এএফপির সঙ্গে সাক্ষাৎকার
নিরাপত্তা থেকে অর্থনীতি: ক্ষমতায় গেলে তারেক রহমানের সামনে কতটা কঠিন পথ?

বাংলাদেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা তারেক রহমান বলেছেন, চলতি সপ্তাহের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হলে তাঁর সামনে ‘অনেক বড়’ ও কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতাচ্যুত আগের সরকারের আমলে ‘লুটপাটে’ ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনের অঙ্গীকার করেছেন।
মঙ্গলবার বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বৃহস্পতিবারের নির্বাচনে বিজয়ী হলে তাঁর প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২০২৪ সালে তরুণদের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনের পতনের পর থেকে দেশে যে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে, তা নিরসনে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন,“আমাদের দেশে একটি স্বাভাবিক পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানুষ নিরাপদ বোধ করে।”তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় ১৭ কোটি মানুষের এই দেশকে স্থিতিশীল পথে ফেরানো মোটেই সহজ হবে না।
ক্ষমতাচ্যুত সরকারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে অবহেলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন,“অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে।”তিনি আরও বলেন,“গত শাসনামলে স্বাস্থ্যব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে, জ্বালানি খাতকেও কার্যত ভেঙে ফেলা হয়েছে।”
নির্বাচনি সমীকরণ ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি এগিয়ে থাকলেও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন একটি জোটের পক্ষ থেকে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে পড়তে হচ্ছে দলটিকে। তা সত্ত্বেও নিজের বিজয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান।
ঢাকায় নিজের কার্যালয়ে বসে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় তাঁর পেছনে সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো ছবি শোভা পাচ্ছিল তাঁর প্রয়াত বাবা-মা—স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার।
তিনি বলেন,“আমরা আশা করছি জনগণের কাছ থেকে একটি বড় ও সুস্পষ্ট ম্যান্ডেট পাব।”বর্তমান দলীয় জোটের বাইরে নতুন কোনো জোট গঠনের প্রয়োজন দেখছেন না উল্লেখ করে তিনি যোগ করেন,“নিজস্ব সরকার গঠনের মতো পর্যাপ্ত আসন আমরা পাব।”
নির্বাসন, উত্তরাধিকার ও নেতৃত্বের দায়
৬০ বছর বয়সী তারেক রহমান শেখ হাসিনার শাসনামলে দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন কাটান। গত ডিসেম্বরে তিনি দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁর মা খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করলে বিএনপির পূর্ণ নেতৃত্ব তাঁর হাতে ন্যস্ত হয়।
নিজের রাজনৈতিক পরিচয় ও উত্তরাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,“তাঁরা ছিলেন তাঁদের মতো, আমি আমার মতো।”তিনি জোর দিয়ে বলেন,“সারা জীবন আমিও রাজনীতি করেছি। আমি তাঁদের চেয়ে আরও ভালো করার চেষ্টা করব।”
অর্থনৈতিক সংকট ও কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ
নির্বাচিত হলে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলাই হবে তাঁর প্রধান কাজগুলোর একটি বলে জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন,“আমাদের সামনে গুরুতর চ্যালেঞ্জ রয়েছে—অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে হবে।”বিপুলসংখ্যক বেকার তরুণের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বিশেষভাবে নারীদের অর্থনৈতিক অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও পররাষ্ট্রনীতি
প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বর্তমানে টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে সতর্ক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান নেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন,“আমার জনগণের স্বার্থ এবং আমার দেশের স্বার্থই সবার আগে।”তবে একই সঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ আশপাশের দেশগুলোর সঙ্গে“অন্তত একটি প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক”গড়ে তুলতে চায়।
বর্তমানে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করে ভারতে অবস্থান করছেন। গত নভেম্বরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অনুপস্থিতিতেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে ভিন্নমত দমন এবং বড় বড় অবকাঠামো প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে তারেক রহমান বলেন,“মেগা প্রকল্পের নামে মেগা দুর্নীতি হয়েছে। মুষ্টিমেয় কিছু মানুষকে অস্বাভাবিকভাবে ধনী করা হয়েছে, কিন্তু বাকি দেশ ও সাধারণ মানুষের জন্য কিছুই রাখা হয়নি।”
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের প্রশ্নে অবস্থান
তবে রাজনৈতিক দলকে আইন করে নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তারেক রহমান। নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রেখেছে।
এ বিষয়ে তারেক রহমান বলেন,“অবশ্যই, কেউ যদি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হওয়া উচিত।”
