'জামায়াত আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে': রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ সেপ্টেম্বর ২৩ ২০:৩১:৪২
'জামায়াত আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে': রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নে লিপ্ত রয়েছে বলে তীব্র মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আওয়ামী লীগের মতো একই কায়দায় ফ্যাসিবাদের চর্চা করে জামায়াতে ইসলামী নিজেদের একটি নতুন ফ্যাসিস্ট দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন বস্তুনিষ্ঠ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এসব তীক্ষ্ণ মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষণ টেনে রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী মূলত ব্রিটিশ আমল থেকেই দ্বিচারিতা বা মুনাফেকির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে দলটি নিজেদের তথাকথিত মজলুম অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসে এখন নতুন জালিমে পরিণত হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভবিষ্যতে কোনো সুযোগে দলটি ক্ষমতায় আসার সুযোগ পেলে তা আওয়ামী লীগের শাসনের চেয়েও ভয়াবহ ও বড় ধরনের ফ্যাসিবাদের জন্ম দেবে।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ব্রিফিংকালে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক (ডিসি) নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আব্দুল মজিদ এবং জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানসহ প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


জামায়াতের ক্ষমতার লোভে ভেঙে গেছে ইসলামি দলগুলোর ঐক্য: চরমোনাই পীর

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৭ ২০:৩৭:৪৯
জামায়াতের ক্ষমতার লোভে ভেঙে গেছে ইসলামি দলগুলোর ঐক্য: চরমোনাই পীর
ছবি : সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতার লোভের কারণেই ইসলামি দলগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী ঐক্য গড়ে তোলার সম্ভাবনা বিনষ্ট হয়ে গেছে বলে গুরুতর অভিযোগ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর)। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে আয়োজিত ‘সীরাত গবেষক সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পীর সাহেব চরমোনাই তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের নীতি ও আদর্শ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই সমস্ত ইসলামি দলগুলোকে, বিশেষ করে কওমি ঘরানার রাজনৈতিক দলগুলোকে একই পতাকাতলে আনার একটি আন্তরিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক ঐক্য প্রক্রিয়ায় জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কয়েকটি দল প্রথমদিকে যুক্ত ছিল।

তবে জামায়াতে ইসলামীর পরবর্তী ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে—এমনটি অনুধাবন করা মাত্রই জামায়াত দেশের স্বার্থ, সাধারণ জনগণের স্বার্থ এবং ইসলামের বৃহত্তর কল্যাণ বিসর্জন দিয়ে ইসলামি দলগুলোর সম্ভাবনাময় ঐক্যের সুন্দর পরিবেশকে বিনষ্ট করেছে।

ইসলামী আন্দোলনের আমীর আরও জোর দিয়ে বলেন, কেবল ইসলামের মূল নীতি ও আদর্শ রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে প্রতিষ্ঠা করা গেলেই দেশে কাঙ্ক্ষিত শান্তি, সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব। কিন্তু দুঃখজনকভাবে গত ৫৫ বছর ধরে যে পুরোনো নীতি ও ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে দেশ পরিচালিত হয়ে আসছে, সেই একই ধারায় দেশে নতুন করে শান্তি ফিরিয়ে আনার আশা করা একেবারেই যুক্তিহীন ও অমূলক।

/আশিক


ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তির দেশে ফেরার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৭ ২০:১৪:৩৯
ডিসেম্বরে কোনো অপশক্তির দেশে ফেরার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
ছবি : সংগৃহীত

