বিদেশ ভ্রমণকারীদের খরচ পরিশোধে এলো বড় সুখবর

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্যাকেজের মূল্য পরিশোধের প্রক্রিয়ায় বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ রোববার (৯ আগস্ট) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, এখন থেকে স্থানীয়ভাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ট্যুর অপারেটররা বিদেশ ভ্রমণ প্যাকেজের মূল্য সরাসরি বাংলাদেশি টাকায় গ্রহণ করতে পারবেন। ফলে বিদেশ ভ্রমণের আওতাধীন হোটেল বুকিং, অভ্যন্তরীণ যাতায়াত এবং গন্তব্যস্থলের অন্যান্য সেবা বাবদ খরচ এখন থেকে দেশীয় মুদ্রাতেই মেটানো সম্ভব হবে।
নতুন এই নীতি অনুযায়ী, ভ্রমণকারীদের কাছ থেকে টাকায় সংগৃহীত অর্থ পরবর্তীতে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে প্রচলিত বিনিময় হারে সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রায় রূপান্তরিত করে বিদেশের সংশ্লিষ্ট ট্যুর অপারেটর, হোটেল বা ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কাছে পাঠানো যাবে।
তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য ট্যুর অপারেটরদের ‘ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ (টোয়াব)-এর নিবন্ধিত সদস্য হতে হবে এবং বিদেশি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈধ চুক্তি থাকতে হবে। নতুন নিয়মে একজন ভ্রমণকারী বছরে সর্বোচ্চ ৩ হাজার মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ট্যুর অপারেটরের মাধ্যমে পাঠাতে পারবেন, যা সাধারণ ভ্রমণকারীদের বাৎসরিক ব্যক্তিগত ভ্রমণ কোটার (এনডোর্সমেন্ট) অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য হবে।
ব্যাংক লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ট্যুর অপারেটরদের প্রতিটি লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য, যেমন—গ্রাহকের পাসপোর্টের কপি, টাকার ট্রানজ্যাকশন প্রমাণ, ইনভয়েস ও ট্রাভেল আইটিনারারি সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া কোনো ভ্রমণকারী অন্য কোনো এজেন্সির মাধ্যমে নিজের বাৎসরিক সীমা ব্যবহার করেছেন কি না, সে সম্পর্কিত লিখিত ঘোষণাও নিতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়েছে, এই সুবিধা কেবল প্রকৃত বিদেশ ভ্রমণ সেবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে; ভ্রমণ ব্যয়ের আড়ালে কোনো মূলধনী অর্থ স্থানান্তর বা চুক্তি ছাড়া আগাম রেমিট্যান্স পাঠানো যাবে না। ব্যাংকগুলো কাগজপত্র পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাইয়ের পর অর্থ ছাড় করবে এবং পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে তা অবহিত করবে। গত ৭ মে জারি করা সংশ্লিষ্ট নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।
সূত্র: বাসস
শক্তিশালী ডলারের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম
শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের কর্মকর্তাদের কড়াকড়ি মুদ্রানীতির সপক্ষে বক্তব্যের প্রভাবে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী হয়েছে। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক বাজারের স্পট মার্কেটে দরপতনের প্রভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ধাতুটির আকর্ষণ কিছুটা কমেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার গ্রিনিচ মান সময় ১০টা ২৭ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে আসে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সরবরাহযোগ্য ডিসেম্বর মেয়াদের ফিউচার স্বর্ণের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৩০ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলার শক্তিশালী হওয়া এবং সুদের হার উচ্চ রাখার পক্ষে ফেডারেল রিজার্ভের অনড় অবস্থান বিনিয়োগকারীদের সুদমুক্ত সম্পদ হিসেবে স্বীকৃত স্বর্ণ কেনায় উৎসাহিত করছে না, যার নেতিবাচক প্রভাব সরাসরি বাজারদরে দেখা যাচ্ছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারের পতনের বৈপরীত চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে। গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া বর্ধিত দরেই দেশে ধাতুটির কেনাবেচা চলছে। বাজুস নির্দেশিত দর অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকায়।