-ইশরাত/২৬-২২৩
অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
পুলিশের দুর্নীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। সোমবার (১১ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে নামমাত্র সরকারি বরাদ্দ মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের দুর্নীতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
হাসনাত আবদুল্লাহর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুন বা ডাকাতির মতো গুরুতর মামলার তদন্তে একজন কর্মকর্তাকে বরাদ্দ দেওয়া হয় মাত্র ৬ হাজার টাকা। আরও অবাক করার মতো বিষয় হলো, হাজার হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিং মামলার তদন্তে সরকারি বরাদ্দ মাত্র ৩ হাজার টাকা! একজন তদন্ত কর্মকর্তা কেন নিজের পকেট থেকে সরকারি দায়িত্ব পালন করবেন—এই প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, এই চরম আর্থিক টানাপোড়েনই পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করার সংস্কৃতির জন্ম দেয়।
পুলিশ সদস্যদের অমানবিক কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, দিনে ১৫ থেকে ১৬ ঘণ্টা কাজ করলেও তাদের কোনো ওভারটাইম বা সাপ্তাহিক ছুটির ব্যবস্থা নেই। সংসদে এই নিয়ে কথা বলার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করলেও তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি। সদস্যদের জন্য মানসম্মত খাবার ও সম্মানজনক কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা তাদের অধিকার বলে মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য।
জনগণের আস্থা ফেরাতে পুলিশকে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী মহলের আইনবহির্ভূত নির্দেশ প্রত্যাখ্যান করার সাহস অর্জনের আহ্বান জানান হাসনাত আবদুল্লাহ। বেআইনি আদেশ না মানায় কোনো সদস্য যেন হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য প্রয়োজনীয় আইনি সুরক্ষা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পদোন্নতির ওপরও জোর দেন তিনি। পরিশেষে তিনি প্রশ্ন রাখেন—সরকার স্বাধীনতা দিতে চাইলেও পুলিশ বাহিনী কি মানসিকভাবে তা নিতে প্রস্তুত?
/আশিক
আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ কোরিয়া সফরে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। আজ রোববার (১০ মে) রাতেই একটি ফ্লাইটে তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
আসিফ মাহমুদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। সেখানে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার গুয়াংজু শহরে অনুষ্ঠিতব্য ‘ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস সিটিস ফোরাম ২০২৬’-এ তিনি বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নেবেন।
সফরকালে আসিফ মাহমুদ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার, নাগরিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেশনে অংশ নেবেন। সম্মেলনের মূল আয়োজনের পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এ সময় প্রবাসীদের বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসী সমাজের ভূমিকা ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।
এ ছাড়া এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের দক্ষিণ কোরিয়া চ্যাপ্টারের উদ্যোগে আয়োজিত সাংগঠনিক সভা, প্রতিনিধি বৈঠক ও বিশেষ কমিউনিটি কার্যক্রমেও তার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া সফর ও গুরুত্বপূর্ণ এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ১৯ মে রাতে তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
/আশিক
ধর্মীয় বৈষম্য ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ভারত সরকারকে জামায়াত আমিরের কড়া বার্তা
ভারতে কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, বর্ণ বা গোত্রকে টার্গেট করে যেন কারও ক্ষতি করা না হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৯ মে) আট দিনের জাপান সফর শেষে দেশে ফিরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ধর্মীয় বা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে সাধারণ মানুষের ওপর নির্যাতনের বিরোধী।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গসহ পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় নিরীহ মানবগোষ্ঠীর ওপর জুলুম করা হলে আমরা তার বিপক্ষে থাকবো। আমরা সব সময় মজলুমের পক্ষেই আছি এবং থাকবো।” ভারত প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, কোনো বিশেষ সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে যেন কোনো অশুভ তৎপরতা না চালানো হয়, সেই বার্তা ভারত সরকারকে দেওয়া হবে।
জাপান সফর সম্পর্কে জামায়াতের আমির জানান, এই সফরে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা, তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগর অবকাঠামো নির্মাণ এবং ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জাপানি অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
/আশিক
ধর্মীয় আবেগ ও লাশের রাজনীতি দিয়ে ফায়দা লুটছে এনসিপি: রাশেদ খান
