অসুস্থ রিজভীকে দেখতে হাসপাতালে তারেক রহমান

নির্বাচনের ঠিক আগের রাতে অসুস্থ দলীয় সহযোদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে দেখতে গিয়েছেন তিনি। বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এই খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার থেকেই জ্বর, ঠান্ডা ও তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন রিজভী।
রিজভীর ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন ধরে তিনি অসুস্থ বোধ করছিলেন। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারেক রহমান হাসপাতালে গিয়ে তাঁর চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং দায়িত্বরত চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেন। নির্বাচনের এই ব্যস্ত সময়েও দলীয় প্রধানের এমন পরিদর্শন কর্মীদের মধ্যে বড় আবেগ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
এবার আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না, জালিয়াতি রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের ভোট কারচুপি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীতে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে জানান, অতীতের মতো এবার আর জালিয়াতি মুখ বুজে সহ্য করা হবে না। আসিফ মাহমুদ বলেন, "এবার আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না। কেউ যদি জাল ভোট দিতে আসে বা সিল মেরে ব্যালট নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে, তবে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।" তিনি শেষ পর্যন্ত মাঠে থেকে মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, ১৪শ শহীদের রক্ত ও হাজারো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজ দেশ এই নির্বাচনের দোরগোড়ায় পৌঁছেছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে তিনি দেশবাসীকে দলে দলে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, "ভোট যাকেই দিন, অবশ্যই কেন্দ্রে আসবেন। নিজের ভোট দেওয়ার পাশাপাশি অন্যের ভোটও যেন নিশ্চিত হয়, সেদিকে নজর রাখুন।" এনসিপি নেতা দাবি করেন, ১১ দলীয় জোট নতুন বাংলাদেশের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে আছে এবং এই জোটের প্রার্থীদের বিজয়ী করার মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে।
গণমাধ্যমের ভূমিকার বিষয়ে আসিফ মাহমুদ অত্যন্ত কড়া বার্তা প্রদান করেন। তিনি বলেন, ৫ আগস্টের আগে অনেক মিডিয়া হাউস পক্ষপাতিত্ব করেছে যাদের তখন ছাড় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবারের নির্বাচনে যদি কোনো মিডিয়া অসততা বা পক্ষপাতের আশ্রয় নেয়, তবে নির্বাচনের পর তাদের আর কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি জানান, কাদের ভূমিকা কেমন তা নোট রাখা হচ্ছে এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সময় তিনি নির্বাচন কমিশন, রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নিরপেক্ষ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সেনাবাহিনীর বলিষ্ঠ ভূমিকাকে তিনি সাধুবাদ জানান।
ভোটের বাধা রুখতে জনতার প্রতিরোধ গড়ার ডাক দিলেন জামায়াত নেতা জুবায়ের
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো পক্ষ যদি ভোটের পরিবেশ নষ্ট বা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তা দাঁতভাঙা জবাবের মাধ্যমে মোকাবিলা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশনে (ইসি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। জুবায়ের অভিযোগ করেন যে, একটি সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে বারবার বিভিন্ন দিক থেকে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা জনমনে উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে।
বৈঠক শেষে দেওয়া বক্তব্যে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিশেষ করে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আটকের ঘটনাটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের ঠিক আগের দিন একজন শীর্ষ স্থানীয় নেতাকে এভাবে বিপুল নগদ টাকাসহ আটকের নাটক সাজানো অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি অবিলম্বে বেলাল উদ্দিন প্রধানকে তাঁর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার দাবি জানান এবং এই ঘটনার সাথে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। জুবায়েরের দাবি অনুযায়ী, জব্দকৃত অর্থ কোনোভাবেই নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য ছিল না, বরং তা ছিল সম্পূর্ণভাবে বেলাল উদ্দিনের ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক লেনদেনের অংশ।
