বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবের প্রতি বিশেষ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করেছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত আইডিতে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই সমর্থন ব্যক্ত করেন। জাবেরের এই অবস্থান রাজনৈতিক মহলে এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আবদুল্লাহ আল জাবের তাঁর পোস্টে হাবিবুর রশিদ হাবিবের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনি এবং এনসিপির প্রার্থী নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীর কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লিখেন, ১২ তারিখের নির্বাচনে এঁদের জয়ের সম্ভাবনা কতটুকু তা তিনি জানেন না এবং দল হিসেবেও তাঁদের অবস্থান ভিন্ন। তবে একটি বিশেষ কারণে তিনি এঁদের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট ও স্বতঃস্ফূর্ত। জাবেরের ভাষ্যমতে, এই প্রার্থীরা হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে অত্যন্ত সাহসী ও জোরালো ভূমিকা রেখেছেন। তাঁরা জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ক্ষমতায় গেলে হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করবেন। মূলত ইনসাফ কায়েমের এই দৃঢ় অঙ্গীকারই জাবেরকে তাঁদের প্রতি সমর্থন জানাতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
পোস্টে আবদুল্লাহ আল জাবের একটি নিরপেক্ষ ও সচেতন অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, "আমরা তাঁদের জন্য সরাসরি ভোট চাইছি না। আপনি অবশ্যই আপনার দৃষ্টিতে যাকে সবথেকে সৎ এবং যোগ্য মনে হবে তাকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।" তবে তিনি এটিও স্পষ্ট করে দেন যে, যারা বা যে প্রার্থীরা হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচারের দাবিতে সোচ্চার থাকবেন এবং ইনসাফের লড়াইয়ে অকুতোভয় ভূমিকা পালন করবেন, তাঁদের প্রতি ইনকিলাব মঞ্চ এবং তাঁর ব্যক্তিগত সীমাহীন ভালোবাসা ও স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন সবসময় থাকবে। তিনি মনে করেন, যুগ যুগ ধরে আজাদীর সন্তানরা এই জমিনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফ কায়েমের জন্য এভাবেই লড়াই চালিয়ে যাবে। জাবেরের এই বার্তাটি মূলত রাজনৈতিক আনুগত্যের চেয়েও বড় করে ইনসাফ ও ন্যায়ের আদর্শকে তুলে ধরেছে।
সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে বিএসএফ-এর গুলিতে নিহত কলেজ ছাত্র মোরসালিনের কবর জিয়ারত শেষে সীমান্ত হত্যা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে এক আবেগঘন ও কড়া বক্তব্যে তিনি সরকারের সীমান্ত নীতি এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের কার্যকারিতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শেখ হাসিনার নাগরিকত্ব ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, “শেখ হাসিনা বাংলাদেশি নাকি ইন্ডিয়ান? যদি বাংলাদেশি হন, তবে তাকে দ্রুত দেশে ফেরত আনা হোক।” পশ্চিমবঙ্গের সরকারের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সূত্র ধরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অনুপ্রবেশ নিয়ে যে দ্বিচারিতা চলছে, তার স্পষ্ট জবাব জনগণের কাছে থাকা প্রয়োজন।
সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে এক অভিনব পরিকল্পনার কথা জানান এই এনসিপি নেতা। তিনি বলেন, “আমরা সরকার গঠন করলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খন্দকের যুদ্ধের মতো বড় বড় খাল খনন করবো।” তার মতে, এর ফলে মাদক পাচার স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে এবং বাংলাদেশের যুবসমাজ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে। একইসাথে দেশে ইয়াবা, ফেনসিডিল ও গাঁজার অবাধ প্রবেশের জন্য স্বরাষ্ট্র বিভাগের কড়া সমালোচনা করেন তিনি।
সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে এবং সরকার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্তের দিকে ‘লংমার্চ’ করার হুঁশিয়ারি দেন নাসীরুদ্দীন। কসবা আসার পথে তাকে বিভিন্ন স্থানে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি বাংলাদেশের নাগরিক, আমি কোথায় যাব তা অন্য কেউ ঠিক করে দিতে পারে না।”
/আশিক
কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
সীমান্তে বিএসএফ-এর হাতে হত্যাকাণ্ড এবং ভারতের নতুন করে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, "কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়।"
ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্স আয়োজিত ‘শাপলা গণহত্যা; বিচারহীনতার এক যুগ’ শীর্ষক সভায় নাহিদ ইসলাম বলেন, একপাশে বাংলাদেশের মানুষকে হত্যা করা হবে আর অন্যপাশে বন্ধুত্বের দোহাই দেওয়া হবে—এটি গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন ভারতের জনগণই এই কাঁটাতারের বিভেদ উপড়ে ফেলে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করবে।
সীমান্ত রক্ষার বিষয়ে সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্ত রক্ষা করা বর্তমান সরকারের দায়িত্ব। সরকার যদি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের জনগণই নিজ হাতে সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব তুলে নেবে। একই সাথে ভারতের কাছ থেকে অভিন্ন নদ-নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের ওপরও বিশেষ জোর দেন তিনি। তিনি সরকারকে এই জাতীয় ইস্যুগুলোতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