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভণ্ডামি এবং শহীদদের স্মৃতিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। শনিবার (৯ মে) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এনসিপি এবং নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের কঠোর সমালোচনা করেন। রাশেদ খানের দাবি, এনসিপি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওসমান হাদির আদর্শকে ধারণ না করে বরং তাকে রাজনৈতিক 'ট্রাম্প কার্ড' হিসেবে ব্যবহার করছে।
রাশেদ খান তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, ওসমান হাদি জীবিত থাকাকালীন এনসিপির তীব্র সমালোচক ছিলেন। হাদির বরাতে তিনি তিনটি প্রধান অভিযোগ তুলে ধরেন: এনসিপি কর্তৃক জুলাই বিপ্লবকে কুক্ষিগত করা, নেতাদের অস্বাভাবিক সম্পদ বৃদ্ধি এবং ছাত্র আন্দোলনের ঐক্য বিনষ্ট করা। বিএনপির এই নেতার দাবি, জীবিত অবস্থায় যাকে এনসিপি নেতারা এড়িয়ে চলতেন, আজ তাকেই নির্বাচনের আগে 'আধ্যাত্মিক নেতা' হিসেবে উপস্থাপন করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এছাড়া নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মসজিদে গিয়ে রাজনৈতিক প্রচারণার কৌশল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খান। তিনি অভিযোগ করেন, পিআর টিম ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মসজিদে গিয়ে জনসমাগম দেখিয়ে জননন্দিত হওয়ার কৃত্রিম চেষ্টা করছেন এনসিপি নেতা, যা সাধারণ মুসল্লিদের বিরক্তির কারণ হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, শহীদদের নিয়ে এমন অতিমাত্রার রাজনীতি জুলাইয়ের চেতনাকে ম্লান করে দিচ্ছে।
/আশিক
‘আওয়ামী লীগ টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন হাসনাত-সারজিস’
বিএনপি নেতা রাশেদ খান দাবি করেছেন, জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম মূলত আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে।
টক শোতে রাশেদ খান বলেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম কোটা সংস্কার আন্দোলনের সফলতা চাইলেও সেটি যেন পূর্ণমাত্রার গণঅভ্যুত্থানে রূপ না নেয়, সেই অবস্থানেই ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ জুলাই আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়ে তাদের মন্ত্রীদের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেওয়ার ঘটনাই সেই অবস্থানের বড় প্রমাণ।
তিনি আরও দাবি করেন, পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে যে আন্দোলন গড়ে তোলা হয়েছিল, সেটি মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে থাকা দুর্বলতা আড়াল করার রাজনৈতিক কৌশল ছিল। রাশেদ খানের ভাষায়, আন্দোলনের ভেতরে যে প্রশ্ন ও বিতর্ক ছিল, পরবর্তীতে কঠোর অবস্থান নিয়ে তা চাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত আব্দুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে আসিফ মাহমুদের লেখা বইতেও বিভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই বইয়ে বলা হয়েছে যে, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলম সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। সে সময় আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে তাদের গাড়ি থেকে নেমে আসার আহ্বান জানানো হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও বলেন, যদি তারা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এসে অবস্থান না নিতেন, তাহলে তাদের ‘জাতীয় বেইমান’ আখ্যা দেওয়া হতো। তবে তিনি এটিও স্বীকার করেন যে, আন্দোলনের অভ্যন্তরীণ অনেক আলোচনা প্রকাশ্যে আনা রাজনৈতিকভাবে সবসময় সমীচীন নয়।
এনসিপির ভেতরেও হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমকে ঘিরে নানা ধরনের আলোচনা ও গুঞ্জন ছিল বলে দাবি করেন বিএনপির এই নেতা। যদিও বর্তমানে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও কৌশলগত কারণে সেসব আলোচনা প্রকাশ্যে খুব একটা আসে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
-রফিক
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পর বাংলাদেশের দায়িত্ব বেড়েছে: নাহিদ ইসলাম
পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী ফলাফল ও পরবর্তী পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই স্মৃতি হলে আয়োজিত এক যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় হলেও সেখানে কয়েক লাখ মুসলমান ও মতুয়া সম্প্রদায়ের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া এবং তাদের ভোটদান থেকে বিরত রাখার বিষয়টি উদ্বেগজনক। নির্বাচনে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর সেখানে মুসলিম, দলিত ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে নির্যাতনের খবর আসছে, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়তে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘুদের জন্য বাংলাদেশকেই সবচেয়ে নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি দেশবিরোধী শক্তির উসকানি ও সাম্প্রদায়িক প্রোপাগান্ডা বিষয়ে দেশবাসীকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামে এনসিপিতে নতুন যোগদানকারীদের স্বাগত জানিয়ে দলের ভেতরে সব ধরনের দ্বন্দ পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবার নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই হবে এখনকার প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।