একই সময়ে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোনো তথ্য যেন ‘অপতথ্য’ হিসেবে প্রচারিত না হয় সেদিকে সতর্ক নজর রাখতে হবে। তিনি বলেন, সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারের মাধ্যমেই কেবল একটি উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব। জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, প্রশাসন বা কোনো গোষ্ঠী যদি নির্দিষ্ট কোনো দলের দিকে ঝুঁকে পড়ে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করার চেষ্টা করে, তবে জনগণ তা মেনে নেবে না। জামায়াতে ইসলামী যেকোনো মূল্যে ভোটারদের কেন্দ্রে যাওয়া এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে রাজপথে সক্রিয় থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শীর্ষ আলেম-উলামাদের সমর্থনে আবেগাপ্লুত তারেক রহমান, জানালেন গভীর কৃতজ্ঞতা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে দেশের শীর্ষস্থানীয় পীর, মাশায়েখ এবং আলেম-উলামাদের পক্ষ থেকে বিএনপির প্রতি অভাবনীয় সমর্থনের জোয়ার আসায় গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদে দেশের নানা ঘরানার ইসলামী নেতৃবৃন্দের সমর্থনের খবর পাওয়ার পর তিনি এই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানান। তারেক রহমান মনে করেন, এই দুঃসময়ে আলেম সমাজের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান কেবল বিএনপিকে শক্তিশালী করবে না, বরং দেশের সাধারণ মানুষকেও সঠিক পথের দিকনির্দেশনা দেবে।
বুধবার সন্ধ্যায় বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারেক রহমান বলেন, জাতির একটি ঐতিহাসিক ও ক্রান্তিলগ্নে দেশের শীর্ষ আলেম ওলামারা যে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন, তা জনগণকে তাদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সাহসী করে তুলবে। তিনি বিশ্বাস করেন, দীর্ঘ সময় ধরে ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল হিসেবে বিএনপির বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে, আলেম সমাজের এই স্পষ্ট বক্তব্য সেই মিথ্যার দেয়াল ভেঙে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একইসঙ্গে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের মানুষ তাদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় অধিকার প্রতিষ্ঠায় করণীয় সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারম্যান আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি দেশের সম্মানিত আলেম ওলামাদের এই অকুতোভয় সমর্থনকে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে দেখছেন। তিনি ভবিষ্যতেও ইসলামী মূল্যবোধের আলোয় দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় পীর, মাশায়েখ, ইমাম ও খতিবদের অব্যাহত সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করেন। তারেক রহমান দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে, আলেম সমাজের এই আশীষ ও জনসমর্থন আগামীর একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে এবং ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিজয় সুনিশ্চিত করবে।
বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবের প্রতি বিশেষ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই সমর্থন ব্যক্ত করেন। জাবেরের এই অবস্থান রাজনৈতিক মহলে এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের তাঁর পোস্টে হাবিবুর রশিদ হাবিবের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনি এবং এনসিপির প্রার্থী নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লিখেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে এঁদের জয়ের সম্ভাবনা কতটুকু তা তিনি জানেন না এবং দল হিসেবেও তাঁদের অবস্থান ভিন্ন। তবে একটি বিশেষ কারণে তিনি এঁদের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট ও স্বতঃস্ফূর্ত। জাবেরের ভাষ্যমতে, এই প্রার্থীরা হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে অত্যন্ত সাহসী ও জোরালো ভূমিকা রেখেছেন। তাঁরা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ক্ষমতায় গেলে হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করবেন। মূলত ইনসাফ কায়েমের এই দৃঢ় অঙ্গীকারই জাবেরকে তাঁদের প্রতি সমর্থন জানাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
পোস্টে আবদুল্লাহ আল জাবের একটি নিরপেক্ষ ও সচেতন অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, "আমরা তাঁদের জন্য সরাসরি ভোট চাইছি না। আপনি অবশ্যই আপনার দৃষ্টিতে যাকে সবথেকে সৎ এবং যোগ্য মনে হবে তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।" তবে তিনি এটিও স্পষ্ট করে দেন যে, যারা বা যে প্রার্থীরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকবেন এবং ইনসাফের লড়াইয়ে অকুতোভয় ভূমিকা পালন করবেন, তাঁদের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চ এবং তাঁর ব্যক্তিগত সীমাহীন ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন সবসময় থাকবে। তিনি মনে করেন, যুগ যুগ ধরে আজাদীর সন্তানরা এই জমিনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফ কায়েমের জন্য এভাবেই লড়াই চালিয়ে যাবে। জাবেরের এই বার্তাটি মূলত রাজনৈতিক আনুগত্যের চেয়েও বড় করে ইনসাফ ও ন্যায়ের আদর্শকে তুলে ধরেছে।