একই সাথে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ হাজার ৩০১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকায় স্থির রাখা হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
আন্তর্জাতিক বাজারের উত্তাপ ও দেশীয় জ্বালানি নীতি নিয়ে সরকারের নতুন ভাবনা
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে ফিরে এলে বাংলাদেশেও তেলের দাম পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি উল্লেখ করেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে প্রয়োজনে আগের নির্ধারিত মূল্যের চেয়েও কম দামে জ্বালানি বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহে সরকারি কর্মকর্তা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক বাজারে অনিয়ন্ত্রিত দরউত্থানের কারণেই বাধ্য হয়ে দেশীয় বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করতে হয়েছে। তবে এত কিছুর পরও পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের মূল্য এখনো যথেষ্ট কম রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানি তেল ক্রয়ে প্রবাসীদের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয়। এই ঘামঝরা উপার্জনে কেনা মূল্যবান জ্বালানি যাতে সীমান্ত পেরিয়ে অন্য দেশে পাচার হতে না পারে, সেই ঝুঁকি এড়াতেই মূলত স্থানীয় দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভবিষ্যতে তেলের দাম হ্রাসের সম্ভাবনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট এখন বৈশ্বিক রূপ নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের চরম অস্থিরতা ও সংঘাত প্রশমিত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিস্থিতির ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তখন দেশীয় বাজারেও দাম পুনর্নির্ধারণ করা হবে এবং সুযোগ থাকলে তা আগের চেয়েও নিচে নামিয়ে আনা হবে।
আসন্ন বোরো মৌসুমে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কৃষকদের নিরবচ্ছিন্ন সেচ সুবিধা নিশ্চিতে বিদ্যুৎ সরবরাহকে প্রাধান্য দিয়ে আসছে।
ভবিষ্যতে কৃষি উৎপাদন সহজ করতে সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক সেচব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সৌরশক্তি ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হলে একদিকে যেমন সেচ খরচ কমে আসবে, অন্যদিকে জাতীয় গ্রিডের প্রচলিত বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ হ্রাস পাবে।
এর আগে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মূল মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আযম মুহাম্মদ আবু বকর, ঝিনাইদহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মতিয়ার রহমান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান, জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন প্রিন্স, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি কাজী একরামুল হক, ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবের সভাপতি আসিফ ইকবাল মাখন এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি জাহিদুজ্জামান মনাসহ সর্বস্তরের প্রতিনিধিরা।
কর্মসূচির শেষভাগে জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে স্মারক বৃক্ষরোপণ করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
/আশিক
বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে জ্বালানি খাতে বড় আর্থিক চাপ
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইরান বনাম আমেরিকা-ইসরায়েল সামরিক সংঘাতের জের ধরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও জাহাজ ভাড়া (ফ্রেইট চার্জ) উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে আমদানিভিত্তিক অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশের ওপর। আন্তর্জাতিক বাজারে আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় গত মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) অতিরিক্ত প্রায় ২৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিপিসি’র চেয়ারম্যান ড. মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ও পরিবহন খরচ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এতদিন তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা চালিয়েছে সরকার। ফলে বিগত ছয় মাসে বিপিসিকে বাড়তি ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা গুনতে হয়েছে, যা গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ৩ হাজার ৮১৩ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি করেছে।
জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের পর থেকে আন্তর্জাতিক তেলের দাম এবং ফ্রেইট চার্জের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি এখনও অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে নৌপথে পরিবহন ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। আগে যেখানে প্রতি ব্যারেলে জাহাজ ভাড়া ছিল ৩ থেকে ৪ ডলার, তা বর্তমানে চার থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ থেকে ১৭ ডলারে। এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের সঙ্গে স্থানীয় দর সমন্বয় না করা হলে বিপিসিকে প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ থেকে ৪ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হবে।
তবে তেলের দাম ও পরিবহন খরচ বাড়লেও দেশে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলে আশ্বস্ত করেছে বিপিসি। সংস্থাটি জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে এবং নিয়মিত আমদানি কার্যক্রমও সচল আছে।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারদরের কারণে ডিজেলে লিটারপ্রতি বিপিসির লোকসান হচ্ছে প্রায় ৭০ টাকা, যার ফলে প্রতিদিন সংস্থাটির ক্ষতি দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। এই ধারা অব্যাহত থাকলে কেবল ডিজেল খাতেই বছরে লোকসানের পরিমাণ দাঁড়াবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা। বিপিসি চেয়ারম্যান ইঙ্গিত দেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে লিটারপ্রতি দাম ২০ টাকা সমন্বয় করা সম্ভব হলে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার লোকসান কমানো সম্ভব হতে পারে।
/আশিক
ডিজিটাল অভিজ্ঞতায় বড় চমক, দেশজুড়ে নতুন ইন্টারনেট ব্যবস্থা আনল গ্রামীণফোন
দেশজুড়ে শক্তিশালী, দ্রুতগতির ও নির্বিঘ্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে ‘1Bangladesh 1Internet’ শীর্ষক নতুন এক উদ্যোগ চালু করেছে শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন। ক্রমবর্ধমান অনলাইন নির্ভরতা ও ভিডিও ব্যবহারের চাহিদা মেটাতে নিজেদের নেটওয়ার্ক অবকাঠামো জোরদারের পাশাপাশি লোকাল ক্যাশিং প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের লক্ষ্যে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এই উদ্যোগের ফলে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সেবা ও অনলাইন কনটেন্ট কোনো ধরনের বাফারিং ছাড়াই দ্রুত উপভোগ করতে পারবেন।
গ্রামীণফোনের তথ্যমতে, তাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিদিন গড়ে ৩ লাখ ৫২ হাজার ঘণ্টা ভিডিও স্ট্রিম করা হয়, যা সমষ্টিগতভাবে প্রায় ৪০ বছরের সমান। বিপুল এই চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে প্রতিষ্ঠানটি লোকাল ক্যাশ (Local Cache) ইকোসিস্টেমের পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে, যার মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত কনটেন্টগুলো দূরবর্তী আন্তর্জাতিক সার্ভার থেকে না এনে ব্যবহারকারীর কাছাকাছি অবস্থান থেকেই সরবরাহ করা হয়। এতে ডেটার দূরত্ব কমে আসায় প্রতিষ্ঠানটির নেটওয়ার্কে মাত্র ৫৫ মিলিসেকেন্ডের মধ্যে যেকোনো ভিডিওর ‘ফার্স্ট বাইট’ লোড হওয়া সম্ভব হচ্ছে; ফলে লাইভ স্ট্রিমিং ও দ্রুত ভিডিও ব্রাউজিং আরও বেশি সাবলীল হয়েছে।
এই দ্রুতগতির সংযোগের ভিত্তি মজবুত করতে গ্রামীণফোন বর্তমানে ৭০০ মেগাহার্টজ এবং ২৬০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম কার্যকরভাবে ব্যবহার করছে। পাশাপাশি দেশব্যাপী তাদের বিস্তৃত ২৪ হাজারেরও বেশি নেটওয়ার্ক টাওয়ারকে সমন্বিতভাবে এই সেবার আওতায় এনে গ্রাহকদের একক মানসম্মত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা দেওয়াই ‘1Bangladesh 1Internet’ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
/আশিক
অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় সুখবর: ৫ ধাপে বাড়ল সরকারি পেনশন, কার কত বৃদ্ধি?
অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিট পেনশন ৫টি ধাপে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর ফলে দীর্ঘদিন আগে অবসরে যাওয়া যেসব পেনশনভোগী তুলনামূলকভাবে কম অর্থ পাচ্ছেন, তাঁদের পেনশনের বৃদ্ধির হার অপেক্ষাকৃত বেশি হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনে আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য জানানো হয়। গত ১৭ সেপ্টেম্বর 'জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬'-এর মূল প্রজ্ঞাপন জারির পর আজ পেনশন বৃদ্ধির এই সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রকাশ করা হলো, যা গত ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, বর্তমানে যাঁরা মাসে ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাচ্ছেন, তাঁদের পেনশন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে; ফলে সর্বনিম্ন পর্যায়ের পেনশনভোগীরা এখন থেকে মাসে ১৮ হাজার টাকা পাবেন। এছাড়া ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন গ্রহণকারীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশন ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এতে সর্বোচ্চ ধাপের পেনশনভোগীদের মাসিক নিট পেনশন দাঁড়াবে ৭০ হাজার ২০০ টাকায়।
উল্লেখ্য, গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন এই বেতনকাঠামো অনুমোদন দেওয়া হয়। সে সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুসারে সামরিক ও বেসামরিক উভয় ক্ষেত্রে ‘এক গ্রেড এক পেনশন (ওআরওপি)’ পদ্ধতি বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। তবে এতে বিপুল আর্থিক বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তা এবং বেসামরিক খাতে ২০১৯ সালের পূর্ববর্তী অবসরপ্রাপ্তদের পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেজের ঘাটতি থাকায় ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে এই রূপরেখা পুরোপুরি কার্যকর করা হবে।
/আশিক
গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত ‘জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬’-এর গেজেট ও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন নির্দেশনার অপেক্ষা চলছে। বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে মূল বেতন গ্রেডভেদে ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে এটি কার্যকর ধরা হয়েছে। তবে মূল বেতন তিন ধাপে এবং ভাতাসমূহ ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার কথা রয়েছে। নতুন এই বেতন কাঠামোতে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও ইনক্রিমেন্টসহ মোট ১১টি ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তনের প্রস্তাব আনা হয়েছে, যা থেকে প্রায় ২৪ লাখ কর্মরত এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী উপকৃত হবেন।
প্রস্তাবিত নতুন কাঠামোতে বাড়িভাড়া ভাতার শতকরা হার কমানো হয়েছে; ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় তা বিদ্যমান ৫০-৬৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৪০-৬০ শতাংশ এবং ঢাকার বাইরে ২৫-৫০ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে, যদিও মূল বেতন বাড়ায় প্রকৃত টাকার অঙ্কে ভারসাম্য থাকবে। চিকিৎসাভাতা অভিন্ন ১ হাজার ৫০০ টাকার বদলে বয়সভেদে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ৫ শতাংশের অভিন্ন হার ভেঙে উচ্চ গ্রেডগুলোতে (গ্রেড ৫ থেকে ২) ২.৭৫ থেকে ৪ শতাংশ এবং নিম্ন গ্রেডে ৫ শতাংশ রাখা হয়েছে। প্রথমবারের মতো সব গ্রেডের জন্য মোবাইল ভাতা (১৫০ থেকে ৫০০ টাকা) এবং প্রতিবন্ধী সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা (সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য ৬ হাজার টাকা) বিশেষ ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া যাতায়াত ভাতা দ্বিগুণ করে ৬০০ টাকা, টিফিন ভাতা ৫০০ টাকা এবং ধোলাই ভাতা ৩০০ টাকা করার কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে নববর্ষ ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করার প্রস্তাব রয়েছে এবং ২০২৪ সালে চালু হওয়া বিশেষ প্রণোদনা বাতিল হবে। এক গ্রেড এক পেনশনের অংশ হিসেবে সর্বনিম্ন নিট পেনশন ১০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময়সীমা ১০ বছর থেকে কমিয়ে ৮ বছর করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় পে-স্কেলের সঙ্গে মিল রেখে সশস্ত্র বাহিনীর মূল বেতন (এনসিই পদে ২১ হাজার এবং মেজর জেনারেল পদে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা) পুনর্নির্ধারণসহ কমান্ড, ফ্লাইং পে, প্যারাসুট ও জরিপ ভাতায় উল্লেখযোগ্য সমন্বয় আনা হয়েছে। অর্থ বিভাগ থেকে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারির পরই এসব বিধান কার্যকর রূপ পাবে।
/আশিক
নিম্নমুখী প্রবণতার পরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, বাড়ল রুপার দামও
