বিশ্বের ২০% জ্বালানি এখন ইরানের কবজায়? হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘যুদ্ধ’ শুরু

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উত্তাপ এবার আছড়ে পড়ল বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে। সোমবার (১১ মে) শিপিং জার্নাল ‘লয়েডস লিস্ট’ জানিয়েছে, জ্বালানি তেলের প্রধান রুট হরমুজ প্রণালির ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ নিতে কঠোর বিধিনিষেধ ও নতুন ‘টোল’ বা ফি আরোপ করেছে ইরান। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের ২০ শতাংশই এই সরু পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় তেহরানের এই সিদ্ধান্তে বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ইরানের নতুন গঠিত ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেট অথরিটি’ (পিজিএসএ) জানিয়েছে, এখন থেকে এই প্রণালি অতিক্রম করতে হলে সব জাহাজকে আগাম অনুমতি নিতে হবে। এজন্য ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ নামে একটি ফর্মে ৪০টিরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে জাহাজের মালিকানা, বিমা, নাবিকদের বিস্তারিত তথ্য এমনকি কার্গোর ধরন ও রুট সম্পর্কেও নিখুঁত তথ্য তেহরানকে জানাতে হবে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও সেনাবাহিনী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, যারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা মেনে চলবে, তারা এই পথ ব্যবহারে চরম সংকটে পড়বে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পতাকাবাহী বা সংশ্লিষ্ট কোনো জাহাজ এই রুট ব্যবহারের অনুমতি পাবে না বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ ও ‘শক্তিশালী ইরান’ গড়তে তারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে।
নতুন এই সংকটের মুখে ভারত ও পাকিস্তান তেহরানের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিজেদের জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন জাহাজগুলোকে এই ‘টোল’ না দেওয়ার জন্য কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। বাহরাইনের সাথে মিলে জাতিসংঘে প্রস্তাব তোলার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন, তবে রাশিয়া তাতে ভেটো দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ঘিরে বিশ্ববাজারকে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
সূত্র: এনডিটিভি।
মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা নতুন করে অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। সোমবার (১১ মে) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবকে ‘অযৌক্তিক’ ও ‘একপেশে’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। পাল্টা জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের শর্তগুলোকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এসমাইল বাকেই সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তারা পাকিস্তানের মাধ্যমে তাদের আনুষ্ঠানিক জবাব ওয়াশিংটনকে পাঠিয়েছেন। ইরানের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—পুরো অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ বন্ধ করা, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার এবং বিভিন্ন বিদেশি ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ অবমুক্ত করা।
বাকেই জোর দিয়ে বলেন, "আমরা কোনো বাড়তি সুবিধা চাইছি না। আমাদের দাবিগুলো সম্পূর্ণ বৈধ—অবরোধ প্রত্যাহার, জলদস্যুতামূলক আচরণ বন্ধ এবং জব্দ করা সম্পদ ফেরত পাওয়া।" এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করাকেও তাদের প্রস্তাবের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজের প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি ইরানের প্রস্তাবকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে লিখেছেন, "আমি ইরানের তথাকথিত প্রতিনিধিদের জবাব পড়েছি। এটি আমার পছন্দ হয়নি। এই প্রস্তাব পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য!" যদিও ট্রাম্পের প্রস্তাবে কী ছিল বা ইরানের কোন শর্তে তিনি ক্ষুব্ধ, তার বিস্তারিত কোনো পক্ষই এখনো প্রকাশ করেনি।