ইসলামী পোশাকের অপব্যবহার রুখুন: মাহদী আমিন
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বোরকা বা নেকাবের মতো ইসলামী পোশাক ব্যবহার করে জাল ভোট দেওয়ার অপচেষ্টা রুখে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বুধবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল পরিমাণ বোরকা ও নেকাব তৈরির তথ্য তাদের কাছে এসেছে, যা নির্বাচনে অসাধু উদ্দেশ্যে ব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করছে। মাহদী আমিন স্পষ্ট করে বলেন যে, বিএনপি ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী দল হিসেবে নারীর পর্দা ও আব্রুর প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধাশীল, তবে এই পবিত্র পোশাককে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে কেউ যদি পরিচয় গোপন করে কারচুপি করতে চায়, তবে তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করতে হবে।
পরিচয় নিশ্চিত করার পদ্ধতি সম্পর্কে পরামর্শ দিতে গিয়ে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, সন্দেহজনক ভোটারের ক্ষেত্রে এনআইডি বা হজের সময় ছবি তোলার মতো করে মুখমণ্ডলের প্রয়োজনীয় অংশ অনাবৃত করে পরিচয় যাচাই করতে হবে। তবে ধর্মীয় সংবেদনশীলতা বজায় রাখতে তিনি নারী প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বা নারী এজেন্টের উপস্থিতিতে এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সমাজে নারীদের অধিকার ও ধর্মীয় মর্যাদা রক্ষা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এবং একইসাথে স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতেও সচেষ্ট।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াত আমির আটকের ঘটনাটি উল্লেখ করে বলেন, এটিকে কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তিনি সকল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক দলকে সহিংসতা এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ ও স্বতঃস্ফূর্ত নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। দেশব্যাপী বিএনপির প্রতি যে জোয়ার তৈরি হয়েছে, তাতে শামিল হয়ে আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারি সকালে দ্রুত ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য তিনি দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, কারচুপি রুখে দিতে পারলে এই নির্বাচনে জনগণের আকাঙ্ক্ষার জয় হবে এবং গণতন্ত্র রক্ষার শক্তি হিসেবে বিএনপি এক অবিস্মরণীয় বিজয় ছিনিয়ে আনবে।
৫০ নয়, জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিনের ব্যাগে ছিল ৭৪ লাখ টাকা
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাসহ আটক ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানের ব্যাগ তল্লাশি করে মোট ৭৪ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টাকা গণনার কাজ শেষ করার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই সঠিক অঙ্কটি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে উদ্ধারকৃত টাকার পরিমাণ ৫০ লাখ হতে পারে, কিন্তু পরবর্তীতে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে গণনা শেষে দেখা যায় সেখানে মোট ৭৪ লাখ টাকা ছিল। বেলাল উদ্দিন প্রধান পেশায় ঠাকুরগাঁওয়ের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহযোগী অধ্যাপক এবং তিনি ওই জেলার পূর্ব হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নির্বাচনের মাত্র একদিন আগে এত বড় অঙ্কের টাকা উদ্ধারের ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বেলাল উদ্দিন ঢাকা থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার সময় তাঁর গতিবিধি ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে। একপর্যায়ে তাঁর সাথে থাকা ব্যাগটি তল্লাশি করা হলে সেখানে স্তূপ করা নগদ টাকা পাওয়া যায়। বিমানবন্দরের ম্যানেজার জাকারিয়া গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ব্যাগ তল্লাশির সময় বেলাল উদ্দিন নিজেই সেখানে ৭৪ লাখ টাকা থাকার কথা স্বীকার করেছিলেন। নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযানটি চালানো হয়েছে এবং সবার সামনেই ব্যাগটি খুলে টাকাগুলো জব্দ করা হয়েছে। আটকের পর জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে কড়া পুলিশি পাহারায় চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে আটক অবস্থায় জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিন প্রধান দাবি করেছেন যে, উদ্ধারকৃত ৭৪ লাখ টাকা নির্বাচনের কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য নয়, বরং এটি তাঁর ব্যবসার টাকা। তিনি অভিযোগ করেন যে, জামায়াত নেতাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে এবং রাজনৈতিক অপপ্রচার চালাতেই একটি বিশেষ চক্র এই ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, তাঁর ব্যক্তিত্ব ও পারিবারিক ঐতিহ্য সম্পর্কে ঠাকুরগাঁওয়ে খোঁজ নিলেই সব সত্য পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে নগদ টাকা পরিবহনের বৈধতা ও উৎস নিয়ে পুলিশ গভীর তদন্ত শুরু করেছে। সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানিয়েছেন, জব্দকৃত টাকা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে এবং পুরো বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ছোট ভুলেই বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
ভোট দেওয়া হয়তো সহজ কাজ বলে মনে হতে পারে ব্যালটে একটি সিল দিলেই দায়িত্ব শেষ। কিন্তু বাস্তবে প্রক্রিয়াটি এতটা সরল নয়। সামান্য অসাবধানতা বা নিয়ম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ভোটটি গণনার সময় বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে কিছু মৌলিক নিয়ম জানা জরুরি।
১. নির্ধারিত স্থানে সিল দেওয়ার গুরুত্ব
ব্যালট পেপারের এক পাশে থাকে প্রার্থীর নাম এবং অন্য পাশে তার নির্বাচনী প্রতীক। সিল অবশ্যই নির্ধারিত প্রতীকের ঘরের ভেতরে দিতে হবে। যদি সিলের ছাপ নির্ধারিত সীমার বাইরে চলে যায় বা অস্পষ্ট হয়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। ফলে ব্যালটটি অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
২. ব্যালট ভাঁজ করার সঠিক পদ্ধতি
সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার ভাঁজ করার ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। প্রথমে লম্বালম্বি এবং পরে ওপরের দিকে ভাঁজ করা উত্তম। ভুলভাবে ভাঁজ করলে সিলের কালি অন্য প্রতীকের ওপর লেগে যেতে পারে। একাধিক প্রতীকের ওপর দাগ দেখা গেলে ব্যালট বাতিল বলে গণ্য হতে পারে।
৩. একাধিক প্রতীকে সিল দেওয়া যাবে না
ভোটার যদি বিভ্রান্তি বা আবেগের বশবর্তী হয়ে একাধিক প্রার্থীর প্রতীকে সিল দেন, তাহলে সেই ভোট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়। গোপন কক্ষে যাওয়ার আগে কাকে ভোট দেবেন তা চূড়ান্তভাবে ঠিক করে নেওয়াই উত্তম।
৪. কলম বা পেনসিলের ব্যবহার নিষিদ্ধ
ব্যালট পেপারে কোনো ধরনের অতিরিক্ত চিহ্ন, টিক বা স্বাক্ষর দেওয়া যাবে না। শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত সিল ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনো চিহ্ন বা লেখালেখি থাকলে সেই ব্যালট গ্রহণযোগ্য হবে না।
৫. ব্যালট পেপার ছিঁড়ে গেলে
ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে ব্যালট পেপার ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটিও বাতিল হিসেবে গণ্য হতে পারে। তাই ব্যালট গ্রহণ থেকে জমা দেওয়ার পুরো সময়টিতে সতর্ক থাকতে হবে।
৬. ব্যালটে বার্তা বা স্লোগান লেখা যাবে না
কখনো কখনো কেউ ক্ষোভ, দাবি বা প্রতিবাদের ভাষা ব্যালটে লিখে ফেলেন। কিন্তু এটি করলে ব্যালটটি অবৈধ হয়ে যায়। ব্যালট পেপার শুধুমাত্র ভোট প্রদানের জন্য; ব্যক্তিগত বার্তা দেওয়ার জন্য নয়।
৭. ভোটারের পরিচিতি প্রকাশ পেলে ভোট বাতিল
ব্যালটে যদি এমন কোনো চিহ্ন থাকে যা দিয়ে ভোটারকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে সেটি গোপনীয়তা লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়। সেক্ষেত্রেও ভোট বাতিল হতে পারে।
গণতান্ত্রিক দায়িত্ব পালনে সচেতনতা জরুরি
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোট দেওয়া শুধু অধিকার নয়, এটি একটি দায়িত্বও। সঠিকভাবে ভোট প্রদান নিশ্চিত করলে আপনার মতামত যথাযথভাবে গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে। নির্বাচন কমিশনের বিধি মেনে সচেতনভাবে ভোট দিলে অযাচিতভাবে ভোট বাতিল হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।
ভোটের দিন কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুসরণ করুন, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিন এবং শান্তভাবে আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। একটি সচেতন ভোটই পারে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করতে।
-রফিক
৫০ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জামায়াত আমির আটক
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর এলাকায় বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল হোসেন–কে আটক করেছে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থানা পুলিশ। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা প্রায় ১২টার দিকে তাকে বিমানবন্দর এলাকা থেকে আটক করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী জেলা পুলিশ সুপার। সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল আলম জানান, অভিযানের সময় তার কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত অঙ্ক নির্ধারণে এখনও গণনা প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি দাবি করেছেন, এটি তার ব্যবসায়িক লেনদেনের অর্থ।