কোনো ডিসেম্বরেই কোনো ‘অপশক্তির’ দেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আগামী ডিসেম্বর মাসে অনেকেই দেশে আসার চেষ্টা করতে পারেন, তবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ছাত্র-জনতা এবারও তাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। অতীতে উদারতা দেখিয়ে ক্ষমা করা হলেও গত দুই বছরেও ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড কিংবা জুলাইয়ের শহীদদের হত্যার কোনো বিচার পাওয়া যায়নি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিচার না পেলে সাধারণ মানুষ নিজেই প্রতিরোধ গড়ে তুলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিসেম্বর মাস হচ্ছে বিজয়ের পাশাপাশি প্রতিরোধের মাস। ১৯৭১ ও ২০২৪ সালের মতো ২০২৬ সালের ডিসেম্বরেও দেশের ছাত্র-জনতা বিজয় অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও তরুণদের উদ্দেশে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবন কেবল ব্যক্তিগত ক্যারিয়ার গড়ার সময় নয়, বরং দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনেরও গুরুত্বপূর্ণ সময়। বিগত দিনে ক্যাম্পাসগুলোতে র‍্যাগিং, গেস্টরুম ও গণরুম সংস্কৃতির নামে শিক্ষার্থীদের ওপর যে নিপীড়ন চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কেবল ফুল ও উপহার দিয়ে মন জয় করা ছাত্রসংগঠনের কাজ নয়, বরং শিক্ষার্থীদের আবাসন, পরিবহন ও শ্রেণিকক্ষ সংকট সমাধানে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করাই প্রকৃত ছাত্ররাজনীতির দায়িত্ব।

অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের ওপর জোর দিয়ে তিনি মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গঠন, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। জাতীয় ছাত্রশক্তির নোবিপ্রবি শাখার আয়োজিত এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

/আশিক


বিএনপি হলো একটি ‘ফেইলড আওয়ামী লীগ’: হাসনাত আব্দুল্লাহ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৭ ১৯:৩১:০৪
বিএনপি হলো একটি ‘ফেইলড আওয়ামী লীগ’: হাসনাত আব্দুল্লাহ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, দেশের বিভিন্ন আন্দোলন ও বিপ্লবের সুফল বিএনপি সবসময় ভোগ করলেও পরবর্তীতে দলটি আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করতে চায়। গত শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, যেকোনো দলের ব্যানার বা জার্সিই পরা হোক না কেন, ব্যক্তির মধ্যে যদি ‘হাসিনাপনা’ বা আওয়ামী লীগের চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে, তবে তিনি মূলত সেই মানসিকতাই ধারণ করবেন। তার মতে, রাজনৈতিক ব্যর্থতার পেছনে মূলত আওয়ামী লীগ হওয়ার এই প্রবণতাই কাজ করে। তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, বিএনপি হলো মূলত একটি ‘ব্যর্থ আওয়ামী লীগ’, আর আওয়ামী লীগ হলো একটি ‘সফল আওয়ামী লীগ’। অতীতে বিভিন্ন সময় নির্বাচন ব্যবস্থা কলুষিত করাসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রকল্প বিএনপিও বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছে, তবে তারা সফল হতে পারেনি।

রাজনীতিতে বারবার রক্তপাতের সংস্কৃতির তীব্র সমালোচনা করে এনসিপির এই নেতা বলেন, জাতির সামগ্রিক প্রয়োজনে একটি দেশ এত কম সময়ের মধ্যে বারবার রক্তপাত সহ্য করতে পারে না। ৯০-এর প্রজন্ম থেকে শুরু করে বর্তমান প্রজন্ম পর্যন্ত সবাইকে বারবার রক্ত দিতে হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, এভাবে প্রজন্মের পর প্রজন্ম পরিচয় সংকট ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে কত বছর চলবে? একটি জাতি হিসেবে বারবার এই ঐতিহাসিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পরিণতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

/আশিক


নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ লোকও জড়ো হবে না: রাশেদ খাঁন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ২০:৪৫:৩৭
নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ লোকও জড়ো হবে না: রাশেদ খাঁন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্ব ও দলটির বর্তমান রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে বলেন, নাহিদ ইসলাম আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানালেও গার্মেন্টস কর্মীরা তাতে সাড়া না দিয়ে কাজে ফিরে গেছেন। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে নাহিদ ইসলামের ডাকে একশ লোকও জড়ো হবে না এবং তিনি হয়তো এরই মধ্যে তার প্রমাণও পেয়েছেন।