আলোচনা সভায় ‘শাপলা গণহত্যা’ প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, এক যুগ আগে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনার সঠিক বিচার না হওয়ায় দেশে পরবর্তী সময়েও বিচারহীনতার সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সময়ে অংশগ্রহণকারীদের ‘সন্ত্রাসী বা জঙ্গি’ হিসেবে তকমা দিয়ে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এখন সময় এসেছে সেসব ঘটনার সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার এবং জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার।
/আশিক
অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
পুলিশের দুর্নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (১১ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে নামমাত্র সরকারি বরাদ্দ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দুর্নীতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুন বা ডাকাতির মতো গুরুতর মামলার তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে বরাদ্দ দেওয়া হয় মাত্র ৬ হাজার টাকা। আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো, হাজার হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলার তদন্তে সরকারি বরাদ্দ মাত্র ৩ হাজার টাকা! একজন তদন্ত কর্মকর্তা কেন নিজের পকেট থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন—এই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই চরম আর্থিক টানাপোড়েনই পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করার সংস্কৃতির জন্ম দেয়।
পুলিশ সদস্যদের অমানবিক কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, দিনে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করলেও তাদের কোনো ওভারটাইম বা সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা নেই। সংসদে এই নিয়ে কথা বলার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেও তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি। সদস্যদের জন্য মানসম্মত খাবার ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা তাদের অধিকার বলে মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য।
জনগণের আস্থা ফেরাতে পুলিশকে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের আইনবহির্ভূত নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার সাহস অর্জনের আহ্বান জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। বেআইনি আদেশ না মানায় কোনো সদস্য যেন হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ওপরও জোর দেন তিনি। পরিশেষে তিনি প্রশ্ন রাখেন—সরকার স্বাধীনতা দিতে চাইলেও পুলিশ বাহিনী কি মানসিকভাবে তা নিতে প্রস্তুত?
/আশিক
আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ রোববার (১০ মে) রাতেই একটি ফ্লাইটে তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
আসিফ মাহমুদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরে অনুষ্ঠিতব্য ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরাম ২০২৬’-এ তিনি বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন।
সফরকালে আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশ নেবেন। সম্মেলনের মূল আয়োজনের পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এ সময় প্রবাসীদের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসী সমাজের ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এ ছাড়া এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের দক্ষিণ কোরিয়া চ্যাপ্টারের উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক সভা, প্রতিনিধি বৈঠক ও বিশেষ কমিউনিটি কার্যক্রমেও তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া সফর ও গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ১৯ মে রাতে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
/আশিক
ধর্মীয় বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভারত সরকারকে জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা
ভারতে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, বর্ণ বা গোত্রকে টার্গেট করে যেন কারও ক্ষতি করা না হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৯ মে) আট দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনের বিরোধী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গসহ পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় নিরীহ মানবগোষ্ঠীর ওপর জুলুম করা হলে আমরা তার বিপক্ষে থাকবো। আমরা সব সময় মজলুমের পক্ষেই আছি এবং থাকবো।” ভারত প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, কোনো বিশেষ সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে যেন কোনো অশুভ তৎপরতা না চালানো হয়, সেই বার্তা ভারত সরকারকে দেওয়া হবে।
জাপান সফর সম্পর্কে জামায়াতের আমির জানান, এই সফরে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগর অবকাঠামো নির্মাণ এবং ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জাপানি অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