/আশিক
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন! ভাইরাল ছবিতে নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
লন্ডনের রাস্তায় বসে আইসক্রিম খাচ্ছেন পাপন—বিসিবির সাবেক সভাপতির এই ছবি এখন নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। দেশের ক্রিকেটের এক সময়কার প্রতাপশালী নিয়ন্ত্রক নাজমুল হাসান পাপনের এমন 'ভবঘুরে' এবং সাধারণ রূপ দেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে আলোচনার ঝড়। বুধবার (৬ মে) সাংবাদিক অলিউল্লাহ নোমানের পোস্ট করা এই ছবিটি মুহূর্তেই নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, লন্ডনের এক ব্যস্ত রাস্তার ধারে অত্যন্ত সাধারণ ভঙ্গিতে বসে আইসক্রিম উপভোগ করছেন পাপন। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের ক্রিকেট প্রশাসনের বাইরে থাকলেও তাকে নিয়ে আমজনতার কৌতূহল যে বিন্দুমাত্র কমেনি, এই ছবির নিচে জমা হওয়া হাজার হাজার কমেন্টই তার প্রমাণ। কেউ ক্ষমতার এই চরম পালাবদল দেখে বিস্ময় প্রকাশ করছেন, কেউবা হয়েছেন নস্টালজিক। আবার সমালোচকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন তার দাপুটে সময়ের কথা।
প্রবাস জীবনে পাপনের এমন সাধারণ দৃশ্য এবারই প্রথম নয়। এর আগে লন্ডনের সুপারশপে কেনাকাটা করা বা নিরিবিলি রাস্তায় হাঁটার ছবিও সামনে এসেছিল। তবে রাস্তার ধারে বসে আইসক্রিম খাওয়ার এই দৃশ্যটি যেন সময়ের ব্যবধান এবং জীবনের অনিশ্চয়তাকে আরও প্রকটভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু থেকে আজ সুদূর প্রবাসে এক নিভৃত জীবন—পাপনের এই ছবিটি যেন সেই পরিবর্তনেরই এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
/আশিক
অন্তর্বর্তী সরকারের চেয়ে অপরাধ বেড়েছে: হাসনাত আবদুল্লাহ
দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। তাঁর মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালের তুলনায় বর্তমানে অপরাধের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর বক্তব্যে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সৌহার্দ্যকে আন্তর্জাতিক মহলে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে, যা যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ যে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি, তা বিশ্ববাসীর কাছে জোরালোভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।
জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে এই এনসিপি নেতা দাবি করেন, পর্যাপ্ত পূর্বপ্রস্তুতির অভাবেই মূলত দেশে ডিজেল ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। সরকার নতুনভাবে গঠিত হওয়ার পর প্রস্তুতির এই ঘাটতিকে কাজে লাগিয়ে একটি অসাধু সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই সংকটের পেছনে প্রস্তুতির অভাব এবং সিন্ডিকেটের কারসাজিই মূল কারণ বলে তিনি মনে করেন।
সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, প্রতিটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানকে প্রকৃত অর্থে জনগণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে। সেবাগ্রহীতা এবং সেবাদাতার মাঝখানে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি জনগণের সেবায় নিয়োজিত থাকবে—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা।
দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় স্থানীয় সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেন কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম মোস্তফা। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাইদুল রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
/আশিক
শাপলা চত্বর অভিযান ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায: জামায়াত আমির
রাজধানীর শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে সংঘটিত ঘটনার প্রকৃত সত্য উন্মোচনে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (৫ মে) দলটির প্রচার বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।
বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ওই দিনের ঘটনাটি দেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক ও কলঙ্কজনক অধ্যায়। ঘটনার দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার সম্পন্ন না হওয়াকে তিনি অত্যন্ত দুঃখজনক বলে অভিহিত করেন। তিনি মনে করেন, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং এই ঘটনার পেছনে দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য একটি গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি।
বিগত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের সেই অভিযানকে ধর্মপ্রাণ মানুষের ওপর পরিচালিত এক নৃশংসতা হিসেবে বর্ণনা করে জামায়াতের আমির বলেন, সেই রাতের ঘটনা জাতির বিবেককে স্তম্ভিত করেছিল। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, ন্যায়বিচার ও মানবতার পরিপন্থি এমন কর্মকাণ্ড একটি সভ্য রাষ্ট্রে কখনোই কাম্য নয় বলে তিনি তার বিবৃতিতে জোর দিয়ে জানান। তিনি আরও বলেন, বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বছরের পর বছর ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি করছে।