গণঅভ্যুত্থানের পর এনসিপি কেন একটি ‘নামসর্বস্ব দলে’ পরিণত হলো, সে বিষয়ে নাহিদ ইসলামের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে নিজেদের ভূমিকাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়ে তারা অতি-আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিলেন। তার মতে, নাহিদ ইসলাম যত বেশি অহংকার করবেন, তত বেশি বুঝতে পারবেন যে ওই অভ্যুত্থানে এককভাবে কেবল তারাই সবকিছু করেননি।

দলের অভ্যন্তরীণ সংকটের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী উল্লেখ করেন, সামান্তা শারমিনের মতো নেত্রীদের ধরে রাখার যোগ্যতাও দলটির নেতৃত্বের নেই; ফলে সাধারণ মানুষ কেন তাদের ডাকে মাঠে নামবে?

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দীর্ঘ এক বিবৃতি দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেন সামান্তা শারমিন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট, দলের আদর্শচ্যুতি, সংগঠনে গণতন্ত্রের অভাব এবং নারীর রাজনৈতিক অধিকার উপেক্ষিত হওয়ার অভিযোগ এনে তিনি দল ছাড়ার ঘোষণা দেন।

/আশিক


জামায়াত জোটের বিরোধিতায় দল ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী সামান্ত শারমিন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৫ ১৯:১৬:০৬
জামায়াত জোটের বিরোধিতায় দল ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী সামান্ত শারমিন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী ও যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্ত শারমিন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের এই সিদ্ধান্ত জানান।

ফেসবুক পোস্টে সামান্ত শারমিন উল্লেখ করেন, প্রায় এক বছর আগে এনসিপির জোট গঠনের নীতির সঙ্গে তিনি দ্বিমত পোষণ করেছিলেন। বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামীকে মিত্র হিসেবে গ্রহণ করা নীতিগত বা কৌশলগতভাবে সঠিক নয় বলে মনে করতেন তিনি। দলটির সঙ্গে জোট করলে এনসিপিকে চড়া মূল্য দিতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। বিগত ১১ মাস ধরে দলের ভেতরে থেকে গণতান্ত্রিক উপায়ে ও লিখিত প্রস্তাবের মাধ্যমে এই অবস্থান পরিবর্তনের চেষ্টা চালিয়ে গেলেও তা ব্যর্থ হয়।

সংগঠনকে ভুল পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা হিসেবে এতদিন আদর্শিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলটির প্রতিষ্ঠাকালীন মূল্যবোধের প্রতি আর আন্তরিক থাকা সম্ভব নয় বলেই তিনি এই পথ বেছে নিয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ২৩ অক্টোবর ঘোষিত এনসিপির নতুন কমিটিতে সামান্ত শারমিনকে যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছিল, যা নিয়ে সে সময় রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছিল।

/আশিক


শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে পার্শ্ববর্তী দেশের ইন্ধন রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৯:৩৫:২৩
শ্রমিক আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পেছনে পার্শ্ববর্তী দেশের ইন্ধন রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

শ্রমিকদের আন্দোলনের নামে কিছু ব্যক্তি দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং তাদের পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে ইন্ধন দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এই আন্দোলন প্রকৃত শ্রমিকদের আন্দোলন নয় বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সামনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি জানান, সরকার অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ না করার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। এ সময় শ্রমিকদের দ্রুত কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের যৌক্তিক মজুরি নির্ধারণে ইতিমধ্যে মজুরি বোর্ড কাজ শুরু করেছে। নির্ধারিত সময়ের আগেই বোর্ড এ বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত শ্রমবান্ধব ও শিল্পবান্ধব একজন নেতা। তিনি শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের সার্বিক কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করার স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি পোশাকশিল্পের মালিকদের সঙ্গে সরকারের দীর্ঘ ও অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং শ্রমিকনেতাদের সঙ্গেও এ নিয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে। উভয় পক্ষই একমত হয়ে স্বীকার করেছে যে, চলমান এই ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই সাধারণ শ্রমিকদের আন্দোলন নয়; বরং একটি কুচক্রী মহল নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতেই শ্রমিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।