/আশিক
ধর্মীয় আবেগ ও লাশের রাজনীতি দিয়ে ফায়দা লুটছে এনসিপি: রাশেদ খান
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভণ্ডামি এবং শহীদদের স্মৃতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। শনিবার (৯ মে) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এনসিপি এবং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। রাশেদ খানের দাবি, এনসিপি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওসমান হাদির আদর্শকে ধারণ না করে বরং তাকে রাজনৈতিক 'ট্রাম্প কার্ড' হিসেবে ব্যবহার করছে।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, ওসমান হাদি জীবিত থাকাকালীন এনসিপির তীব্র সমালোচক ছিলেন। হাদির বরাতে তিনি তিনটি প্রধান অভিযোগ তুলে ধরেন: এনসিপি কর্তৃক জুলাই বিপ্লবকে কুক্ষিগত করা, নেতাদের অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি এবং ছাত্র আন্দোলনের ঐক্য বিনষ্ট করা। বিএনপির এই নেতার দাবি, জীবিত অবস্থায় যাকে এনসিপি নেতারা এড়িয়ে চলতেন, আজ তাকেই নির্বাচনের আগে 'আধ্যাত্মিক নেতা' হিসেবে উপস্থাপন করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এছাড়া নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক প্রচারণার কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, পিআর টিম ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মসজিদে গিয়ে জনসমাগম দেখিয়ে জননন্দিত হওয়ার কৃত্রিম চেষ্টা করছেন এনসিপি নেতা, যা সাধারণ মুসল্লিদের বিরক্তির কারণ হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শহীদদের নিয়ে এমন অতিমাত্রার রাজনীতি জুলাইয়ের চেতনাকে ম্লান করে দিচ্ছে।
/আশিক
‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’
বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম মূলত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।
টক শোতে রাশেদ খান বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম কোটা সংস্কার আন্দোলনের সফলতা চাইলেও সেটি যেন পূর্ণমাত্রার গণঅভ্যুত্থানে রূপ না নেয়, সেই অবস্থানেই ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে তাদের মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়ার ঘটনাই সেই অবস্থানের বড় প্রমাণ।
তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল, সেটি মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে থাকা দুর্বলতা আড়াল করার রাজনৈতিক কৌশল ছিল। রাশেদ খানের ভাষায়, আন্দোলনের ভেতরে যে প্রশ্ন ও বিতর্ক ছিল, পরবর্তীতে কঠোর অবস্থান নিয়ে তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে আসিফ মাহমুদের লেখা বইতেও বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই বইয়ে বলা হয়েছে যে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তাদের গাড়ি থেকে নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও বলেন, যদি তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এসে অবস্থান না নিতেন, তাহলে তাদের ‘জাতীয় বেইমান’ আখ্যা দেওয়া হতো। তবে তিনি এটিও স্বীকার করেন যে, আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ অনেক আলোচনা প্রকাশ্যে আনা রাজনৈতিকভাবে সবসময় সমীচীন নয়।
এনসিপির ভেতরেও হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন ছিল বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। যদিও বর্তমানে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কৌশলগত কারণে সেসব আলোচনা প্রকাশ্যে খুব একটা আসে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
-রফিক
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই স্মৃতি হলে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও সেখানে কয়েক লাখ মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখার বিষয়টি উদ্বেগজনক। নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সেখানে মুসলিম, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতনের খবর আসছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশকেই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দেশবিরোধী শক্তির উসকানি ও সাম্প্রদায়িক প্রোপাগান্ডা বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলের ভেতরে সব ধরনের দ্বন্দ পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে এখনকার প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।
/আশিক
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন—বিসিবির সাবেক সভাপতির এই ছবি এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। দেশের ক্রিকেটের এক সময়কার প্রতাপশালী নিয়ন্ত্রক নাজমুল হাসান পাপনের এমন 'ভবঘুরে' এবং সাধারণ রূপ দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের পোস্ট করা এই ছবিটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, লন্ডনের এক ব্যস্ত রাস্তার ধারে অত্যন্ত সাধারণ ভঙ্গিতে বসে আইসক্রিম উপভোগ করছেন পাপন। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের বাইরে থাকলেও তাকে নিয়ে আমজনতার কৌতূহল যে বিন্দুমাত্র কমেনি, এই ছবির নিচে জমা হওয়া হাজার হাজার কমেন্টই তার প্রমাণ। কেউ ক্ষমতার এই চরম পালাবদল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউবা হয়েছেন নস্টালজিক। আবার সমালোচকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন তার দাপুটে সময়ের কথা।