বিশ্ববাজারে আবারও মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে উল্লম্ফন দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর নাগাদ আন্তর্জাতিক স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩১২ দশমিক ০৫ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এর আগে বুধবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দর প্রায় ছয় সপ্তাহের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গিয়েছিল। তবে আন্তর্জাতিক স্পট বাজারে মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে ডিসেম্বর ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ হ্রাস পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৫১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বুধবার মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ তাদের নীতিগত সুদের হার বৃদ্ধি করেছে এবং আগামী মাসগুলোতে এই হার আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। সাধারণত উচ্চ মূল্যস্ফীতির বিপরীতে বিনিয়োগের নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হিসেবে স্বর্ণকে গণ্য করা হলেও নীতিগত সুদহার বৃদ্ধি পেলে বিনিয়োগকারীদের কাছে সুদবিহীন স্বর্ণের চেয়ে সুদ প্রদানকারী আর্থিক সম্পদগুলো অধিক লাভজনক হয়ে ওঠে, যা স্বর্ণের সার্বিক চাহিদায় নেতিবাচক চাপ সৃষ্টি করে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দরও বৃদ্ধি পেয়েছে; স্পট রুপার দাম ১ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৩ দশমিক ৮৩ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৭২ দশমিক ১৯ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ২৯১ দশমিক ৮৯ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে দেশের বাজারে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত সর্বশেষ মূল্যে স্বর্ণ ও রুপার গহনা কেনাবেচা চলছে। বাজুসের নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮০ টাকায় এবং সমমানের এক ভরি রুপার গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৬ টাকা। এ ছাড়া ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯০ হাজার ১২৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের গহনা ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩০৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
/আশিক
এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন
বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মেয়াদে ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। একই সঙ্গে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত এক কার্গো এলএনজি আমদানি, নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য টিসিবির মাধ্যমে ১০ হাজার টন মসুর ডাল ক্রয় এবং যমুনার তীর সংরক্ষণসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন ও ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বুধবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ক্রয় কমিটির নিয়মিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্তের অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের জন্য সরকার টু সরকার (জিটুজি) পদ্ধতি ও আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ৫০:৫০ অনুপাতে জ্বালানি তেল আমদানির বিদ্যমান শর্ত শিথিল করা হয়েছে। এর আওতায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দরকষাকষির মাধ্যমে নির্ধারিত প্রিমিয়াম, তেলের পরিমাণ ও আন্তর্জাতিক রেফারেন্স মূল্যের ভিত্তিতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল ক্রয়ের অনুমোদন মেলে।
সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে চীনের ইউনিপেক ও পেট্রোচায়না এবং ইন্দোনেশিয়ার বিএসপি; যার মোট আর্থিক সংশ্লেষ ১২ হাজার ৫৩৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এ ছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসি থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আগামী ১০ নভেম্বর আমদানির জন্য নির্ধারিত একটি অতিরিক্ত কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, যার দর ধরা হয়েছে জেকেএম ০.০২ মার্কিন ডলার প্রতি এমএমবিটিইউ।
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের মাঝে ভর্তুকি মূল্যে বিতরণের লক্ষ্যে ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অবকাঠামো ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় যমুনা নদীর ১ হাজার ৬২৫ মিটার তীর সংরক্ষণকাজে ১৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসার পানি সরবরাহ নেটওয়ার্ক উন্নয়ন প্রকল্পের একটি চলমান প্যাকেজে অতিরিক্ত ৬১ কোটি ৬৯ লাখ ৯৫ হাজার ৫৭৩ টাকা বৃদ্ধি এবং পর্যটন ও যোগাযোগের সুবিধার্থে কক্সবাজারের টেকনাফের সাবরংয়ে আরসিসি জেটি ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণে ২১৫ কোটি টাকার পৃথক প্রস্তাব অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা কমিটি।
/আশিক
নিম্নমুখী ধারার পর বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, কোন পথে হাঁটছে বাজার?
মার্কিন ডলারের দর কিছুটা কমে আসা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল হওয়ার মধ্যে বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০.৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩২৪ দশমিক ৩৬ ডলারে পৌঁছায়।
এর আগে গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ধাতুটির দর এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছিল। একই সঙ্গে ডিসেম্বর সরবরাহের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের গোল্ড ফিউচারসের দামও ০.৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৩৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি এখন মূল চালিকাশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের আসন্ন সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।
জেফরিজের অধীনস্থ আর্থিক প্ল্যাটফর্ম ট্রাডুর জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস তজাবোরাসের মতে, ডলারের মান কিছুটা দুর্বল হওয়া, জ্বালানি তেলের বাজারে স্থিতি এবং মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ড বা সুদের হার কমে আসার কারণে স্বর্ণের দামে এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে উল্লেখ করেন যে স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের সামগ্রিক গতিধারা এখনো কিছুটা নিম্নমুখী। সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিপরীতে স্বর্ণকে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নিরাপদ বিনিয়োগ ভাবা হলেও মার্কিন মুদ্রানীতিতে সুদের হার বেশি থাকলে সুদবিহীন এই ধাতু ধরে রাখার সুযোগব্যয় বেড়ে যায়, যা স্বর্ণের দামের ওপর উল্টো নিম্নমুখী চাপ সৃষ্টি করে।
এ ছাড়া বাজেট ঘাটতির কারণে ডলারে আস্থার সংকট বিনিয়োগকারীদের বাস্তব সম্পদে ঝুঁকতে উৎসাহিত করছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রই নয়, চলতি সপ্তাহে ব্যাংক অব জাপানসহ বিশ্বের একাধিক শীর্ষ কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সুদের হারের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করতে যাচ্ছে; বিশেষ করে ব্যাংক অব জাপান তাদের সুদহার ৩১ বছরের সর্বোচ্চে উন্নীত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
অর্থনৈতিক নিয়ামকের পাশাপাশি বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অস্থিরতাও স্বর্ণের নিরাপদ বিনিয়োগ চাহিদাকে চাঙ্গা রেখেছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, মক্কার দক্ষিণাঞ্চলে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হুতিদের একটি ড্রোনকে পবিত্র নগরীর নিষিদ্ধ আকাশসীমায় প্রবেশের আগেই ধ্বংস করেছে। এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে বিশ্ববাজারে রুপার দাম ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ৩০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩০৪ দশমিক ৯৪ ডলারে উঠেছে; বিপরীতে প্লাটিনামের দর ০.২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৭৭১ দশমিক ৬৫ ডলারে স্থির হয়েছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারের এই অস্থিরতার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
/আশিক
পাঠকের মতামত:
- আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দক্ষিণ শ্রীপুরে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রার্থী হতে চান পাপিয়া পারভীন
- ভুয়া বিজ্ঞাপনের অভিযোগে গ্রাহকদের কোটি কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে আইফোন নির্মাতা
- ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলায় যুক্ত হলো নতুন মোড় ও বৈজ্ঞানিক তথ্য
- 'জামায়াত আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে': রাশেদ খাঁন
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের ফাঁকে হাই-ভোল্টেজ প্রাতরাশ বৈঠক
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ-সহনশীল ও আধুনিক বিদ্যুৎ কাঠামোর পথে বাংলাদেশ
- বৃহস্পতিবার দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায়
- দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন এলএনজি আমদানির অনুমোদন
- বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তনের আভাস নিয়ে হাই-ভোল্টেজ বৈঠক
- শক্তিশালী ডলারের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম
- আন্তর্জাতিক বাজারের উত্তাপ ও দেশীয় জ্বালানি নীতি নিয়ে সরকারের নতুন ভাবনা
- যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিল তেহরান
- হামের উপসর্গে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত আরও শতাধিক শিশু
- পাসপোর্ট খোয়া গেলে বা নষ্ট হলে যেসব নিয়ম মানতে হবে
- বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক প্রসার নিয়ে চীন সরকারের নতুন ভাবনা
- বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে জ্বালানি খাতে বড় আর্থিক চাপ