রোমের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির বিশ্লেষক আন্দ্রেয়া দেসি এই পরিস্থিতিকে ‘মোটেও ইতিবাচক নয়’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, দুই পক্ষই নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় এই অচলাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। যার চরম মূল্য দিতে হচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থনীতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সাধারণ মানুষকে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েন বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
বিশ্বজুড়ে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের সরকারি ক্যালেন্ডার ‘উম আল কুরা’ অনুযায়ী, আগামী ২৭ মে দেশটিতে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হতে পারে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও পাকিস্তানের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও বৈজ্ঞানিক হিসাব-নিকাশ শেষে ২৭ মে ঈদ হওয়ার জোরালো সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
সৌদি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, জিলকদ মাস ৩০ দিন পূর্ণ করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সে হিসেবে হজ বা আরাফাতের দিন পড়বে ২৬ মে এবং পরের দিন ২৭ মে উদযাপিত হবে ঈদুল আজহা। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের মুসলিম জীবনবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ‘হাইফেন অনলাইন’ জানিয়েছে, সেখানে নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২৭ অথবা ২৮ মে ঈদ শুরু হতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর ঈদ পালিত হয়। সেই রীতি অনুযায়ী, আগামী ২৮ মে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা হওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। তবে জিলকদ মাস যদি ২৯ দিনে শেষ হয়, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশেও ২৭ মে ঈদ হতে পারে।
অবশ্য চূড়ান্ত তারিখ নির্ভর করছে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার ওপর। ইসলামী বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী জিলহজ মাসের ১০ তারিখে এই উৎসব পালিত হয়। বাংলাদেশের জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি যথাসময়ে চাঁদ পর্যালোচনার মাধ্যমে পবিত্র ঈদুল আজহার সঠিক তারিখ ঘোষণা করবে।
/আশিক
খামেনি-পেজেশকিয়ান আড়াই ঘণ্টার রুদ্ধদ্বার বৈঠক: বড় কোনো সিদ্ধান্তের পথে ইরান?
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মোজতবা আলি খামেনির সঙ্গে রাজধানী তেহরানে এক দীর্ঘ ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। আড়াই ঘণ্টাব্যাপী স্থায়ী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) বিস্তারিত কিছু না জানালেও, এটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
আইআরআইবি-র প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, দুই শীর্ষ নেতার এই আলোচনায় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি এড়ানো এবং কূটনৈতিক সমাধানের বিষয়টি প্রধান্য পেয়েছে। এছাড়া কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (IRGC) ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈঠক শেষে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান তার অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত করতে গিয়ে সর্বোচ্চ নেতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আলোচনায় সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি তাকে মুগ্ধ করেছে তা হলো সর্বোচ্চ নেতার বিনয়ী, আন্তরিক ও সহমর্মিতাপূর্ণ আচরণ। পেজেশকিয়ানের মতে, খামেনির দৃষ্টিভঙ্গি ও কথোপকথনের ধরন পুরো বৈঠকের পরিবেশকে বিশ্বাস, শান্তি ও সরাসরি সংলাপভিত্তিক পরিবেশে রূপ দিয়েছে।
প্রেসিডেন্টের এই ইতিবাচক মন্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে ইরানের উত্তেজনা প্রশমনে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বোচ্চ নেতার এই ‘সবুজ সংকেত’ ইরানের আগামী দিনের বৈদেশিক নীতি ও সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে।
/আশিক
আমাদের আত্মসমর্পণ করানো অসম্ভব: ইরানের প্রেসিডেন্ট
যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক হুমকির মুখে চরম অনড় অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। বুধবার (৬ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইরান কখনোই কোনো শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করবে না। শিয়া ধর্মাবলম্বীদের বলপ্রয়োগে বাধ্য করা অসম্ভব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ করবে আর অন্যদিকে ইরান তাদের একতরফা দাবি মেনে নেবে—এমন সমীকরণ কোনোদিন সফল হবে না।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সাথে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সামরিক হুমকি সরিয়ে নেওয়ার জোর দাবি জানান। তিনি স্পষ্ট করেন যে, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে ইরান সংলাপের জন্য সর্বদা প্রস্তুত, তবে হুমকি বা ভয়ভীতির ভাষায় কোনো ফল আসবে না। বিশেষ করে পারমাণবিক প্রযুক্তি ত্যাগের মার্কিন দাবি দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করে তিনি একে ইরানের বছরের পর বছর ধরে চলা জাতীয় বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির ফল হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, নিজেদের এই সক্ষমতা থেকে বঞ্চিত করার কোনো প্রশ্নই আসে না।
ফোনালাপে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আল-জাইদি ইরানের শক্তির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে জানান, ইরানের বর্তমান ক্ষমতা কেবল তাদের একার নয়, বরং তা শিয়া অনুসারীসহ সকল মুসলমানের জন্য সহায়ক। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, অতীতে ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী দায়েশ দমনে ইরানের অবদান ছিল নির্ণায়ক। আল-জাইদি মনে করেন, ইরানের কাছ থেকে এই ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া ইরাক কখনোই মেনে নেবে না, কারণ ইরানের শক্তিই ইরাকের শক্তি।
দুই দেশের সম্পর্ককে 'এক অভিন্ন আত্মার দুটি সত্তা' হিসেবে উল্লেখ করে আল-জাইদি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সমন্বয়ের অঙ্গীকার করেন। তিনি আরও বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার মতপার্থক্য কেবল আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা সম্ভব। ওয়াশিংটন যেমন ইরানের ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করতে সক্ষম নয়, তেমনি কোনো সামরিক সংঘাতও এই সমস্যার টেকসই সমাধান হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সূত্র : আল-জাজিরা ও প্রেস টিভি
কেন স্বাভাবিক হচ্ছে না হরমুজ প্রণালি? ফাঁস হলো ইরানের গোপন রণকৌশল
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে চরম উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে ইরানের সংসদের দ্বিতীয় ডেপুটি স্পিকার আলি নিকজাদ এক চাঞ্চল্যকর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আর কখনোই তার আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘস্থায়ী করার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আলি নিকজাদ স্পষ্ট করে বলেন, হরমুজ প্রণালিকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে না দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পক্ষ থেকে আসা একটি আদেশ। মূলত ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া মার্কিন নৌ-অবরোধের পাল্টা জবাব হিসেবে তেহরান এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই সংকটের ফলে এশিয়াসহ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরণের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
সংঘাত নিরসনে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হলেও তা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। দুই দেশের অনড় অবস্থানের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় রণক্ষেত্র ও জলপথের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। পরবর্তী দফার আলোচনার চেষ্টা চললেও হরমুজ প্রণালির এই ‘স্থায়ী পরিবর্তন’-এর ঘোষণা বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরণের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
/আশিক
মার্কিন অর্থনীতি ধসের মুখে? বিনিয়োগকারীদের পালানোর পরামর্শ ইরানের
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ মার্কিন অর্থনীতি ও বিনিয়োগকারীদের জন্য এক চরম হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন। শনিবার এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা বিদেশি বিনিয়োগ ও সম্পদের ওপর তেহরানের প্রভাব এবং বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিনিয়োগকারীদের অর্থ তুলে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তিনি বড় বিনিয়োগকারীদের সুযোগ থাকতেই মার্কিন বাজার থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান।
গালিবাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, অনেক বিনিয়োগকারী ইতিমধ্যেই তাদের সম্পদ বিক্রির ক্ষেত্রে অঘোষিত বা গোপন বাধার মুখে পড়েছেন। তিনি দাবি করেন, কিছু বড় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ক্ষেত্রে মোট সম্পদের এক অঙ্কের শতাংশের বেশি বিক্রি করার ওপর অদৃশ্য নিষেধাজ্ঞা থাকতে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে মার্কিন বন্ড বাজার ও ট্রেজারি বন্ডের আয়ের (Yield Curve) ভারসাম্য বজায় রাখতে গিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
গালিবাফ তাঁর বক্তব্যে নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনের সূত্র ধরে জানান, ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে মিত্র দেশগুলোর অর্থনৈতিক ধস ঠেকাতে ‘কারেন্সি সোয়াপ’ চুক্তির মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ভাবছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করে বলেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ফলে তাদের অর্থনীতি মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নিজেদের রক্ষা করতে একটি ‘আর্থিক নিরাপত্তা জাল’ বা ফিন্যান্সিয়াল সেফটি নেট নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে দেশটি।
উল্লেখ্য যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনিসহ শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের হত্যার পর থেকে এই সংঘাত চরম রূপ নেয়। এর জবাবে ইরান প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। একই সঙ্গে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যা পুরো বিশ্ব অর্থনীতিকে এক গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
/আশিক
পর্দার আড়াল থেকে নির্দেশনা: মোজতবা খামেনির ক্ষমতা নিয়ে বিবিসির চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট
ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ক্ষমতা কাঠামোতে এখন এক রহস্যময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তবে গত মার্চ মাসে দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত তাঁকে কোনো জনসমক্ষে বা ভিডিও বার্তায় দেখা না যাওয়ায় তেহরানের প্রকৃত ক্ষমতা আসলে কার হাতে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নানা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে।
বিবিসি ফার্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোজতবা খামেনি পর্দার আড়াল থেকে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের অধিকারী হিসেবে পরিচিত। যদিও তিনি নিজে সরাসরি সামনে আসছেন না, তবে তাঁর নামেই সব বার্তা প্রচার করা হচ্ছে। বর্তমানে ইরানের ক্ষমতা মূলত তিনটি প্রধান স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে
১. আইআরজিসি-র প্রভাব
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বর্তমানে একটি সমান্তরাল সরকার হিসেবে কাজ করছে। যুদ্ধে অনেক শীর্ষ কর্মকর্তাকে হারালেও আইআরজিসি-র প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ এখনও অটুট।
২. মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ
পার্লামেন্ট স্পিকার গালিবাফ বর্তমানে ইরানের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি। আইআরজিসি-র সাথে তাঁর গভীর সম্পর্কের কারণে তিনি শাসনব্যবস্থায় বড় ভূমিকা রাখছেন।
৩. প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান
যদিও পেজেশকিয়ান নিয়মিত বিবৃতি দিচ্ছেন, তবে বিশ্লেষকদের মতে তাঁর হাতে ক্ষমতা অত্যন্ত সীমিত। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনায় বসার ক্ষেত্রে তাঁর চেয়ে গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বেশি সক্রিয় ভূমিকা রাখছেন।
পর্দার আড়ালে থাকা মোজতবা খামেনির ‘নির্দেশনা’ অনুযায়ী আলোচনাকারীরা কাজ করছেন বলে দাবি করা হলেও, খোদ সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতি ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে এক বড় অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার প্রস্তাব দিলেও ইরানের অনাগ্রহ মূলত আইআরজিসি এবং কট্টরপন্থীদের প্রভাবেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
/আশিক
ট্রাম্পের চাপ উপেক্ষা করে টোল আদায় শুরু: সাগরে ইরানের নয়া আধিপত্য