আটকের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে বেলাল হোসেন নিজেও অর্থের পরিমাণ ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার মধ্যে হতে পারে বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নগদ অর্থটি তার বৈধ ব্যবসা সংক্রান্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, অর্থের উৎস ও বহনের উদ্দেশ্য যাচাই করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিং নথি, আর্থিক লেনদেনের কাগজপত্র এবং কর সংক্রান্ত তথ্য খতিয়ে দেখা হবে। বিমানবন্দর এলাকায় বড় অঙ্কের নগদ অর্থ বহন সংক্রান্ত নিরাপত্তা ও আইনগত বিধিনিষেধও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, বেলাল হোসেন ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম দবিরুল ইসলাম। তিনি জেলা পর্যায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর সাংগঠনিক দায়িত্বে রয়েছেন।
নির্বাচনকালীন সময়ে নগদ অর্থ পরিবহনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতিরিক্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্দেহজনক নগদ অর্থ পরিবহন হলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তের আওতায় আনা হচ্ছে।
বর্তমানে আটক ব্যক্তিকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তদন্ত অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে জানানো হবে।
-রফিক
বহিষ্কারের পর আবারও চাপে মঞ্জুরুল মুন্সী
কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী–কে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। ভোটারদের উদ্দেশে দেওয়া এক বক্তব্যে হুমকির অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটার মধ্যে লিখিত বক্তব্যসহ কমিটির সামনে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে তাকে।
কমিটির এই নির্দেশ জারি করেন কুমিল্লা-৪ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ তাফরিমা তাবাসুম। গত মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশ প্রদান করা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।
দেবীদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা পড়ার পর বিষয়টি তদন্তের জন্য বিচারিক কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। অভিযোগে দাবি করা হয়, তার বক্তব্য নির্বাচনি আচরণবিধির পরিপন্থী এবং ভোটারদের ওপর প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ঘটনার সূত্রপাত একটি ভিডিও বক্তব্যকে ঘিরে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জেলাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে বিএনপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার রাতে তাকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগ এনে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী।
শুনানির পর নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করে। সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন তিনি। পরবর্তীতে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেও প্রার্থিতা পুনর্বহাল করতে পারেননি। ১ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগ তার আবেদন খারিজ করে দেয়। ফলে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পথ চূড়ান্তভাবে বন্ধ হয়ে যায় তার।
বর্তমানে তিনি বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী জসিম উদ্দিনের (ট্রাক প্রতীক) পক্ষে প্রচারণায় সক্রিয় রয়েছেন। তবে সাম্প্রতিক অভিযোগ ও বিচারিক কমিটির তলব নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
নির্বাচনি আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন নির্বাচনকালীন পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
-রাফসান
পাঠকের মতামত:
- টাকা বহন নিয়ে আগের বক্তব্য অস্বীকার করলেন ইসি সচিব
- ভোটের আগে নগদ টাকা বিলি! হাতেনাতে ধরা পড়ে জেলে জামায়াত নেতা
- এবার আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখবো না, জালিয়াতি রুখে দেব: আসিফ মাহমুদ
- চাঁদাবাজ ধরতে নাসিরুদ্দীনের নতুন সাইট ‘চান্দাবাজ ডট কম’
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- রমজানে ওমরাহ করার ফজিলত: হাদিসের আলোকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- উৎসবের আমেজে ভোট দিন: শান্তি রক্ষায় দেশবাসীর সহযোগিতা চাইলেন সিইসি
- শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ: বাজারের ভেতরের আসল চিত্র কী বলছে?
- ভোটের বাধা রুখতে জনতার প্রতিরোধ গড়ার ডাক দিলেন জামায়াত নেতা জুবায়ের
- ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরপতনের শেয়ার
- শীর্ষ আলেম-উলামাদের সমর্থনে আবেগাপ্লুত তারেক রহমান, জানালেন গভীর কৃতজ্ঞতা
- ডিএসইতে শীর্ষ ১০ দরবৃদ্ধিকারী শেয়ার
- বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট
- ইসলামী পোশাকের অপব্যবহার রুখুন: মাহদী আমিন
- ৫০ নয়, জামায়াত নেতা বেলাল উদ্দিনের ব্যাগে ছিল ৭৪ লাখ টাকা
- প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন? এক নজরে দেখে নিন ভোটকেন্দ্রের বিস্তারিত নিয়মাবলি
- টাকা বৈধ হলে ৫ কোটি বহনেও বাধা নেই: ইসি সচিব
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত ও নফল: পার্থক্য কী?