- সামরিক ক্ষয়ক্ষতির জল্পনায় জল: যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে ট্রাম্পের বড় দাবি
- জাতিসংঘের অধিবেশনে বিশ্ব নেতাদের সামনে জলবায়ু সংকট নিয়ে কড়া বার্তা
- দল থেকে বহিষ্কৃত তবুও এমপি! গাজী নজরুলের ঘটনায় সংসদে নতুন আইনের দাবি
- দ্রুত উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে নতুন আবহাওয়া দুর্যোগ
- অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসারের ৭টি নীরব লক্ষণ যা সাধারণ ভেবে ভুল করেন অনেকেই
- নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে যুক্ত হলেন জাতীয় দলের তারকা পেসার
- মার্কিন ডুবোজাহাজ দখলের দাবি ইরানের, শুরু হচ্ছে ‘রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং’
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা
- হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন কূটনৈতিক প্রস্তাব
- 'হাসিনার সময় পদত্যাগ চাইতাম, এখন চাওয়া ঠিক হবে না': জাহেদ উর রহমান
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে রিমান্ডে নিলেই বের হবে বাসে আগুনের রহস্য: রাশেদ খাঁন
- ইরানের বিষয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত দিল ওয়াশিংটন
- দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগে ভারতের সবুজ সংকেত
- চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের আকাশে উড়ন্ত রহস্যময় বস্তু
- পাইপলাইন মেরামতের জন্য যেসব এলাকায় মঙ্গলবার গ্যাস থাকবে না
- তেহরানের আকাশে রহস্যময় আলোর পিণ্ড: নতুন করে জল্পনা শুরু
- নতুন সামরিক সক্ষমতা দেখে বিশ্ব চমকে যাবে: আইআরজিসির চরম হুঁশিয়ারি
- দাম বাড়ার পরও প্রতি লিটার ডিজেলে ৭০ টাকা লোকসান গুণতে হবে: রিজভী
- জাতিসংঘের মঞ্চে জিয়া পরিবারের তৃতীয় উত্তরাধিকার
- দেবিদ্বারে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের তাণ্ডব: প্রাণ গেল মা ও শিশুর
- কম বয়সে চুল পড়ার প্রধান তিনটি কারণ ও এর প্রতিকার
- পুরোনো সহযোগীকে পাশে নিয়ে নতুন মিশনে নামছেন ধোনি
- আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে নিজেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা দাবি করলেন এমপি নজরুল
- শিশুদের কল্যাণে অনন্য নজির স্থাপন করলেন আর্জেন্টাইন তারকা
- আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনার মধ্যেই রাশিয়ার নির্বাচন সম্পন্ন
- অপরাধীদের মুখোশ উন্মোচনে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
- লংমার্চকে কেন্দ্র করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করা হলে মেনে নেবে না বিএনপি: রিজভী
- সাইবার অপরাধ দমনে চীনের সঙ্গে নতুন সহযোগিতার ঘোষণা
- সরকারের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভূত চেপে বসেছে: মিয়া গোলাম পরওয়ার
- দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে নতুন মৃত্যুর পরিসংখ্যান সামনে এল
- আলোচিত সংসদ সদস্য ও তাঁর স্ত্রীর রিমান্ড মঞ্জুর
- জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ইতালীয়দূতের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
- আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ক্ষণ ঘনিয়ে আসছে মেসির
- যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য বিশ্বাস করে না বিশ্ব, মন্তব্য ইরানি মুখপাত্রের
- অপ্রতিমের মৃত্যু যে প্রশ্ন রেখে গেল: নিরাপত্তা, জনআস্থা ও আইনশৃঙ্খলার নতুন পরীক্ষা
- গেজেট প্রকাশের আগেই সামনে এলো নতুন পে-স্কেলের বিস্তারিত, কার কত বাড়ছে?
- মক্কার ড্রোন হামলার ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটদুনিয়া, যা জানা গেল ফ্যাক্ট চেকে
- বিরলে পুষ্টি সংবেদনশীল হর্টিকালচার নার্সারি বিষয়ে প্রশিক্ষণ
- তাপপ্রবাহের মাঝে বৃষ্টির পূর্বাভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা
- এলএনজি, জ্বালানি তেল ও টিসিবির পণ্য কেনায় সরকারের মেগা অনুমোদন
- নিম্নমুখী প্রবণতার পরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের বড় লাফ, বাড়ল রুপার দামও
- অবসরপ্রাপ্তদের জন্য বড় সুখবর: ৫ ধাপে বাড়ল সরকারি পেনশন, কার কত বৃদ্ধি?
- আগামী মাসে রূপপুর থেকে গ্রিডে আসবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: রুশ রাষ্ট্রদূত
- একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ
- বাড়বে না হজের নিবন্ধনের সময়, চূড়ান্ত সময়সীমা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা
- এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাল্টে গেল চিত্র, ব্যালন ডি’অরের মঞ্চে দুই তারকার সরাসরি লড়াই
- টানা ২৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না রাজধানী ও আশপাশের যেসব গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়
- পরমাণু শক্তির নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ, ভিয়েনায় তুলে ধরলেন মন্ত্রী
- শেষ হতে চলেছে স্মার্টফোনের যুগ? রহস্যময় ডিভাইস নিয়ে আসছে ওপেনএআই