প্রবাস জীবনে পাপনের এমন সাধারণ দৃশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে লন্ডনের সুপারশপে কেনাকাটা করা বা নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটার ছবিও সামনে এসেছিল। তবে রাস্তার ধারে বসে আইসক্রিম খাওয়ার এই দৃশ্যটি যেন সময়ের ব্যবধান এবং জীবনের অনিশ্চয়তাকে আরও প্রকটভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে আজ সুদূর প্রবাসে এক নিভৃত জীবন—পাপনের এই ছবিটি যেন সেই পরিবর্তনেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- লঘুচাপের প্রভাবে সক্রিয় বর্ষা: কাল থেকে ৩ বিভাগে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা
- সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে লংমার্চের হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- ইতিহাসের পাতায় নাহিদ রানা: ১৬ বছর পর দেশের মাটিতে পেসারের ফাইফার
- কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে কোনো দেশের সঙ্গে প্রকৃত বন্ধুত্ব গড়া সম্ভব নয়: নাহিদ ইসলাম
- রূপপুরে ঐতিহাসিক মাইলফলক: বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপে প্রথম ইউনিট
- শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা: বিশ্ববাজারে তেলের দামে রেকর্ড উল্লম্ফন
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
- বিদায়বেলায় ফয়ছল চৌধুরী: স্কটিশ পার্লামেন্টে এক বাঙালির ইতিহাস গড়ার গল্প
- দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস ও মরণফাঁদ গর্ত: বুড়িচংয়ের উদাহরণবাগ সড়কে চরম ভোগান্তি
- কুমিল্লা তিতাসে হত্যা মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
- কাল ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- কূটনীতি না কি সামরিক হামলা? ইরানের অনড় অবস্থানে দোটানায় ট্রাম্প প্রশাসন
- সীমান্তে পুশইন ঠেকাতে সতর্ক বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- ধনীরা আরও ধনী, গরিবরা সংকটে: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের বলি হচ্ছে এশিয়া
- পুতিনের প্রস্তাব না কি পাল্টা আঘাত? ইরানের পারমাণবিক হুঁশিয়ারিতে নতুন মোড়
- মিরপুরে ইতিহাস: দেশের মাটিতে প্রথমবারের মতো পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ!
- ১২ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১২ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১২ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- অল্প বয়সেই মাথায় টাক পড়ার ভয়? ডায়েটে রাখুন এই ৫ সুপারফুড
- চাঁদে এবার চীনের রোবট সেনা: যুক্তরাষ্ট্রকে টেক্কা দিতে হিউম্যানয়েড প্রযুক্তির চমক
- ১৩ রানের আক্ষেপ ও হাতছাড়া বিশ্বরেকর্ড: শান্তর বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ
- মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বিজয়ের মাস্টারস্ট্রোক: তামিলনাড়ু জুড়ে ৭১৭ মদের দোকান বন্ধ
- ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ফাটল ধরাচ্ছে পাকিস্তান: নেতানিয়াহু
- পুঁথিগত বিদ্যা নয়, নজর দিন উদ্ভাবনে: ঢাবিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- করোনার চেয়েও ভয়ংকর? রহস্যময় ‘ইনফ্লুয়েঞ্জা ডি’ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চরম সতর্কতা
- লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা: প্রাণ হারালেন সাতক্ষীরার দুই বাংলাদেশি
- যুদ্ধবিরতি এখন লাইফ সাপোর্টে: ট্রাম্প
- জেনে নিন আজকের আবহাওয়ার হালচাল
- রাজধানীর যেসব রুটে আজ বাড়তি জ্যাম হতে পারে
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- মঙ্গলবার ঢাকার কোন কোন এলাকায় মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- চালু হচ্ছে ই-লোন সেবা, ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ
- নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছে বিশ্ব: স্বর্ণ-রূপার রেকর্ড দামে কাঁপছে বাজার
- সাজিদা হত্যা ও পিতার মৃত্যু: ওসির অপসারণ দাবিতে উত্তাল কালিগঞ্জ
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!
- ধুঁকতে থাকা কারখানা বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে ভয় দেখানো যাবে না: শুভেন্দুকে কড়া জবাব ঢাকার
- নির্মিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু: সেতু মন্ত্রী
- আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা: ঘরোয়া লিগের দাপট ও নতুন মুখের চমক
- ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য
- বিশ্বের ২০% জ্বালানি এখন ইরানের কবজায়? হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘যুদ্ধ’ শুরু
- অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- হামে মৃত্যুর মিছিলে শিশুদের সংখ্যাই বেশি! স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
- কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- আমাদের আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব: ইরানের প্রেসিডেন্ট
- ৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