বিবৃতিতে দেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং নিজস্ব মত প্রকাশের অধিকার স্বীকৃত। কিন্তু সেই অধিকারকে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে দমন করা গণতান্ত্রিক রীতির সম্পূর্ণ বিরোধী। ভবিষ্যতের যেকোনো সময়ে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এবং সত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
বিবৃতির শেষ দিকে তিনি দেশের শান্তি, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। জাতীয় সংসদ থেকে পাঠানো এই বিবৃতিতে তিনি দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এই তদন্তের গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আকাশচুম্বী দামে থমকে আছে স্বর্ণ: সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে অলঙ্কার
- মঙ্গলবার ঢাকার কোন কোন এলাকায় মার্কেট বন্ধ? বের হওয়ার আগে দেখে নিন
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- চালু হচ্ছে ই-লোন সেবা, ব্যাংকে না গিয়েই মিলবে ঋণ
- নিরাপদ বিনিয়োগে ঝুঁকছে বিশ্ব: স্বর্ণ-রূপার রেকর্ড দামে কাঁপছে বাজার
- সাজিদা হত্যা ও পিতার মৃত্যু: ওসির অপসারণ দাবিতে উত্তাল কালিগঞ্জ
- নানিয়ারচর জোন কর্তৃক বন্দুকভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
- হেক্সা জয়ের লক্ষ্যে ব্রাজিলের ৫৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা
- ট্রাম্পের এক পোস্টেই তেলের বাজারে আগুন!
- ধুঁকতে থাকা কারখানা বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
- কাঁটাতার দিয়ে বাংলাদেশকে ভয় দেখানো যাবে না: শুভেন্দুকে কড়া জবাব ঢাকার
- নির্মিত হতে যাচ্ছে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু: সেতু মন্ত্রী
- আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ দল ঘোষণা: ঘরোয়া লিগের দাপট ও নতুন মুখের চমক
- ইসরায়েলের গোপন নীলনকশা ফাঁস: মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে শেখ হামাদের বিস্ফোরক তথ্য
- বিশ্বের ২০% জ্বালানি এখন ইরানের কবজায়? হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘যুদ্ধ’ শুরু
- অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- হামে মৃত্যুর মিছিলে শিশুদের সংখ্যাই বেশি! স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
- কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ
- গুণগত মান বজায় রেখে দেশে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চালু করার প্রক্রিয়া চলছে: শিক্ষামন্ত্রী
- অপরাধ দমনে জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুসরণ করবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?
- আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান
- গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি মেগা বৈঠক: আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইস্যু
- ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে নতুন পে স্কেল, বাজেটে থাকছে বিশেষ বরাদ্দ
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল
- আজ সোমবার: ঢাকার যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
- উপকূলীয় ৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা
- বাজুসের নতুন ঘোষণা: সোমবারও রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
- আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী: একনজরে সোমবারের প্রধান কর্মসূচিগুলো
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব
- পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী
- বিশ্বজুড়ে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
- বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে লঘুচাপ: প্রভাব পড়বে সারা দেশের আবহাওয়ায়
- আইসিসি-তে জোট বাঁধছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান: ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর
- মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান
- হামে আরও ১১ শিশুর মৃ'ত্যু: ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে প্রাদুর্ভাব
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- শিকড় ভুলে যাওয়ার দিন নয় আজ: অস্তিত্বের টানে ফিরে আসুক ভালোবাসা
- ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা
- জনগণের একটি টাকাও স্পর্শ করব না: থালাপতি বিজয়
- যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে: শেখ হাসিনার নির্দেশনার প্রমাণ পেল ট্রাইব্যুনাল
- আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র
- পুলিশিং কার্যক্রম গতিশীল করতে একগুচ্ছ নতুন সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা
- ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- ১০ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- আজ শনিবারের নামাজের সময়সূচি: জোহর থেকে এশার পূর্ণাঙ্গ তালিকা
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
- আমাদের আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব: ইরানের প্রেসিডেন্ট
- ৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার








