি গাঢ় হয়, তবে বুঝতে হবে শরীর পানিশূন্যতায় ভুগছে। ডাবের পানি বা বাড়িতে তৈরি লেবুর শরবত এ সময় শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
এই গরমে ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত প্যাকেটজাত খাবার (যেমন চিপস) পুরোপুরি এড়িয়ে চলা উচিত। ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় যেমন চা-কফি বা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় শরীরকে দ্রুত পানিশূন্য করে ফেলে। এছাড়া উচ্চ ফ্যাটযুক্ত দুধ বা চিজ হজমে সমস্যা তৈরি করে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।
অতিরিক্ত গরমে যদি মাথা ঘোরা, বমিভাব, প্রচণ্ড ক্লান্তি বা বিভ্রান্তি দেখা দেয়, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনি রোগীদের এই সময়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
/আশিক
তরুণদের মাঝে বাড়ছে কোলন ক্যানসার: নিয়ন্ত্রণে রাখার ৫টি কার্যকরী উপায়
এক সময় কোলন ক্যানসারকে কেবল বয়স্কদের রোগ মনে করা হলেও বর্তমানে এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বড় আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে এই ক্যানসারের প্রকোপ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। গবেষণায় দেখা গেছে, নব্বইয়ের দশকে জন্ম নেওয়া প্রজন্মের মধ্যে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি পঞ্চাশের দশকের প্রজন্মের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন না আনলে ২০৪০ সাল নাগাদ এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বছরে ৩২ লাখে পৌঁছাতে পারে। তবে কিছু নির্দিষ্ট অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে এই মরণব্যাধি থেকে দূরে থাকা সম্ভব।
চিকিৎসকদের মতে, কোলন ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ হলো অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। মদ্যপান ও ধূমপান এই ক্যানসারের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তামাকের ব্যবহার বিশ্বব্যাপী ক্যানসারজনিত মৃত্যুর ২৫ শতাংশের জন্য দায়ী।
এছাড়া অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা শরীরে প্রদাহ তৈরি করে যা ক্যানসার কোষ গঠনে সাহায্য করে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করা অত্যন্ত জরুরি। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হালকা ব্যায়াম বা নিয়মিত হাঁটাচলার অভ্যাস এই ঝুঁকি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি কোলন ক্যানসারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত লাল মাংস (গরু, খাসি) এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার (সসেজ, হটডগ) খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। উচ্চ তাপে ভাজা বা গ্রিল করা মাংসও শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
এর বিপরীতে প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি, ফলমূল এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে কোলন সুস্থ থাকে। সচেতনতা এবং সময়োপযোগী খাদ্যাভ্যাসই পারে তরুণ প্রজন্মকে এই প্রাণঘাতী রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে।
/আশিক
হাম রুখতে দেশজুড়ে কাল থেকে ‘মেগা’ টিকাদান কর্মসূচি
হামের মহামারি রুখতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। আগামীকাল সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি। দেশের বর্তমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে ৫ এপ্রিল থেকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলা এবং ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকার চার সিটি করপোরেশনে জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ২২ হাজার ছাড়িয়েছে এবং এই রোগে আক্রান্ত বা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর। এই সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কঠোর মনোভাব ব্যক্ত করে বলেছেন, বিগত দুই সরকারের আমলে শিশুদের হামের টিকা না দেওয়া ছিল একটি ‘জীবনবিনাশী ব্যর্থতা’ এবং এটি একটি ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে টিকা কর্মসূচি গ্রহণ করায় পরিস্থিতির বড় ধরনের অবনতি রোধ করা সম্ভব হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অভিভাবকদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, যেসব শিশুর বর্তমানে জ্বর রয়েছে, তাদের সুস্থ হওয়ার পর টিকা দিতে হবে। এছাড়া হামের প্রথম ডোজ নেওয়ার পর ৪ সপ্তাহ পার না হলে শিশুকে এই বিশেষ টিকা দেওয়া যাবে না। সারাদেশে একযোগে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে হামের সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর এবার নেতানিয়াহু: নারায়ণগঞ্জের খামারে দর্শনার্থীদের ভিড়