/আশিক


গাজীপুর ও সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৪ ১৮:৫৪:৫৩
গাজীপুর ও সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না
ছবি : সংগৃহীত

গাজীপুর, মিরপুর, আশুলিয়া ও সাভারে শ্রমিক আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগ তুলে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, প্রকৃত শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার পরও যদি আন্দোলন অব্যাহত থাকে, তবে রাষ্ট্রের সার্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষার স্বার্থে তা কঠোরভাবে থামানোর পূর্ণ দায়িত্ব সরকারের রয়েছে।

বুধবার (৪ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা জানান রাশেদ খাঁন। ওই পোস্টে তিনি জানান, সরকারের পক্ষ থেকে পোশাকশ্রমিকদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে ইতিমধ্যে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ডিসেম্বর মাস থেকেই নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর করা হবে। অর্থাৎ আগামী জানুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই শ্রমিকেরা তাদের বর্ধিত নতুন মজুরি হাতে পাবেন। মালিকপক্ষ ও শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই এই বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

শ্রমিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রকৃত শ্রমিকদের সকল যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার পরও যদি মাঠে আন্দোলন চলতে থাকে, তবে রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় সেই আন্দোলন থামানোর দায়িত্ব সরকারের ওপর বর্তায়। সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশের শিল্পকারখানার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

পোস্টের শেষাংশে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে রাশেদ খাঁন বলেন, প্রকৃত শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়ার পর শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে ফ্যাসিস্ট শক্তির যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও আস্ফালন কঠোরহস্তে মোকাবিলা এবং দমন করতে বিএনপি সরকার সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর।

/আশিক


শিল্পাঞ্চলের অস্থিতিশীলতার জন্য সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী: হান্নান মাসউদ

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৩ ২০:৫৩:০৩
শিল্পাঞ্চলের অস্থিতিশীলতার জন্য সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী: হান্নান মাসউদ
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার জন্য সরকারের অপরিকল্পিত ও অপরিপক্ব সিদ্ধান্ত দায়ী। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন, শিল্প রক্ষা এবং মালিক ও শ্রমিকদের প্রতি সুনির্দিষ্ট আহ্বান নিয়ে জাতীয় শ্রমিক শক্তির আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

হান্নান মাসউদ বলেন, তারা আজকে কারও পক্ষে দাঁড়াননি, বরং দেশের ও সাধারণ মানুষের পক্ষ হয়ে কথা বলছেন। সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার গত নয় মাসে দেশ পরিচালনার কোনো কার্যকর পরিকল্পনা করেনি। বরং ব্যাংক থেকে অর্থ পাচার, লুটপাট, দুর্নীতি ও টেন্ডারবাজির পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে। বিরোধী মত দমন এবং সমালোচকদের কারাগারে পাঠানোর এজেন্ডা নিয়ে সরকার ব্যস্ত ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।

দেশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতি তুলে ধরে এনসিপি নেতা জানান, সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের ফসল। সরকারের আশপাশে এমন কিছু উপদেষ্টা ও সহকারী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাদের ভুলের কারণে দেশ আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। পোশাকশিল্প, সার ও চাল উৎপাদনসহ প্রতিটি খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বারবার গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গেছে, যার ফলে উৎপাদন ও রপ্তানি আদেশ হ্রাসের পাশাপাশি শ্রমিকদের জীবনমানও মারাত্মকভাবে নিচে নেমে গেছে।

শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবির বিষয়ে হান্নান মাসউদ বলেন, ২০২৩ সালে শ্রমিকরা সর্বনিম্ন পঁচিশ হাজার টাকা মজুরির দাবি জানিয়েছিলেন। তখন বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই দাবিকে যৌক্তিক বলে শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। অথচ এখন উনারাই ক্ষমতায় এসে শ্রমিকদের আন্দোলনকে অযৌক্তিক বলছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, ২০২৩ সালের তুলনায় বর্তমানে inflación বা মুদ্রাস্ফীতি কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। গ্যাস সিলিন্ডার, অকটেন, চাল, ডাল, তেল, ডিম, বিদ্যুৎ ও যাতায়াত খরচ বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি বাড়াতে হবে।