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথ হরমুজ প্রণালিতে প্রথমবারের মতো ‘টোল’ বা জাহাজ চলাচলের মাশুল আদায় করে বড় ধরনের আয়ের মুখ দেখেছে ইরান। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) দেশটির পার্লামেন্টের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজিবাবাই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “হরমুজ প্রণালিতে আরোপিত টোল থেকে প্রাপ্ত প্রথম পর্যায়ের আয় ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সরকারি হিসাবে জমা হয়েছে।” তবে নিরাপত্তার খাতিরে ঠিক কত পরিমাণ অর্থ আদায় হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি এখন বিশ্ব রাজনীতির উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ইরান এই জলপথে জাহাজ চলাচলে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে এবং মাশুল আদায়ের পরিকল্পনা হাতে নেয়। উল্লেখ্য যে, স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই রুট দিয়েই হয়ে থাকে। গত ৩০ মার্চ ইরানের পার্লামেন্টের নিরাপত্তা কমিশন এই টোল আদায়ের প্রস্তাবটি অনুমোদন করে। ইরানের কর্মকর্তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, যুদ্ধ পরিস্থিতি চলাকালে এই জলপথে নৌচলাচল আর আগের মতো স্বাভাবিক বা বিনামূল্যে হবে না।
ইরানের এই পদক্ষেপ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ট্রাম্প শুরু থেকেই কোনো শর্ত ছাড়াই হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জন্য ইরানের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ ৩০টিরও বেশি দেশের সামরিক নীতিনির্ধারকরা এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পশ্চিমা বিশ্বের এই চাপ ও সামরিক হুমকিকে তোয়াক্কা না করেই ইরান বাণিজ্যিকভাবে টোল আদায় শুরু করে দিয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতি ও তেলের বাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি করতে পারে।
দাবার চাল এবার ইরানের? জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিশালাকার ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন
ইরানের রাজপথ এখন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রদর্শনী আর যুদ্ধংদেহী স্লোগানে উত্তপ্ত। মঙ্গলবার রাতে রাজধানী তেহরানসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে সরকারপন্থী বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করে ইসরায়েল ও আমেরিকাকে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরান।
তেহরানের প্রধান একটি চত্বরে আয়োজিত সমাবেশে বিশালাকার গদর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রকাশ্যে প্রদর্শন করা হয়। সমাবেশের ভিডিওতে দেখা গেছে, আবাসিক এলাকা ও জনসাধারণের চলাচলের পথেই সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে এই বিধ্বংসী অস্ত্র। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ‘ডেথ টু আমেরিকা’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন এবং আইআরজিসি (IRGC)-র অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডার মাজিদ মুসাভির প্রশংসা করে তেল আবিব লক্ষ্য করে সরাসরি হামলার আহ্বান জানান।
তেহরানের অন্য একটি চত্বরে প্রদর্শিত হয় ইরানের অন্যতম শক্তিশালী খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র। শুধু রাজধানীই নয়, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের সাংস্কৃতিক রাজধানী শিরাজ, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তাবরিজ এবং পশ্চিম-কেন্দ্রীয় প্রদেশ জাঞ্জানেও একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে এবং জাতীয় মনোবল চাঙ্গা রাখতে প্রতিদিনই দেশটির বিভিন্ন শহরে এই ধরণের সমাবেশ আয়োজিত হচ্ছে। এসব সমাবেশে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তারা সরাসরি অংশ নিচ্ছেন, যা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
সূত্র : বিবিসি।
পাঠকের মতামত:
- বিশ্বের ২০% জ্বালানি এখন ইরানের কবজায়? হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন ‘যুদ্ধ’ শুরু
- অন্যায় আদেশে ‘না’ বলা শিখতে হবে পুলিশকে: হাসনাত আবদুল্লাহ
- হামে মৃত্যুর মিছিলে শিশুদের সংখ্যাই বেশি! স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য
- মার্কিন প্রস্তাব অযৌক্তিক, ট্রাম্পের জবাব অগ্রহণযোগ্য: ইরান
- কুমিল্লা শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- বাংলাদেশ সীমান্তে বেড়া নির্মাণে বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের নির্দেশ
- গুণগত মান বজায় রেখে দেশে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চালু করার প্রক্রিয়া চলছে: শিক্ষামন্ত্রী
- অপরাধ দমনে জাতিসংঘের মানদণ্ড অনুসরণ করবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- গোপন ফাইল অবমুক্ত করল মার্কিন যুদ্ধ বিভাগ: এলিয়েনরা কি সত্যিই আছে?