- শত্রুর কল্পনাকেও হার মানাবে আমাদের গোপন শক্তি: ইরানি সেনা মুখপাত্র
- মৃত ঘোষণা, কবর খোঁড়ার পর নড়েচড়ে উঠলেন যুবক
- সবার অনার্স-মাস্টার্স করার প্রয়োজন নেই, চাই কারিগরি দক্ষতা: মাহদী আমিন
- ১০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে শিশু স্বর্গ: বিশেষ শিশুদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চুক্তিতে চীনকে জামিনদার চায় ইরান
- ৯৬ বছরের বিশ্বকাপ ইতিহাস: পয়েন্ট টেবিলে সবার সেরা অপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিল
- সরকারি কর্মচারীদের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আসছে নতুন পে স্কেল
- ভারতের কাছে মেরুদণ্ড বিক্রি করেছে এই সরকার: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
- রাত ৮টার মধ্যে ৭ জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার শঙ্কা: আবহাওয়া অফিসের সতর্কতা
- পদ্মা ব্যারেজ আমাদের স্বার্থ, ভারতের সঙ্গে আলোচনার কিছু নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী
- লুটপাটের অর্থনীতি ঠিক করতে লাগবে ২ বছর: তথ্যমন্ত্রী
- একনেকে ৩৬ হাজার কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন
- ১১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ: ওয়াশিংটন-বেইজিং সম্পর্কে নতুন ফাটল
- সচিবালয় থেকে কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারদর চূড়ান্ত করল মন্ত্রণালয়
- নানিয়ারচর জোন (১৭ ই বেংগল) কর্তৃক অসুস্থ রোগীর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তা প্রদান
- ১৩ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১৩ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১৩ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- আলোচনায় ফেরার জন্য মার্কিনীদের সামনে ইরানের ৫ শর্ত: তেহরানের অনড় অবস্থান
- পশুর হাটে এবার প্রেসিডেন্ট হাজির! ট্রাম্প দেখতে মানুষের ঢল
- পাউলো দিবালার করুণ বিদায়: জাতীয় দল ও ক্লাব দুই জায়গাতেই ব্রাত্য বিশ্বকাপজয়ী তারকা
- দুপুরের মধ্যে আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস: ১ নম্বর সতর্ক সংকেত
- হামের দুর্যোগে ৪০০ প্রাণ: দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
- পুতিনের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র: সারমাত ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা
- আগে দাড়ি-টুপিকেও সন্দেহের চোখে দেখা হতো: তথ্যমন্ত্রী
- চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিপুল পরিমাণ পোলিও টিকা অনুদান
- অনলাইনেই মিলছে ঈদের শতভাগ টিকিট: আজ ২৩ মে’র টিকিট বিক্রির শুরু
- ইরানের ভেতরে সৌদির গোপন হামলা: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মোড়
- ধৈর্য হারাচ্ছেন ট্রাম্প: ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার ছক কষছে পেন্টাগন
- স্বর্ণালঙ্কার কিনতে কত খরচ পড়বে? বুধবারের সর্বশেষ সোনার দরপত্র
- কেনাকাটায় বের হওয়ার আগে জেনে নিন: আজ রাজধানীর কোন মার্কেটগুলো বন্ধ
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- লঘুচাপের প্রভাবে সক্রিয় বর্ষা: কাল থেকে ৩ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
- সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- ইতিহাসের পাতায় নাহিদ রানা: ১৬ বছর পর দেশের মাটিতে পেসারের ফাইফার
- কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
- রূপপুরে ঐতিহাসিক মাইলফলক: বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রথম ইউনিট
- শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- বিদায়বেলায় ফয়ছল চৌধুরী: স্কটিশ পার্লামেন্টে এক বাঙালির ইতিহাস গড়ার গল্প
- দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ও মরণফাঁদ গর্ত: বুড়িচংয়ের উদাহরণবাগ সড়কে চরম ভোগান্তি
- কুমিল্লা তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
- কাল ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
- সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া
- পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
- মিরপুরে ইতিহাস: দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ!
- ১২ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- জুমার ৫ আমল বদলে দিতে পারে পুরো সপ্তাহ
- মৃত্যুর ৭ বছর পর সামনে এল এপস্টেইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট
- পাঁচদিনের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া অফিস