- ছোট ভুলেই বাতিল হতে পারে আপনার ভোট
- ৫০ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জামায়াত আমির আটক
- শনিবার যেসব এলাকায় খোলা থাকবে ব্যাংক
- বহিষ্কারের পর আবারও চাপে মঞ্জুরুল মুন্সী
- আজকের মুদ্রার বিনিময় হার: ডলার ও ইউরোর দামে নতুন পরিবর্তন
- খুলনায় ৬৭ শতাংশ কেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পুরো জেলা
- গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শায়খ আহমাদুল্লাহ: দিলেন বিশেষ বার্তা
- রাজনৈতিক তর্কের করুণ পরিণতি: ট্রাম্পকে নিয়ে বিবাদে বাবার হাতে মেয়ে খুন
- নাহিদ থেকে সার্জিস-হাসনাত: জানুন এনসিপি নেতারা কে কোথায় ভোট দেবেন
- রক্তাক্ত কানাডা: টাম্বলার রিজ শহরের স্কুলে ভয়াবহ গুলি বর্ষণ
- ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা না কি লাঙল? লালমনিরহাট-২ এ কার ভাগ্য খুলবে
- ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা না কি লাঙল? লালমনিরহাট-২ এ কার ভাগ্য খুলবে
- রংপুর-১ আসনে প্রার্থীদের জমজমাট লড়াই: কার দখলে যাবে আসনটি
- আজ বুধবার: রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট ও শপিং মল বন্ধ
- ব্যালটে ভাগ্য পরীক্ষা বিএনপির ১১ শীর্ষ নেতার: জেনে নিন কার কেন্দ্র কোনটি
- রাত পোহালেই ভোট: নাশকতার আশঙ্কায় ঢাকার প্রবেশপথে কঠোর চেকপোস্ট
- ১৮ মাসের ইউনূস সরকার: সাফল্য বনাম ব্যর্থতার ব্যবচ্ছেদ
- সরকার গঠনের ব্যাপারে আশাবাদী জামায়াত
- জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি
- ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- রাত পেরোলেই ভোট: নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা পুরো দেশ
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের ওয়াক্ত
- নিরাপত্তা থেকে অর্থনীতি: ক্ষমতায় গেলে তারেক রহমানের সামনে কতটা কঠিন পথ?
- দুর্নীতির কাঠামো ভেঙে দিয়েছি: বিদ্যুৎ উপদেষ্টা
- অতীতের সব রেকর্ড ভাঙবে এবারের ভোট? বড় সম্ভাবনার কথা শোনালেন ইসি
- কার কেন্দ্র কোনটি? একনজরে এবি পার্টির ৫ শীর্ষ নেতার ভোটের তথ্য
- টয়লেটের পেস্ট ও টিস্যু খেয়ে বেঁচে ছিল শিশুটি
- বিজয়ীদের হাতে দায়িত্ব বুঝিয়েই বিদায় নেব; পরবর্তী গন্তব্য জানালেন প্রধান উপদেষ্টা
- হাসপাতালে ভর্তি রুহুল কবির রিজভী
- স্বর্ণের দামে বড় ধাক্কা, ভরি মিলবে ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকাতে
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
- আবেগ নয়, অর্থনৈতিক বাস্তবতা: জামায়াতের নারী শ্রমনীতি কেন আত্মঘাতী
- ২০০৮–এর পর প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন: গণতন্ত্রের গুণগত মানের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা
- আইনের রক্ষক পুলিশ কেন ভয়ের প্রতীকে পরিণত হয়?
- স্বর্ণের বাজারে নতুন অস্থিরতা: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন চড়া দাম
- আজ কোন কোন এলাকায় গ্যাস থাকবে না জেনে নিন
- ১০ ফেব্রুয়ারি আজকের শেয়ারবাজারের পূর্ণাঙ্গ বিশ্লেষণ
- পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে কে এগিয়ে? সোচ্চারের জরিপে চমক!
- স্বর্ণের বাজারে বড় দরপতন: আজ থেকে কার্যকর স্বর্ণের নতুন দাম
- নির্বাচনে সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে উদ্বেগ: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
- বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে টাকার নতুন বিনিময় হার
- শীত নিয়ে বদলাচ্ছে পূর্বাভাস, জেনে নিন বিস্তারিত
- কালিগঞ্জে ধানের শীষের জনসমুদ্র: সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীনের হুঙ্কার
- আজ টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থাকবে যেসব এলাকা