- আলোচনা মানে আত্মসমর্পণ নয়, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার লড়াই: পেজেশকিয়ান
- গর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ অসাংবিধানিক: হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ
- বেইজিংয়ে ট্রাম্প-শি মেগা বৈঠক: আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে যেসব ইস্যু
- ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে নতুন পে স্কেল, বাজেটে থাকছে বিশেষ বরাদ্দ
- যুদ্ধবিরতির মাঝেই রণক্ষেত্র লেবানন: হিজবুল্লাহর পাল্টা আক্রমণে বিপর্যস্ত ইসরায়েল
- আজ সোমবার: ঢাকার যেসব এলাকার মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে
- উপকূলীয় ৫ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা
- বাজুসের নতুন ঘোষণা: সোমবারও রেকর্ড দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ
- আজ টানা ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
- রাজধানীতে আজ কোথায় কী: একনজরে সোমবারের প্রধান কর্মসূচিগুলো
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে উত্তাল তেল আবিব
- পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী
- বিশ্বজুড়ে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা
- বঙ্গোপসাগরে তৈরি হচ্ছে লঘুচাপ: প্রভাব পড়বে সারা দেশের আবহাওয়ায়
- আইসিসি-তে জোট বাঁধছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান: ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর
- মধ্যপ্রাচ্যে কি তবে শান্তির সুবাতাস? ওয়াশিংটনে বার্তা পাঠাল ইরান
- হামে আরও ১১ শিশুর মৃ'ত্যু: ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে প্রাদুর্ভাব
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- শিকড় ভুলে যাওয়ার দিন নয় আজ: অস্তিত্বের টানে ফিরে আসুক ভালোবাসা
- ইরানি সামরিক কমান্ডারের সঙ্গে মোজতবা খামেনির বৈঠক: এল নতুন নির্দেশনা
- জনগণের একটি টাকাও স্পর্শ করব না: থালাপতি বিজয়
- যেখানে পাবে সোজা গুলি করবে: শেখ হাসিনার নির্দেশনার প্রমাণ পেল ট্রাইব্যুনাল
- আজ রাতেই দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন এনসিপি মুখপাত্র
- পুলিশিং কার্যক্রম গতিশীল করতে একগুচ্ছ নতুন সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা
- ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
- ১০ মে: আজকের শেয়ারবাজার বিশ্লেষণ
- ১০ মে: শেয়ারবাজারের দরপতনের শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ১০ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- সোনার বাজারে নতুন উল্লম্ফন
- নীরব ঘাতক কিডনি রোগ: যেসব লক্ষণ অবহেলা করলে পস্তাতে হতে পারে
- অর্থনীতিতে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী
- প্রথম সেশনে দাপুটে বোলিংয়ে পাকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের
- পুলিশকে আর ফ্যাসিবাদীদের হাতিয়ার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ইউক্রেন যুদ্ধ শেষের দিকে: বিজয় দিবসের কুচকাওয়াজে পুতিনের বড় ঘোষণা
- কালিয়াকৈরে গরু চুরির অভিযোগে গণপিটুনি: তিনজনের মৃত্যু, পুড়ল পিকআপ
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের মূল দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- ৮ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস: নদীবন্দরে সতর্কতা জারি
- স্বর্ণের দামে লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি: আবারও ভরিতে বাড়ল বড় অঙ্কের টাকা
- জেনে নিন রাজধানীর আজকের উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির সূচি
- কেন বাড়ছে সোনার দাম? রেকর্ড উচ্চতায় দাঁড়িয়ে দেশের জুয়েলারি বাজার
- কালিগঞ্জে বসতবাড়ির যাতায়াত পথ বন্ধ: এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চরম ভোগান্তিতে পরিবার
- বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ইতিহাস: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দুর নাম চূড়ান্ত
- ৬ জেলায় ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: ৮০ কিমি বেগে আঘাত হানতে পারে ঝড়
- তামিলনাড়ুতে ‘থালাপতি’ যুগের সূচনা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন বিজয়
- কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে কার্পেটিং সড়ক নির্মাণকাজের উদ্বোধন
- জেনে নিন ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আজকের নামাজের সময়সূচি
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচি প্রকাশ
- আজকের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পূর্ণ সময়সূচি
- দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
- আজ রাতে আকাশের খেলা: হ্যালির ধূমকেতুর ছোঁয়ায় দেখা মিলবে উল্কাবৃষ্টির!
- ৬ মে: শেয়ারবাজারে লাভে থাকা শীর্ষ ১০ শেয়ার
- ২৭ না কি ২৮ মে? কোরবানির ঈদ নিয়ে যা জানাল বিভিন্ন দেশের আবহাওয়া দপ্তর
- জুমার ৫ আমল বদলে দিতে পারে পুরো সপ্তাহ