শ্রমিকদের আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের উপস্থিতির খোঁজার বিষয়ে সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর নাকের ডগায় কীভাবে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে, তা সরকারকে খুঁজে বের করতে হবে। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার না করে তাদের উপস্থিতি বা ষড়যন্ত্রের দায় সম্পূর্ণভাবে নিরীহ শ্রমিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, সরকার শ্রমিকদের নিরাপত্তা দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও দিতে পারছে না। এই ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।

শিল্পের অর্ডার অন্য দেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা প্রসঙ্গে হান্নান মাসউদ বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস অর্ডার ভিয়েতনাম, ভারত ও মালয়েশিয়ায় চলে যাচ্ছে বলে প্রচার করা হচ্ছে। অথচ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের তুলনায় বাংলাদেশের গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি অনেক কম। মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান ও ভারতের শ্রমিকরা বাংলাদেশের শ্রমিকদের তুলনায় দ্বিগুণ থেকে তিন গুণ পর্যন্ত বেশি বেতন পান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শ্রমিকদের বেতন বাড়ালে শিল্পমালিকদের লোকসান হবে, এই যুক্তি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বরং বন্দরে ঘুষ বাণিজ্য, পরিবহনে চাঁদাবাজি এবং পথে পথে হয়রানি বন্ধ করা গেলে মালিকদের উৎপাদন খরচ বহুগুণ কমে যাবে। এতে শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারও বেশি রাজস্ব বা কর পাবে।

সরকারকে সতর্ক করে এনসিপি নেতা বলেন, এই লুটপাটতন্ত্র ও অনিয়ম বন্ধ না করলে দেশের প্রতিটি খাতের মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিদাওয়াকে উপেক্ষা করলে বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে মেট্রোরেল স্টেশন বন্ধ রাখা, পুলিশের সঙ্গে সংঘাত এবং যুবদল-ছাত্রদলের নেতাদের অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রাস্তায় নামার সুনির্দিষ্ট জবাব সরকারকে দিতে হবে। মজুরি কমিশনে শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকদের ওপর লাঠিচার্জ বা গুলি না চালিয়ে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিতে হবে। শ্রমিক, রিকশাচালক ও খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিলে জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের পাশে দৃঢ়ভাবে থাকবে।

/আশিক


নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ: ক্ষমা চাওয়ার জন্য সময় ১৫ দিন

রাজনীতি ডেস্ক . সত্য নিউজ
২০২৬ নভেম্বর ০৩ ২০:৩৪:৩৮
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ: ক্ষমা চাওয়ার জন্য সময় ১৫ দিন
ছবি : সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে দেওয়া বক্তব্যকে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর দাবি করে এই নোটিশ পাঠানো হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহ-দপ্তর সম্পাদক ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহমুদুর রহমান মিশন ভূঁইয়ার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইয়াছিন আরাফাত বা সম্রাট নোটিশটি পাঠান।

নোটিশে বলা হয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পরবর্তী পনেরো দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে আদালতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি ঢাকার একটি জনসভায় পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে নিয়ে বক্তব্য দেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। সেখানে তিনি বলেছিলেন, এই যে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আছে, এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে এ্যানি চৌধুরীর ফোন কল যায় না এবং বলা হয় যে আমারে টাকা পাঠায়। নোটিশদাতার অভিযোগ, বক্তব্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গত ত্রিশ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশন, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বক্তব্যটি প্রচারিত হয়। এতে লক্ষ্মীপুর-তিন বা সদর আসনের সংসদ সদস্য শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির ব্যক্তিগত মর্যাদা ও সামাজিক সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের বক্তব্য ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৯ ও ৫০০ ধারায় মানহানির অপরাধের পর্যায়ে পড়ে। নির্ধারিত পনেরো দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে সংশ্লিষ্ট আদালতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

/আশিক

পাঠকের মতামত: